{ "cells": [ { "cell_type": "code", "execution_count": 19, "id": "9053f0e4", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "import json\n", "from uuid import uuid4\n", "\n", "from sentence_transformers import SentenceTransformer\n", "from qdrant_client import QdrantClient\n", "from qdrant_client.models import (\n", " Distance,\n", " VectorParams,\n", " PointStruct,\n", ")\n", "from rank_bm25 import BM25Okapi\n", "import numpy as np" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 20, "id": "c3abb949", "metadata": {}, "outputs": [ { "data": { "application/vnd.jupyter.widget-view+json": { "model_id": "457430f7c58043c3b64f958560ebdad0", "version_major": 2, "version_minor": 0 }, "text/plain": [ "Loading weights: 0%| | 0/199 [00:00 গ্যালাক্সি কী করে তৈরি হয়? এই অষংখ্য গ্যালাক্সি মহাবিশ্বে কিভঅবে সজ্জিত আছে? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আমাদের বিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে কী করে? বস্তুর মৌলিকতম উপাদান কী? কেমন তার আচরণ? সৃষ্টির মাহেন্দ্র ক্ষণটিতে কি তার কোনো ভূমিকা ছিল? নাকি সে নির্গুণ অকর্মণ্য, কেবলই এক নীরব দর্শক? বিশ্বের প্রসারণ কি চলতেই থাকবে নাকি এর কোনো শেষ আছে? সর্বোপরি মহাবিশ্বের নিয়তি কী? বহির্বিশ্বে কি প্রাণ সম্ভব? এইসব মিলিয়ন ডলার প্রশ্নের উত্তর এবং আরো অনেক নতুন প্রশ্নের ঝাঁপি নিয়ে মহাকাশের কথা। আজকের মানুষ মহাশূন্যে স্পেস-স্টেশন স্থাপন করেছে, অন্য গ্রহে বসতি স্থাপনের চিন্তা করছে। এমনকি এই দেশেই আছে নভোথিয়েটার। এই যখ পরিপ্রেক্ষিত, তখন কি স্পেস/ অ্যাস্ট্রনমি/ কসমোলজি এখনো উদাসীন বিজ্ঞানীর চিন্তার বিষয় হয়েই থাকবে? যারা আজকের এবং আগামী দিনের আধুনিক বিশ্বের নাগরিক হবেন তারা কি ‘অদ্ভুত উঠের পিঠে’ই চলতে থাকবেন? পাখ, আপনার কী অভিমত? সূচিপত্র * মহাকাশের কথা * সূর্য ও তার সাথীরা * তারার জগতে হাতছানি * ওই যে সুদূর নীহারিকা * মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকাল-মাঝে'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbce6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চক্ষে আমার তৃষ্ণা',\n", " 'seo_url': 'চক্ষে-আমার-তৃষ্ণা',\n", " 'description': 'চক্ষে আমার তৃষ্ণা ওগো, তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে। আমি বৃষ্টি বিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে ঝড় উঠছে তপ্ত হাওয়ায় মনকে সুদূর শূন্যে ধাওয়ায় অবগুণ্ঠন যায় যে উড়ে যে ফুল কানন করত আলো কালো হয়ে সে শুকালো। ঝরনারে কে দিল বাধা-নিষ্ঠুর পাষাণে বাঁধা দুঃখের শিখরচূড়ে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbcea',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভূতবন্ধু',\n", " 'seo_url': 'ভূতবন্ধু',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অদ্ভুত একটা বন্ধু-ভূতবন্ধু। একটা পা নেই জর্জের। এই ভূতবন্ধুটা অনেক কাজ করে দেয় তার।মাঝে মাঝে গল্পও করে তার সঙ্গে একদিন জর্জের এই প্রিয় বন্ধুটা তাকে ছেড়ে চলে যায়। কেন? ফাঁকিবাজ অনেক ছেলে আছে এই পৃথিবীতে। কিন্তু ইফতি আর রিচির মতো ফাঁকিবাজ কেউ আছে কি? ওরা এতই ফাঁকিবাজ যে, ওদের শিক্ষক ওদের ছেড়ে পালিয়ে যায়। কী ভয়ানক কাণ্ড! মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায় রুদ্রের। কে যেন দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আছে।রুদ্র জিজ্ঞেস করে, কে? কথা বলে না কেউ। কিন্তু মেঝেতে পড়ে থাকা রক্তাক্ত ছুরিটা কার? সমর্মি র বাবা সুমর্মিকে শান্তি দেবেন বেল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অদ্ভুত, অন্যরকম একটা শাস্তি দেবেন তাকে।কিন্তু শান্তি এরকম কখনো হয়! জন্মদিন হয়, কিন্তু কখনো কি জন্মরাত হয়? জর্জের তাই হয়েছিল। কিন্তু জন্মরাত এত ভয়ঙ্কর হয়, এত হৃদয় কাঁপানো হয়! স্কুলের কাঁঠাল গাছ থেকে কাঁঠাল চুরি হয়েছে।কিন্তু কেউ ধরতে পারছে না চোরটা আসলে কে? অবশেষ জর্জকে ডাকলেন হেডস্যার। খুব সুন্দরভাবে চোর বের করে ফেলল জর্জ। কীভাবে?'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbcec',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তো তো তোতলা তোতন',\n", " 'seo_url': 'তো-তো-তোতলা-তোতন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ সনজুর কানের কানের কাছে মুখ এনে তোতন ফিসফিস করে বলল, ‘ও ও ওদিকে তাকা, দেখ ক্কে ক্কে তাকিয়ে আছে।’ হাতের লাল রঙের আইসক্রিমটাতে আরেকটা কামড় দিল সানজু। খুব আরাম করে সেটা চিবাতে লাগল, তারপর সেটুকু খেয়ে আবার কামড় দিল, কিন্তু তোতনের কথার কোনো উত্তর দিল না। তোতন যেদিকে তাকাতে বলল, তাকাল না সেদিকেও। সনজুর তাহ খামচে ধরে তোতন এবার একটু রেগে গিয়ে বলল,‘দেখলি না ক্কে ক্কে তাকিয়ে আছে।’ সজনু এবার তাকাল। একটা লোক তাকিয়ে আছে তাদের দিকে-গলায় মাফলার, গায়ে ময়লাওয়ালা কোট এবং একনাগারে দাঁত খোঁজাচ্ছে সে খুব আনন্দ নিয়ে। লোকটা তাদের পিছু নেয়, তারা যেখানে যায় সেখানে গিয়েই উপস্থিত হয় সে। অদ্ভুত একটা স্বভাব আছে তার-সবজি খায় সে প্রতিদিন, কাঁচা সবজি। এ ছাড়া অন্য কিছু খায় না। লোকটাকে একদিন দড়ি কিনতে দেখে তারা চমকে যায় এবং বুঝে যায়-লোকটা ভয়ঙ্কর! লোকটা থেকে পালাতে হবে তাদের। কিন্তু পালাতে গিয়েই আরেকটা বিপদে পড়ে যায় তারা। এমন বিপদে তারা কোনোদিন পড়েনি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbcee',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রসায়ন অলিম্পিয়াড কুইজ',\n", " 'seo_url': 'রসায়ন-অলিম্পিয়াড-কুইজ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * রসায়নের সাধারণ জ্ঞান * রসায়নের প্রাথমিক জ্ঞান * পরমাণুর গঠন * পর্যায় সারণী * রাসায়নিক গণনা * গ্যাসীয় অবস্থা * রাসায়নিক ক্রিয়া ও সমীকরণ * রাসায়নিক বন্ধন * দ্রবণ ও মোলারিটি * জারণ-বিজারণ * অম্ল-ক্ষারক সাম্যাবস্থা * তড়িৎ রসায়ন * রাসায়নিক গতিবিদ্যা * নিষ্ক্রিয় গ্যাস * গ্রুপ-IA ও গ্রুপ-IIA মৌলসমূহের রসায়ন * গ্রুপ-IIIA ও গ্রুপ-IVA মৌলসমূহের রসায়ন * গ্রুপ-V ও গ্রুপ-VI মৌলসমূহ * গ্রুপ-VII মৌলসমূহ * ধাতু ও d-ব্লক মৌলসমূহ * জৈব রসায়নের সূচনা * হাইড্রোকার্বন * অ্যালকোহল, ফেলন ও ইথারসমূহ * অ্যালডিহাইট ও কিটোন * জৈব এসিড ও এদের জাতকসমূহ * অ্যামিনসমূহ * বায়োঅনুসমূহ * 40th International Chemistry Olympiad, Theoretical'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbcf0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কিশোর বিজ্ঞান সমগ্র',\n", " 'seo_url': 'কিশোর-বিজ্ঞান-সমগ্র',\n", " 'description': 'সূচীপত্র * আবিষ্কারের নেশায় * সাগরের রহস্যপুরী * তারার দেশের হাতছানি * টেলিভিশনের কথা * পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে * মহাকাশে কী ঘটছে * আকাশ অনেক বড় * কমপিউটারের আশ্চর্য জগৎ'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbcfe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত',\n", " 'seo_url': 'অশ্বঘোষের-বুদ্ধচরিত',\n", " 'description': 'বই পরিচিতি: দেশসেরা দুই ফান ম্যাগাজিন ‘রস আলো’ ও ‘উন্মাদ’-এ লেখার সূত্রে আসিফ মেহ্দীর প্রথম বইটি রম্যগল্পের। ‘বেতাল রম্য’ নামের সেই বইয়েই আসিফ মেহ্দী লাভ করেন তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা। এরপর একে একে প্রকাশিত তাঁর প্রতিটি বই শুধু পাঠকপ্রিয়তাই লাভ করেনি, উঠে এসেছে বেস্ট সেলার বইয়ের তালিকায়। ‘রস আলো রম্য’-এর লেখাগুলোতে একদিকে যেমন আছে হাস্যরস; অন্যদিকে তেমনি সামাজিক অসঙ্গতিগুলোও সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বইটি শুধু অনাবিল আনন্দ দেবে, তা নয়; পাঠকমাত্রই জীবন ও দেশ নিয়ে আরেকবার গভীরভাবে ভাবার তাগিদও অনুভব করবেন। ---------------------------------------------------------------------------------------------------------------- লেখক পরিচিতি: সাহিত্যের প্রতি আসিফ মেহ্দীর ঝোঁক ছাত্রজীবন থেকেই। দেশসেরা দুই ফান ম্যাগাজিন ‘উন্মাদ’ ও ‘রস আলো’তে লেখার সুবাদে রম্যলেখক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন আগেই। সেই সূত্রে প্রথম বইটাও রম্যগল্পের। ‘বেতাল রম্য’ নামের সেই বইয়েই আসিফ মেহ্দী লাভ করেন তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা। এরপর একে একে প্রকাশিত তাঁর প্রতিটি বই শুধু পাঠকপ্রিয়তাই লাভ করেনি, উঠে এসেছে বেস্ট সেলার বইয়ের তালিকায়। সম্প্রতি লিখছেন দেশসেরা কিশোর ম্যাগাজিন ‘কিশোর আলো’তে। ব্যঙ্গ আর হাসির সঙ্গে গভীর জীবনবোধের প্রতিফলন ঘটিয়েই আসিফ মেহ্দী এ সময়ের জনপ্রিয় লেখকদের কাতারে নিজের অবস্থানটা বেশ পাকাপোক্ত করে ফেলেছেন। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা এগারো। এসএসসি ও এইচএসসি দুই পরীক্ষাতেই ঢাকা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্ট্যান্ড করেছেন আসিফ মেহ্দী। বুয়েট-এ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করেছেন। ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষায় নিজ ক্যাডারে ১ম স্থান অধিকার করে বর্তমানে বাংলাদেশ বেতারের গবেষণা ও গ্রহণ কেন্দ্রে সহকারী বেতার প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর সহধর্মিনী মৌবীণা জ্যাকলিন বারি পেশায় ডাক্তার। আসিফ মেহ্দীর বইগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত পাবেন তাঁর ওয়েবসাইটে (www.asifmehdi.info)। ---------------------------------------------------------------------------------------------------------------- বইটির উৎসর্গপত্র: ‘রস আলো’তে তাঁর সম্পাদনাকাল আমার জন্য স্বর্ণসময়! কোনো কোটা বা প্রণোদনা প্যাকেজ নেই; অথচ আমার লেখা এখন নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে দেশসেরা এ রম্য পত্রিকাটিতে। বি.স.-র এই মহানুভবতা অক্ষুণ্ন থাকুক, অটুট থাকুক! ছায়ার মতো চুপচাপ, পাহাড়ের মতো বিনয়ী, আকাশের মতো উদার ‘রস আলো’র বর্তমান বি.স.- - মাহফুজ রহমান। ---------------------------------------------------------------------------------------------------------------- ভূমিকা (লেখকের কথা): ‘রস আলো’তে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত ‘প্রকৌশল রস’, ‘পত্র রস’, ‘পাকি সেনা রস’, ‘প্যারোডি রস’-এর সংকলন এই বই। ‘রস আলো রম্য প্রথম পর্ব’ বইটির ধারাবাহিকতায় প্রকাশিত হলো এটি। বই দুটো প্রকাশে আগ্রহ দেখানোয় জাগৃতি প্রকাশনীর অমায়িক কর্ণধার দীপন ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা! সবচেয়ে কঠিন কাজ- মানুষের মুখে হাসি ফুটানো; গুটানো হৃদয়ে খুশি জুটানো। সেই কঠিনেরে আমি ভালোবেসেছি। অর্থ দিয়ে মানুষকে আনন্দ দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই; তাই শর্তহীনভাবে লেখার ছন্দ দিয়ে তাদের প্রাণ জুড়াতে চেষ্টা করি। প্রচেষ্টার শেষটা কী হবে জানা নেই; তবে রেশ থাকতে তো মানা নেই! বইটি আপনাদের হৃদয়ে লেশমাত্র আনন্দানুভূতি সঞ্চার করতে পারলেও আমার শ্রম অর্থময় হবে! আসিফ মেহ্দী'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd00',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাংলাদেশের বন ও বনানী',\n", " 'seo_url': 'বাংলাদেশের-বন-ও-বনানী',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আদিকাল থেকে ও মানুষসহ সমগ্র প্রাণিজগৎ বন ও বনানীর উপর নানা ভাবে নির্ভরশীল। বন ও বনানীও প্রাণিজগতের পাশাপাশি মানুষের কাছে ঋণী। পৃথিবীর দূষণমুক্ত আবহাওয়া, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাণী ও উদ্ভিদের বৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্যও পৃথিবীর স্থলভাগের অন্তত এক ভাগে বনবনানি থাকা আবশ্যক। কিন্তু মানুষ নির্বিচারে বন ধ্বংস করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে হুমকির সৃষ্টি করেছেন। সে সঙ্গে বিশ্বের উষ্ণায়নেও প্রত্যক্ষ অবদান রাখছে। কাছেই, মানুষকে, বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের কাছে বনজনানির অবদান সম্পর্কে সচেতন করা জরুরি। সেই সঙ্গে বনবিষয়ক অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্যও গ্রন্থে পরিবেশিত বক্তব্যসমূহ প্রাসঙ্গিক। সাধারণ পাঠক ও শিক্ষার্থীরা বইটি থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করে উপকৃত হতে পারেন। সূচিপত্র * ফরেস্ট (বন) ও ফরেস্ট্রি (বন ব্যবস্থাপনা) * পৃথিবীর বন ও বনানী * বাংলাদেশের বন ও বনানী * বন ও বনানীর অবদান * বন ও বনানী ধ্বংসের কারণ * বন-বনানীর উদ্ভিদ ও প্রাণী * বাংলাদেশের বননীতি ও বিধিবিধান * সামাজিক বনায়ন * বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা * বন সংরক্ষণ ও বন ব্যবস্থাপনা'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd02',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রাণের মাঝে গণিত বাজে (বীজগণিতের গান)',\n", " 'seo_url': 'প্রাণের-মাঝে-গণিত-বাজে-বীজগণিতের-গান',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ইয়াকভ পেরেলমানের এলজেব্রা ক্যান বি ফান বইটি থেকে অনুপ্রাণিত এই বইটিকে রেফারেন্স বইও প্রথমপাঠ বলা যাবে না। এটি ঠিক রেফারেন্স বইও নয়। এই বইটি তাঁদের জন্য লেখা, যাঁরা বীজগণিত বিষয়ে স্কুল পর্যায়ের জ্ঞান রাখেন, কিন্তু বীজগণিতের আসল মজাটা কখনো হৃদয়ঙ্গম করতে পারেননি। এই বইটি তাঁদের জন্য যাঁরা বারবার ভেবেছেন, বীজগণিত করে কী লাভ, কিন্তু কোনো সদুত্তর পাননি। বীজগণিত কীভাবে আমাদেরকে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে পারে তা এই বইটি পড়লে পাঠক আশা করি বুঝতে পারবেন। বীজগণিত শেখানো নয়, যুক্তিচর্চার এক হাতিয়ার হিসেবে বীজগণিতকে অনুভব করতে পাঠককে সমর্থ করে তোলাই এই বইটির উদ্দেশ্য। উল্লেখ্য, পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে বইটির কলেবর ছোট রাখার স্বর্থে বিভিন্ন স্থানে লেখকের পূর্ববর্তী বই প্রাণের মাঝে গণিত বাজে : জ্যামিতির জন্য ভালোবাসা’র রেফারেন্স টানা হয়েছে, যা ব্যবহার করলে এই বইটির বক্তব্য স্পষ্টতর হবে। বীজগণিতের নানা দিক, মজার মজার সমস্যার আকারে উপস্থাপন করে বর্ণনা করা হয়েছে যাতে পাঠক একই সাথে সমস্যা সামাধানের বিভিন্ন কৌশল সম্বন্ধেও জানতে পারেন। সেই সাথে, স্কুল পর্যায়ে শেখা বীজগণিতের নানা ফাঁক পূরণ করতে এই বইটি ভূমিকা রাখবে। আসুন, যুক্তির পথ ধরে মুক্তির দিকে এগিয়ে যাই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd06',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আপনার স্বাস্থ্য কুশলসমগ্র',\n", " 'seo_url': 'আপনার-স্বাস্থ্য-কুশলসমগ্র',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আমার রহরহ এমন সব স্বাস্থ্য সমস্যার মুখোমুখি হই যেগুলো শুনতে সাধারণ হলেও নিজের স্বাস্থ্য কুশলের জন্য এদের গুরুত্ব কম নয়।অতচ একটু সচেতন হলে এদের এড়ানো সম্ভব। শরীরকে মহাশয় জ্ঞানে একে নিয়ে আমরা কমই ভাবি, অনেক সময় শরীরকে অবহেলাও করি। তখন দূর্ভোগ পোহাতে হয়। অসুখ হয়, সুখের অভাব ঘটে। কিছু নিয়ম আচার মেনে চললে সেবস দুশ্চিন্তার অবসান হতে পারে। কিভাবে সুস্থ্য থাকা যায় তা জানলে , রোগ সম্বন্ধে জানলে-বুঝলে রোগ প্রতিরোধ অনেক সহজ হয়। সবল সফল সুস্থ্য জীবন আমরা পেতে পারি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের এসব তথ্য , কিছূ উপদেশ, পরামর্শ সহজ করে বলার একটি চেষ্টা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় কিছূ জ্ঞান লাভের জন্য সবসময় চিকিৎসকের কাছে যাবার দরকার নেই। এই সংকলন গ্রন্থটি একটি স্বাস্থ্যকর নিয়ম আচার অনুসরণী হিসেবে কাজ করবে, রোগ প্রতিরোধের সহায়ক গ্রন্থ হবে এমন বিশ্বাস আছে। ভূমিকা সত্তরের দশকে স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখা লেখা শুরু। তখন দৈনিক সংবাদের সাহিত্য পাতায় এবং পরে আজকের বিজ্ঞান পত্রিকায় আমার স্বাস্থ্য সম্বন্ধে লেখা গুলো প্রকাশিত হতো । সেই লেখা গুলো একত্র করে আমার স্বাস্থ্যবিষয়ক গ্রন্থ প্রকাশিত হলো আপনার স্বাস্থ্য: কুশল সমগ্র। লেখাগুলো ৬টি খন্ডে প্রকাশিত হয়েছিল্। সেই সময় লেখাগুলো পাঠকপ্রিয় হয়েছিল বলে আমার ধারনা। এরপর অনেক লিখেছি, বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য বিষয়ক বেরিয়েছে আমার । কিন্তু ‘ আপনার কুশল’ আমার কাছে এখনও স্মৃতিজাগানিয়া ; আমার কাছে বাংলায় স্বাস্থ্য সম্বন্ধে লেখার প্রথম প্রচেষ্টার একটি, সেই অর্থে স্মৃতি। সেই স্মৃতি সতত সুখের। প্রথম প্রয়াস একটি অন্য আবেদন নিয়ে আসে মনে। এরই মধ্যে বন্ধুবর শ্রী মিলন নাথ, অনুপম প্রকাশনীর যোগ্য কর্ণধার প্রস্তাব দিলেন একে সংকলিত করে প্রকাশ করার। প্রবল তাগিদও দিলেন। তাই লেখাগুলি সমসাময়িক করে , যথাসম্ভব নতুন তথ্য যোগ করে সংকলিত করার একটি প্রচেষ্টা করলাম। সেই প্রচেষ্টার ফসল হলো ‘ আপনার স্বাস্থ্য: কুশল সমগ্র’ । পরিকল্পনা মিলন বাবুর, প্রয়াসটি আমার। সে সাথে বাংলা একাডেমির পরিচালক অনুজপ্রতিম শ্রী অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উৎসাহ ও সহযোগিতা ছিল অনেক। তাদের সঙ্গে আমার এমন সম্পর্ক যে কেবল ধন্যবাদ দিয়ে তাদের ছোট করতে চাইনা। কৃতজ্ঞ তাদের কাছে হয়েই আছি। লেখা গুলোর মধ্যে অনেক তথ্য রয়েছে যা আগের হলেও এর প্রবহমানতা রয়েছে, বর্তমানে, চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে একটি সম্পর্ক খুঁজে পাওয়ার জন্য অতীত কিছু তথ্য সহায়ক হবে। সে সঙ্গে যতদূর সম্ভব একে সাম্প্রতিক, সমসাময়িক করার চেষ্টা করা হয়েছে। পাঠক পাঠিকাদের যদি ভালো লাগে এই সংকলন গ্রন্থ তাহলে বড় কৃতার্থ হবো। ভালো থাকুন। শুভাগত চৌধুরী ১লা আগস্ট ২০২২-০৮-১৩ সূচিপত্র *স্বাস্থ্য রক্ষায় দই *খাওয়া-দাওয়া *রসনার রসায়ন *চা স্পৃহা চঞ্চল হোক, ক্ষতি কি *পানিই জীবন *চিনি: অমৃত- গরল সংবাদ *চিনির বিকল্প: কতটুকু নিরাপদ *খাবার-দাবার এবং এলার্জি *নিরামিষ আহার স্বাস্থ্যের জন্য *দৌড়ান স্বাস্থের জন্য *হাঁটুন স্বাস্থের জন্য *সুস্বাস্থ্য অভ্যাসের দাস *দেহের ভেতর এক ডাক্তার বাস করে *ভালো বাসা চেনা চাই *আবহাওয়া ও স্বাস্থ্য *পাহাড়িদের স্বাস্থ্য *সাগর সঙ্গম ও স্বাস্থ্য *কোলাহল-কলরব এবং স্বাস্থ্য *ছিম ছাম হতে চাইলে *সারাজীবন স্লীম থাকার উপায় * ডায়েটিং করেও কেন মেদ ঝরে না *স্থুলদেহের রকমফের *খাই খাই অসুখ *শীতের সঙ্গে বসবাস *হিটস্ট্রোক হলে *সর্প দংশন ও প্রসঙ্গ কথা *রঙ-কানাদের কথা *রোগ নিরাময়ে ইচ্ছাশক্তি *বিশ্বাস, মন এবং স্বাস্থ্য *মানসিক চাপ প্রসঙ্গ *মানসিক চাপ ও রোগ *জেনে শুনে বিষ পান *নেশা সর্বনাশা *সুরাপান মানে বিষপান *ফুসফুসের যত্ন *ঘরে বসে হৃৎপিন্ডের যত্ন *অথ কোলেস্টেরর কথা *কোলেস্টরল ও পথ্যবিধি *কোলেস্টেরলের বিরুদ্ধে একটি সৈনিক: কয়লা *রক্তচাপ প্রসঙ্গ *উচ্চ রক্তচাপ *রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন : ওষুধ নয় * এনজাইনা *হার্ট এটাক *প্রথম হার্ট এটাকের পর *হৃদয় ও হৃৎপিন্ড *স্ট্রোক *মৃগীরোগ *গলগন্ড ও বিবিধ জটিলতা *আয়রন ঘাটতি ও রক্তস্বল্পতা *লেখকের রোগভোগ *ডায়াবেটিস *তরুনদের ডায়াবেটিস *ডায়াবেটিস রোগে পথ্যবিধি *ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে ব্যায়াম *ডায়াবেটিস প্রতিরোধ *ক্যান্সার *ক্যান্সার এবং খাদ্য *তৃতীয় বিশ্বের স্বাস্থ্য সমস্যা: ক্যান্সার *জ্বরের রহস্য *কালাজ্বর *টাইফয়েড জ্বর *ম্যালেরিয়া ফিরে ফিরে আসা *ম্যালেরিয়া নবরুপে *যক্ষ্ণার প্রত্যাবর্তন: চ্যালেঞ্জ *মানুষ প্রতিপক্ষ ভাইরাস *ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই *ঠান্ডা লাগা তুচ্ছ ব্যাপার নয় *ফ্লু *সাধারণ ঠান্ডা লাগা *এলার্জি *জলাতঙ্ক *জলবসন্ত *হার্পিস ভাইরাস এবং ভোগ রোগ *হেপাটাইটিস *এইডস ভাইরাস প্রসঙ্গ *শতাব্দীর রোগ - এইডস *মাথা ধরা *ব্যথা-বেদনার রহস্য *বেদনা হলেই ওষুধ নয় *ব্যথা বেদনা: নিরাময়ের নতুন সূত্র *আকুপাংচার *ওষুধ খাওয়া সহজ নয় *ওষুধের জগৎ ও অসহায় মানুষ *এন্টিবায়োটিক: কুফল সংবাদ *এন্টাসিড *হরমোন ওষুধ ও ক্রিড়াবিদ *ভাইরাসের বিরুদ্ধে ওষুধ *ঔষুধ গবেষনায় অগ্রগতি *চোখের নজর *গ্লুকোমা *অজীর্ণ রোগ *পেটে গ্যাস হলে *বুক জ্বালা *বদহজম ও পথ্যবিধি *অ্যামিবীয় আমাশয় *আন্ত্রিক পরজীবী জিয়ার ডিয়া *বন্যাকালীন অসুখ *দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া *পেপটিক আলসার *পেপটিক আলসার প্রসঙ্গ *পাইলস *পিত্ত পাথুরি *মূত্র পাথুরি *সন্তান-সম্ভবা হলে *অজাত শিশুর আদর যত্ন *স্তন দুধের তুলনা নেই *দুধ সহ্য না হলে *নিঃসন্তান দম্পতিদের জন্য আশার কথা *রজঃনিবৃত্তি কোন সমস্যাই নয় *মেরুদন্ডের সুখ-অসুখ *আথ্রাইটিস *বুড়ো হাড়ে জোর চাই *রোগ চিকিৎসায় শব্দ তরঙ্গ *বুড়ো বয়সে মূল্যবান পুষ্টি *ভিটামিন প্রসঙ্গ *যৌবন ধরে রাখুন *চাই সজীব বার্ধক্য *বার্ধক্যের রুপ ও রহস্য *অবসরের সময় হলে *অঙ্গ প্রতিস্থাপন:একটি ব্যয়বহুল আকাঙ্খিত চিকিৎসা *কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট *নিজের ডাক্তার নিজেই হওয়া বিপদ *চলমান চিকিৎসা বিজ্ঞান *আজি হতে অর্ধ শত বর্ষ পরে'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd08',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'যুগান্তরের ঘূর্ণিপাক ও বাংলাদেশের উপন্যাস',\n", " 'seo_url': 'যুগান্তরের-ঘূর্ণিপাক-ও-বাংলাদেশের-উপন্যাস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ যতীন সরকার একালের অগ্রনী চিন্তাবদ -একথা নিদ্বিধায় বলা যায়। তিনি সেই বিরল প্রাবন্ধিকদের অন্যতম যাঁর রচনা সমমনাদের উদ্দীপত করে , ভিন্নমতাবলম্বীদের চিন্তার খোরাক যোগায়। সাহিত্যের কীর্তিমান অধ্যাপক হলেও তার লেখালেখি শুধু সাহিত্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সংস্কৃতি , সমাজ, ইতিহাস, রাজনীতি ,দর্শন ও ধর্মের বিস্তৃত জগতেও তাঁর অবাধ বিচরন । গত পাঁচ দশকে তাঁর রচনা এদেশের সমাজ-রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভাষ্যে পরিনত হয়েছে। চিন্তার স্পষ্টতায়, বিশ্লেষণের তীক্ষ্ণতায়, বক্তব্যের ঋজুতায় ও জীবনদর্শনের বলিষ্ঠতায় তাঁর প্রবন্ধ হয়ে উঠেছে বাংলা প্রবন্ধসাহিকেত্যর অমূল্য সম্পদ। ‘যুগান্তরের ঘূর্ণিপাক ও বাংলাদেশের উপন্যাস’ সাম্প্রতিক কালের একটি অনণ্য সংযোজন। ভূমিকা এ- বইয়ের সংকলিত প্রথম প্রবন্ধটি ১৯৬৭ সনে রচিত, এবং সে সময়েরই বাংলা একাডেমীর পত্রিকায় প্রকাশিত।এরপর কবি আহসান হাবীব ‘তৎকালীন দৈনিক পাকিস্তান’ পত্রিকায় এটি ধারাবহিক ভাবে পুনঃপ্রকাশ করেন। এই প্রবন্ধটির জন্যই আমি বাংলা একডেমী থেকে ‘ডক্টরস মুহাম্মদ এনামুল হক স্বর্ণ পদক’ লাভ করি। প্রবন্ধটি সুধী পাঠক মহলের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে।এদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেরশের উপন্যাস নিয়ে রচিত প্রায় সকল গবেষণা্মূলক গ্রন্থের রচয়িতা গণই যথাযথ স্বীকৃতি সহকারে আমার এই প্রবন্ধটি থেকে অনেক উপাদান গ্রহণ করেছে। এ-বইয়ের অন্য প্রবন্ধগুলো স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের প্রায় -অব্যবহিত পরেকার রচনা। এই প্রবন্ধগুলোতে প্রাক-স্বাধীনতাকালের ও স্বাধীনতা লাভের পরবর্তী চার/পাঁচ বছরে রচিত ও প্রকাশিত কিছু উপন্যাসের পরিচয় তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি। কেবল মাহমুদুল হকের ‘কালো হরফ’ উপন্যাসের আলোচনটি ১৯৯২ সালে রচিত। নন্দিত কথা কথাশিল্প হুমায়ূন আহমেদের লেখক জীবনের যাত্রা শুরুতে তাঁর মাত্র দুটো উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে যখন, তখনই ‘সোমেন চন্দের উত্তর সাধক চাই’ লিখিতে এবং জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র মুখপত্র ‘বই’ এ (আগস্ট -সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩) প্রকাশিত।এর পর প্রায় চল্লিশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। হুমায়ূন আহমেদ অজস্র রচনার ভাণ্ডার রেখে জীবন মঞ্চ থেকে বিদায় গ্রহন করেছেন। ভাবীকালের সুধী সমালোচকবৃন্দের হাতে তাঁর রচনার যথার্থ মূল্যায়ন হবে যেদিন , সেদিন হয়তো আমার লেখাটি নিতান্ত অকিঞ্চিৎকর বলেই বিবেচিত হবে। তবু, নিতান্ত অপটু হাতে হলেও আমি যে প্রথম হুমায়ূনের কথা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার অবতারণা করেছিলাম- এ কথা ভেবে খুবই গৌরবান্বিত বোধ করি। ইতো মধ্যে সেলিনা হোসেন বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ আসন অধিকার করে নিয়েছেন। তাঁরও লেখক জীবনে প্রায় গোড়ার দিকে রচিত একটি উপন্যাসের যে সমালোচনা আমি লিখেছিলাম এবং যেটি সে-সময়কার ‘সমকাল’ এ ছাপা হয়েছিল, সেটিই আমার এ- বইয়ের শেষ প্রবন্ধ।ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেনের সমগ্র সাহিত্যকৃতির সুষ্ঠু মূল্যায়নে এগিয়ে আসবেন উপযুক্ত অধিকারী সমালোচক বৃন্দ- এমনটাই প্রত্যাশা করি। আমি গত কয়েক বছর যাবৎ দুরারোগ্য আর্থরাইটিসে আক্রন্ত হয়ে গৃহবন্দি। আত্নজ-প্রতিম শ্রীমান রাজীব সরকারের উদ্যোগেই আমার পুরনো লেখাগুলো সংগৃহীত ও প্রকাশিত হচ্ছে।তাকে আন্তরিক স্নেহশিস জানাই। প্রকাশক মিলন নাথের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা অন্তহীন। বিনীত যতীন সরকার অক্টোবর২০১২ ‘বামপ্রস্থ সাতপাই, নেত্রকোনা সূচিপত্র *পাকিস্তানোত্তর পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা উপন্যাসের ধারা *আবুল মনসুরের জীবন দর্শন: ‘জীবন ক্ষুদার দর্পনে’ *মানবতন্ত্রী আবুল ফজল ও তাঁর রাঙ্গা প্রভাত *ঐতিহাসিক রস, ঐতিহাসিক উপন্যাস ও সত্যেন সেন *যুগান্তরের ঘূর্ণিপাক ও বাংলাদেশের উপন্যাস *মাহমুদুল হক ও তাঁর ‘কালো হরফ’ *সোমেন চন্দের উত্তরসাধক চাই *‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ : একটি উপন্যাসিকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd0a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুক্তিযুদ্ধে শেরপুর',\n", " 'seo_url': 'মুক্তিযুদ্ধে-শেরপুর',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *শেরপুর জেলার গান *শেরপুর জেলার পূর্বকথা *শেরপুর শহরে প্রথম পাকবাহিনীর প্রবেশ ও শহরের সাংগঠনিক অবস্থা *বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণা *মুজিব নগর সনদ ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র *ই.পি.আর হত্যা *১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু পূর্বে নলিতাবাড়ি থানার সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি *১৯৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বর পূর্ববর্তী নালিতাবাড়ি থানা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটিতে যাঁরা ছিলেন *নালিতাবড়িতে পাকবাহিনীর প্রবেশ ও লুটপাট *যে দিন যু্দ্ধে গেলাম *ডালু ও নাকুগাঁ হত্যাকাণ্ড *নালিতাবাড়ি থানা পোড়ানো *কাঁটাখালি ব্রিজ ভাঙ্গা ও যুদ্ধ *কাঁটাখালি ব্রিজ ভাঙ্গার পর *ডিমাপাড়া শরনার্থী শিবিরে একদিন *তন্তরের যুদ্ধ *সোহাগপুরের গণহত্যা *সোহাগপুরের গণহত্যায় শহীদদের তালিকা *নালিতাবাড়ি থানার বিভিন্ন গ্রামে যাদের ঘরবাড়ি পোড়ানো হয় *নালিতাবাড়ির বরুয়াজানির আক্রমনের চেষ্টা *মেঘালেয়ের মেনেং শরণার্থী শিবির আক্রমন *স্মৃতির গহণে তুমি নাজমুল *খালেক মাস্টার হত্যাকাণ্ড *রাজ্জাক চেয়ারম্যান হত্যাকাণ্ড *কাশিগঞ্জ যুদ্ধ *খান সেনাদের একটি অ্যামবুশ ও খণ্ড যুদ্ধ *খাঁন সেনাদের জিপ উড়ানো *তেলিখালি এ্যাটাক *বিচ্ছিন্ন কিছু হত্যাকান্ড *মুক্ত নালিতাবাড়ি *শেরপুর সদর থানা আওয়ামী লীগ কমিটি ১৯৭১ সাল পর্যন্ত *শেরপুর পৌর শহর আওয়ামী লীগ কমিটি ১৯৭১ পর্যন্ত *অবাঙালি ই.পি. আর হত্যা *জগৎপুর হত্যাকাণ্ড *সূর্যদী হত্যাকাণ্ড -শেরপুর *ভায়াডাংগা যুদ্ধ *কর্ণঝোরা যুদধ *রকশী যুদ্ধ *পাক সেনাদের বড় ঘাটি আহম্মদ নগর *পাক মেজর আইয়ুব হত্যা *তেনাচিরা ব্রিজ ভাঙ্গা *একটি ব্যর্থ অভিযান ও শহীদ বুলবুল *নকলা বাজার পুড়ানো *নারায়ণখোলার যুদ্ধ *মুক্ত নকলা ও হক চৌধুরী *ব্রহ্মপুত্র চরের যুদ্ধ ; মুক্ত জামালপুর ও শেরপুর *বীর মুক্তিযুদ্ধার বীরগাথা জহুরুল হক মুন্সীর বীর প্রতীক (বার) *ধানুয়া কামালপুর যুদ্ধ *ধানুয়া কামালপুর যুদ্ধে শহীদদের নামের তালিকা *ধানুয়া কামালপুর যুদ্ধে খেতাব প্রাপ্তদের নামের তালিকা *শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা *শেরপুর জেলার যে সব স্থানে পাকবাহিনীর ক্যাম্প ছিল *শেরপুর জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd0c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাংলার আইনস্টাইন : অমল কুমার রায় চৌধুরী',\n", " 'seo_url': 'বাংলার-আইনস্টাইন--অমল-কুমার-রায়-চৌধুরী',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অমল কুমার রায়চৌধুরী(১৯২৩-২০০৫) সল খুব উঁচু মানের একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। ‘আপেক্ষিকতাভিত্তিক সৃষ্টিতত্ত্ব’ (Relativistic Cosmology) -এ তিনি মৌলিক অবদান রেখেছেন। \\u200dসৃষ্টিতত্ত্বে তাঁর নামে একটি গানিতিক সমীকরনও রয়েছে যা আজ ‘ রায় চৌধুরী সমীরকন’ (Raychudhury Equation) নামেই সুপরিচিত। এটি যে একজন বিজ্ঞনীর কত বড় সাফল্য তা বলার অপেক্ষাই রাখে না। একজন মানুষের কাজের সাথে তাঁর নাম যখন যুক্ত হয়ে যায় তখন অনুধাবন করা যায় মানুষটি কোন মাপের ! এমনি এক মানুষের গবেষণা ও অবদানের কথা- সর্বোপরি তাঁর সমীকরনের গাঁথুনিতে যে নিবেদিত সাধনা লুকিয়ে আছে সেই গল্পের বৈঠকী রুপই এ গ্রন্থ। সূচিপত্র *নেপথ্যকথা *জন্ম,বেড়ে ওঠা ও শিক্ষা *‘আইএসসিএস’ এ যোগদান এবং গবেষণার ভিত রচনা *গবেষনা ক্ষেত্র: সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব ও সুষ্টিতত্ত্ব *গবেষণার কাজে বাধা *ডি.এস.সি ডিগ্রি ও প্রেসিডেন্সি কলেজে যোগদান *প্যাথ-ব্রেকিং গবেষক *রায়চৌধুরী সমীকরণ: হকিং পেনরোজদের কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল যে সমীকরণ *বিজ্ঞানের আবিষ্কার : ল্যান্ডাও কর্তৃক স্বা্ধীনভাবে ‘রায়চৌধূরী সমীকরণ’ আবিষ্কার *গবেষণাপত্র ও গ্রন্থ রচনা *সৃষ্টিতত্ত্বে গোডেল, রায় চৌধুরী ও্র হকিং *একেআর গ্র্যাভিটি সেমিনার ও রায় চৌধুরী সমীকরনের ৪০ বছর পুর্তি *মাস্টারমশায় বিজ্ঞানীর বেশভূষা ও সংসার জীবন *বিভিন্ন গ্রন্থের উৎসর্গপত্রে রায় চৌধূরী *বিখ্যাত বাঙালী বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও মেঘনাদ সাহা’র সাথে সাক্ষাৎ *বিজ্ঞানচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ও প্রফুল্লচন্দ্র রায় এর পাশে রায়চৌধুরী *বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম ও জে ভি নারলিকার -এর সাথে সাক্ষাৎ *সম্মান সূচক ডক্টরেট ডিগ্রি ও সদস্যপদ লাভ *ভেইনু বাপ্পু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড *জীবন অবসান *শেষ কথা *পরিশিষ্ট: রায় চৌধুরী’র প্রকাশিত গ্রন্থ ও গবেষনাপত্র সমূহের তালিকা *রায়চৌধুরী’র বিখ্যাত গবেষণাপত্র- আমরা যাকে ‘রায়চৌধুরী সমীকরন’ বলি সেই পত্রটি *এস ডব্লিউ হকিং ,জে এন ইসলাম ও এ কে রায় চৌধুরী ‘র বিখ্যাত গ্রন্থের প্রচ্ছদ *শিল্পীর তুলিতে রায় চৌধুরী *এক নজরে রায় চৌধুরী *গ্রন্থপঞ্জি'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd0e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শারীরতত্ত্ব-সবাই পড়ো',\n", " 'seo_url': 'শারীরতত্ত্ব-সবাই-পড়ো',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * জল : ব্যক্তিগত মহাসমুদ্র * যে পদার্থের কাছে আমাদের পৃথিবী তার অস্তিত্বের জন্য ঋণী * জীবন্ত জল * মৃত জল * তোমার বা আমার ওজন কত? * কুমিরের অশ্রু * মাছেরা কি জল খায় * বাতাস নিংড়ে শুকিয়ে ফেলা যায় কি? * জলের কারখানা * গঠনের মালমসলা * লুকুলাস-এর বাহাদুরি * বুকে হাঁটা দাঁত * হাজার বছরের পুরানো রহস্যের সমাধান * গরুরা কি খায়? * ডেকচি আছে অনেক প্রকারের * খাদ্য শিল্প * প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যভাণ্ডার * বায়ু সঞ্চালন * একটি প্রাণদাত্রী মৌল * সরবরাহ দপ্তর * ডুবুরির পোশাক ও কৃত্রিম ফুসফুস * অক্সজেনের সন্ধানে * খাঁকরি আর পাষাণ * শত শত কোটি পরিবাহক * যা ক্লান্ত হয় না * তরঙ্গ * জলবিজ্ঞান * জ্বালানি কাঠ কোথায় পাওয়া যায় বলতো? * আগুনের পাখি * ঠিক যেন রূপকথা * রহস্যের সমাধান * জীবন লণ্ঠন * আগুনে-পাখি, মানুষের কাজে * জান্তব তড়িৎ * গোড়ার কথা * তড়িৎপরিবাহী তার আর স্নায়ু * জলের নিচের শক্তিকেন্দ্র * নির্ণায়ক আর স্পন্দনলেখ * তথ্য ব্যবস্থা * সর্বার্থসাধক স্নায়ুশীর্ষ * কোথা থেকে এলো এসব? * তৃতীয় নয়ন * আলোকের অত্যাশ্চর্য জগৎ * ফিসফিসকারী গ্রহ * ব্যক্তিগত রেফ্রিজারেটর * একটি অত্যাশ্চর্য গ্রন্থি * মস্তিষ্কের জটলাগুলোর কার্যাদি * বিলম্ব মানেই মৃত্যু * ফ্রেনচম্যান বলতে কেনই বা কেউ পাগল * বৈজ্ঞানিকদের সন্দেহ আর জল্পনা * সাহসী প্রতারক * মন খারাপ? * জাতিভেদ সমস্যা * সারস ও বাঁধাকপি * সর্বদা দুটো কে চাই? * বিবাহ এবং পরিবার * উৎস দুটি * প্রণয়কাতর সালমেসিস-এর প্রার্থনা * অপাপবিদ্ধ গর্ভসঞ্চার * একটা ডিম থেকে কটা মুরগির বাচ্চা হয়?'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd14',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বেসিক ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স',\n", " 'seo_url': 'বেসিক-ও-ডিজিটাল-ইলেকট্রনিক্স',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে জীবনযাত্রার প্রয়োজনে ঘরে বাইরে আমরা বিজ্ঞানের অনেক উপকরণ ব্যবহার করি। মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, রিফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, ডিজিটাল ক্যামেরা, কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, কুকার, ব্লেনডার ইত্যাদি এখন আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জাতি হিসেবে আমরা বিজ্ঞানবিমুখ! কিন্তু একজন সচেতন ব্যবহারকারী হিসেবেও আমরা এইসব উপকরণকে বিজ্ঞানের আলোকে জানতে চেষ্টা করি না। যাঁরা জানতে ইচ্ছুক তাঁদের সুবিধার্থে এই বইয়ে সহজ ভাসায় বহুল ব্যবহৃত প্রযুক্তিগত উপকরণগুলোর মৌলিক ধারণা দেওয়া হয়েছে এবং এইসব প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যের সুবিধা-অসুবিধা, বিভিন্ন ফিচার-ফাংশন, কেনার আগে যেসব বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে, ব্যবহারের নিয়ম ও টিপস ইত্যাদি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি বইটি প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে সবার কাছে সহজ ও আকর্ষনীয় করে তুলবে। সূচিপত্র * ডিজিটাল ক্যামেরা * কম্পিউটার ও ল্যাপটপ * টেলিভিশন * মোবাইল ফোন * মাইক্রোওয়েভ ও ইলেকট্রিক ওভেন * রেফ্রিজারেটর ফ্রিজার * জুসার, ব্লেন্ডার, মিক্সার ও ফুড প্রসেসর * প্রেসার, রাইস ও ইনডাকশন কুকার * ওয়াশিং মেশিন * ভ্যাকুয়াম ক্লিনার'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd18',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিগব্যাঙ থেকে মানুষ',\n", " 'seo_url': 'বিগব্যাঙ-থেকে-মানুষ',\n", " 'description': 'ভূমিকা প্রাণীজগৎ ও উদ্ভিদজগতের উদ্ভব ও বিবর্তন এবং মানুষের বুদ্ধির বিকাশ নিয়ে সব আলোচনাই এতোদিন বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এমনকি প্রাণবন্ত একজন মানুষের উৎস যে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম, তা স্পষ্ট হয়েছে। ফলে জীববিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের ব্যবধান বহুলাংশে কমে গেছে। অন্যদিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানকে বিশেষায়িতভাবে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জ্যোতির্জীববিজ্ঞান। অপার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বহির্জাগতিক প্রাণের অস্তিত্বের। এর ফলে মহাকাশ ভ্রমণ অনিবার্য হয়ে উঠেছে। অবশ্য মহাকাশ ভ্রমণ নিয়ে সমাজে নানা অসংগতি বিদ্যমান। ‘বিগব্যাঙ থেকে মানুষ’ গ্রন্থটি সেইসব অসংগতি দূরীকরণে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখবে। অন্তত সেই আদলে গ্রন্থটিক লেখার চেষ্টা করেছি। বিজ্ঞান হচ্ছে আলো। আর এই আলোর মধ্যে এক চিলতে অন্ধকার নিয়ে বসে থাকার কোনো মানে হয় না। বিজ্ঞানের জ্ঞান অলৌকিক কোনো মহাগ্রন্থে লেখা নেই। কারণ এটি মানবীয় জ্ঞান। আজকে বিজ্ঞান যে দশায় আছে, তৃতীয় সহস্রাব্দের প্রথমে সেই দশা কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে, তা এ মুহুর্তে আমাদের কল্পনাতীত ছিল। ফলে তাদের যদি কোনো একজন স্রষ্টা থেকেও থাকে, তার নিকটও আজকের বিজ্ঞান দুর্বোধ্য। যা হোক, কোনো গ্রন্থ লেখার চেয়ে এক ভূমিকা লেখা আরও কঠিন কৃত্য। সেইঅর্থেগ্রন্থলেখা সহজ। এই বিবেচনায় আমি সফল হয়েছি। অন্তত, আমি তা-ই মনে করি। তারপরও বিগব্যাঙ থেকে মানুষ গ্রন্থটির পাঠকপ্রিয়তা যে জরুরি, তা আমি অস্বীকার করছি না। কারণ এখানে অর্থিক বিনিযোগ রয়েছে। আর বিনিয়োগের সঙ্গে ঝুঁকি নিয়ে শ্রদ্ধেয় মিলন নাথ আমাকে কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ করেছেন। যেকোনো গ্রন্থলেখায় গ্রন্থকার একা নন। এক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটে নি। ফলে গ্রন্থটি প্রকাশের অনেককেরই ধন্যবাদ প্রাপণীয়। রুশো তাহের তাত্ত্বিক গবেষক : জ্যোতির্জীববিজ্ঞান ও নিউরোসায়েন্স চেম্বার অব সায়েন্স ফিলোসফি, ঢাকা মে ২০০৬ সূচিপত্র * বিগব্যাঙ থেকে মানুষ * আপেক্ষিকতা কতো সহজ * মিল্কিওয়ের বিচিত্র জগৎ * জ্যোতির্জীববিজ্ঞান * বহির্জাগতিক সভ্যতার সন্ধানে মহাকাশযান এবং আলো * কসমোলজি * মহাকাশ ভ্রমণ * মহাবিশ্বের নির্মাণ সামগ্রী * বুদ্ধিগত বিনির্মাণ ও নিউরোসায়েন্স'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd1c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মহাকাব্যের গল্প',\n", " 'seo_url': 'মহাকাব্যের-গল্প',\n", " 'description': 'ভূমিকা মহাকাব্য একটি জাতির অমূল্য সম্পদ। একজন কবি মহাকাব্য রচনা করতে গিয়ে যেমন একদিকে একটি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলেন তেমনি তুলে ধরেন আশা-আকাঙ্ক্ষা, জয়-পরাজয়, ব্যর্থতা আর উত্থানের কাহিনী। মহাকাব্যে একটি জাতির জীবনচিত্র যেমন থাকে তেমনি থাকে মানুষ। বিচিত্র বর্ণের মানুষ মহাকাব্যের একটি মূল বিষয়।পৃথিবীজুড় যত মহাকাব্য লেখা হয়েছে তার প্রায় সবগুলিতেই রচয়িতারা মানুষের আচরণকে প্রাধ্যান্য দিয়েছেন, প্রকাশ করেছেন মানবিক আচরণকে। মহাকাব্য রচনার কাজটি যেমন দুরূহ তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীতে যুগে যুগে বেশ কিছু অমর মহাকাব্য রচিত হয়েছে। এই কাব্যগুলি এক একটি জাতি এবং দীর্ঘ সময়কে ধারণ করে বিশ্বসাহিত্য অমর হয়ে আছে। আমরা এখানে বিশ্ববিখ্যাত ছয়টি মহাকাব্য কে নির্বাচন করেছি। উদ্দেশ্য ছিল সংক্ষেপে এই অমর কাহিনীগুলোর সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পরিচয় ঘটানো। ছটি মহাকাব্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে এদের ব্যাপকতাম মানবিক উত্থান-পতনের কাহিনী আর ভৌগোলিক অবস্থান প্রাধাণ্য পেয়েছে। এই বইটি নব-প্রজন্মের পাঠকদের কতটা কাজে লাগবে সে বিচারের ভার তাদের হাতেই রইল। বইটি ব্যাপারে কাজ করতে গিয়ে আমি ব্যক্তিগত ভাবে অনেকের সহায়তা পেয়েছি। তবে এক্ষেত্রে সাহিত্যিক আহমাদ মাযহার ও শিশু সাহিত্যিক আমীরুল ইসলামের কথা উল্লেখ করতেই হবে। তাদের নিরন্তর তাগাদা আর সতর্ক সহায়তা না পেলে একাজ কখনোই শেষ হত না।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd1e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নেজাম ডাকাইতের পালা',\n", " 'seo_url': 'নেজাম-ডাকাইতের-পালা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম লোকসাহিত্যের প্রতি বাঙালির দৃষ্টি কাড়েন। পরে সাধক হয়ে ‘মৈমনসিংহ ও পূর্ব বঙ্গ গীতিকা’ সংকলিত করেন শ্রীদীনেরশচন্দ্র সেন রায়বাহাদুর বিএ, ডি-এল। জাতীয় সত্তার বিকাশ সাধনে লোকসাহিত্যের প্রয়োজনীয়তা রেঁনেসা যুগেই সর্বজন স্বীকৃত আমাদের আছে পল্লীগাথার অজস্র অথকতা। এর ভাষা লোকজ। ছন্দ যেন শিশুর আধো আধো কথকতা। আবার ভাব জগতের বিবেচনায় এর মাদকতায় ডুবেছেন দেশ ছাড়িযেও য্যুারোপের বহু পণ্ডিত। তাদের বিচারে বঙ্গসাহিত্যে এগুলো উঁচুমানের গাথাভাণ্ডার। ঐতিহাসিকতায় এবং কল্পনার শোভায় অপূর্বও বটে পালাগানের ভাষায় এর রূপ বুঝি “পুন্নমাসী চাঁদ যেমন দেখায় নদীর তলা”। ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’য় সংগৃহীত তেমনি এক বিচিত্র আখ্যানভাগ ‘নেজাম ডাকাইতের পালা।’জানতে পারি, ওচল পাহাড়ের আড়ে ছিল এক ডাকু। মানুষের রক্তে তার নেশা। খুন করেছে মোট নব্বাই জনকে।অবশেষে কামেল ফকির শেখ ফরিদদের উদয়ে ভাবান্তর জাগে তার। পরে ডাকুকে বসতে হয় বারো বছরের ধ্যানে। সামনে শেখ ফরিদের রেখে দেওয়া লাঠি। কথিত আছে, সাধনা পূর্ণ হলে তারিই মাথা ফুঁড়ে এক অপরূপ লতা বেরুবে। অথচ ছয় বছরের মাথায় তার চোখ যায়। অধূরের কবরস্থানে। সেখানে উজিরপুত্র দুষ্ট জব্বর কবর খুড়ে লাল বাইয়ের লাশ তুলছিল। অমনি সে ছুটে মাথায় আঘাত হানতেই অপরাধী নিহত হয়। তাজ্জব! মুহূর্তেই লাঠির মাথা ফুঁড়ে বেরায় অপরূপ লতা! এভাবেই ‘নেজাম ডাকাইতের পালা’য় ফুটে ওঠে মানব বদলের কাহিনী। পরে এই ডাকুই রেনজাম পীর হিসেবে খ্যাত হন ইতিহাসের পাতায়।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd22',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সাংবাদিকতায় ৫০ বছর, বঙ্গবন্ধু : কিছু একান্ত কথা',\n", " 'seo_url': 'সাংবাদিকতায়-৫০-বছর-বঙ্গবন্ধু--কিছু-একান্ত-কথা',\n", " 'description': '\"মানুষের নিজেকে দেখার উপায় দুটি। প্রথমত আয়না। দ্বিতীয়ত গার্লফ্রেন্ড। এই কথাটা এরিস্টটলের বলে যাওয়ার কথা ছিল। হয়তো বলে গেছেন। আমাদের কাছে আসেনি। এইটা ভেবে বের করেছে আরেকজন। তার মতে, আয়না দেখায় বুকের উপরে শার্টের বোতাম খোলা। গার্লফ্রেন্ড দেখায় বুকের ভেতরে প্রেম আর প্রেম। ভেতর বাহির কমপ্লিট প্যাকেজ! নিজে নিজে কি এভাবে দেখা সম্ভব ছিল! আয়না আসক্ত এক জীবনের গল্প এবং তার সাথে মিশে থাকা অনেকগুলো জীবনের গল্প নিয়ে এই উপন্যাস। কে জানে এই বইটিই হয়তো পড়তে পড়তে অলক্ষেই আয়না হয়ে উঠবে আপনার কাছে!\"'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd2c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বরেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ',\n", " 'seo_url': 'বরেন্দ্র-থেকে-বাংলাদেশ',\n", " 'description': \"জাকির তালুকদার বাংলাদেশের দায়িত্বশীল কথাসাহিত্যের একটি বিশিষ্ট নাম। গল্প এবং উপন্যাস কাজের প্রধান ক্ষেত্র হলেও গবেষণা, অনুবাদ এবং প্রবন্ধসাহিত্যেও উল্লেখযোগ্য রচনা রয়েছে তাঁর । আধুনিক গল্পবিশ্বের নিরীক্ষা মিলিয়ে নির্মাণ করেছেন তাঁর নিজস্ব ধারার কথাসাহিত্য। তাঁর গল্প - উপন্যাস পাঠ্য তাই এক স্বতন্ত্র সাহিত্য অভিজ্ঞতা। বেশ ক'বছর পর বেরুলো তাঁর গল্পের বই ।\"},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd34',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কাল্পনিক ও জটিল সংখ্যার ভুবনে',\n", " 'seo_url': 'কাল্পনিক-ও-জটিল-সংখ্যার-ভুবনে',\n", " 'description': '‘কাল্পনিক ও জটিল সংখ্যার ভুবনে’ একটি উৎকৃষ্ট মানের মননশীল গ্রন্থ।আমাদের দেশে গণিতের যে সমস্ত মননশীল বই-পত্র রয়েছে তা পাঠ করলে শুধু গণিতের সাধারণ স্তরেই পৌঁছা সম্ভব।কিন্তু আলোচ্য গ্রন্থটি পাঠ করলে পাঠকরা গণিতের দার্শনিক স্তরে পৌঁছতে পারবে।গ্রন্থটি বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তার সর্বোৎকৃষ্ট হাতিয়ার।গ্রন্থটি পড়লে বোঝা যাবে কাল্পনিক ও জটিল সংখ্যা আসলে কী ? বইটিতে রয়েছে মোট ২৩ টি চিত্র যার মধ্যে আবার বেশ কিছু ব্যতিক্রমধর্মী।কাল্পনিক ও জটিল সংখ্যার বিভিন্ন উপপাদ্যকে গাণিতিক ও জ্যামিতিকভাবে প্রমাণ করার পাশাপাশি বিভিন্ন উদাহরণ দ্বারা ইহাদের সত্যতাও প্রমাণ করে দেখানো হয়েছে।কাল্পনিক ও জটিল সংখ্যার তত্ত্বগুলোকে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ইহার ভেতরকার সৌন্দর্য ও রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।গ্রন্থটিতে এমন কিছু চমকপ্রদ বিষয়ের চিত্রভিত্তিক বিশ্লেষণ দেখানো হয়েছে যা এই বিষয়ের উপর রচিত বাংলা বা ইংরেজি ভাষার কোন বইয়ে নেই।সেই হিসেবে এটি একটি মৌলিক গবেষণা।এর মধ্যে অনেক রহস্যময় জিনিস রয়েছে যা গ্রন্থটি পাঠ করলেই পাঠক বুঝতে পারবে। যারা কেবল পরীক্ষা ঠেকাবার উদ্দেশ্যে শুধুই সিলেবাস ধরে গণিত করছেন, গণিতে কোনরূপ আনন্দ পাচ্ছেন না-তাদের জন্য এটি একটি সুখপাঠ্য এবং রহস্য উদঘাটনকারী বিনোদনমূলক বই। ভবিষ্যতে যারা বিজ্ঞানী, চিন্তা বিদ ও প্রকৌশলী হতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এটি একটি অবশ্যপাঠ্য বই।বইটি পাঠ করার প্রথম শর্ত হচ্ছে ধৈর্য শক্তি।বইটি পাঠ করতে হবে ধীরে-ধীরে সময় নিয়ে।বইটির বেশির ভাগ অংশের পঠন-পাঠন,আলোচনা-সমালোচনা সম্পূর্ণ যুক্তি নির্ভর।বইটির সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে এর বিষয়-বৈচিত্র্যের ধারাবাহিকতা।বইটি উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সাহায্যকারী বই (ঐধহফনড়ড়শ) হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।গণিত,পদার্থ,রসায়ন,পরিসংখ্যান ও প্রকৌশল বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এটি রেফারেন্স বই হিসেবে মর্যাদা পেতে পারে।বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, দার্শনিক, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও গণিতের অধ্যাপক, লেখক, গবেষক ও অনুসন্ধিৎসুদের বিশেষ উপকারে আসতে পারে।বইটি পাঠকের চিন্তার জগতকে নাড়া দেবে, মস্তিষ্কের নিউরণে অনুরণন ঘটাবে,মেধাকে তীক্ষè ও শাণিত করবে, মনকে করবে প্রফুল্ল।সর্বোপরি গণিতরস পিপাসুরা তাদের তৃষ্ণা মেটাতে পারবে। বইটি পাঠ করার ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা:গণিত সহ উচ্চমাধ্যমিক। সূচিপত্র *অধ্যায়-১ : কাল্পনিক সংখ্যা *অধ্যায়-২ : i-এর জ্যামিতিক তাৎপর্য *অধ্যায়-৩ : i-এর বিভিন্ন ঘাত *অধ্যায়-৪ জটিল সংখ্যার ও তার জ্যামিতিক তাৎপর্য *অধ্যায়-৫ : জটিল সংখ্যার মোলিক গাণিতিক প্রক্রিয়া(যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) *অধ্যায়-৬ : জটিল সংখ্যার গুণাবলী/ধর্মাবলী *অধ্যায়-৭ : জটিল সংখ্যার মডুলাস ও আর্গুমেন্ট *অধ্যায়-৮ : জটিল সংখ্যার বর্গমূল *অধ্যায়-৯ : জটিল সংখ্যার মাধ্যমে দ্বিঘাত ও ত্রিঘাত সমীকরণের সমাধান *অধ্যায়-১০ : এককের ঘনমূল এবং ওমেঘা- এর বিভিন্ন ঘাত *অধ্যায়-১১ : জটিল সংখ্যার যোগ প্রক্রিয়ার জ্যামিতক ব্যাখ্যা ও মডুলাস সংক্রান্ত সূত্রাবলী *অধ্যায়-১২ : জটিল সংখ্যার বিয়োগ প্রক্রিয়ার জ্যামিতিক ব্যাখ্যা ও মডুলাস সংক্রান্ত সূত্রাবলী *অধ্যায়-১৩ : জটিল সংখ্যার গুন প্রক্রিয়ার জ্যামিতিক ব্যাখ্যা ও মডুলাস সংক্রান্ত সূত্রাবলী *অধ্যায়-১৪ : জটিল সংখ্যার ভাগ প্রক্রিয়ার জ্যামিতিক ব্যাখ্যা ও মডুলাস সংক্রান্ত সূত্রাবলী *অধ্যায়-১৫ : মোয়াভারের উপপাদ্য *অধ্যায়-১৬ : জটিল সংখ্যার ত্রিকোণমিতিক ও সূচকত ফাংশন *অধ্যায়-১৭ : জটিল সংখ্যার বৃত্তীয় ও সূচক ফাংশনের পর্যায়ক্রমিক মান *অধ্যায়-১৮ : জটিল রাশির লগারিদম ও গ্রেগরীর ধারা *অধ্যায়-১৯ : জটিল সংখ্যার অধিবৃত্তীয় ফাংশন এবং তার পর্যায়ক্রমিকতা'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd36',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এ ভালোবাসার কোনো মানে হয় না এবং অন্যান্য',\n", " 'seo_url': 'এ-ভালোবাসার-কোনো-মানে-হয়-না-এবং-অন্যান্য',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আনিসুল হকের রচনার প্রধান গুণ রসবোধ। তার ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের ক্ষমতা সহজ-সরল, ভাষা হৃদয়স্পর্শী কিন্তু প্রসাদগুণময়। সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে তিনি যখন লেখেন, তখন তা কেবল নিষ্প্রাণ সংবাদভাষ্য হয়ে থাকে না, হয়ে ওঠে একেকটা সপ্রাণ শিল্পসম্মত সাহিত্য-গুণাবলি-সম্পন্ন বিশেষ রচনা। পাঠকের খুব প্রিয় এই কলামগুলো। প্রধানত প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত হয় অরণ্যে রোদন নামে। সাম্প্রতিক এক গভেষনায় দেখা গেছে, আনিসুল হক বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কলামলেখক। তিনি আশার কথা লেখেন, লেখেন বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথাও। তবে সমস্যাবহুল এই দেশে সংকটের কথাও তো লিখতেই হয়। আশা আর হতাশা মিলিয়ে আমাদের জীবন, তেমনি আনিসুল হকের লেখা এই রচনাগুলো। ভূমিকা গত এক বছরে প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত অরণ্যে রোদন নামের কলাম ও আরও কিছু লেখা মিলে এই সংকলন গ্রন্থটি। প্রধানত সমসাময়িক ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই কলামগুলো রচিত হয়েছে। বছর শেষে সেগুলোর সংকলন বের করে থাকেন অনুপম প্রকাশনী। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হলো না। অনুপম প্রকাশনীর মিলন নাথকে ধন্যবাদ। আশা করি, সবগুলো রচনা সঙ্গে পেয়ে এই বিষয়ে আগ্রহী পাঠক উপকৃত হবেন। সবাইকে ধন্যবাদ আনিসুল হক ২৭ ডিসেম্বর ২০১১'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd3c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নিহত রবীন্দ্রনাথ',\n", " 'seo_url': 'নিহত-রবীন্দ্রনাথ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলা সমালোচনা ও প্রবন্ধ সাহিত্য যে কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছেনি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সৃজনশীল সাহিত্যের তুলনায় আমাদের মননশীল সাহিত্য অপেক্ষাকৃত ম্লান। ২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ‘বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষতার ভবিষ্যৎ’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে দেশের তরুণতম প্রাবন্ধিক হিসেবে রাজীব সরকারের আত্নপ্রকাশ। শিল্প সাহিত্যের স্মরণীয় স্রষ্টাদের অবদান মূল্যায়নের পাশাপাশি সমাজ সংস্কৃতির নানা দিক নিয়ে আলোচনা ও সাহিত্য সমালোচনা তাকে তরুণ প্রাবন্ধিকদের মধ্যে বিশিষ্ট করে তুলেছে। ‘নিহত রবীন্দ্রনাথ’ রাজীব সরকারের দ্বিতীয় প্রবন্ধ গ্রন্থ । রবীন্দ্রনাথের মৃত্যু নিয়ে তার আলোচনা অভিনব। দেশ বিদেশের কয়েকজন কীর্তিমান ব্যক্তির জীবনের উজ্জ্বল দিকগুলো অনায়াসে চিহ্নিত করেছেন তিনি। বুদ্ধির মুক্তি আণ্দোলনের প্রাণ পুরুষদের প্রাসঙ্গিকতা যৌক্তিকভাবে তুলে ধরেছেন। বিশ্বায়ন, সংস্কৃতি, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তার আলোচনা গভীর অভিনিবেশের দাবি রাখে।বাংলা সাহিত্যের কয়েকটি অসামান্য বইয়ের নির্মোহ মূল্যায়ন তার নৈব্যক্তিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক। এই প্রবন্ধ সংকলন একজন মননশীল তরুণের ভাবনার বহুমাত্রিকতার দ্যোতক। চিন্তার বৈচিত্র্যে ও বক্তব্যের নতুনত্বে এই বই আমাদের প্রবন্ধ সাহিত্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd40',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিস্ময়কর প্রাণী',\n", " 'seo_url': 'বিস্ময়কর-প্রাণী',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * নান্দীপাঠ * ‘জ্যোতিষী’ অক্টোপাস * তিমি বিনোদনী * বন্ধু ডলফিন * ধম্বন্তরি বিড়াল অভিনয়ে বাঘ * মহাশূণ্যচারী লাইকা * চিকিৎসক কুকুর * অনুসন্ধানী ও পুলিশ কুকুর * যুদ্ধে ও অভিনয়ে ঘোড়া * শিল্পী হাতি * সৈনিক ভালুক * অভিনেতা শিম্পাঞ্জি * ভাষাবিদ গরিলা * শেষের কথা'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd42',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'লোকজ চিকিৎসায় ভেষজ উদ্ভিদ',\n", " 'seo_url': 'লোকজ-চিকিৎসায়-ভেষজ-উদ্ভিদ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ লোকজ চিকিৎসায় ভেষজ উদ্ভিদ গ্রন্থটি হার্বাল, লোকজ চিকিৎসা পদ্ধতি এবং তাতে ব্যবহৃত ভেষজ উদ্ভিদ নিয়ে প্রণীত। উদ্ভিদের স্বর্গ বলে বিবেচিত বাংলাদেশ তথা এ উপমহাদেশের অধিবাসীদের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান উপাদান ছিলো উদ্ভিদ। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই এ অঞ্চলের মানুষ কখনও একক হিসেবে, কখনও বা অনুপানভেদ করে বিভিন্ন রোগলক্ষণে উদ্ভিদ ব্যবহার (হার্বাল ব্যবহার!) করেছে। তারপর একে একে উপস্থিত হয়েছে আয়ূর্বেদ, ইউনানী এবং হোমিওপ্যাথি অর্থাৎ লোকজ চিকিৎসার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থা। তাই ভেষজ উদ্ভিদ নিয়ে চরক, সুশ্রুত থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত শত শত গ্রন্থ প্রণীত হয়েছে। সে সকল গ্রন্থে এক একটি উদ্ভিদের পরিচয় (সংক্ষিপ্ত বা বিস্তারিত), বিভিন্ন রোগলক্ষণে তার ব্যহার, রাসায়নিক উপাদান প্রভৃতি তথ্য সন্নিবেশিত হয়েছে। কিন্তু আমার জানা মতে কোন গ্রন্থেই একটি উদ্ভিদ আয়ুর্বেদ, ইউনানী কিংবা হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতিতে কোন রোগলক্ষণে ব্যবহার করছে কিংবা কোন একটি উদ্ভিদ উপরোক্ত তিনটি লোকজ চিকিৎসা পদ্ধতিতে কোন কোন ওষুধে ব্যবহার করছে কিংবা একটি নির্দিষ্ট রোগলক্ষণে আয়ুর্বেদ কোন ভেষজ উদ্ভিদ বা ইউনানী কোন ভেষজ উদ্ধি ব্যবহার করা অনুমোদন করে তার তথ্য উপস্থাপিত হয়নি। লোকজ চিকিৎসায় ভেষজ উদ্ভিদ গ্রন্থে কিছুটা হলেও সে অভাব পূরণ করা হয়েছে। এ গ্রন্থে আয়ুর্বেদ, ইউনানী এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতির ইতিহাস, মূলতত্ত্ব, তিনটি পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ভেষজ উদ্ভিদের পরিচয়, উৎপত্তি, চাষাবাদ সম্ভাব্যতা, গুণ, মিয়াজ, রাসায়নিক উপাদান, ফার্মাকোলজি, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল, কোন কোন ওষুধে ব্যবহার করা হয়, উল্লেখিত ওষুধগুলোর ক্রিয়াক্ষেত্র এবং কার্যকারিতা, একক উদ্ভিদের ব্যবহার ক্ষেত্র এবং আয়ুর্বেদ ও ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতিতে ব্যবহারের আলোকে হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতিতে ব্যবহারের সম্ভাব্য ক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সম্পূর্ণ নতুন চিন্তাধারায় উপস্থাপন প্রচেষ্টার কারণে এতে এতদসত্ত্বেও অসম্পূর্ণতা, ত্রুটি থাকতে পারে। ছাত্র, শিক্ষক এবং বোদ্ধা পাঠকদের গঠনমূলক সমালোচনা পুনঃপ্রচেষ্টার ক্ষেত্রে দিকদর্শন হবে আশা রাখি। সূচিপত্র * লোকজ চিকিৎসা পদ্ধতির ইতিহাস * লোকজ চিকিৎসা পদ্ধতির মূলতত্ত্ব বা মূলনীতি * ভেষজ উদ্ভিদ * আয়ুর্বেদিক এবং ইউনানী ওষুধসমূহের কার্যকারিতা/ প্রযাগ ক্ষেত্র'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd44',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জীবপ্রযুুক্তি : ভাল-মন্দের কড়চা পরাক্রান্ত বংশাণু',\n", " 'seo_url': 'জীবপ্রযুুক্তি--ভাল-মন্দের-কড়চা-পরাক্রান্ত-বংশাণু',\n", " 'description': 'ভূমিকা দুই হাজার কোটি বছর আগে মহা-বিস্ফোরণের ফলে বিশ্বব্রক্ষণ্ডের সৃষ্টি। জন্মলগ্ন থেকেই এটি সম্প্রসারিত হচ্ছে, এ ব্যপ্তি ও বৈচিত্র মানুষের কল্পনাশক্তিকে হার মানায়।বিশ্বব্রক্ষণ্ডের বর্তমান বিস্তৃতি সম্বন্ধে বিজ্ঞানীদের একটি ধারণা রয়েছে-আনুমানিক ১০ হাজার কোটি আলোকবৎসর আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটার, অর্থাৎ আমাদের যন্ত্রের সাহায্যে আমরা অনুমান করতে পারি যে বিশ্বব্রক্ষাণ্ডে কোথাও এমন বস্তুর অস্তিত্ব রয়েছে যেখান থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ২০ লক্ষ কোটি আলোক-বৎসর! এমন বিষয় কেবলই কি প্রকৃতিক ছলনা না কি বাস্তবতার মহাজাল এর বিচারে মানুষের অতি শক্তিধর মস্তিষ্ক অনাগতকাল ব্যস্থ থকাবে সন্দেহ নেই জীবকোষের মাঝে বিদ্যমান এমনি এক ক্ষুদ্র বিশ্বব্রক্ষাণ্ড যার কর্মজাতিকার সীমাহীন ব্যাপ্তি আমাদের কল্পনাকে নিয়ত পরাভূত করে যাচ্ছে। এর শেষ কোথায় সে প্রশ্ন নিয়েও আমরা ব্যস্ত থাকবো অনাদিকাল। বংশাণু সেই বিশাল কর্মজালিকার ক্ষুদ্র এক অংশ যা নিয়ে মানুষের বৈজ্ঞানিক খেলাকৌশল চলছে দীর্ঘদিনের ধরে বিচিত্র ধারায়। এই বইটিতে তার সামান্য উপাখ্যানের সঙ্গে পাঠকের পরিচিতি হতে পারে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd4c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হারানো দিনের গান (স্বরলিপি)',\n", " 'seo_url': 'হারানো-দিনের-গান-স্বরলিপি',\n", " 'description': 'ভূমিকা হাজার বছর বাংলা গান বিবর্তিত ও বিকশিত হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে ও যুগোপযোগী গানের সুরে পরিবর্তন এসেছে, কখনো রাগসংগীতের সঙ্গে লোকসংগীতের আবার পাশ্চত্য গীতরীতি ও বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয় ঘটেছে। তথাপি বাংলা গান প্রধানত কথা ও সুরের যুগল মিলনের পথ ধরেই বিকাশ লাভ করেছে এবং মুলত একরৈখিক পথে মেলোডি-ধর্মিতাকে প্রাধান্য দিয়েছে। ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে বাংলা গানের ক্ষেত্রে আমারা সমৃদ্ধরূপ লক্ষ্য করি রামনিধি গুপ্ত বা নিধু বাবু থেকে গুরু করে বাংলা সাহিত্য-সংগীতের অন্যতম পঞ্চ-প্রধান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১), দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬৩-১৯১৩), রজনীকান্ত সেন (১৮৬৪-১৯১০), অতুলপ্রসাধ সেন (১৮৭১-১৯৪১) এবং কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬)রচিত গানে এবং বলাই বাহুল্য এই পঞ্চ-প্রধান কবির গান স্বকীয় মহিমায় উজ্জ্বল বলে প্রত্যেকের গানের স্বতন্ত্র মহিমা রয়েছে। এই গানগুলো কি আধুনিক? এমন কথা মনে জাগতে পারে। কোন গান আধুনিক আর কোন্\\u200c গান আধুনিক নয় এ নিয়ে বিতর্ক এবং মতান্তর আছে। এখানে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার অবকাশ নেই। সাধারণভাবে বাংলায় আধুনিক গান বলতে ধরে নেয়া হয় যে, রবীন্দ্র-নজরুল পরবর্তী অথার্ৎ বিশশতকের চল্লিশ দশক থেকে যে গান গীতিকার-সুরকারের সমন্বয়ে সৃষ্ট তাকেই আধুনিক গান হিসেবে অভিহিত করি। এর একটি প্রেক্ষাপট আছে। পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রচার-প্রসারে, বিজ্ঞান-প্রযুক্তির নব নব উদ্ভাবনে বর্তমানে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।একদিকে বাংলা চলচ্চিত্র, অন্যদিকে গ্রামোফোন কোম্পানি ও বেতার টেলিভিশনের জন্য গীত রচনা ও রেকর্ডিং এর এক প্রবল স্রোতধারা লক্ষ্য করা গেল প্রধানত তিরিশের দশক থেকে।কেবল রবীন্দ্র-নজরুলের গান নয়, তাদেরই অনুসৃত পথে একঝাঁক গীতিকার-সুরকার শিল্পী এগিয়ে এলেন বাংলা গানের জগতে। প্রকৃত পক্ষে, নজরুল পর্যন্ত এসে বাংলা আধুনিক গান নতুন দিকে মোড় নিল বলা যায়। কেননা, নজরুল থেকেই বাংলা গান দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। গানে গীতিকার একজন, সুরকার অন্যজন এবং গায়ক-গায়িকাও অন্য আরেকজন। এই তিনের সমন্বেয়ে আধুনিক বাংলা গান রচিত ও বিকশিত হলো।নজরুল সমকালীন এবং পরবর্তী গীতিকারগণ মূলত এই ধারাই অনুসরণ করেছেন তথাপি গজল গানকে প্রায়োগিক করে সার্থক রূপ দেন নজরুল। রঙ্গিন প্রেমের গজল নিয়ে আধুনিক বাংলা গানকে সুদ্ধ করেছেন নজরুল। সেই সঙ্গে স্মরণীয় সাকিশরাব, প্রেম, প্রকৃতি, চাঁদ, ফুল, মালা, নদী, পাখি, বিরহ-মিলন গাঁথা, পত্রলেখা, মানসি আর সমাধির অনুসরঙ্গ নজরুল তাঁর গানে প্রয়োগ করেন যা পরবর্তী গীতিকারগণ অনুসরণ করেছেন এবং এখনও তাঁরই অনুসরণ আমরা লক্ষ্য করি আধুনিক গানে।বর্তমান সংকলন গ্রন্থে এবষয় বিবেচনায় রেখে গানগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। ড. মৃদুলকান্তি চক্রবর্তী ১ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd52',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মাশরুম : পরিচিতি ও চাষাবাদ',\n", " 'seo_url': 'মাশরুম--পরিচিতি-ও-চাষাবাদ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *মাশরুম পরিচিতি *খাদ্যেপযোগী মাশরুম পরিচিতি *বাংলাদেশে চাষকৃত মাশরুম পরিচিতি *মাশরুমের ঐতিহাসিক গুরুত্ব *মাশরুমের পুষ্টিগুণ *মাশরুমের ভেষজ গুণ *মাশরুমের জীবনেতিহাস *মাশরুমের খাদ্য *মাশরুম চাষ পদ্ধতি *খাদ্য হিসেবে মাশরুম *সৌন্দর্য উপকরণ হিসেবে মাশরুম *আপনি কি জানেন? *তথ্যপঞ্জি *পরিশিষ্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd5a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছড়ায় ছড়ায় বাংলা বানান',\n", " 'seo_url': 'ছড়ায়-ছড়ায়-বাংলা-বানান',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘ছড়ায় ছড়ায় বানান’ কিশোর-কিশোরীদের কথা ভেবে লেখা। উদ্দেশ্য : ছড়ায় মাধ্যমে তাদের বানান শেখায় সহায়তা করা। এতে বাংলা বানানের কিছু নিয়ম ও উদাহরণকে যথাসম্ভব ছন্দোবন্ধ করার প্রয়াস পেয়েছি। তবে, সবাই জানেন, বানানের জটিল নিয়মকে ছন্দের বাঁধনে বাঁধা খুব সহজ কাজ নয়। তবু এ কাজে সাহস করেছি সাহিত্যমূল্যের চেয়ে উপযোগিতাকে প্রাধান্য দিতে গিযে। এ বই কিশোর-কিশোরীদের কাজে এলেই আমাদের উদ্দেশ্য সফল হবে। বইটি রচনার সময়ে বিশিষ্ট ভাষা গবেষক ড. পবিত্র সরকারের ‘হাসতে হাসতে বানান’ বইটি সামনে রেখেছি। এ জন্যে ড. সরকারের কাছে আমি ঋণী। এই বইয়ের পাণ্ডুলিপি পরিমার্জনায় সহায়তা করেছে আমার ছোট বোন ও সাপ্তাহিক অণুবীক্ষণের সহ-সম্পাদক মাসহুদা ইয়াসমিন। বইটি প্রকাশনার মূলে কাজ করেছে প্রকাশকের আগ্রহ, চাপ ও উৎসাহে। অক্ষর বিন্যাস, প্রুফসংশোধন, মুদ্রণ ও প্রকাশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকেই আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিয়েছেন। এঁদের সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। বইটির উৎকর্ষ বিধানে বানান ও ছন্দ-সচেতন শিক্ষক, অভিভাবক, পাঠক ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেলে প্রীত ও কৃতজ্ঞ হব। মাহবুবুল হক বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১ সেপ্টেম্বর ২০০২ সূচিপত্র *বানানে হ্রস্ব-ই ও দীর্ঘ-ঈ *বানানে হ্রস্ব-উ ও দীর্ঘ-ঊ *বানানে ও-কার *বানানে অ্যা *বানানে মূর্ধন্য-ণ ও দন্ত্য-ন *বানানে খণ্ড-ৎ ও ত *বানানে মূর্ধন্য-ষ, তালব্য-শ ও দন্ত্য-স *বানানে য-ফলা *বানানে অনুস্বার ও উঁয়ো *বানানে চন্দ্রবিন্দু'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd66',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভুল সবই ভুল : স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক ভ্রান্ত ধারণ',\n", " 'seo_url': 'ভুল-সবই-ভুল--স্বাস্থ্য-ও-চিকিৎসা-বিষয়ক-ভ্রান্ত-ধারণ',\n", " 'description': 'ভূমিকা ভুল জেনে ভুল মেনে অনেক ভুলই আমরা করে থাকি। অজ্ঞতা আর কুসংস্কারের কারণে অনেক মানুষ এখনো চোখ থাকতে অন্ধ। কম্পিউটারের এই যুগে আমাদের দেশের রোগীরা এখনো ভাবেন জ্বর হলে ভাত খাওয়া যাবে কি না, অপারেশনের পর সচেতনভাবে এড়িয়ে চলেন টক জাতীয় ফল কিংবা জোড়া কলা খেলে যমজ সন্তান হবে এই ভয়ে ভীত থাকেন। এই ধরনের কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণাগুলোজেক ভেঙে দেয়ার লক্ষ্যে সচেষ্ট হয়ে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার স্বাস্থ্য পাতায় ‘ভুল, সবই ভুল’ শিরোনামে একটি ধারাবাহিক লেখা প্রকাশে ব্রতী হই। এই বইটি তারই নির্বাচিত সংস্করণ। বইটি পড়ে কেউ যদি কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা থেকে মুক্ত হতে পারেন তবেই নিজেকে সার্থক বলে মনে করবো। সজল আশরাফ ঢাকা।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd6e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সোনালি দিনের গান',\n", " 'seo_url': 'সোনালি-দিনের-গান',\n", " 'description': 'ভূমিকা অনুপম প্রকাশনী থেকে ‘সোনালি দিনের গান’ নামে আধুনিক বাংলা গানের স্বরলিপি সংকলন প্রকাশিত হচ্ছে। স্বরলিপিকার নিখিল রঞ্জন নাথ। এ ধরনের গ্রন্থ প্রকাশ যে আমাদের সংগীত চর্চার সহায়ক সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।আর স্বরলিপি যিনি প্রণয়ন করেছেন এ ব্যাপারে তাঁর যোগ্যতা সম্পর্কেও আমার ধারণা অতি উচ্চ। এখন থেকে বছর বিশেক আগে হবে হয়তো, কিশোরগঞ্জ শিল্পকরা একাডেমীর আমন্ত্রণে নিখিলরঞ্জন নাথের আধুনিক সংগীত স্বরলিপি সংকলন গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে প্র্রধান অতিথি হিসেবে আমি যোগ দিয়েছিলাম। ব্যাপারটা যে কেমন হবে সে সম্পর্কে আমার গানের স্বরলিপি প্রণয়ন ছিলা না। কিন্তু উৎসবে গিয়ে বিস্ময় মানি। নিখিল রঞ্জন অত্যন্ত নির্ভরযোগ্যভাবে শত আধুনিক গানের স্বরলিপি প্রণয়ন করেছেন, তারই সংকলন গ্রন্থ নিয়ে প্রকাশনা উৎসব। তখনো এমন কোনো গ্রন্থ ঢাকা থেকেই বের হয়নি। কিশোরগঞ্জে বসে নিখিল রঞ্জনের মতো একজন প্রকৌশলী এমন কঠিন একটি কাজ এতোটা নিখুঁতভাবে করবার চেষ্টা করছেন এবং এর একটি প্রকাশনা উৎসবে আমন্ত্রিত হয়ে গেছি ভাবে বিস্ময় ও আনন্দ দুইই অনুভব করলাম। নিখিল রঞ্জন নাথের কাজের সঙ্গে সেই আমার পরিচয়।এর পর থেকে তাঁর কাজের প্রতি আমি সতর্ক দৃষ্টি রেখেছি এবং দেখছি যে, স্বরলিপি করার মতো একটি কঠিন কাজকে তিনি এত সহজভাবে গ্রহণ করেছেন। পরবর্তী বছরগুলোয় তিনি বহু গানের স্বরলিপি করেছেন এবং তাঁর অনেক স্বরলিপি মুদ্রিত আকারে প্রকাশিত হয়েছে এবং স্বরলিপি সংকলনও প্রকাশিত হয়েছে একাধিক।বাংলা আধুনিক গানের, বিশেষ করে গেল শতকের ত্রিশ, চল্লিশ এবং পঞ্চাশের দশকের জনপ্রিয় আধুনিক গানের স্বরলিপি করার প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল বেশি।নিখিল রঞ্জন নাথের করা আধুনিক বাংলা গানের স্বরলিপি থেকে নির্বাচিত ১৬৪ টি গানের স্বরলিপি প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন অনুপম প্রকাশনীর সত্ত্বাধিকারী মিলন নাথ। তিনি সংগীতের ক্ষেত্রটিকে নিয়ে কয়েক বছরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনার কাজ সম্পন্ন করেছেন। বর্তমান স্বরলিপি সংকলন গ্রন্থটিও এর ব্যতিক্রম হবে না। বাংলা আধুনিক গানের সূচনা রবীন্দ্রনাথের হাতে। ১৮৮৮ সালে মায়ার খেলা গীতিনাট্যে কালজয়ী সব আধুনিক গানের সমালোহ ঘটিয়েছেন তিনি। রবীন্দ্রনাথ আধুনিক সংগীত রীতি বলতে বুঝতেন এমন এক রচনারীতিকে যা হিন্দুস্তানি দরবারি গানের একান্ত প্রভাব মুক্ত। বাংলা নাগরিক গানের পটভূমিতে রয়েছে ধ্রুপদ, খেয়াল, টপ্পা, ঠংরি প্রভৃতি হিন্দুস্তনি রীতি। রবীন্দ্রনাথের চেষ্টা ছিল এই পটভূমিকে স্বীকার করে নিয়েই এর নিয়ম কানুনের জটিল বন্ধন থেকে সংগীত রচনারীতিকে মুক্ত করে অগ্রসর হওয়া। তিনি এ কাজে অসামান্য সাফল্য লাভ করেছিলেন। বিশ শতকের সূচনায় প্রামোফোন রেকর্ড প্রকাশ হতে শুরু করলে গান প্রচারের ব্যাপারটি এক যুগান্তকারী সমর্থন পায়। কিন্তু পরে রেডিও এবং সবাক চলচ্চিত্রের প্রচলন ঘটলে গীতপ্রচার অধিকতর জনসংলগ্নতা অর্জন কর তখন গানের একটি বিক্রয়মূল্য দাঁড়িয়ে যায়। মানুষ রেকর্ড কিনে গান গুনছেন, কোনো কোনো গানের জোরে সিনেমা জনপ্রিয়তা পায়। সে সময় এসে গীতিকার-সুরকার-গায়ক শ্রমবিভাজন রীতি চালু হয়। আগে এমনটি কখনো হয়নি। এই নতুন যুগের সূচনাকালীন নেতৃত্বে দেন কাজী নজরুল ইসলাম। ত্রিশের দশক ও তার পরবর্তীকালে নক্ষত্রপ্রতিম সব গীতিকার, সুরকার ও গায়কের আবির্ভাব ঘটে। যন্ত্রসংগীত সহযোগেও উৎকষ.. ঘটাতে থাকে ক্রমে ক্রমে। রেকর্ড করার যান্ত্রিক সমর্থনেরও বিস্ময়কর বিকাশ ঘটে। এই সমস্ত মাত্রাকে স্বীকার করে নিয়ে আধুনিক বাংলা গান বিকশিত হতে থাকে। বাংলা গান চিরকালিই কাব্যভাবাপন্ন। রবীন্দ্রনাথ, দ্বিজেন্দ্রলাল, রচনীকান্ত, অতুল প্রসাদ ও নজরুল আধুনিক বাংলা গানের বিকাশের এই কাব্যভাবাপন্ন। পটভুমিটি নির্মাণ করেন। সংগীতের সহযোগেই কাব্যের ব্যঞ্জনা এখানে তীব্র হয়ে ওঠে।এই ধরাকেই বহন করে চলেন নক্ষত্রপ্রতিম রচয়িতাগণ। বাংলা গানের ইতিহাসের এ যাবৎ সর্বশেষ অত্যুজ্জ্বল ধারাটি রচনা করে আধুনিক বাংলা গান। 0সেখান থেকে ১৬৪টি গান নির্বাচন করে স্বরলিপিসহ প্রকাশ করা একটি চমৎকার কাজ হিসেবে বিবেচিত হবে।আমাদের কণ্ঠশিল্পীরা ও সঙ্গীতামোদী সমাজ এই কাজ দ্বারা নিশ্চয়ই উপকৃত হবেন।আমি অনুপম প্রকাশনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই ও এর সাফল্য কামনা করি।এই প্রকাশনা কর্মটিকে সর্বাঙ্গ সুন্দর করার জন্যে সংগীত শিল্পী শ্রী দিলীপ বিশ্বাস অশেষ পরিশ্রম স্বীকার করেছেন। তাঁকে সকৃতজ্ঞ ধন্যবাদ জানাই। করুণাময় গোস্বামী ঢাকা, ১১ জানুয়ারি, ২০১০'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd7a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রোমিও এ্যান্ড জুলিয়েট',\n", " 'seo_url': 'romeo-and-juliet-100',\n", " 'description': 'চরিত্রসমূহ * কোরাস * রোমিও * মন্টেগু ,কার পিতা * মন্টেগুর স্ত্রী * বেনভোলিও ,মন্টেগুর ভাইপো * আব্রাহাম, মন্টেগুর ভৃত্য * বালথাসার, রোমিওর ভৃত্য * জুলিয়েট * ক্যাপুলেট ,তার পিতা * ক্যাপুলেটের স্ত্রী * টাইবল্ট, তার ভাইপো * টাইবেল্টের ভৃত্য * পাট্রুকিও * পিটার, স্যামসন এবং প্রেগরি-ক্যাপুলেটের ভূত্য * অন্য ভৃত্যরা * সংগীতবাদকের দল * এস্কেলাস, ভেরোনার যুবরাজ * মারকুটিও এবং কাউন্ট প্যারিস--- তাঁর আত্মীয় * প্যারিসের ভৃত্য * ফ্রায়ার লরেন্স * ফ্রায়ার জন * একজন চিকিৎসক * প্রধান প্রহরী * অন্যান্য প্রহরী * ক্যাপুলেট এবং মন্টেণ্ড পরিবারের অনুসারী আত্মীয়-স্বজন ও অতিথিবর্গ।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd80',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভালো থাকুন সজীব হয়ে বাঁচুন',\n", " 'seo_url': 'ভালো-থাকুন-সজীব-হয়ে-বাঁচুন',\n", " 'description': 'ইনফ্লুয়েঞ্জা'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd98',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': '৫০৫ গাণিতিক কুইজ',\n", " 'seo_url': '৫০৫-গাণিতিক-কুইজ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বিভিন্ন বিষয়ের উপর সংগৃহীত সহস্রাধিক কুইজ থেকে নির্বাচিত সহজ-কঠিন ৫০৫ টি কুইজ ও সমস্যা বই আকারে প্রকাশ করা হল। বইটি নে সব বয়সের ও সবধরনের লোকের চাহিদা মেটাতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখে কুইজ ও সমস্যগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। কুইজ নির্বাচনে পাঠকের সুবিধার্থে সব কুইজ ও সমস্যাকে আবার মোটামুটি চারভাগে ভাগ করা হয়েছে : Easy, Medium*, Hard**, এবং Very Hard***। কুইজগুলো আড্ডায়, পার্টিতে, ক্লাসে বা পরিবারের সমস্যদের নিয়ে যেমন উপভোগ করা যাবে আবার একা সমাধান করার চেষ্টা করেও সময় কাটানো যাবে। কোন্\\u200c সমস্য্যাটি সোজা, কোন্\\u200c সমস্যাটি কঠিন তা নির্ভর করবে পাঠকের Intelligence; গণিতে পূবজ্ঞান, অভিজ্ঞতা ইত্যাদির উপর। কোন কুইজ বা সমস্যার উত্তর/সমাধান দেখার আগে নিজে চেষ্টা করে দেখা উচিত। এতে IQ ও নিজের উপর আস্থা বাড়বে। যে কোন কুইজ ও সমস্যার সমাধানের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ধৈর্য্য, ইচ্ছে ও প্রচেষ্টা।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd9c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নির্বাচিত বিদেশী গল্প',\n", " 'seo_url': 'নির্বাচিত-বিদেশী-গল্প',\n", " 'description': 'সূচি বই_______| লেখক মেইমানের মা | ম্যাক্সিম গোর্ক উপহার____| ও হেনরি শব্দ______|এডগার এ্যালান পো জীবন তৃষ্ণা__|জ্যাক লন্ডন ককেসার বন্দি |লেভ তলস্তয়'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbd9e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কম্পিউটারের আশ্চর্য জগৎ',\n", " 'seo_url': 'কম্পিউটারের-আশ্চর্য-জগৎ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *নতুন শিশুর বিশ্বজয় *অ্যাবাকাস থেকে আই.বি.এম *সব কিছু বদলে দিল ইলেক্টন *কম্পিউটার পৌঁছল ঘরে ঘরে *কম্পিটারের অ আ *কাছ থেকে চেনা *কম্পিটারের প্রাণভোমরা *কম্পিউটারের ভাষা *শুধু নির্দেশ মেনে চলা *প্রযুক্তি এগিয়ে চলেছে *সিডি ও মাল্টিমিডিয়া *ইন্টানেটের আরেক ভুবন *যন্ত্রের জন্য যত্ন চাই *সাবধানের মার নেই'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdb6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একুশে ফেব্রুয়ারী (পেপারব্যাক)',\n", " 'seo_url': 'একুশে-ফেব্রুয়ারি',\n", " 'description': \"ভূমিকা বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলন শুধু এদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে নয়, শিল্প সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও নতুন চেতনাপ্রবাহ সৃষ্টি করেছিলাে। এই চেতনা ছিলাে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক এবং সামাজিক মূল্যবােধসঞ্জাত। আমাদের শিল্প সাহিত্যে যারা এই চেতনার ফসল, তাদের ভেতর জহির রায়হানের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য। কারণ ভাষা আন্দোলনে তিনি শুধু যে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন তা নয়, তাঁর সাহিত্য প্রেরণার মূল উৎস ছিলাে এই আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের উপর প্রথম সার্থক উপন্যাস আরেক ফাল্গুন'-সহ অজস্র ছােটগল্প ও নিবন্ধ লিখেছেন তিনি। এইসব লেখা এবং তাঁর রাজনৈতিক অঙ্গীকার থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে,\"},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdb8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মা (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'মা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অনুবাদ সম্পর্কে একটি কথা আছে যে, ‘অনুবাদ হল মেয়েদের মতো, সুন্দরী হলে বিশ্বস্ত হয় না, বিশ্বস্ত হলে সুন্দরী হয় না’। অনুবাদের চরিত্র সম্পর্কে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে মেয়েদের প্রসঙ্গ এভাবে কে এনেছিলেন তা আমরা জানি না, তবে এরকম বিশ্লষণ যে সামন্তবাদী ধারাণাপ্রসূত তাতে মোটেও সন্দেহ নেই। তবে অনুবাদের প্রকৃতি বুঝতে সম্ভবত এই বিশ্লেষণের জুড়ি নেই। বস্তুত এই বিশ্লেষণ থেকেই আক্ষরিক অনুবাদ ও ভাবানুবাদের পার্থক্যটি পাঠক বুঝতে পারে। এক ভাষায় শিল্প-সাহিত্য অন্য ভাষায় অনূদিত হয়ে কতোটা রস প্রবাহ ও সিঞ্চন সম্ভব তা নিয়ে সাহিত্যমহলে বিশেষ কোনো বিতর্ক নেই, বরং বরাবরের মতোই প্রশ্ন এখনো উঠে আসছে। তবু অনুবাদের মাধ্যমেই বিশ্বসাহিত্যের আবহ দেশ থেকে দেশান্তরে, ভাষা থেকে ভাষান্তরে গড়ে উঠেছে। বাংলাভাষার বিখ্যাত সব লেখক-কবি-সাহিত্যিকদের অনেক শিল্পকর্ম বিদেশি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে, আবার বিশ্বসাহিত্যের প্রচুর শিল্পকর্ম বাংলাভাষায় অনূদিত হয়ে এই ভাষার পাঠকের চাহিদাকে নানাভাবেই পূরণ করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। বাংলাভাষঅয় বিশ্বসাহিত্যের চিরায়ত শিল্পকর্মের যেসব গ্রন্থাবলি অনূদিত হয়েছে তার মধ্যে ম্যাক্সিম গোর্কির ‘মা’ উপন্যাস অন্যতম।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdba',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমার ছেলেবেলা',\n", " 'seo_url': 'আমার-ছেলেবেলা',\n", " 'description': 'ভূমিকা মহান রুশ লেখক গোর্কির (১৮৬৮-১৯৩৬) খ্যাতি প্রধান তাঁর মা উপন্যাসটির জন্য। পৃথিবীর শতাধিক ভাষায় অনূদিত হয়ে বইটি এ-যাবত কোটি-কোটি মানুষ পাঠ করেছেন। ১৯০৫ সালের প্রথম রুশ-বিপ্লব পূর্ববর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের পটভূমিকায় উপন্যাসটি লেখা হয়েছিল। লেনিন বইটিকে অভিহিত করেছিলেন ‘একটি দরকারি’ এবং ‘খুবই যুগোপযোগী’ বই বলে। ১৯১৭ সালের সোভিয়েত বিপ্লবের পেছনেও বইটি একটি অনুপ্রেরণাদায়ী ভূমকা পালন করে। পরবর্তীকালেও সারা পৃথিবীর বিশেষ করে সমাজ-পরিবর্তন-আকাঙ্ক্ষী রাজনৈতিক কর্মীদের কাছে এটি একটি অবশ্য-পাঠ্য গ্রন্থ হিসেবে গণ্য হয়ে এসেছে। শুধু ঐপন্যাসিক হিসেবেই নয়, গল্প ও নাটক রচনায়ও গোর্কি কৃতিত্বের পরিচয় দিযেছেন। তাঁর বিখ্যাত গল্পের মধ্যে ‘মানুষের জন্ম’ (১৮৯২), ‘বুড়ি ইজেরগিল’ (১৮৯৪), ‘চেলকাশ’ (১৮৯৪), ‘ছাব্বিশজন পুরুষ ও একটি মেয়ে’ (১৮৯৯) প্রভৃতি। এছাড়া লিখেছেন নাটক তলদেশে (১৯০২), পাতিবুর্জোয়া (১৯০২), মরগুমি লোক (১৯০৪) বুড়ো (১৯১২) ইত্যাদি।জনপ্রিয়তার দিক থেকে মা শীর্ষস্থান দখল করলেও, অনেক সমালোচক মনে করেন, তাঁর তিনখণ্ড আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস আমার ছেলেবেলা (১৯১৪), পৃথিবীর পথে (১৯১৫) ও পৃথিবীর পাঠশালায় (১৯২৩) এবং মহাকাব্যোপম উপন্যাস ক্লিম সামগিনের জীবন (১৯২৭-৩৬) অধিকতর শিল্প-সফল রচনা। বুর্জোয়া বা মধ্যবিত্ত জীবনের নানা স্ববিরোধ, অন্তসারশূন্যতা, ভণ্ডামি, তথাকথিত নীতিবাগীশতার আড়ালে তার গভীর ক্লেদ-এসবকে শুধু উদ্ঘাটনাই নয়; তীব্র বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন গোর্কি তাঁর বিভিন্ন রচনায়, বিশেষ করে তলদেশে-র মতো নাটক এবং ক্লিম সামগিনের জীবন-এর মতো উপন্যাসে।মানুষকে তিনি দেখেছেন গভীর মমতায়। বলেছেন, “মানুষ-কী দৃপ্ত কথাটার ঝংকার!” (তলদেশে) মানবজাতির জন্য এক নতুন, শোষণ-বঞ্চনামুক্ত ও সমতায় বিশ্বাসী ভবিষ্যৎ রচনার সংগ্রামে তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। শুধু আপন রুশ দেশেরই নয়, সারা পৃথিবীর মেহনতি মানুষের বিপ্লবী অভিযাত্রার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছিলেন।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdc2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জীবনে প্রথম চোখের জল',\n", " 'seo_url': 'জীবনে-প্রথম-চোখের-জল',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তারপর আবার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির মতো ঘটনা ঘটে। মসিরুলের বাড়ির মতো এখানেও পাড়া-প্রতিবেশী বা জ্ঞাতিদের মধ্যে কেউ কেউ যারা নিজেদের কোনও উপকার হবে না জেনেও অন্যের ক্ষতি করতে চায়, তারা গিয়ে নরোত্তম ও অন্র বাবুদের কাছে লাগায়। মেথর পল্লীর মধ্যে দেবদেভীর মূর্তি নিয়ে একী অনাচার? তাও আবার মা দুর্গা! এতে যে সবার অমঙ্গল হবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdc4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উপন্যাস সমগ্র',\n", " 'seo_url': 'উপন্যাস-সমগ্র',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ জহির রায়হানের পরিচয় শুধু এদেশের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবেই নয়, আমাদের কথাসাহিত্যেরও তিনি একজন অগ্রগণ্য ব্যাক্তিত্ব। আপাদমস্তক শিল্পী বলতে যা বোঝায় তিনি ছিলেন তাই। সর্বক্ষণ সৃষ্টির প্রেরণায় অস্থির এই মানুষটি চলচ্চিত্র ও সাহিত্য এই দুই অঙ্গনেই ছিলেন সমানভাবে সক্রিয়। আর দুই ক্ষেত্রেই তিনি তাঁর প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। ছিলেন প্রবলভাবে দায়বদ্ধ একজন মানুষও। আমাদের ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সংগ্রামী অভিযাত্রার প্রতিটি পর্যায়ে তিনি কেবল আলো হাতে জাতিকে পথই দেখাননি, ইতিহাসের বাঁকগুলো বাঙ্ময় হয়ে উঠেছে তাঁর রচনায়। স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ের অব্যবহিত পর তাঁর বিয়োগান্ত অন্তর্ধানের ঘটনাটি জাতিকে কেবল হতবাক ও বেদনায় মোহ্যমনই করেনি, যেমন আমাদের চলচ্চিত্রশিল্প তেমনি কথাসাহিত্যকেও অনেকখানি রিক্ত করে দিয়ে গেছেন। তারপরও মাত্র ৩৬ বছরের পরমায়ু নিয়ে চলচ্চিত্র ও সাহিত্য উভয় ক্ষেত্রে তিনি তাঁর প্রতিভার যে স্বাক্ষর, সৃষ্টিশীলতায় যে ফসল রেখে গেছেন, নিঃসন্দেহে তাই তাঁকে অমর করে রাখেবে। যদিও বাস্তব কারণেই চলচ্চিত্রকার পরিচয়ের আড়ালে কথাসাহিত্যিক হিসেবে তাঁর অবদান হয়তো বা কিছুটা ঢাকাই পড়ে গেছে। আমাদের বর্তমান প্রয়াসের লক্ষ হল দেশের বিশেষ করে নবীন প্রজন্মের পাঠকদের কাছে জহির রায়হানের সাহিত্যিক অবদানের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় তুলে ধরা। আর সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা তাঁর উপন্যাসগুলো একত্রে ও আলাদা আলাদাভাবে এবং গল্পসমগ্র প্রকাশের পরিকল্পনা করেছি। আশা করি এর ফলে আজ ও আগামী দিনের পাঠক আমাদের মহান এক কথাশিল্পীর প্রতিভার সঙ্গে সম্যক পরিচিতি হবার সুযোগ পাবেন। সূচিপত্র * শেষ বিকেলের মেয়ে - ১৭ * তৃষ্ণা - ৯১ * হাজার বছর ধরে - ১৩৫ * আরেক ফাল্গুন - ১৯৭ * বরফ গলা নদী - ২৬৩ * আর কত দিন - ৩৫৩ * কয়েকটি মৃত্যু - ৩৭৫ * একুশে ফেব্রুয়ারী- ৩৯৯'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdc6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গল্প সমগ্র',\n", " 'seo_url': 'গল্প-সমগ্র-101',\n", " 'description': '“গল্প সমগ্র\" বইটির ফ্ল্যাপের কথাঃ জহির রায়হান শুধু এদেশের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা। হিসেবেই নয়, আমাদের কথাসাহিত্যেরও তিনি একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তিত্ব। আপাদমস্তক শিল্পী বলতে যা বােঝায় তিনি ছিলেন তাই। সর্বক্ষণ সৃষ্টির প্রেরণায় অস্থির এই মানুষটি চলচ্চিত্র ও সাহিত্য এই দুই অঙ্গনেই ছিলেন সমানভাবে সক্রিয়। আর দুই ক্ষেত্রেই তিনি তাঁর প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। ছিলেন প্রবলভাবে দায়বদ্ধ একজন মানুষও। আমাদের ভাষা। আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সংগ্রামী অভিযাত্রার প্রতিটি পর্যায়ে তিনি কেবল আলাে হাতে জাতিকে পথই দেখাননি, ইতিহাসের বাঁকগুলাে বাজয় হয়ে উঠেছে তার রচনায়। স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ের অব্যবহিত পর তাঁর বিয়ােগান্ত অন্তর্ধানের ঘটনাটি জাতিকে কেবল হতবাক ও বেদনায় মুহ্যমানই করেনি, যেমন আমাদের চলচ্চিত্রশিল্প তেমনি কথাসাহিত্যকেও তিনি অনেকখানি রিক্ত করে দিয়ে গেছেন। তারপরও মাত্র ৩৭ বছরের পরমায়ু নিয়ে চলচ্চিত্র ও সাহিত্য উভয় ক্ষেত্রে তিনি তার প্রতিভার যে স্বাক্ষর, সৃষ্টিশীলতার যে ফসল রেখে গেছেন, নিঃসন্দেহে তাই তাঁকে অমর করে রেখেছে। যদিও বাস্তব কারণেই চলচ্চিত্রকার পরিচয়ের আড়ালে কথাসাহিত্যিক হিসেবে তাঁর অবদান হয়তাে বা কিছুটা ঢাকাই পড়ে গেছে। আমাদের বর্তমান প্রয়াসের লক্ষ্য হল দেশের, বিশেষ করে নবীন প্রজন্মের পাঠকদের কাছে জহির রায়হানের সাহিত্যিক অবদানের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় তুলে ধরা। আর সেই লক্ষ্য থেকেই তাঁর গল্পসমগ্র, উপন্যাসসমগ্র, রচনাসমগ্র এবং আলাদা আলাদাভাবে সবগুলাে গ্রন্থ আমরা প্রকাশ করেছি। আশা করি পাঠক আমাদের মহান এক কথাশিল্পীর প্রতিভার সঙ্গে সম্যক পরিচিত হবার সুযাগ পাবেন। সূচিপত্র * সােনার হরিণ/৯ * সময়ের প্রয়ােজনে/১২ * একটি জিজ্ঞাসা/২২ * হারানাে বলয়/২৪ * বাঁধ/২৯, * সূর্যগ্রহণ/৩৫ * নয়া পত্তন/৪১ * মহামৃত্যু/৪৬ * ভাঙাচোরা/৫১ * অপরাধ/৫৭ * স্বীকৃতি/৬২ * অতি পরিচিত/৬৯ * ইচ্ছা অনিচ্ছা/৭৩ * জন্মান্তর/৭৯ * পােস্টার/৮৫। * ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি/৯২ * কতকগুলাে কুকুরের আর্তনাদ/৯৫ * কয়েকটি সংলাপ/৯৬ * দেমাক/১০১ * ম্যাসাকার/১০৬ * একুশের গল্প/১১৯'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdc8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বরফ গলা নদী',\n", " 'seo_url': 'বরফ-গলা-নদী',\n", " 'description': 'চমকে উঠে চোখ মেলে তাকালো সে। সমস্ত শরীর শিরশির করে কাঁপছে তার। বুকটা দুরুদুরু করছে ভয় পেয়েছে মাহমুদ। তবু আশপাশে একবার তাকালো সে। মাকে যদি দেখা যায়। কিন্তু কেউ তার নজরে এলো না। এলো একটা আরশোলা, বইয়ের আলমারিটার ওপর নিশ্চিন্তে হেঁটে বেড়াচ্ছে সেটা। তার দিকে একদৃষ্টে চেয়ে রইলো মাহমুদ। একটু পরে পাকঘর থেকে একগ্লাস গরম দুধ হাতে নিয়ে এ ঘরে এলো লিলি। ওকে দেখতে পেয়ে কিছুটা আশ্বস্ত হলো মাহমুদ। একটুকাল নীরব থেকে বললো, আমি মরলাম না কেন, বলতে পারো লিলি?'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdca',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শেষ বিকেলের মেয়ে (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'শেষ-বিকেলের-মেয়েপ্রথম-উপন্যাস-১৯৬০',\n", " 'description': \"‘শেষ বিকেলের মেয়ে' বইয়ের কিছু কথাঃ আকাশের রঙ বুঝি বারবার বদলায়। কখনো নীল। কখনো হলুদ। কখনো আবার টকটকে লাল। মাঝে মাঝে যখন সাদাকালো মেঘগুলো ইতিউতি ছড়িয়ে থাকে আর সোনালি সূর্যের আভা ঈষৎ বাঁকা হয়ে সহস্র মেঘের গায়ে লুটিয়ে পড়ে, তখন মনে হয়, এর রঙ একটি নয়, অনেক। এখন আকাশে কোনো রঙ নেই। আছে বৃষ্টি। একটানা বর্ষণ। সেই সকাল থেকে শুরু হয়েছে তবু থামবার কোনো লক্ষণ নেই। রাস্তায় একহাঁটু পানি জমে গেছে। অতি সাবধানে হাঁটতে গিয়েও ডুবন্ত পাথরনুড়ির সঙ্গে বারকয়েক ধাক্কা খেয়েছে কাসেদ। আরেকটু হলে একটা সরু নর্দমায় পিছলে পড়তো সে। গায়ের কাপড়টা ভিজে চুপসে গেছে। মাথার চুলগুলো বেয়ে ফোঁটাফোঁটা পানি ঝরছে। শীতে কাঁপতে কাঁপতে যখন বাসায় এসে পৌছলো কাসেদ তখন জোরে বাতাস বইতে শুরু করেছে। বোধ হয় ঝড় উঠবে আজ। প্রচণ্ড ঝড়। ভেজানো দরজাটা ঠেলে ভেতরে ঢুকতে কাসেদ দেখলো, ছোট্ট একখানা সিঁড়ির ওপরে বসে চুলোয় আঁচ দিচ্ছে নাহার, মা তসবিহ্ হাতে পাশে দাঁড়িয়ে কী নিয়ে যেন আলাপ করছেন ওর সঙ্গে। ভেতরে আসতে অনুযোগভরা কণ্ঠে মা বললেন, দ্যাখো, ভিজে কী অবস্থা হয়েছে দ্যাখো।কী দরকার ছিলো এই বৃষ্টিতে বেরুবার ? কাসেদ কোনো উত্তর দেবার আগেই মা আবার বললেন, ঠাণ্ডা লেগে তুমি একদিন মারা যাবে। এই বলে দিলাম দেখো, তুমি একদিন বৃষ্টিতে ভিজেই মারা যাবে। কেন মিছেমিছি চিন্তা করছো মা। ভেজাটা আমার গা-সওয়া হয়ে গেছে। দেখো কিচ্ছু হবে না। না হবে না। যেদিন অসুখ করবে সেদিন টের পাবে। সহসা কী মনে পড়তে খানিকক্ষণ চুপ থেকে মা শুধোলেন, ছাতাটা করেছো কি শুনি? তাইতো মা, ছাতাটা। কাসেদ ইতস্তত গলায় জবাব দিলো, ওটা সেদিন অফিস থেকে এক ভদ্রলোক নিয়ে গেছেন। তার কাছ থেকে আর আনা হয়নি। যা ভেবেছিলাম, নাহারের দিকে একনজর তাকিয়ে নিয়ে মা বিরক্তির সঙ্গে বললেন, তোর দিন যাবে কেমন করে আমায় বলতো? আজ এটা, কাল সেটা তুই শুধু মানুষকে বিলোতে থাকবি। রাজত্বি থাকতো নাহয় বুঝতাম। টানাটানির সংসার। নিজের ঘরে এসে ভেজা কাপড়গুলো দড়ির ওপর ঝুলিয়ে রাখলো কাসেদ। আলনা থেকে একটা গেঞ্জি টেনে নিয়ে পরলো। তারপর উনুনের পাশে এসে বসে বললো, বিলোচ্ছি কে বললো মা, ছাতাটা ভদ্রলোক কিছুক্ষণের জন্য চাইলেন তাই দিলাম। ওটা তো চিরকালের জন্যে দিইনি, কালই আবার.......\"},\n", " {'product_id': '5a82e343aa4811514da8b290',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'খুন ও ভালোবাসা',\n", " 'seo_url': 'খুন-ও-ভালোবাসা',\n", " 'description': 'শাহরিয়ার একজন খুনী। অনেক বছর আগে খুন করেছে নিজের ভালোবাসার মানুষ শামান্তাকে। বিচারে তার মৃত্যুদণ্ড হয়। পালায় সে। তবে পলাতক খুনীর নীল জীবনে বয়ে যায় অনুতাপ পরিতাপ ও লুকোনো স্বভাবের বিষাক্ত প্রবাহ। একদিন শাস্তি নিতে থানার পথ ধরে শাহরিয়ার। তখনই রহস্য ভেদ করে রক্তপদ্মের মতো ফুটে ওঠে আরেক গল্প। জীবন যেখানে দারুণ নির্জন, দারুণ সহজ…আর বেয়ে ওঠে আবেগের ডালপালায়'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdcc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হাজার বছর ধরে',\n", " 'seo_url': 'হাজার-বছর-ধরে',\n", " 'description': '“হাজার বছর ধরে” বইটির প্রথম দিকের কিছু কথাঃ মস্ত বড় অজগরের মতাে সড়কটা এঁকেবেঁকে চলে গেছে বিস্তীর্ণ ধানক্ষেতের মাঝখান দিয়ে। মােগলাই সড়ক।লােকে বলে, মােগল বাদশাহ আওরঙ্গজেবের হাতে ধরা পড়বার ভয়ে শাহ সুজা যখন আরাকান পালিয়ে যাচ্ছিলাে তখন যাবার পথে কয়েক হাজার মজুর খাটিয়ে তৈরি করে গিয়েছিলাে এই সড়ক। দু-পাশে তার অসংখ্য বটগাছ। অসংখ্য শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে সগর্বে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেই দীর্ঘকাল ধরে। ওরা এই সড়কের চিরন্তন প্রহরী। কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা। মাঝে মাঝে ধানক্ষেত সরে গেছে দূরে। দু-ধারে শুধু অফুরন্ত জলাভূমি। অথৈ পানি। শেওলা আর বাদাবন ফাকে ফাকে মাথা দুলিয়ে নাচে অগুনতি শাপলা ফুল। ভাের হতে আশেপাশের গায়ের ছেলে-বুড়ােরা ছুটে আসে এখানে। একবুক পানিতে নেমে শাপলা তােলে ওরা। হৈ-হুল্লোড় আর মারামারি করে কুৎসিত গাল দেয় একে অন্যকে। বাজারে দর আছে শাপলার। এক আঁটি চার পয়সা করে। কিন্তু এমনও অনেকে এখানে শাপলা তুলতে আসে, বাজারে বিক্রি করে পয়সা রােজগার করা যাদের ইচ্ছে নয়। মন্তু আর টুনি ওদেরই দলে। ওরা আসে ধল-পহরের আগে, যখন পুব আকাশে শুকতারা ওঠে। তার ঈষৎ আলােয় পথ চিনে নিয়ে চুপিচুপি আসে ওরা। রাতের শিশিরে ভেজা ঘাসের বিছানা মাড়িয়ে ওরা আসে ধীরে ধীরে। টুনি ডাঙায় দাঁড়িয়ে থাকে। মন্তু নেমে যায় পানিতে। তারপর, অনেকগুলাে শাপলা তুলে নিয়ে, অন্য সবাই এসে পড়ার অনেক আগে সেখান থেকে সরে পড়ে ওরা। পরীর দীঘির পারে দুজনে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়। শাপলার গায়ে লেগে থাকা আঁশগুলাে বেছে পরিষ্কার করে। মন্তু বলে, বুড়া যদি জানে তােমারে আমারে মাইরা ফালাইবাে। টুনি বলে, ইস, বুড়ার নাক কাইটা দিমু না। নাক কাইটলে বুড়া যদি মইরা যায়। মইরলে তাে বাঁচি। বলে ফিক করে হেসে দেয় টুনি। বলে, পাখির মতাে উইড়া আমি বাপের বাড়ি চইলা যামু। বলে আবার হাসে সে, সে হাসি আশ্চর্য এক সুর তুলে পরীর দীঘির চার পাড়ে প্রতিধ্বনিত হয়। এ দীঘি এককালে এখানে ছিলাে না। আশেপাশের গায়ের ছেলে-বুড়ােদের প্রশ্ন করলে তারা মুখে-মুখে বলে দেয় এ দীঘির ইতিহাস। কেউ চোখে দেখেনি, সবাই শুনেছে। কেউ শুনেছে তার বাবার কাছ থেকে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdce',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আরেক ফাল্গুন',\n", " 'seo_url': 'আরেক-ফাল্গুন',\n", " 'description': 'আরেক ফাল্গুন”বইটির প্রথম দিকের কিছু কথাঃ রাত দুপুরে সবাই যখন ঘুমে অচেতন তখন বৃটিশ-মেরিনের সেপাহীরা এসে ছাউনি ফেলেছিলাে এখানে। শহরের এ-অংশটায় তখন বসতি ছিলাে না। ছিলাে, সার-সার ঊর্ধ্বমুখী গাছের ঘন অরণ্য। দিনের বেলা কাঠুরের দল এসে কাঠ কাটতাে আর রাতে হিংস্র পশুরা চরে বেড়াতাে। শহরে তখন গভীর উত্তেজনা। লালবাগে সেপাহীরা যে-কোনাে মুহূর্তে বিদ্রোহ করবে। যে ক’টি ইংরেজ-পরিবার ছিলাে তারা সভয়ে আশ্রয় নিলাে বুড়িগঙ্গার ওপর গ্রিনবােটে। খবর পেয়ে যথাসময়ে বৃটিশ-মেরিনের সেনারা এসে পৌঁছেছিলাে আর শহরের এঅংশটা দখল করে তাঁবু ফেলেছিলাে এখানে। সে থেকে এর নাম হয়েছিল, আন্ডারগােরা ময়দান। লােকে বলতাে আন্ডারগােরার ময়দান। শেষরাতে, লালবাগ নিরস্ত্র সেপাহীদের ওপর অতর্কিতে আক্রমণ করেছিলাে তারা। মানুষের রক্তে লালবাগের মাটি লাল হয়ে উঠে। কিছু সেপাহী মার্চ করে পালিয়ে যায় ময়মনসিংহের দিকে। যারা ধরা পড়ে, তাদের ফাঁসি দেয়া হয় আন্ডাগােরার ময়দানে। মৃতদেহগুলােকে ঝুলিয়ে রাখা হয় গাছের ডালে ডালে। লােকে দেখুক। দেশদ্রোহীর শাস্তি কত নির্মম হতে পারে, স্বচক্ষে দেখুক নেটিভরা। এসব ঘটেছিলাে একশাে বছর আগে। আঠারােশো সাতান্ন সালে। আন্ডারগােরার ময়দান এখনাে আছে। শুধু নাম পালটেছে তার। লােকে বলে, ভিক্টোরিয়া পার্ক। সে অরণ্য আজ নেই। মাঝে, একটা প্রচণ্ড ঝড় হয়েছিলাে। সে ঝড়ে কী আশ্চর্য, গাছের ডালগুলাে ফেটে চৌচির হয়ে গেলাে, আর গুঁড়িসুদ্ধ গাছগুলাে লুটিয়ে পড়লাে মাটিতে। লােকে বলতাে, গাছেরও প্রাণ আছে। পাপ সইবে কেন ? তারপর থেকে আবাদ শুরু হলাে এখানে। ঘর উঠলাে। বাড়ি উঠলাে। রাস্তাঘাট তৈরি হলাে। মহারানির নামে গড়া হলাে একটা পার্ক। আগে জনসভা হতাে এখানে। এখন হয় না। শুধু বিকেলে ছেলেবুড়ােরা এসে ভিড় জমায়। ছেলেরা দৌড়ঝাঁপ দেয়। বুড়ােরা শুয়ে-বসে বিশ্রাম নেয়, চিনেবাদামের খােসা ছড়ায়। | এ হলাে গ্রীষ্মে অথবা বসন্তে। শীতের মরশুমে লােক খুব কম আসে, সন্ধ্যার পরে কেউ থাকে না। এবারে শীত পড়েছিলাে একটু বিদঘুটে ধরনের। দিনে ভয়ানক গরম। রাতে কনকনে শীত। সকালে কুয়াশায় ঢাকা পড়েছিলাে পুরাে আকাশটা। আকাশের অনেক নিচু দিয়ে মন্থরগতিতে ভেসে চলেছিলাে একটুকরাে মেঘ। উত্তর থেকে দক্ষিণে। রঙ তার অনেকটা জমাট কুয়াশার মতাে দেখতে। ভিক্টোরিয়া পার্কের পাশ দিয়ে ঠিক সেই মেঘের মতাে একটি ছেলেকে হেঁটে যেতে দেখা গেলাে নবাবপুরের দিকে। দক্ষিণ থেকে উত্তরে। পরনে তার একটা সদ্য-ধােয়ানাে সাদা সার্ট। সাদা প্যান্ট। পা জোড়া খালি। জুতাে নেই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdd0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তৃষ্ণা',\n", " 'seo_url': 'তৃষ্ণা',\n", " 'description': '“তৃষ্ণা”বইটির প্রথম দিকের কিছু কথাঃ একটি সুন্দর সকাল। বুড়াে রাত বিদায় নেবার আগে বৃষ্টি থেমে গেছে। তবু তার শেষ চিহ্নটুকু এখানে-সেখানে ছড়ানাে। চিকন ঘাসের ডগায় দু-একটি পানির ফোঁটা সূর্যের সােনালি আভায় চিকচিক করছে। চারপাশে রবিশস্যের ক্ষেত। হলদে ফুলে ভরা। তারপর এক পূর্ণ-যৌবনা নদী। ওপারে তার কাশবন। এপারে অসংখ্য খড়ের গাদা। ছেলেটির বুকে মুখ রেখে খড়ের কোলে দেহটা এলিয়ে দিয়ে ; মেয়েটি ঘুমােচ্ছে। ওর মুখে কোনাে অভিব্যক্তি নেই। ঠোটের শেষ সীমানায় শুধু একটুখানি হাসি চিবুকের কাছে এসে হারিয়ে গেছে। ওর হাত ছেলেটির হাতের মুঠোর মধ্যে শক্ত করে ধরে রাখা। দুজনে ঘুমােচ্ছে ওরা। ছেলেটিও ঘুমিয়ে । তার মুখে দীর্ঘপথ চলার ক্লান্তি। মনে হয় অনেকক্ষণ বৃষ্টিতে ভিজেছিলাে ওরা। চুলের প্রান্তে এখনাে তার কিছু রেশ জড়ানাে রয়েছে। সহসা গাছের ডালে বুননাপাখির পাখা ঝাপটানাের শব্দ শােনা গেলাে। মটরশুটির ক্ষেত থেকে একটা সাদা ধবধবে খরগােশের বাচ্চা ছুটে পালিয়ে গেলাে কাছের অরণ্যের দিকে। খড়ের কোলে জেগে উঠলাে অনেকগুলাে পায়ের ঐকতান। সমতালে এগিয়ে এলাে ওরা। যেখানে, ছেলেটি আর মেয়েটি এই পৃথিবীর অনেক চড়াই-উত্রাই আর অসংখ্য পথ মাড়িয়ে এসে অবশেষে এই স্নিগ্ধ সকালের সােনা-রােদে পরস্পরের কাছে অঙ্গীকার করেছিলাে। ভালােবাসি। বলেছিলাে। এই রাত যদি চিরকালের মতাে এমনি থাকে, এই রাত যদি আর কোনােদিন ভাের না হয় আমি খুশি হবাে। বলেছিলাে। ওই-যে দূরের তারাগুলাে, যারা মিটিমিটি জ্বলছে তারা যদি হঠাৎ ভুল করে নিভে যেতাে, তাহলে খুব ভালাে হতাে। আমরা অন্ধকারে দুজনে দুজনকে দেখতাম। বলেছিলাে। হয়তাে কিছুই বলেনি ওরা। শুধু শুয়েছিলাে। আঠারাে-জোড়া আইনের পা ধীরেধীরে চারপাশ থেকে এসে বৃত্তাকারে ঘিরে দাঁড়ালাে ওদের। ওরা তখনাে ঘুমুচ্ছে। তারপর। আমার কোনাে জাত নেই। মাংসল হাতজোড়া ভেজা টেবিলের ওপর ছড়িয়ে দিয়ে বুড়াে আহমদ হােসেন বললাে, আমার কোনাে জাত নেই। আমি না-হিন্দু, না-মুসলমান, না-ইহুদি, না-খৃষ্টান। আমায় জাত তুলে কেউ ডেকেছাে কি এক ঘুষিতে নাক ভেঙে দেবাে বলে দিলাম।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdd2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আর কতদিন',\n", " 'seo_url': 'আর-কতদিন',\n", " 'description': '\"আর কতদিন\" বইয়ের কিছু কথা: বারবার ঘুরে ফিরে এই প্রশ্নখানা এসে বুঝিয়ে দেয়, \"আর কতদিন\" কোন বিশেষ দেশের গল্প নয়। আবার, কোথাও স্পষ্ট বোঝা যায়, এগল্প কোন বিশেষ ধর্ম, বর্ণ, জাতের মানুষেরও নয়। তবে ২৮ পৃষ্ঠার এই গল্পে কাদের কথা আছে!? তোমার আমার দেশ আলাদা, চল তবে যুদ্ধ করি। ধর্ম আলাদা, চল দাঙ্গায় নামি। বর্ণ আলাদা, তোমার রক্ষে নেই। যুগে যুগে, দেশে দেশে জাতীয়তাবাদ, ধর্ম, বর্ণ, জাতের নামে যত অন্যায়, খুনোখুনি হয়েছে তার একটা সামগ্রিক চেহারা উঠে এসেছে এই বইটিতে। একটা বাক্সে বন্দী কতগুলো মানুষকে ছেলেমেয়ের বাধা তুচ্ছ করে দিনের পর দিন বাঁচিয়ে রাখেন এক মা, খুঁজে ফেরেন তাঁর হারিয়ে যাওয়া ছেলে তপুকে। এখানটায় মনে হবে, আপনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কোন গল্প পড়ছেন। কিন্তু তাড়া খেয়ে পাগলের মত ছোটা তপুর সাথে যখন একই ভাবে তাড়া খেয়ে পালানো লোকদের দেখা হয়ে যায়, আর তাদের বলতে শোনা যায়, \"ওরা আমার ছেলেটাকে হত্যা করেছে হিরোশিমায়। ওরা আমার মাকে খুন করেছে জেরুজালেমের রাস্তায়। আমার বোনটাকে ধর্ষণ করে মেরেছে আফ্রিকাতে। আমার বাবাকে মেরেছে বুখেনওয়াল্ডে গুলি করে।\", ভুল ভেঙ্গে যায়। খুনি, ধর্ষকের আলাদা কোন চেহারা, দেশ, ধর্ম, জাত নেই। আবার, ধর্ষিত আর খুন হয়ে যাওয়া মানুষগুলো, তাড়া খেয়ে পালানো মানুষগুলোরও আলাদা কোন জাত নেই। মনে হয়, যেন দুটো জাত আছে। একটা জাত মার খায়, আরেকটা জাত মার দেয়! তবু মানুষ ভুলে যায়, ভুল করে। আর তাই তপুর মা ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে মূহুর্তে বদলে যান। ছেলেমেয়েদের নিয়ে বাক্সবন্দী মানুষগুলোর উপর চড়াও হতে যান দা, ছুরি, লোহার শিক নিয়ে। কারণ? যারা তপুকে খুন করেছে তাদের আর এদের আশ্রয়ে নির্ভয়ে ঘুমন্ত মানুষগুলোর ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, ভাষা এক। অতএব, প্রতিশোধ অনিবার্য!'},\n", " {'product_id': '5a82e203beb4177e4c32cee1',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'Fundamental Learning of Islam',\n", " 'seo_url': 'fundamental-learning-of-islam',\n", " 'description': \"'ইলিয়াড'- বিশ্বসাহিত্যের প্রথম ক্ল্যাসিক , প্রথম ট্র্যাজেডি। হোমারের এই ইলিয়াডের হাত ধরেই শুরু পশ্চিমা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সভ্যতার পথচলা - আজ থেকে তিন হাজার বছর আগে । প্রথমবারের মত ট্রয়ের যুদ্ধকেন্দ্রিক এ মহাকাব্য- হেলেন,হেক্টর , প্যারিস ও একিলিসের এই অমর গাথা - বাংলায় অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও আক্ষরিক অনুবাদে। বাংলাদেশের অনুবাদসাহিত্যে এক অসামান্য কালজয়ী সংযোজন ।\"},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdd4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কয়েকটি মৃত্যু',\n", " 'seo_url': 'কয়েকটি-মৃত্যু',\n", " 'description': '“কয়েকটি মৃত্যু”বইটির প্রথম দিকের কিছু কথাঃ গলিটা অনেকদূর সরলরেখার মতাে এসে হঠাৎ যেখানে মােড় নিয়েছে, ঠিক সেখানে আহমদ আলী শেখের বসতবাড়ি। বাড়িটা এককালে কোনাে এক বিত্তবান হিন্দুর সম্পত্তি ছিলাে। দেশ ভাগ হয়ে যাওয়ার পর তাঁদের চব্বিশ পরগণার ভিটেবাড়ি, জমিজমা, পুকুর সবকিছুর বিনিময়ে এ দালানটার মালিকানা পেয়েছেন। মূল্যায়নের দিক থেকে হয়তাে এতে তার বেশকিছু লােকসান হয়েছে, তবু অজানা দেশে এসে মাথাগোঁজার একটা ঠাই পাওয়া গেলাে সে-কথা ভেবে আল্লাহর দরগায় হাজার শােকর জানিয়েছেন আহমদ আলী শেখ। সেটা ছিলাে উনিশশাে সাতচল্লিশের কথা। এটা উনিশশাে আটষট্টি। মাঝখানে একুশটা বছর পেরিয়ে গেছে। সেদিনের প্রৌঢ় আহমদ আলী শেখ এখন বৃদ্ধ। বয়স তার ষাটের কোঠায়। বড় ছেলে সাঁইত্রিশে পড়লাে। মেজো’র চৌত্রিশ চলছে। সেজো আটাশ। ছােট ছেলের বয়স একুশ হলাে। বড় তিন ছেলের ভালাে ঘর দেখে বিয়ে দিয়েছেন তিনি। বউরা সব পরস্পর মিলেমিশে থাকে। একে অন্যের সঙ্গে ঝগড়া করে না, বিবাদ করে না। তাই দেখে আর অনুভব করে কর্তা-গিন্নির আনন্দের সীমা থাকে না। মনে মনে তারা আল্লাহকে ডাকেন। আর বলেন তােমার দয়ার শেষ নেই। আহমদ আলী শেখের নাতি-নাতনীর সংখ্যাও এখন অনেক। বড়র ঘরে পাঁচজন। মেজোর দুই ছেলেমেয়ে। সেজো পরে বিয়ে করলেও তার ঘরে আটমাসের খুকিকে নিয়ে এবার তিনজন হলাে। মাঝে মাঝে ছেলে, ছেলের বউ আর নাতি-নাতনীদের সবাইকে একঘরে ডেকে এনে বসান আহমদ আলী শেখ। তারপর, চেয়ে-চেয়ে তাদের দেখেন। একজন চাষি যেমন করে তার ফসলভরা ক্ষেতের দিকে চেয়ে থাকেন তেমনি সবার দিকে তাকিয়ে দেখেনে আহমদ আলী শেখ, আর মনে মনে আল্লাহর কাছে মােনাজাত করেন। ইয়া আল্লাহ, এদের তুমি ঈমান-আমানের সঙ্গে দীর্ঘদিন বাঁচিয়ে রেখাে। এখন রাত। আহমদ আলী শেখ বিছানায় আধশােয়া অবস্থায় রােজকার অভ্যেসমতাে খবরের কাগজ পড়েন। রাজনৈতিক খবরাখবরে তার কোনাে উৎসাহ নেই। দল গড়ছে। দল ভাঙছে। দফার পর দফা সৃষ্টি করছে। আর বক্তৃতা দিচ্ছে। ভিয়েতনামে ত্রিশজন মরলাে। রােজ মরছে। তবু শেষ হয় না। আইয়ুব খানের ভাষণ। আর কাশ্মির। কাশ্মির। কাশির পড়তে পড়তে মুখ ব্যথা করে উঠে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdd6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গদ্যকার্টুন সমগ্র-১',\n", " 'seo_url': 'গদ্যকার্টুন-সমগ্র-১',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ গদ্যকার্টুন, কথাকার্টুন, গণতান্ত্রিক ফ্যান্টসি, রাজা যায় রাণী আসে, ফাটা ডিম আর আর তা দিয়ে কি ফল পাবে এই এই পাঁচটি বই থাকল এই সংকলনে।গদ্যকার্টুন আনিসুল হকের লেখা বিদ্রুপ রচনার নাম।ক্ষমতা তাঁর বিদ্রুপের প্রধান লক্ষ্য, ভণ্ডামি তাঁর ব্যঙ্গের প্রধান শিকার। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ লিখেছেন, ‘তিন ধরনের লেখায় এ পর্যন্ত হাত দিয়েছেন আনিসুল হক এবং আমার ধারণা ঐ তিন ধরনের লেখাতেই তিনি শক্তির প্রমাণ রেখেছেন। তাঁর শক্তি সবচেয়ে বেশি ঝলকে উঠেছে তাঁর রম্যরচনাগুলোয়। এখানে তাঁর কল্পনাশক্তি সবেচেয়ে স্বতঃস্ফুর্ত , চঞ্চল ও সপ্রতিভ।হালকা ডানায় উচ্ছল আনন্দে উড়ে বেড়ানোর অবলীলতা রয়েছে তাঁর এখানে।রম্যতা তাঁর রক্তের সবচেয়ে তপ্ত মৌলিক জিনিস।’ (ভোরের কাগজ, ৬ মার্চ ১৯৯৮) গদ্যকার্টুন প্রথম বই হয়ে বেরোয় ১৯৯৩ সালে। সে বইয়ের ভূমিকায় হুমায়ুন আজাদ লিখেছেন, ‘বাঙালায় ব্যঙ্গবিদ্রুপে ভাঁড়ানো একটা ঐতিহাসিক ব্যাপার, কম সংখ্যকের হাতেই তা শিল্পকলা হয়ে উঠেছে; আর আধুনিক চেতনা সম্পন্ন লেখকেরা সাধারণত এড়িয়ে গেছেন ব্যঙ্গবিদ্রুপকে।আনিসু হক আধুনিক চেতনাসম্পন্ন, তার বিদ্রুপও আধুনিক। সে রাজনীতিক কার্টুন শিল্পী, তার আক্রমনের লক্ষ্য বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি, যা এখন আমাদের প্রধান সামাজিক বিপদ।বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্রতন্ত্র ও তার সহযোগী সব প্রতিক্রিয়াশীল ও প্রতারকই আনিসুল হকের কার্টুনের বিষয়।......... এ সময়ের সবচেয়ে শানিত বিদ্রুপের একটি রূপের পরিচয় পাই তার গদ্যকার্টুনে।এই গ্রন্থ কেবল ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ-রসিকতার যোগান দিয়েই নিঃশেষিত হয়নি, এটা একই সঙ্গে তুলে ধরছে এদেশের একটা কাল পর্বকেও। সূচিপত্র *গদ্যকার্টুন বিষয়ে আমার ভাবনা বা একটি আদর্শ রম্যরচনা *গদ্যকার্টুন *কথাকার্টুন *গণতান্ত্রিক ফ্যান্টসি *রাজা যায় রানী আসে *ফাটা ডিমে আর তা দিয়ে কী ফল পাবে'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbddc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিজয়ী হবে বাংলাদেশ',\n", " 'seo_url': 'বিজয়ী-হবে-বাংলাদেশ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যালে লিখা কিছু কথা বাংলাদেশ জয়ী হবেই। জয়ী বাংলাদেশের লড়াকু সাধারণ মানুষের। জয়ী হবে মুক্তিযুদ্ধে অপরিসীম ত্যাগ স্বীকারকারী এই জনপদের মানুষেরা।আনিসুল হক তার অরণ্যে রোদন কলামে সেই আশার কথাই শোনান। তিনি কঠিন রাজনীতির কথাও বলেন সহজ গল্প বলার ভঙ্গিতে । কৌতুক প্রিয়তা আর রসবোধ তার বড় গুন। লেখাগুলোরকে প্রাণবন্ত আন্তরিক করে তোলে সহজ আবেগময়তা। এই সব লেখা পড়ে পাঠকের উদ্দীপিত হন, কখনও ফিক হেসে ফেলেন,কখনও বা নিজের অজান্তেই পাঠকের চোখ খেকে বেরিয়ে আসে অশ্রু। দেশের প্রতি মানুষের প্রতি প্রতিটি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাভরা অশ্রু। ভূমিকা গত এক বছরে প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত অরণ্যে রোদন নামের কলামের লেখাগুলো একত্রিত করে এই গন্থ।কলাম লেখা হয় সাধারণ সমসাময়িক কোনো বিষয় নিয়ে। ফলে এসবের একটা সীমাবদ্ধতা হলো ,ওই সময়কাল পেরিয়ে গেলে অনেক কথাই হয়তো তার প্রাসঙ্গিক হারিয়ে ফেলে। কিন্তু কলামের একটা ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যও থাকে। এটি হয়ে ওঠে চলমান সময়ের স্থির প্রতিচ্ছবি। ভবিষ্যতে যখন আমরা জানতে চাইব ২০০৮ সালটা কেমন গিয়েছিল , তখন এই বইটা কাজে লাগাতে পারে। তারপরেও কথা থাকে। আমি ইদানীং চেষ্টা করি ,দৈনিক রাজনৈতিক টানাপড়েনের বাইরে মানুষের চিরায়ত দুঃখবেদনা,দেশ নিয়ে আমাদের স্বপ্ন ও সংগ্রামের কথাই কলামের মাধ্যমে বলতে । মানুষকে শোনাতে চাই আশার কথা,জাগরনের কথা। ফলে, আমার বিশ্বাস , এই লেখাগুলো এখনও প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি। নিকট ভবিষ্যতওে হয়তো হারাবে না। সকলকে ধন্যবাদ। আনিসুল হক জানুয়ারি,২০০৯'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdde',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ শত বাঙালি মনীষীর কথা',\n", " 'seo_url': 'হাজার-বছরের-শ্রেষ্ঠ-শত-বাঙালি-মনীষীর-কথা',\n", " 'description': 'সূচীপত্র * শীলভদ্র * অতীশ দীপঙ্কর * কৃত্তিবাস ওঝা * মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য * ঈশা খান * প্রতাপাদিত্য * কাশীরাম দাস * আলাওল * রামপ্রসাদ সেন * লোকনাথ ব্রহ্মচারী * নবাব সিরাজদ্দৌলা * হাজি মুহম্মদ মহসিন * রাজা রামমোহন রায় * লালন সাঁই * হাজি শরিয়তউল্লাহ * শহিদ তিতুমির * হেনরি ডিরোজিও * ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত * প্যারীচাঁদ মিত্র * মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর * অক্ষয়কুমার দত্ত * ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর * মাইকেল মধুসূদন দত্ত * দীনবন্ধু মিত্র * ভাই গিরিশচন্দ্র সেন * রামকৃষ্ণ পরমহংশ * বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় * কেশবচন্দ্র সেন * উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় * আনন্দমোহন বসু * নবীনচন্দ্র সেন * মীর মশাররফ হোসেন * সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় * হরপ্রসাদ শাস্ত্রী * হাসন রাজা * বিপিনচন্দ্র পাল * জগদীশচন্দ্র বসু * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর * আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় * ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ * স্বামী বিবেকানন্দ * উপেন্দ্রকিশেঅর রামচৌধুরী * দ্বিজেন্দ্রলাল রায় * স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় * দীনেশচন্দ্র সেন * নবাব সলিমুল্লাহ * মোহাম্মদ আকরম খাঁ * দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ * অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর * আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ * ঋষি অরবিন্দ ঘোষ * শেরে বাংলা ফজলুল হক * শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় * মুকুন্দ দাস * মওলানা ভাসানী * বেগম রোকেয়া * বাঘা যতীন * নন্দলাল বসু * দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত * সুকুমার রায় * রাসবিহারী বসু * ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ * ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত * মানবেন্দ্রনাথ রায় * ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র * ক্ষুদিরাম বসু * কমরেড মুজফ্ফর আহমদ * হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি * মেঘনাদ সাহা * মাস্টারদা সূর্য সেন * সত্যেন্দ্রনাথ বসু * বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় * আর. পি. সাহা * নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু * তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় * জীবনানন্দ দাশ * কাজী নজরুল ইসলাম * ড. কুদরাত-এ-খুদা * উদয়শঙ্কর * মণি সিংহ * আব্বাসউদ্দীন আহমদ * জসীমউদ্দীন * আবুল হাশিম * মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় * প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার * বেগম সুফিয়া কামাল * ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম * পি. সি. সরকার * শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন * মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী * বুলবুল চৌধুরী * বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান * প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম * সত্যজিৎ রায় * তাজউদ্দীন আহমদ * ভাষা শহিদ * উত্তম কুমার * সুকান্ত ভট্টাচার্য * অমর্ত্য সেন * জিয়াউর রহমান'},\n", " {'product_id': '5a82dedef198d8fc483cbdf2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'টেলিভিশন ভাবনা',\n", " 'seo_url': 'টেলিভিশন-ভাবনা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * রেডিও টেলিভিশন প্রসঙ্গে কিছু ভাবনা * বেতার টিভির স্বায়ত্বশাসন * নির্বাচন পূ্র্ব সবিনয়ে জানতে চাই * বিটিভির অনুষ্ঠান: ‘আজকের সংসদ’ * ‘সবিনয়ে’ : অনুষ্ঠানের এই ধারা চালু থাকুক * সংবাদ ও তথ্যমূলক অনুষ্ঠান * রেডিও ও টেলিভিশনের খবর: কয়েকটি প্রস্তাব * বিটিভির অনুষ্ঠানের মান বাড়ানোর উপায় কী? * বিটিভি তাঁর দর্শক ফিরে পাবে কীভাবে? * রেডিও টিভি: শেখ হাসিনার কমিটমেন্ট প্রসঙ্গে * টেলিভিশন: অগ্রাধিকার কী? * প্রাইভেট টিভি-রেডিও চ্যানেল * প্যাকেজ অনুষ্ঠান: কয়েকটি প্রস্তাব * ১৯৯৪: স্যাটেলাইট টিভির চ্যালেঞ্জ * ভিডিও মাধ্যমের সৃজনশীল ব্যবহার * ভিডিওতে ইতিহাস ও ঐতিহ্য * কে উদ্ধার করবে বিটিভি * বিটিভি ও তথ্যমন্ত্রণালয় * টিভি বিষয়ক কলাম: এন্টেনা * টিভি সাংবাদিক ফজলে লোহানী * নাজির আহমদ: শ্রদ্ধাঞ্জলী'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbdfe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শিশু নার্সিং ও সেবিকা',\n", " 'seo_url': 'শিশু-নার্সিং-ও-সেবিকা',\n", " 'description': 'সূচি * শ্বাসরোধ অবস্থায় শিশুর জন্য করণীয় * শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছে না এমন বাচ্চার দ্রূত ব্যবস্থাপনা * শিশুকে অক্সিজেন দেয়া * অজ্ঞান শিশুকে কিভাবে শুইয়ে রাখতে হয় * কাশ ও শ্বাসকষ্ট * ব্রংকিও লাইটিস * অ্যাজমা বা হাঁপানি * ত্রুপ * ডিপথেরিয়া * শিশুর মারাত্মক পানি স্বল্পতার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা * খিঁচুনিরত শিশুতে পায়ুপথে ডায়াজিপাম কিভাবে দিতে হবে * শিমু শকে আছে, নিস্তেজ বা জ্ঞান হারিয়েছে * শিশু শকে আছে * অসুস্থ ছোট শিশুর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা * রোগের শ্রেণী বিভাগ * মুখে-খাওয়ার একটি যথাযথ এ্যান্টিবায়োটিক দিন * মাংসপেশিতে এ্যান্টিবায়োটিকের প্রথম ডোজ দিন * ছোট শিশুর চিকিৎসা - সংক্যমণগুলো এবং মাকে পরামর্শ দিন * ছোট শিশুর চিকিৎসা করুন এবং মাকে পরামর্শ দিন * ছোট শিশুকে বাড়িতে যত্ন নেয়ার জন্য মাকে পরামর্শ দিন * অসুস্থ শিশুর ব্যবস্থাপনা * মুখে খাওয়ার যথাযথ এ্যান্টিবায়োটিক দিন * মুখে খাওয়ার যথাযথ এ্যান্টিম্যালেরিয়েল দিন * ভিটামিন ‘এ’ দিন * আয়রন দিন * এ্যালবেন্ডাজল বা মেবেন্ডাজোল দিন * মাল্টিভিটামিন/ মিনারেল দিন * টেট্রাসাইক্লিন মলম দিয়ে চোখ সংক্রমণের চিকিৎসা করুন * শুকনো নরম কাপড় দিয়ে কান পরিষ্কার করুন * জেনশান ভায়োলেট দিয়ে মুখের ঘাঁয়ের চিকিৎসা করুন * কাশি উপশমে নিরাপদ ব্যবস্থা নিন * রক্তে গ্লুকোজের স্বল্পতা রোদে শিশুকে চিকিৎসা দিন * পদ্ধতি ক : বাড়িতে ডায়রিয়ার চিকিৎসা * পদ্ধতি খ : ওআরএস দিয়ে কিছু পানিস্বল্পতার চিকিৎসা * পদ্ধতি গ : ওআরএস দিয়ে কিচু পানিস্বল্পতার চিকিৎসা * মারাত্মক নিউমোরিয়া অথবা অত্যন্ত মারাত্মক রোগে ফুইড * কুনাইন * মাংসপেশিতে এ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশান দিন * মারাত্মক ম্যালেরিয়ার জন্য কুইনাইন দিন * ডোজ সময়সূচি : মাংসপেশিতে ওষুধ-৬ ঘন্টা অন্তর * ডোজ সময়সূচি : মাংসপেশিতে ওষুধ-৮ ঘন্টা অন্তর * ডোজ সময়সূচি : মাংসপেশিতে ওষুধ-১২ ঘন্টা অন্তর * ডোজ দেয়ার টেবিল : ডায়াজেপাম এবং প্যারালডেহাইড * নবজাতকের যত্ন * নবজাতক শিমুর চেকআপ * এক নবজাতক শিশুর জন্ডিস-কাহিনী * নবজাতক শিশুর কাঁপুনি * নবজাতক শিশুর রক্তক্ষরণ * শিশুকে পায়খানা করানোর অযৌক্তিক প্রচেষ্টা * প্রাথমিক শিশু যত্ন * মাতৃদুগ্ধ * মায়ের দুধের উপকারিতা * শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর পদ্ধতি * শিশু বুকের দুধ খেতে চায় না * বুকের দুধেল পাশাপাশি শিশুর খাবার * অসুস্থ এবং সুস্থ অবস্থায় বয়সভিত্তিক খাবারের তালিকা * টিকা : কেন কাদের কখন কিভাবে * বাচ্চাকে এক নজর দেখে * কোন পরিবেশে শিশুকে পরীক্ষা করা হবে * বাচ্চার গ্রোথ * শিমুর স্বাভাবিক ওজন, উচ্চতা ও মাথার বেড় * শিশুর বিকাশ * শিশুর সাথে বোঝাপড়া * শিশুর কথা বলার সমস্যা লাঘবে * শিশুর মন বিকাশজনিত সমস্যা অটিজম * কোন কোন শিশুর জন্য বিশেষ সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন * অসুস্থ শিশুর সম্বন্বিত চিকিৎসা * শিশুর ওষুধ ব্যবহারে * বাচ্চাকে কফ-কাশির ঔষধ খাওয়ানোর পূর্বে * শিশুর বয়সে নানা রকমের ইনজুরি * জীবন বাঁচানোর প্রাথমিক চিকিৎসা * কখন তাড়াতাড়ি শিশুকে হাসপাতালে আনতে হবে * শিশুর এইচ১ এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ মহামারী চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার জাতীয় গাইড লাইন * জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি : বিদ্যালয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe02',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ত্রিশক্তি-ত্রিভূজ (আমলা, রাজনীতিক ও তৃতীয় রাহু)',\n", " 'seo_url': 'ত্রিশক্তি-ত্রিভূজ-আমলা-রাজনীতিক-ও-তৃতীয়-রাহু',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *বাংলাদেশে ‘সরকার’ ও ‘প্রশাসন’ এর স্বতন্ত্র্য সুপরিস্ফুট নয় *সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রক্রিয়ায় আমলাতন্ত্রের কঠিন মুঠি? *বাংলাদেশের দু’জন প্রেসিডেন্ট আমলাতন্ত্রের আধিপত্যকে খর্ব করতে চেয়েছিলেন *ঔপনিবেশিক শোষনের লক্ষ্য নিয়েই আমলাতন্ত্রের গোড়াপত্তন হয়েছিল *এক আমলা জিন্নাহ্\\u200cকে জিজ্ঞাসা করেছিল, পাকিস্তান কি চীজ? *আমলাতান্ত্রিক কারসাজির অংশরূপে উর্দূকে সমগ্র পাকিস্তানের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় *ভারতের ভাষা উর্দূ পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে কেন? *পাকিস্তানের ২০ বছরে বাঙালী সচিব, চীফ সেত্রেচারী হতে পারে নি! *বাঙালী তরুণ মেধাকে পরিকল্পিতভাবে গুষে নেওয়া হয় *পূর্ব পাকিস্তানে ‘এক জাতি, এক রাষ্ট্র’ ধারণার ‘ঐকিক জাতীয়তাবাদ’ এর বীজ বপিত হলো *ভাষা সংগ্রাম শুরু করেছিল প্রধানত : চাষী ও মধ্যবিত্ত বাঙালী পরিবারের বিকাশমান তারুণ্যশক্তি *‘সর্ব প্রথমেই কেন্দ্রীয় সচিবালয়কে বিলুপ্ত করতে হবে’ *ত্রিশক্তি-ত্রিভুজ সৃষ্টি করার জন্য সেনাবাহিনীকে মঞ্চে আনা হয় *প্রেসিডেন্ট আয়ুবের উত্থানের পেছনে আমলা, পতনের পেছনেও আমলা *আমলা মন্ত্রীকে বললেন : ‘আপনি মন্ত্রী, এরা জনগণ। আপনাকেই এদের সামলাতে হবে।’ *আয়ুব খান আমলার কর্তৃত্বের সাথে অর্থনৈতিক সুযোগ সংযোগ করেন *সোহরাওয়ার্দি-ভাসানী বিভেদের সুবিধা নিতে পাকিস্তানের আমলাতন্ত্র সচেষ্ট ছিল *আয়ুব ভেবেছিলেন ভাসানী রাজনীতির সমাজতান্ত্রিক চোরাচরে মুজিবের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির নৌকৈা আটকে যাবে *ভারতীয় কূটনীতিক বললেন : স্বাধীনতা ঘোষণার ইচ্ছা থাকলে কেন ভারতের সাথে আগেই যোগাযোগ করলেন না! *মন্ত্রী বনাম আমলা : ক্ষমতা অনন্ত দ্বন্দ্ব *আমলাতন্ত্র সম্প্রসারনের আরও প্রয়াস *মুখ্য আমলা নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন বটে, কিন্তু...... *একটানা অধিবেশন বর্জন করেও সাংসদরা সংসদের ‘হাজিরা’য় স্বাক্ষর করেছেন! *শেখ হাসিনার আহাজারী ও ‘ইনডেমনিটি এ্যাক্ট’ *সাংসদের অধিকারের সীমারেখা নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন সাংবিধানিক আদালত প্রতিষ্ঠা *দেশে সংবিধান কোর্ট চাই *তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে গণরায় নেওয়া অপরিহার্য্য *তত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দাবী কি জনগণের দাবী? *তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেষ পর্য্যন্ত কি সুফল বয়ে আনতে পারে? *সংসদীয় দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ সাংসদকে পত্যাহার করার বিধান থাকা প্রয়োজন *এক শ্রেণীর আমলা ও এনজিওদের মধ্যে অশুভ আঁতাঁত! *‘পরিস্থিতি যত গুরুতরই হোক, কোন অবস্থানেই সশন্ত্র বাহিনীকে দেশের জনগণের মুখোমুখি অবস্তানে নিয়ে যাবেন না।’ *কিছু সাংসদ থাকতে হয় যারা দলীয় চিন্তার ঊর্ধে উঠে জনগণের মঙ্গলে স্বাধীনভাবে সংসদে ভোট দিতে পারে *হাইকোর্ট কি কোন সাংসদকে সংসদ অধিবেশনে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন? *তত্বাবধায়ক সরকারের কর্মফল ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক সরকারের গলায় কাঁটা হয়েছে? *পিলখানা বিদ্রোহে সেনাবাহিনী তার শক্তি, সমরকৌশল ও তৎপরতা কাজে লাগাতে পারে নি *‘হরতাল’ ও ‘ধর্মঘট’ শব্দ দুটির মূল উৎস কোথা হতে? *‘পাবলিক লাইয়িং’ এর বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করতে হবে’ *বাংলাদেশের রাজনীতিকরা জনগণের কত বোকা ভাবেন? * চীফ ইলেকমান কমিশনার নিয়োগে আমরা ভারতের সবক *দাতা দেশ দেখতে চায় গ্রহীতা দেশ তার অর্থনীতিতে দাতা দেশকে কতখানি জায়গা করে দিচ্ছে'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe08',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রাম',\n", " 'seo_url': 'স্বাধীনতা-সংগ্রামে-চট্টগ্রাম',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কোনো সংগ্রাম বা প্রয়াসের তাৎক্ষণিক ফলাফল দিয়ে তার মহত্ত্ব বা যৌক্তিকতা বিচার হয় না। কিছু ঘটনা পরবর্তী ইতিহাসের ওপর গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব রেখে যায়। যুগোত্তরে মানুষকে যা উদ্বুদ্ধ, অনুপ্রাণিত করে। ১৯৩০ সালে সূর্য সেন ও তাঁর সাথীদের উদ্যোগে সংঘঠিত চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ ছিল তেমনি একটি ঘটনা। সূর্য সেন ও তাঁর সাথীরা কিংবা তাঁদের মতো অন্য বিপ্লবীরা সেদিন দেশকে স্বাদীন করার জন্য যে পথ গ্রহণ করেছিলেন তার সঠিকতা নিয়ে প্রশ্ন বা মতপার্থক্য থাকতে পারে। বিশাল ভাবতবর্ষের একপ্রান্তে একটি এলাকাকে কয়েকটা দিন মাত্র স্বাধীন রেখে যে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটানো যাবে না, সে কথা মনে হয় সূর্য সেন ও তাঁর সঙ্গীরাও জানতেন। আসলে তাঁরা যা চেয়েছিলেন তা হল বড় বকমের একটা নাড়া দিতে। সেই সঙ্গে স্বাদীনতা সংগ্রামের নিয়মতান্ত্রিক ধারাটিকে প্রভাবিত করতে। আর সে-কাজে তাঁরা যে সফল হয়েছিলেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সব চেয়ে বড় কথা, দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের যে দৃষ্টান্ত তাঁরা সেদিন স্থাপন করেছিলেন তা, আমাদের তো বটেই, সকল কালেই সকল দেশের মানুষের প্রেরণার উৎস হতে পারে। স্বাদীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রাম বইটিতে পূর্ণেন্দু দস্তিদার সেই চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের আনুপূর্বিক বিবরণ অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে ও তথ্যনিষ্ঠভাবে তুলে ধরেছেন। লেখক নিজেও ছিলেন বিপ্লবীদের এক নবীন সহযাত্রী। সেদিক থেকে বইটির একটি আলাদা মূল্য তো আছেই, আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্বে বইটির প্রকাশ এক ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিয়ে আমাদের সামনে উপস্থিত হয়। ১৯৬৮-৬৯ এর সংগ্রাম-উত্তাল দিনগুলোতে এবং আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রস্তুতিপর্বে বইটি দেশের তরুণদের দারুণভাবে প্রভাবিত করে। দীর্ঘদিনের দুষ্প্রাপ্যতার অবসান ঘটিয়ে বইটি নতুনভাবে প্রকাশ করতে পেরে আমরা যার পর নেই আনন্দিত।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe14',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিকমতে চীন',\n", " 'seo_url': 'হিকমতে-চীন',\n", " 'description': 'ভূমিকা বাংলাদেশ চীন গণমৈত্রী সমিতির সভাপতি জনাব আনোয়ারুর আমিন ও মহাসচিব জনাব এস এ সিকদার আমার বাসায় এসে বললেন, ‘চীন যেতে হবে। আপনি ছাড়া আর চার সহযাত্রী হবেন সাবেক রাষ্ট্রুদূত তোফেল কে হায়দার, প্রফেসর সি এম এ হায়দার, ব্যাংকার মুহাম্মদ শফিকুল আলম ও তরুণ উদ্যোগী প্রকাশের শিল্পপতি মোহাম্মদ শাহরিয়ার জামান সুমন।’ আমার চীন যাওয়ার কথা বহুদিনের। দিনক্ষণ ঠিক করতে সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সময় পেরিয়ে গেছে। আমার বড় মেয়ে বলল, ‘আব্বার কত দিনের ইচ্ছা!’ এমিরিটাস প্রফেসর আনিসুজ্জামান রস করে বললেন, ‘ম্যাক্সম্যূলার তো ভারতবর্ষে আসেন নি।’ তিনি জানতেন, চীনের ওপর আমার একটা উপক্রমণিকা বাংলা একাডেমীতে যন্ত্রস্থ রয়েছে। চীন থেকে ফিরে এসেছি। ক্যান্টেন রহমান একটা অনুরোধ করতে আমার বাসায় এলে তাঁকে চীনের চা পান করতে অনুরোধ করলাম। উনি আমার বাসা থেকে আমার সুহৃদয় অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর বাসায় গিয়ে আমা্র সম্বদ্ধে মন্তব্য করেন, ‘উনি তো এখন চিন্ময়।’ আমার চীনের পথে ১২ জন দুপুরে রওনা দিই এবং বেইজং-সাংহাই-কুনমিং ঘুরে ঘুরে ফিরি ১৮ জুন দুপুরে। সর্বসাকল্যে এই প্রায় ১৪৪ ঘণ্টায় চীন ‘খতম’ করা সম্ভব নয়। আমার যন্থস্থ মহাচীনের কথা বাংলা গ্রন্থের কিছু কথা ও তথ্য এ লেখায় অবলীলায় আমি ব্যবহার করেছি। বাংলাদেশ-চীন গণমৈত্রী সমিতি ও চীন বাংলাদেশ গণমৈত্রী সমিতি, কবি সাজ্জাদ শরীফ ও শিল্পী অশোক কর্মকারকে অশেষ ধন্যবাদ। মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ১ জানুয়ারি ২০১১'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe16',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রচনাসমগ্র-৫',\n", " 'seo_url': 'রচনাসমগ্র-১',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ যতীন সরকার একালের অগ্রণী চিন্তাবিদ-একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়।তিনি সেই বিরল প্রাবন্ধিকদের অন্যতম যাঁর রচনা সমমনাদের উদ্দীপিত করে, ভিন্নমতাবলম্বীদের চিন্তার খোরাক যোগায়। সাহিত্যের কীর্তিমান অধ্যাপক হলেও তাঁর লেখালেখি শুধু সাহিত্যে সীমাবন্ধ থাকেন নি।সংস্কৃতি, সমাজ, ইতিহাস, রাজনীতি, দর্শন ও ধর্মের বিস্তুত জগতেও তাঁর অবাধ বিচরণ। গত পাঁচ দশকে তাঁর রচনা এদেশের সমাজ-রাজনীতির গুরুত্বপুর্ণ ভাষ্যে পরিণত হয়েছে। চিন্তার স্পষ্টতায়, বিশ্লেষণের তীক্ষ্ণতায়, বক্তব্যের ঋজুতায় ও জীবনদর্শনের বলিষ্ঠতায় তাঁর প্রবন্ধ হয়ে উঠেছে বাংলা প্রবন্ধসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।বিভিন্ন বইয়ে এবং পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর মূল্যবান রচনাসমূহ পাঠকের কাছে সহজলভ্য করে তোলার প্রয়াসে যতীন সরকারের রচনাসমগ্র প্রকাশের এই উদ্যোগ। বিভিন্ন খণ্ডে প্রকাশিতব্য এই রচনাসমগ্রে একজন যক্তিবাদী ও শক্তিশালী লেখকের পরিচয় যেমন পাওয়া যাবে, তেমনি অর্জিত হবে উচ্চমানের সাহিত্য আস্বাদের অভিজ্ঞতাও। যতীন সরকারের রচনাসমগ্র নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যে স্বরণীয় সংযোজন। সূচিপত্র *সাহিত্যের কাছে প্রত্যাশা *বাঙালীর সমাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য *সংস্কৃতি ও বুদ্ধিজীবী সমাচার *ধর্মতন্ত্রী মৌলবাদের ভূথ ভবিষ্যৎ *ধনতন্ত্রের অনিবার্য সংকট ও আমাদের মহান্\\u200c বিজয় *আদর্শ শিক্ষকের জন্য প্রত্যাশা *আমার শহর ময়মনসিংহ শ্রুতিতে স্মৃতিতে সত্তায়'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe2a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক উপন্যাস',\n", " 'seo_url': 'শ্রেষ্ঠ-রোমান্টিক-উপন্যাস-100',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *দুর্গেশনন্দিনী *ইন্দিরা *চন্দ্রশেখর *কৃষ্ণকান্তের উইল'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe2c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক উপন্যাস',\n", " 'seo_url': 'শ্রেষ্ঠ-রোমান্টিক-উপন্যাস',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *পরিণীতা *দেবদাস *দত্তা *গৃহদাহ'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe62',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রহস্যে ভরা ব্ল্যাকহোল',\n", " 'seo_url': 'রহস্যে-ভরা-ব্ল্যাকহোল',\n", " 'description': 'বিশাল এই বিশ্বব্রহ্মান্ডের মাঝে এক রহস্যময় বস্তু হচ্ছে ব্ল্যাকহোল।ব্ল্যাকহোল নিয়ে আমাদের কৌতুহলের শেষ নেই।ব্ল্যাকহোলকে বলা হয় মহাকাশের ভয়াল কালো দানব।কারণ সে মহাকাশের যে কোন বস্তুকে অনায়াসে গিলে ফেলতে পারে।আমাদের পৃথিবী যদি কোন ক্ষুদ্র ব্ল্যাকহোলেও পতিত হয় তবে তা ১ সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট একটি অতি ঘন বস্তুপিন্ডে পরিণত হবে। আধুনিক বিজ্ঞান জগতে ব্ল্যাকহোলের ধারণা ফ্যান্টাসি থেকেও রোমাঞ্চকর।পাঠকদের ফ্যান্টাসির জগতে ভ্রমণ করানোর জন্যই আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস‘রহস্যে ভরা ব্ল্যাকহোল’।যারা সায়েন্স ফিকশনের অনুরাগী তাদের কাছে বইটি খুবই ভাল লাগবে।বইটি পড়তে পড়তে পাঠকরা চলে যাবে ফ্যান্টাসির জগতে।ভ্রমণ করবে ব্ল্যাকহোলের বিস্ময়কর রাজ্যে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe6e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রচনাসমগ্র',\n", " 'seo_url': 'রচনাসমগ্র',\n", " 'description': \"'রচনাসমগ্র' বইয়ের সূচি * বাংলা কথাসাহিত্য এবং জহির রায়হান-৯ * জহির রায়হানঃ জীবনপঞ্জি-২২ উপন্যাস * শেষ বিকেলের মেয়ে-২৫ * তৃষ্ণা-১০৫ * হাজার বছর ধরে-১৫৩ * আরেক ফায়ূন-২২১ * বরফ গলা নদী-২৯৩ * আর কতদিন-৩৮৯ * কয়েকটি মৃত্যু-৪১১ * একুশে ফেব্রুয়ারী-৪৩৭ গল্প * গল্পসমগ্র-৪৭৭ প্রবন্ধ * পাকিস্তান থেকে বাঙলাদেশ-৫৯১ * অক্টোবর বিপ্লব ও সোভিয়েত চলচ্চিত্র-৫৯৯ কবিতা * ওদের জানিয়ে দাও-৬০৭\"},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe70',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মিথ্যা বলার অধিকার ও অন্যান্য',\n", " 'seo_url': 'মিথ্যা-বলার-অধিকার-ও-অন্যান্য',\n", " 'description': 'সূচি * কেমন করে লেখা হলো * অন্য রকম ফেব্রুয়ারি * প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম * … অনেক অনেক অনেক ভালোবাসি * একাত্তরের দ্বিতীয় পাঠ * প্রিয় সজল * আমার পুলিশ অফিসার বাবা * সাম্প্রতিক ভাবনা * আমার বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদ * গ্লানিমুক্ত বাংলাদেশ * গাড়ির চতুর্থ চাকা * মিথ্যা বলার অধিকার * এই লজ্জা কোথায় রাখি * সাহিত্য ও সাহিত্যিক * আমেরিকা নিয়ে এক ডজন * অস্ট্রেলিয়ায় ঝটিকা সফর * বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা * সরকারের কাছে অনুরোধ * ভাবনা ও দুর্ভাবনা * প্রতিবন্ধী নই –মানুষ * ডিসেম্বরের প্রথম প্রহর * তারুণ্যের দেশ : বাংলাদেশ * গ্লানিমুক্তির বাংলাদেশ'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe78',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বুদ্ধিমুক্তির দায় ও দায়িত্ব',\n", " 'seo_url': 'বুদ্ধিমুক্তির-দায়-ও-দায়িত্ব',\n", " 'description': 'সূচি শিক্ষক ও চিন্তানায়ক আসতে দাও শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ হুসেন ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন : পটভূমি ও উত্তরাধিকার জন্মশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি মনস্বিতার দীপ্তি তাঁর কালে ও কালান্তরে বুদ্ধির মুক্তি ও আবুল হুসেন রোকেয়া ও তাঁর জাগৃতি-সাধনা বিজ্ঞানচেতনা : কতিপয় সতর্কতা প্রিয় নায়িকা : আন্তিগোনে একজন সংস্কৃতি-যোদ্ধা ব্যবহারিক বাংলা শ্রদ্ধার্ঘ্য শ্রদ্ধাঞ্জলি দেশের কথা’র দেউস্কর লোককবি রমেশ শীল'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe82',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বন্ধু আমরা কজন',\n", " 'seo_url': 'বন্ধু-আমরা-কজন',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *বন্ধু *স্মৃতিতে তুই আছিস মিশে আমরা কজন *বন্ধু yahoo-তে *বষণ্নতা *অমৌলিক দস্যি ভাবনা *দূরের বন্ধু *শিল্পী রাশেদ স্মরণে *কবি ও কবিতা *বন্ধুর পদধ্বনি *মুন্নী *সন্ত্রাসী *আহ্বান *মনিকা *এক হৃদয়ের গল্প *অতীত *গুড বাই *বন্ধু বদলে যাচ্ছি *মোনা তুকে মনে পড়ে *মনে রেখ আমি আসব ফিরে *অমরত্ব *উদাস চাঁদ *রাত্রি যখন প্রেয়সী *অনিয়ম *মন ভাল নেই *বন্ধু/ভালবাসা *পাঠক বন্ধু *বৃষ্টি বাদাম ও তোর ভালবাসা *অপেক্ষায় *শিরোনামহীন *প্রেম *ভালবাসা *চিঠি-১ *চিঠি-২'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe86',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আহাদিসুল খাওয়ানিন : চট্রগ্রামের প্রাচীন ইতিহাস',\n", " 'seo_url': 'আহাদিসুল-খাওয়ানিন--চট্রগ্রামের-প্রাচীন-ইতিহাস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ চট্টগ্রাম এক প্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদ। চট্টগ্রাম শহরও অনেক প্রাচীন এক শহর। কোনো কোনো ঐতিহাসিক সূত্রমতে চট্টগ্রাম শহর দু’হাজার বছরের প্রাচীন এক নগর। রোমান ইতিহাসবিদ প্লিনি ৬৪ খ্রিস্টাব্দে তাঁর ‘পেরিপ্লাস অফ দি ইরিথ্রিয়ান’ গ্রন্থে চট্টগ্রামের কথা বর্ণনা করেছেন। অনেক বিশ্ববিখ্যাত পর্যটক তাঁদের ভ্রমণ বিবরণে চট্টগ্রামের সৌন্দর্য ও প্রাচুর্যের কথা গুরুত্বের সাথে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু চট্টগ্রামের উপর এককভাবে রচিত গ্রন্থের সংখ্যা বেশি নয়। ফারসি ভাষায় রচিত ‘আহাদিসুল খাওয়ানিন’ বইটিই আমাদের জানামতে, চট্টগ্রামের উপর এককভাবে লেখা প্রথম বই। খান বাহাদুর হামিদুল্লাহ্\\u200c খান বইটি রচনার কাজ শেষ করেন ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে এবং ১৮৭১ সালে সেটি কলকাতা হতে প্রকাশিত হয়। অনেকের কাছে বইটি ‘তারিখে হামিদ’ নামেও পরিচিত। বাংলা ও দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার ইতিহাসচর্চায় বইটির নাম বিগত শতকে বহুবার বহু জায়গায় গুরুত্বের সাথে উল্লিখত হয়েছে। কিন্তু বইটি প্রকাশের পর প্রায় দেড়শো বছর অতিবাহিত হলেও সেটি এককাল বাংলা ভাষায় অনূদিত হয় নি। মূল ফারসি বইটিও বর্তমানে দুষ্প্রাপ্য। ড. খালেদ মাসুকে রসুল চট্টগ্রামের প্রাচীন ইতিহাস বিষয়ক এ বইটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন। তরুণ গবেষক অধ্যাপক তানবীর মুহাম্মদ দীর্ঘনি পরিশ্রম করে সে অনুবাদ সংশোধন ও সম্পাদনা করেছেন এবং তাতে টীকাভাষ্য সংযোজন করেছেন। ইতিহাস-অনুসন্ধিৎসু পাঠকদের কাছে বইটির বঙ্গানুবাদ প্রয়োজনীয় বিবেচিত হবে নিঃসন্দেহে এ-কথা বলা যায়।'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca940',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ইনফরমেশান টেকনোলজি এবং সিস্টেমস এনালিসিস',\n", " 'seo_url': 'ইনফরমেশান-টেকনোলজি-এবং-সিস্টেমস-এনালিসিস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ইনফরমেশন টেকনোলজি বা তথ্য প্রযুক্তি বিগত দুই দশকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কম্পিউটারের মাধ্যমে যথাযথ তথ্য সংগ্রহ, সাজানো, ব্যবহার, সরবরাহ, উদ্ধার ও পরিবেশনের সকল প্রযুক্তিগত পরিকল্পনা ও কর্মকাণ্ড এই বিষয়ের পরিধিতে আসে। এই বিষয়ের প্রযুক্তিগত সাফল্যে সিস্টেমস এনলিসিসের অবদান অনস্বীকার্য, কারণ তথ্য ব্যবস্থার সিস্টেমস বিশ্লেষণ ও পরিকল্পনার ভিত্তিতে কম্পিউটারের প্রোগ্রাম তৈরী হয়। তথ্য প্রযুক্তি যেহেতু কম্পিউটার ভিত্তির সেহেতু সিস্টেমস এনালিসিসের সাথে এটা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ইনফরমেশান টেকনোলজি ও সিস্টেমস এনালিসিসের ব্যবহারিক প্রয়োগ যে কোন প্রতিষ্ঠানে কথা সম্ভব। এই বইটিতে ব্যাংক, অফিসের কিছু এবং গ্রন্থগার ও তথ্য বিজ্ঞানের বেশী উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। বাংলায় এই বিষয়ের \\u200dউপর বই খুব একটা নাই, ফলে সাধারণ পাঠক বাংলায় এ বিষয়টি পড়ার সুযোগ পান না। তাদের এবং বিভিন্ন কোর্সের, বিশেষত বাংলা মিডিয়ামের ছাত্রছাত্রীদের দাবী সামনে রেখে এই বইটা রচিত। বই এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে যারা এ বিষয়ে জানতে উৎসুক এবং যারা এই বিষয়ের পরিধতে কাজ করছেন, তাদের সবাই প্রয়োজন এটা মিটাতে পারে। এই বইটি পড়ে যে কেউ কম্পিউটার ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের সাথে নির্ভয়ে আলোচনায় যেতে পারবেন এবং টেকনিকেল কথাবার্তায় উদ্বগ্ন হবেন না। ইংরেজি ভাষায় যারা এই বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন তারা বাংলায় বিষয়টি পড়তে চাইলে এই বইটি তাদের কাজে আসবে। সূচিপত্র * পূর্বকথা * সূচী * চিত্র ও সারণি সূচী * অধ্যায় * সূচনা * ইনফরমেশান টেকনোলজি/তথ্য প্রযুক্তি তথ্য প্রযুক্তি * সংজ্ঞা; উপাদান; তথ্য-জ্ঞান-ডেটা; অডিও ও ভিডিও প্রযুক্তি যোগাযোগ প্রযুক্তি * উদ্ভব ও বিকাশ ; এনালগ ও ডিজিটাল পদ্ধতি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও কম্পিউটার পদ্ধতি * কম্পিউটারের উদ্ভব; প্রক্রিয়াকরণ; বিট থেকে মানুষের ভাষা; প্রোগামের ভাষা; হার্ডওয়ার ও সফটওয়ার; অপরেটিং সিস্টেম; ওয়ার্ড প্রসেসিং; ডেস্কটপ পাবলিশিং নেটওয়ার্ক * সিবিআইএসদ গ্রন্থাগারের ফাইল/রেকর্ড;নেটওয়ার্ক টপোলজি: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক; ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক; কমন ক্যারীয়ারস; ভ্যালু অ্যাডেড নেটওয়ার্ক; নেটওয়ার্ক প্রটোকল; ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশান সিস্টেম; নেটওয়ার্কের হার্ডওয়ার ও সফটওয়্যার ইন্টারনেট ও ই-মেইল * ইন্টারনেট : আবির্ভাব; ইনফরমেশান সুপার হাইওয়ে : গ্রন্থাগারে ইন্টারনেটের ব্যবহার; ওয়েব ; ইমেইল ও ওয়েবের ঠিকানা;ইউআরএল; ডোমাইন নেম সিস্টেম; ইমেইলের ব্যবহার প্রণালী: সুবিধা ;ইন্টারনেটে প্রবেশের উপাদান, ইউজনেট গ্রুপ;ইন্ট্রানেট * ডেটা সংগঠনের সরলীকরণ চিত্র * গ্রন্থাগারে ডেটাবেজ মডেল * ফাইল, রেকর্ড ও ফিল্ড * ডায়ালোগ ডিজাইন- সার্চ ১ * ডায়ালোগ ডিজাইন- সার্চ ২ * ডায়ালোগ ডিজাইন- সার্চ ৩ * তথ্য ব্যবহারে ডিবিএমএস না থাকা ও থাকার প্রভাব * বই পছন্দ , অর্ডার ও প্রাপ্তির কর্মপ্রবাহ * নতুন বইয়ের তালিকা চেক করা * ISBN সার্চ মডিউল * কম্পিউটারের উত্তর * হার্ডকপি অর্ডার * ক্যাটালগিং এর প্রয়োজনমত সফটওয়্যার নির্ণয় * সার্ভার ও টার্মিনালস'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca946',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (১৯৯৮) (সিরিজ -২)',\n", " 'seo_url': 'হ্যারি-পটার-অ্যান্ড-দ্য-চেম্বার-অব-সিক্রেটস-১৯৯৮-সিরিজ--২',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ গ্রীষ্মের ছুটিতে বাড়িতে আসতেই ডার্সলিরা হ্যারি পটারের সাথে এমন নিচ ও ভয়ানক আচরণ শুরু করলো যে, হ্যারি হোগার্টাস স্কুল অব উইচক্রাফট ও উইজারিতে ফিরে যেতে ছটফট করতে লাগলো। কিন্তু হ্যারি যখনই তার জিনিসপত্র গুছাতে লাগলো ঠিক তখনই, এক দুষ্ট প্রকৃতির অজানা জন্তু হ্যারিকে হোগার্টে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সাবধান করে দিল যে, ভীষণ বিপদ হবে। আসলেই বিপদ শুরু হল। হোগার্টে হ্যারির দ্বিতীয় বর্ষে নতুন সব ভয়ানক পরিস্থিতর আবির্ভাব ঘটতে থাকে, যার মধ্যে ছিল এক অত্যাচারী অধ্যাপক আর মেয়দের বাথরুমে হানা দেয়া এক দুষ্টাত্মা। তারপর শুরু হল আসল বিপদ-কেউ যেন হোগার্টের ছাত্রদের পাথর বানিয়ে দিচ্ছে। সে কি হতে পারে ড্রাকো ম্যালফয়? সে কি হতে পারে হ্যাগ্রিড, যার অতীত রহস্যও অবশেষে এখানে উন্মোচিত হয় কিংবা হতে পারে কি, যাকে সবাই সন্দেহ করছে, হ্যারি পটার নিজেই! সূচিপত্র নিকৃষ্টতম জন্মদিন ডব্বি’র হুঁশিয়ারি দ্য বারো ফ্লারিশ এবং ব্লটস-এ দ্য হোমপিং উইলো গিল্ডবয় লকহার্ট মাডব্লাড এবং মর্মর মৃত্যুদিনের পার্কি দেয়াল লিখন দ্য রোগ ব্লাজার দ্য ডুয়েলিং ক্লাব দ্য পরিজুস পোশন অতি গোপনীয় ডায়রী কর্ণেরিয়াস কাজ আরাগগ দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস স্লিথারিনের উত্তরাধিকার ডব্বি’র পুরস্কার'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca950',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বদনখানি মলিন হলে',\n", " 'seo_url': 'বদনখানি-মলিন-হলে',\n", " 'description': '* দেশে ফিরে আসা'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca952',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ইন দ্য লাইন অব ফায়ার',\n", " 'seo_url': 'ইন-দ্য-লাইন-অব-ফায়ার',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্থানে রয়েছেন-পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ সম্পর্কে এই মন্তব্য টাইম সাপ্তাহিকীর। খুব অল্পের জন্য আততায়ীর হাতে মৃত্যু থেকে রক্ষা পেয়েছেন দু, দু’বার। তার সেনারা নগরে লোকারণ্যে ও পাহাড়-পর্বতের দুর্গম অঞ্চলে ৬৭০ জন আল কায়েদার সদস্য গ্রেফতার করেছে, গ্রেফতারের বাইরে রয়েছে অনেক। ওসামা বিন লাদেন ও আয়মান আল জাওহুরি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। ১৯৯৮ তে পাকিস্তান আণবিক বোমা বিস্ফোরণ করার পর, তার দীর্ঘ বৈরী প্রতিবেশী ও আণবিক শক্তিধর ভারতের সঙ্গে দু’বার ভয়াল যুদ্ধের সম্মুখীন হয়।ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় কোন রাষ্ট্রপ্রধানের তার সরকারের বিষয়ে প্রকাশ্যে বর্ণনা করে মেমোয়ার লেখার মতো নজির আর নেই। ‘ইন দ্য লাইন অব্\\u200c ফায়ার’-এ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ ঠিক তাই করেছেন। এখানে পাঠক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আফগান যুদ্ধের প্রত্যক্ষ বর্ণানা পাবেন, জানবেন এ বিষয়ে অনেক অজানা তথ্য। ওসামা বা জাওহুরি ও তাদের সহযোগিদের ধরার জন্য কৌশল, খবর সংগ্রহ, দুতিয়ালী ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অনুপুঙ্খ বিবরণ দিয়েছেন পারভেজ। তিনি জানিয়েছেন কীবাবে অল্পের জন্য আততায়ীদের হত্যা প্রচেষ্টা থেকে রক্ষা পেয়েছেন-তিনি নিজে, শওকত আজিজ ও উচ্চপদস্থ সামরিক কর্তকর্তারা ‘ইন দ্য লাইন অব্\\u200c ফায়ার’ শুধু একটি বিশেষ সময়ের বর্ণনা নয়, পারভেজ কীভাবে ১৯৯৯ সালে ক্ষমতা অধিগ্রহণ করেন, কাশ্মীরের কারগিলে ভারতের সেনাবাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও এই দীর্ঘ বৈরী দু’ দেশের রক্তক্ষয়ী বড় রকমের যুদ্ধ থেকে সরে আসার কথাও বলা হয়েছে এখানে। সারা পৃথিবীতে হৈ চৈ ফেলা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করার মতো ঘটনা পাকিস্তানের আণবিক মারণাস্ত্রের স্রষ্টা আবদুল কাদের খানের আণবিক প্রযুক্তি বিদেশে পাচারের কথাও তিনি তার মেমোয়ারে জানিয়েছেন খোলামেলাভাবে।'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca95c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ফরাসি প্রেমিক',\n", " 'seo_url': 'ফরাসি-প্রেমিক',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ নারী ও পুরুষ এবং পুরুষ ও নারী কোন সহযাত্রী নয়, এই প্রশ্ন বারবার এসেছে এই উপন্যাসে এভং এই প্রশ্ন তসলিমাকে আবার বিতর্কিত করবে। কিন্তু ‘অনন্যা’ মনে করে, এই বিতর্কই একদিন নারীদের সমঅধিকার ও মর্যাদার সিংহদ্বার খুলে দেবে। …….রশীদ হায়দার, অনন্যা ‘ফরাসি প্রেমিক’- এ তিনি দেখিয়েছেন নারী সর্বত্রই নিগৃহীত। কেবল নারী নয়, পুরুষও। কখনো বর্ণভেদের নামে, কখনো ধর্মের নাম, কখনো অর্থের জোরে। ‘ফরাসি প্রেমিক’ কেবল অবয়বেই বড় নয়, বিষয় বৈচিত্র্যেও সমৃদ্ধ। …….সোহরাব হাসান, দৈনিক সংবাদ পত্রিকার পাতায় নারীবাদী ধ্যান-ধারণার প্রকাশে তিনি যেমন অকুতোভয় ছিলেন, উপন্যাস লিখতে বসেও তিনি সে সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। তবু দেখতে পাই তার দ্বিতীয় উপন্যাস ‘ফরাসি প্রেমিক’ অনেক বেশি সংগঠিত , অনেকখানি সুবিন্যস্ত। ‘ফরাসি প্রেমিক’ এর কাঠামোটি সুস্পষ্ট, সম্পূর্ণ ধারাবাহিক না হলে এতে আমরা একটি স্বাভাবিক গল্পের আস্বাদন পাই। …….. ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, প্রথম আলো ‘ফরাসি প্রেমিক’ তসলিমার সর্বশেষ সর্ববৃহৎ উপন্যাস। আমরা সারা দুনিয়ায় সাড়া জাগানো এই বাংলাদেশী লেখকের কাছ থেকে এ রকম আরো কাজ প্রত্যাশা করি। …………. সালাম আজাদ, ভোরের কাগজ ‘ফরাসি প্রেমিক’ তসলিমার লেখক হয়ে ওঠার যে সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছে, হয়তো অচির ভবিষ্যতে ‘নোবেল লরিয়েটদে’র মতো মান –এ পৌঁছাতে পারবেই। এ কথা কেউ অস্বীকার করবে না। ………ফুয়াদ খান, দৈনিক যুগান্তর।'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca968',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিলাত ভ্রমণ',\n", " 'seo_url': 'বিলাত-ভ্রমণ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ জন্ম ১৯৩৭ সালে বর্তমান রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়াচর থানার অন্তর্গত বুড়ীঘাট মৌজার খুল্যাবিল গ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্সসহ এম.এ পাশ করেন ১৯৫৯ সালে। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন। ১৯৯৩ সালে অতিরিক্ত সচিব হন। ১৯৯৪ সালে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৯৬ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্রগ্রামের জনসংহতি সমিতির সঙ্গে আলোচনার জন্য তাকে সরকার গঠিত জাতীয় কমিটির একজন সদস্য করা হয়। শান্তিচুক্তির পরে ১৯৯৮ সাল তাকে ভূটানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করা হয়। তিনি পার্বত্য চট্রগ্রামের আদিবাসীদের ভূমির অধিকার এবং তাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন নিয়ে অনেক গবেষণামূলক গ্রন্থ রচনা করেছেন। এস এস চাকামার স্ত্রী প্রতি চাকমা। তারা এক পুত্র ও চার কন্যার জনক জননী। সূচিপত্র * লেখকের কথা * প্রাক্\\u200cকথন * বিলাতের ইতিহাস * আয়ারল্যান্ড * বিলাতে খ্রিস্ট ধর্ম * আমার বিলাত যাত্রা * আমার দেখা হালশহর * প্রথম দিনে লন্ডন একদিন * লন্ডন টাওয়ারে একদিন * ব্রিটিশ মিউজিয়ামে একদিন ক) মধ্যপ্রাচ্য গ্যালারি খ) গ্রিক রোমান গ্যালারি গ) আসিরিয়ান গ্যালারি ঘ) হিব্রু গ্যালারি ঙ) মিশরীয় গ্যালারি চ) ব্রিটেন ও ইউরোপ গ্যালারি ছ) ভারতীয় গ্যালারি জ) চীন, জাপা্ন ও কোরিয়া গ্যালারি * ম্যাডাম তুসো মিউজিয়াম * National History Museum * লন্ডন চিড়িয়াখানা * স্কারবোরো শহরে একদিন'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca96e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তুমিও সফল হবে',\n", " 'seo_url': 'তুমিও-সফল-হবে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ সফল ব্যক্তিরা সব সময় উদার চিত্ত-তারা কখনও নিজেদের সম্পর্কে অহংকার করে না। তারা অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। তারা তাদের দলের সদস্যদের শুধু নয় প্রতিযোগীদের ও সম্মান এবং গুণের কদর করেন। অনেকেই জানেন কীভাবে সফল হতে হয়; খুব কম লোক জানেন সাফল্য লাভের পর কীভাবে আচরণ করতে হয়। সবসময়ই একজনের সাফল্য কিছু ব্যক্তিকে অসুখি করে। একজন সফল ব্যক্তির জীবনে নিয়ম ও শুঙ্খলাবোধের গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়ম-শৃঙ্খলার অভাবে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। যে সমস্যাগুলোই জীবনে সফলতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সম্মুখের সমস্ত বাধাকে গুড়িয়ে দিয়ে দুর্দম গতিতে পথ চলাই বিজয়ীদের ধর্ম। যারা কখনও কোন বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হোননি-তাদের থেকে যারা সীমাহীন বাধা অতিক্রম করে এসেছেন তাদের ক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস দীর্ঘস্থায়ী। সমস্যার সম্মুখে আমরা কখনো কখনো নিরুৎসাহ বা হতাশ হয়ে পড়ি কিন্তু বিজয়ীদের কখনো মনোবল নষ্ট হয় না। এই মনোবল নষ্ট না হওয়ার জন্য প্রয়োজন অধ্যবসায়। একটি ইংরেজি প্রবাদে বলে, “শান্ত সমুদ্রে কখনো দক্ষ নাবিক হওয়া যায় না।” প্রথমে সমস্ত সমস্যাই কঠিন মনে হয় কালক্রমে তা সহজ হয়ে আসে। আমরা আমাদের সমস্যা থেকে পালিয়ে যেতে পারি না কেবল বিজিতরাই রণে ভঙ্গ দেয়, এই প্রসঙ্গে Abigail; Van Buren-এর একটি বাক্য স্মরণযোগ্য। “আত্মহত্যা একটি সাময়িক চিরস্থায়ী সমাধান।” প্রকৃতপক্ষে সফল ব্যক্তিরা নিজের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। তারা তাদের নিজেদের কাজের মান ক্রমাগত উন্নিততর করার চেষ্টা করে চলে। জীবনে কত উপরে ওঠা গেছে সাফল্য তাই দিয়ে বিচার করা যায় না বরং কতবার বিফলতা সত্ত্বেও হতাশা অতিক্রম করে সাফল্যের পথে এগিয়ে গেছে সেই ক্ষমতা দিয়েই সাফল্য নির্ধারিত হয়।'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca974',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রাখাইনাদর্শ',\n", " 'seo_url': 'রাখাইনাদর্শ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ যুগ যুগান্তর ধরে প্রকৃতির রঙ্গরসে ভরামেস স্বাস্থ্যকর স্থান কক্সবাজারের রাখাইন বৌদ্ধ জাতির উচ্চ শিক্ষিত সম্ভ্রান্ত পারিবারে প্রকৃতির এক শুভ লগ্নে জন্ম নিয়েছিলেন মহৎ প্রতিভাবান এবং রাখাইন জাতির ঐতিহ্যপূর্ন প্রতিষ্ঠাকারী ‘রাখাইনাদর্শ’ ( বাংলাদেশের রাখাইন জাতি) গ্রন্থের প্রণেতা মি: মংছেনচীং( মংছিন) ১৯৬১ ইংরেজী সনে ১৬ই জুলাই রোজ শুক্রবার গ্রহরাজ সিংহ রাশির জাতক কক্সবাজার পৌরসভার চাউল বাজার সড়কস্থ (রাখাইন পাড়া) পৈত্রিক বাস ভবনে জন্ম গ্রহণ করেনূ। তার পিতার নাম স্বর্গীয় উ অংচাথোয়েন ও মাতার নাম স্বর্গীয় ড. মাক্যচীং । পাঁচ ভাই ও এক বোনের কনিষ্ঠ। শৈশব থেকে বিভিন্ন দেশী-বিদেশী শীর্ষস্থানীয় পত্র-পত্রিকায় রাখাইন জাতির ইতিহাস, ধর্ম, সাহিত্য, সংস্কৃতি , কৃষ্টি প্রভৃতি বিষয়ে লেখালেখি করে আসছেন। বাংলাদেশ বেতার চট্রগ্রাম কেন্দ্রের কথিকা লেখক ও পাঠক। তিনি রাখাইন নৃত্য, চারু ও কারুকলা এবং বাংলা, ইংরেজী, পালি,রাখাইন, মারমা, বার্মিকজ, ত্রিপুরা ও চাকমা ভাষায় পড়া ও লেখার পারদর্শী। বাংলাদেশ রাখাইন বৌদ্ধ সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংস্থার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।তিনি ঢাকাস্থ বাংলাদেশ ফোকলোর সোসাইটি( গ্রামীণ লোকসাহিত্য) এর একজন সদস্য।'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca976',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'স্বপ্নের ধুসর ছায়া',\n", " 'seo_url': 'স্বপ্নের-ধুসর-ছায়া',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ শোভা ত্রিপুরার পেশা শিক্ষকতা। কিন্তু শৈশব-কৈশোর থেকেই তাঁর লেখালেখিতে বিশেষে আগ্রহ এবং কৈশোর জীবনেই তাঁর লেখায় হাতেখড়ি হয়। শোভা ত্রিপুরা ত্রিপুরীয় জনগোষ্ঠীর একজন আদিবাসী মহিলা। আদিবাসী জনজীবন ছাড়াও তিনি লিখেছেন ছোটগল্প, কবিতা, নাটক, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনী, গান , উপন্যাস ইত্যাদি। যা দেশে এবং দেশের বাইরে বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকীতে প্রকাশ পেয়ে আসছে। প্রকাশনাসমূহের মধ্যে রয়েছে ঝরাপাতা (কবিতা গ্রন্থ) , ত্রিপুরা জাতির ইতিকথা, ত্রিপুরা জাতির রূপকথা, জাতক( বুদ্ধ জাতক) \\u200dত্রিপুরা জাতি , ত্রিপুরা জাতির ইতিবৃত্ত ও আলোময়ীমা ত্রিপুরেশ্বরী। শোভা ত্রিপুরা ১৯৭৩ সালে ঢাকার বঙ্গভবনে কৃতি যুব সংবর্ধনায় অংশগ্রহন করেন।১৯৯৯ সালে নারী গ্রন্থ প্রবর্তনা আয়োজিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও তিন পার্বত্যজেলার লেখিকা হিসেবে সংবর্ধিত হন। অত:পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ২০১২-এর ২৬ মার্চ খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অর্ন্তগত মহালছড়ি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদ কর্তৃক সাহিত্য অবদানের জন্য সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। তিনি ১৯৮৫,১৯৮৬ এবং ২০০০ সালে মহালছড়ি উপজেলাসহ খাগড়াছড়ির পার্বত্য জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালে তিনি রাঙ্গামাটি বনভূমি সাহিত্য পুরস্কার এবং ১৯৮৩ সালে রাঙ্গামাটি উপজাতীয় সাংস্কুতিক ইনস্টিটিউট হতে পুরস্কৃত হন। তাঁর রচনায় পাহাড়ী জনজীবনের কথা যেমন এসেছে তেমনি এসেছে সমতল জনজীবনেরও কথাও। তিনি ঢাকাস্থ বাংলাদেশ ফোকলুর (গ্রামীণ লোকসাহিত্য) সোসাইটিরও একজন সদস্য। বাংলাদেশ বেতার চট্রগ্রাম ও বাঙ্গামাটি কেন্দ্রে কথিকা, লেখক এবং পাঠক। শোভা ত্রিপুরা ১৯৫৯ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটি জেলায় জন্মগ্র্রহণ করেন। স্বামী মি. মংছেনচীং (মংছিন) পেশায় সাংবাদিক , প্রাবন্ধিক এবং গবেষক ( মি. মংছিন এর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা নয়টি) । তাঁদের দুই কণ্যা প্রিয়াংকা পুতুল ও তুলি পিয়া্ । তাঁদের অনেক পাণ্ডুলিপি এখনও অপ্রকাশিত অবস্থায় পড়ে আছে। এজন্য সাহিত্যর পৃষ্ঠপোষক এবং প্রকাশকদের সহযোগিতা আন্তরিকভাবে কামনা করছেন।'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca98a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিংশ শতাব্দীর বিজ্ঞান',\n", " 'seo_url': 'বিংশ-শতাব্দীর-বিজ্ঞান',\n", " 'description': 'ভূমিকা বিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানের চরম উন্নতি ঘটেছে। নিউক্লিয়ার বোমা, চাঁদে রকেট ও মানুষ পাঠানো, কম্পিউটার ইত্যাদি এর কয়েকটি উদাহারণ হিসেবে বলা যেতে পারে। লেখক আব্দুল গাফফার রনি প্রাঞ্জল ভাষায় বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলো বইটিতে বর্ণনা করেছেন। বইতে বিশটিরও বেশি বৈজ্ঞানিকবিষয় ও আবিষ্কার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে ‘মহাবিশ্বের প্রসারণ ও বিগ ব্যাং’ শীর্ষক নিবন্ধ থেকে কৌতূহল পাঠকের জন্য খানিকটা অংশ তুলে দিচ্ছি। ‘বিগ ব্যাং’ শব্দটিই বলে দিচ্ছে এর প্রকৃতি পৃথিবীর বিজ্ঞানী সমাজের বৃহৎ অংশই ‘বিগ ব্যাং’ তত্ত্বকে মেনে নিয়েছে । না মেনে উপায় আছে? বৈজ্ঞানিক কোনও তত্ত্ব তো শুধু বিশ্বাস আর ধারণাকে আঁকড়ে ধরে বসে থাকে না। যে দমকা বাতাসেই তালপাতার সেপাইয়ের মত হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে। কোন তত্ত্বও বিজ্ঞানের জগতে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে একে অবশ্যই তাত্ত্বিক ও গানিতিক যুক্তির এবং বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠতে হবে। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, মোটামুটি ১৬ বিলিয়ন বছর আগে বৃহৎ এক বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এত আগের ঘটনা তারা বুঝলেন কী করে আর তার যুক্তি প্রমাণই বা দেখানো হলো কোন প্রক্রিয়ায়। পুরো নিবন্ধটি পড়লে বিষয়টি অত্যান্ত সহজ ভাবে যে কেউই বুঝতে পারবেন। লেখক এ বিষয়ে অত্যান্ত প্রাঞ্জল ভাষায় একটি নিবন্ধ লিখেছেন যা থেকে সাধারণ পাঠকওেএ বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পারে। এই বইটি বিজ্ঞান মনস্ক পাঠক ছাড়াও সাধারণ পাঠরে কাছেও বিশেষভাবে আদৃত হবে।'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca9c0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পিপপি ও একটি বাঁদর',\n", " 'seo_url': 'পিপপি-ও-একটি-বাঁদর',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * পিপপি এলো ভিলেকুলা কটেজে * বিরোধে জড়িয়ে পড়ল টার্ন আপ স্টাফার পিপপি * পুলিশের সঙ্গে পিপপির * স্কুলে যাওয়া * পিপপির গেটে বসা এবং গাছে চড়া * পিপপির পিকনিক * সার্কাসে গেলো পিপপি * পিপপির ঘরে চোর * টি পার্টিতে পিপপি * সুপার স্টার পিপপি * পিপপির সন্মোৎসব'},\n", " {'product_id': '5a82ded9f198d8fc483ca9f2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চার ভূবনের সংলাপ',\n", " 'seo_url': 'চার-ভূবনের-সংলাপ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *নীলকণ্ঠ পাখি *আজ বসন্ত *শেষ অধ্যায় *প্রবাসের নানা রঙের দিনগুলি'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa1c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পুরুষের পৃথিবীতে এক মেয়ে',\n", " 'seo_url': 'পুরুষের-পৃথিবীতে-এক-মেয়ে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ প্রথম ক্ষরণের কাল শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্ফীত হয়ে ওঠে বক্ষদেশ । আর এগারো বছর বয়সি ছোট্র এক মেয়ে নতুন করে আবিষ্কার করতে থাকে নিজেকে। তার চোখের সামনে বদলে যেতে থাকে পৃথিবী। বদলে যেতে থাকে ছেলে বন্ধুরা, ভাই, মামা, স্কুলের শিক্ষক। বদলে যেতে থাকে তাদের চোখ। বদলে থাকে তাদের ঘ্রাণ,স্পর্শ। এগিয়ে আসে শিক্ষকের হাত। ছেলে বন্ধুদের আঙ্গুল। স্পর্শ চায় নারীর। অন্ধকার এক সমুদ্রের নির্জন থেকে নির্জনতার এক দ্বীপে অবগাহনরত নিজেকে আবিষ্কার করতে থাকে মেয়েটি। পুরুষের পৃথিবীতে ক্রমে একা থেকে একা হয়ে যেতে থাকা ছোট এক মেয়ের ক্রমে নিজের একাকীত্বে আবিষ্কারের এই কাহিনী, বাংলা ভাষায় লেখা বিশ্বসাহিত্যের এক বিরলতম উদ্ভাস।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd4c1a7309b49432d3a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রাত ভরে বৃষ্টি',\n", " 'seo_url': 'রাত-ভরে-বৃষ্টি',\n", " 'description': \"এই সেই বহুশ্রুত বই যা প্রকাশিত হওয়ার তিন বছর ধরে রাহুগ্রস্ত ছিলাে; এবং নিম্ন-আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট যার পাণ্ডুলিপি পর্যন্ত ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছিলেন। ১৯৭০ সালে, স্বাধীন গণতান্ত্রিক ভারতবর্ষে, অগ্রসর নগর কলকাতার এক বিচারালয়ে, বইখানা চিহ্নিত হয়েছিলাে অশ্লীল বলে, সমাজের পক্ষে অনিষ্ট সাধক বলে। কিন্তু যারা জানেন যে জীবনের ধর্মই পরিবর্তন এবং সমাজনীতিও কোনাে স্থাণু পদার্থ নয়, সুনীতির সঙ্গে সত্য ও সৌন্দর্যের অচ্ছেদ্য সম্বন্ধ বিষয়ে যারা সচেতন, তারা প্রথম প্রকাশের সময় থেকেই স্বীকার করেছিলেন যে—শুধু বাংলা সাহিত্যের বিবর্তনে নয় সমগ্র বাঙালি ও ভারতীয় মানুষের ক্রমবিকাশে রাত ভরে বৃষ্টি একটি পরম হিতকারী প্রভাব। | ‘রাত ভরে বৃষ্টি' কবি বুদ্ধদেব বসু ও ঔপন্যাসিক বুদ্ধদেব বসু দু-জনেই সমানভাবে উপস্থিত। নয়নাংশু ও মালতীর মনােবিশ্লেষণের সূক্ষ্মতা ও গভীরতা কোনাে মনস্তাত্বিকের পক্ষেও ঈর্ষণীয়; দ্বিতীয়-যুদ্ধ পরবর্তী মধ্যবিত্ত নাগরিক সমাজের যে চিত্র এখানে আঁকা হয়েছে তার বাস্তবতা কোনাে সমাজ বিজ্ঞানী অস্বীকার করতে পারবেন না। কিন্তু বইখানার স্থায়ীতার ও গভীরতর মূল্য তার রসের আবেদনে, ভাষার সৌন্দর্যে, ও কল্পনার বর্ণচ্ছটায়। রাত ভ'রে বৃষ্টির একটি তস্কর-সংস্করণ এতদিন বাজারে প্রচলিত ছিলাে; এইটিই হ’লাে লেখক-কর্তৃক অনুমােদিত অব্যবচ্ছেদ সংস্করণ। হাইকোর্টের বিচারপতিরা একে অশ্লীলতা থেকে মুক্তি দিয়েছেন; এই সুন্দুর, সত্যবাদী ও কবিত্বময় বইখানাকে নতুন করে প্রচার করতে পেরে আমরা আনন্দিত।\"},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa22',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পাখিদের নিয়ে',\n", " 'seo_url': 'পাখিদের-নিয়ে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অপরাজিতা ফুলের মত ঝকঝকে নীল আকাশে সাঁই সাঁই ডানা মেলে দিয়ে অবিরাম উড়তে থাকে কত ধরনের পাখি। তাদের পাখসাটে পরিবেশ মুখরিত হয়। সোনালি রোদের আলোতে তাদের পালকগুলো ঝিকিয়ে ওঠে। গাছের শাখায় বসে কিচির মিচির করে তারা বুঝি ঝণ্ডার তোলে। উড়াল দিয়ে কত দূরে চলে যায় পাখিরা। বাতাসে যখন শীতের ছোঁয়া লাগে তখন বহু দূরের পথ পেরিয়ে এদেশে বিল-হাওরে চলে আসে পরিযায়ী পাখিরা । হিমশীতল দেশ থেকে তারা আসে। জলজ উদ্ভিদের মাঝে তাদের অবাধ ওড়াওড়ি। এমনিভাবে এক নিবিড় রহস্যের ভূবন গড়ে তোলে পাখিরা। আমাদেরকে চারপাশে সে রহস্যের কাঁপন যায় ছড়িয়ে। ভিজে মেঘের দুপুরে সোনালি ডানার চিলের করুণ ডাক শুনে অনেকেই উদাসী হয়। লোক কবি আকুল হয়ে লেখেন- ’উইড়া যায়বে হংস পঙ্খি পইরা রয়বে ছায়, দেশের বন্ধু দেশে যাইব কে করিবে মায়া।’ দোয়েলের জীবন জানতে আগ্রহী হয় কেউ। জলপায়রাদের ঝাঁক গাঙ পেরিয়ে ধূধূ চরে যায়। এইতো পাখিদের নিবিড় আশ্চর্য, সুন্দর জগত। আর এভাবেই বুঝি পাখিরা আমাদের আয়েসে জানিয়ে দেয় ‘কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা...’ পাখিদের বিচিত্র ভুবনকে আবিষ্কার করতে চেয়েছেন লেখক। পাখিরা যেন তার কাছে তাদের জীবনের রহস্য প্রকাশ করেছে। লেখক সর্বদা কান পেতে থাকেন পাখিদের ডাক শোনার জন্য । পাখিরা তাকে বেঁচে থাকার আনন্দের আস্বাদ দিয়েছে। ‘পাখিদের নিয়ে’ সেই কথকতায় পূর্ণ। সূচিপত্র কিচির মিচির দূর আকাশে একটি ছোট পাখি সারস গেল উড়ে তুষার দেশের পাখি হাঁসের ভালোবাসা এক গাঙচিলের কাহিনি খুদে বাদামি হাঁস কোকিলের ডিম শান্তির পাখি উড়ল যখন পেঁচাছানা পাখির বু্দ্ধি ছবির ময়ূর নিজের কাজ মউখোঁজা পাখি হুপো দাঁড়কাকের কাণ্ড লাল পালকের কাণ্ড ধূসরবরণ পাখি ভারুই পাখি ও শিকারি বুনো হাঁস উড়ে যায় এক জোড়া রাজহাঁস উড়ে যায় দূরে যায় পাখিদের জন্য শালবনে শাদা পরি শাদা কাকাতুয়া শেষ বন্ধু সরালী দোয়েলের ডিম ধনঝুরি পাহড়ের গল্প'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa28',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মনজু মাস্টার মোমেনা ... অতপর আমি',\n", " 'seo_url': 'মনজু-মাস্টার-মোমেনা--অতপর-আমি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তিনটি গল্পের তিনটি প্রধান চরিত্র নিয়ে এই বই-এর নামকরণ। মনজু মাস্টার একজন সাধারণ স্কুল মাস্টার। তার টানাপোড়েন সমেত সীমিত চাওয়াময় জীবনের দুঃখগাঁথা থেকে একটি দুঃখবোধকে তুলে এনেই ছোট্ট এই গল্পের জন্ম। এখানে আছে দৈণ্যের বুক চিড়ে নীতির উত্থানের সচিত্র প্রতিচ্ছবি। মোমেনা গ্রামের মেয়ে। বাবা থেকেও নেই। মা-এর ক্ষেত্রেও এই কথা বলা চলে। আমার খুব চেনা আর ভালবাসার একজন মানুষকে দেখে সাজানো হয়েছে গল্পটা। শেষও হয়েছে কাল্পনিক কিন্তু ঘটমান বাস্ত্মবের থ্রিলের মধ্যে দিয়ে। এ গল্পে মোমেনা এক পর্যায়ে শহরে এসে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলে, তারপর সে দেশের আইকনে পরিণত হয়। কিভাবে সেটা আছে এই গল্পেই। .... অতঃপর আমি একটি রোমান্টিক গোয়েন্দা কাহিনী। হারিয়ে পাওয়ার পর আবার চিরদিনের জন্যে ভালোবাসার মানুষটিকে হারিয়ে ফেলে দ্রিমি। তার থ্রিলার জীবন নিয়েই লেকা এই গল্প। যার শেষটাই মনে হতে পারে শুরু। - লেখক।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa2a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একদিন নক্ষত্র এসে',\n", " 'seo_url': 'একদিন-নক্ষত্র-এসে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘একজন অন্ধ মানুষ আর আমার মাঝে আসলে কোনো পার্থক্য নেই, একজন অন্ধ মানুষ তোমাকে দেখতে পায় না আমিও তোমাকে দেখতে পাই না’'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa2e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একটি ডাষ্টবিন দশজন টোকাই',\n", " 'seo_url': 'একটি-ডাষ্টবিন-দশজন-টোকাই',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আশেপাশে চোখ ঘুরিয়ে তাকাতেই চোখে পড়ল, নয় দশ বছরের দুটি অবুঝ শিশু, এই অলস দুপুরের ছুতোয় প্রকৃতির অকৃপণ দান, ঐ বিশাল বৃক্ষের ঘন ছায়ায় নিশ্চিন্তে নির্ভেজাল নিদ্রায় মগ্ন। একজনের মাথায় কাছে একটি বাহারি চকোলেটের পলিথিন আর অন্য শিশুটি সিগারেটের একটি বাক্স বুকে নিয়ে তা দু’হাতে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে। ঢাকা শহরে এ কাতীয় ঠিকানাবিহীন শিশুর সংখ্যা যে কত, তা বোধ করি কেউ আদমশুমারী করে গণনা করার প্রয়োজন বোধ করেন না। যাদের আবাস নামক স্থান হিসেবে সর্বকালের রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরা করে দিয়েছেন রমনা পার্ক, বলদা গার্ডেনের মত ছায়াযুক্ত পার্ক। খুলে দিয়েছেন বাসস্ট্যান্ড, সদরঘাট আর কমলাপুরের মত বিশাল রেল জংশন। সমস্ত দিন কাজ করে, সরকারি জায়গায় নিদ্রা যায়, আবারও ট্যাক্সবিহীন। এটাইতো তাদের মস্ত বড় অপরাধ। সরকারকে ঠকিয়ে এত বড় রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া কি উচিত হচ্ছে ঐ ছিন্নমূল অবাঞ্চিত জারজ টোকাইদের? একে দিন দুপুরে সিঁদ কেটে চুরি ছাড়া আর কিই-বা বলা যেতে পারে। আসলে বুঝি না, এ কেমন মরার দেশ, যে দেশের শহরের কোন নিয়মানুবর্তিতা নেই, রাজধানীর অভ্যন্ত্মরে কোন কাজে গেলে কয়েক ঘন্টা জ্যামে আটকা পরে জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠে। যে দেশের শিশুরা এখনও ডাষ্টবিন থেকে কুকুরের খাবারে ভাগ বসায়, আর ক্ষুধার্ত থাকতে হয় রাস্তার কুকুরগুলোকে। আমার মনে হয় এর জন্য সংসদে একটি আইন পাশ হওয়া দরকার। যে কুকুরের খাবারে কখনও এই অবাঞ্চিত শিশুরা হাত বাড়াতে পারবে না, আর ভুলেও যদি কভু এই দুঃসাহস দেখায় তবে নিশ্চিত যাবজ্জীবন নতুবা ফাঁসি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa34',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পিশাচ সম্রাট',\n", " 'seo_url': 'পিশাচ-সম্রাট',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘আমি জামবু। রূপান্তরিত হতে ভাল লাগে না আমার। ভাল লাগে না কোথাও প্রাণীর দেহে হাত রেখে তার দেহ থেকে ডিএনএ জোগাড় করতে। তবুও কাজটা করতেই হয়। বাধ্য হয়ে। প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে ...... ‘ নিমো, তিয়াপা, সিসি, জিউস, জামবু। পাঁচটি কিশোর ছেলেমেয়ে। মৃত্যুর আগে ওদেরকে এক বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে গেছে ভিনগ্রহবাসী এক প্রিন্স, যে কোন প্রাণীর দেহে হাত রাখলেই সেই প্রাণীর দেহ থেকে ওদের গায়ে খানিকটা ডিএনএ চলে আসবে, তারপর ইচ্ছে করলেই সেই প্রাণীতে রূপান্তরিত হতে পারবে ওরা। এই প্রচণ্ড ক্ষমতা দেয়ার কারণ, ভিনগ্রহবাসী আরেক জাতের প্রাণী, ভয়ঙ্কর ভাবেকরা মহাকাশের বহু গ্রহ দখল করে এখন পৃথিবীতে এসে হাজির হয়েছে। পৃথিবী দখল করে মানুষকে গোলাম বানাতে চায় ওরা। অতএব, পৃথিবী বাঁচানোর দায়িত্ব এখন ওই পাঁচটি ছেলেমেয়ের হাতে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa3a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নোয়াম চমস্কি',\n", " 'seo_url': 'নোয়াম-চমস্কি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ নোয়াম চমস্কি ‘বিশ্বের সর্বাপেক্ষা বড়মাপের পাবলিক বুদ্ধিজীবী’- অবজারভার যখন ক্রমবর্ধিষ্ণুভাবে যুক্তরাষ্ট্র বাদবাকী বিশ্বের ওপর আধিপত্য বিস্তারের প্রকাশ ঘটায় তখন আমেরিকার নেতৃস্থানীয় ভিন্নমতাবলম্বী নোয়াম চমস্কির কণ্ঠ থেকে সে বিষয়ে আগের যে-কোন সময়ের চাইতে শোনবার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই বইয়ে সন্নিবেশিত পঞ্চাশটি গুরুত্বপূর্ণ, উপযোগী এবং জরুরি রচনার দ্বারা চমস্কি ৯/১০ পরবর্তী সময়ের বিশ্বের উত্তপ্ত ইস্যুসমূহ অকাট্যভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি ইরাকে অভিযান ও তা দখল করে নেওয়া, বুশের প্রেসিডেন্সি, ইসরাইলকর্তৃক লেবাননে হামলা, ইরানের প্রভাব ও প্রতিপত্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জমূলক কর্মকাণ্ড, পরমাণু যুদ্ধের সম্ভাবনার গতিপ্রাপ্তি-ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করেছেন। এটি একটি অনন্য ও প্রয়োজনীয় সংগ্রহ; বিশেষ করে অপরিহার্য ও কর্তৃত্বমূলক মনোভাবের প্রেক্ষাপট থেকে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa3c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শিশু ফুল',\n", " 'seo_url': 'শিশু-ফুল',\n", " 'description': 'সূচিপত্র ভিনদেশে স্বদেশ আকাশ বাতাস সংস্কৃতির খোলা বাজার সবুজ কই ও নীল চিংড়ির কথা বাবার অচিনদেশ ভ্রমন নৈশব্দের শব্দ একজন সম্পদশালী লাল পাসপোর্ট আপেল চুরি (প্রথম পর্ব) আপেল চুরি (দ্বিতীয় পর্ব) অতঃপর স্ট্রবেরী নট ইন সার্ভিস অমূল্য বিলেতে ছিচকে অপরাধ। উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থার কথা জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক সিদ্ধান্ত স্বপ্নের উপর স্বপ্ন প্রাসাদে কালসাপ বাংলাদেশের ভাই বোন বিলেতে ইফতার পার্টি বিলেতে ইফতার পার্টি বিলেতি ঈদ সাপ্তাহিক ছুটিতে পাশ্চাত্য বিদেশে পড়াশুনার উপযোগিতা নিয়ে ভাবনা অলিম্পিক নগরীরর মিলনমেলা শেষে পাশ্চাত্যের বৈতালিক সম্পর্ক স্বপ্নে দেখা হয় তার সাথে উন্নত বিশ্বের অনুন্নত সামাজিকতা অজানা খেয়াল একলা মানুষ শিশু ফুল'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa3e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অ্যা ডিসকভারি অব উইচেস',\n", " 'seo_url': 'অ্যা-ডিসকভারি-অব-উইচেস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ডেবোরা হার্কনেস আমেরিকার সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের অধ্যাপক। একজন ফুলব্রাইট ও গাগেনহাইম স্কলার। তিনি অনেক গবেষণা গ্রন্থের প্রণেতা। অ্যা ডিসকভারি অব উইচেস উপন্যাস লেকার মধ্য দিয়ে সাহিত্য জগতে তাঁর যাত্রা শুরু। এই উপন্যাস প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ডেবোরা হার্কনেস।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa50',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নারী হয়ে ওঠা',\n", " 'seo_url': 'নারী-হয়ে-ওঠা',\n", " 'description': 'একটি শিশু ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে। শৈশব পার হয়ে কৈশোরে পৌঁছে। তার শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন হয়। কৈশোর উত্তীর্ণ হয়ে পরিপূর্ণ নারী হয়ে ওঠার পথে একজন কিশোরীকে যেতে হয় এক জটিল প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে। কিশোরীদের মনোদৈহিক পরিবর্তনের এক সুশৃঙ্খল ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের প্রয়াস এ বইটি। কিশোর-কিশোরী ও মা-বাবাদের জন্য তাই বইটি খুলে দেবে এক নতুন দুয়ার।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa54',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রক্তপুঁজে গেঁথে যাওয়া মাছি',\n", " 'seo_url': 'রক্তপুঁজে-গেঁথে-যাওয়া-মাছি',\n", " 'description': 'সারসংক্ষেপ সে এক মেয়ে, জীবনের কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত মেয়ে। সে মেয়ে-পাপে-তাপে ভরা মেয়ে। সে মেয়-লোভবাসনায় ভরা মেয়ে। সে মেয়ে-পাপতাপ বোধহীন মেয়ে। সে মেয়ে- কামবিকারে ভরা মেয়ে। কাম বহমুখী, রতি বহু রকম। পিচ্ছিল অই কামঘোলাজলের ভেতর দিয়ে সে পেরোয় আয়ুপথ। সংসারের সকল আলো অন্ধকারে ক্লেদ, সকল স্থাবর অস্থাবরে ক্লেদ, ক্লেদ-থিকথিকে এইখানে জীবনভূমি। সে মেয়ে- চেনে জানে ক্লেদের সকল পরত। চেনে রক্তপুঁজ, চেনে বর্জ্য, চেনে এই যে একটি মাছি-গেঁথে পার্থিব রক্তপুঁজে-এই মাছি এই মেয়ে-পারভিন আক্তার। জীবন নামক রসাতলে লোলুপ মানুষ-কীটের গেঁথে থাকার রূপ।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa58',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমার অন্তরে আমার স্বদেশ',\n", " 'seo_url': 'আমার-অন্তরে-আমার-স্বদেশ',\n", " 'description': 'নিজ দেশে পরবাসি, আবার পরবাসেও পরবাসি। দেশ তবে কোথায় আমার? সুজলা সুফলা দেশ । আমি জানি, দেশ জানে, আমার অন্তরে সে দেশ।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa5a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কলাম সমগ্র',\n", " 'seo_url': 'কলাম-সমগ্র',\n", " 'description': 'তসলিমা নাসরিন যতোটা নন্দিত ও বিতর্কিত সেটির সূত্রপাত তার কলাম থেকে। এই দুর্বিনীত কলামগুচ্ছ আমরা প্রকাশ করেছি কলাম সমগ্র নামে। পাঠক তার নতুন বেশ কিছু লেখাও পাবেন এই বইটিতে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa68',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পৌরাণিক পুরুষ',\n", " 'seo_url': 'পৌরাণিক-পুরুষ',\n", " 'description': 'ভূমিকা পৃথিবীর আদি পুরাণগুলো জগৎ সংসারের সৃষ্টি স্থিতি ও প্রলয়ের গল্প বলে, গল্প বলে কোনো না কোনো বীরপুরুষ। ওই পুরাণপৃথিবীতের বিশ্বজগৎ ঘোর অন্ধকার করে দিয়ে মেঘ ঘনায়, চরাচর লুপ্ত করে দিতে আসে মহাপ্লাবন। নগর ধূলিসাৎ করে দিতে আসে ভূমিকম্প। পুরাণ তার গল্পে গল্পে জানতে থাকে যে, এ সবই কেউ একজন ঘটায়! ওই আদিম কল্পনাময় পুরাণ কাহিনীগুলো অভিভূতকর। তবে এরা আরও অভিভূতকর বলে গণ্য হতে পারে এদের প্রকাশ্য কথার ভেতরে বয়ে নিয়ে চলা নেপথ্য কথা ও কাহিনীর কারণে! পুরাণ কাহিনীরা তাদের প্রকাশ্য কথার ভেতরে পরতে পরতে ধারণ করে আছে গভীর গুরুত্বপূর্ণ বহু কথা। ধারণ করে আছে দূর আদিকালের সমাজবাস্তবতা ও সমাজ-মানসের পরিচয়; বহন করে চলছে তারা পুরাণ পুরুষের আদিসত্তার অকপট অভিজ্ঞান। প্রকাশ্য গল্প যাকে পরাক্রান্ত বীর বলে জানাতে থাকে, নেপথ্য সূত্ররা দেখাতে থাকে তার অন্য পরিচয়। ওই তার প্রকৃত পরিচয়। নেপথ্যসূত্ররা সন্তর্পনে অঙ্গুলি নির্দেশ করতে থাকে ওই বীরের প্রকৃত দশাটির দিকে। দেখাতে থাকে যে, ওই প্রকাশ্য বীরজনের ভেতরে বসত করে কোন দোদুল্যমান, জড়তাগ্রস্ত মন-প্রাণ! দেখাতে থাকে যে, সে এক অদ্ভুত জগৎ-সেখানে ন্যায় অন্যায়ের ভেদরেখা নেই, যে কোনে প্রকারে আত্ম-স্বার্থসিদ্ধিই সেখানে শেষ কথা। হনন প্রবঞ্চনা প্রতারণায় দশ দিক ভরে আছে ওই পৃথিবীর। অন্য সকল পুরাণের সঙ্গে এ গ্রন্থে ব্যবহার করা হয়েছে আদিপৃথিবীর মহাকাব্যগুলোর কোনো কোনোটি -যেমন রামায়ণ, মহাভারত ইত্যাদি। নির্ভর করা হয়েছে ভগবদগীতা, আদিপুস্তক প্রভৃতি ধর্মগ্রন্থের ওপরও। ওই সকল গ্রন্থে, আদি পুরাণগুলোর মতোই, জগৎসংসারের সৃষ্টি স্থিতি প্রলয় জিজ্ঞাসাও বিশদ রূপেই বিধৃত হয়ে থাকতে যেমন দেখা যায়, তেমনি এরাও বহন করে চলে আদিম নানা বীরপুরুষের আপাত প্রকাশ্য বীর্যগাথা ও নেপথ্যের সামান্যতায় -মোড়ানো প্রকৃত সত্তাটির পরিচয়। একারণে এসকল গ্রন্থও গণ্য হয়ে পুরাণকথা রূপেই। এই বইয়ে পুরাণগুলোর সেই নেপথ্য কথা ও কাহিনীর ওপরই আলোকপাতের চেষ্টা চালানো হয়েছে, এবং চেষ্টা চালানো হয়েছে ওই প্রাচীন পুরাণসমূহে বিধৃত পুরাণপুরুষের সত্য পরিচয়টি উদ্\\u200cঘাটনের। পুরাকালের ঘটনারাশি ও সুদূর পুরাণ-পুরুষগণের বিবিধ বৃত্তান্ত পাক এই কালের পাঠকের গাঢ় মনোযোগ আর অনুরাগ! ওই দূর অন্ধকার, নিবিড়, নিবিড় মেঘময় আকাশ নতুন করে আকুল করুক একালের চিত্তসকলও। আকিমুন রহমান সূচিপত্র * আদি পুরাণে পুরুষের রূপ * ‘আর দেখ, বাল্যকাল অবধি পুরুষের মনস্কল্পনা দুষ্ট’ * পুত্র পুরাণ * প্রয়োজনের পুত্রশাস্ত্র * ‘তাহার নাম কি বঞ্চক নয়? *’ তার প্রতিশ্রুতি ও শপথ দেখ কোন কথা বলে * বলো বলো ইন্দ্রিয়ের জয় * ‘সে আমাদের ভ্রাতা, আমাদের মাংস’ * যেভাবে তুমি অর্জুন তুমি- * ‘পুরাণ পৃথিবী : দিকে দিকে শুধু অবাধ্যতার ঢেউ * ‘হে ইন্দ্র! হে মেঘবন! তুমি ধনপতি, আমাদের গো দাও’ * চরিত্রাবলী'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caa7a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রূপকথার বাড়ি',\n", " 'seo_url': 'রূপকথার-বাড়ি',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * অঙ্গুরী অপরণের কাহিনী * আশ্চর্য মাঝি * উঁনো রাজার বুঁদো মন্ত্রী * কান কাটা রাজার দেশ * মেঘবতী কন্যা * গপ্\\u200cপো বুড়ি * জুয়াচুরি বুদ্ধি * ডালিক কুমার * ডালিমকুমার ও ব্যাঙ্গমা-ব্যাঙ্গমী * নির্মল-পাটন * নীলকমল আর লাকমল * নীলপদ্ম * বনের রাজপুত্র * বীরবল * ময়নামতী * মায়াকানন * যখের জঙ্গলে * রজতকণা ও কুড়িয়ে পাওয়া পাখি * রাজপুত্র দুঃখহরণ * রাজপুত্রের প্রাণ * রাজশ্রী * রাজার মন ভাল নেই * রাজকুমারী পঞ্চপুষ্পা * রূপকথার ফুলঝুরি * লাবু * শক্তিকুমার * সাগর থেকে ফেরা * সাত বছরের মেয়ে * সাত রাজার ধন মানিক * হবচন্দ্র ও গবচন্দ্র * জ্যোৎস্নাপরী ও ঢেউকুমার * এই পাখিরা মানুষ ছিল * পাথর কন্যা'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caaf6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দহনে সুখ',\n", " 'seo_url': 'দহনে-সুখ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আমি মানবতায় বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করি মানবতার মাঝে সব কিছুই বর্তমান। সম্মান করি মানুষকে। বিশ্বাস করি; ‘মানুষ প্রতিটি জীবের জন্য, শুধু মানুষ মানুষের জন্য নয়”। যেহেতু মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হিসাবে বিবেচিত, তাই মানুষের প্রতি প্রতিটি জীবের আছে অনেক চাওয়া পাওয়া। তাই প্রতিটি জীবকে রক্ষা করার দায়িত্ব মানুষকেই নিতে হবে। অন্যান্য জীব যেখানে স্বাভাবচারিত হয়ে জীবন যাপন করে, সেখানে শুধুমাত্র মানুষেরই আছে সৃষ্টিশিলতা। মানুষের পক্ষ্য থেকে কোন জীবকে কষ্ট দেয়া উচিৎ নয়। মানবতা হলো প্রেম ভালবাসার আধার। মানুষ সহ সকল জীবের প্রতি ভালবাসা এবং শ্রদ্ধাবোধ থেকেই তৈরি হয় ভ্রাতৃত্ববোধ। পৃথিবী যতটুকু সুন্দর এবং শান্ত আছে, তা এই ভ্রাতৃত্ববোধের ফসল। আমি চেষ্টা করেছি মানবতা আর ভালবাসাকে স্ব কিছুর উর্ধ্বে নিতে। আমি কত টুকু পেরেছি, আমি জানিনা। যদি এই বইখানি পড়ে, একজন ব্যক্তিও তার মানবতাকে জাগ্রত করতে পরে, তৈরি হয় ভালবাসার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, তাহলেই আমি আমাকে স্বার্থক মনে করব। বই খানি লিখতে, যিনি আমাকে যথেষ্ট সাহায্য করেছেন, সেই ব্যক্তির প্রতি আমি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি, যার নাম কাজী মুজিবুল হক, ব্যবসায়ী এবং একজন রাজনীতিবিদ, খুলনার বাসিন্দা। যারা এই বইখানি লিখতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন, যারা আমার চলার পথের প্রেরণা হিসাবে কাজ করে, সম্পা আকতার ও লায়লা সুলতানা এবং আমার অতি আপনজন, দুখের দিনের সাথী প্রশান্ত কুমার গাইন। সার্বিক সহোযোগিতার জন্য বন্ধু হুমায়ূন কবির ও চঞ্চল মজুমদার। আমি সেই ব্যক্তিকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি, যাঁর সংস্পর্শ না পেলে হয়ত আমার লেখা প্রকাশ পেতো না, সেই মহান ব্যক্তি এবং বিশিষ্ট লেখক বি এম সোহেল সাভারী, যিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম একক বাণী চিরন্তনী ‘অগ্নি ঝরণা’ রচনা করে পাঠকের হাতে তুলে দিয়েছেন। তাঁর এই সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যে এক ব্যতিক্রমধর্মী প্রয়াস। আমি সকলের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি বিশেষভাবে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যারা আমার এই বই খানি শুধুমাত্র গল্পের মত না পড়ে, কিছু আহরণ করবার চেষ্টা করবেন, তাদের প্রতি। প্রথম প্রকাশিত বিধায়, বিইটিতে ভুল থাকার অতি স্বাভাবিক। যদি কোথাও কোন রকমের ভুল বা বিভ্রান্তিকর কোন কথা বা লেখা, কারও মনে কষ্টের কারণ হয়, তবে আমাকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আমি অনুরোধ করছি। লেখক র\\u200c্যাক লিটন'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caafe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কারাগারে ছাপ্পান্ন দিন',\n", " 'seo_url': 'কারাগারে-ছাপ্পান্ন-দিন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এক অচেনা অন্তরীণ মুক্তিযোদ্ধার কারাগারে ছাপ্পান্ন দিনের জীবনলেখ্য এটি। গ্রামের একজন অতি সাধারণ স্বাধীনচেতা বেসরকারি স্কুল শিক্ষকের মুক্তিযুদ্ধকালীন কারাবরণের (২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১-২৩ নভেম্বর ১৯৭১) সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনবদ্যভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে বইটিতে। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী দ্বারা অত্যাচারিত, অবহেলিত, পদদলিত ও বঞ্চিত নিরীহ গ্রামবাংলার মানুষের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রতিচ্ছবি বিইটিতে ফুটে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় (একজন স্কুল শিক্ষক হিসেবে) মুক্তিপাগল প্রতিটি নাগরিকদের মতো বিদ্যালয় কর্ম ত্যাগ করে নিজস্ব ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে দিক নিদের্শনা, থাকা-খাওয়ার যোগান, সময়ে সময়ে বিভিন্ন তথ্য মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌঁছানো ছিল লেখকের প্রাত্যহিক কর্ম। সেই সঙ্গে ছিল পরিবার, সন্তান, প্রতিবেশীদের রক্ষার দায়িত্ব। পরিবার ও জীবনের মায়া তুচ্ছ করে দেশেল স্বাধীনতার জন্য নিজেকে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত থাকলেও না- পাক বাহিনীর সাথে সাথে দেশীয় দোসর রাজাকার, আল-বদর বাহিনীর অত্যাচারে স্বাধীনভাবে কাজ করা সম্ভব হয়নি। সহ্য করতে হয়েছে দেশীয় রাজাকার ইবলিশদের উপহাস আর মানবরূপী না-পাক বাহিনীর অমানুষিক নিষ্ঠুর আক্রমণ। করতে হয়েছে কারাবরণ। দেশের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করতে যেয়ে-রাজদ্রোহী হিসেবে মেনে নিতে হয়েছে কারাবরণ আর বর্বর পাশবিক নির্যাতন। দু’হাত পিছনে বেঁধে ইচ্ছেমতো চলত বুটের লাথি আর বেত্রাঘাত। তৃষ্ণায় প্রাণ ফেটে গেলে জুটত পানির বদলে প্রস্রাব মিশ্রিত পানি। বেত্রাঘাতের পর রক্তাক্ত শরীরে নবপশুরা ঢেলে দিত লবন। কখনও আবার লোহার শিখ গরম করে গায়ে স্পর্শ করানো হতো। পরনের সাদা আরবীয় পোশাক রক্তাক্ত হয়ে গায়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকত। পরক্ষনে আবার দু’পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে দড়ি বেঁধে উল্টা করে ঝুলিয়ে চলত মানবরূপ পশুদের নির্যাতন। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকেও দেশকে মুক্ত করার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন সকল কারাবাসী। মরণকে তুচ্ছ জ্ঞান করে শেষ প্রহারটি পর্যন্ত মুখে উচ্চারিত হয়েছে জয় বাংলা। চোখের সামনে কত মৃত্যু! কত ছুঁড়ে ফেলা লাশ! কারাগারের চারপাশে মা-বোনদের নিয়ে চলত দেশীয় রাজাকার ও না-পাক সেনাদের বলপূর্বক পাশবিক অত্যাচার। পাশবিক অত্যাচারের শেষপ্রান্তে চলত গুলি করে হত্যা। কারাবাসীদের প্রাত্যহিক জীবন ছিল এমনই হৃদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী। খাবার তালিকায় ছিল ঝাল-লবণবিহীন কচু ও ক্ষীরাই-এর তরল তরকারি। প্রহারক্লিষ্ট শরীরের বেদনা ও দুর্বলতায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় আরো অনেক অমানুষিক নিষ্ঠুর প্রতিকূলতা সহ্য করতে হয়েছে। সেই নিষ্ঠুর কারাবরণ থেকে লেখকের বেঁচে ফিরে আসা ছিল অলৌকিক ও মহান আল্লাহতায়ালার অশেষ কৃপা।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cab04',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মেধা টোকাই',\n", " 'seo_url': 'মেধা-টোকাই',\n", " 'description': 'ভূমিকা ‘মেধা টোকাই’ - বর্তমান সমাজের ক্ষয়ে যাওয়া দিক নিয়ে লেখা একটি কাহিনী, একটি গল্প। সমাজের অবহেলিত ছিন্নমূল মানুষ যাদের আমরা টোকাই নামে চিনি, সেই চরিত্রটি নিয়ে একটা নিরীক্ষাধর্মি লেখা এই ‘মেধা টোকাই’, মানুষের এবং সমাজের মনস্তাত্বিক দিকটা প্রকট আকারে টেনে আনা হয়েছে। সমাজের উঁচু দালানের মেধা’র সাথে বস্তিবাসী বা ফুটপাথের টোকাইয়ের একটা মিলন সূত্র আঁকা হয়েছে। বর্তমান এবং ভবিষ্যতের কথা বলা হয়েছে। আমাদের পরিবর্তিত রুচি, ধ্যান-ধ্যারনা, বিশ্বাস-অবিশ্বাস, শ্রেণি বৈষম্য, প্রেম ভালোবাসা, মাদকের হাতছানি এবং নিঃস্ব থেকে সমাজের কালো অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া মানুষের আর্তনাদ ফুটে উঠেছে। মেধা’র টোকাই এ রূপান্তর - কিছু মেসেজ, কিছু সতর্কবাণী তুলে ধরবে আমাদের সবার জন্য। লেখক পরিচিতি পুরো নাম মোঃ এনামুল হক, লেখা লেখির জগতে এনাম মাহিন নামে পরিচিত। ১৯৭৭ সালের ১ জানুয়ারি রাজশাহীর বুলনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালে এস.এস.সি, ১৯৯৩ সালে এইচ.এস.সি, ১৯৯৭ সালে স্নাতক এবং ২০০০ সালে এম.বি.এ সফলতার সাথে পাশ করেন। পেশাগত জীবনে একটি গ্রুপ অব কোম্পানিতে কর্মরত। সৌখিন লেখক হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও পাঠক বন্ধুদের অপার ভালোবাসায় কবিতা লেখা শুরু করেন। ‘মায়ামৃগ’ - প্রথম কবিতার বই এবং ‘মেধা টোকাই’ - প্রথম গল্পের বই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cab10',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নোবেল বিজয়ীদের নির্বাচিত প্রবন্ধ',\n", " 'seo_url': 'নোবেল-বিজয়ীদের-নির্বাচিত-প্রবন্ধ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলা ভাষায় নোবেলবিজয়ীদের নির্বাচিত প্রবন্ধ এই প্রথম প্রকাশিত হলো। ‘নোবেল বিজয়ীদের নির্বাচিত প্রবন্ধ’ শীর্ষক সম্পাদনা গ্রন্থে প্রায় অর্ধশতক প্রবন্ধ সংযুক্ত হয়েছে। প্রবন্ধগুলো সাহিত্য, শান্তি, বিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিষয়ক শৃঙ্খলায় সুবিন্যস্ত ও নির্বাচিত। শতাধিক বছরব্যাপী যাঁরা এ পুরস্কারের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপ্ত সম্মান অর্জ্যন করেছেন তাঁরা জানানুশীলনে একেকজন স্বতন্ত্র প্রতিভা। তাঁর স্বদেশের , স্বভাষার ও স্বজাতির গৌরবমূল হয়েও বিশ্বব্যক্তিত্ব হিসেবে বরণীয়। তাঁর সমগ্রবিশ্বের নিকট উজ্জ্বল নক্ষত্ররূপে স্মরণীয়। এ গ্রন্থের সম্পাদক রতনতনু ঘোষ নোবেলবিজয়ী এসব বিশ্বমুখশ্রী জ্ঞানীদের প্রবন্ধসম্ভার উপস্থাপনের মাধ্যমে বাংলাভাষার বিশ্বজনীন জ্ঞানসম্পদ প্রবৃদ্ধির প্রয়াস পেয়েচেন। সর্বমানবচিত্তের মহাদেশরূপে গণ্য এসব নোবেলবিজয়ীদের রচনা জ্ঞানের বহুবর্ণালীতে পাঠকদের উদ্বুদ্ধ করতে পারে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cab1e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'স্বতন্ত্র ভাবনা : মুক্তচিন্তা ও বুদ্ধির মুক্তি',\n", " 'seo_url': 'স্বতন্ত্র-ভাবনা--মুক্তচিন্তা-ও-বুদ্ধির-মুক্তি',\n", " 'description': 'এ বই সংকলিত হয়েছে এ দেশের প্রবীণ ও নবীণ-প্রাজ্ঞ মেধাবী বুদ্ধিজীবীদের লেখা একগুচ্ছ প্রবন্ধ। প্রবন্ধগুলোতে সেক্যুলারিজম,লিবারেলিজম, পুরালিজম প্রভৃতি বিষয়ের ব্যাপক ব্যাখ্যা ও ভাষ্য রচনা করা হয়েছে। নিরূপণ করার চেষ্টা করা হয়েছে মোহনীয় ও নিরাবেগ অনুসন্ধিৎসার স্বরূপ ও পথ। গভীর প্রজ্ঞা ও নিবিড় চিন্তার উপস্থাপনাকালী এ বইয়ের প্রতিটি প্রবন্ধ পাঠকের চেতনা জগতে সাড়া জাগাবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cab24',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঘাস ফড়িংয়ের শব্দ শোনা যায় (ফিল্ড নোটস অন ডেমোক্রেসি)',\n", " 'seo_url': 'ঘাস-ফড়িংয়ের-শব্দ-শোনা-যায়-ফিল্ড-নোটস-অন-ডেমোক্রেসি',\n", " 'description': 'ঘাস ফড়িংয়ের শব্দ শোনা যায় বইয়ের -সূচিপত্র * ভূমিকা : গণতন্ত্রের ব্যর্থ আলোক বর্তিকা * গণতন্ত্র আমাদের ঘরোয়া জীবনে কী তার অর্থ? * ঘটনার কতোটা গভীরে আমরা যাবো? * ‘এবং তা জীবনটি বিলীন হয়ে যাওয়া উচিত’ ভারতের সংসদ ভবনের * আক্রমণের ওপরে অদ্ভুত এক গল্প * খবরের ভেতরের খবর * পুলিশ হেফাজতে স্বীকারোক্তি, সংবাদমাধ্যম এবং আইনকানুন * বুশ খোকা, বাড়ি যাও * এনিমেল ফার্ম -২ : বর্জ বুশ যেখানে তার মনের কথাটি বলেছেন * প্রাসাদ-কেলেঙ্কারি * ঘাস ফড়িংয়ের শব্দ শোনা যায় : গণহত্যা, অস্বীকৃতি এবং তার উদ্\\u200cযাপন * আজাদী * নয় আর এগারো এক নয় ( এবং নভেম্বরও সেপ্টেম্বর নয়) * নোটস ঘাস ফড়িংয়ের শব্দ শোনা যায় বইয়ের -ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারত-সেখানে গণতন্ত্র কতখানি কার্যকর! তথ্য ও ঘটনা ব্যাখ্যা ও পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে অরুন্ধতী রায় দেখিয়েছেন ভারতের গণতন্ত্রের সচলত্ব ও অসাড়তার রূপ। অতি কাব্যিক গদ্যে তিনি এমন সব বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেছেন -যা করার সাহস আমরা অনেকেই পাব না। অরুন্ধতী রায় প্রশ্ন রেখেছেন এই গণতন্ত্রের ভবিষ্যত সম্পর্কে- এ কী কল্যাণ বয়ে আনতে সক্ষম, না টেনে আনবে মানব সভ্যতার সর্বনাশ ও সমাপ্তি! এই শঙ্কাকে হালকাভাবে নেয়া আমাদের উচিতই হবে না! -নওম চমস্কী ভারত এক ‘উদীয়মান বাজার’-এই বিষয়ক বিপুল সব প্রচারণার আড়ালে লুকোনো ঘোর সত্যটিকে নির্দেশ করেছেন অরুন্ধতী রায়, সত্য উন্মোচনের জন্য সরিয়েছেন একের পর এক মিথের আস্তরণ, আর দেখিয়েছেন প্রকৃত অবস্থানটিকে। নির্দেশ করেছেন অতি অব্যর্থভাবে যে, কোন উন্নয়নের জন্য কোন নিরীহ সাধারণ জনগণকে কতখানি যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে । নির্দেশ করেছেন সেই যন্ত্রণার ভয়াবহতাকে। এই সময়ের এক তীব্র আত্মবিশ্বাসী চিন্তাবিদ তিনি-তিনি অরুন্ধতী রায়। -নাওমি ক্লাইন'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cab30',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দ্য পিয়ানো টিচার',\n", " 'seo_url': 'দ্য-পিয়ানো-টিচার',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এলফ্রিডে ইয়েলিনেক জন্ম অস্ট্রিয়ার মুরুৎসসুশ্লাগ শহরে আলপ্\\u200cস পর্বতমালার পাদদেশে ২০ অক্টোবর ১৯৪৬ সালে। বড় হয়েছেন ভিয়েনায়। সেখানে স্কুলে লেখাপড়া করেন।অল্পবয়সে পিয়ানো ও অরগান বাজাতে শেখেন। ভিয়েনা কনজারভেটরিতে সঙ্গীত বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন। ১৯৬৪ সালে ‘আরবাইট গিমনাজিয়াম’ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেণ। তারপর সঙ্গীত শিক্ষালাভের পাশাপাশি ভিনো বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটক ও শিল্প-ইতিহাস বিষয়ে পড়ালেখা করেন। অরগান বাদনে ডিপ্লোমা পান ১৯৭১ সালে। এলফ্রিডে ইয়েলিনেকের সাহিত্য জগতে প্রবেশ কবিতার মধ্য দিয়ে। ১৯৬৭ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘লিজাস শাটেন’ প্রকাশিত হয় । অনুবাদের কাজও করেছেন প্রচুর। তার প্রথম উপন্যাস ‘ভিয়ার জিন্ড লক ফোয়েগেল’ ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়। তার সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী উপন্যাস ‘ডি ক্লাভিয়ার স্পিলারিন’ (দ্য পিয়ানো টিচার) ।ঔপন্যাসিক এলফ্রিডে ইয়েলিনেক একই সঙ্গে নাট্যকার, কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ। এলফ্রিডে ইয়েলিনেক তার সাহিত্য কর্মের জন্য এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ২২টি পুরস্কার পান। তাঁর জীবনের প্রথম পুরস্কারটি ছিল ১৯৬৯ সালে অস্ট্রিয়ার তরুণদের সাংস্কৃতিক সপ্তাহে পাওয়া। ১৯৮৬ সালে জার্মান ভাষা সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য তিনি হাইনরিশ বোল পুরস্কার পান। ১৯৯৮ সালে তার সমগ্র সাহিত্যকর্মের জন্য সম্মানজনক গিওর্গ বুখনার পুরস্কার পান এবং ২০০৪ সালে জয় করে নেন নোবেল পুরস্কার।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cab5a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিবি থেকে বেগম : বাঙালি মুসলমান নারীর ক্রমবিবর্তনের ইতিহাস',\n", " 'seo_url': 'বিবি-থেকে-বেগম--বাঙালি-মুসলমান-নারীর-ক্রমবিবর্তনের-ইতিহাস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বিবি থেকে বেগম-এ বিধৃত হয়েছে বিশ শতকের বাঙালি মুসলমান নারীর ক্রমবিবর্তনের ইতহাস। বাঙালি মুসলামমান নারী দশকের পর দশক ধরে উচ্চ থেকে উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেছে। উচ্চ থেকে উচ্চতর পদেও আসীন হয়েছে, কিন্তু ভেতরে তার চেতনা অজাগ্রত, ভেতরে সে শোচনীয় রকম বিকলাঙ্গ। তার চেতনা অজাগ্রত ও অবিকশিত এ কারণে নয় যে সে অপরাগ; এ কারণে যে সে সুবিধাবাদী ও পরজীবী স্বভাবসম্পন্ন। তাই নারীর পক্ষে এখনো হয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি স্বাধীন স্বায়ত্তশাসিত মানুষ। অথচ এ বঙ্গে রটনা এমন যে এখানে আবির্ভূত হয়েছিলেন মহানারীগণ এবং তাদের মহান পৃষ্ঠপোষকেরা এবং মহাসমারোহে ওই মহা ভাবমূর্তিসকল পূজিত হয় এখানে। আকিমুন রহমান তন্ন তন্ন বিশ্লেষণ করে দেখান ওইসব ভাবমূর্তি সামান্যতা, দেখান নারী প্রতিভাদের মৌলিকতাহীনতা। তার বিশ্লেষণ স্পষ্ট করে তোলেযে নারী প্রতিভারাও অন্য সাধারণ নারীর মতোই পুরুষের দেয়া ছক অনুসারেই বিকশিত হয়েছে। এই নির্মোহ মূল্যায়ন ক্ষিপ্ত করে তোলে এই সমাজের অন্ধ ভাবমূর্তি পূজারীদের। ৫৬ জন প্রগতিপন্থী বুদ্ধিজীবীরা সম্মিলিত বিবৃতি লেখাটির প্রকাশ বন্ধ করে দিতে সমর্থ হয় পাক্ষিক শৈলী পত্রিকায়।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cab5e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': '১৫ই আগস্টের সামরিক অভ্যূত্থান মুজিব হত্যা ও ধারাবাহিকতা (একটি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী বিশ্লেষণ)',\n", " 'seo_url': '১৫ই-আগস্টের-সামরিক-অভ্যূত্থান-মুজিব-হত্যা-ও-ধারাবাহিকতা-একটি-সম্পূর্ণ-ভিন্নধর্মী-বিশ্লেষণ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ১৫ই আগস্ট ১৯৭৫-এর সামরিক অভ্যুত্থান, শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ড ও তৎকালীন বেসামরিক সরকার উৎখাত থেকে শুরু করে পরবর্তী দীর্ঘ বছরগুলোতে এবং করে পরবর্তী দীর্ঘ বছর গুলোতে এবং আজও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি যে অনিশ্চিত যাত্রার প্রক্রিয়ায় রয়েছে, সেটারই সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী অন্তগূঢ় বিশ্লেষণ ড. হাসান উজ্জামানের বর্তমান গ্রন্থটি। প্রচলিত ও গতানুগতিক বিভিন্ন ব্যাখার অন্তঃসারশূন্যথা স্পষ্ট করে অপ্রিয় সত্যগুলোকে এবং বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসকে বিবেকী দায় ও সামাজিক অঙ্গীকারের তাগিদে গভীর অনুসন্ধিৎসায় ও কঠোর শ্রমে সর্বাধুনিক তত্ত্বে ও এ যাবৎ অজানা তথ্যে সমৃদ্ধ করে সূতীক্ষ্ণ সমালোচনা ও নির্মোহ দৃষ্টি থেকে, অংশ ও সমগ্রের দ্বিমুখী ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ সহযোগে তুলে ধরেছেন লেখক। ১৫ই আগস্টের ঘটনাবলী ও পরবর্তী দেড় দশকেরও অধিককালের দৈশিক জীবন প্রবাহ ও ইতিহাসের প্রক্রিয়া অর্থে ও তাৎপর্যে পুরোপুরি নতুন এক মাত্রা পেয়েছে এভাবে। সামরিক অভ্যুত্থান, মজিব হত্যা, বেসামরিক সরকার উৎখাত, সমরাস্ত্র ও সামরিক কর্তাদের দায়-দায়িত্ব, সামরিক শাসন, জিয়া ও এরশাদ শাসনের স্বেচ্ছাচার এবং নজিরবিহীন সামরিকীকরণ ইত্যাদি প্রপঞ্চের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে বর্তমান গবেষণা গ্রন্থের সামগ্রিক ক্যানভাস। এই ব্যাক্তিক্রমধর্শী গবেষাণা গ্রন্থের মাধ্যমেই পাঠক সমাজ কুশ্রী স্বার্থ, মেরুদণ্ডহীনতা, মিথ্যাচার ও বিকৃতিকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে প্রকৃত ইতিহাসের সন্ধান পাবেন, পরিবেশ-পরিস্থিতি, সংঘটিত ঘটনাবলী ও পরবর্তী প্রক্রিয়ার অর্থ ও তাৎপর্য অনুভব করবেন। সূচিপত্র উপক্রমণিকা : লেখকের কথা ১৫ আগস্ট : সামরিক অভ্যুত্থান ও সামরিক আইনের স্মারক ১৫ আগস্ট ও গণতন্ত্র প্রসঙ্গ ১৫ আগস্টের সামরিক অভ্যুত্থান : সমরযন্ত্র এবং তৎকালীন সমর কর্তাদের দায়-দায়িত্ব ১৫ আগস্টের সামরিক আইনের ধারাবাহিকতা ১৫ আগস্ট ও জেনারেল শফিউল্লাহর বক্তব্য : নিরপেক্ষতা ও সঠিক বিশ্লষণ - এর স্বরূপ জেনারেল জিয়ার জানা না-জানা এবং জেনারেল শফিউল্লাহর ছলাকলা জেনারেল শফিউল্লাহর ‘সময়’ - এর মার প্যাচ কালক্ষেপণ এবং নিজ সৃষ্ট ফাঁস জেনারেল শফিউল্লাহর প্রতিরোধের ফানুস এবং দায়-দায়িত্ব স্বীকার-অস্বীকারের ডিগবাজি অভ্যুত্থান পরবর্তীকালে জেনারেল সফিউল্লাহর গৃহীত অবস্থান ও ভূমিকা জেনারেল শফিউল্লাহ যেসব বিষয় চেপে গেছেন মেজর রফিক পিএসসি’র বক্তব্য ও উপদেশ প্রসঙ্গে'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cab76',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (১৯৯৯) (সিরিজ-৩)',\n", " 'seo_url': 'হ্যারি-পটার-অ্যান্ড-দ্য-প্রিজনার-অব-আজকাবান-১৯৯৯-সিরিজ-৩',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ গ্রীষ্মের ছুটির পর স্কুলে ফিরে যাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে দিন গুনছে হ্যারি। (ভয়ংকর সেই ডার্সলেদের সঙ্গে যাকে থাকতে হয় সে অধীর হবেই বা না কেন?) ঘনিষ্ঠ বন্ধু রন এবং হারমিওনকে নিয়ে হোগার্টস-এ তৃতীয় বছর শুরু করতে যাচ্ছে হ্যারি পটার। কিন্তু ও যখন পৌঁছাল হোগার্টস-এ, তখন সেখানে টান টান উত্তেজনা। একাধিক মানুষকে হত্যা করে পলাতম এক খুনী তখন ঘুরে বেড়াচ্ছে মুক্তভাবে, আজকাবানের ভয়ানক অশুভ সব করারক্ষীদের ডাকা হয়েছে স্কুল পাহারা দেয়ার জন্য..... সূচিপত্র *একটি অস্বাভাবিক জন্মদিন *আন্ট মার্জ-এর বিরাট ভুল *দ্য নাইট বাস *দ্য লিকি কলড্রন *দ্য ডিমেন্টার *ট্যালন এবং চা পাতা *ওয়ার্ড রোবে বোগার্ট *উধাও স্থুলকায়া *নির্মম পরাজয় *মরেডার্স ম্যাপ *দ্য ফায়ারবোল্ট *দ্য পেট্রনাস *গ্রিফিল্ডর বনাম র\\u200c্যাভেনক্ল *স্নেইপ-এর ক্ষোভ *কুইডিচ ফাইনাল *প্রফেসর ট্রিলনির ভবিষ্যদ্বাণী *বিড়াল, ইঁদুর এবং কুকুর *মুনি, ওয়ার্মটেইল, প্যাডফুড এবং প্রংস *লর্ড ভল্ডেমর্টের চাকর *হারমিওন-এর সিক্রেট *আবার পেঁচার ডাক'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cab8c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলসফারস স্টোন (১৯৯৭) (সিরিজ -১)',\n", " 'seo_url': 'হ্যারি-পটার-অ্যান্ড-দ্য-ফিলসফারস-স্টোন-১৯৯৭-সিরিজ--১',\n", " 'description': \"ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন (ইংরেজিতে Harry Potter and the Philosopher's Stone) ব্রিটিশ লেখিকা জে. কে. রাউলিং রচিত হ্যারি পটার নামক কাল্পনিক উপন্যাস সিরিজের প্রথম উপন্যাস। এখানে হ্যারি পটার নামে একজন জাদুকরের কথা বলা হয়েছে, যে এগার বছর বয়সে সর্বপ্রথম আবিষ্কার করে যে সে একজন জাদুকর এবং হগওয়ার্টস নামের একটি জাদুবিদ্যা শিক্ষার স্কুলে ভর্তি হয়। হগওয়ার্টসে সে রন উইজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জার এর সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং তাদের সহযোগিতায় কালো জাদুকর লর্ড ভলডেমর্টকে পরাজিত করে এবং পরশপাথরটিকে উদ্ধার করে। ভলডেমর্টই হ্যারির এক বছর বয়সে তার বাবা মাকে হত্যা করেছিল এবং তাকেও হত্যার চেষ্টা করেছিল। কাহিনী সংক্ষেপ: হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন বইয়ের কাহিনী শুরু হয়, ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ কালো জাদুকর লর্ড ভলডেমর্ট এর পতনের মাধ্যমে। যে এক বছর বয়স্ক হ্যারির বাবা মাকে হত্যা করে এবং হ্যারিকে হত্যা করার চেষ্টার সময় রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। এর ফলে অনাথ হ্যারির জায়গা হয় তার খালা ও খালু পেতুনিয়া ও ভার্নন ডার্সলির পরিবারে। এগার বছর বয়সে হ্যারি হগওয়ার্টস স্কুল থেকে একটি চিঠি পায় এবং জানতে পারে যে সে একজন জাদুকর। অর্ধ দানব এবং হগওয়ার্টসের চাবি ও ভূমির রক্ষক রুবিয়াস হ্যাগ্রিড এর সহযোগিতায় হ্যারি স্কুলের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু সংগ্রহ করে এবং হগওয়ার্টসে পৌঁছায়। হগওয়ার্টসে হ্যারি গ্রিফিন্ডর হাউজের ছাত্র হিসেবে নির্বাচিত হয় এবং বুঝতে পারে যে, সে জাদুকরদের জগতে অত্যন্ত বিখ্যাত। সে রন উইজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জার এর সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। তবে স্লিদারিন হাউজের ছাত্র ড্রেকো ম্যালফয় এর সাথে তার শত্রুতা গড়ে উঠে। সকল শিক্ষক হ্যারিকে পছন্দ করলেও একমাত্র পোশন বিষয়ের শিক্ষক সেভেরাস স্নেইপ হ্যারিকে অপছন্দ করত। এসময় ধীরে ধীরে হ্যারি তার বাবা মায়ের অতীত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে থাকে। প্রথমবর্ষের ছাত্রছাত্রীদের কুইডিচ খেলা নিষিদ্ধ হলেও হ্যারি তার স্বীয় দক্ষতার গুণে গ্রিফিন্ডর হাউজের কুইডিচ টিমে সিকার হিসেবে খেলার সুযোগ পায়। এসময় হ্যারি জানতে পারে, কোন একজন গ্রিংগটস ব্যাঙ্কের পূর্বেই খালি করা একটি ভল্ট ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। এ রহস্য আরো ঘনীভূত হয় যখন তারা ফ্লাফি নামের তিন মাথাওয়ালা একটি কুকুরকে আবিষ্কার করে যেটি চতুর্থ তালার নিষিদ্ধ করিডোর পাহারা দিচ্ছে। হ্যালোইনের সময় একটি ট্রল স্কুলে ঢুকে পড়ে এবং ঘটনাক্রমে হারমায়োনিকে আক্রমণ করে। হ্যারি ও রন এ সময় তাকে উদ্ধার করে, কিন্তু প্রফেসর ম্যাকগোনাগলের কাছে ধরা পড়ে যায়। তবে হারমায়োনি সব দোষ নিজের বলে স্বীকার করে নেয়। এরপর থেকে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব আরো গভীর হয়। স্লিদারিনদের বিপক্ষে হ্যারির প্রথম কুইডিচ ম্যাচে, হ্যারি তার ঝাড়ুর উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। হারমায়োনি লক্ষ্য করে যে, স্নেইপ বিড়বিড় করে কিছু বলছে। সে স্নেইপের আলখাল্লায় আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সুযোগে হ্যারি স্নিচটি ধরে ফেললে গ্রিফিন্ডর হাউজ জয়ী হয়। ক্রিসমাস বা বড়দিনের সময় একজন অজানা ব্যক্তি হ্যারিকে তার বাবার অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটি পায়। এ সময় সে একটি পরিত্যক্ত রুমে এরিসেডের আয়না দেখতে পায়, যার মধ্যে মানুষের অন্তরের সবচেয়ে গভীর ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়। হ্যারি তার মৃত বাবা মাকে এই আয়নায় দেখতে পায়। এদিকে, হ্যারি, রন ও হারমায়োনি নিকোলাস ফ্লামেল সম্পর্কে জানতে পারে। যিনি ফিলোসফার্স স্টোন বা পরশপাথরের স্রষ্টা। পরশপাথর হল এমন একটি পাথর যা যেকোন ধাতুকে সোনায় পরিণত করে এবং যা ব্যবহার করে এলিক্সির অফ লাইফ তৈরি করা যায়। তারা আরো জানতে পারে যে, এই পাথরটি হগওয়ার্টসে লুকানো আছে এবং ফ্লাফি এটিকে পাহারা দিচ্ছে। ভলডেমর্ট পুনরায় শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার জন্য পাথরটি চুরি করার চেষ্টা করছে। হ্যারি তাৎক্ষণিকভাবে সন্দেহ করে যে, স্নেইপ ভলডেমর্টের জন্য পাথরটি চুরি করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এসময় হ্যারি ডিটেনশনের জন্য নিষিদ্ধ বনে যায় এবং দেখতে পায় যে, একটি কালো ছায়া একটি আহত ইউনিকর্নের রক্তপান করছে। ফিরেঞ্জ নামের একজন সেনট্যার জানায় যে, এই কালো ছায়াটি হচ্ছে ভলডেমর্ট। ভলডেমর্ট নিষিদ্ধ বনে ইউনিকর্নদের হত্যা করছে এবং এদের রক্ত পান করছে। কারণ ইউনিকর্নের রক্ত মানুষকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করলেও তাকে সারাজীবনের জন্য অভিশপ্ত করে দেয়। ইউনিকর্নকে হত্যা করা একটি মারাত্মক অপরাধ। এ সময় হ্যাগ্রিড একটি ড্রাগনের ডিমের বিনিময়ে অসাবধানতাবশত একজন অপরিচিত আগন্তুকের নিকট পরশপাথরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেদ করার উপায় ফাঁস করে দেয়। হ্যারি সন্দেহ করে, আগন্তুকটি ছিল স্নেইপ এবং সে অচিরেই পাথরটি চুরি করবে। তাই হ্যারি পরশপাথরটি উদ্ধার করার সিদ্ধান্ত নেয়। সে, রন ও হারমায়োনি ফ্লাফিকে কৌশল অবলম্বন করার মাধ্যমে পরাস্ত করে, এরপর তারা একের পর এক বাঁধা পার হতে থাকে। হ্যারি যখন শেষ চেম্বারে পৌঁছায় তখন সে একা হয়ে পড়ে এবং স্নেইপকে নয়, বরং প্রফেসর কুইরেলকে দেখতে পায়। কুইরেল জানায় যে, হ্যালোইনের সময় ট্রলটিকে সেই ছেড়ে দিয়েছিল। কুইডিচ ম্যাচে স্নেইপ নয়, কুইরেলই হ্যারিকে হত্যার চেষ্টা করেছিল। বরং স্নেইপ হ্যারিকে রক্ষার চেষ্টা করেছিল। সে এরিসেডের আয়নাটি ব্যবহারের মাধ্যমে পরশপাথরটি হস্তগত করার চেষ্টা করে, কিন্তু ব্যর্থ হয়। এরপর কুইরেল হ্যারিকে আয়নাটির সামনে দাঁড়াতে বাধ্য করে, এ সময় ব্যাখ্যাতীতভাবে পাথরটি হ্যারির পকেটে চলে আসে। তারপর কুইরেল তার পাগড়িটি খুলে ফেললে, তার মাথার পিছনের দিকে ভলডেমর্টের মুখটি দেখা যায়। ভলডেমর্ট/কুইরেল হ্যারির কাছ থেকে পাথরটি নেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু হ্যারিকে স্পর্শ করা মাত্রি কুইরেলের হাত পুড়ে যায়। সেই মুহূর্তে অ্যালবাস ডাম্বলডোর হ্যারিকে রক্ষা করতে আসেন; ভল্ডেমর্ট পালিয়ে যায় এবং কুইরেল মারা যায়। হ্যারি সুস্থ হয়ে উঠলে, ডাম্বলডোর হ্যারিকে জানায় যে, হ্যারির মা লিলি হ্যারির জীবন রক্ষা করার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিল। হ্যারির জন্য তার মায়ের এই ভালবাসা ও আত্মদানের শক্তিই হ্যারিকে ভলডেমর্টের হাত থেকে সুরক্ষিত করে রেখেছে। ডাম্বলডোর আরো জানান, পরশপাথরটি ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে, যাতে ভলডেমর্ট পাথরটি চুরি করতে না পারে। তিনি বলেন, যারা পাথরটি খুঁজে পেতে চায় কিন্তু এটি ব্যবহার করতে চায়না, কেবলমাত্র তারাই পাথরটি খুঁজে পেতে সক্ষম, এই কারণেই হ্যারি পাথরটি পেয়েছিল। বছর শেষ হওয়ার অনুষ্ঠানে, হ্যারি, রন, হারমায়োনি ও নেভিলের প্রাপ্ত পয়েন্টের ভিত্তিতে গ্রিফিন্ডর হাউজ হাউজকাপ লাভ করে।\"},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac04',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পাই, ই ও অন্যান্য মজার সংখ্যা',\n", " 'seo_url': 'পাই-ই-ও-অন্যান্য-মজার-সংখ্যা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *অসীম রাশি ও অসীম ধারা *পাই সিরিজ *ই সিরিজ আরও কিছু মজার সিরিজ *এক নজরে আরও কিছু সিরিজ *সহজ প্রমাণ *প্রমাণগুলো ততটা সহজ নয় *প্রমাণগুলো মোটেও সহজ নয় *প্রাথমিক ত্রিকোণমিতি *প্রাথমিক সিরিজ *প্রাথমিক ক্যালকুলাস'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac30',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুসলিম স্থাপত্য ও শিল্পকলা',\n", " 'seo_url': 'মুসলিম-স্থাপত্য-ও-শিল্পকলা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র প্রথম খণ্ড-স্থাপত্য * ইতিহাস অধ্যায়নের উৎস, স্থাপত্যের সংজ্ঞা এবং মুসলিম স্থাপত্যের সূচনা * মসজিদের অর্থ, বৈশিষ্ট্যাবলি, স্থাপত্যগত প্রতীক চিহ্নসমূহ এবং সেগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা * প্রাক-উমাইয়া স্থাপত্য * উমাইয়া স্থাপত্য * আব্বাসীয় স্থাপত্য * পরবর্তী মসজিদ স্থাপত্যের ধারা ও রীতির সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা * উমাইয়া ও আব্বাসীয় যুগ : লৌকিক স্থাপত্য * ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামি স্থাপত্যের ধারা * বাংলার মুসলিম স্থাপত্য দ্বিতীয় খণ্ড-চিত্রকলা * মুসলিম চিত্রকলার উদ্ভব ও বিকাশ * মুসলিম চিত্রকলার বিকাশের বিভিন্ন চিত্র অনুশীলন কেন্দ্র তৃতীয় খণ্ড-লিপিকলা * লিপিকলার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ * বিভিন্ন লিখন পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যবলি, গুণগতমান এবং লিপি শিল্পীদের অবস্থান ও সামাজিক মর্যাদা চতুর্থ খণ্ড-অপ্রধান শিল্প * গ্রন্থবাঁধাই * কাষ্ঠখোদাই * মৃৎপাত্র * বয়নশিল্প * পরিশিষ্ট : প্রত্নসম্পদে ঐশ্বর্যমণ্ডিত বাংলাদেশ'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac74',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হারানোবিজ্ঞপ্তি : সাউন্ডইফেক্ট : বাঙালিসমগ্র : জবানপির : কচুখাইন এবং সোনাদিয়াগুচ্ছ',\n", " 'seo_url': 'হারানোবিজ্ঞপ্তি--সাউন্ডইফেক্ট--বাঙালিসমগ্র--জবানপির--কচুখাইন-এবং-সোনাদিয়াগুচ্ছ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * হারানো বিজ্ঞপ্তি এক * হারানো বিজ্ঞপ্তি দুই * সাউন্ড ইফেক্ট * বাঙালি সমগ্র এক * বাঙালি সমগ্র দুই * জবানপির * কচুখাইন * সোনাদিয়া এক * সোনাদিয়া দুই * সোনাদিয়া তিন * সোনদিয়া চার * সোনাদিয়া পাঁচ'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac7a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে',\n", " 'seo_url': 'লক্ষ-প্রাণের-বিনিময়ে',\n", " 'description': '`লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’ ১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শ্বাসরুদ্ধের ঘটনার বর্ণনায় সমৃদ্ধ এক ঐতিহাসিক দলিল। গ্রন্থে একদিকে যেমন মুক্তিযুদ্ধের অনিশ্চিত, দুঃস্বপ্নের ন’মাসের রক্তাক্ত যুদ্ধসমূহের বিবরণ স্থান পেয়েছে, অন্যদিকে বর্ণিত হয়েছে বাঙালি হত্যায় উম্মত্ত পাকিস্তানি সৈন্যদের নৃশংসতার বিবরণ : কীভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করেছে, এক কোটি বাঙালিকে দেশে ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। গ্রন্থকার নিজে এ যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী। ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার হিসাবে দীর্ঘ ন’মাস রক্তক্ষায়ী মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি একদিকে যেমন যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি প্রত্যক্ষ করেছেন প্রতি মুহূর্তে; তেমনি গভীরভাবে অনুভব করেছেন এ যুদ্ধের নৃশংসতা, ভয়াবহতা, সাধারণ মানুষের বেদনার্ত আহাজারি। তারই প্রতিফলন ঘটেছে এ গ্রন্থে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac7e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমি বিজয় দেখেছি',\n", " 'seo_url': 'আমি-বিজয়-দেখেছি',\n", " 'description': \"বেপরােয়া ও অপ্রতিরােধ্য, দুঃসাহসী অথচ সংযত ও সহিষ্ণু ৬৩ বছর বর্ষীয় 'চির যুবা এম আর আখতার মুকুল-সেই যে ছােটবেলায় বাঙালি ঘরাণার রেয়াজ মাফিক দু'দু'বার বাড়ি থেকে পলায়ন-পর্ব দিয়ে শুরু করেছিলেন জীবনের প্রথম পাঠ-তারপর থেকে আজ অবধি বহু দুস্তর ও বন্ধুর চড়াই-উৎ্রাই, বহু উত্থান-পতন ও প্রতিকূলতার ভেতর দিয়ে যেতে হলেও আর কখনও তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি; রণে ভঙ্গ দিয়ে পিছ পা হননি কোনও পরিস্থিতিতেই। যা আছে কপালে, এমন একটা জেদ নিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছেন অকুতােভয়ে। যার ফলে শেষ পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই তার বিজয়ী মুকুটে যুক্ত হয়েছে একের পর এক রঙ্গিন পালক।\"},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac80',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'স্বাধীনতা’৭১',\n", " 'seo_url': 'স্বাধীনতা’৭১',\n", " 'description': 'একান্ন : নব অধ্যায়ের সূচনা'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac82',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চরমপত্র\\xa0(হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'চরমপত্র',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বেপরোয়া ও অপ্রতিরোধ্য, দুঃসাহসী অথচ সংযত ও সহিষ্ণু ৬৩ বছর বর্ষীয় ‘চির যুবা’ এম আর আখতার মুকুল-সসেই যে ছোটবেলায় বাঙালি ঘরাণার রেয়াজ মাফিক দু’দুবার বাড়ি থেকে পরায়ন-পূর্ব দিয়ে শুরু করেছিলেন জীবনের প্রথম পাঠ-তারপর থেকে আজ অবধি বহু দুস্তর ও বন্ধুর চড়া-উৎরাই, বহু উত্থান-পতন ও প্রতিকূলতার ভেতর দিয়ে যেতে হলেও আর কখনও তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি; রণে ভঙ্গ দিয়ে পিছ পা হননি কোনও পরিস্থিতিতেই। যা আছে কপালে, এখন একটা জেদ নিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছেন অকুতোভয়ে। যার ফলে শেষ পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই তার বিজয়ী মুকুটে যুক্ত হয়েছে একর পর এক রঙ্গিন পালক। জীবিকার তাগিদে কখনও তাকে এজি অফিসে, সিভিল সাপ্লাই একাউন্টস, দুর্নীতি দমন বিভাগ, বীমা কোম্পানিতে চাকুরি করতে হয়েছে। কখনওআবার সেজেছেন অভিনেতা, হয়েছেন গৃহশিক্ষক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার, বিজ্ঞাপন সংস্থার ব্যবস্তাপনা পরিচালক, সুদূর লন্ডনে গর্মেন্টস ফ্যাক্টরিরর কাটার। প্রতিটি ভূমিকাতেই অনন্য সাফল্যের স্বাক্ষর। কখনও হাত দিয়েছেন ছাপাখান, আটা, চাল কেরোসিন, সিগারেট, পুরানো গাড়ি বাস-ট্রাকের ব্যবসায়। করেছেন ছাত্র রাজনীতি। ১৯৪৮-৪৯ সালে জেল খেটেছেন। জেল থেকেই স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। অংশগ্রহণ করেছেন ভাষা আন্দোলনে, হাসিমুখে বরণ করেছেন বিদেশের মাটিতে সাড়ে তিন বছরের নির্ভাসিত জীবন; যখনই যা-কিছু করেছেন, সেটাকেই স্বকীয় মহিমায় সমুজ্জ্বল করে তুলেছেন। সাংবাদিকতা পেশায় নিযোজিত ছিলেন প্রায় দুই যুগের মতো। কাজ করেছেন বেশ কিছু দেশী-বিদেশী পত্র-পত্রিকা ও বার্তা সংস্থায়- বিভিন্ন পদ ও মর্যাদায়। বেশিরভাগ সময় কেটেছে দুধর্ষ রিপোর্টার হিসেবে। সফরসঙ্গী হয়েছেন মেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানী, ইস্কান্দার মীর্জা, আইয়ুব খান, বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দিন ভুট্টোর মতো বড় নেতাদের। সাংবাদিক হিসেবে ঘুরেছেন দুই গোলাধ্র্বের অসংখ্য দেশ। দেখেছেন বিচিত্র মানুষ, প্রথ্যক্ষদর্শী হয়েছেন বহু রুদ্ধশ্বাস চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রবাহের, সাক্সী ছিলেন বহু ঐতিহাসিক মুহূর্তের। বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ জীবন। বঙ্গবন্ধুর উষ্ণ সান্নিধ্য ও ভালবাসা তার জীবনের এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac84',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': '২ নম্বর সেক্টর এবং কে ফোর্স কমান্ডার : খালেদের কথা',\n", " 'seo_url': '২-নম্বর-সেক্টর-এবং-কে-ফোর্স-কমান্ডার--খালেদের-কথা',\n", " 'description': 'তখনো সেক্টর গঠিত হয়নি। ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে মেজর খালেদ মোশাররফ ত্রিপুরা রাজ্যের মতিনগরে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছেন। ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালি, ফরিদপুর থেকে হাজার হাজার মুক্তিপাগল ছাত্র-জনতা উপস্থিত বক্তৃতায় তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি তোমাদের দেশপ্রেম শেখাবো না। দেশপ্রেম এমনিতেই তোমাদের আছে, না হলে তোমরা এখানে আসতে না। আমার কাজ তোমাদের যুদ্ধ শেখানো। আর যেভাবে যুদ্ধ শেখানো উচিত তার সময় এবং সুযোগ এখানে নেই। তোমরা যুদ্ধ করেই যুদ্ধ শিখবে। যুদ্ধের মাঠই তোমাদের প্রশিক্ষণ একাডেমী’। ছেলেরা অনুপ্রবেশের আগে বাংলাদেশ থেকে আনা একমুঠো মাটি যোদ্ধাদের হাতে দিয়ে শপথ করাতেন। বলতেন, ‘তোমাদের হাতে একমুঠো বাংলাদেশের মাটি। এই একমুঠো মাটি যথেষ্ট নয়। আমাদের দরকার গোটা বাংলাদেশের মাটি’। খালেদ ছিলেন দেশপ্রেম উজ্জীবিত করার এক জাদুকর। সেই অনন্য জাদুকরকে নিয়ে এ বই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac88',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ময়ূরাক্ষী (হিমু সিরিজের প্রথম বই) (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'ময়ূরাক্ষী',\n", " 'description': '‘ময়ূরাক্ষী’ ফ্লাপে লেখা কথাঃ ময়ূরাক্ষী নদীকে একবারই আমি স্বপ্নে দেখি। নদীটা আমার মনের ভেতর পুরোপুরি গাঁথা হয়ে যায়। অবাক হয়ে লক্ষ করি কোথাও বসে একটু চেষ্টা করলেই নদীটা আমি দেখতে পাই। তারজন্যে আমাকে কোনো কষ্ট করতে হয় না। চোখ বন্ধ করতে হয় না, কিছু না। একবার নদীটা বের করে আনতে পারলে সময় কাটানো কোনো সমস্যা নয়। ঘন্টার পর ঘন্টা আমি নদীর তীরে হাঁটি। নদীর হিম শীতল জলে পা ডুবিয়ে বসি। শরীর জুড়িয়ে যায়। ঘূঘুর ডাকে চোখ ভিজে ওঠে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac8a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রিয়তম নবী (সাঃ)',\n", " 'seo_url': 'প্রিয়তম-নবী-সাঃ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মহান আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। হজরত মোহাম্মদ (সাঃ) তাঁর প্রেরিত রাসুল। তিনি সৃষ্টির আদি উৎস।তাঁকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ সৃষ্টি করতে না কোন কিছুই। তিনি শেষ নবী-তিনি শ্রেষ্ট নবী। বিশ্বসষ্টির পর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত প্রিয়তম নবী হযরত মোহাম্মদকে (সাঃ) আল্লাহ প্রেরণ করেছেন বিশ্বের মানবমণ্ডলীর জন্য আদর্শ নমুনারূপে। আল্লাহ প্রিয়তম নবীকে(সাঃ) প্রেরণ করেছেন সাক্ষ্যদাতারূপে, সুসংবাদদাতারূপে সতর্ককারীরূপে। প্রিয়তম নবী (সাঃ) মানব জাতির জন্য আশীর্বাদ। তিন সৎপথের দিশারী। সত্যপথে চলার তিনি মহান পথপ্রদর্শক। তনি রাহমাতুল্লিল আলামীন। আল্লাহর একত্ববাদ বিশ্বাস, আল্লাহর অনুগত্য, তাঁর আদেশ ও নিষেধ পালন, জীবনের সকল ক্ষেত্রে প্রিয়তম নবীর(সাঃ) অনুসরণ ও তাঁর সুন্নাহর প্রতি আনুগত্য মানবজীবনের পরিপূর্ণ পরিশুদ্ধির উপকরণ এবং দুনিয়া ও আখেরাতের সকল সফলতার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন। এজন্যে প্রিয়তম নবীর (সাঃ) সঠিক জীবনী সকলের জানা প্রয়োজন। প্রিয়তম নবী (সাঃ) গ্রন্থটি সকল শ্রেণীর পাঠক বিশেষত কিশোর পাঠকের উপযোগী করে রচনা করা হয়েছে গল্পের আদলে। গল্পের আমেজ এই গ্রন্থের আকর্ষণ। সহজ ও সরল ভাষায় রচনার আন্তরিক প্রচেষ্টা এই গ্রন্থের বৈশিষ্ট্য। সূচিপত্র *মহান স্রষ্টা ও সৃষ্টি * ইসলাম পূর্ববর্তী পৃথিবী *ইসলাম নবীর আবির্ভাব * ঈদ -ই-মিলাদুন্নবী * শৈশবে প্রিয়তম নবী (সাঃ) * কৈশোর প্রিয়তম নবী (সাঃ) * প্রিয়তম নবীর (সাঃ) বিবাহ * দাম্পত্যজীবন * প্রিয়তম নবীর (সাঃ)পারিবারিক জীবন * প্রিয়তম নবীর (সাঃ) ব্যক্তিগত জীবন * নবুয়ত প্রাপ্তির পূর্বাবস্থা *প্রিয়তম নবী (সাঃ) মহান সমাজসংস্কারক *ইসলাম প্রচারে প্রিয়তম নবী (সাঃ) *ইসলাম প্রচারে নবী বিরোধিতা *প্রিয়তম নবীর (সাঃ) মক্কাজীবন *আবিসিনিয়ায় হিজরত *কুরাইশদের বয়কট *মক্কার বাইরে ইসলাম প্রচার *প্রিয়তম নবী (সাঃ) *আল মিরাজ *আকবার প্রথম বায়আত *আকবার দ্বিতীয় বায়আত *মদিনায় হিজরত *মদিনায় প্রিয়তম নবী (সাঃ) প্রেক্ষপট : মদিনার সনদ *মদিনা কল্যাণ রাষ্ট্র *কেবলা পরিবর্তন *বদরের যুদ্ধ *ঐতিহাসিক গুরুত্ব *বদর যুদ্ধের পরবর্তী ঘটনা *সাবীকের যুদ্ধ *ওহুদ যুদ্ধ *ওহুদ যুদ্ধের ফলাফল *ওহুদ যুদ্ধের পরবর্তী অবস্থা *খন্দকের যুদ্ধ *খন্দকের যুদ্ধের পরবর্তী অবস্থা *খন্দকের যুদ্ধের ফলাফল *হুদায়বিয়ার সন্ধি *হুদায়বিয়ার সন্ধির তাৎপর্য *হজ্বব্রত পালন *ইসলাম গ্রহণের আহবান *খায়বর যুদ্ধ *খায়বর যুদ্ধের পরবর্তী অবস্থা *মুতা অভিযান *মুতা যুদ্ধের পরবর্তী অবস্থা *প্রিয়তম নবীকে (সাঃ) হত্যার ষড়যন্ত্র * পটভূমি : মক্কা বিজয় *মক্কা বিজয় *হুনায়েনের যুদ্ধ *তারেফ অবরোধ *তাবুক অভিযান *নাজরানে ইসলাম *বিদায় হজ্ব : প্রস্তুতির পর্ব *হজ্বব্রত পালন *বিদায় হজ্বের ঐতিহাসিক ভাষণ *মিনা ও জমজম কুপের নিকট নবীজীর (সাঃ) উপদেশ দান *বিদায় হজ্বে প্রিয়তম নবীর (সাঃ)ঐতিহাসিক ভাষণের তাৎপর্য *সিরিয়অ অভিযান *প্রিয়তম নবীর (সাঃ) ইন্তেকাল *আল্লাহর নিকট প্রিয়তম নবীর (সাঃ)শ্রেষ্ঠ প্রার্থনা'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac8e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মাইক্রোওয়েভ ওভেনে রান্না',\n", " 'seo_url': 'মাইক্রোওয়েভ-ওভেনে-রান্না',\n", " 'description': '* সুজির হালুয়া'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac90',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিমু সমগ্র - ১ম খণ্ড (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'হিমু-সমগ্র---১ম-খণ্ড',\n", " 'description': '“হিমু সমগ্র” বইয়ের ভূমিকা হিমুকে নিয়ে কতগুলি বই লিখেছি নিজেও জানি না। মন মেজাজ খারাপ থাকলেই হিমু লিখতে বসি। মন ঠিক হয়ে যায়। বেশি লেখার ফল সব সময় শূভ হয় না। আমার ক্ষেত্রেও হয় নি। অনেক জায়গাতেই ল্যাজে গোবরে করে ফেলেছি। হিমুর পাঞ্জাবির পকেট থাকে না অথচ একটা বই-এ লিখেছি সে পকেট থেকে টাকা বের করল। হিমুর মাজেদা খালা এক বই-এ হয়ে গেলো মাজেদা ফুপু। তবে হিমু যে ঠিক আছে তাতেই আমি খুশি। হিমু ঠিক আছে, হিমুর জড়ৎ ঠিক আছে। তার বয়স বাড়ছে না। সে বদলাচ্ছে না। এই আনন্দ সংবাদ নিয়ে ভূমিকা শেষ করেছি। সব হিমুকে বন্দি করে যে প্রকাশক বিশাল হিমু সমগ্র বের করলেন তাঁকে (মনিরুল হক, অনন্যা। ধন্যবাদ। হুমায়ূন আহমেদ 13.11.2006 “হিমু সমগ্র” বইয়ের সূচিপত্র * ময়ূরাক্ষী * দরজার ওপাশে * হিমু * পারাপার * এবং হিমু ... * হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম * হিমুর দ্বিতীয় প্রহর * হিমুর রূপারী রাত্রি * একজন হিমু কয়েকটি ঝিঝিপোকা * তোমাদের এই নগরে * চলে যায় বসন্তের দিন * সে আসে ধীরে * আঙুল কাটা জগলু * হলুদ হিমু কালো র\\u200c্যাব'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac92',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মজাদার রান্না',\n", " 'seo_url': 'মজাদার-রান্না',\n", " 'description': '২৬. চা ও কফি-শীতে গরমে চাঙ্গা থাকতে মধুর চা ও কফি'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac94',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঝটপট আচার',\n", " 'seo_url': 'ঝটপট-আচার',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ টক টক্\\u200c----- ঝাল কিংবা টক্\\u200c ঝাল-মিষ্টি। আচার তৈরিতে প্রধান তিন উপাদান। জিভে জল এসে যায়। খাবারের আয়োজনে বাড়তি স্বাদের প্রয়োজন মেটাতে আচারের বিকল্প নেই। গৃহিণীদের রান্নাঘরে আম, জলপাই, বড়ুই, তেঁতুল, আমলকি কিংবা লেবুর আচার পাওয়া যাবে না এমনটি ভাবাই যায় না। ছোট বেলায় আমার দাদীমা যখন বগুড়া থেকে ঢাকায় আসতেন, সঙ্গে নিয়ে আসতেন হাতে তৈরি নানা রকম খাবার। কয়েক রকম আচারতো থাকতেই। আচারের বোতল নিয়ে সবাই মিলে সে কি কাড়াকাড়ি। আজও সে আচারের স্বাদ মুখে লেপে আছে। খাবারের আয়োজন নিয়ে কত রকম লেখালেখি হয়েছে, অথচ আচার তৈরি বিষয়ে একটিও বই লেখা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। সে উপলদ্ধি থেকে এ বইটি লেখা সুস্বাদু খাবার খেতে কে না ভালোবাসে। খাবারের সাথে একটুখান আচার মিশিয়ে নিলে তা হয়ে উঠে যথেষ্টই মুখরোচক। এ বইতে কয়েক রকম আচার বানানোর পদ্ধতি সম্পর্কে লেখা হয়েছে। এগুলো বানাতে সময়ও লাগবে খুব কম। আর তাই এ বইটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ঝটপট আচার।’ আমার লেখা অন্য ছয়টি রান্নার বইয়ের মতো আশা করি এ বইটিও আপনাদের পছন্দ হবে। সূচিপত্র *মিক্স আচার *আমলকীর মিষ্টি আচার *আমের ছিলকাসহ টক আচার *চালতার টকঝাল আচার *পিঁয়াজের আচার *টমেটোর আচার *বোম্বে মরিচের আচার *কদবেলের আচার *আলু বোখাবার আচার *আস্ত জলপাইয়ের আচার *শুকনা বড়ইয়ের ঝাল আচার *ওলের আচার *আস্ত কামরাঙ্গার ঝাল আচার *ফুলকপির আচার *এলাচ লেবুর ঝাল আচার *তেঁতুলের কালো জাম আচার *আস্ত লেবুর আচার *জলপাই কুঁচি ঝাল আচার *বেলূম্বার ঝাল মিষ্টি আচার *চালতার ঝাল মিষ্টি আচার *কাঁচা মরিচের আচার *খেজুরের মিষ্টি আাচর *কাঁচা আমের ঝুড়ি আচার *আমলকীর ঝাল আচার *কিসমিসের আচার *কাশ্মিরি আচার *এক কোয়া রসুনের আচার *কাঁচা কাঁঠালের আচার *টক-ঝাল-মিষ্টি বেগুনের আচার *চালতার মিষ্টি আচার *পাঁচমিশালী ঝাল আচার *আম রসুনের ঝাল আচার *টক তেঁতুলের আচার *জলপাইয়ের টুকরায় ঝাল মিষ্টি আচার *শুকনা বড়ুই ও তেঁতুলের টক ঝাল আচার *জলপাইয়ের ঝাল মিষ্টি আচার *মটরগুঁটির আচার *তেঁতুল ও বোম্বে মরিচের আচার *আম ও জলপাইয়ের ঝাল আচার *গাজর, জলপাই ও রসুনের আচার *সতকড়ার আচার *আম ছিলকাসহ টক আচার *সবজির ঝাল আচার *কাঁচা বড়ইয়ের আচার *টমেটোর মিষ্ট আচার *আমড়ার মিষ্টি আচার *আপেলের মিষ্টি আচার *তেঁতুলের মিষ্টি আচার *জলপাইয়ের টুকরা করা আচার'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac98',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অন্যভুবন (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'অন্যভুবন',\n", " 'description': '\"অন্যভুবন\" বইটি সম্পর্কে কিছু কথা: ন\\'বছরের একটি ছোট্ট মেয়ে, তিন্নি। সে গাছেদের কথা বুঝতে পারে। আবার মানুষের মনের কথাও বুঝতে পারে। জন্মের সময় তার মা তার বাবাকে বলেছিলো,\\'আমার পেটের ভেতর একটি গাছ জন্ম নিচ্ছে!\\' প্রশ্ন হলো, তিন্নি আসলে কি? মানুষ নাকি গাছ? নাকি দুটির সংমিশ্রণে কিছু একটা? উত্তর খুঁজতে হবে মিসির আলিকে। অসাধারণ একটি প্লট। হুমায়ূন আহমেদের বর্ণনায় যা হয়ে উঠেছে আরও দুর্দান্ত। কিছুটা সায়েন্স ফিকশন,কিছুটা রহস্য - সব মিলিয়ে খুবই উপভোগ্য।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac9a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাঘবন্দি মিসির আলি',\n", " 'seo_url': 'বাঘবন্দি-মিসির-আলি',\n", " 'description': 'যখন যা প্রয়ােজন তা হাতের কাছে পাওয়া গেলে কেমন হত— এ রকম চিন্তা ইদানীং মিসির আলি করা শুরু করেছেন। এবং তিনি খানিকটা দুঃশ্চিন্তায়ও পড়েছেন। মানুষ যখন শারীরিক এবং মানসিক ভাবে দুর্বল হয় তখনি এ ধরনের চিন্তা করে। তখনি শুধু মনে হয় সব কেন হাতের কাছে নেই। তিনি মানসিক এই অবস্থার নাম দিয়েছেন বেহেশত কমপ্লেক্স। এ ধরনের ব্যবস্থা ধর্মগ্রন্থের বেহেশতের বর্ণনায় আছে। যা ইচ্ছা করা হবে তাই হাতের মুঠোয় চলে আসবে। আঙুর খেতে ইচ্ছা করছে, আঙুরের থােকা ঝুলতে থাকবে নাকের কাছে। | মিসির আলি খাটে শুয়ে আছেন। পায়ের কাছের জানালাটা খােলা। ঠাণ্ডা বাতাস আসছে। গা শিরশির করছে। এবং তিনি ভাবছেন— কেউ যদি জানালাটা বন্ধ করে দিত। ঘরে কাজের একটা ছেলে আছে ইয়াসিন নাম। তাকে ডাকলেই সে এসে জানালা বন্ধ করে দেবে। ডাকতে ইচ্ছা করছে না। তার পায়ের কাছে ভঁজ করা একটা চাদর আছে। ভেড়ার ললামের পশমিনা চাদর। নেপাল থেকে কে যেন তাঁর জন্যে নিয়ে এসেছিল। ইচ্ছা করলেই তিনি চাদরটা গায়ে দিতে পারেন। সেই ইচ্ছাও করছে না। বরং ভাবছেন চাদরটা যদি আপনা আপনি গায়ের ওপর পড়তাে তাহলে মন্দ হত না । নেপাল থেকে চাদরটা কে এনেছিল? নাম বা পরিচয় কিছুই মনে আসছে না। উপহারটা তিনি ব্যবহার করছেন, কিন্তু উপহার দাতার কথা তার মনে নেই। এই ব্যর্থতা মানসিক ব্যর্থতা। রাত কত হয়েছে মিসির আলি জানেন না। এই ঘরে কোনাে ঘড়ি নেই। বসার ঘরে আছে। সময় জানতে হলে বসার ঘরে যেতে হবে, ঘড়ি দেখতে হবে। ইয়াসিনকে সময় দেখতে বললে লাভ হবে না। সে ঘড়ি দেখতে জানে। অনেক চেষ্টা করেও এই সামান্য ব্যাপারটা ইয়াসিনকে তিনি শেখাতে পারেন নি। কাজেই ধরে নেয়া যেতে পারে শিক্ষক হিসেবে তিনি ব্যর্থ। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে এই ব্যর্থতাটাও তিনি নিতে পারছেন না। এটাও মানসিক দুর্বলতার লক্ষণ। মানসিকভাবে দুর্বল মানুষ ব্যর্থতা নিতে পারে না।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cac9c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'স্বাস্থ্য সচেতন রান্না',\n", " 'seo_url': 'স্বাস্থ্য-সচেতন-রান্না',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আমরা খাদ্য গ্রহণ করি বেঁচে থাকার জন্য। সুস্থ্য থাকার জন্য। রন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্য সচেতন খাদ্য তৈরি করা প্রয়োজন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ডায়েট চার্ট তৈরি হয়ে থাকে। পুষ্টিবিজ্ঞানীরাও খাদ্য গুণাগুণ নিয়ে বিস্তর নিত্য নতুন গবেষণা করছেন। নানা অসুখ-বিসুখে নানা রকম খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। ডায়েট চার্ট মিলিয়ে রান্না হওয়া প্রয়োজন।দীর্ঘদিন ধরে রান্না চর্চার সঙ্গে জড়িত থাকার সুবাদে উপলদ্ধি করতে পেরেছি স্বাস্থ্য সচেতন রান্নার কতো প্রয়োজন। যারা শারীরিকভাবে অসুস্থ, যারা স্বাস্থ্যসচেতন, যারা নীরোগ ও সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চান খাদ্য গ্রহণ তাদের অবশ্যই সচেতন হতে হবে। দেশের বাইরে উন্নত দেশে ডায়েট ফুড নিয়ে চর্চা হচ্ছে। আমাদের দেশেও সাম্প্রতিককালে তেল কম রান্না, তেল ছাড়া রান্না, লো ক্যালরি ফুল, ডায়েড ফুড, বেশী পরিমাণ শাকসব্জী খাওয়া-এসব নিয়ে অনেক প্রচারণা চলছে। রন্ধবিদদের এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে। বয়স চল্লিশ পার হলেই নানা সচেতনতা দরকার। এমনকি শিশু-কিশোরদের অতিরিক্ত ক্যালরি খাওয়ানো উচিত নয়। ফাস্টফুড খাওয়ার ব্যাপারেও পরিমিত হতে হবে। বেঁচে থাকা আনন্দময় ও মধুময় করে তুলতে হলে স্বাস্থ্য সচেতন খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। আমাদের দেশে এই ধরনের রান্নার বইয়ের ব্যাপক অভাব। দীর্ঘদিন ধরে রান্নার চর্চা করতে গিয়ে এর অভাব অনুভব করছিলাম। ডায়েবেটিস রুগী, হার্টের রুগী বা অতিরিক্ত মেদবহুল ব্যক্তিদের জন্য এই ধরনের রান্না প্রয়োজন? এই অভিজ্ঞতা থেকেই স্বাস্থ্য সচেতন রান্নার গ্রন্থের উদ্ভব। বইটি খাদ্যবিজ্ঞানী ও পুষ্টিবিজ্ঞানীদের পরামর্শ নিয়েই রচিত। যে মা-বোনেরা পরম মমতা দিয়ে পরিবার পরিজনদের জন্য রান্না করে থাকেন তারা সবাই সুস্থ থাকবেন, নীরোগ থাকবেন এই প্রত্যাশা করি।বইটি যদি পাঠকদের সামান্য উপকারে আসে তবে আমার শ্রম সার্থক বলে মনে করব। ঘরে ঘরে রাঁধুনীরা সচেতন হয়ে উঠুন, স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন, দীর্ঘদিন জীবন ধারণ করুন-সকলের জন্য রইলো এই শুভ কামনা। কেকা ফেরদৌসী ফেব্রুয়ারি ২০১০ সূচীপত্র চিকেন ললিপপ পপকর্ন চিকেন মুরগির বিরিয়ানী ঝাল ফ্রাইড চিকেন চিকেন পাকোড়া সবজি দিয়ে মুরগির কোপ্তা শতকরা দিয়ে মাংস চিকেন কেক সাসলিক বারবিকিউ চিকেন তন্দুরি চিকেন চিতেন ঝাল ফ্রাই মুচমুচা চিকেন সালাদ রসুন ও লেবু দিয়ে চিকেন ঝাল বেক করা মুরগী চুই ঝাল দিয়ে মাংস লেবু ও গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে বেক করা মুরগি টকমিষ্টি মুরগির ডানা ভাজা শাক ও সবজি দিয়ে বেক করা চিকেন মুরগির আচার টেংড়ি কাবাব ফিস ফিংগার চিংড়ির বল দুই রং এর প্রন অন টোস্ট ফিস কেক চিংড়ি ও শশার সালাদ সিমের বীচি, টোনা সালাদ কোরাল মাছের তন্দুরি পাস্তার সালাদ জাম্বুরার সালাদ ফলের সালাদ তরমুজের সালাদ কাসুন্দি দিয়ে ভেজিটেবল সালাদ সরিষা দিয়ে সবজি সালাদ ফিটা পনির দিয়ে সালাদ ডিম ও আনারসের সালাদ পেঁপে ও বরবটির সালাদ বাধা কপির সালাদ রায়তা ছানার ডালনা ঝাল সেমাই বেগুনের ডিপ ঢেঁড়শের চচ্চড়ি ফুলকপির পরোটা জলপাই ও লাল শাকের টক সবজি ভর্তা দইয়ের পিঁয়াজু ব্রসকেটা ভেজিটেবলন কাটলেট সুজির কাটলেট টেম্পুরা টফুর চপ আনারস দিয়ে ফ্রাইড রাইস জিরা পানি পানুয়া ভেজিটেবল স্যূপ মাশরুম স্যূপ জেলো দিয়ে কাস্টার্ড'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caca2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দ্য ব্যাটেলস অব ইসলাম',\n", " 'seo_url': 'দ্য-ব্যাটেলস-অব-ইসলাম',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * বদরের যুদ্ধ * ওহুদের যুদ্ধ * খন্দকের যুদ্ধ * খয়বরের যুদ্ধ * মু’তার যুদ্ধ * মক্কা বিজয় * হুনায়েন এবং তায়েফের যুদ্ধ * তাবুকের যুদ্ধ * ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) শাসনামলের যুদ্ধ * ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) শাসনামলের যুদ্ধ * কারবালার যুদ্ধ বা ঘটনা * স্পেন বিজয়'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caca4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমি আজ সাজাবো তোমায় বৃষ্টির ফুলে ফুলে',\n", " 'seo_url': 'আমি-আজ-সাজাবো-তোমায়-বৃষ্টির-ফুলে-ফুলে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ঢাকার নামের ইট-ইমারতের এই মহানগরীর কোনো এক নিভৃত কোণে, রোদ্দুর এর আলোর ঝলমল তরুন ভালোবেসে ফেলেছিলেন মেঘবতী নামের এক বৃষ্টিকণাকে। তথ্যপ্রযুক্তি নামে আলাদীনের দৈত্যের ঘাড়ে চেপে নয়। ওরা একজন আরেকজনবকে কাছে পেতে চেয়েছিলো অনুভূতি নামের অদৃশ্য সংযোগ দিয়ে। আর ওদের এই অদৃশ্য কথামালাগুলোর নিতান্ত নীরব অনুলিপিকারক ছিলাম আমি। অঙুলি থেকে অন্তরে। অতপর বহুদিন তা জমা রাখ ছিলো আমার মস্তিষ্কের নিউরন হার্ডড্রাইভে। মেঘবতী এখন আকাশে উড়ে বেড়ায় । রোদ্দুর ব্যস্ত জীবন নামক আলো বিচ্ছুরণে। কিন্তু আমি কি পারি ওদের এই বলা না বলা কথাগুলোকে ছুড়ে দিতে কোনো আস্তাকুঁড়ে ? হয়তো চেয়েছিলাম একবার। কিন্তু কখনও কখনও জলটলমল রৌদ্র ওঠে আমার জানালায়। কখনও কখনও কাজলকালো মেঘে এসে জড়িয়ে ধরে সেই কান্না ভরা আলোকে। আর আমায় বারবার মনে করিয়ে দেয়। ওরা আসছে। এইতো আসছে। এই কর্মব্যস্ত কোলাহলমুখর মহানগরীর কোন নিভৃত নিকুঞ্জে। এই সাজাতে চাইছে বৃষ্টির ফুলে ফুলে। সূচিপত্র * অসমাপ্ত লেখালেখি * আ ভয়েস ফ্রম গুয়েন্তেনামা * মানুষ দেবতা * কেনা-কাটা * তোমাকে আসতেই হবে * ইচ্ছামৃত্যু * প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য * আধুনিক হিসাববিজ্ঞান তত্ত্ব * শুধু তোমার জন্য * দিনপঞ্জি * নীহারিকা * প্রাগৈতিহাসিক পৌরিাণিকতা * স্বভাব কবি * অভিধান * নি:সঙ্গতা মানে নিজেকে চেনা * স্বর্গদেবী, মানবী নও * মায়া-জোছনার গল্প * ভালোবাসা-বাসি * নেশা নেশা সারাবেলা * শয্যা সাজ * ভালোবাসা হত্যার বিচার চাই * স্বৈরতান্ত্রিক গণতন্ত্র * মনটা বাড়িয়ে দাও * সমুদ্রের মতো খিদে * অধরা সুধা * একটি গল্পের শুরু * অনুকাব্য * তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে * আলোর বৃষ্টি * আত্নপক্ষ সমর্থন * এখানে হারাতে মানা * পরাবাস্তবতা ভাইরাস * পরিচয় * উৎসর্গ * আপনি যে নম্বরে * আমি তুমি সে * ব্রহ্মা-বিষ্ণু-শিব * ওষুধ-পত্র * অঙ্গ বন্দনা * খেতাবহীন যোদ্ধা * নিসর্গ মানব * প্রলোভন * তুমি একটা আস্ত উপন্যাস * জানতাম! * নিষেধাজ্ঞা * প্রাকৃতিক বৈষম্যতা * প্রাপ্তি ও পূর্ণতা * অন্যরকম একদিন * রোদেলা বৃষ্টি * আত্নসমর্পন * একটি রেলস্টেশন ভ্রমণকাহিনী * না বিদায়ের আবেদন * উপহার বিনিময় * হাসি-কান্না * নিমগ্নতা * কম্পাস * চাহিদারা * সম্ভব-অসম্ভব * জরুরি ঘোষণা * বিমলানন্দ * গণতন্ত্র * সাধারণ নির্বাচন * আমন্ত্রণপত্র * মেঘবতী-রোদ্দুরের কথামালা * মেঘবতী-রোদ্দুরের কথামালা * আমি আজ সাজাবো তোমায়......'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caca6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বসন্ত কারাগারে বারোমাস',\n", " 'seo_url': 'বসন্ত-কারাগারে-বারোমাস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ হঠাৎ করে কোথাও যেন বাজ পড়ার শব্দ হলো। ব্যস! মুহূর্ত কয়েকের অপেক্ষা । বিদ্যুৎ চলে গেলো পুরো এলাকায়। বলা নেই, কওয়া নেই ,ঝুমবৃষ্টি। আমি দৌড় দেবো কিনা ভাবছি। দাদার দিকে ঘুরে তাকালাম। ও যেন কেমন করে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। আমি ইতস্তত বললাম, ভিজবি? ও সম্বিত ফিরে পেলো। ভিজতো গেলাম যে, নতুন করে আর কী ভিজবো! আমি ছোটবেলার মতো আবদার করলাম । চল্-না ,লেক পর্যন্ত ঘুরে আসি। দাদা মাথা নাড়লো । নাহ্, বাসায় চল্। মা চিন্তা করবে । দাদা হাঁটছে। পিছু পিছু আমি । সামান্য সময়ের বৃষ্টি। অথচ ভিজে জপজপে অবস্থা্ ছোটআপা আর মা বড় আপার মেডিকেল রিপোর্ট আনতে জাননি। কিন্তু দাদার অবস্থা দেখ মা একদম ঘাবড়ে গেলেন। রাতভর জায়নামাজে বসে দোয়াদরুদ পড়তে লাগলেন আনমনে। গত কিছুদিন ধরেই রাতে ঠিকমতো ঘমাতে পারে না ছোট আপা। হঠাৎ হঠাৎ জেগে ওঠে। ডাইনিং-এ এসে ঘামতে থাকে। জগ থেকে পানি ঢেরে ঢক্ ঢক্ করে মুখে ঢালে। আর সে বড় আপাকে জড়িয়ে ধরে মরার মতো পড়ে রইল সারারাত। মনে হয় যেন কাঁদতে ভুলে গেছে।ভোলে গেছে। ভোরের দিকটায় শুধু বড় আপাকে বলতে শুনলাম, সরতো তরু। আমাকে এভাবে হাত দিয়ে পেঁচিয়ে রাখবি না-তো।আমার কিচ্ছু হয়নি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caca8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রেমের উপন্যাস সমগ্র : বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল',\n", " 'seo_url': 'প্রেমের-উপন্যাস-সমগ্র--বাদল-দিনের-প্রথম-কদম-ফুল',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * নির্বাসন * তোমাকে * আমার আছে জল * নক্ষত্রের রাত * বাসর * নীল অপরাজিতা * আয়নাঘর * কৃষ্ণপক্ষ * পাখি আমার একলা পাখি * তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে * নবনী * তিথির নীল তোয়ালে'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacbc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ক্ষুদে গোয়েন্দা',\n", " 'seo_url': 'ক্ষুদে-গোয়েন্দা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কমলাপুর রেলস্টেশনে বসে আছি আমি।কোন ট্রেনে উঠব বুঝতে পারছি না। কিন্তু এটা ঠিক, আমি আর বাসায় ফিরে যাচ্ছি না। মা-বাবা বুঝুক আমি না থাকলে কেমন মজা। আমি এমনভাবে ঘোরাফেরা করছি কেউ যাতে আমাকে সন্দেহ না করে।বাসা থেকে রাগ করে চলে এসেছি, এটা কাউকে বলা যাবে না।এক ভদ্রলোক আমার পাশে এসে বসলেন।পত্রিকায় চোখ বোলাতে বোলাতে বললেন, ‘তা, কোথায় যাওয়া হবে?’ আমি বললাম, ‘কোথাও যাওয়া হবে না।’ভদ্রলোক বেশ মজা পেলেন যেন। বললেন, ‘তা এখানে আসা হয়েছে কেন?’ ‘ইচ্ছা হলো তাই।’ আমি বলি।তিনি আমার দিকে পত্রিকার একটি পৃষ্ঠা এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘বাংলা পত্রিকা পড়া হয় নিশ্চয়ই?’ পত্রিকা হাতে নেওয়ার পর একটি সংবাদে আমার চোখ আটকে যায়। ‘ল্যাবরেটরি স্কুলের ছাত্র অপহৃত। পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি।’ আম সংবাদটি গড় গড় করে পড়ে ফেলি।‘আরে, একে তো আমি চিনি। রাসেল।’ সংবাদটি পড়ার পরই আমার কেমন একটু ভয় ভয় করতে থাকে।লোকটির দিকে সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকাই। ‘তা আমরা তো কিছু খেতে পারি নাকি?’ এ কথা বলেই তিনি তাঁর ব্যাগ থেকে চিপস বের করেন।টেলিভিশনে দেখা আমার একটি সতর্কবাণীর কথা মনে পড়ে।‘রাস্তাঘাটে অপরিচিত কারও দেওয়া কিছু খাবেন না।’ তবে ক্ষুধা লেগেছে প্রচুর।হাতে একটা টাকাও নেই।কিন্তু আমি বাসায়ও ফিরে যাব না। সকাল নয়টায়া বাসা থেকে বের হয়েছি।এখন বাজে প্রায় ১২টা। মা নিশ্চয় কান্নাকাটি করেছেন। বাবা নিশ্চয় নানা জায়জায় খোঁজখবর নিচ্ছেন।হাসপাতাল-থানায়ও যেতে পারেন।লোকটির দিকে তাকিয়ে বয়স্কদের মতো বললাম, ‘তা কী করা হয়?’ লোকটি আমার কথা গুনে খুশি হলেন।আমার দিকে তাকিয়ে সামান্য হেসে বললেন, ‘কিছুই করা হয় না। ঘুরে বেড়াই। আজ এখানে তো কাল ওখানে।’ ‘আমিও তো লোকটির মতো হতে পারি।’ সূচিপত্র *ভূতের পক্ষে বিপক্ষে *প্রতীক যখন সুমন *যাদুর রিকশা *ক্ষুদে গোয়েন্দা *সাধ্য পাখি *দীপন ও অন্যরা *বটুল কাহিনী *সাফিনের কথা *রোদ্দুরের পিছনে পিছনে আনিস সাহেবের বাসা'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacc2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শান্তা পরিবার',\n", " 'seo_url': 'শান্তা-পরিবার',\n", " 'description': 'শান্তা মারা যাবে সেটা কেউ বুঝতে পারেনি । সুমনকে নিয়ে সে রিকশা করে আসছিল, মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে পিছন থেকে একটা বাস এসে রিকশাকে ধাক্কা দিল। সেই ধাক্কায় সুমন আর শান্তা প্রায় উড়ে গিয়ে রাস্তায় এসে পড়ল, শান্তা ব্যথা পেল মাথায় আর কোন একটা বিচিত্র কারণে সুমনের কিছুই হল না। চোখ থেকে শুধু তার চশমাটা খুলে ছিটকে পড়ল। সুমন তার চশমাটা চোখে পরে দেখে তার আম্মু রাস্তায় উপুড় হয়ে শুয়ে আছে, তাই দেখে ভয় পেয়ে সে কাঁদতে শুরু করল।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483caccc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'লিটু বৃত্তান্ত',\n", " 'seo_url': 'লিটু-বৃত্তান্ত',\n", " 'description': \"”লিটু বৃত্তান্ত” বইয়ের ফ্ল্যাপে লেখা কথাঃ ‘লিটু বৃত্তান্ত' লিটুর একার গল্প না, লিটু এবং আরো অনেকের গল্প। যেমন লিটুর স্কুলের বন্ধুরা- আধা পাগল রতন, ভাল ছাত্র সাদিব পরী মাধুরী, মারদাঙ্গা সুমন আর তানিয়া মাদার টেনিয়া আর আছেন লিটুর রিয়াজ মামা-একেবারে ফাটাফাটি ধরনের বিজ্ঞানী.... আর আছে ভয়ংকর বদি ডাকাত-হাওরে তার খপ্পরে পড়ে লিটুরা--- আর আছেন একজন মুক্তিযোদ্ধা- সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা! মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনান তিনি লিটুদের। সকলকে নিয়ে জমজমাট অ্যাডভেনচার, বন্ধুতা আর দেশকে ভালোবাসার এক আশ্চর্য কাহিনী..\"},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacce',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বোকা গোয়েন্দা (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'বোকা-গোয়েন্দা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ টুকনের মামার নাম মাসুদ। তিনি নিজেকে ভাবেন মাসুদ রানা। এই গোয়েন্দা মামা লোক খারাপ নন, কিন্তু তার মাথায় বুদ্ধশুদ্ধি তেমন নেই বললেই চলে। বেকারত্ব ঘোঁচাতে তিনি শুরু করেন গোয়েন্দাগিরি। জীবনের প্রথম অভিযানে তিন রওনা দেন কক্সবাজারের পথে।সঙ্গে চলল ভাগ্নে টুকন। মামা-ভাগ্নে যেখানে আপদ নেই সেখানে। কক্সবাজারে প্রথমেই মামার সঙ্গে দেখা হলো সায়মার। সায়মা আসেলে একজন মনোরোগিনী, যার রোগটা হলো সবাইকে সন্দেহ করা। সায়মা সবাইকে সন্দেহ করে অপরাধী বলে। তারই ভুল নির্দেশনায় উত্তেজিত হয়ে মামা অসুরণ করতে লাগলেন একেকজন নিরীহ মানুষ। ঘটতে লাগল একটার পর একটা হাসির কাণ্ড। কিন্তু এরই মধ্যে পাওয়া গেল ভয়স্কর এক চোরাকারবারীকে। কী হলো তারপর?'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacdc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নবীজীর সাহাবারা',\n", " 'seo_url': 'নবীজীর-সাহাবারা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *সা’দ ইবনে আমির আল জুমাহহি (রাঃ) *আবু ওবায়দা ইবনে আল জারাহ (রাঃ) *খাব্বাত ইবনে আল আরাত্ত (রাঃ) * আত তোফাইল ইবনে আমর সাদ দাউসী (রাঃ) * আবু জারে আল গিফারী (রাঃ) * উম্মে সালমা (রাঃ) * আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম (রাঃ) * উমাইয়ার ইবনে ওয়াহাব (রাঃ) * আবু অইয়ুব আল আনসারী (রাঃ) * সালমান আল ফারসী (রাঃ) * আমর ইবনে আল জুমাহ্\\u200c (রাঃ) * আবদুল্লা ইবনে মাসুদ (রাঃ) * ইকরিমা ইববে আবু জাহাল (রাঃ) * আল বররা ইবনে মালিক আল আনসারি (রাঃ) *আসমা বিনতে আবী বকর (রাঃ) * আবদুল্লাহ ইবনে হুদাফা আস সামি (রাঃ) *আবদুল্লাহ ইবনে জাস (রাঃ) *মুসা ইবনে জাবাল (রাঃ) * থুমামা ইবনে উথাল (রাঃ) * যায়েদ আল খায়ের (রাঃ) * বরাকা (রাঃ) * ওমাইয়ার ইবনে সাদ আল আনসারি (রাঃ) * হুদাইয়াফ ইবনে আল ওয়াইমান (রাঃ) * আবু সুফিয়ান ইবনে আল হারিত (রাঃ) * জাফর ইবনে আবু তালিব (রাঃ) * হাকিম ইবনে হিজাম (রাঃ) *সোহেল ইবনে আমর (রাঃ) * যায়েদ ইবনে তাহবিত (রাঃ) * আবদুল্লা ইবনে আব্বাস (রাঃ) * রামলা বিনতে আবু সুফিয়ান (রাঃ) * আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ) * মুহম্মদ ইবনে মাসআলা (রাঃ) * নাঈম ইবনে মাসুদ (রাঃ) * আবাদ ইবনে বিশির (রাঃ) * হাবিব ইবনে জায়েদ আল আনসারি (রাঃ) * রাবিয়া ইবনে কাব (রাঃ) * আবু আ আস ইবনে আর রাবিয়া (রাঃ) * রুমাইজা বিনতে মিলহান (রাঃ) * তাহলা ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) * উকবা ইবনে আহমির (রাঃ) * আল নুমান ইবনে মুক্কারিন (রাঃ) * সাদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) * আন নুয়াইমান ইবনে আমর (রাঃ) * জুলাইবিব (রাঃ) * তাহাবিন ইবনে কায়েস (রাঃ) * ফাইরুজ আদ দেইলামি (রাঃ) *আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) * আয়েশা বিনতে আবু বকর (রাঃ) *'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacde',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাচ্চা হাতির কাণ্ডকারখানা',\n", " 'seo_url': 'বাচ্চা-হাতির-কাণ্ডকারখানা',\n", " 'description': 'আহমেদ মাযহার'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cace0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জন্মদিনের উপহার',\n", " 'seo_url': 'জন্মদিনের-উপহার',\n", " 'description': 'মিসির আলী বিষয়ক উপন্যাস অন্যভূবন হিমু বিষয়ক উপন্যাস হিমু মামা ভুতুড়ে উপন্যাস বোতল ভুত কিশোর উপন্যাস ছেলেটা পুতুল নুহাশ এবং আলাদীনের আশ্চর্য চেরাগ সায়েন্স ফিকশন নিউটনের ভুল সূত্র নিমধারা জাদুকর তাহারা কুদ্দুসের এক দিন মিসির আলী বিষয়ক গল্প চোখ রূপকথা বড় মামা এবং রাজকুমারী সুবর্ণরেখা কানী ডাইনী রানী কলাবতী বোকা দৈত্য আলাউদ্দীনের চেরাগ আয়না বনের রাজা মিতুর অসুখ রহস্যগল্প লিপি ভুতুড়ে গল্প এক ভয়ংকর অভিযানের গল্প গুনীন নিজাম সাহেবের ভূত উদ্ভট গল্প গোবর বা্বু শবযাত্রা স্মৃতিকথা জোছনার ফুল নাটিকা স্মৃতিচিহ্ন'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacee',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মধ্যরাতের অশ্বারোহী (অখণ্ড)',\n", " 'seo_url': 'মধ্যরাতের-অশ্বারোহী-অখণ্ড',\n", " 'description': 'ফ্র\\u200c্যাপে লেখা কিছু কথা সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অকৃতদার ফয়েজ আহ্\\u200cমদ বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবনের অধিকারী। রাজনৈতিকভাবে সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারায় বিশ্বাসী। ১৯৪৮ সালে থেকে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত। তিনি ইত্তেফাক, সংবাদ, আজাদ ও পরবর্তী সময়ে পূর্বদেশ-এ চিফ রিপোর্টার ছিলেন। সাপ্তাহিক ইনসাফ ও ইনসান পত্রিকায়া রিপোর্টিং করছেন। ১৯৫০ সালে কিশোর পত্রিকা হুল্লোড় সম্পাদনা করেন।১৯৭১ সালে স্বরাজ পত্রিকার সম্পদক ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থার(বিএসএস) প্রথম প্রধান সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবার্তা দৈনিকে প্রধান সম্পাদকরূপে কাজ করেন।১৯৫২সালে প্রতিষ্ঠিত মুক্তচিন্তা ও অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল লেখকদের সংগঠক পাকিস্তান সাহিত্য সংসদ-এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন দু’বছর। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি বছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন বছর সিন্ডিকেটের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ৮০ ও ৯০-এর দশকে। ১৯৮২-এর দিকে বাংলা একাডেমীর কাউন্সিল সদস্য নির্বাচিত হন। কিন্তু এরশাদের সামরিক শাসনের প্রতিবাদে অন্য ছয়জনের সঙ্গে তিনি পদত্যাগ করেন। ১৯৮৩ সারে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট-এর সভাপতি নির্বাচিত হন এবং তেরো বছর এ-পদে ছিলেন। জাতীয় কবিতা উৎসব-এর আহবায়ক ছিলেন। ভূমিকা `মধ্যরাতের অশ্বারোহী’ বাংলাদেশে সর্বাধিক প্রকাশিত সুপ্তকগুলির মধ্যে অন্যতম প্রায় প্রতিবছরই এর সংস্করণ নতুন করে প্রাশের তাগিদ আছে। এমের্ম পাঠক আদৃত অবস্থায় এই পুস্তকটি তৃতীয়বার প্রকাশিত হলো-তবে চার খণ্ড এক মলাটের অন্তর্গত। অর্থাৎ পাঠকদের সুবিধার্থে পুস্তকের চার খণ্ডকে একত্রে একই মলাটের অন্তর্গত করে এবার মধ্যরাতের অশ্বারোহী প্রকাশিত হলো। প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদ ১১৪ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা থেকে দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের পক্ষে ‘মধ্যরাতের অশ্বারোহী’ প্রথম প্রকাশ করেন। প্রথম প্রকাশ ডিসেম্বর ১৯৮২ পরে নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে। প্রখ্যাত শিল্পী রফিকুননবী এই পুস্তকের প্রচ্ছদ এঁকেছেন এবং অলংকরন করেছেন। পুস্তকটির এক খণ্ড জাতীয় প্রেস ক্লাবকে উৎসর্গ করা হয়।এরপরে পুস্তকটি প্রকাশের দায়িত্ব নেন জনাব মফিদুল হক তাঁর সাহিত্য প্রকাশ থেকে। পরিপাটি অবস্থায় প্রথম সাহিত্য প্রকাশ সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে চার খণ্ডে।বাজারে বর্তমানে এই প্রকাশনাই এখন চার খণ্ডে চলছে।বর্তমানে পুস্তকটি পুনঃপ্রকাশের প্রশ্ন উঠেছে। এই পু্স্তুকের চার খণ্ড একত্রে এক মলাটের অধীনে ‘অনন্যা’ অখণ্ড সংস্করণ প্রকাশ করেছে এতে পাঠকের সুবিধা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করি। আমার রচনাবলীর মধ্যে অনেক পাঠকই ‘মধ্যরাতের অশ্বারোহী’কে সেরা রচনা বলে গণ্য করেন-আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। পূর্ব প্রকাশিত প্রথম চার খণ্ডের রফিকুননবীর আঁকা অলংকরণ অখণ্ড সংস্ককরণে পুনরায় ব্যবহার করছি। এজন্য রফিকুল নবী ও সাহিত্য প্রকাশ-এর কর্নধার জনাব মফিদুল হক কাছে কৃতজ্ঞ। ফয়েজ আহ্\\u200cমদ ১.১.২০১২ সূচিপত্র *মধ্যরাতের অশ্বারোহী *সত্যবাবু মারা গেছেন *নন্দনে নন্দিনী *এবং তারপর'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacf0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মিসির আলি সমগ্র-২',\n", " 'seo_url': 'মিসির-আলি-সমগ্র-২',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *মিসির আলি! আপনি কোথায়? *মিসির আলি Unsolved *পুফি *যখন নামিবে আঁধার'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacf2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কখন মা হবেন',\n", " 'seo_url': 'কখন-মা-হবেন',\n", " 'description': 'এ বইয়ের সার্বিক পরিকল্পনা ও সম্পাদনার ব্যাপারে যাঁরা নানাভাবে সাহায্য ও পরামর্শ দিয়ে আমাকে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন তাঁদের সবাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacf4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জন্ম নিয়ন্ত্রণের সঠিক পদ্ধতি',\n", " 'seo_url': 'জন্ম-নিয়ন্ত্রণের-সঠিক-পদ্ধতি',\n", " 'description': 'ভূমিকা আপনি জানেন কি বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত? প্রায় ১৪ কোটি। প্রতিদিন জনসংখ্যা বাড়ছে প্রায় ৬ হাজার জন। প্রতি মিনিটে ৪ জনেরও বেশি শিশু জন্মগ্রহণ করছে। ক্রমবর্ধমান, অনিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা আমাদের দেশে এক প্রধান সমস্যা। এ মূল সমস্যা থেকে শাখা-প্রশাখার মতো জন্ম নিচ্ছে জাতীয় জীবনে আরো অনেক সমস্যা। দারিদ্যের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই -এর প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি জনসংখ্যা এভাবে বাড়তে থাকে। কেন এভাবে জনসংখ্যার বাড়ছে, এ প্রশ্নের উত্তর হলো-এক. আামাদের দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে শিক্ষা ও সমাজ চেতনার অভাব। দুই. যদিও এদেশের মূল্যবোধ এবং রক্ষণশীল জীবযাত্রা যৌন স্বাধীনতার পরিপন্থি, তবুও এ-কথাটা সত্যি যে বিশেষ করে নিম্ন, নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সামনে উত্তেজনা, উদ্দীপনা এবং আনন্দের সবচেয়ে সহজ এবং খরচ বিহীন উপায় হলো যৌন মিলন।তা ছাড়াও আরেকটি বিশেষ কারণ হচ্ছে- এখনো বেশিরভাগ দম্পত্তির মনে জন্মনিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে নানা রকম অস্বচ্ছ ও ভুল ধারণা রয়েছে এবং তারা অনেক ভ্রান্ত খবরে বিশ্বাসী। আগেই বলা হয়েছে প্রতি মিনিটে ৪ জনেরও বেশি শিশু জন্মগ্রহণ করছে। এর ফলে আর ক’বছরের মধ্যে আমাদের অবস্থাটা কী দাঁড়াবে বুজতে পারছেন। আমাদের দারিদ্যতা আরো বাড়বে।জাতীয় স্বাস্থ্যের আরো অবনতি হবে। এ-দেশের আবহাওয়া দূষণ চরমে গিয়ে পৌঁছবে। যেভাবে জনসংখ্যা বাড়ছে তাতে যে অন্ন? বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন-এসব কী করে আসবে, কে দেবে, ভেবে দেখেছেন একবার, জন্মনিয়ন্ত্রণ এবং পরিবার পরিকল্পনা ছড়া আমাদের সুস্থভাবে বাঁচার আর কি কোনো উপায় আছে? আমরা দুই, আমাদের দুই(এখন যাদের একটা, পাঁচ বছরের আগে আর নয়)-তাছাড়া আমাদের দেশে অন্তত সুন্দর সুস্থ জীবনযাপনের আর কোনো উপায় নেই। আর সে-জন্যই জন্মনিয়ন্ত্রণের সঠিক পদ্ধতিটি জানানোর লক্ষ্যে এ প্রকাশনা “ জন্মনিয়ন্ত্রণের সঠিক পদ্ধতি।” এ বইটিতে রয়েছে জন্মনিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিসমূহের আলোচনাসহ ৭০টি প্রশ্নোত্তর। এ-বই সম্পর্কে পাঠকের যে-কোনো উপদেশ ও পরামর্শ সাদরে গৃহীত হবে [যোগাযোগ ঠিকানা : ডা. সুমন চৌধুরী, চাইল্ড কেয়ার লিঃ কনকর্ড আর্কেডিয়া (৫ম তলা), রোড নং-৪, প্লট-১ ও ২, গ্রীনরোড, ঢাকা-১২০৫, ফোন-৯৬৬-৬৬৯৯] এ-বইয়ের সার্বিক পরিকল্পনা ও সম্পাদনার ব্যাপারে যাঁরা না্নাভাবে সাহয্য ও পরামর্শ দিয়ে আমাদের কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন তাঁদের সবাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। সূচিপত্র *পরিবার পরিকল্পনা আর জন্মনিয়ন্ত্রণ *জন্মনিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদ্ধতি *জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা পিল *ডায়াফ্রাম *আই. ইউ. ডি *কনডম *স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি *টিউবাল লাইগেশন *ভ্যাসেকটমি *ফেনা বড়ি, ক্রিম, জেলি এবং সাপোজিটরি *প্রত্যাহারা পদ্ধতি *ন্যাচারাল মেথড *জন্মনিয়ন্ত্রণ : আপনার জিজ্ঞাসা'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacf6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তোমাদের এই নগরে',\n", " 'seo_url': 'তোমাদের-এই-নগরে',\n", " 'description': 'আমি বসে আছি নৌকার গলুইয়ে। পা ঝুলিয়ে বসেছি। নৌকা খুব দুলছে বলেই মাঝে মাঝে নদীর পানিতে পা ডুবে যাচ্ছে। শরীর সিরসির করছে। গায়ে কাঁপন লাগছে। নদীর পানি এত ঠান্ডা হবার কথা না-। এই নদীর পানি এত ঠান্ডা কেন? মনে হচ্ছে বরফ গলা পানি। ঘটনাটি কী? স্বপ্নের নদী না তো?'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cacf8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বজ্রকথন',\n", " 'seo_url': 'বজ্রকথন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কাদের সিদ্দিকী এক জীবন্ত কিংবদন্তির নাম। এক বীর বাঙালির নাম। এক ইতিহাস-পুরুষ তিনি, এক প্রকৃত দেশগৌরব। এই কিংবদন্তি-বিনাশী ভীরুতাবিলাসী দেশে তাঁর মতো একজনের জন্ম, বিকাশ ও অক্ষয় কীর্তি স্থাপন নিঃসন্দেহে এক অপার বিস্ময়। এমন পতনমুখী আত্মঘাতী দেশে একজন বিপরীত স্রোতের যাত্রীর উদ্ভব ও অভ্যুদয় সকল অর্থেই অবাবনীয়, অকল্পনীয়। দুঃসময়-কবলিত একাত্তর যখন একজন লড়াকু বীরের স্বপ্ন দেখছিল তখনই গর্জে উঠেছিল রণাঙ্গনের সাহসী নায়ক কাদের সিদ্দিকীর অস্ত্র-হানাদার শত্রুর প্রতি অমোঘ লক্ষ্যভেদী সেই অস্ত্রই ছিল মুক্তিযুদ্ধের উদাত্ত ঘোষণা। ঠিক তেমনই ‘৭৫-এর ২৫ ই আগস্ট পিতাকে হারিয়ে জাতি যখন দিশেহারা, তখনো তিনি হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকেননি। সেই দুর্দিনে নিজেকে জাতির পিতার চতুর্থ সন্তান বলে দীপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করে প্রতিরোধ দ্বিধা করেননি। সূচিপত্র *শোকাবহ আসষ্ট *কুশি কাহিনী *সিলেটে মহান একুশে *সময়ে সবই অপ্রাসঙ্গিক *সশস্ত্র বাহিনী দিবস *আমাদের সংসদ *কে স্বাধীনতার ঘোষক? *নারী মুক্তিযোদ্ধা *মুক্তিযোদ্ধা কাঞ্চন মালা *মুক্তিযোদ্ধাদের বিড়ম্বনা ও প্রধানমন্ত্রী *নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ইউনুস *মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ *লাঞ্ছিত জয়নাল আবেদীন *যেন বেলা নাই *তিন মহারথীর যাদুর কাঠি *হোক কুকুর তবুও তো তার প্রাণ আছে *হরতালে মোবাইল কোর্ট *হারিযে যাওয়া সেই সব দিনগুলি *ফেলানীদের ভাগ্যে কি চিরকালেই এমন হবে?-১ *ফেলানীদের ভাগ্যে কি চিরকালই এমন হবে?-২ *ধলাপাড়া রাজাকার বাড়ীতে অন্ত্র উদ্ধার অভিযান-১ *ধলাপাড়া রাকাজার বাড়ীতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান-২ *বিপ্লবী কবি কাজী নজরুল ইসলাম'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad00',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জেল থেকে জেলে',\n", " 'seo_url': 'জেল-থেকে-জেলে',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *গ্রেফতার পর্ব *রিমান্ডের বিভীষিকা *রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস *জেল জীবনের কথকতা *লর্ডশিপদের মুখোমুখি *জেলখানার ভূত*কাশিমপুর জেল *এবার গাজীপুর জেল *অবশেষে মুক্তি *ফটো অ্যালবাম'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad04',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দাবা খেলার আইন কানুন',\n", " 'seo_url': 'দাবা-খেলার-আইন-কানুন',\n", " 'description': '‘দাবা খেলার আইন-কানুন’ বইটির চতুর্থ সংস্করণ প্রকাশ কর হল। বইটির প্রচ্ছদও নূতনভাবে সাজানো হয়েছে। নূতন সংস্করণে বিশ্বদাবা সংস্থা কর্তৃক মুদ্রিত দাবা খেলার সর্বশেষ সংশোধিত আইন-কানুন সন্নিবেশিত করা হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্বদাবা সংস্থা FIDE কর্তৃক ইস্যুকৃত LAWS OF CHESS -এর আইন-কানুনে বেশ অনেকগুলো ছোট-বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। যেসব খেলোয়ার নিয়মিতভাবে দাবা টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণ করেন, এরকম একটি Up-to-date আইন-কানুন বই তাদের হাতের কাছে রাখা খুবই দরকার। দাবা খেলা সহজ হলেও এর আইন-কানুনগুলো বেশ জটিল। তাই নিয়মিত এগুলো পড়া উচিত। এছাড়া আজকাল দেশের সর্বত্র যথেষ্ট দাবা টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাই ফিডে কর্তৃক ইস্যুকৃত সর্বশেষ Tournament Rules এর অংশটুকু হুবহু ছাপিয়ে দেওয়া হল। দাবা সংগঠনগুলো এ দ্বারা উপকৃত হবেন বলে আশা করি। বর্তমানে সারা বিশ্বে ‘বিদুৎগতি’ এবং ‘র\\u200c্যাপিড দাবা’ খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বদাবা সংস্থা কর্তৃক এগুলোর নিয়ম-কানুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে, তাই প্রত্যেকে খেলোয়াড়ের তা জানা থাকা প্রয়োজন। সর্বশেষ, ১৯৯২ সালে ফিডের সাধারণ সম্মেলনে এসব আইন-কানুনে ব্যপক পরিবর্তন আনা হয়েছে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad06',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হাঙর নদী গ্রেনেড',\n", " 'seo_url': 'হাঙর-নদী-গ্রেনেড',\n", " 'description': 'হলদিগাঁ গ্রামের এক দুরন্ত কিশোরী বুড়ি। কৈশোর থেকে সে চঞ্চলতায় উচ্ছল, কৌতূহলপ্রবণ, উৎসুক দৃষ্টি, নিবিড়ভাবে দেখা, চমৎকারভাবে মেশা, উচ্ছলতায় ভরপুর। কম বয়সেই বিয়ে হয় তার থেকে বয়সে অনেক বড় বিপত্নীক গফুরের সঙ্গে। গফুরের সংসারে তার আগের স্ত্রীর রেখে যাওয়া সলীম ও কলীম নামে দুটো ছেলে আছে। সংসারজীবন ভালই লাগে বুড়ির। যদিও গফুর বুঝতে পারে না বুড়িকে। আগের বউ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন, কখন কী বলে, কী করে তা বুঝা তার পক্ষে কষ্টসাধ্য। অবশ্য কারও সাথে পাছে নেই, কাউকে মন্দ বলে না, কেউ বললে ভ্রুক্ষেপ করে না। এরই মধ্যে মাতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা প্রবল হয়ে ওঠে বুড়ির। সলীম-কলীম থাকলেও তার নিজের গর্ভের সন্তান চায়। অবশেষে জন্ম নেয় এক পুত্র সন্তান। বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী রইস। তাতেও ভালোবাসা কমতি হয় না। কিছুদিন পর গফুর মারা যায়। সলীমের বিয়ে হয় রামিজার সাথে। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই তার কোলজুড়ে আসে একটি সন্তান। কলীমের বিয়ের কথার সময় শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। বন্ধ হয়ে যায় সব আলোচনা। যুদ্ধের ঢেউ আসে হলদিগাঁয়ে। সেই ঢেউয়ে উথালপাথাল হয়ে যায় বুড়ির সাজানো সংসার। সলীম যায় যুদ্ধে। ভাই সলীম ও মুক্তিবাহিনী সম্পর্কে খবর না দেওয়ায় কলীমকে পাকিস্তানি আর্মি ও তার দোসররা বুড়ির চোখের সামনে নির্মমভাবে খুন করে। যা দেখে বুড়ি বলে: ‘কলীম, তোর ঘাড়টা ঝুলে পড়েছে কেন? তুই একবার আমার দিকে চোখ তুলে তাকা। সাহসী বারুদ জ্বালা, দৃষ্টি ছড়িয়ে দে হলদীগাঁয়ের বুকে। মুছে যাক মহামারী, বন্যা, খরা, দুর্ভিক্ষ। হলদীগাঁয়ের মাটি নতুন পলিমাটিতে ভরে উঠুক।’ কিন্তু পলি ভরার আগে হলদিগাঁয়ের মাটিতে রচিত হয় মর্মন্তুদ এক দৃশ্য। যে দৃশ্যের রচনাকার একজন মা। বুড়ি যার নাম। হাফেজ ও কাদের দুই মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করতে করতে শত্রুপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে আশ্রয় নেয় বুড়ির ঘরে। পাকসেনারাও বাড়িতে আসে। দেশপ্রেমের অগ্নিপরীক্ষায় একজন মা, মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে তার নিজের সন্তানকে তুলে দেয় পাকসেনাদের বন্দুকের নলের মুখে। সন্তানের নাম রইস। মায়ের নাম বুড়ি। যার প্রতীতি এ রকম: ‘ওরা এখন হাজার হাজার কলীমের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিচ্ছে। ওরা হলদীগাঁর স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবনকে উপেক্ষা করে লড়ছে। ওরা আচমকা ফেটে যাওয়া শিমুলের উজ্জ্বল ধবধবে তুলো। বুড়ি এখন ইচ্ছে করলেই শুধু রইসের মা হতে পারে না। বুড়ি এখন শুধু রইসের একলার মা নয়।’ হাঙর নদী গ্রেনেড তখন মহাকাব্যের আখ্যান হয়ে ওঠে। বুড়ি হয়ে যায় ইতিহাস-কন্যা। আর হলদিগাঁ, বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad0a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ও রাধা ও কৃষ্ণ',\n", " 'seo_url': 'ও-রাধা-ও-কৃষ্ণ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ইমদাদুল হক মিলনের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘ও রাধা ও কৃষ্ণ’। ১৯৭৮ সালে লেখা। বাংলা বাণী গ্রুপের সিনেমা বিষয়ক সাপ্তাহিক কাগজ ছিল ‘সিনেমা’। সেই পত্রিকার ঈদ সংখ্যায় ছাপা হয়েছিল ‘ও রাধা ও কৃষ্ণ’। ওই সময়কার তরুণ তরুণীদের জীবনযাপন এবং প্রেম ভালোবাসা নিয়ে লেকা। উচ্চবিত্ত পরিবারগুলোর ভেতরকার এক ধরনের চেহারাও ফুটে উঠেছিল এই উপন্যাসে। প্রকাশের সঙ্গে সাড়া পড়ে গিয়েছিল তরুণ সমাজের। ওই সময়কার জন্য একেবারেই আধুনিক, একেবারেই নতুন ধরনের লেখা। প্রকৃত অর্থে ‘ও রাধা ও কৃষ্ণ’ থেকেই শুরু হয়েছিল ইমদাদুল হক মিলনের জনপ্রিয়তা। এই উপন্যাস আজকের তরুণ তরুণীদের জন্যও এক অতি আধুনিক উপন্যাস। অল্প বয়সী ছেলে মেয়েদের জন্য গভীর আবেগ এবং প্রেমের উপন্যাস। যেকোনও প্রেমিক প্রেমিকার জন্য ‘ও রাধা ও কৃষ্ণ’ এক অপরিহার্য পাঠ্য উপন্যাস। এই উপন্যাস কখনও পুরনো হবে না।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad0e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বকুলাপ্পু',\n", " 'seo_url': 'বকুলাপ্পু',\n", " 'description': '\"বকুলাপ্পু\" বইটি সম্পর্কে কিছু কথা: বকুল নামের মেয়েতো গ্রামের চঞ্চল মেয়ে। ছোট বাচ্চাদের জন্য সে বকুল আপু, বকুল আপু= তাই গল্পের নাম বকুলাপ্পু, ১২-১৩ বছর বয়স বকুলের। গল্পটি শুরু হয় পলাশপুর গ্রামকে কেন্দ্র করে। গ্রামটিতে নদীর ধারে একটি বড়ো হিজল গাছ আছে যেটার অর্ধেক নদীর উপর ঝুঁকে আছে আর বাকি অর্ধেক কোনভাবে মাটি আঁকড়ে ধরে আছে। গল্পটির আর একটা চরিত্র হলো জমিলা বুড়ি। তার বয়স প্রায় একশো পঞ্চাশ বছর। গ্রামের মেয়ে বকুল চরিত্রটিকে মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যার এই উপন্যাসটির মাধ্যমে খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। উপন্যাসটি পড়ার সময় অনেক অনেক ভালো লাগা অনুভব করছিলাম।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad10',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'টুকুনজিল',\n", " 'seo_url': 'টুকুনজিল',\n", " 'description': '\"টুকুনজিল\" বইটি সম্পর্কে কিছু কথা: গ্রাম থেকে আসা গরিব পাগলাটে বাবার ছেলে বিলু শহুরে ধনী আত্মীয়ের বাসায় এসে আকস্মিকভাবে অন্যগ্রহ থেকে আসা এক প্রাণীর সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে। ধনী আত্মীয় অবজ্ঞা অবহেলার মাঝে বিলু ভিনগ্রহের প্রাণী টুকুনজিল (বিলুর দেয়া নাম) এর সাথে এক অদ্ভুত সখ্য খুজে পায়। বিলু টুকুনজিলকে শিখায় ভালোবাসা, বন্ধুত্ব এবং আবেগ।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad12',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সঙ্গীসাথী পশু পাখি',\n", " 'seo_url': 'সঙ্গীসাথী-পশু-পাখি',\n", " 'description': 'ভূমিকা আমার শৈশবটি কেটেছে অত্যন্ত আনন্দে। সেই আনন্দের ভাগ দেয়ার জন্যে মাঝে মাঝে স্মৃতিচারণ করতে ইচ্ছে করে কিন্তু বাজী ধরে বলতে পারি পরিচিত লোকজনের কথা লিখলে তাদের লাঠি নিয়ে আমাকে তেড়ে আসবে। পশু-পাখিদের নিয়ে সে সমস্যা নেই-তাই এই লেখা। মৃহম্মদ জাফর ইকবাল সূচিপত্র *কুকুর *টিয়া পাখি *লাল পেয়ে পোকা *বিড়াল *ইঁদুর *হরিণ'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad20',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নিষিদ্ধ লোবান (প্রথম প্রকাশ ১৯৮১)',\n", " 'seo_url': 'নিষিদ্ধ-লোবান-প্রথম-প্রকাশ-১৯৮১',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মুহূর্তের ভেতর ব্যস্ত হয়ে পড়ে দুজন। নিঃশব্দে একের পর এক লাশগুলো টেনে এন তারা জড়ো করতে থাকে। সময় অতিক্রান্ত হতে থাকে। চাঁদ আরো সরে আসে। আকাশে আজ মেঘ নেই। চত্বরের ওপর বীভৎস শ্বেতীর মতো ছেঁড়া আলো পড়ে থাকে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad22',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাঙলা বাঙালী বাঙালীত্ব',\n", " 'seo_url': 'বাঙলা-বাঙালী-বাঙালীত্ব',\n", " 'description': '*আহমদ শরীফ : গ্রন্থতালিকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad26',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মহাপুরুষদের কথা কাছে থেকে দেখা',\n", " 'seo_url': 'মহাপুরুষদের-কথা-কাছে-থেকে-দেখা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মানব সভ্যতার বিকাশে এই পৃখিবীর বিচিত্র রংগমঞ্চে যে কোন ক্ষেত্রে ভিন্ন মাত্রায় হলেও নেতৃত্বের ভূমিকা নিতান্তই অনিশ্চায়ক। এই গ্রন্থে লেখক দেশের ভিন্ন ভিন্ন অংগনের চারজন খ্যাতনামা ব্যক্তির চিন্তা ও কর্মের কিছু পরিচিতি ব্যক্তিগত টুকরো স্মৃতির মাধ্যমে হাজির করেছেন। অন্যরূপ আলোকে আঁকা চিত্রগুলো ব্যতিক্রমধর্মী বটে। লেখকের গভীর ইতিহাস সচেতনতা এবং দেশ ও বিশ্ব পটভূমির সংগে ব্যাপক পরিচিতি এই বিবরনগুলোকে করেছে বিশেষভাবে প্রাসংগিক ও আকর্ষনীয়। বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে লেখকের নির্বাচিত এই চার মহাপুরুষ নানা অংগনে বিচরন করছেন। তাদের অবদান রয়েছে জাতিগঠনে, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায়, জ্ঞান বিতরনে এবং সমাজ সেবায়। লেখকের কাছ থেকে দেখা এই চারজন মহাপুরুষদের মধ্যে অন্যতম হলেন বাংলাদেশর স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মুক্তিযুদ্ধের রূপকার ও সেনাপতি তাজউদ্দিন আহমেদ হলেন আর একজন অন্য অংগনে সিলেটের একজন নিবেদিত প্রাণ সমাজ সেবক ও লেখকের পিতা এডভোকেট আবু আহম্মদ আব্দুল হাফিজ হলেন আর একজন। অন্য মহাপুরুষ হচ্ছেন হলেন আর একজন। অন্য মহাপুরুষ হচ্ছেন জ্ঞানতাপস গুরুজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক স্যার। সমকালীন সমাজ, শিক্ষাঙ্গন, জ্ঞানজগত ও রাজনীতির বিস্তৃত বিশ্লেষণ হল এই স্মৃতি কথার প্রেক্ষাপট। বইটির আর একটি বিশেষ আকর্ষণ হল চার মহাপুরুষের বিশ্বাসযোগ্য সংক্ষিপ্ত অথচ পরিপূর্ণ জীবন বৃত্তান্ত। সূচিপত্র প্রথম অধ্যায় : আমার আব্বু আবু আহমদ আবদুল হাফিজ, অনন্য সমাজসেবক : জীবন বৃত্তান্ত দ্বিতীয় অধ্যায় : আমার আব্বার স্মৃতি তৃতীয় অধ্যায় : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতির পিতা : জীবন বৃত্তান্ত চতুর্থ অধ্যায় : জনহিতে নিবেদিত অবুতোভয় রাষ্ট্র নেতা পঞ্চম অধ্যায় : অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, জ্ঞানতাপস গুরু : জীবন বৃত্তান্ত ষষ্ঠ অধ্যায় : রাজ্জাক স্যার- কাছে থেকে দেখা সপ্তম অধ্যায় : তাজ উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধের রূপকার : জীবন বৃত্তান্ত অষ্টম অধ্যায় : মুক্তিযুদ্ধের রূপকার'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad2a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রিয় গগন এবং অন্যান্য',\n", " 'seo_url': 'প্রিয়-গগন-এবং-অন্যান্য',\n", " 'description': 'ভূমিকা এই গ্রন্থে সংকলিত লেখাগুলির বেশীরভাগ “ভোরের কাগজে” আমার অনিয়মিত কলাম “নিঃসঙ্গ বচন”-প্রকাশিত হয়েছে। একটি বিশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লেখা একটি কলামের সেই সময়ে খানিকটা গুরুত্ব থাকতে পারে-পরবর্তীতে তার সেরকম কোন আবেদন থাকার কথা নয়, কাজেই লেখাগুলো সংকলিত করার বিশেষ কোন প্রয়োজন নেই বলেই আমার ধারণা। তবে মানুষের নিজের লেখার প্রতি একধরনের ছেলেমানুষী মমতা থাকে এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সেগুলো একত্র করতে পারলে খানিকটা অর্থহীন আনন্দ হয়। এই গ্রন্থটি সম্ভবতঃ আমার সেই আনন্দের প্রত্যক্ষ ফসল, পাঠক পাঠিকাদের কেউ কেউ আমার সেই আনন্দের অংশীদার হবেন সেটি হচ্ছে আমার মনের গোপন বাসনা! মুহম্মদ জাফর ইকবাল ঢাকা, ২৮ শে নভেম্বর, ১৯৯৮ সূচিপত্র *প্রিয় গগন *আমার ছেলেবেলা *বইয়ের মেলা মেলার বই *আলতা এবং তানিয়ারা(এক) *আলতা এবং তানিয়ারা(দুই) *শুভ জন্মদিন *ছাত্র রাজনীতির ‘যদি’ এবং ‘কিন্তু’ *নিউক্লিয়ার ওয়াল্ড কাপ *ইনডেমনিটি কালচার *আর মুখস্ত নয় *বাংলাদেশ ও তথ্য প্রযুক্তি *বিচারের শেষ নয়, বিচারের শুরু'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad2c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিশ বছর পর (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'বিশ-বছর-পর',\n", " 'description': \"স্বাধীনতার পর বিশ বছর পার হয়ে গেছে। বিশ বছর আগে এদেশের মানুষ স্বজন হারানোর দুঃখ বুকে চেপে রেখে একটা নূতন স্বন্ন নিয়ে পৃথিবীর বুকে প্রথমবার মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল। বিশ বছর পর সেই স্বপ্নের কতটুকু সত্যি আমাদের হাতে এসেছে এই সহজ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে গিয়ে বিশ বছর পর' গ্রন্থটির জন্ম। এর প্রকাশনায় কারিগরি ক্রুটি থাকতে পারে, লেখক নির্বাচনে অসঙ্গতি থাকতে পারে, রচনা সংযাজনে অসম্পূর্ণতা থাকতে পারে, উপস্থাপনায় শৈল্পিক দুর্বলতা থাকতে পারে কিন্তু আন্তরিকতায় বিন্দুমাত্র দীণতা নেই কারণ পৃথিবীর অপর পাশ্শ্বে যে মার্তৃভূমিকে আমরা ছেড়ে এসেছি তার জন্যে আমাদের বুকে ভালবাসা ছাড়া আর কিছু নেই। প্রবাস জীবনের অভিশাপ বিচ্ছিন্নতার অভিশাপ। তবু দেশের এবং দেশের বাইরের বুদ্ধিজীবী, কবি সাহিত্যিক, চিন্তাবিদ এবং মুক্তিযােদ্ধাদের মূল ধারাটির সাথে যােগাযােগের প্রাণপণ চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের সৌভাগ্য তারা এই প্রচেষ্টাকে স্নেহের চোখে দেখেছেন এবং এই সীমিত সময় ও সুযােগের মাঝেও লেখার ভেতর দিয়ে খােলাখুলি ভাবে মনের কথা প্রকাশ করেছেন। আমি বিশ বছর পর বইয়ের সাথে যুক্ত সবার পক্ষ থেকে তাদের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সূচিপত্র *স্বাধীন বাংলাদেশের বিশ বছর : হিসাব কি মেলে? *ধন্য সেই পুরুষ *এখন এইভাবে *বিশ বছরের বিষ-বাষ্প *আমি এখনো আশাবাদী *একটি পদকের গল্প *সময়, সেই সময় *বাংলাদেশ : জাতি গঠনের কতিপয় মৌলিক বিষয় *একজন মুক্তিযোদ্ধার স্বপ্ন ও বর্তমান পরিবেশ *স্বাধীন বাংলাদেশে সংস্কৃতি চর্চার পরিবেশ *‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ : বিছ বছর পর *মুক্তিযুদ্ধের কিছু অবিস্মরণীয় স্মৃতি *বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্ম : জামাতের উত্থান *বিশ বছরের বাংলাদেশ : কি ঘটেছে, কি করা যেতে পারে * আবার পেছন থেকে শুরু করতে হবে *বাংলাদেশ অর্থনীতির বিশ বছর *জনৈক দুঃখী বালিকা\"},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad2e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ক্লাসের সবচাইতে দুষ্টু ছেলেটি',\n", " 'seo_url': 'ক্লাসের-সবচাইতে-দুষ্টু-ছেলেটি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ পলাশের সঙ্গে পা চালিয়ে হাঁটতে লাগলাম। বুকের ভিতর কিন্তু ভূতের ভয়টা রয়েই গেছে। সন্ধ্যার মুখে মুখে বাঁশবাগানটার ওদিকটায় এসেছি। কী রকম গা ছমছমে একটা পরিবেশ বাঁমবাগানে। পলাশের সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে আড়চোখে একবার বাগানটার দিকে তাকিয়েছি। ঝিঁঝিপোকা ডাকছে। ঝিঁঝিপোকার ডাক ছাড়া অন্যকোনও শব্দ নেই। তবে বাগানটার দিকে তাকিয়ে আমার মনে হলো ছায়ার মতো কারা যেন বাঁশের এক ঝাড় থেকে আরেক ঝাড়ের দিকে চলাফেরা করছে। একেবারেই ছায়া। চোখের পলকে আছে, চোখের পলকে সরে যাচ্ছে। এদিকটায় কোনও বাড়িঘর নেই। বাস্তার ধারে বাঁশবন আর তিনদিকে ফসলের মাঠ। বিশাল বাঁশবন পেরিয়ে অনেকটা দূর গেলে তারপর মানুষের ঘরবাড়ি। নয়নদের বাড়িটা হচ্ছে গ্রামে ঢোকার পর তৃতীয় বাড়ি। আমি আড়চোখে বাঁমবাগানের দিকে তাকিয়েছি এটা খেয়াল করল পলাশ। আমার কাঁধে হাত দিয়ে বলল, ভয়ের কিছু নেই। আমি আছি না সঙ্গে। চল চল, তাড়াতাড়ি হাঁট। খেয়েদেয়ে তাড়াতাড়িই ফিরবো আমরা। বেশিরাত করবো না। বেশিরাত করে ফিরলে বাবার হাতে ধোলাই খেতে হবে। আমি ভূতে ভয় পাই না, বাবাকে খুব ভয় পাই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad3a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একাত্তরের কন্যা জায়া জননীরা (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'একাত্তরের-কন্যা-জায়া-জননীরা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ একাক্তর ছিল আমাদের আত্মপরিচয়ের বছর।লেবুটা দেখতে কীরকম সেটা বড় কথা নয়। লেবুটা চিপলে রসটা কীরকম সেটাই বড় কথা। স্বাভাবিক সময়ে আমাদের আচরণ একরকম।আসল পরিচয়-হচ্ছে তাদের ক্রান্তিকালের আচরণ। একাত্তরের সমাজ ছিল রক্ষণশীল।নারী এবং পুরুষের মধ্যে ব্যবধান ছিল ব্যাপক।মুক্তিযুদ্ধে সেই ব্যাপক অনেকটাই ঘুচিয়ে দেয়।তখনই আবিষ্কার করা হয় অন্তপুরের রমণীদের দেশপ্রেম পুরুষদের চেয়ে কোনোঅংশেই কম নয় তাদের ত্যাগ, শ্রুম ও নিষ্ঠা পুরুষদের চেয়ে ঢের বেশি। একাত্তর একইধারে নিজেদের আবিষ্কারের বছর।আমাদের রমণীকুলের ওদার্য, মহানুভবতা ও কষ্ট সহিষ্ণু সবাদানের পরিচয় পাই আমরা একাত্তরে। এর জন্য কোন ময়নাতদন্ত করতে হয়নি। তারাই ত্যাগ স্বীকার করেছে সবচেয়ে বেশি।আপাত বাহ্যিক না হলেও তাদের শ্রমদাও পুরুষদের চেয়ে এগিয়ে। আমাদের নারীকূলের সেই ত্যাগের কথাই প্রতীকভাবে হলেও বিশদভাবে ওঠে এসেছে মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়ার কলমে তার একাত্তরের কন্যা, জায়া, জননীরা গ্রন্থে। বইয়ের চরিত্রদের তিনি চিত্রায়িত করেছেন অতলষ্পর্শী মমতায়।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad40',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'যাবজ্জীবন',\n", " 'seo_url': 'যাবজ্জীবন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘যাবজ্জীবন’ ইমদাদুল হক মিলনের প্র্রথম উপন্যাস। ১৯৭৬ সালে ধারাবাহিক ভাবে ছাপা হয়েছিল বাংলা একাডেমীর সাহিত্য পত্রিকা ‘উত্তরাধিকার’ এ।উত্তরাধিকার সম্পাদনা করতেন তখন বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি রফিক আজাদ।অতিযত্নে এবং মায়ায় এই তরুণ লেখকের লেখা তিনি প্রকাশ করেন।প্রথম উপন্যাসেই বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী শ্রেণী এবং মেধাবী পাঠকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেন ইমদাদুল হক মিলন।বিক্রপুর অঞ্চলের একটি বাজার, বাজারের চারপাশের গ্রামের মানুষ, একটি সার্কাসপার্টি, দেশবিভাগ, হিন্দু মুসলামান সম্পর্ক এবং খড়কুটোর মতো ভেসে বেড়ানো কিছু অসহায় মানুষকে নিয়ে লেখা ‘যাবজ্জীবন’ বাংলাদেশের উপন্যাস সাহিত্যের এক মাইলফলক।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad48',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নূরজাহান-১',\n", " 'seo_url': 'নূরজাহান-১',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলাদেশে যখন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে মৌলবাদ সোনার বাংলার গ্রামগুলো যখন আচ্ছন্ন করে অশিক্ষিত কাঠমোল্লারা, রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং আইনের তোয়াক্কা না করে যখন একের পর এক ফতোয়া দিতে থাকে তারা, ফতোয়াবাজ নরপশুদের হিংস্র নখরে যখন ছিন্নভিন্ন হয় গ্রামপ্রান্তের অবলা নারী, নূরজাহার সেই নারীসমাজের প্রতিভূ। মৌলভীবাজারের ছাতকছড়া গ্রামে জন্মেছিল নূরজাহান। প্রথম বিয়ের পর স্বামী যায় নিরুদ্দেশ হয়ে। অষ্টাদশী নূরজাহানের রূপে মুগ্ধ হয়ে গ্রাম মসজিদের প্রভাবশালী মাওলানা মান্নান তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু নূরজাহানের বাবা তাকে মধ্যবয়সী মাওলানার সঙ্গে বিয়ে না দিয়ে মোতালেব নামের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়। তখন মাওলানা মান্নান ক্ষিপ্ত হয়ে ফতোয়া জারি করে নূরজাহানের দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ নয়। অবৈধ বিয়ের অপরাধে মধ্যযুগের আরব দেশীয় কায়দায় বুক অব্দি গর্তে পোঁতা হয় নূরজাহানকে। তারপর একশো একটি পাথর ছুঁড়ে মারা হয়। নূরজাহানের স্বামীকেও দেয়া হয় একই শাস্তি, পিতাকে করা হয় বেত্রাঘাত। এই অপমান সইতে না পেরে সেই রাতেই বিষপানে আত্মহত্যা করে নূরজাহান। নূরজাহানের এই আত্মহত্যা আসলে মৌলবাদের বিরুদ্ধে বিশাল এক প্রতিবাদ। নূরজাহানের আত্মহত্যা আসলে ফতোয়াবাজদের বিরুদ্ধে প্রথম সোচ্চার, বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থার গায়ে কালিমা লেপন। সুতরাং ঐতিহাসিক না হয়েও নূরজাহান এক ঐতিহাসিক চরিত্র। এই নূরজাহানকেই উপন্যাসের বিষয় অরেছেন ইমদাদুল হক মিলন। নূরজাহানকে আশ্রয় করে ফুটিয়ে তুলেছেন বাংলাদেশের নিযৃাতিতা নারীসমাজের অনুপুঙ্খ চিত্র। উন্মোচন করেছেন মৌলবাদ, ফতোয়াবাজ এবং কাঠমোল্লাদের মুখোশ। বাংলাদেশের রাজনীতি, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, গ্রামমানুষের জীবন ছবির মতো ফুটে উঠেছে এই উপন্যাসে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad56',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চারে চারে ষোল',\n", " 'seo_url': 'চারে-চারে-ষোল',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি সুপরিচিত নাম। তিনি ১৯৩৯ সালের ১০ই জানুয়ারি বিক্রমপুরের শ্রীনগর থানার দোগাছি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মরহুম আহমেদ আলী। তিনি ১৯৫৪ সালে ঢাকা সেন্ট গ্রেগরীজ হাই স্কুল হতে কৃতিত্বের সাথে এস.এস.সি ঢাকা কালেজ হতে এইচ.এস.সি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম.এ. এবং এল এল বি ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে নবম শ্রেণীর ছাত্রাবস্থায় প্রথম কারাবরণ করেন। এরপর তিনি স্বাধিকার হতে স্বাধীনতা আন্দোলন পর্যন্ত বহুবার ঢুকেছেন জেলে। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি কারাগারের পাখি হিসাবে পরিচিত। ১৯৫২ সালে তিনি ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৫৯ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিন টার্ম তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৬২ সালের শিক্ষা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের তিনি ছিলেন মহানায়ক। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন এবং মুজিবনগর হতে স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসাবে কাজ করেন। ভারতীয় পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে তাঁর ভাষণ আমাদের স্বাধীনতা ইতিহাসের এক স্মরণীয় ঘটনা। ১৯৭২ সালে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম চীফ হিইপ নির্বাচিত হন। পরের বছর পুণরায় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে শ্রীনগর লৌহজং এলাকা হতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো দেশের চীফ হুইফ নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে তিনি মন্ত্রীসভার সদস্য নিযুক্ত হন। ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৯৭৬ সালে তিনি ডেমোক্রেটিক লীগ নামে একটি নতুন রানৈতিক দল গঠন করে পার্টির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৩ সালে তিনি জনদল গঠন করেন এবং ১৯৮৪ সালে তিনি জনদল গঠন করেন এবং ১৯৮৪ সালে মন্ত্রীসভঅর সদস্য নিযুক্ত হন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টি গঠন করে দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রেসিডিয়ামের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ উপনেতা নিযুক্ত হন। ১৯৯১ সালে রংপুরের পীরগঞ্জ এলাকা হতে উপ-নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন দেশের বহু জনহিতকর কাজের সাথে জড়িত। স্কুল-কলেজসহ বহু প্রতিষ্ঠান নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন। ভ্রমণ করেছেন পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন আই জীবি, সুদক্ষ রাজনৈতিক সংগঠক এবং অপ্রতিদ্বন্দ্বি বক্তা হিসেবে সুপরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তানের জনক।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad58',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ইস্টিশন',\n", " 'seo_url': 'ইস্টিশন',\n", " 'description': 'রাতের বেলা ট্রেনের শব্দ শুনলে আমি বিছানায় উঠে বসি ঠিকই কিন্তু স্টেশনে যাই না। ধলা সামছু যায়। হাতে হারিকেন ঝুলিয়ে ছুটে যায়। প্রতিটি কামরা লণ্ঠন উঁচিয়ে দেখে। তার স্ত্রী বাজার ছেড়ে চলে গেছে। ধলা সামছুর ধারনা, কোনো এক রাতের ট্রেনে সে আবারো এখানে ফিরে আসবে। তার স্ত্রী যেহেতু খারাপ মেয়ে মানুষ, সে দিনের ট্রেনে আসবে না। রাতের ট্রেনে আসবে। লম্বা ঘোমটা দিয়ে ট্রেন থেকে নামবে। লম্বা ঘোমটা টানা কাউকে নামতে দেখলেই ধলা সামছু তার কাছে ছুটে যায়। গলা নমিয়ে ফিসফিস করে বলে, আপনার নাম? আপনার পরিচয়?'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad5a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এইসব দিনরাত্রি (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'এইসব-দিনরাত্রি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এইসব দিনরাত্রি একটি একান্নবর্তী পরিবারের সুখ-দুঃখের গল্প। আশা ও আনন্দের, ব্যর্থতা ও বঞ্চনার গল্প। কিছু সাধারণ মানুষের সাধারণ কিছু স্বপ্নের গল্প। ম্যাজিসিয়ান আনিস স্বপ্ন দেখে একটি কিশোরীর, রফিক স্বপ্ন দেখেন সুখী নীলগঞ্জের। টুনি নামের একটি ছোট মেয়ে সেও স্বপ্ন দেখে। এরা জোছনা রাতে ছাদে বসে গান গায়-আজ জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে। কোনে বনের কথা তারা বলে? কোথায় সেই গভীর অরণ্য? ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ কি পেরেছেন সেই অরণ্যের সন্ধান দিতে?'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad5c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চৈত্রের দ্বিতীয় দিবস',\n", " 'seo_url': 'চৈত্রের-দ্বিতীয়-দিবস',\n", " 'description': '‘আমাকে খোঁজা না তুমি বহুদিন, কতদিন আমিও তোমাকে খুঁজি নাকো, -এক নক্ষত্রের নিচে তবু, একই আলো পৃথিবীর পারে আমরা দুজনে আছি; পৃথিবীর পুরানো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়, প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়, হয় নাকি?’ জীবনানন্দ দাশ'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad5e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রেমের গল্প',\n", " 'seo_url': 'প্রেমের-গল্প',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ প্রেমের গল্প বলতে যা বুঝায় আমি সে রকম গল্প লিকতে পারি বলে মনে হয় না। একটা ছেলে একটা মেয়েকে বলছে “আমি তোমাকে ভালবাসি” এটা আমার কাছে খুবই হাস্যকর মনে হয়। তারপরেও এ ধরনের গল্প যে লিখিনি তা-না, তবে সেইসব গল্প অতিপ্রাকৃত ধরনের। পাথরের সঙ্গে প্রেম, মূর্তি বা ছায়ামূর্তির প্রতি গাঢ় অনুরাগের গল্প। পাঠক যখন প্রেমের গল্প পড়তে চান তখন মানব-মানবীর সম্পর্কের গল্পই পড়তে চান। কাজেই আমার গল্প পড়ে হয়তবা ভুড়ু কুচকাবেন। কি আর করা? আমি যা পেরেছি, তাই লিখেছি। যা পারি না, তা কি করে লিখব। সূচিপত্র * সুখী মানুষ * পাথর * অতিথি * রূপা * কল্যানীয়ামু * একটি নীল বোতাম * দ্বিতীয়জন * একজন ক্রীতদাস * সাদাগাড়ি * বী্ণার অসুখ * শঙ্খমালা * অচিনবৃক্ষ * নিশিকাব্য * শ্যামল ছায়া * ভালোবাসার গল্প * নন্দিনী * গোপন কথা'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad60',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তোমাকে',\n", " 'seo_url': 'তোমাকে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ চারদিকে সুনসান নীরবতা। আমি বসে আছি চুপচাপ। আমার পাশেই ভারবাসার একটি নীল চিঠি। আমি হাত বাড়িয়ে চিঠিটি স্পর্শ করলাম। ঠিক তখনি নিচ থেকে একটি তীব্র ও তীক্ষ্ম কান্নার শব্দ ভেসে এল।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad62',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল',\n", " 'seo_url': 'জীবনকৃষ্ণ-মেমোরিয়াল-হাইস্কুল',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অত্যন্ত আশ্চর্যের ব্যাপার জীবনকৃষ্ণ মোমোরিয়াল স্কুলে আজ শিক্ষকদের বেতন হচ্ছে। তাও ভাঙ্গা বেতন না। পুরো বেতন। পুরো ব্যাপারটা শিক্ষকদের কাছে অপ্রত্যাশিত। বেতন হবে, এই সম্পর্কে হেড স্যার আগে কিছু বলেন নি। কোন আদায় পত্রও হয়নি। টাকাটা পাওয়া গেল কোথায়? কেউ এ সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন করছে না। বেতন হচ্ছে এটাই বড় কথা কোত্থেকে হচ্ছে, কি ভাবে হচ্ছে সেটা বড় কথা না। জানতে না চাওয়াই ভাল। শিক্ষকরা হেড সারের ঘরে ঢুকছেন, রেভিনিয়্যু ষ্ট্যাম্পে সই করে বেতন নিচ্ছেন।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad68',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ক্যাম্প',\n", " 'seo_url': 'ক্যাম্প',\n", " 'description': '\"ক্যাম্প\"বইটির পূর্বেরকথা: নয়-দশ বছরের একটা কিশোর খালের পাড় দিয়ে ছুটে যাচ্ছে। ক্ষেতে উবু হয়ে নিড়ানি দিচ্ছিল মাহতাব মিয়া, সে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, “এই কাচু, দৌড়াস কেন? কী হইছে? | ‘মেরে ফেলছে, মাহতাব চাচা। চোখের পানি এবং নাকের পানিতে তার মুখটা মাখামাখি হয়ে আছে, সে হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে নাকটা মুছে বলল, ‘ফজল ভাইকে মেরে ফেলেছে।। মাহতাব মিয়ার মুখ দেখে মনে হলো সে কথাটা ঠিক বুঝতে পারেনি। কয়েকবার চেষ্টা করে বলল, ‘মেরে ফেলেছে? ‘জি চাচা। খালের মুখে দাঁড় করে গুলি করেছে। মাহতাব মিয়া আবার বলল, ‘মেরেই ফেলল? ছেলেটা উত্তর না দিয়ে আবার দৌড়াতে শুরু করল। এতক্ষণ সে নিঃশব্দে কাঁদছিল, এখন সে ফোঁপাতে শুরু করেছে। নয়-দশ বছরের ছেলেটি ফোঁপাতে ফোঁপাতে খালের পাড় দিয়ে গ্রামের দিকে একটি মৃত্যুসংবাদ নিয়ে ছুটে যেতে লাগল।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad6e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সেদিন চৈত্রমাস',\n", " 'seo_url': 'সেদিন-চৈত্রমাস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মীরা সুন্দর করে সেজেছে। চোখে কাজল দিয়েছে। কাজল নামের কালো রঙ কি করে চোখে এত সুন্দর করে কে জানে। মেয়েরা উৎসব উপলক্ষে নতুন শাড়ি পরতে পছন্দ করে।বেচারী একটা পুরনো শাড়ি পরেছে। জন্মদিনের কথা শফিকের কিছুই মনে নেই মনে থাকলে একটা শাড়ি, কিছু ফুল।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad70',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তিনপুরুষ',\n", " 'seo_url': 'তিনপুরুষ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *দেবী *ময়ূরাক্ষী *দারুচিনি দ্বীপ'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad72',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মজার ভূত',\n", " 'seo_url': 'মজার-ভূত',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * মিরখাইয়ের অটোগ্রাফ * রুঁরুঁর গল্প * মোবারক হোসেনের মহাবিপদ * একটি ভয়ংকর অভিযানের গল্প * ভূত মন্ত্র * পানি রহস্য'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad74',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ত্রিনিত্রি রাশিমালা',\n", " 'seo_url': 'ত্রিনিত্রি-রাশিমালা',\n", " 'description': 'সব লেখকেরই কখনো কখনো ইচ্ছে করে বিচিত্র কোন একটি চরিত্র সৃষ্টি করতে, শ্যালক্স গ্রুন নামে সেরকম বিচিত্র একটি চরিত্র সৃষ্টি করতে গিয়ে আমি ‘ত্রিনিত্রি রাশিমালা’ নামে এই বিজ্ঞান কল্পকাহিনীটি লিখেছিলাম'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad78',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পুফি',\n", " 'seo_url': 'পুফি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ একাটা ধবধবে শাদা বিড়াল। লেজটা কুচকুচে কালো। অন্য বিড়ালদের সঙ্গে তার কোনো তফাৎ নেই। সে আরাম করে সোফায় শুয়ে ঘমায়। হাই তুলতে তুলতে টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল দেখে।তার প্রিয় সিরিয়াল “ইহা মে ঘর ঘর খেলি।” বিড়ালটার একটাই সমস্যা, ক্যামেরায় তার ছবি আসে উল্টা, মিরর ইমেজ। ভূমিকা শুরুতেই সাবধানবাণী, এটি কোনো শিশুতোষ বই না। পুফি নামের কারণে অভিভাবকরা অবশ্যই বিভ্রান্ত হয়ে তাদের ছেলেমেয়েদের এই কিনে দেবেন না। পুফিতে এমন সব বিষয়ের অবতারনা করেছি যা থেকে শিশু কিশোরদের একশ হাত দূরে থাকা প্রয়োজন। ব্যাখ্যার অতীত জগৎ আমার অতি প্রিয় বিষয়। পুফিকে নিয়ে ব্যাখ্যার অতীত গল্পই লিখতে চেষ্টা করেছি। আমার নিজের মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা যে জগতে বাস করছি সেটাইতো ব্যাখ্যার অতীত। বাইরে থেকে পুফি আনার প্রয়োজন কি ? কথাটা ভুল না। হুমায়ূন আহেমেদ দখিন হাওয়া।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad7a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তিনি ও সে (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'তিনি-ও-সে',\n", " 'description': 'এক ভাদ্র মাসের কথা। এমন গরম পড়েছে যে, পাকার কথা না-এমন সব তালও পেকে গেছে। গরমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লােড শেডিং। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কারেন্ট থাকে। সবাই বিরক্ত। শুধু মনসুর সাহেবের মুখ হাসি হাসি। প্রচণ্ড গরমেও তিনি আনন্দ পাচ্ছেন। তাকে দেখে মনে হয় ভাদ্র মাসে লােড শেডিংটার খুব প্রয়ােজন ছিল।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad7c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নির্বাচিত প্রেমের উপন্যাস : ভালোবেসে যদি সুখ নাহি',\n", " 'seo_url': 'নির্বাচিত-প্রেমের-উপন্যাস--ভালোবেসে-যদি-সুখ-নাহি',\n", " 'description': '* তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে * প্রিয়তমেষু * আমার আছে জল * একজন মায়াবতী * পাখি আমার একলা পাখি * তিথীর নীল তোয়ালে * তোমাকে * পেন্সিলে আঁকা পরী * নবনী * মেঘ বলেছে যাব যাব'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad7e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কুহুরানী',\n", " 'seo_url': 'কুহুরানী',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অনুরোধের ঢেঁকির মতো অনুরোধের উপন্যাসও আছে। অনুরোধের উপন্যাসগুলি সাধারণত ঈদসংখ্যা এবং পূজা সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। প্রোটিনের অভাবে অপুষ্ট দেহ। লিকলিকে শরীরে বিরাট পেট। কুহুরানী এরকম একটি উপন্যাস। একটা পত্রিকার ঈদ সংখ্যার লেখা। আমার হাতে সময় মাত্র তিন দিন।পত্রিকার লোক বসার ঘরে শুকরা মুখে বসে আছেন।আমি লিখছি।ছয়-সাত পাতা লেখা হতেই তিনি স্লিপ নিয়ে পত্রিকা অফিসে ছুটে যাচ্ছেন। কম্পোজ করে গেটাপ দিয়ে সাজিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুল ভ্রান্তি? আগে পত্রিকা বের হোক, ভুল প্রান্তি পরে দেখা যাবে। অনুরোধের কুহুরানীকে বই হিসেবে ঠিকঠাক করতে অনেক কষ্ট করতে হলো্ কুহুরানী প্রকাশনার দিনে ছোট্ট একটি প্রতিজ্ঞা করছি-অনুরোধের উপন্যাস আর না।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad88',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দলেবলে ছোট চাচু',\n", " 'seo_url': 'দলেবলে-ছোট-চাচু',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ খাঁচা ছিল বন্ধ।পলাশ ভেবেই পায় না, তার খাঁচার টিয়া পাখিটা কীভাবে বের হয়ে গেল।শুধু তা-ই নয়, টিয়া পাখিটা একসময় ঘোড়াপাখি হয়ে যায়।মুখটা টিয়া পাখির মতো।বাকি শরীর পুরোটা ঘোড়ার মতো। ঘোড়ার পিঠে দুটো বড় পাখা। সেই পাখায় সে উড়ে চলে।একদিন ঘোড়াপাখির পিঠে চড়ে বসল-ছোট চাচু, রিয়া, বিটু ও পলাশ।ছুটে চলল ঘোড়াপাখি। এক নতুন দেশে পৌছে গেল তারা।অপূর্ব সেই দেশ!কিন্তু অপূর্ব সুন্দর হলে কী হবে, সে দেশের প্রধান হচ্ছে ডাইনো। ডাইনোরা সব সুন্দরের বিরুদ্ধে, পাখিদের গান গাওয়ার বিরুদ্ধে-সেখানে গাছের ডালে ডালে যাতে ফুল না ফোটে, সেই ব্যবস্থা করতে চায় তারা। দেশের প্রধান ডাইনো বলে, ‘আমি তো পারলে চাঁদের আলোও নিষিদ্ধ করতে চাই।’ছোট চাচু দলেবলে ফুল-পাখি-গাছের পক্ষ নিয়ে কাজ শুরু করে।যে করেই হোক, ডাইনোদের পরাজিত করতে হবে।যেন সুন্দর দেশটিতে পাখিদের গান গাওয়া বা গাছে গাছে ফুল ফোটানো বন্ধ না হয়ে যায়।এই কাজে কীভাবে সফল হলো ছোট চাচু ও তার দলবল-সে গল্প আছে এ বইয়ে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad8c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিশ্ব যখন ফুটবলময়',\n", " 'seo_url': 'বিশ্ব-যখন-ফুটবলময়',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad90',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মাটি ও মানুষের চাষবাস',\n", " 'seo_url': 'মাটি-ও-মানুষের-চাষবাস',\n", " 'description': 'বিটিভির ‘মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে'},\n", " {'product_id': '5a82dedaf198d8fc483cad92',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অন্ধকারের গান',\n", " 'seo_url': 'অন্ধকারের-গান',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ’গল্পটা শুরু হচ্ছে আমার মত বয়েসী একটা মেয়েকে নিয়ে। চমৎকার একটি মেয়ে, রূপবতী, ইন্টেজিলেন্ট, ফুল অব লাইফ। হঠাৎ মেয়েটা জানতে পারল তার ভয়াবহ একটা অসুখ হয়েছে। তার আয়ু আছে ছ’মাসের মত। শুরুটা কেমন রে?’ ’খুব সাধারণ, লক্ষ লক্ষ এ রকম গল্প আছে।’ খুব ট্রাজিক শুরু।’ ’আমার গল্পটা অন্য গল্পের মত না.....'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cad94',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হরতন ইশকাপন (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'হরতন-ইশকাপন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মিসির আলিকে চেনেনা এমন পাঠক খুব কমই আছেন। চাক্ষুস দেখিনি, পরিচয় নেই, কিন্তু কত জানাচেনা এই লোকটি। দীর্ঘদিনের জানা। \\u200dওর হাসি-খুশিতে আনন্দ পাই, ব্যাথায় হই ব্যাথিত । মানব জীবনের রূপ-রস-রহস্য ও হাসি-কান্না-বেদনার অপূর্ব এক প্রকাশ এই মিসির আলি ও তার পার্শ্ব চরিত্র। জননন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদ-এর অপূর্ব সৃষ্টি এই মিসির আলি। হরতন ইশকাপন মিসির আলি সিরিজের বইগুলোর মধ্যে অত্যুজ্জ্বল সৃষ্টি। হরতন ইশকাপন-এ মিসির আলির সঙ্গে যোগ দিয়েছে যাদুবিদ্যায় পারদর্শী মনসুর, মানসিক রোগী রেবু, বাড়িওয়ালা আজমল সাহেব ও কাজের মেয়ে আঁখিতারা।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cad96',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অপরাহ্ণ',\n", " 'seo_url': 'অপরাহ্ণ',\n", " 'description': '‘অপরাহ্ন’ ঈদ সংখ্যা বিচিত্রায়(১৯৮৭) প্রথমা প্রকাশিত হয়। গ্রন্থাকারে প্রকাশের সময় গল্পে কিছু আদল-বদল করছি। দুটি নতুন অধ্যায় যোগ করেছি। কারণ মূল গল্প আমার কাছে অসম্পূর্ণ মনে হচ্ছিল। অবশ্যি এখন যে খুব সম্পূর্ণ মনে হচ্ছে তা না। সম্পূর্ণতার তৃপ্তি এখনো পাচ্ছি না। কিছু কিছু লেখায় আমার এ রকম হয়। অতৃপ্তি ব্যাপারটি কাঁটার মতো বিঁধে থাকে। মনে হয় এ লেখাটা না লিখলেও তো পারতাম। তবু বিচিত্র কারণে প্রচুর প্রশংসা এই লেখাটির জন্যে ছুটে গেছে। \\u200dপ্রচুর মমতা ও প্রচুর ভালবাসায় যে সব লেখা লিখেছি বেশির ভাগ সময়ই দেখেছি কেই সে সব নিয়ে কথা বলেন না। আবার নিতান্ত হেলাফেলার লেখাগুলির কথা আগ্রহ নিয়ে বলেন। কে জানে রহস্যটা কি!'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cad9a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'স্বপ্ন',\n", " 'seo_url': 'স্বপ্ন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কী হয়, কী হতে পারে যদি একদিন ভোরবেলা শহীদ আলতাফ মাহমুদ এসে হাজির হন এই বাংলাদেশে, এই ঢাকায়! যদি তাঁর দেখা হয়ে যায় শিমূল ইউসুফের সঙ্গে? যদি তারা উম্মোচন করতে থাকেন ইতিহাসের যবনিকা। যদি \\u200dউঠে আসে সেই ৪০.৫০.৬০-এর দশকের আগুনতাতানো দিনগুলো! আমার ভয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফ্রেব্রুয়ারী গানের অবিস্মরণীয় সুরকার গণমানুষের শিল্পী আলতাফ মাহমুদ একাত্তরের যোদ্ধা আর শহীদ। আজকের দিনে ফিরে এলে তিনি কী তার প্রত্যাশার বাংলাদেশকে খুঁজে পাবেন? আনিসুল হকের মমতভরা কলমে আরো একবার উঠে এলা স্বদেশ, মুক্তিযুদ্ধ আর আমাদের সান্ধ্য বর্তমান! ভূমিকা এই আখ্যানের একটি চরিত্র শহীদ আলতাফ মাহমুদ, আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী গানের \\u200dসুরকার, মহান শিল্পী ও যোদ্ধা। আরেকটা চরিত্র শিমূল ইউসুফ, আমাদের দেশের অগ্রগণ্য নাট্যজন। শিমূল ইউসূফের একটা অসাধারণ লেখা আছে এই বিষয়ে, একজন সাহসী মানুষের মুখ শিরোনামে, প্রকাশিত হয়েছে মতিউর রহমান সম্পাদিত ‘আলতাফ মাহমুদ : এক ঝড়ের পাখি’ গ্রন্থে। শিমূল ইউসুফ অনেক ভালো লেখেন। এই আখ্যানের সংলাপগুলো তাঁর পছন্দ হবে কি হবে না, এই বিষয়ে আমার মনে সন্দেহ আছে। আবার তাঁর মুখ দিয়ে প্রকাশিত আমার পরিবেশিত মত বা মন্তব্য বা তথ্যের সঙ্গে তিনি একমত নাও হতে পারেন। মনে রাখতে হবে, শিল্পী হিসেবে আমি পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়েই চরিত্রটি রচনা করেছি। কাজেই এই বইয়ের সমস্ত বাক্যের দায়দায়িত্ব আমার। তবে ঐতিহাসিক ঘটনা পরিবেশনের সময়ে সত্যনুগ থাকার চেষ্টা করেছি শতভাগ। এর আগে মা গ্রন্থ রচনার সময়ও শিমূল ইউসুফ ও নাসির উদ্দীন ইউসূফ বাচ্চুর যে সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছি, তা থেকে বলতে পারি, আমার ভুলক্রটিও তাঁরা ভালোবাসার সঙ্গেই প্রশ্রয় দেবেন। তাঁদেরকে ভালোবাসা। আনিসুল হক জানুয়ারী ২০০৮'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cad9c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ও',\n", " 'seo_url': 'ও',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ চোয়ালের হাড়গুলো উঁচু হয়ে উঠল, মনে হলো চোখ দুটো কোটর থেকে বের হয়ে আসবে। জিবটা লম্বা হয়ে মুখ থেকে বের হয়ে আসে, মাড়িটা উঁচু হয়ে দাঁতগুলো মুখের বাইরে চলে আসে। মানুষটা সারা শরীর কেমন যেন দুমড়াতে-মোচড়াতে থাকে। আমি ও মতিন ভয়ে আর আতঙ্কে একেবারে পাথরের মতো জমে গেছি নড়তে পারছি না। আমার হাতের হারিকেনটা বারকয়েক দপদপ করে জ্বলে উঠে নিভে গেল। ঠিক নিভে যাওয়ার মতো উঠে বসেছে, তারপর আমাদের দিকে লাফ দিয়েছে। সূচিপত্র *ও *আলমারি *মা-মণি *মুরিয়মের গ্রাম *মড়া'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cada4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ব্রাহ্মণের বাড়ির কাকাতুয়া',\n", " 'seo_url': 'ব্রাহ্মণের-বাড়ির-কাকাতুয়া',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এ বই কিশোর-কিশোরীদের জন্যে, তরুণ-তরুণীদের জন্যে। এই বই আনন্দের জন্যে, এই বই আলোকপ্রাপ্তির জন্যে। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এক বহুমুখী প্রতিভার নাম, অপ্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠক, জনপ্রিয় টিভি-উপস্থাপক, প্রাবন্ধিক, কবি, গল্পকার, অনুবাদক, নাট্যকার-তাঁর পরিচয়ের শেষ নেই। কিন্তু আরো একটা কারণে তাঁর পরিচয়ের শেষ নেই। কিন্তু আরো একটা কারণে তাঁর খ্যাতি দেশজোড়া, অসাধারণ বাগ্মী তিনি; তাঁর বক্তৃতা পাণ্ডিত্য, সরসতায়, সৌন্দর্যে অপূর্বতায় উজ্জ্বল। এই বইয়ে থাকলো প্রধানত স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের সামনে দেওয়া বিভিন্ন উপলক্ষে তাঁর বক্তৃতাগুলো। হাসির ছটা দিয়ে বক্তৃতাগুলো মুরু হয়েছে সাধারণ, কিছুক্ষণের মধ্যেই গল্পচ্ছলে বক্তা ঢুকে গেছেন বিষয়ের গভীরে, কেবল তত্ত্বকথা নয়, জীবনরসিকের জীবনাভিজ্ঞতার আলোয় ঋদ্ধ এই বক্তৃতাগুলো। আছে সাধারণ কৌতুক থেকে শুরু করে মনীষীদের জীবনের সত্য ঘটনার উল্লেখ, আছে কবিতা কিংবা সাহিত্যের উজ্জ্বল উদ্ধৃতি। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কিংবা রণদাপ্রসাদ সাহার মতো ব্যক্তিত্বদের নিয়ে বক্তৃতাও ঠাঁই পেয়েছে এই দুই মলাটের মধ্যেই-যে ভাষণের উদ্দিষ্ট শ্রোতাদের সবাই হয়তো তরুণও নয়। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের নিজের অন্তর জুড়ে আছে ভালোবাসা-বেদনা, এই সমাজের জন্যে, এই রাষ্ট্রের জন্যে, মানবতার জন্যে, তাই তিনি নিরলসকর্মী, কর্মিষ্ঠ ভাবুক, অনলস লেখক, নাছোড় সমাজহিতৈষী-নিজে কাজ করে চলেছেন বলে তাঁর এই বক্তৃতামালা কেবল বাগাড়ম্বর বলে ধরার ধুলায় হারিয়ে যাবার নয়। এই বইয়ের পাঠ তাই বদলে দিতে পারে একজন তরুণের জীবন, তাকে জাগিয়ে তুলতে পারে ভারোবাসায়-বেদনায়। সূচিপত্র * লাইসেন্স দিয়ে বাঘ মারা * পেতেই যদি হয় তো সোনার হরিণ * যেমন চাই চকবাজার তেমনি চাই রমনা পার্ক * ব্রাহ্মণের বাড়ির কাকাতুয়া * একটুখানি পাশ দিয়ে * সথ্যের সপক্ষে * চাই বড় মন, বৃহতের স্পর্শ * মনকে নিয়ে এসো একটি বিন্দুতে * চাই মহৎ পাগল * ছোট একটু সোনালি স্পর্শ * চাই স্বপ্নে-ভরা আনন্দময় শৈশব * আমগাছ তলার অবসর * চলো আলোর দিকে, সৌন্দর্যের দিকে * শিল্পপ্রেমিকের শুঁড়িখানা * চাই বেদনা, চাই আত্মোৎসর্গ'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cada6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভূতগাছ',\n", " 'seo_url': 'ভূতগাছ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ গাছের প্রাণ আছে একথা আমরা জানি, কিন্তু গাছ যে ভূত হতে পারে এমন কথা কেউ কখনও শোনেনি। শুনলেও বিশ্বাস করতে চাইবে না। কিন্তু সত্যি সত্যি ভূতগাছ আছে। দক্ষিণে বাংলাদেশের শেষ সীমান্ত টেকনাফে গিয়ে ভূতগাছের সঙ্গে দেখা হয় রবিনের। সেই গাছের কাণ্ডকারখানা খুব কাছ থেকে দেখতে থাকে রবিন। অতিভোরে নাফনদীতে নেমে টুক করে গোসল করে আসে ভূতগাছটি। মানুষের মতো হেঁটে নদীতে নামে, নদী থেকে গোসল সেরে আবার আগের জায়গায় এসে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। এরকম আরও কত ঘটনা। সব মিলিয়ে ‘ভূতগাছ’ এক টানটান উত্তেজনার রহস্য ভরা উপন্যাস। ছোটদের তো বটেই, বড়দেরও সমানভাবে ভালো লাগবে এই উপন্যাস।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cada8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শহরে অদ্ভুত জন্তু',\n", " 'seo_url': 'শহরে-অদ্ভুত-জন্তু',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ শহরে দেখা দিলো এক অদ্ভুত জন্তু। ভয়ে সারাটা শহর মৃতপ্রায়। নির্জন রাস্তা। ঘন অন্ধকার। ক্রাচে ভর দিয়ে বেরিয়ে পড়েছে রাজু। ক্লাশ সিক্সে পড়া রাজু। ওর একটা পা নেই। এক জলপাই রঙের ট্রাক কেড়ে নিয়েছে ওর পা। অকুতোবয় রাজু উন্মোচন করতে চায় জন্তুর রহস্য। ওর সঙ্গে যোগ ছিলো আরো দুটো ছোট্ট ছেল- বাবলু আর মনজু। গভীর রাতে ভয়ের অন্ধকার চিরে শহরের পথে পথে হাঁটছে তিন বালক। খুঁজে ফিরছে জন্তু রহস্য।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadb4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মওলানা ভাসানীকে যেমন দেখেছি',\n", " 'seo_url': 'মওলানা-ভাসানীকে-যেমন-দেখেছি',\n", " 'description': 'সাযযাদ কাদির'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadb6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শুভ্র সমগ্র',\n", " 'seo_url': 'শুভ্র-সমগ্র',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ দারুচিনি দ্বীপ রূপালী দ্বীপ শুভ্র এই শুভ্র এই শুভ্র গেছে বনে'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadb8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মে ফ্লাওয়ার (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'মে-ফ্লাওয়ার',\n", " 'description': 'ভূমিকা যে জাহাজে করে ইউরোপ থেকে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারকরা প্রথম আমেরিকা যাত্রা করেন সেই জাহাজটির নাম ‘মে ফ্লাওয়ার।’ এই তথ্য ‘মে ফ্লাওয়ার’ গ্রন্থে উল্লেখ করতে ভুলে গেছি। গ্রন্থটি পাঠক-পাঠিকারা ভালোবাসার সঙ্গে গ্রহন করেছেন। তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। হুমায়ূন আহমেদ শহীদুল্লা হল, ঢাকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadba',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রিডো নদীর ধারে',\n", " 'seo_url': 'রিডো-নদীর-ধারে',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *বঙ্গভবনের ডাক *হলিক্রসের দিনগুলি *নতুন কুঁড়ি *আমার উপন্থাপক জীবন *World Music *রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল চর্চা *আমার জন্মস্থান লন্ডন *কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যানাডা *বসন্তের ফুল ফোঁটা অটোয়া *অটোয়া তুমি অপরূপা *দেশের টানে, মাটির গানে *গানে গানে মুখরিত জীবন'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadbc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রেমপত্র পল্লবে',\n", " 'seo_url': 'প্রেমপত্র-পল্লবে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এত হাঁটাহাঁটি এত দূর আমি কী করে এসেছি বুঝিনি তো কোনোদিন পিছে ফিরে দেখি পথের চিহ্ন মুছে গেছে চিরদিন জীবন মানে তো পথের কাব্য পথেই হয়েছে শেষ হাত দিয়ে দেখি আমার কাছে রয়েছে বাংলাদেশ। এদেশের কাদা ও এদেশের মাটি শরীরে লেগেছে রোজ আমি তো ছিলাম আমার মতোই তোমরা নাওনি খোঁজ এখন যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু বিদায়ের বাঁশি বাজে আমার কাছেই নতুন পোশাক সাজব কি নব সাজে? বিদায়ের দিন বিজয়ের দিন দরজায় এসে খাড়া বুকের ভেতরে প্রাণের পক্ষী হয়েছে পাগলপারা সূচিপত্র *সৃজন ছাড়া কোন কাজ নেই *মেলায় হারানো বালক *দেহ ঘড়ি *জলতরঙ্গ *আমার বেদনা *বিচ্ছেদ *আমার উদয়ান্ত *আগুন আর কিছু না *অবিশ্রাম অনন্তকালের দিকে *ভবিষ্য-কথা *কাঁপুনি *যাত্রী *প্রেমপত্র পল্লবে *হৈ বৈশাখ, হে ঝঞ্ঝাবায়ু *ফাল্গুন আসে *ভাসান *এইতো আমি *সোনার টাকা *স্বাধীনতার কবিতা *ছায়া হয়ে গেল মায়া *আমি রাজাধিরাজ *চেহারা *গন্তব্যের কাছাকাছি *চোখের পলক পড়ে না। *আমাদের মিছিল *অন্তিমের পথ *এখন যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু *বৃক্ষের বাসনা *দিন চলে যায়'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadbe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নির্বাচিত ভূতের গল্প',\n", " 'seo_url': 'নির্বাচিত-ভূতের-গল্প',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ হুমায়ূন আহমেদের পছন্দের কিছু ভূতের গল্প এই গ্রন্থে একত্রিত করা হয়েছে। ভূত বিষয়ে লেখকদের একটি লেখার অংশ বিশেষ উদ্ধৃত করা হচ্ছে-এ থেকে ভূত প্রসঙ্গে লেখকের মনোভাব বোঝা যাবে- ”মিসির আলি সাহেব যদি জিজ্ঞাসা করা হয়-”আপনি ভূত বিশ্বাস করেন?” তিনি তৎক্ষণাৎ বলবেন-”না। যুক্তিতে ভূত আসে না।” হিমুকে এই প্রশ্ন করলে, হিমু বলবে-”অবশ্যই ভূত বিশ্বাস করি। যু্ক্তি শেষ কথা নয়-জগতের অনেক রহস্যই যুক্তির বাইরে।” এখন সমস্যা হচ্ছে মিসির আলি এবং হিমু দু’জনই আমার লেখার চরিত্র। তাহলে কি এই দাঁড়াচ্ছে যে আমি মানুষটা কখনো ভূক বিশ্বাস করছি, কখনো করছি না? তা কিন্তু না-ভূত-প্রেত, জ্বীন-পরীতে আমার বিশ্বাস নেই। গভীর রাতে যদি ছায়া ছায়া কোন মূর্তি এসে বলে, “আমি ভূঁত।” তবু বিশ্বাস করব না, ভাবব হেলুসিনেশন। দৃষ্টি বিভ্রম। তারপরেও কিন্তু ভাবতে ভাল লাগে যে আমাদের মত এরাও আছে আমাদের চারপাশেই আছে। এদের নিয়ে লেখা গা ছমছমে গল্প পড়তে ভাল লাগে-এদের নিয়ে লিখতেও ভাল লাগে। এই কারণেই এদের নিয়ে লিখি। তবে একবার লেখা হয়ে গেল দ্বিতীয়বার আর পড়িনা। যেন এরা আমার অনাদরের সন্তান। জন্ম দিয়েই মুক্তি। লালন পালনের দায়িত্ব নেই। সূচিপত্র পাথর পিঁপড়া বৃহন্নলা সঙ্গিনী ছায়াসঙ্গী শবযাত্রা ওইজা বোর্ড সে দ্বিতীয় জন বেয়ারিং চিঠি বীণার অসুখ কুকুর ভয় গোবর বাবু আয়না'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadc0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শ্রেষ্ঠ উপন্যাস',\n", " 'seo_url': 'শ্রেষ্ঠ-উপন্যাস',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * দূরত্ব * নীল দংশন * আয়না বিবির পালা * দ্বিতীয় দিনের কাহিনী * নিষিদ্ধ লোবান * বালিকার চন্দ্রযান * মহাশূন্যে পরান মাস্টার * নারীরা * গল্প কোলকাতার * এক মুঠো জন্মভূমি'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadc2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মিসির আলি সমগ্র-১',\n", " 'seo_url': 'মিসির-আলি-সমগ্র-১',\n", " 'description': 'নুহাশ পল্লী'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadc8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছোটদের যত লেখা',\n", " 'seo_url': 'ছোটদের-যত-লেখা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ * তিনি ও সে * বোকাভূ * মজার ভূত * তোমাদের জন্য রূপকথা * নীল হাতী * পরীর মেয়ে মেঘবতী * চেরাগের দৈত্য এবং বাবলু ভূমিকা আমার লেখালেখির বয়স ত্রিশ। ত্রিশ বছর ধরে লিখছি- গল্প, উপন্যাস, বৈজ্ঞানিক কল্প কাহিনী, ভূত-প্রেত বিষয়ক জটিলতা, শিশুতোষ রচনা। একজন যখন ত্রিশ বছর বিরতি ছাড়া লিখে যায় তখন একটা ব্যাপার ঘটে। শেষ বেলায় হিসাব মিলাতে গিয়ে সে ভড়কে যায়। ভুরু কুঁচকে ভাবে-এত লেখা কখন লিখলাম? আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ঘটেছে শিশুতোষ রচনার একটি নির্বাচিত সংকলন বের করতে গিয়ে। খুবই অবাক হয়ে নিজেকেই প্রশ্ন করেছি বাচ্চাদের জন্যে এত লেখা কখন লিখলাম? সংকলনের লেখাগুলি পড়েও আনন্দ পেয়েছি (এটা আমার একটা সমস্যা। নিজের লেকা পড়ে সব সময় আনন্দ পাই। বড় লেখকদের মত কখনোই মনে হয় না-কি সব ছাইপাশ লিখছি!) অনন্যা শিশুতোষ রচনার এই সংকলনটি- ‘ছোটদের যত লেখা’ বের করছে। তাদের ধন্যবাদ। তাদের কল্যাণে আবারো সেজেগুজে শিশুদের সামনে উপস্থিত হচ্ছি। বাহ ভালতো! হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী, গাজীপুর'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadca',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ফার্স্ট বয় সেকেন্ড বয়',\n", " 'seo_url': 'ফার্স্ট-বয়-সেকেন্ড-বয়',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রুমি আর জামি যমজ ভাই। দুজন দেখতে হুবহু একরকম। খুব কাছের লোকজন ছাড়া কেউ বুঝতেই পারে না কে রুমি, কে জামি। দুষ্টের শিরোমণি বলতে যা বোঝায়, রুমি আর জামি হচ্ছে তাই। আর দুজনেই খুব খারাপ ছাত্র। প্রতি পরীক্ষাতেই তিন চার সাবজেক্টে ফেল করে। ছোটমামা গিয়ে স্যারদের রিকোয়েস্ট ক ওপরের ক্লাসে তুলে দেয়। রুমি জামি এখন ক্লাস সেভেনের ছাত্র। সেকেন্ডর্টাম পরীক্ষায় দুজনেই তিনটি করে সাবজেক্ট ফেল করেছে। তারপর থেকেই শুরু হলো ঘটনা। সেই ঘটনা জানতে হলে পড়তে হবে এই বই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadcc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঢাকা : স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী ২য় খণ্ড',\n", " 'seo_url': 'ঢাকা--স্মৃতি-বিস্মৃতির-নগরী-২য়-খণ্ড',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ঢাকার পুরনো ইতিহাস গৌরবময়। এক হিসেবে জানা যায়, অষ্টাদশ শতকে পৃথিবীর সেরা শহরগুলির মধ্যে একটি ছিল ঢাকা এবং সেরা শহরের ক্রমসংখ্যায় ঢাকার স্থান ছিল দ্বাদশতম।এই শহরকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে একসময় বাংলার এবং পরবর্তীকালের পূর্ববঙ্গের বা আজকের বাংলাদেশের ইতিহাস। বর্তমান গ্রন্থটিকে একটি কোষগ্রন্থ বলাই স্বাভাবিক। ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি, অঞ্চল সম্পর্কে এখানে শুধু তথ্য জড়ো করা হয়েছে। সময়কাল মুঘল আমল থেকে ঊনবিংশ শতাব্দী। তবে বিংশ শতাব্দীরও কিছু প্রধান প্রতিষ্ঠানের উল্লেখ করা হয়েছে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadce',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মহাস্থান গড়ের উপকথা',\n", " 'seo_url': 'মহাস্থান-গড়ের-উপকথা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মহাস্থানগড়ের ইতিহাস ভিত্তিক এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি অনন্য সংযোজন। খ্রীস্ট জন্মের বহু আগে থেকেই মহাস্থানগড়ের বা পুন্ড্রনগরের রাজাধিরাজ শার্দূলবিক্রমের প্রজাবান্ধব হিসেবে সুনাম ছিল। তারই বংশধরেরা প্রায় দুই হাজার বৎসর পুন্ড্রনগরে রাজত্ব করত। মূলতঃ এই সময়ের শেষেই ইসলামধর্ম এদেশে প্রচারিত ও প্রসারিত হয়। এই পৌরাণিক যুগ থেকে খ্রীস্টজন্মের প্রায় পনেরশত বৎসর পর্যন্ত বহু কাহিনী লোকমুখে ও ইতিহাসে স্থান পেয়েছে। সেইসব কাহিনীর ভিত্তিতেই এই গ্রন্থটি রচিত হয়েছে। ভূমিকা সারাবিশ্বে পৌরাণিক কাহিনী সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপটে উপন্যাস সর্বাপেক্ষা অধিক জনপ্রিয় গ্রীস বা রোমান mythology! ভারতীয় হিন্দু পৌরাণিক উপন্যাসের সংখ্যা কম নয় এবং সেগুলোও কম জনপ্রিয় নয়। বাংলাদেশের সভ্যতা মহেঞ্জোদারো অথবা হরপ্পার সভ্যতার সমসাময়িক। শিলাযুগ বা প্রস্তুর যুগের সভ্যতার সাথে সাথেই এই দেশে যে সভ্যতার সূচনা হয় তার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল পুণ্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়ের সভ্যতা। খ্রিস্টজন্মের কয়েক শতাব্দী পূর্বে এই নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে এবং প্রায় দুই সহস্র বৎসরাধিক মানব সভ্যতার এক চরম উৎকর্ষস্থল হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে। এই সভ্যতার উত্থানের এবং পতনের সময় যে সমস্ত কিংবদন্তী বা পৌরাণিক কাহিনী বিদ্যমান সেগুলোকে একত্রে সুখপাঠ্য এবং বিনোদনজনক করে জনসমক্ষে প্রচারের জন্যই আমার এই প্রচেষ্টা। আশা করি এতে করে বাংলাদেশেল মানুষ তাদের নিজেদের অতীত সম্পর্কে জেনে গর্বিত ও অনুপ্রাণিত হবে। তবে এটা ইতিহাস নয়। ইতিহাস ভিত্তিক একটা উপন্যাস মাত্র। এর নায়ক-নায়িকারা সবাই রক্তমাংসের তবে কাল্পনিক মানুষ। তাদের জীবনের, তাদের ভারোবাসা ও প্রেমের কাহিনীগুলো আশা করি বিদগ্ধ পাঠক সমাজ উপভোগ করবেন। ফজলুল করীম'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadd0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উঠোন পেরিয়ে দুই পা',\n", " 'seo_url': 'উঠোন-পেরিয়ে-দুই-পা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ হোটেল গ্রেভার ইন মে ফ্লাওয়ার যশোহা বৃক্ষের দেশে দেখা না-দেখা রাবনের দেশে আমি ও আমরা ভূমিকা ইংরেজীতে Travelogue বলে একটি শব্দ আছে যার অর্থ অবশ্যই ভ্রমণ কাহিণী না। ভ্রমণ-গল্প হতে পারে। আমি এই ধারায় বেশ কিছু লেখালেখি করেছি। লেখাগুলিকে একত্র করার নিজে তেমন প্রয়োজন অনুভব করিনি। অনন্যা’র মুনীর কি জন্যে করলেন তিনিই জানেন। আমার ব্যক্তিগত জীবনে স্পষ্ট দুই বিভাজন আছে। জীবনের শুরুর অংশে যে আমার সঙ্গিনী ছিল শেষের অংশে সে ছিল না। অন্য একজন এসেছে। আমি পরিবার-কেন্দ্রিক মানুষ বলেই দু’জনের কথাই আনন্দ নিয়ে অবপটে লিখেছি। পাঠকরা পড়তে গিয়ে ধাক্কার মত খান কি-না কে জানে। যাপিত জীবন আমার কাছে ট্রেভেলগের মত। ভ্রমণের সঙ্গী বদল হয়। দৃশ্যপট-যিনি ভ্রমন করেছেন তিনিও বদলান।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadd2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পথে প্রান্তরে',\n", " 'seo_url': 'পথে-প্রান্তরে',\n", " 'description': 'বাড়ীর কাছে আরশী নগর'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadd4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অপরূপ ইউরোপ',\n", " 'seo_url': 'অপরূপ-ইউরোপ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ইউরোপ ভ্রমণের স্মৃতিকথা ‘অপরূপ ইউরোপ’। রোম থেকে শুরু আর কোপেনহেগেনে শেষ। মধ্যখানে ইউরেপের বেশ ক’টি শহরে ঘুরে বেড়ানো। ভালো লাগা, না লাগার নানা স্মৃতি। রোমের ভ্যাটিকান সিটি, ভেনিস, আল্পস এর আঁকাবাঁকা উঁচুনীচু পথ বেয়ে চলা। জেনেভা লেক, প্যারিসের আইফেল টাওয়ার, ল্যুভ, আমস্টারডামের মাদাম ত্যুশো, ডাম স্কোয়ার, কোপেনহেগেনের রাদুস প্লাসে, আরও কত কী! মূলত: ভ্রমণকাহিনী হলেও ডারিয়া চরিত্রটি এতে এনে দিয়েছে ভিন্নমাত্রা। পশ্চিমে জন্ম নেয়া স্বর্ণকেশী ডারিয়ার সাথে লেখকের প্রণয়বোধ এ ভ্রমণ কাহিনীকে উপন্যাসের চাদরে আবৃত করেছে খানিকটা। পাশ্চাত্যের আলো বাতাসে বেড়ে উঠা ডারিয়া এক সহজ সাধারণ মেয়ে। উগ্রতা ভর করেনি ওর কাঁধে। জীবনের কঠিন ঘোরপ্যাঁচে অভ্যস্ত নয় সে। বাবা-মা’র বিচ্ছেদ ডারিয়াকে পারিবারিক জীবন থেকে দূরে ঠেলে দেয়। স্নেহ-ভালবাসা বঞ্চিত ডারিয়া অজানা মায়াবী টানে নিজেকে সপে দিতে চায় ভিনদেশী যুবকের ভালোবাসার পেলব আহ্বানে। নিরন্তর বুনে চরে স্বপ্নের রঙ্গীন বাসর। ঝলমলে চাঁদের আলোয় রূপোলী ঢেউ মুক্তো ছড়ায় অবিরাম অবিশ্রান্ত। প্রিয় মানুষটির হাতে হাত রেখে ডারিয়া গেয়ে ওঠে “ইফ উই হোল্ড অন টুগেদার, আই নো আওয়ার ড্রীম উইল নেভার ডাই।”'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cade8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাপ্পী ভয়ঙ্কর',\n", " 'seo_url': 'বাপ্পী-ভয়ঙ্কর',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রন্টু, তপু, ইন্দ্র, চপল আর রুপম হচ্ছে বন্ধু।বাপ্পী হচ্ছে ওদের নতুন বন্ধু। সান্টুদের বাড়ির ছাদে বসে আছে ওরা। বাড়িটা অবশ্য পুরনো। এক সময় এটা জামিদার বাড়ি ছিল, এখন সান্টুদের। বাড়িটা বেশ চুপচাপ, সন্ধ্যার দিকে আরো নীরব হয়ে যায়। ওরা প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছে এখানে।বাপ্পীর জন্য অপেক্ষা করছে ওরা। বাপ্পীর আসার কথা ছিল, আসেনি এখনো, আসবে বলেও মনে হয় না। অথচ ওকে খুব জরুরি দরকার।না আসলে বড় ধরনের একটা সমস্যা হয়ে যাবে আজ। না, বাপ্প আর আসে না। ওদিকে খেলার মাঠ দখল কর ঘর তুলেছে মোখলেস ব্যাপারী।রাতের আঁধারে ঘরটাতে আগুন দিয়ে পুড়ে দিতে হবে। এর আগে আরো অনেক অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করেছে ওরা, প্রতিরোধও করেছে। মোখলেস ব্যাপারী সরকারি মাঠ দখল করেছে, মোট কথা এলাকার একমাত্র খেলার মাঠ দখল করেছে। কিন্তু এ ঘরটাতে আগুন দেওয়ার কথা বাপ্পীর, সেই বাপ্পীরই কোনো খোঁজ নেই।আরেকটা সমস্যা হয়ে গেছে এলাকায়। প্রতিদিন নদীতে লাশ ভেসে আসছে। কারা যেরন রাতের আধাঁরে ঘুরে বেড়ায়? অন্যরকম একটা আতঙ্ক বিরাজ করছে এলাকায়। এর মাঝেও বাপ্পীর দেখা নেই। অবশেষে একদিন পাওয়া যায় বাপ্পীকে। অবাক হয়ে যায় রন্টু, তপু, ইন্দ্র, চপল. রুপম, সান্টু। চুটিচুটি বাপ্পী এত বড় কাজ করেছে! একেবারে ভয়ঙ্কর কাজ!'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadf0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'যখন আমি মোটকু ছিলাম',\n", " 'seo_url': 'যখন-আমি-মোটকু-ছিলাম',\n", " 'description': 'জনপ্রিয় লেখক আনিসুল হকের চমৎকার আটটি গল্প নিয়ে এই বই। কোনো গল্পে এক ছোট্ট ছেলের সঙ্গে দেখা হয়ে যাচ্ছে এক দৈত্যের, কোনো গল্পে রোবট করে দিচ্ছে হোমওয়ার্ক, কোনো গল্পে…. আর কিছু বলা যাবে না। এই বই পড়লেই মজা।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadf4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জাদরেল জনি',\n", " 'seo_url': 'জাদরেল-জনি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ চোখে চোখ পড়লেই লোকটা হাসে। জনির প্রথমে ভালো লেগেছিল। একা রাস্তায় অপরিচিত মানুষের হাসি ভরসা দেয়। এখন একটু কেমন যেন লাগছে। একবার , দুই বার হাসি ঠিক আছে । কিন্তু এত বার হাসবে কেন? হাসে অথচ কথা বলে না। জনি কী ভেবে শেষে জিজ্ঞেস করে ফেলল, আপনি কি আমাকে চেনেন? না । তোমাকে চিনব কেন? তুমি চেনার মতো কেউ তো না। তাহলে হাসছেন কেন? হাসছি, কারণ এত সহজে হাতেরে কাছে একটা শিকার চলে এসেছে এই আনন্দে। কী বললেন? কে আপনার শিকার? তুমি। আমি! হ্যাঁ। আমার নাম রফিক ডাকাত। সবাই এক নামে চেনে। তুমি ছোট তেপা তাই নামটা নাও শুনতে পারো। তোমার বাবা মা শুনেছেন নিশ্চিত। এই যে মোবাইল না, তুমি তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখতে পারো। সে মোবাইলটা বাড়িয়ে ধরে। তারপর একটু ভেবে বলে, যাও ওনারা যদি আমার নাম শুনে চিনতে না পানে তাহলে তোমাকে ছেড়ে দেব।আর যদি চেনেন..... লোকটা হাসে। এখন হাসিটা ডাকাতের মতই লাগে। জনি এখন কী করবে? ফোনটা নেবে! বাবার সঙ্গে কথা বলবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cadfe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নিয়মিত অনিয়ম',\n", " 'seo_url': 'নিয়মিত-অনিয়ম',\n", " 'description': 'ভূমিকা রাজনীতি, সমাজনীতি ও আদর্শবাদের নামে আমাদের এখানে প্রতিনিয়ত লোক হাসানো যে বিনোদনের জন্ম হচ্ছে, সেসব বিনোদন এবং এর পাশাপাশি আমাদের সমাজ ও চলমান জীবনের বিভিন্ন সমস্যা, অসঙ্গতি ও ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতা, যখন যা মনে এসেছে, যা ভালো লেগেছে, যা ভালো লাগেনি তারই কিছু কিছু বিভিন্ন সময় পত্রিকায় লিখেছি। ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক লেখাগুলো প্রকাশিত হয়েছে। আপনাদের ভাল লাগলেই আমার ভাল লাগবে। হানিফ সংকেত সুচিপত্র *নিয়মিত অনিয়ম *ভাষায় ভাসানো ভালোবাসা *চোখ যে মনের কথা বলে *যায় দিন ভালো.... *কী জ্ঞাপনের বিজ্ঞাপন *কথায় নয় কাজে বড় *অজুহাত *বিজ্ঞাপন আতঙ্ক *মন পেতে মান প্রয়োজন *প্রতিযোগিতার বাজার *না বলুন *অল্পের জন্য রক্ষা *তিন্দু যাত্রা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae00',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিমু সমগ্র - ২য় খণ্ড (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'হিমু-সমগ্র-২',\n", " 'description': 'ভূমিকা হিমুকে নিয়ে কতগুলি বই লিখেছি নিজেও জানি না। মন মেজাজ খারাপ থাকলেই হিমু লিখতে বসি। মন ঠিক হয়ে যায়। বেশি লেখার ফল সব সময় শূভ হয় না। আমার ক্ষেত্রেও হয় নি। অনেক জায়গাতেই ল্যাজে গোবরে করে ফেলেছি। হিমুর পাঞ্জাবির পকেট থাকে না অথচ একটা বই-এ লিখেছি সে পকেট থেকে টাকা বের করল। হিমুর মাজেদা খালা এক বই-এ হয়ে গেলো মাজেদা ফুপু। তবে হিমু যে ঠিক আছে তাতেই আমি খুশি। হিমু ঠিক আছে, হিমুর জড়ৎ ঠিক আছে। তার বয়স বাড়ছে না। সে বদলাচ্ছে না। এই আনন্দ সংবাদ নিয়ে ভূমিকা শেষ করেছি। সব হিমুকে বন্দি করে যে প্রকাশক বিশাল হিমু সমগ্র বের করলেন তাঁকে (মনিরুল হক, অনন্যা। ধন্যবাদ। হুমায়ূন আহমেদ 13.11.2006 “হিমু সমগ্র-২” বইয়ের সূচিপত্র *হিমু রিমান্ডে *হিমুর মধ্যদুপুর *হিমুর নীল জোছনা *হিমুর আছে জল *হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী *হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টু ভাই'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae02',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রবীন্দ্রনাথ : প্রকৃতির গান (আজ আকাশে ছড়িয়ে দিলাম আলো)',\n", " 'seo_url': 'রবীন্দ্রনাথ--প্রকৃতির-গান-আজ-আকাশে-ছড়িয়ে-দিলাম-আলো',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ লেখিকা বাংলা্ সাহিত্যের অধ্যাপিক। রবীন্দ্রনাথা তার প্রিয় বিষয়। রবীন্দ্রনাথ সমসময় তার ঘরে পঠিত ও গীত শৈশবে মাতৃমুখে শুনতে শুনতে ঘুমোতে গিয়ে স্বপ্নেও রবীন্দ্র দর্শন। কৈশোরে তারুণ্যে পাঠ্য পুস্তকে শিহরণ জাগিয়েছেন রবীন্দ্রকাব্য। প্রকৃতির গান যেমন আনন্দের, তেমনি কবিতা পাঠ নিয়ে আসে অনন্য আবেদন। ‘রবীন্দ্রনাথ :প্রকৃতির গান’ গ্রন্থে পরিপূর্ণ রবীন্দ্রনাথ। আংশিক নয়, বরং পূর্ণায়ন রূপটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কারণ একটিই । তাহল যেখানে পূর্ণভাবে প্রকাশিত, গীতবিতানের সবগুলো পাতায় ঘুরে বেড়ানোর প্রয়োজন নেই। প্রেরণার ঝর্ণাধারা সামিরা শারমিনী সূচীপত্র * রবীন্দ্রনাথের দেশে * বিশ্ববোধ * প্রকৃতিতে ষড়ঋতু * গ্রীষ্মের গান * শরতের গান * বর্ষার গান * শীতের গান * হেমন্তের গান * বসন্তের গান * মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক * প্রকৃতির গানে স্বদেশ প্রেম * শেষ কথা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae08',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঢাকা স্টেডিয়াম থেকে সেক্টর আট',\n", " 'seo_url': 'ঢাকা-স্টেডিয়াম-থেকে-সেক্টর-আট',\n", " 'description': 'দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা বইটি প্রথম প্রকাশেল পরপরই অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী সুহৃদ এবং সহযোদ্ধা আমাকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দ বার্তা পাঠান। এর মধ্যে বর্তমানে বিদেশে অবস্থানরত বেশ কয়েকজন ‘ ৭১-এ সহযোদ্ধা ছিলেন।তাঁদের এই বার্তা আমাকে আনন্দিত করেছে।অল্প কয়েকদিনের মধ্যে প্রথম সংস্করণের সব কপি নিঃশেষ হয়ে যায়।সুহৃদ রিয়াজ আহমেদ খান, আনন্দপ্রকাশের আমীরুল ইসলাম এবং ইমপ্রেস প্রিন্টিং প্রেস-এর আহমাদ মাযহার বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছেন।আহমাদ মাযহার নতুনভাবে বইটি আবার সম্পাদনা করে প্রথমবারে কিছু ভুল শুধরে দিয়েছেন।এঁদের সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।ইতিমধ্যে আমার কয়েকজন ‘৭১-এর সহযোদ্ধা বইটির উপর তাঁদের মতামত দিয়েছেন। সেগুলি এই সংস্করণে সংযোজন করা হল।তাঁদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা রইল। আজকের প্রজন্মের বেশ কিছু পাঠক বইটি পড়ে আমার সাথে ‘৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গল্প করতে এসেছে।আজকের প্রজন্ম বইটি পড়লে এবং সাদরে গ্রহণ করলে এই প্রচেষ্টাকে সার্থক মনে করব। আমার ভ্রাতৃতুল্য মানু ভাই, মোমেন ভাই এবং মনোয়ারুল হককে তাঁদের সহযোগিতার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। তৃতীয় সংস্করণের ভূমিকা দেখতে দেখতে দ্বিতীয় সংস্করণের বইগুলিও শেষ হয়ে গেল। অনেক পাঠকের কাছ থেকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন বার্তা পেয়েছি। এটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া। এই সংস্করণ প্রকাশের সেচ্ছা দায়িত্ব নিয়েছেন প্রকাশনার অনন্যা’র জনাব মনিরুল হক।তাকে আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae0c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জেল থেকে লেখা বাংলাদেশ',\n", " 'seo_url': 'জেল-থেকে-লেখা-বাংলাদেশ',\n", " 'description': 'জামিন ও মুক্তি'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae1c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছায়ামানুষ ভাঙামানুষ',\n", " 'seo_url': 'ছায়ামানুষ-ভাঙামানুষ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘ছায়ামানুষ ভাঙামানুষ’ কবি হাসান হাফিজের সর্বসাম্প্রতিক কাব্যগ্রন্থ।প্রত্যেক মানুষই তার নিজের ভেতর, মনোগহীনে অতল নৈঃসঙ্গ্যে আক্রান্ত। সেখানে কেউই তার সঙ্গী নয়, প্রতিবেশীও নয়।মানুষ আসলে এক চলমান ভাঙচুরেরই প্রতিচ্ছবি-হয়তো কোনও দূরন্তর ছায়ারই টুকরোটাকরা প্রতিভাস! মানুষের সূক্ষ্ম চিরল বোধের নিভৃতি মূলে, ওলটপালট চৈতন্যের চরাকরে, অস্তিত্বের ‘রুখুসুখু বালিয়াড়িতে, আত্মার অনুসন্ধানে, সর্বত্র।এই গ্রন্থে বিধৃত হয়েছে মানবমনের অন্তর্লীন বেদনাবিষাদের হার্দ্য চিত্রমালা, আর্ত বিলীয়মান উপলদ্ধি ও সংবেদনের নান্দনিক জলছবি। জীবন কী,কোথায় মোক্ষ এসব প্রশ্নের তীরে বিদ্ধ হয়েছে এই কবির মনোলোক, তীব্র জিজ্ঞাসার সম্মোহনে নিরন্তর চলেছে তার পরিক্রমণ। মৃত্যুচিন্তা অনিবার্য আচ্ছন্নতায় আধো-আলো আধো-আঁধারিতে তিনি নিজেকে খুঁড়ে খুঁড়ে বের করে আনতে প্রয়াসী হন জীবনসত্যের অমৃত নির্যাস, প্রতিদিনকার দ্বন্দ্বমুখরতার মধ্যে তিনি আত্মা ও শরীর চিরে চিরে দেখতে চান। এই চাওয়া শুধু আকাঙ্খার মধ্যেই মীমিত থাকে না, চিরন্তন এক আবেদনে আপ্লুত ও শিল্পিত হয়ে ওঠে কবিতাভাষায়, চিত্রসৃজনে।শুধুই ব্যক্তির অনুভূমিত নয়, সমাজভাবনায়ও দীর্ণ, আলোড়িত এই কবি।মূলত মানুষের প্রতি অঙ্গীকারই এই বেদনায় বিদ্ধ করে।মঙ্গার মর্মান্তিক ছবিও উপস্থাপিত হয় হসজ ভঙ্গিতে। হাসান হাফিজের কণ্ঠ উচ্চকিত স্লোগানধর্মী নয়, নম্র কিন্তু দৃঢ়তায় অনড়। শ্যামল সবুজ শান্ত ধীর প্রকৃতির উদারতা কাছে ফিরে যেতে চান তিনি।এই অভিযাত্রায় পাঠককেও তার সঙ্গী করে নেন। সূচিপত্র *ছায়ামানুষ ভাঙামানুষ *দরিয়া-গল্প *দ্বন্দ্ব পছন্দ *নিয়তি কেমন *কথা নীরবতা কথা *প্রত্যাশার বিপরীতে রৌদ্রজ্বালায় জ্বলি *প্রত্যেকেই দুই পঙ্\\u200cক্তি *কুটুম্বিতার সঞ্জীবনী *ঘূর্ণিজলে স্বপ্ন ভেসে যায় *কৃতঘ্নের জন্যে মায়া *বৈঠা নে রে মরণমাঝি *মেঘমেঘালির সম্মোহনে *অবিশ্বাসের শক্তি *কোথায় মুক্তি *ভবগাঙে বিসর্জিতা জয় *ছুটির বিপদ *ওতপ্রোত চিন্তাগ্রন্থি *ব্যর্থতা *মঙ্গা ও মেঘ *বেকারের জন্মদিন *ভালোবাসাও মারণাস্ত্র *অন্তবিহীন অনন্ত যে *বেড়ে চলে জন্মঋণ *পোহায় না রাত *কথার দৌর্বল্য *অন্বেষার বিঘ্ন ভাঙচুর *জীবনধাঁধা *তুমি কার *তিত্তাতার অন্য পিঠ *তৃষা অবসাদে *দু’চার পঙ্\\u200cক্তি টেরাকোটা *স্বপ্নে সত্য যে কবিতা *কেউ কেউ পারে *নদী নাও এই নিবেদন *ধিক্কার মুঠোফোনে *মেঘমল্লার *নিভূত আকুতি *আপোসের বিপরীতে *মুক্তি:দূর আলোরেখা *নাই নাই..... *জীবন অনন্ত সত্য *মন-রহস্য *ছায়াভাঙা মানুষের শ্রম *কাছেই রয়েছি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae1e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তপুসমগ্র-১',\n", " 'seo_url': 'তপুসমগ্র-১',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *ভর সন্ধেবেলা *আলসে ভূতের গপ্\\u200cপো *তপুন ভুবন *ডাকাতের মুখোমুখি *খুঁজে ফেরা *তপুর যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae36',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ফেনী-বিলোনিয়া রণাঙ্গনের এক প্রান্তর',\n", " 'seo_url': 'ফেনী-বিলোনিয়া-রণাঙ্গনের-এক-প্রান্তর',\n", " 'description': 'দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা মূলত সময়ের তাগাদার কারণে তথ্যগত ও ভাষাগত কিছু ভুল বইটিতে রয়ে গিয়েছিল।বইটির ৮০ পৃষ্ঠায় ফেনী-বিলোনিয়ার রণাঙ্গনের একটি ম্যাপ-এ ১০ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর প্রতিরক্ষা অবস্থান সঠিক দেখানো হয়নি।অথচ এ অবস্থান গ্রহণের কারণেই পাকিস্থান সেনাবহিনীর ২৪ এফএফ এবং ১৫ বালুচ রেজিমেন্টকে পরাস্ত করে তাদের একাংশকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা গিয়েছিল।এ ভূলটি ছিলো বেশ বড় ভুল।ভুলটি সংশোধন করা হলো।মুদ্রণজানিত ছোট-খাটো ভুলগুলিও সংশোধিত হলো।ভুল ও ত্রুটি আর রইলো না-সে দাবি বোধহয় এখন করতে পারি।ফেনী-বিলোনিয়া রণাঙ্গনের দলিল এ বইটি-সে স্বীকৃতি বোদ্ধা পাঠক এবং সহযোদ্ধাদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।এ পাওয়া অনেক বড় পাওয়া।ইতিহাসের উপকরণ হিসেবে বইটি সম্পাদনা করে তাই গর্ব অনুভব করছি।এ বইয়ের পাঠক ও সমজদারের আবারো ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। গোলাম মোস্তফা ঢাকা ২১ জানুয়ারি ২০০৯ তৃতীয় সংস্করণের ভূমিকা আবারো কিছু সংস্কারের প্রয়োজন হল। আসলে সেই পুরানো কথা-শুদ্ধতার প্রান্তরেখা নেই।মূলত মেজর জেনারেল ইমামুজ্জামান, বীর বিক্রম এর লেখায় বিলেনিয়ার দ্বিতীয় যুদ্ধ এবং ১০ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও শত্রু সেনাদের প্রতিরক্ষা অবস্থান সহ ফেনী-বিলোনিয়া এলাকার ম্যাপ নতুনভাবে উপস্থাপন করতে হয়েছে, নির্ভুলতার স্বার্থে।বইটির পরিবেশক বদল করতে হয়েছে অনিবার্যতার কারণে।বানান শুদ্ধ করার কাজটি আবারো একটু করতে হল-প্রুফ দেখার ধৈর্য এবং বয়স দুইই অতিক্রম করে ফেলেছি, সেজন্য।তারপরও কিছু ভুল থেকে যেতেই পারে। ক্ষমা এমন একটি আবেদন যা বারবার করা যায়। গোলাম মুস্তাফা ঢাকা ফেব্রুয়ারি ২০১১ সূচিপত্র *ফেনী-বিলোনিয়া রণাঙ্গন : মুক্তিযুদ্ধের একটি গৌরবময় ইতিহাস-লে. কর্নেল জাফর ইমাম, বীর বিক্রম *বিলোনিয়া যুদ্ধ-মেজর জেনারেল ইমাম-উজ-জামান, বীর বিক্রম *বিলোনিয়া মুক্তির মুক্তিযুদ্ধ-মেজর জেনারেল গোলাম হেলাল মোর্শেদ খান, বীর বিক্রম *মুক্তিযুদ্ধ এবং আমার স্মৃতি-ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, বীর প্রতীক *রণাঙ্গনের স্মৃতি-কাজী রেজউল করিম *বিলোনিয়া,পরশুরাম ও ফেনী বিজয় এবং একটি প্রশ্ন-মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae44',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অবরুদ্ধ এই নগরীতে',\n", " 'seo_url': 'অবরুদ্ধ-এই-নগরীতে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ সেলিনা সিদ্দিকী শুশু’র জন্ম ২রা জানুয়ারি ১৯৫৭ সালে টাংগাইল । মা লতিফা সিদ্দিকী এবং বাবা মৌলভী মুহাম্মদ আব্দুল আলী সিদ্দিকী। স্বামী মেহেরুন ইসলাম খান সেলিম। ছোটবেলা থেকে পূর্বদেশের ‘চাঁদের হাট’ এবং ইত্তেফাকের ‘কচি কাচার আসর’র নিয়মিত লেখিকা। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স ক্লাসে একদিনের অভিজ্ঞতা। ১৯৭৫ সালের আগস্টে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যার প্রতিবাদে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের সাথে পুরো পরিবার দেশত্যাগ। ১৯৭৮ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় শান্তিনিকেতন ফাইন আর্টসের উপর নতুন করে পড়াশুনা। ১৯৮৩ সালে প্রবাসী প্রকৌশলী স্বামীর সাথে আবুধাবী যাত্রা । ১৯৮৪ সালের ২রা জুলাই আমিরাত বাংলার জন্মলগ্ন থেকে সংবাদ পাঠিকা এবং উপস্থাপক। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ডের অধীন আবুধাবীর শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামীয়া স্কুলের শিক্ষিকা। দীর্ঘ সময় আবুধাবী মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদিকা। আবুধাবীর বিভিন্ন সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত। ২০০০ সালের মাঝামাঝি কানাডার টরেন্টোতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু। বেতার বাণী কানাডায় দু’বছর নিয়মিত সংবাদ পাঠ। টরেন্টোর হারমনি হল ফর সিনিয়ার্সের সক্রিয় সদস্য। অঙ্গিকার নামক মাসিক পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক। বাংলাদেশ শিল্পী সংসদ এবং সাত সুরের সাথে ঘনিষ্টভাবে জড়িত। টরেন্টোর বিভিন্ন সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। ব্যক্তিগত জীবনে কন্যা রীম, পুত্র জীৎ এবং স্বামী সবাই প্রবাসী। অনিচ্ছাকৃত দীর্ঘ সময় সময় প্রবাস যাপন করলেও হৃদয়ে সব সময় বাংলাদেশকে ধারণ করেন।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae52',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমাদের নাঈমুল ইসলাম খান',\n", " 'seo_url': 'আমাদের-নাঈমুল-ইসলাম-খান',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * অজয় দাশগুপ্ত : সময় থেকে একটু এগিয়ে থাকা * অন্যন্য রুমা : অনেক সময়ই কুমিল্লার আঞ্চলিক ঢঙে কথা বলতেন * অনীতা বিশ্বাস : আমার দেখা বটবৃক্ষ * অমিতেষ রায় : লেখক বানানোর কারিগর * আগুন : প্রিয় মানুষের মধ্যে অন্যতম তিনি * আজিজুল হাকিম : একজন আধুনিক সম্পাদক * আনজাম মাসুদ : তিনি ন্যায্য কথাগুলোই বলেন * আনিসুল হক : আমার সাংবাদিকতায় ফিরে আসা এবং ৫০০ টাকা * আফরোজা ভূঁইয়া : জন্মদিনে শুভেচ্ছা * আবিদ রহমান : কিলার ইনস্টিংকট * আবু নাসের : সিন্ডিকেট ভাঙার কারিগর * আবু মকসুদ : নামের মহিমা * আবুল হায়াত : স্ট্রেইট কথা বলার সৎসাহস রাখেন * ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন : আমাদের কালের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র * আব্দুন নূর তুষার : আদর্শ আলোচক * আব্দুল হাসিব : আলোকিত এক জ্যোতিষ্ক * আমিনুল হক : নাঈম জানে সে কোথায় যাচ্ছে * আমীরুল ইসলাম : ম্যাজিক্যাল ক্যারেক্টার * আলম রায়হান : নাঈম ভঅইয়ের ব্যাপারে সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকি * আলী যাকের : তিনি বরাবরই একজন সাংবাদিক * আলী রীয়াজ : জন্মদিনের শুভেচ্ছা * আসমা আহমেদ মাসুদ : এই সময়টা বড় নয় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ * আসাদ চৌধুরী : গভীর গোপন আকাঙ্ক্ষার কথাটি নাঈম জানেন * আসিফ আকবর : সমাজকে স্বচ্ছ ধারণা দিতে পারেন * ইনাম আহমেদ চৌধুরী : সমাজসচেতন নির্ভীক সাংবাদিক * ইশরাত জাহান ত্রপা : সাহস দিয়েছেন অনেক * ডা. এনামুল হক : আমৈশব অকৃপণ নাঈমুল * অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ : কাণ্ডারি * করভী মিজান : স্বপ্নবাজ ও স্বপ্ন দেখানো মানুষ * ডা. কবিরুল ইসলাম ডাবলু : অনেক স্মৃতি মনে পড়ে * কাইয়ূম আব্দুল্লাহ : আমার ল্যাপটপের পাসওয়ার্ড * কাওসার মাহমুদ : তরুণদের নেতা * কাওসার সোহেলী : স্কাইলাইরা বুড়ো হয় না কোনোদিন * কাজী জেসিন : এজন শিল্পবোধসম্পন্ন ব্যক্তি * কাজী সালাউদ্দিন : প্রিন্ট মিডিয়ায় নাঈম ভাই একটি দৃষ্টান্ত * কায়সার আহমেদ : আধুনিক সংবাদপত্র ও নাঈমুল ইসলাম খান * খালিদা মাহবুব মোর্শেদ : ফুল ফুটুক আর না ফুটুক তবু ফুলের অভিনন্দন * খ্রিস্টিনা মেরি রোজারিও : একজন গুড় বাডি * গোলাম মোর্তোজা : অ্যাকটিভ সম্পাদক * চাঁদনী : তিনি সঠিক কথাই বলেন * টিং এসা : সমানভাবে গুরুত্ব দেন * চিন্ময় মুৎসুদ্দী : নাঈম খুবই স্বতঃস্ফূর্ত * জব্বার হোসেন : নারীবাদে বিশ্বাস করেন * জাকারিয়া কাজল : নাঈম সংবাদপত্র শিল্পে নতুন ধারার পথপ্রদর্শক * জান্নাতুল বাকীয়া কেকা : ফিরে দেখা * জিনাত হাকিম : যা কিছু সুন্দর, তা নাঈম ভাই সাপোর্ট দিয়ে থাকেন * জুয়েল আইচ : কৌশলগুলো ভালো জানেন * তপন বাগচী : আমাদের সময়ের কথা * তৌকীর আহমেদ : পাঠক তৈরির কারিগর * দিলরুবা হায়দার : তিনি সব সময়ই থার্ড একটা পার্সপেকটিভ দেখার চেষ্টা করেন * দিলারা জামান : বোঁচকাটি শুধু বয়েই আনেননি * নাদিয়া : তরুণদের যেকোনো সৃজনশীল ভাবনাকে গুরুত্ব দেন তিনি * নির্মলেন্দু গুণ : আরো অনেক সময় আছে কাজ করার * পারভীন সুলতানা দীতি : প্রেয় মানুষ * ফকরুল ইসলাম মুন্সী : নাঈম ক্যান গ্রো আপ আউট অব নাথিং * ফজল হাসান : একজন নাঈম ইসলাম খান * ফরিদ হোসেন শামীম : মিডিয়ায় নাঈমের অগ্রণী ভূমিকা * ফারুক চৌধুরী : সাহসী এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিক * ফারুক মঈনউদ্দীন : একটি অভিনব সংবাদপত্র * ফারুক মাহমুদ : স্বপ্নের ফেরিঅলা * ফাহমিদা নবী : কাজের জায়গাটা কখনো ভুলে যান না * ডা. বাকীরুল ইসলাম খান : নাঈমের টুকিটাকি খাওয়া * বিদিশা : জন্মদিনের শুভেচ্ছা * বিষ্ণুচন্দ্র দেবনাথ : নাঈমুল ইসলাম খান এবং আমাদের সময় * ভাস্বর বন্ধ্যোপাধ্যায় : বুদ্ধিদীপ্ত * মতিন রহমান : ভিজুয়াল মিডিয়া নিয়েও অনেক বড় স্বপ্ন দেখেন * মনিজা হাবীব : নিরাপদ ছায়াবৃক্ষ * মঞ্জুরুল ইসলাম : নাঈম ভাই দীর্ঘজীবী হোন * মামুনুর রশীদ : সত্যি কি পঞ্চাশ? * Manish Paul : Nayeemul Islam Khan, as I see him as a reader * মাজহারুল ইসলাম : নাঈম ভাইয়ের জন্য আমার আলাদা অহংকার আছে * মাহফুজ আহমেদ : তরুণ্যের আইডল * মাহবুববা চৌধুরী : কোনো বিষয়ে টাইপড নন * মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী : আপন লক্ষ্যে স্থির * মোয়াজ্জেম হোসেন : এক হৃদয়বান ব্যক্তিত্ব * মোহন রায়হান : আশ্চর্য আগুন * মোহাম্মদ আলী : সাহসী নাঈমুল * মোহাম্মদ এ আরাফাত : উদার ও যুক্তিবাদী * মুনমুন আহমেদ : নাঈম সংস্কৃতির পৃষ্টপোষক * মুন্নী সাহা : ১৫ বছর আগের সম্পর্ক এখনো অপরিবর্তিত * রঞ্জন কর্মকার : মানুষের কাছাকাছি * রহমত উল্লাহ : আমাদের অহংকার * রাশিদা আমিন : নারীদের আলোর পথ দেখাচ্ছেন * রাশিদুল ইসলাম : শত ফুল ফুটতে দিন * রিবন রায়হান : আজরেক কাগজ থেকে আমাদের সময় * রেজাউদ্দিন স্টালিন : আমাদের সংবাদপত্র সংস্কৃতি ও নাঈমুল ইসলাম খান * রোকেয়া খাতুন রুবী : একজন নাঈমুল ইসলাম খান * রোকেয়া প্রাচী : উনি বরাবর্ব পত্রিকার কারিগর * মোঃ লুৎফর রহমান : গণতন্ত্রের কথকতা * শবনম আযীম : স্বপ্নবাজ * শমী কায়সার : আমার অনেক কৃতজ্ঞতা আছে * শহীদুল ইসলাম : স্বচ্ছ মানুষ * শাকুর মজিদ : তিনি আবারো চমকান এবং ধমকান * শাখাওয়াৎ নয়ন : নাঈমুল ইসলাম খান পাটকের চোখে * শারমিন লাকী : তার কথারও ভক্ত হয়ে গেছি * শাহরুখ শহীদ : আরও কয়েক পঞ্চাশ বেঁচে থাকুন * শাহজাহান সরদার : বাংলাদেশের আধুনিক সংবাদপত্রের রূপকার * শাহনাজ মুন্নী : আমার প্রথম সম্পাদক * শাহরিয়ার রেজা : জয়তু নাঈমুল ইসলাম খান * শাহ সিদদিক : আমাদের নাঈমুলীয় সাংবাদিকতার যুগ * শিমুল মুস্তাফা : আমাদের সময়ের স্বপ্নবান মানুষ * সমর রায় : নতুন ধারার প্রবর্তক * সাইফুল আলম : শুভেচ্ছ, শুভ কামনা * সাঈফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল : একই পথের যাত্রী * সাদি মহম্মদ : চেনা ফুলে সুবাসিত * সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল : একই পথের যাত্রী * সাদি মহম্মদ : চেনা ফুলে সুবাসিত * সালাহউদদীন আহমেদ : একজন উদার গণ্ডার কিংবা গোঁয়ার মোষের গল্পv * সুকান্ত গুপ্ত অলক : অ্যাকটিভ জার্নালিজম * সুজিত মুস্তাফা : সাংবাদিক হিসেবে আরো কঠিন হওয়া দরকার * সুনীল শুভরায় : কিছু স্মৃতি, কিছু কথা * সুপ্রীতি ধর : নাঈম ভাইকে যেমন দেখেছি * সুব্রত নন্দী : একজন সাংবাদিক সংগঠক * সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম : উদ্ভাবনী ক্ষমতায় তুলনা নেই * হাশেম খান : তিনি পাঠকের মন বোঝেন * হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল : তার চোখ কান খোলা থাকে সব সময় * হাসান মাসুদ : একটা রহস্যময়তা তৈরি করেছিলেন তাঁর লেখার মাধ্যমে * হাসান হাফিজ : বহু দূরে যেতে পারো যাও * সংক্ষিপ্ত জীবনকথা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae5c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ক্লাসের বাইরে কয়েকদিন',\n", " 'seo_url': 'ক্লাসের-বাইরে-কয়েকদিন',\n", " 'description': 'ব্যাপরে বগালেকের নাম শুনেই ইংরেজিতে উত্তর দেয়া শুরু করেছো নাকি! একটা দ্বীপ অ্যাডভেঞ্চার করেই এই অবস্থা? আমি বর্ণ বলছি। দি গার্ল ফ্রম টুডে, মিস বর্ণ রহমান। বিভূতিভূষণের ‘চাঁদের পাহাড়’ গল্পটার কথা মনে আছে, শংকর আর আলভারেস কিভাবে....'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae60',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রাতুল দ্যা গ্রেট',\n", " 'seo_url': 'রাতুল-দ্যা-গ্রেট',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাসা থেকে বের হয়েই কাঁদতে থাকে রাতুল। কারণ মারাত্নক একটা অসুখ আছে তার-দু-তিন ঘন্টা পর পর সব কিছু ভুলে যায় সে। রাস্তায় তার সঙ্গে দেখা হয়ে যায় সায়ন্তের সঙ্গে। ছেলের বয়সী রাতুলকে রেখে চলে যেতে পারেন না তিনি, দায়িত্ব হিসেবে তার বাসা খুঁজতে থাকেন তাকে নিয়ে। রাতুলের কথা মতো চিড়িয়াখানায় যান, শিশু পার্কে যান, যাদুঘরে যান -কোথাও বাসা খুঁজে পাওয়া যায় না রাতুলের। এরই মধ্যে মারামারি কপাল ফাটিয়ে ফেলে সে। মারাত্নক একটা বিপদে পড়ে যায় মিমনির বাবা সাদাত। রাস্তায় একট মৃত মানুষ পেয়ে থানায় নিয়ে আসেন তিনি। মৃতের পকেটে পাওয়া মোবাইল থেকে ফোন করেন তিনি ওই মৃত মানুষটার একজনকে। তিনি আসার পর ঝামেলা আরো বেড়ে যায়, ভীষণ ঝামেলা! কিন্তু মিমনি এসবের কিছুই বুঝতে চায় না, সে আছে অংক নিয়ে, কঠিন কঠিন সব অংক। কারণ দুদিন পর গণিত অলিম্পিয়াডে যোগ দেবে সে! মেয়ে টুনিকে নিয়ে একটা ব্যাক ক্যাবে করে যাচ্ছেন মিথিলা, টুনির বাবার নাকি কি হয়েছে! কিন্তু টুনি আছে প্রশ্ন নিয়ে , একটার পর একটা প্রশ্ন করতে থাকে সে। মিথিলার ছেলে ইফতি স্কুল থেকে বাসায় ফিরে, বাসা থেকে বের হয়ে যায় আবার । অথচ মা ফোন করলে মাকে বলে বাসায়েই আছে সে। দুষ্টুমিতে কেটে যায় তার সারাদিন। কিন্তু অবশেষে জানা যায় আসল রহস্য! অদ্ভুত মজার রহস্য, ভীষণ আনন্দেরও। রাতুল, মিমনি, টুনির দেখা হয়ে যায় এক সঙ্গে, একই স্থানে। ইফতি তখন অন্য এক জায়গায়, অন্য ভাবে!'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae62',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শালিক পাখিটি উড়েছিল',\n", " 'seo_url': 'শালিক-পাখিটি-উড়েছিল',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ শালিক পাখির মতোই চঞ্চল, আনন্দ উচ্ছলতায় ফেটেপড়া সদ্য যুবতী শালিক। গ্রামের প্রভাবশালী বাবার একমাত্র মেয়ে। এই দিকে ছুটছে, এই ওদিকে ছুটছে। সারা গ্রামে শালিকের মতো সুন্দরী মেয় আর একটিও নেই। এই গ্রামের স্কুল মাস্টার হয়েছে এসেছে পলাশ নামের শান্ত স্নিগ্ধ এক যুবক। শালিকের সঙ্গে গড়ে ওঠে তার হৃদয়ের সম্পর্ক। কিন্তু শালিকের বিয়ে ঠিক হয়ে আছে গ্রামের আরেক অর্থশালী পিতার এক গবেট ছেলের সঙ্গে। তারপর........'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae66',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কলামসমগ্র-১',\n", " 'seo_url': 'কলামসমগ্র-১',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আমাদের দেশ ও দেশের মানুষ, প্রাসঙ্গিক সমাজচিন্তা, রাজনৈতিক ভাবনা, শিক্ষা-প্রসঙ্গ, তরুণ প্রজন্ম, উন্নয়ন বিষয় এবং সমকালীন প্রসঙ্গ, উন্নয়ন বিষয় এবং সমকালীন প্রসঙ্গ নিয়ে মুহম্মদ জাফর ইকবাল নিরন্তর কলাম লিখেছেন। পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর কলাম চিন্তার স্বচ্ছতা, প্রত্যয়ী সাহস এবং রচনার স্বাদু গুণে বরাবর পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। কিশোরদের প্রিয় লেখক এবং রচনার স্বাদু গুণে বরাবর পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। কিশোরদের প্রিয় লেখক এবং শিক্ষাব্রতী মুহম্মদ জাফর ইকবাল ঋজু এবং দৃঢ়তার সঙ্গে নিজস্ব মতামত ও বক্তব্য প্রকাশ করে থাকেন। তাঁর প্রতিটি রচনায় উদ্ভাসিত হয়েছে সমকাল, স্বভূমি এবং স্বদেশের মানুষ। কলামসমগ্র-এ মুহম্মদ জাফর ইকবালের চিন্তাশীল, উদ্যমী ও সংস্কারমূলক কর্মভাবনার স্বচ্ছ একটি প্রতিচিত্র পাওয়া যাবে। ভূমিকা গত সাত বছরে প্রতাশিত আমর সাতটি কলামের বই সংকলিত করে কলামসমগ্র/২ প্রকাশিত হয়েছে।সাত বছর আগে আমার প্রথম কলাম সমগ্রটি প্রকাশিত হয়েছিল, তথন আমার ধারণা হয়েছিল প্রকাশক মনিরুল হক তার সেই অভিজ্ঞতা থেকে একটা শিক্ষা গ্রহণ করবেন এবং ভবিষ্যতে আর এই পথ মাড়বেন না । কিন্তু লক্ষ্য করছি তিনি বেশ উৎসাহ নিয়েই কলামসমগ্র/২ প্রকাশ করার আয়োজন করছেন এবং সেটি দেখে আমি খানিকটা উৎসাহিত অনুভব করছি। আমি ছোটদের জন্যে লিখি তাই আমর ধারণা ছিল যে আমর পাঠক তাদের প্রায় সবাই নিশ্চয়ই শিশু কিংবা কিশোর কিশোরী। কিন্তু আমি খানিকটা বিস্ময় নিয়ে আবিষ্কার করেছি আমার কিছু পূর্ণ বয়স্ক পাঠক আছেন এবং তারা সবাই আসলে খবরের কাগজে ছাপা হওয়া কলামের পাঠক। সেই পাঠকের কেউ কেউ হয়তো এই সমগ্র নেড়ে চেড়ে দেখতে আগ্রগী হতে পারেন। খবরের কাগজে আমি যখন কিছু লিখেছি তখন সবসময়েই সেটি লিখেছি খুব সাম্প্রতিক কোনো বিষয় নিয়ে। সেই সময়টুকু পার হওয়ার পর সেই লেখাটির কোনো গুরুত্ব থাকে না। কিন্তু যদি মাঝখানে অনেক খানি সময় পার হয়ে যায় তখন লেখাগুলোতে অন্য এক ধরনের গুরুত্ব ফিরে আসে- তখন লেখাগুলো একটা বিশেষ সময়ে একজন মানুষের ব্যক্তিগত ভাবনা চিন্তার প্রতিফলন হিসেবে দেখা সম্ভব হয়। লেখাগুলোতে সেই সময়ের ইতিহাসের এক ধরনের প্রতিফলন হয়। এই সংকলনের প্রথম গ্রন্থটির নাম “দুঃস্বপ্নের রাত এবং দুর্ভাবনার দিন”-নামটি দেখেই অনুমান করা যায় \\u200dযুদ্ধাপরাধীরা সরকারের অংশ হিসেবে জোট সরকার গঠন করার পর সত্যি সত্যি দীর্ঘ সময়ের জন্য দুঃস্বপ্নের রাত এবং দুর্ভাবনার দিন শুরু হয়েছিল। সেই দুঃসময়েও আমি স্বপ্ন দেখতে চেয়েছি, বিজয় চেয়েছি, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করেছি। এই সংকলনটি দেশের সাংস্কৃতিক রাজনীতির কথা উঠে এসেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়টুকু এসেছে এবং সেনা্বাহিনীর হস্তক্ষেপের কথাও চলে এসেছে! একটা সময় গিয়েছে যখন সেনাবাহিনীর চোখ রাঙানীর জন্যে সত্যি কথাটি বলা যেতো না-তখনও বৈশাখের হাহাকারের কথা লেখার চেষ্টা করেছি! অনেকদিন পর যথন সেই লেখাগুলো দেখি অথচ পুরো সময়টুকু আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে। অন্য কেউ যখন পড়বেন, হয়তো তার চোখেও ভেসে উঠবে-আমার চশমায় দেখা প্রায় সাত বছরের এক ধরণের খণ্ডিত ইতিহাস। মুহম্মদ জাফর ইকবাল সূচি * দেশের বাইরে দেশ * সাদাসিধে কথা * নিঃসঙ্গ বচন * প্রিয় গগন এবং অন্যান্য * হিমঘরে ঘুম ও অন্যান্য * পৃথিবীর সৌন্দর্য এবং আলফ্রেড সরেন * ২০৩০ সালের একদিন ও অন্যান্য'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae6e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভালোবেসে সখি নিভূতে যতনে',\n", " 'seo_url': 'ভালোবেসে-সখি-নিভূতে-যতনে',\n", " 'description': 'মধ্যবিত্ত জীবনে প্রেম-ভালোবাসার রোমহর্ষক গল্প-ভালোবেসে, সখী নিভৃতে যতনে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae70',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তেঁতুল পাতায় নয়জন',\n", " 'seo_url': 'তেঁতুল-পাতায়-নয়জন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মমর জন্য আগেই ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে গিয়ে বসে আছে রবি। সে মমর জন্য পাগল কিছু মম তাকে চেনেই না, দেখেওনি কখনও । রবি নানারকম নাটকীয় ঘটনার মধ্যদিয়ে মন জয় করার চেষ্টা করছে মমর। নিজের পরিচয় দিচ্ছে কলকাতার বাঙালি হিসেবে। অবিরাম কথা বলে যাচ্ছে ঘটি ভাষায়। শেষ পর্যন্ত মম কি পছন্দ করতে শুরু করে রবিকে.........'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae78',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভয়ংকর ভূতুড়ে',\n", " 'seo_url': 'ভয়ংকর-ভূতুড়ে',\n", " 'description': '\"ভয়ংকর ভূতুড়ে\" বইটি সম্পর্কে কিছু কথা: ভয়ংকর ভূতুড়ে বইটি হুমায়ুন আহমেদের লেখা একটি শিশুতোষ রচনা। আখলাক সাহেব, তিনি অংকের শিক্ষক। বয়স বায়ান্ন হল, এখনো বিয়েথা করেননি। তিনকূলে আছে এক বোন, আর তার বাসায় সপ্তাহে একবার করে যান। গেলেই মেয়েটা তার বিয়ে দেবার জন্য বড্ড চাপাচাপি করে। বিরক্ত হন আখলাক সাহেব। এই লোকের বাড়িতেই কিনা হানা দিলো ভূত। যে সে ভূত নয়, একদম লেখক ভূত! তার লেখার বিষয় মানুষ, মানব সমাজ ইত্যাদি। ভূত তাকে জার্মান ভাষায় শুভরাত্রি জানিয়ে বিদায় নিলো প্রথম রাতে। আর তার পর থেকেই সমস্যা শুরু। একমুখ দুইমুখ করে চাওর হয়ে গেল ভুতের গল্প, সবাই ক্রমশ সন্দেহ করে চলল তার মানসিক ভারসাম্য সম্পর্কে! ওদিকে ভূত প্রায় রাতেই আসে, আর উদ্ভট আইডিয়া তার মাথায় ঢুকিয়ে চলে যায়।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cae88',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ-৪',\n", " 'seo_url': 'গণমাধ্যমে-বাংলাদেশের-মুক্তিযুদ্ধ-৪',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল। যুদ্ধের পুরোটা সময় বিশ্বের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বাংলাদেশে গণহত্যার বিরুদ্ধে লেখা হয়েছে, গান বাঁধা হয়েছে, কনসার্ট করেছেন যশস্বী গায়করা। রা্স্তায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন সংবাদ সামিয়ক পত্রে পাওয়া যাবে সে সময়কার বিবরণ যা আমাদের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল। আর বাংরাদেশ চর্চার পক্ষে আমরা নিয়োজিত আছি সে সব সংগ্রহ ও সংকলন করে একটি গ্রন্থমালা প্রকাশের। এ গ্রন্থমালা্র নাম গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। ইতোমধ্যে গ্রন্থমালার তিন’টি খন্ড প্রকাশিত হয়েছে। এখন প্রকাশিত হলো চতুর্থ খন্ড। বর্তমান খন্ডে, হাসিনা আহমেদ মুজিননগর, মুক্তঞ্চল ও অবরুদ্ধ বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ৪৫টি বাংলা পত্রপত্রিকা থেকে সংকলন করেছেন। এতো ব্যাপক আকারে এ ধরনের দলিলপত্র প্রকাশ এই প্রথম। সূচিপত্র ভূমিকা গণহত্যা/নিপীড়ন/নির্যাতন রাজাকার মুক্তা্ঞ্চল শরণার্থী পরিশিষ্ট ১. পত্রপত্রিকা ও সম্পাদকের নামের তালিকা ২. বাংলাদেশের মানচিত্র ৩. ১৯৭১ এর বর্ষপঞ্জি প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকার আলোকচিত্র গ্রন্থপঞ্জি শব্দসূচি'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caea8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শিশুকে সুস্থ রাখুন',\n", " 'seo_url': 'শিশুকে-সুস্থ-রাখুন',\n", " 'description': 'শিশুর গোসল, পোশাক ও পরিবেশ'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caed6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পূবের সূর্য',\n", " 'seo_url': 'পূবের-সূর্য',\n", " 'description': 'ভূমিকা ‘পুবের সূর্য’ প্রথম বই আকারে বেরোয় কলকাতা থেকে, প্রায় সতেরো বছর আগে।এটা আমার প্রথম বই। মুক্তিযুদ্ধের ওপর ছোটদের জন্য লেখা আমাদের প্রথম উপন্যাসও এটা।ছোট মানে একেবারে ছোট নয়। এ বইয়ের প্রধান চরিত্রদের বসয় সতেরো থেকে একুশের ভেতর।যখন এই বই লেখা হয় তখন আমার বয়সও তাই ছিল।এখনকার তরুণরা আমাদের মতো ভাবে কিনা জানি না।তবে এটা জানি যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় বা তার কিছু আগে পরে জন্মেছে, তারা জানতে চায় মুক্তিযুদ্ধটা আসলে কী ছিল।অল্প বয়সের লেখায় যা থাকে, আবেগ উচ্ছ্বাস-এ বইতে যথেষ্ট আছে।তারপরও আছে মু্ক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি। এটা এখনকার তরুণদের জানা খুবই দরকার বলে আমি মনে করি। এবার বই আকারে বের করতে গিয়ে মূল বইয়ের অনেক কাটছাট করতে হয়েছে। কলকাতা থেকে যে ‘পূবের সূর্য’ বেরিয়েছিল তা সেটার পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল পৌনে দু’শয়ের বেশি।ছোট না করলে যাদের জন্যে এ বই তারা কিনতে পারবে না। তাবে পৃষ্ঠা কমালেও কাহিনীর ধারাবাহিকতা যাতে নষ্ট না হয় সেটা আমার বিবেচনায় ছিল।আমার লেখা পড়তে যারা অভ্যস্থ, তাদের কাছে এ বইয়ের ভাষা একটু অন্যরকম মনে হবে।ভাষার ক্ষেত্রে আমি কোনো পরিবর্তন করিনি।আমি যখন তোমাদের মতো ছিলাম, তখন কীরকম লিখতাম এই বই তারও একটা প্রমাণ।আশা করি তোমাদের ভালো লাগবে। শাহরিয়ার কবির ১৮ই ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৮৯'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caf14',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কবিতা সমগ্র',\n", " 'seo_url': 'কবিতাসমগ্র-100',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তাঁর পেছনে আছে বিশাল ব্যাপক এক কষি-পটভূমি, ধারাবাহিক এক স্মৃতি-পরস্পরা সমগ্র বাঙালি সত্তার।পেছনে ফেলে-আসা স্মতিঘন সেই প্রেক্ষাপট প্রায়শই ছায়া ফেলে তাঁর মননে-মনে।সর্বাংশে আধুনিক হয়েও আবহমান বাঙলার মৃত্তিকায় গভীরভাবে প্রোথিত তাঁর আবেগ; আহত হ’য়ে, আঘাতপ্রাপ্ত হ’য়ে মাঝেমধ্যে অসম্ভব রূঢ় বটে তাঁর উচ্চারণ কিন্তু গ্রাম্যতা বা স্থলতা তাঁকে আশ্রয় ক’রে লতিয়ে উঠতে পারে না;সবাংশে নাগরিক হ’য়েও তিন চান : জলের গভীরে জ্যেৎস্না, বিরল বসতি, সমূহ সারল্য, লাঙলের ফলপ্রসূ ফলা, তৃণের লাবণ্য, পরিময় বীজতলা, কয়োর মতন দৃষ্টি, পরিচ্ছন্ন হ্রদ, ব্যাপক খামারবাড়ি, লাবণ্যের ধারাবাহিকতা-শান্তিচ্ছায়াঘন এক আদিম অরণ্য।বহিরঙ্গে নাগরিক তিনি,অন্তরঙ্গে অতৃপ্ত কৃষক-এই সংগ্রহের দুই মলাটের মধ্যে উপযুক্ত বৈপরীত্যে রফিক আজাদ ধরা দেন তাঁর পাঠকের কাছে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caf20',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গল্প সংগ্রহ',\n", " 'seo_url': 'গল্প-সংগ্রহ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * একটি প্রেমের গল্প * রুবিরন * খর-যৌবনের বন্দি * মুক্তিযোদ্ধা * অবিমিশ্র মানুষ * ল্যাজারাসের প্রত্যাবর্তন * বেহুলা-ভাসান * রোদনরূপসী * উধাও চরাচরে * জনিত বাসনা * চেতনাচেতনের পদাবলি * স্বর্ণচাঁপার রূপকথা * স্বপ্ন-দুঃস্বপ্নের গল্প ভূমিকা যাঁরা লেখালেখি করেন তাঁরা নিজেদের লেখাকে সবসময় পাঠকের গোচরে আনতে চেষ্টা করেন। লেকার স্বার্থেই এটা তাঁদের করতে হয়। এটা তাঁরা মোটামুটি পারেনও। লেখকদের সবারই একটা নিজস্ব লেখক জীবন থাকে। তাঁরা থাকেন সেই জীবনের মধ্যে পুরোপুরি প্রোথিত। তাই নিজেদের লেখাকে মানুষের চোখের সামনে নিয়ে আসার জোরালো চেষ্টা যেমন তাঁদের ভেতর থাকে তেমনি তার সাফল্যেও থাকে। আমি এটা পারিনি। আমি মূলত সামাজিক ও সংগঠন জগতের মানুষ। বছর কয়েক ধরে লিখছি বটে, কিন্তু পাঠকের গোচরে সেসবকে আনতে হলে যে সময় আর মনোযোগ দরকার তা আমার জোটেনি। তাই আমার লেখা সম্বন্ধে পাঠকদের জানানো খুবই অল্প। বিশেষ করে ছোটগল্প সম্বন্ধে। ছোটগল্প সংখ্যা্য় কম, লেখা হয়েছে বিক্ষিপ্তভাবে। ফলে লেখাগুলো পাঠকদের চোখে একরকম পড়েই নি। এ পর্যন্ত আমার ছোটগল্পের বই দুটো ‘রোদনরূপসী’ আর ‘খর যৌবনের বন্দি’। আরেকটা বই ‘স্বপ্ন-দুঃস্বপ্নের গল্প’ বেরোবো বেরোবো করছে। দীর্ঘ বিরতি ও বিচ্ছিন্নভাবে এই গল্প ও বইগুলো প্রকাশিত হওয়ায় এগুলো পাঠকের দৃষ্টি পুরোপুরি এড়িয়ে গেছে। একসঙ্গে গল্পগুলো বের হলে হয়তো তা পাঠকের চোখে পড়বে এই দুরাশা নিয়ে এই গল্প-সংগ্রহ বের করলাম। গল্পগুলো পাঠকের ভালো লাগলে কৃতার্থ বোধ করব। যার উৎসাহ না পেলে এই বই প্রকাশিত হত না তিনি অনন্যা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মনিরুল হক। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রর আলাউদ্দিন সরকার বইটি প্রকাশের প্রথম থেকে শেস পর্যন্ত অক্লান্ত সহযোগিতা দিয়েছেন, তাঁর কাছে আমার কৃতজ্ঞতা। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ঢাকা ১৯.০২.০৩'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caf24',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নির্বাচিত গল্প',\n", " 'seo_url': 'নির্বাচিত-গল্প',\n", " 'description': 'সূচিপত্র হস্তারক *গ্রাস *মুখোশ *বৃত্ত *জীবনযাপন *অভঙ্গুর *খননকারী *ব্যাক্কল সংবাদ *মকবুল রানাদের আগমন সংবাদ *ভুল বিকাশ *আশ্চর্য প্রদীপ *স্থির চিত্র ও একটি হাউস *স্বপ্নযাত্রা *তার স্বপ্ন *পুলিম আসবে *ভিড়ের মানুষ *তার পণ্য *বুনো *প্রেম *অপেক্ষা *লাফ *সন্তাপ *ক্ষমতাহীন *কবেজ লেঠেল *দুপুরবেলা *মৃদু নীল আলো *ফেরা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caf2c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শ্রেষ্ঠ কবিতা',\n", " 'seo_url': 'শ্রেষ্ঠ-কবিতা-100',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তিরিশোত্তর কবিতার ধারায় কবি আহসান হাবীব আমাদের আদি পিতৃপুরুষ এ-কথা আজ সর্বজস্বীকৃত। বোদলেয়বীয় আধুনিকতার যে উদ্বোধন ঘটে বাংলা কবিতায় তিরিশ কবিকুলের রচনাকর্মে, এ-বাংলায় আহসান হাবীব ছাড়া তাঁর সকালের শক্তিমান কবিদের অন্য কেই এত ব্যাপকভাবে তাকে আত্মস্থ ও আলিঙ্গন করতে পারেননি।চল্লিশের দশকে আহসান হাবীব তিরিশোত্তর আধুনিকতাকে কেবল আত্মস্থ করেননি-তিরিশি কবিরা তাঁদের কাব্যতত্ত্বে নৈরাশ্যবাদ, স্বকালের বন্ধ্যাত্ব, বিমানবিকীরণ তথা জনজীবন বিচ্ছিন্নতার যেসব সীমাবদ্ধতার দেয়াল তৈরি করেছিলেন, তিনি তা ভেঙে দিয়ে আধুনিকতার সংজ্ঞা করে তুললেন সম্প্রসারিত ও মুক্ত। আহসান হাবীবোত্তর আমাদের আধুনিক কবিতা তাই এসব ইজমের দাসত্ব করেনি।আশাবাদ ও স্বদেশ-সংল-গ্নতাকে ধারণ করেও কবিতার আধুনিকতা ক্ষুণ্ন হয় না, আহসান হাবীব তাঁর রচনাকর্মের মাধ্যমেই তা আমাদের দেখিয়েছেন।কবি হিসেবে আহসান হাবীব আমাদের কাছে বরেণ্য কেবলে এই ঐতিহাসিক সত্যটুকুর জন্যই নন-তিরিশোত্তর কালে আবির্ভূত আমাদের শ্রেষ্ঠ কবিদেরও একজন তিনি।‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ বলে মালাটবন্ধ এ-সংকলনের কবি-তাগুলোই আহসান হাবীব-এর শ্রেষ্ঠ কবিতা-এমন অহমিকা সংকলকদ্বয়ের নেই, কারণ কোনো কবির শ্রেষ্ঠ রচনাকর্মের নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাক্তি-নিরপেক্ষ নয়। পাঠকভেদে এর তারতম্য ঘটবে এটাই স্বাভাবিক। বলা যায় আমাদের পছন্দের কিছু কবিতাকে এ-গ্রন্থে সংকলিত করতে পেরে আমরা আনন্দিত।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc006',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নির্বাসন',\n", " 'seo_url': 'নির্বাসন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আজ জরীর বিয়ে হচ্ছে এবং আশ্চর্য, সেই ছেলেটির সঙ্গেই। মাঝখানে একটি ভালোবাসার সবুজ পর্দা দুলছে ঠিকই, কিন্তু তাতে কী? জীবন বহতা নদী। একটি মুত্যু যুবকের জন্যে তার গতি কখনও থেমে যায় না। থেকে যাওয়া উচিত নয়।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caf6a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ওদের জানিয়ে দাও',\n", " 'seo_url': 'ওদের-জানিয়ে-দাও',\n", " 'description': 'প্রথম সংস্করণ নিঃশেষিত হওয়ার বহু দিন পর ওদের জানিয়ে দাও-এর দ্বিতীয় সংস্কারণ প্রকাশিত হলো।বর্তমান সংস্করণে কিছু বানান এবং বাক্য গঠন পরিবর্তিত হয়েছে, যদিও মুদ্রণ প্রমাদ সম্পূর্ন দূর করা যায়নি। বর্তমান সংস্করনের জন্য নতুনভাবে প্রচ্ছদ এঁকেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। শা. ক. জুলাই ১৯৯৩'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caf7e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস সমগ্র',\n", " 'seo_url': 'মুক্তিযুদ্ধের-উপন্যাস-সমগ্র',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছেন ইমদাদুল হক মিলন। কখনও তাঁর উপন্যাসের বিষয় হয়েছে একাত্তরের সেই ঘৃণিত স্বাধীনতা বিরোধীচক্র, রাজাকার। স্বাধীনতার বেশ কিছুকাল পর সাপের শীতনিন্দ্রা ভেঙ্গে জেগে ওঠার মতো যারা, বিষাক্ত ছোবলে জর্জরিত করতে শুরু করেছে আমাদের প্রিয়তম মাতৃভূমি। গ্রাম বাংলার সরল সাধারণ মানুষ অনুপ্রাণিত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে, কোন মন্ত্রবলে গ্রাম্য বালক শান্তিবাহিনীর চেয়ারম্যানের হাতে প্রাণ দেয়, তবু হদিশ দেয় না মুক্তিযোদ্ধার! স্বাধীনতার প্রাকমুহূর্তে খুঁজে পাওয়া অবোধ শিশুটি আজ কি রকম ভাবে বেঁচে আছে। আর সেই গ্রাম্য চৌকিদার, যুদ্ধে যাবার সময় ছেলে যাঁর বলে গিয়েছিল, অপেক্ষায় থেকো, আমি ফিরে আসবো স্বাধীনতা নিয়ে।মহান পিতা অপেক্ষা করে আছেন। স্বাধীনতা এসেছে, ছেলেটি তাঁর ফিরে আসেনি।কেন কারও কারও মনে হয় স্বাধীনতা এক মুক্ত দুর্বিনীত কালো ঘোড়া, যে থাকে কেবলই ধরা ছোঁয়ার বাইরে!কেন স্বাধীনতার অনেককাল পর কোনও কোনও মুক্তিযোদ্ধার মনে হয় মুক্তিযুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, আবার বুঝি অন্ত্র তুলে নিতে হয় হাতে, শুরু করতে হয় মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্ব! ইমদাদুল হক মিলনের ‘মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় উপন্যাস সমগ্র’এমন এক অনুসন্ধানী আলোর উৎস, যে আলোয় নানা রকমভাবে উদ্ভাশিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ।দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়েছে সেই আশ্চর্য সময়, উনিশশো একাত্তর।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caf8c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন',\n", " 'seo_url': 'সত্যের-সন্ধানে-প্রতিদিন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলাদেশের রাজনীতির চার দশক-ষাট থেকে নব্বইয়ের রাজনীতির প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণী ‘সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন’। স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক ধারার- এ চার দশকের উত্তাল দিনগুলিতে অপসারিত হয়েছে অপশক্তি, মাথা উঁচু করতে শুরু করেছে গণতন্ত্র। অভ্যূদয় ঘটেছে গণতান্ত্রিক টেচতনার। আর এ সবই নিস্পন্ন হয়েছে- একের পর এক গণঅভ্যূত্থানে। তবুও গণতন্ত্র বিরোধী শক্তি বিনাশ সম্ভব হয়নি। ইতিহাসের পাতায় লিখা রয়েছে এসব শাষক শোষক, নির্যাতক ও গণতন্ত্র হত্যাকারীর নাম ঠিকানা। এর সবটুকু বিবরণ হয়ত ইতিহাসের পাতায় নেই যেমনটা তুলে ধরা হয়েছে এই গ্রন্থে। পাঠক পাঠ করতে করতে নিজেই জানতে পারবেন সেইসব অজ্ঞাত কাহিনী। ‘কোন ঐতিহাসিকের কলমে নয়’ বরং একজন সত্যানুসন্ধানী সাংবাদিকের কলামে উঠে এসেছে কাংখিত সেই কাংখিত সেই উপাখ্যান। জাতীয় জীবনের প্রতিটি ঘটনার অন্তরালের চিত্র সম্পর্কে একজন প্রতিথযশা সাংবাদিক ঘটনার সাথে যুক্ত থেকে কিভাবে দেখেছেন তার বিবরণী ‘সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন’। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের উত্থানে সাংবাদিকতার যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে তার বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করেছেন জনাব রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে আমাদের সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে বর্তমান পর্যায়ে উন্নীত করার ক্ষেত্রে সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং দেশের আপামর জনগণের মধ্যে যে নিবিড় সম্পর্ক ছিল তার দলিল- এ বই। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের দিনলিপি ভবিষ্যত প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাহস ও শক্তি যোগাবে। এই বইয়ে সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ তুলে ধরেছেন সাংবাদিকদের সেইসব প্রয়াসের কথা-যা শৃংখলিত সাংবাদিকতাকে অর্গলমুক্ত করেছে। ঊনিশ শ’ নব্বইয়ে গণতন্ত্রের নবযাত্রায় সাংবাদিকদের কৃতিত্বপূর্ণ সাহসী ভূমিকার বিবরণ রয়েছে ‘সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন’-এ। সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকতায় এই গ্রন্থ দিক নির্দেশনার কাজ করবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caf9a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রাজনীতি : সাম্প্রতিক',\n", " 'seo_url': 'রাজনীতি--সাম্প্রতিক',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *শুভ উদ্যোগেও রাজনীতি মোড় নিতে পারে *প্রধানমন্ত্রী যদি ভিন্ন পথে যান *বঞ্চনা নির্দয় ক্ষমতার লড়াই নিশ্চিত করে *নির্বাচনের তারিখ মীমাংসার অন্তরায় নয় *সমঝোতাই জনগণের শাসনতন্ত্র *জয়-পরাজয়ের কোন আশঙ্কা বা সুযোগ থাকবে না *যুদ্ধক্ষেত্রেও সন্ধির মুহূর্তে সজীব থাকে *‘আমরা বাঘের সঙ্গেই বাঘের লড়াই চেয়েছিলাম’ *নির্বাচনই সকল সমস্যার সমাধান নয় *কোন পক্ষের অস্ত্রের ব্যবহার রাজনৈতিক যুক্তি নয় *তিনি জনগণের শাসক, না জনগণ তার শাসক *দুই নেত্রীর যৌক্তিক সমঝোতাই প্রধান *তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও প্রতিশ্রুতি *বিরোধী দলের মৌলিক দাবির নিরিখে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব *আলোচনার দিগন্ত এখন প্রসারিত *বিতর্কিত নির্বাচনই এখন সমঝোতার অন্তরায় *রাষ্ট্রপতির বক্তব্য রাজনৈতিক জটিলতা তীব্র করেছে *সমঝোতা ছাড়া সরকার পরিচালনা দুরূহ *সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উপর তত্ত্বাবধায়ক সরকার *জনগণের সহযোগিতা ব্যতীত নির্বাচন অচল *নির্বাচনে সহিংসতা শুভবুদ্ধির উপরে স্থান পাবে? *রাষ্ট্রকর্মে কোন অচ্ছুৎ পবিত্রতা নেই *বিএনপি পার্লামেন্টে গেলেও বৈরিতার অবসান হবে কি? *অনাকাঙ্ক্ষিত অশুভ স্পর্শে যেন নির্বাচন না হয় *'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caf9e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঢাকা সমগ্র-১',\n", " 'seo_url': 'ঢাকা-সমগ্র-১',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ঢাকার ইতিহাস চর্চার সঙ্গে ড. মুনতাসীর মামুনের নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। গত দু’দশকে তাঁর নিরলস চেষ্টায় ঢাকার ইতিহাস আক্ষরিক অর্থে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, ঢাকা নিয়ে গবেষণার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন অনেক। শুধু তাই নয়, ঢাকার ইতিহাস চর্চার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছেন ঢাকা নগর জাদুঘর স্থাপন করে। ঢাকা বিষয়ক তাঁর শেষ গ্রন্থ ঢাকা : স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী পড়েননি এমন ঢাকা প্রেমিক খুব কমই আছে। উল্লেখ্য, অনন্যা এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় অনন্যা প্রকাশ করল মুনতাসীর মামুনের ঢাকা সমগ্র-এর প্রথম খণ্ড। গত দু’দশকে মুনতাসীর মামুন রচিত ও সম্পদিত ঢাকা বিষয়কগ্রন্থের সংখ্যা অনেক। এসব গ্রন্থের অনেকগুরো এখন ছাপা নেই, দুষ্প্রাপ্য। তাছাড়া ঢাকা বিষয়ক অনেক বই লেখক নিজেই আর পুনর্মূদ্রণে আগ্রহী নন। সে পরিপ্রেক্ষিতে আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি লেখকের ঢাকা বিষয়ক গ্রন্থও রচনা ঢাকা সমগ্র শিরোনামে প্রকাশ করার। ঢাকা সমগ্র-এর প্রথম খণ্ডে সংকলিত হয়েছে ড. মামুনের গ্রন্থ। সেগুলো হলো- হৃদয়নাথের ঢাকা শহর (১৯৮৫), স্মৃতিময় ঢাকা (১৯৮৯), পুরানোঢাকা : উৎসব ও ঘরবাড়ি (১৯৮৯), কর্ণেল ডেভিডসন যখন ঢাকায় (১৯৯০) এবং ঢাকার হারিয়ে যাওয়া কামান। আমরা মনে করি, ঢাকা প্রেমিকদের মনেই শুধু গ্রন্থটি আগ্রহের সৃষ্টি করবে না, ঢাকা গবেষকদের কাছেও গ্রন্থটি হয়ে উঠবে তথ্যের আকর। সূচি হৃদয়নাথের ঢাকা শহর * ঢাকার আর্মেনি সম্প্রদায় * খাজা আলিমউল্লাহ * নবাব আবদুল গনি * নবাব আহসানউল্লাহ * নবাব সলিমুল্লাহ * হৃদয়নাথের ঢাকা শহর * উনিশ শতকের শেষার্ধের ঢাকা * ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ * ঢাকায় সিপাহি বিদ্রোহ * ঢাকার অধিবাসীরা * ঢাকার পূজা-পার্বণ ও উৎসব * ঢাকার গীতবাদ্য ও অভিনয় * ঢাকার ধর্মীয় জীবন * ঢাকার পণ্য * ঢাকার আইন আদালত * ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ: ঢাকায় স্মৃতিময় ঢাকা * রমনার স্মৃতি * ঢাকার পঞ্চায়েত * গণিউর রাজার ঢাকা ভ্রমণ * প্রথমবারের ভ্রমণ * দ্বিতীয়বারের ভ্রমণ * তৃতীয়বারের ভ্রমণ * চতুর্থবারের ভ্রমণ * শেষবারের ঢাকা ভ্রমণ পুরানো ঢাকা উৎসব ও ঘরবাড়ি * পুরানো ঢাকার উৎসব * ঈদ * জন্মষ্টমী * হোলি ও ঝুলন * ঢাকায় ঝুলন যাত্রা (প্রাপ্ত) * পুরানো ঢাকার ঘরবাড়ি কর্ণেল ডেভিডসন যখন ঢাকায় * কর্নেল ডেভিডসন যখন ঢাকায় * নায়েব নাজিম * লালবাগ দুর্গ ঢাকার হারিয়ে যাওয়া কামান * ঢাকা শহর : ইতিহাসের উপকরণ * অধ্যাপক আহমদ হাসান দানী ও ঢাকা শহর * ঢাকার হারিয়ে যাওয়া কামান * নির্ঘণ্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cafa8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রাজনীতির তিনকাল',\n", " 'seo_url': 'রাজনীতির-তিনকাল',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *সূচনা পর্ব *আগের কথা *শেকল ভাঙার পালা *নতুন জোয়াল *অন্ধকারের দশ বছর *আর এক রাহু *অগ্নিপরীক্ষার নয় মাস *স্বাধীন বাংলাদেশ *অমানিশার অন্ধকার *জিয়ার কাল *এরশাদ পর্ব *আবার শুরু থেকে *শেষ পর্ব *পরিশিষ্ট-১(পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি) *পরিশিষ্ট-২(পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ) *পরিশিষ্ট-৩(১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রুন্টের ২১ দফা) *পরিশিষ্ট-৪(যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা) *পরিশিষ্ট-৫(আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা) *পরিশিষ্ট-৬(পাকিস্তানের গণপরিষদ নির্বাচন) *পরিশিষ্ট-৭(সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা) *পরিশিষ্ট-৮(১৯৫৯ সালের এবডোর আওতায় যারা পড়েছিলেন) *পরিশিষ্ট-৯(গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দীর ঐতিহাসিক পত্র) *পরিশিষ্ট-১০(আওয়ামী লীগের ১১ দফা) *পরিশিষ্ট-১১(ঐতিহাসিক ৬-দফা) *পরিশিষ্ট-১২(পিডিএম গঠন ও ৮ দফা) *পরিশিষ্ট-১৩(আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অভিযুক্তদের তালিকা) *পরিশিষ্ট-১৪(কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা) *পরিশিষ্ট-১৫(গোলটেবিল বৈঠকে আমন্ত্রিতদের তালিকা) *পরিশিষ্ট-১৬(আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ) *পরিশিষ্ট-১৭(১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ) *পরিশিষ্ট-১৮(প্রবাসী সরকার গঠন) *পরিশিষ্ট-১৯(স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র) *পরিশিষ্ট-২০(মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডারদের নাম) *পরিশিষ্ট-২১(আত্মসমর্পণের দলিল) *পরিশিষ্ট-২২(বাকশালের সদস্যদের নাম) *পরিশিষ্ট-২৩(খন্দকার মুশতাক আহমদের মন্ত্রিসভা) *পরিশিষ্ট-২৪(রাজনৈতিক দলবিধি) *পরিশিষ্ট-২৫(জাগদল) *পরিশিষ্ট-২৬(১৫ ও ৭ দলীয় জোটের ৫ দফা) *পরিশিষ্ট-২৭(তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা) *পরিশিষ্ট-২৮(ফারাক্কা চুক্তি) *পরিশিষ্ট-২৯(পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি) *পরিশিষ্ট-৩০(যমুনা সেতু)'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cafb2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নগর দর্পণ',\n", " 'seo_url': 'নগর-দর্পণ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ চৈত্রের ঘুর্ণিপাক যখন ধূলিকণা, ছেঁড়া কাগজ আর পলিথিন ব্যাগ পথের ওপর দিয়ে নিরুদ্দিষ্ট লক্ষ্যে উড়িয়ে নিয়ে যায়, তখন আমি অনির্ধারিত স্পন্দন অনুভব করি। মনে হয় আমরা সব মানুষ বুঝি ভাগ্যের এলোমেলো বাতাসে এমনি করেই নগরীর এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা উড়ে চলেছি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cafbc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছায়াবাসর',\n", " 'seo_url': 'ছায়াবাসর',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই উপন্যাসের কাহিনি এমন একটি এলাকার, যেখানে সূর্যের আলো পোঁছায় কিন্তু মানুষ থেকে যার অন্ধকারে। এ গল্প স্বপ্নবাজ এক তরুণ আহাদের, যার স্বপ্ন চিকিৎসক হয়ে সেবা করবে মানুষের। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত একটি ঘটনা ওলটপালট করে দেয় তার জীবন। ধর্মীয় কুসংস্কার এসে যুক্ত হয় কাহিনিতে। পৃথিবী আসলে একটি বিশাল ছায়া। জগতের সবই ছায়াজগতের বাহিন্দা। কেউ তার আপন সত্তাকে ধরতে পারে না। এ উপন্যাসের নায়িকা মায়া কি ধরতে পারবে সেই সত্তা? প্রিয় পাঠক, সবাইকে আমন্ত্রণ ছায়াবসর উপন্যাসটি পড়ার জন্য। ভূমিকা মেডিকেলের পড়াশোনার চাপে যখন হাঁপিয়ে উঠি, তখনেই খাতা-কলম কাছে টেনে নিই। পরম বন্ধুর মতোই আমার পাশে থাকে খাতা-কলম। ছায়াবসর উপন্যাসটি এই বন্ধুত্বেরই ফসল। অনেক মানুষের ভালোবাসায় ধন্য হয়ে আছি। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব না থাকলে ভেতরের অনেকটুকুই ফাঁকা হয়ে থাকত। এই সুয়োগে কাজিন কুমকুম আপুকে বিশেষ ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবেমাত্র লেকালেখির জগতে হাঁটা শুরু করেছি। অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন। এই স্বপ্নপূরণে পাশে থাকার জন্য প্রকাশক অনন্যার স্বত্বাধিকারী শ্রদ্ধেয় মনিরুল হককে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। আমার প্রথম উপন্যাস আকাশ ভরা নীল কষ্ট প্রকাশ করেছেন তিনি। নতুন উপন্যাস ছায়াবাসরও প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনিই। তরুণ লেখকের প্রতি তাঁর উৎসাহ কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছে আমাকে। সবার জন্য ভালোবাসা। মাহবুব ময়ূখ রিশাদ ধানমন্ডি, ঢাকা।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cafc8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভূতের পায়ে বুট (সিটি-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত)',\n", " 'seo_url': 'ভূতের-পায়ে-বুট-সিটি-আনন্দ-আলো-সাহিত্য-পুরস্কারপ্রাপ্ত',\n", " 'description': 'আলসে সজীব'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cafcc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সুখে দুঃখে কানাডা',\n", " 'seo_url': 'সুখে-দুঃখে-কানাডা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ প্রতিটি মানুষের পথ চলাই একদিন শেষ হয়। সেই সমাপ্তি কোথায়, কিভাবে, কথন হবে তা যদি আমরা নির্ভূল বলে দিতে পারতাম তাহলে বেঁচে থাকার রোমাঞ্চ থেকে আমরা বঞ্চিত হতাম।দেড় দশক আগে উচ্চ শিক্ষার তাগিদে আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছিলাম। শিক্ষা শেষে কাজের তাগিদে ঘুরেছি আমেরিকার নানা প্রান্তরে কিন্তু যে কারণেই হোক কখনো সেভাবে কোথাও জড়িয়ে পড়া হয়নি।ভাগ্যের চক্রে পড়ে শেষ \\u200dপর্যন্ত পাড়ি জমাতে হলো কানাডায়।নতুন বাস পাতলাম দুনিয়া খ্যাত টরোন্টো শহরে।খুব শীঘ্রই আবিষ্কার করলাম এক ফেলে আসা জগত যেখানে আচমকা হাতছানি দিয়ে ডেকে ওঠে বাল্যকালের কোন বন্ধু যার সাথে দেখা নেই দুই যুগ, অথবা ড্যাডফোর্থ এ্যাভেনিউয়ের বাংলাদেশী দোকানে বাজার করতে গিয়ে থকমে দাঁড়াই ইউনিভারসিটি জীবনের দুই বন্ধুকে পেয়ে, আড্ডা জমে ওঠে কিছুক্ষণের জন্য, ফেলে আসা দিনগুলোর মত।অসংখ্য চেনা মানুষের সান্নিধ্যে ভূলেই গেলাম স্বদেশ ছেড়ে বাস গেড়েছি অন্য এক গোলার্ধে।এটাই হচ্ছে টরোন্টোর বেশিষ্ট্য। এখানে একবার যে পা রেখেছে তাকেই সে হৃদয়ের সমস্ত অর্ঘ্য দিয়ে নিজের করে নিয়েছে। এখানেও দুঃখ, বেদনা, যন্ত্রণা আছে; অন্যায় অবিচার পাপ, লোভ, অনাচার, নোংরা রাজনীতি সবই আছে; কিন্তু সে সব কিছুকে ছাপিয়ে যেটা সবচেয়ে নজরে পড়ে তা হচ্ছে এর উষ্ণতা। মায়ের কোলে ছোট্ট এক শিশুর মত সেই উষ্ণতায় আমি যেন চির বন্দী হয়ে গেছি।এই আমার ঘর, এই আমার সংসার।বাংলাদেশ রয়ে যাবে হৃদয়ে আমৃত্যৃ, কিন্তু আমার জীবন কেটে যাবে সম্ভবত এই ভূমিতেই, এই নতুন দেশে, এই পরিচিত জনতার মাঝে। সূচিপত্র *Spider Man এবং একটি বাড়ির স্বপ্ন *আগওয়া ক্যানিয়ন *মৎসের এক দিন *নায়েগ্রায় পিকনিক *সুখে থাকলে ভূতে কিলায় *নব্য যুগের সন্তানেরা *কুটিরে তিনদিন *এই শহরে *তরমুজ জোড়া লাগায়ে দাও *CN Tower উচ্চ করি শির *পরোটা, সাধের পরোটা *ষোল আনাই মিছা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cafd2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এই গল্পটা হাসির',\n", " 'seo_url': 'এই-গল্পটা-হাসির',\n", " 'description': '--আনিসুল হক--'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cafe2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বন্ধুবান্ধব',\n", " 'seo_url': 'বন্ধুবান্ধব',\n", " 'description': 'ফ্র\\u200c্যাপে লেখা কথা ‘বন্ধুবান্ধব’ এক অন্যজাতের রচনা। জীবনের শুরু থেকে এ পর্যন্ত লেখক ইমদাদুল হক মিলনের জীবনে যাঁরা যাঁরা বন্ধু হয়ে এসেছেন তাঁদের প্রত্যেকের কথা আছে এই বইতে। স্মৃতিকথার আঙ্গিকে লেখা বইটিতে যেমন আছে আমাদের সময়কার অতি বিখ্যাত সব মানুষের সঙ্গে ইমদাদুল হক মিলনের নাটকীয় ভাবে হওয়া বন্ধত্বের কথা তেমনি আছে পাঠকের অপরিচিত অনেক হৃদয়বান মানুষের কথা, যাঁদের বন্ধুত্বের স্পর্শে জীবন ধন্য হয়েছে ইমদাদুল হক মিলনের। ‘বন্ধুবান্ধব’ এক অর্থে ইমদাদুল হক মিলনের অন্য রকমের এক আত্মজীবনী, যে আত্মজীবনী উপন্যাসের জমজমাট কাহিনীকেও হার মানায় । ভূমিকা আমি সাধারণত বইয়ের ভূমিকা লিখি না। কিন্তু এই বইটির ছোট্ট একটা ভূমিকা লেখা উচিত। একটি ব্যাপার আমি নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে করি। সে হচ্ছে আমার বন্ধভাগ্য। জীবনে এমন এমন বন্ধু পেয়েছি, যেসব বন্ধুর কারণে জীবনের এই এতটা পথ পেরিয়ে আসতে পেরেছি। জীবনের যেক্ষেত্রে আটকে গেছি, বন্ধুরা আমাকে হাত ধরে পার করে এনেছে। আমার এই বই সেইসব বন্ধুকে নিয়ে লেখা। এই বইয়ের বাইরেও রয়ে গেছে অনেক মধুময় ঘটনা। সেইসব বন্ধুর কথা পর্যায়ক্রমে লিখবো। এই বই লিখতে গিয়ে বন্ধুদের কত রকমের সহযোগিতা যে পেয়েছি। আবদুর রহমান একদিন পুরনো দিনের কতগুলো ছবি দিল, শাইখ সিরাজ কতগুলো স্মৃতির কথা মনে করিয়ে দিল। সাগর আফজাল আরেফিন আলমগির দিদার সৌরভ পাভেল প্রত্যেকেই কোনও না কোনওভাবে সাহায্য করেছে। আর আমার অনুজপ্রতিম বন্ধু রেজানুর রহমান, ‘আনন্দ আলো’র সম্পাদক অতিযত্নে অতি মমতায় আমার ‘বন্ধুবান্ধব’ বছরের পর বছর ধরে ছেপে গেছে। একসংখ্যায় লেখা লিখতে দেরি হয়ে গেছে, রেজানুরের অফিসে গিয়ে বসেছি, এবার মাফ করে দাও । এই সংখ্যায় লিখতে পারবো না। রেজানুর বলল, আপনি বসেন মিলনভাই। দুপুরের খাবার আনাচ্ছি।লান্স করেন, চা খান। আমার টেবিল চেয়ার ছেড়ে দিলাম, এখানে বসে লিখুন। ‘বন্ধুবান্ধব’ ছাড়া ‘আনন্দ আলো’ বেরুবে না। আমি লিখতে বসে গেলাম। প্রিয় রেজানুর, ‘বন্ধুবান্ধব’ লেখার পেছনে তোমার অনুপ্রেরণার কথা কেমন করে ভুলি। সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অকৃতদার ফয়েজ আহ্\\u200cমদ বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবনের অধিকারী। রাজনৈতিকভাবে সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারায় বিশ্বাসী। ১৯৪৮ সালে থেকে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত। তিনি ইত্তেফাক, সংবাদ, আজাদ ও পরবর্তী সময়ে পূর্বদেশ-এ চিফ রিপোর্টার ছিলেন। সাপ্তাহিক ইনসাফ ও ইনসান পত্রিকায়া রিপোর্টিং করছেন। ১৯৫০ সালে কিশোর পত্রিকা হুল্লোড় সম্পাদনা করেন।১৯৭১ সালে স্বরাজ পত্রিকার সম্পদক ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থার(বিএসএস) প্রথম প্রধান সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবার্তা দৈনিকে প্রধান সম্পাদকরূপে কাজ করেন।১৯৫২সালে প্রতিষ্ঠিত মুক্তচিন্তা ও অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল লেখকদের সংগঠক পাকিস্তান সাহিত্য সংসদ-এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন দু’বছর। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি বছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন বছর সিন্ডিকেটের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ৮০ ও ৯০-এর দশকে। ১৯৮২-এর দিকে বাংলা একাডেমীর কাউন্সিল সদস্য নির্বাচিত হন। কিন্তু এরশাদের সামরিক শাসনের প্রতিবাদে অন্য ছয়জনের সঙ্গে তিনি পদত্যাগ করেন। ১৯৮৩ সারে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট-এর সভাপতি নির্বাচিত হন এবং তেরো বছর এ-পদে ছিলেন। জাতীয় কবিতা উৎসব-এর আহবায়ক ছিলেন। ইমদাদুল হক মিলন'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caff8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আঁধার করা আলো',\n", " 'seo_url': 'আঁধার-করা-আলো',\n", " 'description': '(অমলকান্তি, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী)'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483caffa',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পাহাড়কাঞ্চনপুর',\n", " 'seo_url': 'পাহাড়কাঞ্চনপুর',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ পাহাড়কাঞ্চনপুর এক গভীর রহস্যের কাহিনী। একদিকে এক কিশোরদের অপরহরণ নিয়ে জমজমাট ঘটনা, অন্যদিকে অপহরণকারীর একটি দল, আরেকদিকে এমন একজন মানুষ, সে এই পৃথিবীর বাসিন্দা নাকি অন্য কোনও গ্রহ থেকে এসেছে কিশোরকে রক্ষা করতে। সব মিলিয়ে পাহাড়পঞ্চপুর কিশোর পাঠককে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb000',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রশাসনের অন্দরমহল : বাংলাদেশ',\n", " 'seo_url': 'প্রশাসনের-অন্দরমহল--বাংলাদেশ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মুনতাসীর মামুনের জন্ম ১৯৫১ সালে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে এম.এ, পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক। লেখালেখি করেছেন ১৯৬৩ সাল থেকে । ছাত্রজীবনে জড়িত ছিলেন ছাত্র-আন্দোলনে এবং ১৯৬৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেছেন প্রতিটি সাংস্কৃতিক ও গণআন্দোলনে। স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম ডাকসু নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন সম্পাদক। একই সময়ে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি সংসদের সভাপতি। তাঁর সম্পদনায় প্রকাশিত হয় ডাকসু’র মুখপত্র ‘ছাত্রবার্তা’। এছাড়াও বাংলাদেশ লেখক শিবির ও বাংলাদেশ লেখক ইউনিয়নের ছিলেন তিনি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও যথাক্রমে প্রথম যুগ্ন আহ্ববায়ক ও যুগ্ন সম্পাদক। ঢাকা নগর জাদুঘরের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন তিনিও একজন। এছাড়া তিনি জড়িত বিভিন্ন একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। বাংলাদেশে লেখালেখির জগতে মুনতাসীর মামুন একটি বিশিষ্ট নাম। সমসাময়িককালে তাঁর মতো পাঠকনন্দিত লেখক খুব কমই আছেন। গল্প, কিশোরসাহিত্য,প্রচন্ধ, গবেষণা,চিত্রসমালোচনা, অনুবাদ ইত্যাদিতে তাঁর স্বচ্ছন্দ বিচরণ ও সেই সাথে রাজনৈতিক ভাষ্যে অর্জন করেছেন বিশেষ খ্যাতি। উল্লিখিত প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর একাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২০০ । বাংলা একাডেমী, লেখক শিবির পুরসষ্কার, অগ্রণী ব্যাংক, ড. হিলালী স্বর্ণপদক, সিটি আনন্দআলো, অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার, প্রেসিডেন্ট পুরষ্কার (১৯৬৩) , মার্বেন্টাইল ব্যাংক স্বর্ণপদক ইত্যাদিতে তিনি সম্মানিত। সূচিপত্র প্রথম অধ্যায় ভূমিকা দ্বিতীয় অধ্যায় পূর্ব পাকিস্তান : পার্লামেন্টারি শাসন তৃতীয় অধ্যায় পূর্ব পাকিস্তান : সামরিক শাসন চতুর্থ অধ্যায় বাংলাদেশ : পার্লামেন্টারি শাসন পঞ্চম অধ্যায় বাংলাদেশ : সামরিক শাসন ষষ্ঠ অধ্যায় শেষকথা পরিশিষ্ট-১ পরিশিষ্ট-২ নির্দেশিকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb002',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ইতিহাসের খেরোখাতা - ৬',\n", " 'seo_url': 'ইতিহাসের-খেরোখাতা---৬',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন নিয়ত ইতিহাসের নানা বিষয় নিয়ে লিখছেন, নতুন তথ্য/দলিলপত্র পাঠকদের সামনে তুলে ধরছেন।ইতিহাসের খেরাখেতা এ ধরনের নানা রচনার সংকলন : ফুটনোট কন্টকিত লেখা, অনুবাদ, দলিলপত্র, প্রতিবেদন বা এমন কোন রচনা যা ব্যবহৃত হতে পারে ইতিহাসের উপাদান হিসেবে। এর আগে ইতিহাসের খেরোখাতার পাঁচটি খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে।এ বছর প্রকাশিত হলো ষষ্ঠ খণ্ড।বর্তমান খণ্ডে তাজউদ্দিন অহমদের ডায়েরি অবলম্বনে তাঁর জীবন ও কর্মের মূল্যায়ন করা হয়েছে একটি প্রবন্ধ।তাজউদ্দিন আহমেদ সম্পর্কে ইতোমধ্যে অন্যতম বলে বিবেচিত হতে পারে।নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে লিখছেন ‘বৈশাখ ও বাংলাদেশ।’ ভাষা আন্দোলনের হারিয়ে যাওয়া কিছু প্রচারপত্র উপস্থাপিত করেছেন।অনুবাদ, প্রতিবেদন ছাড়াও সংকলিত হয়েছে আবুদল গফফার চৌধুরীর দীর্ঘ সাক্ষাৎকার যা আমাদের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের উপাদান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।মুনতাসীর মামুনের অন্যান্য রচনার মতোই পাঠক উপভোগ করবেন সংকলিত রচনাগুলি। সূচিপত্র *তাজউদ্দিন আহমদের ডায়েরি : এক তরুণের রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠার কাহিনী *ভাষা আন্দোলনের হারিয়ে যাওয়া প্রচারপত্র *বৈশাখ ও বাংলাদেশ *বাংলাদেশের ইতিহাস হয়ত নতুন করে লিখতে হবে *পবিত্রতার উপলদ্ধি আবদুল গাফফার চৌধুরীর পাঁচদশকের স্মৃতিচারণ'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb004',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঢাকা সমগ্র-৫',\n", " 'seo_url': 'ঢাকা-সমগ্র-৫',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ড. মুনতাসির মানুনের নাম ঢাকা ইতিহাস চর্চার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জাড়িত। গত দু’দশকে বলতে গেলে তাঁর একক চেষ্টায় ঢাকার ইতিহাস আক্ষরিক অর্থে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, ঢাকা নিয়ে গবেষণার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে অনেককে। শুধু তাই নয়, ঢাকার ইতিহাস চর্চার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ তিনি দিয়েছেন ঢাকা নগর জাদুঘর স্থাপন করে। ঢাকা বিষয়ক তাঁর কোষগ্রন্থ ঢাকা : স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী পড়েন নি এমন ঢাকা প্রেমিক খুব কমই আছেন। গত বছর অনন্যা এর দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশ করেছে।একই ধারাবাহিকতায় অনন্যা ২০০৩ সাল থেকে প্রকাশ করছে ড. মামুনের ঢাকা বিষয়ক বিভিন্ন গ্রন্থের সংকলন, ঢাকা সমগ্র নামে। ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল ঢাকা সমগ্র-১, গত দ’দশকে মুনতাসীর মামুনের ঢাকা বিষয়ক অনেক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এসব গ্রন্থের অনেকগুলি এখন আর ছাপা নেই। তা’ছাড়া ঢাকা বিষয়ক অনেক বই লেখক নিজেই পুনর্মুদ্রণে আগ্রহী নন।সে পরিপ্রেক্ষিতেই ঢাকা সমগ্রের প্রকাশনা শুরু। এ বছর সেই ধারাবাহিকতায় প্রকাশিত হলো ঢাকা সমগ্র-৫, বর্তমান খণ্ডে ড. মামুন রচিত যেসব গ্রন্থ সংকলিত হয়েছে সেগুলি হলো-দেয়ালের শহর ঢাকা, ঢাকার হারিয়ে যাওয়া বইয়ের খোঁজে এবং ঢাকার মসলিন। আমরা মনে করি, ঢাকা প্রেমিকদের মনেই শুধু গ্রন্থটি আগ্রহের সৃষ্টি করবে না, ঢাকা গবেষকদের কাছেও গ্রন্থটি হয়ে উঠবে তথ্যের আকর। সূচিপত্র *দেয়ালের শহর ঢাকা *ঢাকার হারিয়ে যাওয়া বইয়ের খোঁজে *ঢাকার মসলিন *শব্দসূচি'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb006',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১',\n", " 'seo_url': 'মুক্তিযুদ্ধ-১৯৭১',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আজ তিনদশক পরেও, কোনো-না কোনোভাবে মুক্তিযুদ্ধ রয়ে গেছে বাংলাদেশের কেন্দ্রে। বাংলাদেশের সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি-সব কিছুর পর্যালোচনা করতে গেলে কোনো-কোনো সময় নিরিখটা হয়ে দাঁড়ায় \\u200dমুক্তিযুদ্ধ। তা’হলে কি মুক্তিযুদ্ধে ছিল যে আশা তা এখনো অপূর্ণ, নয়তো ঘুরে ফিরে কেন নিরিখটা দাঁড়াবে মুক্তিযুদ্ধ। গত তিনদশ ধরে ড. মুনতাসীর মানুন ঐসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধ ও গ্রন্থে। এই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক তাঁর নতুন গ্রন্থ। মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১। বর্তমান গ্রন্থটি ড. মামুনের গ্রন্থিত ও অগ্রন্থিত ১০টি প্রবন্ধের সংকলন। ১০টি প্রবন্ধ বিভিন্ন হলেও িএক ধরনের ধারাবাহিকতা আছে। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, মুক্তিযুদ্ধ প্রত্যয়, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের বক্তৃতা ও ২৬ মার্চের ওয়ারলেস বার্তা প্রাক ১৯৭১ পটভূমিতে রচিত। পরবর্তীকালে বুদ্ধিজীবী সৈনিকরা কী ভাবে মুল্যায়ন করেছেন মুক্তিযুদ্ধ তা নিয়ে রচিত অবশিষ্ঠ পাঁচটি প্রবন্ধ। বিশিষ্ট লেখক ও ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা অক্ষুণ্ন রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে নির্ভীকভাবে ও নিরলসভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা ও লেখালেখি করে আসছেন। তাঁর বলিষ্ট লেখনিতে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত নানান ধরনের মননশীল লেখা যা আমাদের সাহিত্যকে করেছে ধন্য। বর্তমান সংকলনে গ্রন্থিত প্রবন্ধগুলি তার প্রমাণ। সূচিপত্র *মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি : সিভিল সমাজের সংগ্রামের ২৫ বছর *মুক্তিযুদ্ধ *মুক্তিযুদ্ধের সংস্কৃতি বনাম আপোসের সংস্কৃতি *মুক্তিযুদ্ধের বই *দৈনিকে একাত্তর *সাময়িকপত্রে ১৯৭১ : বামপন্থীদের দৃষ্টিতে *বাঙালি রমণীর পাকিস্তানী সৈন্যপ্রীতি *৭ মার্চ ছিল অনিবার্য *বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার সেই ওয়ারলেস বার্তটি *জেনারেল জে এফ আর জ্যাকবের সাক্ষাৎকার'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb008',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কলামসমগ্র-২',\n", " 'seo_url': 'কলামসমগ্র-২',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আমাদের দেশ ও দেশের মানুষ, প্রাসঙ্গিক সমাজচিন্তা, রাজনৈতিক ভাবনা, শিক্ষা-প্রসঙ্গ, তরুণ প্রজন্ম, উন্নয়ন বিষয় এবং সমকালীন প্রসঙ্গ নিয়ে মুহম্মদ জাফর ইকবাল নিরন্তর কলাম লিখেছেন।পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর কলাম চিন্তার স্বচ্চতা, প্রত্যয়ী সাহস এবং রচনার স্বাদু গুণে বারবার পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। কিশোরদের প্রিয় লেখক এবং শিক্ষাব্রতী মুহম্মদ জাফর ইকবাল ঋজু বেং দৃঢ়তার সঙ্গে নিজস্ব মতামত ও বক্তব্য প্রকাশ করে থাকেন।তাঁর প্রতিটি রচনায় উদ্ভাসিত হয়েছে সমকাল, স্বভূমি এবং স্বদেশের মানুষ।কলামসমগ্র-এ মুহম্মদ জাফর ইকবালের চিন্তাশীল, উদ্যমী ও সংস্করমূলক কর্ম ভাবনার স্বচ্ছ প্রতিচিত্র পাওয়া যাবে। সূচিপত্র *দুঃস্বপ্নের রাত এবং দুর্ভাবনার দিন *এখনো স্বপ্ন দেখায় *ক্রসফায়ার এবং অন্যান্য *আরো একটি বিজয় চাই *ভবদেহের গল্প এবং অন্যান্য *বৈশাখের হাহাকার ও অন্যান্য *এক টুকরো লাল সবুজ কাপড়'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb00e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গল্পসমগ্র-২',\n", " 'seo_url': 'গল্পসমগ্র-২',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ প্রবল জীবনমুখী দৃষ্টি নিয়ে আল মাহমুদের গল্পে আর্বিভাব। কত সামান্য ঘটনাকে এই কবি ও কথা শিল্পী, একটি নিখুত গল্পে পরিণত করতে পারেন তার গল্পগুলোই সু-স্পষ্ট প্রমাণ। পানকৌড়ি থেকে শুরু করে তার সর্বশেষ গল্প গ্রন্থ চার পাতার প্রেম পর্যন্ত বিশাল এই গল্প ভান্ডারে কি নেই! মানবজীবনের এক রহস্যময় বিশ্বাস যেন আল মাহমুদের গল্পগুলো। পানকৌড়ির রক্ত থেকে শুরু করে কালো নৌকা, কিংবা , জলবেশ্যা অথবা নীল নাকফুল, নফস কিংবা ইভের ছাড়া নিশিন্দা নারী, অথবা নিলফার চর। প্রতিটি গল্পের ভেতর দিয়েই জীবন নদীর তীব্র স্রোত হৈ হুল্লোড় চমক, এবং গমকে গমকে জীবন নদীর পার ভেঙে যাওয়ার শব্দ পাওয়া যায়। অনিশ্চিত এক ধোয়াশা জীবনের সন্ধান পাওয়া যায় আল মাহমুদের গল্পে যে জীবন কাল স্রোতে ভেসে যাচ্ছে অজানার পথে। যে জীবন ঘুড়ে ফিরেছে কারাগারে অচিন প্রেমে আর শৈশবে। আল মাহমুদ দেশ কাল ও সমাজবাস্তবতার বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতার পটভূমিতে দাঁড়িয়ে এক ধরনের অতিন্দ্রীয় রহস্যের আভাস ও ব্যাক্ত করেছেন তার ছোট গল্পে। মানব চরিত্রের স্বাভাবিকতা বিদীর্ণ করে গল্পে প্রবেশ করেছে অপার্থিব বিষয় আশয়, অথচ কখনো মনেই হবে না যে লেখক কোনো অসম্ভব কাহিনী ফেঁদে পাঠকের অবাস্তবতার চোরাগলিতে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছেন। কবির গদ্য , উপমায় উৎপেক্ষায় চিত্রকল্পে সময় শানিত আল মাহমুদের গল্পগুলো তারই প্রমাণ, কবির গল্প পাঠ করতে করতে সাহিত্য প্রেমে পাঠক একই সাথে পাবেন কবিতা ও গদ্যের স্বাদ। তার সাথে আছে আল মাহমুদের নিজস্ব দক্ষতার কাহিনীর চিত্রায়ন। যে কাহিনী শুধু আল মাহমুদের নয় তার আশে পাশের দৃশ্যপটেরও। ষাটের দশকে কথা শিল্পী আল মাহমুদের গদ্যভঙ্গির প্রশংসা করে কবি জসীমউদ্দীন তাকে এক চিঠিতে লিখেছিলেন, তোমার গদ্য লেখার বেশ ভালো ক্ষমহতা। এদিকটা যদি আর ও অনেক খানি প্রসারিত কর।’ সন্দেহ নেই আল মাহমুদ তা প্রবলভাবেই প্রসারিত করেছেন। বিশাল কলেবরের এই গল্প সংকলনটিই তার প্রমাণ'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb012',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আদম হাওয়ার অশ্রু বিন্দু',\n", " 'seo_url': 'আদম-হাওয়ার-অশ্রু-বিন্দু',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *আদম-হাওয়ার অশ্রুবিন্ধ *দৃশ্যের আড়ালে *বর্ষসংগীত *এক মুহূর্তে *দু’চোখ ভেজাও *টু *কবি *দস্যু *একটি ছবি *সেই হারানো ভালোবাসায় *এইসব গল্প আমি যখন বলবো *যুগল বসন্ত *বসন্ত বা হোলি উৎসব *শীতের লাবণ্যে *ও মাতৃভাষা *বাংলা *তোমাকে কী বলে ডাকি এখন কোথাও চলে যেতে হয় *বসন্তের একটি বাংলা উদ্ধৃতি * কোটি কোটি বার জন্ম নিতে চাই, বসন্ত *পিতৃশোক *তুমি কে *নাও এই খালি হাত *শান্তিমন্ত্র *সেই কণ্ঠ * তুমি এই বাংলা কবিতা *স্বাধীনতার জন্মকথা *আমার শহরে আসা *যে ফুল * অঙ্ক ও কবিতা *বীজগণিতের সহজপাঠ *বন্ধুর বোনদের নিয়ে কবির বিড়ম্বনা *দুই যোগ দুই *পরস্পরা *মোটরসাইকেলের পেছনে শ্রীরাধিকা *মানচিত্রজুড়ে ছয়টি অক্ষর *তার নাম স্বাধীনতা *এ দেশে আমার জন্ম *তোমরা তার কিছুই জানো না *স্বদেশিয়া'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb014',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নির্বাচিত কবিতা',\n", " 'seo_url': 'নির্বাচিত-কবিতা-100',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তুমি ভালোবাস একথা জানলেই আমার পৃথিবীরে রংমহলে হাজার সানাই বেজে ওঠে আমি ভুলে যাই তুমিহীন যন্ত্রণার কথা ধীরে ধীরে কেমন করে সূর্য ওঠে সব সুর মিলে মিশে হয়ে যায় একটা গান। তুমি একবার ডাকলেই সব সীমানা ভেঙে চুড়মার নিমেষে রংধনু জাগে হৃদয়ে প্রবল বিষণ্নতায় এক ঝলক আলোকচ্ছটা, ছুটে যাই তোমার কাছে আমি যেন এক স্রোতসনি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb016',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিষণ্ন রোদ, মায়াবী ছায়া',\n", " 'seo_url': 'বিষণ্ন-রোদ-মায়াবী-ছায়া',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তুমি ভালোবাসা একথা জানলেই আমার পৃথিবীরে রংমহলে হাজার সানাই বেজে ওঠে আমি ভুলে যাই তুমিহীন যন্ত্রণার কথা ধীরে ধীরে কেমন করে সূর্য ওঠে সব সুর মিলে মিশে হয়ে যায় একটা গান। তুমি একবার ডাকলেই সব সীমানা ভেঙ্গে চুরমার নিমেষে রংধনু জাগে হৃদয়ে প্রবল বিষণ্নতায় এক ঝলক আলোকচ্ছটা, ছুটে যাই তোমার কাছে আমি যেন এক স্রোতস্বনি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb01a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হাসির পাঁচ উপন্যাস',\n", " 'seo_url': 'হাসির-পাঁচ-উপন্যাস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বিভিন্ন সময়ে হাসির উপন্যাস লিখেছেন ইমদাদুর হক মিলন। সেইসব উপন্যাস পড়ে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরেছে পাঠকের। হাসির উপন্যাসগুলোর কোনও কোনওটির নাট্যরূপ প্রচার হয়েছে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে। সেগুলো দেখে টেলিভিশন পর্দা থেকে চোখ সরাতে পারেনি দর্শক। এরকম পাঁচটি উপন্যাস নিয়ে ইমদাদুল হক মিলনের ‘হাসির পাঁচ উপন্যাস’ । প্রিয় পাঠক, হাসতে চাইলে এই বই পড়ুন।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb01e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এত যে তোমায় ভালোবেসেছি',\n", " 'seo_url': 'এত-যে-তোমায়-ভালোবেসেছি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ টিউশনি সেরে ফেরার পথে একটি হত্যাকান্ড দেখে ফেলেছিল শামিম। যারা হত্যাকান্ড ঘটায় তারা চিনে ফেলে শামিমকে। হত্যাকান্ডের কোনও সাক্ষী রাখতে নেই, এই কারণে খুনিরা হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকে শামিমকে। পেলে শামিমকেও তারা নৃশংসভাবে হত্যা করবে। শামিমের পাশে দাঁড়াবার কেউ নেই। মাকে নিয়ে অসহায় শামিম থাকে চাচার আশ্রয়ে । চাচা তাদেরকে খুবই অপছন্দ করে, বোঝা মনে করে। এই অবস্থায় শামিমের জীবনে ঘটে গেছে ওরকম এক ঘটনা। শামিম এখন কী করবে? সে পালিয়ে যায় এক গ্রামে । বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। বন্ধুর ছোটবোনের সঙ্গে গড়ে ওঠে তার মনের সম্পর্ক। এই মেয়েটির সম্ভ্রম রক্ষার জন্য শেষ পর্যন্ত শামিম সত্যি সত্যি একটি খুন করে বসে। এই খুনের পেছনে কাজ করে তার ভালোবাসা, প্রেম।ভ ‘এত যে তোমায় ভালোবেসেছি’ থ্রিলারধর্মী প্রেমের উপন্যাস।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb020',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস : প্রাচীন ও মধ্যযুগ',\n", " 'seo_url': 'বাংলা-সাহিত্যের-ইতিহাস--প্রাচীন-ও-মধ্যযুগ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলায় ইংরেজদের আগমনে এদেশবাসীর জীবনধারণের নানাক্ষেত্রে যে ব্যাপক পরিবর্তন আসে, তারই সূত্র ধরে বাঙালির চিন্তাচেতনায় মধ্যযুগীয় ধ্যান-ধারণার অবসান ঘটে ও আধুনিক জীবনধারার নানা আভাস সূচিত হয়। নতুন কালের এই ভাব-তরঙ্গের অভিঘাতে বাঙপালির শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির জগতে নতুন অভিসার শুরু হয়। এই নতুন অভিসারের অন্যতমস প্রত্যক্ষ ফল অঅধুনিক বাংলা সাহিত্য। তারই বিস্তারিত পরিচয় লিপিবদ্ধ হয়েছে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে। বাংলা সাহিত্যের বর্তমান ইতিহাস গ্রন্থখানি উনিশ শতকের শিক্ষাম সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আন্দোলনে বাঙালির বিভিন্নমুখি ভূমিকার সঙ্গে তার জীবনে ইতিহাসকে সম্পৃক্ত করেছে। ফলে এ গ্রন্থ শুধু বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ইতিহাসই নয় উনিশ শতক থেকে একুশ শতকরে শুরু পর্যন্ত বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনের বিভিন্ন দিকগুরোর অখণ্ড রূপায়নের ইতিহাসও বটে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb02c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুক্তিযুদ্ধের ছিন্ন দলিলপত্র',\n", " 'seo_url': 'মুক্তিযুদ্ধের-ছিন্ন-দলিলপত্র',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লিখতে গেলেই দরকার পড়ে দলিলপত্র বা উপাদানের। কিন্তু, আমাদের অযত্ন ও অবহেলার কারণে, অধিকাংশ দলিলপত্র এখন নষ্ট হয়ে গেছে। হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত পনের খন্ডের দলিলপত্রই এখন ভরসা।ঐ সব দলিলপত্রের বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আরো কিছু দলিলপত্র। ড. মুনতাসীর মামুন এরকম বিচিত্র সব দলিলপত্রের সন্ধান আমাদের দিচ্ছেন তাঁর নবতম গ্রন্থ মুক্তিযুদ্ধের ছিন্ন দলিল পত্রে। তাঁর পরিবেশনার কারণে সাধারণ একটি দলিলও পেয়েছে নতুন মাত্রা। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চায় ড. মামুনের এই গ্রন্থ এক মূল্যবান সংযোজন।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb032',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুক্তিযুদ্ধের জলসীমায়',\n", " 'seo_url': 'মুক্তিযুদ্ধের-জলসীমায়',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ একাত্তরে বাংলাদেশের জলসীমায় পরিচালিত নৌ-কমাণ্ডো অভিযান আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের এ যাবতকালের লিখিত ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে এই অধ্যায়টি প্রায় অনাদৃত। মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রচুর বই লেকা হেলও কোথাও পূর্ণাঙ্গভাবে তুলে ধরা হয়নি দুর্ধর্ষ নৌ-কমাণ্ডারদের লোমহর্ষক অভিযান আর মরণপণ লড়াইয়ের গৌরবগাঁথা। এ-বিষয়ে অনুসন্ধিৎসু লেখক হুমায়ন হাসানের গবেষনাধর্মী ইতিহাস গ্রন্থ মুক্তিযুদ্ধের জলসীমায় প্রথম প্রকাশ থেকে ব্যাপক সাড়া জাগায়। মুক্তিযুদ্ধে দশ নম্বর সেক্টরের কর্মকাণ্ড নিয়ে পাঠকমহলে সৃষ্টি হয় দারুণ কৌতূহল। পেশায় কৃতি সাংবাদিক হুমায়ন হাসান কার্যত একজন লেখক। সাহিত্যের সকল শাখাতেই রয়েছে তার স্বচ্ছন্দ বিচরণ। একাধারে কবি, গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট। নৌ-কমাণ্ড অভিযানের মতো গৌরবময় অথচ উপেক্ষিত বিষয়কে নিজস্ব ভাষায় স্বকীয় রচনাশৈলীর মাধ্যমে এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন যা ঘটনা পরম্পরায় জীবন্ত ও কৌতূহল উদ্দীপক হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে যেখানে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও চলছে নানামুখী বিতর্ক সেখানে এই লেখক রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে থেকে নিরপেক্ষভাবে সন্বিবেশিত করেছেন নৌ-কমাণ্ডোদের অজানা তথ্য। দশ নম্বর সেক্টরের প্রায় সামগ্রিক তৎপরতা নিয়ে লিখিত অসামান্য গ্রন্থ মুক্তিযুদ্ধের জলসীমায় সবারই সংগ্রহে থাকা দরকার।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb034',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মিশ্রকথন',\n", " 'seo_url': 'মিশ্রকথন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মেজর জেনারেল ইবরাহিম কর্তৃক লিখিত বই প্রকাশ শুরু হয়েছে ১৯৯৯ সাল থেকে , এবং প্রায় প্রতি বইমেলাতেই তাঁর লেখা বই প্রকাশিত হয়েছে। এটি তাঁর নিজের লেখা বা সম্পাদিত বইয়ের মধ্যে এগারোতম। এই বইটি অন্য সকল বই থেকে ভিন্ন বলে অনুভূত । বিবিসি বাংলা রেডিও, ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা অনুষ্ঠান ও বাংলাদেশের একাধিক টেলিভিশন চ্যানেলে বহুমাত্রিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বা উপস্থাপনার কারণে, মেজর জেনারেল ইবরাহিম দেশে এবং বিদেশে বাংলা ভাষী দর্শক স্রোতার নিকট অতি সুপরিচিত একটি মুখ ও নাম। এই গ্রন্থটি মেজর জেনারেল ইবরাহিমকে ও তাঁর চিন্তা-চেতনাকে গভীরভাবে জানার একটি মাধ্যম। সেনাবাহিনী জীবন প্রসঙ্গে কিছু আলোচনা পাঠকের জন্য অভূতপূর্ব ও অশ্রুতপূর্ব বলেই অনুভব করি। আংশিকভাবে আত্মজীবনীমূলক, আংশিকভাবে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মূল্যায়নমূলক এবং আংশিকভাবে তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনার প্রকাশমূলক গ্রন্থ হচ্ছে এটি- ‘মিশ্রকথন’। অনেক প্রকারের কথা আছে বলেই এর নাম ‘মিশ্রকথন’। কঠোর বা সিরিয়াস সব কথাকেই গ্রহণযোগ্য ভাষায় এবং পাঠযোগ্য মেজাজে উপস্থাপন করার দক্ষতা মেজর জেনারেল ইবরাহিম এর আছে; আগের বইগুলো এর সাক্ষী। ‘মিশ্রকথন’ যেমন তথ্যমূলক তেমনই চিন্তা-উদ্রেককারী; সব বয়সের সব পেশার পাঠকের জন্য কিছু না কিছু এখানে আছেই। বাংলাদেশকে নিয়ে যারা ভাবেন, পুরো বইটি তাদেরই। সূচিপত্র * ভূমিকা : মিশ্রকথান কেন ? * শৈশব ও পরিবার : বৃত্ত থেকে উত্তরণ * জীবনের ভিত্তি ক্যাডেট কলেজ : অতঃপর বিশ্ববিদ্যালয় * সেনাবাহিনীতে ব্যস্ত দিনগুলো * স্মৃতি : টক-ঝাল-মিষ্টি * ১৯৭৫ : রাজনৈতিক ইতিহাসে বিভাজন রেখা * মুক্তিযুদ্ধ : পিছনে ফিরে দেখা * পার্বত্য চট্রগ্রাম : অনেক প্রশ্নের কিছু উত্তর * এরশাদের আগমন ও বিদায় : অনেক বড় চোখে দেখা * ২০ মে ১৯৯৬ : অসি বড় না মসি বড় * রাজনৈতিক মত ছিল; কিন্তু পথ! * রাজনীতির পথে হাঁটবো কি হাঁটবো না * রাজনীতিতে আমার পথ : নতুন দল'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb036',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ইতিহাসের খেরোখাতা - ৫',\n", " 'seo_url': 'ইতিহাসের-খেরোখাতা---৫',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলাদেশের অগ্রগণ্য ঐতিহাসিক ড. মুনতাসীর মামুনের প্রধান কৃতিত্ব ইতিহাসকে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসা। বলা যেতে পরে মুনতাসীর মানুন বিষয় হিসেবে ইতিহাসকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন।অধ্যাপক মামুনের গবেষণার বিষয় উনিশ ও বিশ শতকের পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশ।পূর্ববঙ্গের সামাজিক সাংস্কৃতিক ইতিহাস নিয়ে তাঁর অনেকগুলি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।কলোনি আমলের বাংলাদেশের রাজনীতি, আমলাতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও তিনি লিখেছেন।মুনতাসির মামুনের ইতিহাস বিষয় অনেক প্রবন্ধ গ্রন্থকারে সংকলিত হয়নি। সে-সব প্রবন্ধ ইতিহাসের খেরাখাতা শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে।ইতোমধ্যে এর চারটি খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে।এখন প্রকাশিত হলো পঞ্চম ভাগ।বর্তমান খণ্ডের(৫) সংকলিত প্রবন্ধগুলির বিষয় হলো উনিশ শতকের বাংলা। সূচিপত্র *উনিশ শতকে বাংলা সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা *উনিশ শতকে পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন জাতি, বর্ণ ও পেশার বিবরণ-একটি ভূমিকা *ঠাকুর পরিবারের চিঠিপত্র'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb044',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ওগো সুকন্যা',\n", " 'seo_url': 'ওগো-সুকন্যা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ নমিতার গায়ে দাঁতের অসংখ চিহ্ন। অত্যাচারের সাক্ষী হয়ে আছে দাঁত ও নখের আঁচড়। চোখ পড়তেই শিউড়ে ওঠে রবিন। গোপনাঙ্গ থেকে চুইয়ে চুইয়ে রক্ত পড়ছে।রবিন হাত দিয়ে চোখ ঢাকে। নমিতা কাঁপা কাঁপা গলায় বলল; ধর্ষণ করেও ওদের সাধ মেটেনি।------- কি অসহ্য যন্ত্রণা।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb048',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কবিতাসমগ্র - ১',\n", " 'seo_url': 'কবিতাসমগ্র---১',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ *প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে *দুঃসময়ে মুখোমুখি *এক ধরনের অহংকার *বিধ্বস্ত নীলিমা *রৌদ্র করোটিতে *নিজ বাসভূমে *বন্দি শিবির থেকে *শূন্যতায় তুমি শোকসভা *বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে ইকারুসের আকাশ *উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ *কবিতার সঙ্গে গেরস্থালি আমার কোন তাড়া নেই *হোমারের স্বপ্নময় হাত *ধুলোয় গড়ায় শিরস্ত্রাণ *আমার ক’জন সঙ্গী'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb04e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সেরা হুমায়ূন',\n", " 'seo_url': 'সেরা-হুমায়ূন',\n", " 'description': '****** সূচিপত্র****** * আমার ছেলেবেলা * মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ * হোটেল গ্রেভার ইন * ইরিনা * দরজার ওপাশে * আমি এবং আমরা * দীঘির জলে কার ছায়া গো * নবনী * দারুচিনি দ্বীপ * কুটুমিয়া * হিমু মামা * সানাউল্লাহর মহাবিপদ * বিভ্রম * জলকন্যা * একজন শৌখিনদার মানুষ * চোখ *ছুন্নু মিয়া * আয়না *জলিল সাহেবের পিটিশন * পাথর * আমার আছে জল * এক যে ছিল সোনার কন্যা(শ্রাবণ মেঘের দিন) * নদীর নাম ময়ূরাক্ষী (আমার আছে জল) * ও আমার উড়াল পঙ্খীরে (চন্দ্রকথা) * এক বরষায় (দুই দুয়ারী) * চলো না যাই (নয় নম্বর বিপদ সংকেত)'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb050',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দশটি উপন্যাস',\n", " 'seo_url': 'দশটি-উপন্যাস',\n", " 'description': 'দশটি উপন্যাস * অচিনপুর * অন্যদিন * তোমাকে * দেবী * আগুনের পরশমনি * দূরে কোথাও * আকাশ জোড়া মেঘ * সাজঘর * জনম জনম * কোথাও কেউ নেই'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb05e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঢাকা সমগ্র - ৩',\n", " 'seo_url': 'ঢাকা-সমগ্র---৩',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ড. মুনতাসীর মামুনের নাম ঢাকার ইতিহাস চর্চার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। গত দু’দশকে বলতে গেলে তাঁর একক চেষ্টায় ঢাকার ইতিহাস আক্ষরিক অর্থে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, ঢাকা নিয়ে গবেষণার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে অনেককে। শুদু তাই নয়, ঢাকার ইতিহাসচর্চার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন ঢাকা নগর জাদুঘর স্থাপন করে। ঢাকা বিষয়ক তাঁর কোষ গ্রন্থ ঢাকা : স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী পড়েননি এমন ঢাকা প্রেমিক খুব কমই আছেন। উল্লেখ্য, অনন্যা এই গ্রন্থটির নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় অনন্যা ২০০৩ সালে প্রকাশ করেছে মুনতাসীর মামুনের ঢাকা সমগ্র-১। এবার প্রকাশিত হলো ঢাকা সমগ্র-২। গত দু’দশকে ড. মামুন রচিত ও সম্পাদিত ঢাকা বিষয়ক বেশি কিছু গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এসব গ্রন্থের অনেকগুলি এখন আর ছাপা নেই। তাছাড়া ঢাকা বিষয়ক অনেক বই লেখক নিজেই আর পুনর্মুদ্রণে আগ্রহী নন। সে পরিপ্রেক্ষিতে লেখকের ঢাকা বিষয়ক গ্রন্থ ও রচনা ‘ঢাকা সমগ্র’ শিরোনামে প্রকাশ করার পরিকল্পনা নিয়েছি। বর্তমান খণ্ডে ড: মামুন রচিত যে সব গ্রন্থ সংকলিত হয়েছে সেগুলি হলো- ঢাকার হারিয়ে যাওয়া ছবির খোঁজে, এই ঢাকায় ঢাকার সাংষ্কৃতিক ইতিহাসের উপাদান। আমরা মনে করি, ঢাকা প্রেমিকদের মনেই শুধু গ্রন্থটি আগ্রহের সৃষ্টি করবে না, ঢাকা গবেষকদের কাছেও গ্রন্থটি হয়ে উঠবে তথ্যের আকর। সূচিপত্র ঢাকার হারিয়ে যাওয়া ছবির খোঁজে * ঢাকার হারিয়ে ছবির খোঁজে * পুরনো ঢাকার ঘরবাড়ি * ঢাকার ফরাশগঞ্জ ও ফরাসি কুঠির ইতিহাস * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আদি নিয়োগ এই ঢাকায় * ঢাকার কুঠির বাণিজ্য * জগন্নাথ কলেজ সম্পর্কে কিছু তথ্য * ঢাকার লুপ্ত শিল্প * ঢাকা কলেজের বেড়ে ওঠা * ঢাকার নবাব পরিবারের ঋণের ইতিহাস * বুড়িগঙ্গা * সেই বুড়িগঙ্গা ফেরত চাই * ঢাকার রাস্তার নামকরণ * সব মাজার মাজার নয় * শহুরে সাহেবরা ধানক্ষেত কিনছেন * বঙ্গভবনের সামনের রাস্তাটি বন্ধ থাকবে কেন? * মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে * গাছ গুলো সব কোথায় গেল? * স্বাধীনতা স্তম্ভ- আলোর স্তম্ভ * মুক্তির পথ * ঢাকা বাঁচাও, বাঁচাও ঢাকা ঢাকা সাংস্কৃতিক ইতিহাসের উপাদান * ঢাকার আদি মুদ্রণের ইতিহাস * ঢাকার বটতলার খোঁজে * ঢাকার বই বিক্রির ইতিহাস * উনিশ শতকে ঢাকার সংবাদপত্র * ঢাকার আদি কবিতাপত্র * ঢাকার বায়োস্কোপ * নির্ঘন্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb06e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কন্যা রাশির কন্যা',\n", " 'seo_url': 'কন্যা-রাশির-কন্যা',\n", " 'description': 'বইয়ের বিষয়বস্তুঃ বইটিতে সিনেমার সামগ্রিক চিত্র তুলে আনার চেষ্টায় আমরা ভেবেছি বিশ্বব্যাপী সিনেমার কথা । নানা আঙ্গিক থেকে বৈচিত্র্য দেয়ার প্রয়াসে বাদ যায়নি উল্লেখযোগ্য সব জঁনরা’র সংযুক্তি । হরর থেকে সায়েন্স ফিকশন, রোমান্টিক ড্রামা থেকে থ্রিলার, ...স্পোর্টস ড্রামা থেকে মিস্ট্রি । সিনেমা নিয়ে পর্যালোচনা ও প্রবন্ধ লিখতে গিয়ে মাথায় রেখেছি কাল্ট ক্ল্যাসিক সিনেমা থেকে হালের প্রশংসিত সিনেমাকেও । গভীর জীবনবোধের সিনেমা নিয়ে সত্যজিৎ যেমন আছেন, অন্ধকারময় বিষয়াদি নিয়ে আছেন বার্গম্যান । পরাবাস্তবতা ও কাব্যিকতা নিয়ে তারকোভস্কি, সহজাত ভায়োলেন্স নিয়ে ট্যারান্টিনো, মিষ্টি রোমান্টিকতা নিয়ে মণি রত্নম আর সহজ রসবোধের সিনেমা নিয়ে উডি অ্যালেন । আছেন আমেরিকান গ্রেট কুব্রিক, ইউরোপীয় আর্ট সিনেমার ব্রেসোঁ থেকে আমাদের আলমগীর কবির । আবার এসময়ের সৃজনশীল নির্মাতা ইনারিতু, অলিভিয়ের আসায়াসদের সিনেমাকেও অন্তর্ভুক্ত করেছি । ছবি বাছাইয়ে, বিষয়বস্তু বিবেচনায় ‘সময় থেকে আধুনিক’ ছবির পাশাপাশি ‘সমসাময়িক’ চিন্তা-ভাবনাযুক্ত ছবিকেও প্রাধান্য দিয়েছি ।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb084',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভ্রমণ সমগ্র',\n", " 'seo_url': 'ভ্রমণ-সমগ্র',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কবি আবদুল হাই শিকদারের ভ্রমণ বিষয়ক বইগুলো বাংলা সাহিত্যের এক প্রাণবস্ত সম্পদ। অদ্ভুত এক অনুসন্ধ্যৎসা এই গ্রন্থগুলোর পাতায় পাতায়। ফলে এ শুধু দু’চোখ মেলে দেখার বিষয়ে থেমে নেই, একই সঙ্গে অনুভবের, অনুধাবনের। বিশ্বজুড়ে যখন ‘ইকো-টুরিজমের’ কথা, সেই সময় এর তাৎপর্য ও গুরুত্ব অনেক। ক্যামেরার চোখ দিয়ে কাজ করে আবদুল হাই শিকদারের কলম।আবার অন্তরের অন্তস্থলকেও করে অনায়াসে উন্মোচন। অতীতের সঙ্গে বর্তমান, ইতিহাসের সঙ্গে ভূগোল, যাপিত জীবন ও সংস্কৃতির অন্ধিসন্ধি তিনি অতি অনায়াসে একটি মামার মতো গ্রথিত করেন একসাথে। মানচিত্রের পাশাপাশি মানুষকে জানবার, বুঝবার আকুতি তাঁর শব্দে শব্দে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় তাঁর সাবলিল বলবার ভঙ্গিটি-যার মধ্যে থাকে কাব্যিক দ্যোতনা। ফলে মনোরম কিন্তু দায়িত্বশীল এক অভিজ্ঞতা পাঠক লাভ করেন। কবি আবদুল হাই শিকদারের ভ্রমণ বিষয়ক বইগুলোর পাঠকপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই সেগুলো দু’ মলাটের মধ্যে নিয়ে হলো ভ্রমণ সমগ্র’। ভূমিকা ভ্রমণ আসলেই এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা। এই অভিজ্ঞতা আসে দেশ, নিগর্স থেকে, আসে সংশ্লিষ্ট মানুষজন, তাদের জীবন যাপন, ইতিহাস, ভূগোল, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি থেকে।ফলে আমার কাছে ভ্রমণ কেবলমাত্র ভ্রমণ নয় আরো বেশি কিছু, অতীতের সঙ্গে বর্তমান, ইতিহাসের সঙ্গে যাপিত জীবনের উচ্চারণ ও অর্জনকে মিলিয়ে মিলিয়ে একটি জাতির অন্তর্লোকের অনুসন্ধান; মহত্ব ও কল্যাণবোধ থেকে সুষমা প্রাপ্ত হওয়া। তা যদি নাও হয় তবুও দেখাটা তো মিথ্যে হয়ে যায় না।এজন্যই আমার অন্তরের আকুতিগুলি সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য একসময় শুরু করি ভ্রমণ কাহিনী লেখা। এ ক্ষেত্রে শুধু বাইরের আকাশে বিবরণ নয়, বাড়ির পাশে আরশি নগরকেও আমি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছি।যে নিজেকে, নিজের দেশকে ভালোবাসে, গভীরভাবে জেনেছে, সেই তো যথার্থ অর্থে হতে পারে বৈশ্বিক। পাঁচটি বই। তাও ছড়িয়ে ছিটিয়ে বহুদিন।তরুণ বন্ধু আমলগীর হোসেন খানের তাগাদা আসে বার বার। শেষ পর্যন্ত আমাদের প্রিয়জন প্রকাশক মনিরুল হকের হৃদয়বান হাত ‘ভ্রমণসমগ্র’ কে সকলের চোখের সামনে নিয়ে এল। আবদুল হাই শিকদার অক্টোবর ২০০৫ ভূমিকা *সিরাজদৌলা মুর্শিদাবাদ *কবিতীর্থ চুরুলিয়া *নিপ্পন নি সাসাগু *ফিরে ফিরে আসি *অন্তরে বাহিরে তুমি রূপকথা : সোনারগাঁও'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb088',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শ্রেষ্ঠ উপন্যাস',\n", " 'seo_url': 'শ্রেষ্ঠ-উপন্যাস-002',\n", " 'description': 'শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ১। নন্দিত নরকে ২। অচিনপুর ৩। অন্যদিন ৪। সবাই গেছে বনে ৫। আমার আছে জল ৬। ফেরা ৭। আগুনের পরশ্রমি ৮। দূরে কোথায় ৯। আকাশ জোড়া মেঘ ১০। সাজঘর ১১। চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক ১২। জনম জনম ১৩। গৌরীপুর জংশন ১৪। কৃষ্ণপক্ষ ১৫। তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb09e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রেম ও কাম',\n", " 'seo_url': 'প্রেম-ও-কাম',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ জাভেদ বড় হতে থাকে।সম্পর্কের দরজা জানালাগুলো তার চোখের সামনে খুলতে থাকে।ধীরে ধীরে সে বঝতে পারে জীবনের কিছু প্রথাগত সত্য আছে যা বাইরে থেকে দেখা যায়, সেটি জীবনের প্রকৃত সত্য নয়।আসল সত্যগুলো জীবনের আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকে। যা আমরা কেউ স্বীকার করি না। নারী পুরুষের মাঝে প্রেম ও কাম জাগবে এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু তা কি চিরস্থায়ী? জাভেদ তার জীবনে সম্পর্কের স্থায়িত্ব খুঁজে পায়নি। অদৃশ্য সুতোগুলো একে একে ছিঁড়ে যায়। সম্পর্কের ভিত্তি একসময় নড়বড়ে হতে হতে ভেঙ্গে পড়ে তাবে এটিই কি সম্পর্কের পরিণতি? একেই বলে প্রেম?'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0a4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চেনা ডাকাত',\n", " 'seo_url': 'চেনা-ডাকাত',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ চিনু সাহেবের সবাইকে চেনা চেনা মনে হয়।কাজেই ডাকাতদেরও চেনা মনে হবে স্বাভাবিক।কিন্তু ডাকাত দলের তরুণ প্রদানকে কেন যেন আরও বেশি চেনা মনে হয়।মনে হয় সে ডাকাত নয়, অন্য কিছু।সম্পর্কের অন্য কোনো বাঁধন আছে ওদের মধ্যে। চিনু সাহেব এবং তার স্ত্রী মায়ার সংসারটা কাটছে এক চিরস্থায়ী দুঃখের কিছু ধাওয়া নিয়ে। তাদের সম্পদ বিস্তর, কিন্তু ভোগ করার কেউ নেই।এই সুযোগটা নিতে চায় এমন কিছু লোক দৃশ্যত যাদের মধ্যে পার্থিব লোভ থাকার কথা নয়।জলিল মাস্টার, রেডিও সেলিম সাহেব কিংবা রমিজ ওস্তাদ, ওরা তো জাগতিক বিষয়ে ভীষণ উদাসীন।হারুন সাহেব বা তার স্ত্রীও সদাব্যস্ত একজন আরেকজনকে নিয়ে।অথচ তারাই..... এটা তোতনের কাছে এত জটিল একটা বিষয় মনে হয় যে দুই ক্লাসমেট ইমরান আর শেফালিকে নিয়ে সে ত্রিরত্ম নামের একটা গোয়েন্দা দল তৈরী করে ফেলে।ডাকাত দলকে কে বা কারা ইন্ধন দিয়ে চিনু সাহেবেরে সম্পত্তির সন্ধান দিয়েছে সেই তদন্তে নামে ওরা।আর সেই তদন্তই খুলে দেয় সম্পর্ক আর পরিচয়ের অজানা কিছু দরজা।যা চায় তারা পাওয়া যায় তার চেয়েও বেশি।চিনু সাহেবের কেন মনে হয় অর্ধেক চেনা আর বাকি অর্ধেক অচেনা মনে হয় বেরিয়ে যায় সেটাও। বরাবরের মতো কৌতুভরা দৃষ্টি আর সরস উপস্থাপনায় মোস্তফা মামুন কিশোর মনস্তত্ব দিয়ে তুলে এনেছেন মানুষের সম্পর্ক রহস্যের একটি গল্প।রহস্য আছে, কিন্তু রহস্য গল্প নয়। শেষপর্যন্ত এটা মামুষের গল্প। মজার গল্প।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0a8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কবিতাসমগ্র - ৪',\n", " 'seo_url': 'কবিতাসমগ্র---৪',\n", " 'description': 'তােমাকেই ডেকে ডেকে রক্তচক্ষু কোকিল হয়েছি হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল ছায়াগণের সঙ্গে কিছুক্ষণ। মেঘলােকে মনােজ নিবাস রূপের প্রবালে দগ্ধ সন্ধ্যারাতে টুকরাে কিছু সংলাপের সাঁকো স্বপ্ন ও দুঃস্বপ্নে বেচে আছি নক্ষত্র বাজাতে বাজাতে'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0b0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঢাকাইয়া বাতচিৎ',\n", " 'seo_url': 'ঢাকাইয়া-বাতচিৎ',\n", " 'description': '*হেসে হেসে ডুবেছিল চাঁদ * সুঁই সুতা ও রাবারের পোশাক-আকাশ * হয়তো বিরহ, হয়তো না * সীতা অপহরণ ও আত্ম-উদ্ধার পর্ব * বেশ, আহা বেশ বেশ * বিপরীত দুই মেরুর মিল-অমিল'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0d0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঢাকা সমগ্র - ৪',\n", " 'seo_url': 'ঢাকা-সমগ্র---৪',\n", " 'description': 'সিভিলিয়ানদের চোখে ঢাকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0d6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আকাশ ভরা নীল কষ্ট',\n", " 'seo_url': 'আকাশ-ভরা-নীল-কষ্ট',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ইবু বলল, মেসেজটা তোমার জন্য না, ভুলে পাঠিয়েছি তোমাকে। এষার মনে হলো নিজেকে সাধারণ এক রাখালকন্যা। রাজপ্রাসাদ থেকে রাজপুত্র তাকে হাতছানি দিয়ে ডেকেছিল। ভালোবাসায় পাগল এষা ছুটে যাচ্ছিল। কিন্তু রাজপ্রাসাদের ঠিক সামনে এসে বন্ধ দরজায় হুমড়ি খেয়ে পড়ল। আর দেখল রাজপুত্র তাকে ডাকেনি। ডেকেছে ঠিক তার পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা এক রাজকন্যাকে। প্রায় দু-মিনিট ফোনের লাইন নিঃশব্দ হয়ে রইল। ইবু চুপ। এষঅও চুপ। নীরবতা ভাঙল এষা। ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে গেলেও অস্বাভাবিক শান্ত কণ্ঠে বলল, তাই? আগে বলবেন তো। ঠিক আগে, রাখি। ইবুকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ফোন রেখে দিল এষা। ইবুর মোবাইলে মেসেজ এল কিছুক্ষণ পরে। অনেক বড় মেসেজ লিখছে এষা : ছোটবেলায় চকলেট পছন্দ করতাম। বাবা এনে দিত। হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল। আমি আর চকলেট খাইনি। আজ আমার প্রিয় চকলেট হিরো আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। আর কখনোই চকলেট হিরো খুঁজব না আমি। এই উপন্যাসে উঠে এসেছে এষার মতো জেদি কিশোরীর স্বপ্ন ভঙ্গের কাহিনী। ইবু নামের ভালোবাসার মুখটি হারানোর করুণ কথা। বন্ধুর জন্য আকুল করা ছোটনের এক কষ্ট গাথা। কন্যাস্নেহে ডুবে থাকা বাবার অপরাধবোধের গোপন জগত উন্মোচনের চিত্রও দেখতে পাবেন পাঠক। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১। এ কাহিনী সবার জন্য সব বয়সের জন্য।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0da',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ফ্রয়েড ও প্রকৃতি',\n", " 'seo_url': 'ফ্রয়েড-ও-প্রকৃতি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই বইটির মুখবন্ধে আবদুল গাফফার চৌধুরী উল্লিখিত ‘বাঙালির বিলাত বিজয়’ গল্পটি রচিত হয়েছিল লেখকের জীবনের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে প্রায় দু-দশক আগে। ফজলুল আলমের প্রথম গল্প সংকলন শূন্যতা ছুঁয়ে ফেরায় (২০০৫) সেটা সংগৃহীত আছে। বাস্তব ঘটনা নিয়ে লিখলেও সেই গল্পে অবাস্তবতাও ভিড় করেছিল। সেই অবাস্তবতার রেশ কখনও লেখককে ছেড়ে যায় নি, বরং বৃদ্ধি পেয়ে নতুন ও অধুনা রচিত গল্পগুলোতে আরও গভীরতা এনে দিয়েছে। ফ্রয়েড ও প্রকৃতি সেই গভীরতার প্রকাশ- একজন পরিণত লেখকের দ্বিতীয় গল্পসংগ্রহ। পাঠক এখান থেকে এমন একটা জগতে পৌঁছে যাবেন সেখানে বাস্তব, অলীক ও পরাবাস্তব সব একাকার হয়ে আছে। পাঠক যা চান সে সবাই এখানে পাওয়া যায়, কাহিনী, মনোজগতে বিচরণ, পাঠককের ইচ্ছাপূর্তি এবং গল্পশেষে ভাবনার খোরাক। ফজলুল আলমের নতুন গল্প-উপন্যাসের বিষয় ও শৈলী কখনও একস্থানে থেমে থাকেনি। সমাজ-দর্শন ও তাত্ত্বিক জ্ঞান তাঁর সব গল্পই পাঠককে নিজের সত্যিকার অবস্থান সম্পর্কে করে তোলে সচেতন। গত বছর তাঁর উপন্যাস ক্রান্তিকালের প্রতারক (২০০৪) লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজ-এর পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি প্রবন্ধ, গেবেষণামূলক ও শিক্ষায়তনিক বই লিখছেন বহু দিন ধরে। তাঁর গবেষণামূলক বই ইংল্যান্ডেও প্রকাশিত হয়েছে। সূচি * আবদুল গাফফার চৌধুরীর মুখবন্ধ * ফ্রয়েড ও প্রকৃতি * গ্রহণকালে সূর্য * রাত দশটার অতিথি * রঙিন বসনপ্রান্ত * কড়া নাড়া ও প্রতীক্ষা * অনভিলাষের ভঅষা জলে ভাসে না- পর্ব ১ * অনভিলাষের ভঅষা জলে ভাসে না- পর্ব ২ * প্যারিসে বসন্ত * শুনিতে চেয়োনা * সৌন্দর্যকে নিবেদিত ভালোবাসা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0ea',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রাজনীতির গতিধারা',\n", " 'seo_url': 'রাজনীতির-গতিধারা',\n", " 'description': 'শান্তিচুক্তি নিয়ে বিরোধীদলের সাথে বৈঠক অপরিহার্য'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0f0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কমলা রঙের দিনগুলি',\n", " 'seo_url': 'কমলা-রঙের-দিনগুলি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ভ্রমণ, স্মতির ফুল নিয়ে আপনজনকে স্মরণ। সহজ মনোরম ভাষা। ঝরঝরে রম্য রীতি।প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি সুনিবিড় ভালোবাসা। দেশে দেশে ভ্রমণের মাঝেও স্বজনদের কথা বলেন মমতার রং মিশিয়ে। অনেক গুণীজনের সংস্পর্শে জীবন হয়ে উঠছে প্রাণবাহী।পাঠকদের খুশী করার গুণটি তার সখপাঠ্য এই বইতে। ভূমিকা স্মৃতি সতত সুখের। বেদনারও। পড়িয়েছি, বলেছি।লিখেছি, পড়েছি। তারই মালা স্মৃতির আতর। আসমা আব্বাসী ফ্রেব্রুয়ারি ২০০৮ সূচিপত্র *সেই যে আমার নানারঙের দিনগুলি *কয়েকটি অক্ষয় মুহূর্তের কথা *শ্যামলে নীতিমালায়, আটলান্টিক তীরে *পথে প্রবাসে *দেশ দেশান্তর *দেশ থেকে দেশান্তর : ইরানে *মালয়েশিয়া : আনন্দের ধারা *হারানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে *ইনার হুইল *ফিরে দেখা *দুঃখ-সুখের দোলা *ভুলিনি *কী যে বলি *মেয়ের কাছে চিঠি *ঈতেদর স্মৃতি *সৈয়দ মুজতবা আলী : মাতুল প্রসঙ্গে *কবি সুফিয়া কামাল *আবাসউদ্দীন : হৃদয়ালোক *বেগম মমতাজ জসীমউদ্দীন : স্মরণ *এস এম আলী : ব্যক্তিগত আলোয় *কামরুন্নেসা স্কুল : আনোয়ারা বাহার চৌধূরী *বাংলা বিভাগ ও কাজী দীন মুহাম্মদ *বেগম লুৎফুন্নেসা : শতাব্দীর ফুল *প্রিয় মানুষ আজিজুর হক *স্মরণ : সামাদ ভাই *স্বপ্নলোকে দেখা : সেলিনাপা * দাদাভাই : স্মরণের বালুকাবেলায় *আমার বোন সারা *প্রিয় মুক্তিযোদ্ধা তুতুল *সিলেটের গৌরব : হাসন রাজা'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0fc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পরির বয়স চারশো বছর',\n", " 'seo_url': 'পরির-বয়স-চারশো-বছর',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ছোটদের গল্প নিয়েই সাহিত্যের জগতে ঢুকেছিলেন ইমদাদুল হক মিলন। তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্পের ‘বন্ধু।’ একটি কিশোর ছেলের সঙ্গে একটি বানরের বন্ধুত্ব নিয়ে লেখা। সেই গল্প এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। কোথায় হারিয়ে গেছে, কে জানে। তারপর ইমদাদুল হক মিলন বড়দের লেখা লিখে জনপ্রিয় হয়েছেন। কিন্তু ছোটদের জন্য থামাননি তাঁর কলম। ছোটদের গল্প উপন্যাস লিখে সমান জনপ্রিয় হন ছোটদের কাছে। এই বই ‘পরির বয়স চারশো বছর’ একবার পড়তে শুরু করলে বই ছেড়ে উঠতে পারবে না কেউ। সে একেবারেই ছোট্ট শিশু হোক, কিশোর কিংবা বয়স্ক হোক, এই বই সমানভাবে ভালো লাগবে সবার। সূচিপত্র *আগুন রংয়ের আলো *পরিটি উনিশদিন ছিল *ভূতের গল্প *আলী দ্যা ম্যান *রহস্যময়তা *রাত বারোটা *উনিশশো একাত্তর *সেই নিঝুম বর্ষারাতে *পরির বয়স চারশো বছর *অপূর্ব মিত্রের অভ্র এ্যাডভেঞ্চার *খরগোশপুর *নিমপাখি'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb0fe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভূতটা',\n", " 'seo_url': 'ভূতটা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রমাকান্তকার ইমদাদুল হক মিলনের এক অনবদ্য সৃষ্টি। সে একটা ভূত। রমাকান্তকামার নামটি এমন যে নাম সোজা করে লিখলেও যা হয়, উল্টো করে লিখলেও তাই হয়। এই রমাকান্ত’র সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব লালটু নামের এক কিশোরের। লালটু’র সঙ্গে বন্ধুত্বের সঙ্গেই থাকে।কিন্তু থাকে অদৃশ্য হয়ে, হাওয়ার মিশে। প্রয়োজন হলে লালটু’র রূপ ধরেই চলাফেরা করে।রমাকান্ত’র মজার মজার কাণ্ডকারখানা নিয়ে এই বই ভূতটা। শিশু কিশোরদের নিয়ে এই বই বড়দেরকেও সমানভাবে আনন্দিত করবে। একবার পড়া শুরু করলে শেষ না করে আর ওঠা যাবে না।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb102',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'লুকোচুরি',\n", " 'seo_url': 'লুকোচুরি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ প্রথম দর্শনেই অপরূপা \\u200dসু্ন্দরী লাজুক মেয়েটির প্রেমে পড়ে গেলো মোর্শেদ; কিন্তু মেয়েটি ওতে পাত্তাই দিতে চায় না। তাই বলে তো রণে ভঙ্গ দেখায় যায় না। মোর্শেদ মেয়েটির পিছু নেয়া শুরু করলো। ওকে সহায়তা করতে এগিয়ে এলো কয়েকটি বিচ্ছু কিশোর। নানারকম হাস্যকর ঘটনার ভিতর দিয়ে এগিয়ে চলেছে কাহিনী।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb116',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'যত দূরে যাই',\n", " 'seo_url': 'যত-দূরে-যাই',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘যত দূরে যাই’ এক দুর্দান্ত কিশোর প্রেমের উপাখ্যান। কিন্তু প্রেম এখানে অনুচ্চারিত। দিপু কিংবা বৃষ্টি দুজনকে ভালোবাসে ঠিকই, কিন্তু কেউ কাউকে প্রকাশ করে না সেই ভালোবাসার কথা। বৃষ্টির রক্তে বাসা বেঁধেছে এক মরণব্যাধি ‘লিউকেমিয়া।’ মা নেই। বাবার আদরে বড় হয়েছে বৃষ্টি। বৃষ্টিকে নিয়ে বাবা এসেছেন শহরে। দিপুর মা তার দুরসম্পর্কের বোন। দিপুদের বাড়ি থেকে তিন মেয়ের চিকিৎসা করাবেন। দিপু ডাক্তারী পড়ে।এ সময় বাড়ির সবাই জেনে যায় বৃষ্টির ক্যান্সার। শুধু বৃষ্টিই জানে না। এ এক আশ্চর্য মন খারাপ করা উপন্যাস।দিপুকে ছেড়ে যত দূরেই যাক, কিন্তু সে চিরকাল থেকে যাবে দিপুর মনে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম খণ্ডনাটক ‘যত দূরে যাই।’ তিন পর্বে প্রচারিত হওয়ার পর এই নাটক বাংলাদেশের মানুষকে ব্যাপকভাবে আলোড়িত করেছিল। এখনও সেই স্মৃতি রয়ে গেছে অনেক দর্শকের মনে। আজকের পাঠকের জন্য ‘যত দূরে যাই’ এক দুর্দান্ত উপহার।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb11a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চরের নাম দৌলতিয়া',\n", " 'seo_url': 'চরের-নাম-দৌলতিয়া',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আমার ভবিষৎত পরিকল্পপনা স্বপ্ন সাংসরিক পিপাসা নিশ্চয় আমাকে ফিরিয়ে আনবে। আমি বাঁচতে চাই এবং জীবিত থাকে চাই। আরো দশটি মানুষের মতো। আমি একজন পুরুষকে ভালোবাসতে চাই মনভরে, প্রাণভরে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb11e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আবার ভালোবাসবো',\n", " 'seo_url': 'আবার-ভালোবাসবো',\n", " 'description': 'লেখকের নিবেদন এক প্রথমেই স্বীকার করছি যাঁরা বিদগ্ধ, শিক্ষিতমন, ক্ষিপ্রবুদ্ধি ও মার্জিত রুচির অধিকারী, যাঁরা মননশীল সাহিত্যের নন্দনকুঞ্জে মণি-মানিক্য খুঁজে বেড়ান, তাঁরা এ উপন্যাস পাঠ করে হয়তো তৃপ্ত হতে পারবেন না। তবে যাঁরা বৈচিত্র্যের পিয়াসী, যাঁরা প্রেমানন্দের বাগানে বিচরণ করে রসের লাল-নীল গোলাপ আহরণ করে কোঁচড় ভরতে চান- তাঁরা হয়তো কিছুটা সার্থক হবেন। তৃপ্তি পাবেন। কেননা অন্তঃসম্পদহীনা দেহসর্বস্ব রূপসী নারী ও ঢাকা শহরের মতো এ বইয়ে ঐশ্বর্যের চেয়ে চাকচিক্যই অধিক। বহুবর্ণরঞ্জিত উজ্জ্বল মনোহর খেলনার সামগ্রী পেয়ে যারা ঐশ্বর্যের চেয়ে চাকচিক্যই অধিক। বহুবর্ণরঞ্জিত উজ্জ্বল মনোহর খেলনার সামগ্রী পেয়ে যারা ভোলে তুষ্ট হয়- এ বই সেই ধরনের রসাকাঙ্ক্ষী চপলমতি উচ্ছ্বাসপ্রবণ আধুনিক পাঠক-পাঠিকাদের জন্য। তাছাড়া সবাইকে বিদগ্ধ পাঠক-পাঠিকাদের জন্য সাহিত্য রচনা করতে হবে- এমন কোনোf কথা নেই। চলচ্চিত্র-উপযোগী কাহিনী উপন্যাসেরও প্রয়োজন আছে। বেশি মাত্রায় আছে। কেননা পাঠক, সমালোচক, চলচ্চিত্র প্রযোজক উপন্যাস লেকা হচ্ছে না। সুতরাং তাঁদের কথাও লেখকদের ভাবতে হবে। অতএব ক্ষুদ্র বালুকণার মধ্যে বিশ্বরূপ দর্শনের আনন্দময় অভিজ্ঞতা যাঁরা অর্জন করতে চান, তাঁরা বিফল বেদনায় ভরে উঠলে আমি নাচার। তবে সাহিত্যিক ও শৈল্পিক নৈপুণ্য যদি এ গ্রন্থে কিছু থেকে থাকে, তা মূলত: চর্চাগুণের সহজাত কারণে। দুই শিল্পবস্তুর সঙ্গে শিল্পরীতির সুসঙ্গত সংমিশ্রণের ফলে যে সামগ্রিক ফলশ্রুতির উদ্ভব হয় তাকেই সাহিত্য-অলঙ্কারিকেরা রস বলে আখ্যায়িত করেন। সে রস হলো মধুর রস। কিন্তু আমার এ উপন্যাসে আছে প্রেমরস, আনন্দরস ও হাস্যরস। আসলে জীবন বস্তুটা মোটের উপর খুব মন্দ নয়। ভালো আছে মন্দ আছে, আলো আছে অন্ধকার আছে, হাসি আছে কান্না আছে, প্রেম আছে বিরহ আছে, সুখ আছে অসুখ আছে এবং সবকিছু মিলিয়ে পাল্লাটা ভালোর দিকে ঝুঁকে আছে। জীবনে বৈচিত্র্য আছে- ফলশ্রুতি হিসাবে আছে একটু উদ্বৃত্ত আনন্দ। তাই আমরা জীবনকে শুধ \\u200dসহ্য করি না, ভালো বাসি। মানুষ শুধু কাঁ না, হাসেও। সুতরাং সব গেল-গেলদের মতো প্রেম আনন্দ বৈচিত্র্য ও হাস্যরসকে আমরা অস্বীকার করবো কেন? মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ মে ৭, ১৯৭৯'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb128',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ৯ম খণ্ড',\n", " 'seo_url': 'গণমাধ্যমে-বাংলাদেশের-মুক্তিযুদ্ধ-৯ম-খণ্ড',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল।যুদ্ধের পুরোটা সময় বিশ্বের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বাংলাদেশে গণহত্যার বিরুদ্ধে লেখা হয়েছে, গান বাঁধা হয়েছে, কনসার্ট করেছেন যশস্বী গায়করা।রাস্তায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।বিভিন্ন সংবাদ সাময়িক পত্রে পাওয়া যাবে সে সময়কার বিবরণ যা আমাদের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল।আর বাংলাদেশ চর্চার পক্ষে আমার নিয়োজিত আছি সে সব সংগ্রহ ও সংকলন করে একটি গ্রন্থমালা প্রকাশের। এ গ্রন্থমালার নাম গণমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।ইতিমধ্যে গ্রন্থমালার ৮টি খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে।এখন প্রকাশিত হলো ৯ম খণ্ড। বর্তমান খণ্ডে, হাসিনা আহমেদ মুজিবনগর, মুক্তাঞ্চল ও অবরুদ্ধ বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ৪৫টি বাংলা পত্র-পত্রিকা থেকে সংকলন করেছেন।এতো ব্যাপক আকারে এ ধরনের দলিলপত্র প্রকাশ এই প্রথম। সূচিপত্র *যুদ্ধ ও রণাঙ্গণ পরিশিষ্ট *পত্রপত্রিকা ও সম্পাদকদের নামের তালিকা *বাংলাদেশের মানচিত্র *১৯৭১ এর বর্ষপঞ্জি *প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকার আলোকচিত্র *গ্রন্থপঞ্জি *শব্দসূচি'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc008',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অন্যদিন',\n", " 'seo_url': 'অন্যদিন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই দিনত দিন নয় আরও দিন আছে এই দিনেরে নিব আমি সেই দিনের কাছে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb12a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একাত্তর',\n", " 'seo_url': 'একাত্তর',\n", " 'description': 'আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছেন ইমদাদুল হক মিলন। ইতিপূর্বে প্রকাশিত তাঁর ‘মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস সমগ্র’ পড়লে একথার প্রমাণিত হবে। আর এই যে এই বই ‘একাত্তর’ এও মুক্তিযুদ্ধেরই এক গল্প উপন্যাসের সংকলন। ‘মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস সমগ্র’র বাইরে যেসব লেখা সেইসব লেখা একত্রে কিংবা ‘প্রবাসে এক বাঙালি’, ‘সুপুরুষ’ কিংবা ‘লোকটি রাজাকার ছিল’ কিংবা ‘ দেখা হবে’র মতো লেখা। এই সমস্ত লেখা আজকের পাঠককে কোন ও না কোনওভবে ফিরিয়ে নেবে সেই আশ্চর্য সময়ে যে সময়ের নাম উনিশশো একা্ত্তর। আবার কোনও কোনও লেখা একাত্তর পরবর্তীকাল নিয়ে। কিন্তু সেই কালকেও নিয়ন্ত্রণ করছে একাত্তর। সব মিলিয়ে এই বই একাত্তর এবং তার পরবর্তীকালের বাংলাদেশের এক বাস্তব চিত্র।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb12c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কবিতাসমগ্র',\n", " 'seo_url': 'কবিতাসমগ্র-102',\n", " 'description': 'ফ্ল্যপে লিখা < কবি ফররুখ আহমদ আমাদের সাহিত্যের এক শ্রেষ্ঠ কাব্যব্যক্তিত্ব। অসামান্য এই কবির প্রথম উত্থান তরিশের দশকের মধ্যভাগে, তিনি চল্লিশের দশকের কবি হিশেবেই সর্বজন পরিচিত, ঐ দশকের একজন প্রধান কবি। উত্থান কলকাতায়। বুদ্ধদেব বসু-সম্পাদিত কবিতা পত্রিকায় লিখেছেন, কলকাতায় আরো অনেক পত্রপত্রিকায় লিখতেন। সওগাত, মোহাম্মদী বুলবুল ইত্যাদি পত্রিকায় লিখতেন। লিখতেন অঝোরে । সুকান্ত ভট্টাচার্য-সম্পাদিত প্রেম যুগে যুগে কবিতাসংগ্রহে তাঁর কবিতা গৃহীত হয়। আবদুল কাদির ও রেজাউল করীম সম্পাদিত কাব্য-মালঞ্চে তাঁর কবিতা গৃহীত হয়। ভূমিকায় বিশাল গুরুত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। আকাশবাণী থেকে কবি আবদুল কাদির তাঁর সম্পর্কে একক কথিকা সম্প্রচার করেন। ‘নবীন কবি ফররুখ আহমদ’ নামে প্রথম প্রন্থই সাত সাগরের মাঝি ফররুখ আহমদকে খ্যাতিমান করে তোলে। জীবৎকালে মাত্র ছয়টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেছেন, কিন্তু প্রত্যেকাটি নতুন পদক্ষেপ বর্তমান সংগ্রহে তাঁর জীবৎকালে প্রকাশিত সবগুলি একত্রগ্রথিত হলো প্রথমবারের মতো।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb130',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পাবলো নেরুদার প্রেম ও বিপ্লবের কবিতা',\n", " 'seo_url': 'পাবলো-নেরুদার-প্রেম-ও-বিপ্লবের-কবিতা',\n", " 'description': 'প্রেমের কবিতা:'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb134',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রাজাকার সমগ্র',\n", " 'seo_url': 'রাজাকার-সমগ্র',\n", " 'description': 'অকপটে নিজেকে বিশ্লেষণ করে তাকে সবার কাছে তুলে ধরার অমোঘ আকাঙ্ক্ষা সবার থাকে না। মাঝে মাঝে যদিও বা বিশ্লেষণের খেয়াল তাড়া করে, তবু তাকে লোকচক্ষুর আড়ালে রাখতে পারাই জীবনের ভোগ সুখের সংজ্ঞা কারো কাছে। কিন্তু একে দিনের আলোর মত ছড়িয়ে দিয়ে জীবনকে অবমুক্ত করার চেতনাই মানুষকে কবি করে তোলে কিংবা এমন চেতনার মানুষই বুঝি কবি হন! কবি হয়ত মানুষ নন, কেন না, মানুষের তো লুকোনোর দায় থেকে যায়। কবি শামীম আহমেদ কতটা কবি অথবা শুধুই মানুষ কিনা, সেই বিশ্লেষণ দুরূহ। ‘নিমিষেই নিষিদ্ধ তুমি’ যদি কাব্যগ্রন্থে পাপ-পূণ্যের বাইরেও জীবনের নিজস্ব গতি ও খেয়াল আছে, সেই ভাবনাকে আগলে চলার স্পৃহা প্রকাশিত হয়েছে, এমনটা নির্দ্বিধায় বলা যায়! জীবনকে অতটা সরল রেখায় চলতে দেওয়ার সাহস তো সাধারণ মানুষের থাকে না, থাকে কবির, যা ঠাই পায় তাঁর সৃষ্টিশীল কাব্যের পঙক্তিমালায়। শামীম আহমেদ এবং তাঁর কবিতা তাই পাপ-পূণ্যের বাইরে চলা জীবনের নিজস্ব গতিময়তা ও খেয়ালেরই প্রতিচ্ছবি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedbf198d8fc483cb13e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মজীবনী',\n", " 'seo_url': 'সম্রাট-জাহাঙ্গীরের-আত্মজীবনী',\n", " 'description': \"সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মকথা পাক-ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে এক অমূল্য সংযোজন। অর্পূব সরল এবং অকুন্ঠ মনোভাব নিয়ে সম্রাট তাঁর রাজ্যশাসন সংক্রান্ত ঘটনাবলী লিপিবদ্ধ করেছেন। ১৬০৫ খ্রীস্টাব্দের ১০ই অক্টোবর সেলিম সিংহাসনে আরোহণ করেই ‘জাহাঙ্গীর’ বা জগজ্জয়ী উপাধি ধারণ করেন। প্রবল পরাক্রান্ত তুর্কী সম্রাটদের সঙ্গে নিজেকে এক পর্যায়ভুক্ত করার বাসনা ছিল তাঁর। শুধু তাই নয়, আলেকজান্ডারের মত দিগ্বিজয়ী হবার আকাঙ্ক্ষাও তাঁর ছিল, কেননা যথেষ্ট বিনয় সহকারে হলেও তিনি ঘোষণা করেছিলেন- ‘সর্বশক্তিমানের অপার অনুগ্রহে যদি দীর্ঘজীবন পাই এবং ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়, তবে আমার নামের সার্থকতা আমি প্রমাণ করে যাব'। তানিখ-ই-জাহাঙ্গিরী, দোয়াজদা-সালা-জাহাঙ্গিরী, ওয়াকিয়াত-ই-জাহাঙ্গিরী, ইকবালনামা ইত্যাদি বিভিন্ন নামে বহু বই জাহাঙ্গিরের আত্মজীবনী বলে চালানো হয়েছে। এগুলোর প্রামাণিকতা নিয়ে মতভেদ এবং বিতর্কের অবকাশ রয়েছে প্রচুর। এর কোনটাতেই পুরো রাজত্বকালের বিবরণ পাওয়া যায় না। যতদূর জানা যায় সম্রাট জাহাঙ্গীর নিজেই তাঁর আত্মজীবনী কিছুকাল পর্যন্ত লিখেছেন, পরে অন্য লোককে মৌখিক নির্দেশ দিয়ে সেটা শেষ করবার জন্য বলেছিলেন। রাজত্বকালের বারো বছরের সম্বলিত আত্মকথা ‘দোয়াজদা-সালা-জাহাঙ্গিরী’ নামে পুস্তকাকারে প্রকাশিত হবান পর সম্রাটের নির্দেশে বিতরিত হয়। ‘দোয়াজদা-সালা-জাহাঙ্গিরী’ বইখানি মূল ফার্সী পাণ্ডুলিপি থেকে ইংরেজীতে অনুবাদ করেন মেজর ডেভিড্ প্রাইস (মেম্বার, ‘রয়্যাল এসিয়াটিক সোসাইটি’, ওরিয়েন্টাল ট্রানশ্লেশন কমিটি)। ‘ওরিয়েন্টাল ট্রানশ্লেশন কমিটি’ কর্তৃত বইখানি লন্ডনে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮২৯ সালে। বর্তমান গ্রন্থখানি তারই অনুবাদ। কাজেই এটাকে সম্রাটের নিজের লেখা বলে মনে করবার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এ ধরনের আত্মজীবনীর ঐতিহাসিক মূল্য পুনরুল্লেখের প্রয়োজন রাখে না। অন্তর্নিহিত স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের গুণেই এর আবেদন সর্বকালের জন্য। সৈয়দ আলী আহসান\"},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb172',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পুরুষের যতো অসুখ',\n", " 'seo_url': 'পুরুষের-যতো-অসুখ',\n", " 'description': \"দেশের যে ক'জন লেখক চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত লেখালেখি করে সুখ্যাতি অর্জন করেছেন ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল তাঁদের অন্যতম । সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের জন্যে লেখেন বলে তাঁর লেখা পড়ে মানুষ উপকৃত হয় ।\"},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb188',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুজিবের রক্ত লাল',\n", " 'seo_url': 'মুজিবের-রক্ত-লাল',\n", " 'description': '\"মুজিবের রক্ত লাল\" বইয়ের ভূমিকার অংশ থেকে নেয়া: ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক ভয়াবহ কালরাত্রি। এই দিন ভাের রাতে বাঙালি জাতির পিতা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশে শুরু হয়েছে ইতিহাসের জঘন্যতম অধ্যায়। ষড়যন্ত্রকারী আর খুনীর দল ক্ষমতা দখলের পর নানাভাবে বুঝাতে চেয়েছে যে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ব্যাপারটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা মাত্র। কথাটা আমি বিশ্বাস করি না। | বাংলাদেশের বাঙালি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মূল উদ্দেশ্যকে বিনষ্ট করার জন্য বিদেশী স্বার্থান্বেষী মহলের সমর্থনে এক সুদূর প্রসারী ষড়যন্ত্রের ফল হিসাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। ‘মুজিবের রক্ত লাল’ পুস্তকে মােটামুটিভাবে এই হত্যাকাণ্ডের পটভূমি বর্ণনা করা ছাড়াও কীভাবে হত্যাকাণ্ড সমাধা হয়েছে তার বিবরণ দেয়া হয়েছে। নানা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলােকে পুরাে ব্যাপারটা পাঠকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও পর্দার অন্তরালে যাঁরা অত্যন্ত সঙ্গোপনে ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন, তাঁদের ভূমিকা প্রকাশ করতে হলাে। ভবিষ্যতে ঐতিহাসিকরা এসবের সত্যতা সঠিকভাবে নিরূপণ করবেন। বঙ্গবন্ধুর দাফন এবং হত্যার বিবরণ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক বাঙালি সাংবাদিকের কাছ থেকে সংগ্রহ করে কাহিনীকারে এই পুস্তকে নিজের জবানীতে লিখেছি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb196',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিমু পরিবহণ',\n", " 'seo_url': 'হিমু-পরিবহণ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র আমার হুমায়ূন 1. আলোর মশাল/ নুহাশ হুমায়ূন 2. আমার হিমুবেলা/ ওয়াহিদ ইবনে রেজা 3. আমাকে হিমু হন্টনে নিয়ে যাবে?/ মাসুদ আখন্দ 4. হারিয়ে যায় নীলপদদ্মের সন্ধানে/ তাহমিনা সাথী 5. প্রিয় হুমায়ূন স্যার/ আশফাকুজ্জামান 6. তবু আমি হিমু হতে চাই/ ফাহাদ বিন বেলায়েত 7. পূর্ণতা পায়নি সেই স্বপ্ন/ মোহাম্মদ রানা 8. ভালো থেকো শব্দের জাদুকর/ আফরিন হোসেন রিমু 9. সারা রাত ল্যাপ্টপে বই পড়ি/ তানভীর রউফ শাওন 10. অটোগ্রাফ/ শাহিন মাহফুজ 11. ‘বইটা কী সুন্দর’/ নাজমুল আলম সজীব 12. তাঁর দেওয়া শুভেচ্ছা/ পারভেজ আহমেদ 13. হিমু হওয়ার নেপথ্যে/ জান্নাতুল ফেরদৌস 14. আমার জগৎ/ সীলমা সুবাহ রাইসা 15. হিমু হতে চাই/ শিহাব জিশান 16. হুমায়ূন আহমেদের গান/ সুমনকুমার দাশ 17. হুমায়ূন স্যারের কাছে খোলা চিঠি/ রওনক নাইম 18. হিমু পরিবহণের প্রথম উদ্যোগ/ মারুফ ইসলাম 19. আমি হিমালয় দেখেছি/ আহমেদ হুসেইন 20. আমার চেনা মহাপুরুষ/ ইশতিয়াক আহমেদ পরাগ 21. স্বপ্ন যখন তাড়া করে/ সারোয়ার হোসেইন 22. হিমু-পুলিশ ভীতি/ জাহিদ হাসান পলাশ 23. আজ আমি হিমুর রূপা/ হুর এ জান্নাত 24. হুমায়ূন অভিধান/ লাকী তালুকদার 25. হিমুর জন্য ভালেবাসা/ অনামিকা সরকার 26. অপ্রাপ্তি/ জাহিদ হাসান সাগর 27. খুঁজতাম হুমায়ূন স্যারকে/ আশেকুর রহমান 28. বই পড়ার হাতেঘড়ি/ মাইনুল ইসলাম শ্রাবণ 29. কাছের মানুষ/ নাহিদ নাজমুস 30. ইচ্ছে করে হিমু হতে/ গাজী মুনছুর আজিজ 31. ভালে থাকবেন স্যার/ তৃপ্তি আমেনা 32. রাতটা কাটিয়ে দিতাম/ দিলরুবা মুন হোসেন 33. স্মৃতিতে হুমায়ূন স্যার/ জাফর ইকবাল সবুজ 34. এই আমাদের হুমায়ূন/ মুহিদ মিয়া 35. তিনি বেঁচে আছেন/ শেখ হায়দার শুভ 36. প্রণাম/ আয়াত বিন চৌধুরী 37. হুমায়ূন পড়ে বদলে যাই/ লাকী আক্তার 38. চাই ঐক্য/ শাম্মি হক 39. আমিই রূপা/ সাদিয়া সরোয়ার নিশা 40. যাত্রী হিমু/ হেলাল মাহমুদ 41. আমি কেন হিমু পরিবহণে/ মিখা পিরেগুপ 42. আমার প্রথম ভালোবাসা/ সাইকা জামান তরি 43. দর্শনে হুমায়ূন আহমেদ/ আকবার শরিফ 44. সাহিত্যের শেকর/ উদিসা ইসলাম 45. সাহস/ আসমিনা তাহেরিন 46. জাদুকর তুমি ঘুমাও শান্তিতে/ আমিন হাসান 47. বুকের মধ্যে হিমু পরিবহণ/ জুবায়ের কবির 48. স্যার, আমি ও আমরা/ আসলাম হোসেন 49. হিমু যদি হতে চাও/ একজন হিমু গল্প 1. ডিজিটাল হিমু/ হিমেল হোসেন 2. হলুদ হিমু, পরিধি আর একটা চিঠি/ অদ্রি আহমেদ 3. মিসির আলীর চশমা/ নাইস নূর 4. হিমু হিমু লাগে/ খালিলুর রহমান 5. হলুদের মাঝে নীল আভা/ আই. ইউ. জুয়েল 6. ছিলাম, আসতে পারি/ সিফাত খালেদ 7. আকাশের ওপারে/ ইয়াসির ইউনুস 8. হিমুর দল/গৃহত্যাগী জোছনা/ শাহরিয়ার সজিব 9. দরজার ওপাশে হুমায়ূন/ সিমু নাসির কবিতা/ছড়া 1. এক যে ছিল ম্যাজিশিয়ান/ লুৎফর রহমান রিটন 2. আমরা হিমু/ শেখ ইমরানুল হক জেনিস 3. এই হিমুটাই/ মোহাম্মদ মুশফিকুজ্জামান নাসের 4. স্বপ্নপুর/ পিয়াস মজিদ 5. গুরু তোমার জন্মদিনে/ লুৎফর মুকুল 6. কিংবদন্তী কথার জাদুকর/ রাহাত জামিল 7. গল্পের জাদুকর/ চমক হাসান 8. আর একবার হবো হিমু/ মুহম্মদ নিলয় 9. ভুলবো না কভু তোমায়/ ত্রয়া চাকমা 10. হিমু/ ধ্রুব এষ ছবির কবি’র কথা/ নাসির আলী মামুন সাক্ষাৎকার 1. আয়েশা ফয়েজকে চারটি প্রশ্ন/ মারিয়া কথা 2. মেহের আফরোজ শাওন/ বিবিসি বাংলা থেকে 3. সাইফুল ইসলাম/ মোহাম্মদ তারেক উজ জামান ছবিতা/ ছবিতে হিমু পরিবহণ হুমায়ূন নামা 1. কাজল/ আয়েশা ফয়েজ 2. শুভ জন্মদিন/ আহসান হাবীব 3. হুমায়ূন ভাইয়ের সঙ্গে/ মাসুক হেলাল 4. আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন?/ আনিসুল হক 5. ফাইনাল স্যালুট/ ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন 6. একজন হুমায়ূন- এক নির্মোহ/ অরুণ কুমার বিশ্বাস 7. জাদুকর হুমায়ূন/ আখতার হুসেন 8. সুযোগ পেলেই পানের আসর/ বাউলশিল্পী ইসলাম উদ্দিন 9. হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্নের স্কুল/ শেখ কামাল 10. হুমায়ূনের দিনরাত্রি/ রাজু আলীম 11. চিত্রশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ ছবি সহ রঙ্গিণ বই'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb1f4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আওয়ামী লীগের শাসনকাল',\n", " 'seo_url': 'আওয়ামী-লীগের-শাসনকাল',\n", " 'description': 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলের লেখা বই \"আওয়ামী লীগের শাসনকাল\"। সরকারি দলের বিভিন্ন কার্যক্রমের আলোচনা-সমালোচনা করে তিনি প্রথম আলো পত্রিকায় যে কলাম সমূহ লিখেছেন, তারই সংকলন এটি। রাজনৈতিক ঘটনাবলীর তাত্ত্বিক সমালোচনায় আসিফ নজরুলের দক্ষতা ও খ্যাতি সর্বজনবিদিত, তার চিন্তা ধারার সুষ্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে লেখাগুলো তে'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb23e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সামাজিক ব্যবসা (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'সামাজিক-ব্যবসা',\n", " 'description': '\"সামাজিক ব্যবসা\" বইটি সম্পর্কে ভেতরের কিছু অংশ: বিশ্বের অর্থনৈতিক মানচিত্রে দুটি তত্ত্ব’ দীর্ঘদিন যাবত প্রতিষ্ঠিত। পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্র । নানা কারণে সমাজুতন্ত্র এখন আর আলােচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নেই। কিন্তু দোর্দণ্ড প্রতাপে পুঁজিবাদ’ বিরাজ করছে সারা পৃথিবী জুড়ে। সেই পুঁজিবাদও আজ নানা সংকট ও প্রশ্নের সম্মুখীন। বিশ্বের ধনবাদী দেশগুলাে এখন আর সনাতন পুঁজিবাদে সন্তুষ্ট নয়। তাদের অনেকে মনে করেন পুঁজিবাদের একটা সংস্কার হওয়া দরকার। এরকম বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ক্ষুদ্র ঋণের উদ্ভাবক নােবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন তার সাম্প্রতিক সামাজিক ব্যবসা\\' তত্ত্ব। এই ব্যবসায় বিনিয়ােগকারী একটা সামাজিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিনিয়ােগ করবেন, কিন্তু সেই ব্যবসা থেকে কোনাে মুনাফা গ্রহণ করবেন না। শুধু বিনিয়ােগের অর্থ তুলে নিতে পারবেন । মুনাফার অর্থ দিয়ে নতুন কোনাে সামাজিক ব্যবসা শুরু করতে পারেন অথবা বর্তমান ব্যবসার সম্প্রসারণ করতে পারেন। অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধির যে উন্মাদনা দেখা যায় তার বাইরে ব্যবসাকে সামাজিক কল্যাণের জন্যে নিয়ে আসাই সামাজিক ব্যবসার মূলকথা। একই সঙ্গে দেশে বিরাজমান নানা সমস্যার সমাধান করা হবে অনুদান বা চ্যারিটির ভঙ্গিতে নয়, সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক ভঙ্গিতে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb272',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নীতিকথার ছড়া',\n", " 'seo_url': 'নীতিকথার-ছড়া',\n", " 'description': 'বিষয়-ক্রমবিন্যাস * বাঙালির সংস্কৃতি: সাহিত্যে ও বিজ্ঞানে * সৃষ্টির আশ্চর্যতম ঘটনা—প্রাণের উদ্ভব * মহাপ্রাণের মহাবিজয়াভিযান * এক নিঃসঙ্গ গ্রহ: “দিকে দিকে পুরায় কত সাধ” * বিজ্ঞানে নতুন যুগের নতুন ধারণার ঊষালগ্ন:আইনস্টাইনের বিশ * মানুষ কতদিন বিস্ময়ের এই মহাবিশ্বে? * মহাপরাক্রমশালী অতিক্ষুদ্র পরমাণ * থ্রি কোয়ার্কস ফর মাস্টার মাক * জীবকোষের বৃত্তান্ত * স্টিফেন উইলিয়াম হকিং—আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময় * মানুষের আবিষ্কৃত সুন্দরতম তত্ত্ব * মহাবিশ্বে পথহারা নিঃসঙ্গ পথিক * প্রাতিস্বিক কোয়াণ্টাম-কণার পরিমাপন ও নিয়ন্ত্রণ * স্থান-কালের সীমানা ছাড়িয়ে বাস্তবতার স্তর আছে কি? * সবকিছুর তত্ত্ব'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb274',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমার ব্যাংকিং জীবন : কিছু স্মৃতি কিছু কথা',\n", " 'seo_url': 'আমার-ব্যাংকিং-জীবন--কিছু-স্মৃতি-কিছু-কথা',\n", " 'description': '* রফকিুল ইসলাম ॥ নজরুলরে প্রমেরে গান * সুমন সাজ্জাদ ॥ কনে নজরুল? * শরীফ আতকি-উজ-জামান ॥ শল্পি, শল্পিী ও সমাজ * বগেম আকতার কামাল॥ সুফয়িা কামালরে সাহত্যি : মানবতাবাদ ও নারীর অধকিার * গৌতম ঘোষ দস্তদিার ॥ কবতিার পারাবার * মাহবুবুল হক॥ শহীদ কাদরীর কবতিায় সমষ্টচিতেনার রূপায়ণ : পরপ্রিক্ষেতি ও ববিচেনা * সরকার মাসুদ॥ রর্বাট ব্লাই : অর্ন্তমুখী কবতিার ভন্নি রূপকার * মোস্তাক আহমাদ দীন॥ কাজী আবদুল ওদুদরে সমাজচন্তিা * চন্দন আনোয়ার ॥ হাসান আজজিুল হকরে গল্পে প্রমে-মনস্তত্ত্ব * খোরশদে আলম ॥ ইতহিাসরে র্চূণ আভায় উত্তরঙ্গ * স্বপন নাথ ॥ র্দুবনি শাহ : সুরমা নদীর নাইয়া * সুমনকুমার দাশ ॥ জালাল উদ্দীন খাঁ : তাঁর গান, তাঁর কথা * মো.রাফাত আলম মশিু ॥ নারীসত্তা ও মাতৃসত্তার মথিস্ক্রয়িা : মানকি বন্দ্যোপাধ্যায়রে জননী'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb276',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছোটকাকু সিরিজ : রাতবিরাতে সাতক্ষীরাতে',\n", " 'seo_url': 'ছোটকাকু-সিরিজ--রাতবিরাতে-সাতক্ষীরাতে',\n", " 'description': 'বিষয়-ক্রমবিন্যাস সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ॥ রবীন্দ্র-চিত্রকলার ক্রমবির্বতন এ.এম. হারুন অর রশীদ ॥ সবকিছুর তত্ত্ব আবুল হাসনাত ॥ স্মরণে আধুনিক এক চিত্রকর ও রুচির নির্মাতা আবুল মোমেন ॥ বাঙালির নিরুদ্দশে যাত্রা চঞ্চল কুমার বোস ॥ নানা আলোয় রবীন্দ্রনাথ : আহমদ রফিকের রবীন্দ্র-বীক্ষা সিরাজ সালেকিন ॥ রবীন্দ্র-পাওয়া সনত্কুমার মোহাম্মদ আজম ॥ টিনের তলোয়ার নাটকরে ঐতিহাসিক ও ভাবগত বিভ্রাট মৃত্তিকা সহিতা ॥ তপন রায়চৌধুরী : সরস জীবনবোথেধর অধিকারী প্রাজ্ঞ ঐতিহাসিক কামরুল হায়দার ॥ শিল্প ও শিল্পী রাশদি আসকারী ॥ গুণ্টার গ্রাস ও জাদুবাস্তবতা সাইমন জাকারিয়া॥ বাংলাদশেরে আঞ্চলকি ভাষার সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রসঙ্গে স্বরূপ হোসেন ॥ উপমহাদেশীয় সঙ্গীতে ব্যবহৃত আনদ্ধ যন্ত্র'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb278',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একাত্তরের যোদ্ধা : অপারেশন পিএনএস লাকসাম',\n", " 'seo_url': 'একাত্তরের-যোদ্ধা--অপারেশন-পিএনএস-লাকসাম',\n", " 'description': 'বিষয়-ক্রমবিন্যাস * এ.এম. হারুন অর রশীদ॥ স্থান-কালের সীমানা ছাড়িয়ে বাস্তবতার গভীরতর স্তর আছে কি? * সনত্কুমার সাহা॥ প্রফেসর সালাহ্উদ্দীন আহ্মদ : আলোর নির্মাল্যে * সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম॥ দর্শনের মানুষ, সক্রিয়তার মানুষ:চিন্তাবিদ সরদার ফজলুল করিম * বেগম আকতার কামাল ॥ জীবনানন্দ : দৃশ্যের আলোকপাত * মুত্তালিব বিশ্বাস॥ নন্দনতত্ত্ব : বোধ বাধা ও বোধি * ড. সারওয়ার আলী॥ সুফিয়া কামাল — জীবন থেকে পাঠ * তারেক রেজা॥ আহসান হাবীবের কবিতার গঠনবৈশিষ্ট্য * হিমেল বরকত॥ বাংলাদেশের কবিতায় ঔপনিবেশিক শাসনের প্রতিক্রিয়া * মোস্তাক আহমাদ দীন॥ ঐকতান-এর পঞ্চাশ বছর : পুনঃপাঠ ও প্রতিক্রিয়া * চন্দন আনোয়ার॥ হাসান আজিজুল হকের গল্পে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাস্তবতা * গোলাম ফারুক খান॥ জালাল উদ্দীন খাঁ : তাঁর “মহাসত্যের দেশ” * কামালউদ্দিন কবির॥ বাংলার গীতরঙ্গ : স্মরণ ও বিস্মরণের চালচিত্র * সরোজ মোস্তফা॥ জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর কবিতা'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb27e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিরো',\n", " 'seo_url': 'হিরো!',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ হিরো- ঊনিশ বিশ বছরের এক যুবক। সাদা জিন্সের প্যান্টের সাথে হালকা নীল পাঞ্জাবী পায়ে বাদামী রঙের স্যান্ডেল আর কাঁধে বাদামি আর কালো রঙের মিশ্রণে তৈরি একটি চামড়ার ব্যাগ এই তার সম্বল। ধবধবে ফর্সা হালকা পাতলা শরীরের হিরো যেনো সবার মাঝে আলো ছড়িয়ে ছলেছে। সবাই ওর কর্মকান্ডে মুগ্ধ হয়। রোমাঞ্চিত হয়। মনের গহীনে এক ধরনের থ্রীল অনুভূত হয়। ওকে ভালোবাসে। সবাই ওর মতো হতে চায়। সাধারণ তার জীবন যাপন সাধারণ মানুষের মধ্যেই তারবসবাস। প্রকৃতির সাথে অদ্ভুত তার মিল। কখনো বৃষ্টি কখনো জোসনার আলো প্রকৃতির কাদা মপাটির সাথে মিশে গিয়ে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যায় হিরো্ । আচার আচরণও তার খুবই অদ্ভুত। সবাই হিরোর কর্মকান্ডকে অবাক চোখে দেখে আর ভাবে, একি কোন সাধারণ মানুষ? নাকি স্বর্গের কোন দেবতা? সবই যেন ও আগে থেকে জানে। সবই ও আগে থেকেই বলে দিতে পারে। যার সান্নিধ্যেই আসে সবাই ওকে মুগ্ধ চোখে দেখে আর অবাক বিষ্ময়ে তাকিয়ে তাকিয়ে ওর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড উপভোগ করে। কিনউত তারপরেও সবাই ধীরে ধীরে বুঝতে পারে সাধারণ মানুষের মাঝে বসবাস করেও হিরো কোন সাধারণ মানুষ নয়। হিরো এক অসাধারণ মানুষ। এক অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী। হয়ত স্বর্গ থেকে আসা কোন দেবদূত। হঠাই করে মিথিলার জীবনে আবির্ভূত হয় এই দেবদূত! হিরো! হিরোর আগমনে অবাক বিষ্ময়ে বদলে যেতে থাকে মিথিলা। বদলে যেতে থাকে মিথিলার আশেপাশ! সবকিছুই! যতই দিন যেতে থাকে ততই হিরোর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সবাইকে বিমুগ্ধ করতে থাকে সবাইকে। সবাই হিরোকে ভালোবাসতে শুরু করে । বাদ যায় না মিথিলাও। কিন্তু দিন যত যেতে থাকে ততই মিথিলা সহ সবাই বুঝতে পারে হিরো কোন সাধারণ মানুষ নয়। তাহলে কে এই হিরো! কি জন্য এসেছে ও মিথিলার জীবনে!'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb280',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দূরের ও কাছের হুমায়ূন আহমেদ',\n", " 'seo_url': 'দূরের-ও-কাছের-হুমায়ূন-আহমেদ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ একটা দীর্ঘ সময় তাঁকে আমি অনুভব করেছি দূরে থেকে, তাঁর লেখালেখির মধ্য দিয়ে। তার পর দূরের সেই নক্ষত্রের খুব কাছে পৌঁ গেলাম আমি। স্বপ্নের মতো কাটল আমার কিছু দিবস-রজনী। আমাকে ঘোরগ্রন্তে রেখে তিনি পাড়ি জমালেন আরও দূরে, অনন্ত নক্ষত্রবীথিতে। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা, যিনি আমাদের আটপৌরে জীবনকে রঙিন করেছেন আনন্দের নানা অনুষঙ্গে, ভালোবাসতে শিখিয়েছেন শ্রাবণের অঝোর ধারা আর চৈত্রের নিঃসঙ্গ দুপুরকে, জোছনার ধবল চাদরে ঢেকে দিয়েছেন সমস্ত হাহাকার, তাঁকে তুমি তোমার করুণধারায় সিক্ত করো। এক অভাজন পাঠক তার প্রিয় লেখকের জন্যে এর চেয়ে বেশি আর কী-ইবা করতে পারে! মুনিয়া মাহমুদ'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb282',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জীবনের শাহবাগ ও জীবনযুদ্ধের শাহবাগ',\n", " 'seo_url': 'জীবনের-শাহবাগ-ও-জীবনযুদ্ধের-শাহবাগ',\n", " 'description': 'শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের অস্তিত্বকে কেউ যদি কেবলমাত্র শাহবাগ চত্বরের মধ্যে আবিষ্কার করার চেষ্টা করেন, তাহলে সেটা হবে মস্ত বড় ভুল। মুক্তিযুদ্ধের নতুন প্রজন্ম ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধাপরাধদের চূড়ান্ত শাস্তির দাবিতে যে স্ফূলিঙ্গের জন্ম দিয়েছিলো, তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তে বিলম্ব হয়নি। ওদের কোনও কেন্দ্রীয় নেতা নেই, কোন সাংগঠনিক কাঠামো নেই। কিন্তু নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা বুঝে নিয়েছে এখন কী করতে হবে। তাই তারা ঘর ছেড়েছে ঘর ফিরে পাবার জন্য। নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অহিংস আন্দোলনের যে নবযুগের সূচনা করেছে, তার ইতিবাচক অভিঘাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে জেগে \\u200dউঠেছিল মানুষ; হতাশার আবর্ত থেকে তুলে এনেছিল দেশবাসীকে। এসব বিষয়ই উঠে এসেছে ‘জীবনের শাহবাগ জীবনযুদ্ধের শাহবাগ’ সংকলনে অন্তর্ভুক্ত গল্প কবিতা প্রবন্ধ নিবন্ধ ও তথ্য পঞ্জীতে। ‘সৃজনী লেখক ও শিল্পী গোষ্ঠি শাহবাগে প্রজ্জ্বলিত আশার মশালটিকে অন্যান্য প্রগতিশীল ও দেশপ্রেমিক, অসাম্প্রদায়িক জনগোষ্ঠির সাথে ধারণ এবং প্রসারিত করার ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছে। আমরা জানি, সাংস্কৃতিক নবজাগরণ ব্যতীত আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কাঙ্খিত লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমরা গভীরভাবে বিশ্বাস করি ইতিহাস এখানেই থেমে থাকবে না। শাহবাগে যে ইতিহাসের নবধারা সূচিত হয়েছে তাকে ধরে রাখার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়াস এই সংকলনে লক্ষ্য করা যাবে। ইতিহাসের প্রতিদায়বদ্ধতা থেকেই আমরা এই সংকলন প্রকাশ করলাম।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb284',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শীত শুকানো রোদ',\n", " 'seo_url': 'শীত-শুকানো-রোদ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ওঁর কবিতায় বিষয়কে নতুন করে দেখার চোখ আছে। --সুভাষ মুখোপাধ্যায় তিনি (হাসান আল আব্দুল্লাহ) কবিতার ব্যাপারে এতো নিবেদিত, এতো নিষ্ঠাবান যে প্রত্যেক কবির, প্রত্যেক সমালোচকরই তাঁর এই গুনটির প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার কারণ আছে। ---শামসুর রহমান হাসানআল আব্দুল্লাহ বাংলার ভূমিজ এক নতুন শক্তি... একজন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ চাষী যেমন পাথর ও আগাছা অগ্রাহ্য করে বলদের লেজ মুচড়ে লাঙল চালান, আব্দুল্লাহ-র কলম তেমনি অপ্রতিরোধ্য.. আমি জানি না , তাঁর প্রজন্মের আর কেউ আছেন কিনা, এমন ধাপে ধাপে সচেতন ভাবে যিনি কবিতার শৃঙ্গ আরোহন করেছেন। --জ্যোতির্ময় দত্ত হাসানআল আব্দুল্লাহ আমার কবিতারও তীব্র সমালোচক। আমি এই সমালোচনার সব সময় মূল্য দিয়ে এসেছি। ...আমেরিকার কবিদের সংস্পর্শে তার মধ্যে একটা জগৎ বাস্তবতার স্বরূপ প্রত্যেক্ষ করার অভ্যাস গড়ে উঠেছে। এটা আমাদের কবিতাকে সাহায্য করবে। --আল মাহমুদ এ-কথা স্বীকার করতেই হয় যে সাম্প্রতিক কালে কবিতাকে যাঁরা ঐশ্বর্যবান করে তুলেছেন, হাসানআল আব্দুল্লাহ তাঁদের অন্যতম। --শহীদ কাদরী বিশ্ব বাজারে কবি ও কবিতার বিভিন্ন ফোরামে হাসানআল নিজের ও অন্যান্য বাঙালী কবির কবিতা ফেরি করেন। --বেলাল বেগ সূচিপত্র * ছায়াপথে উদ্বেগ * সন্ধ্যা সমাচার * আকাঙ্ক্ষা * আমার কঙ্কাল * প্রবাহিত অন্ধকার * কবরের অভিজ্ঞতা * সময়ের পাশাপাশি * আমরা তিনজন * আমি সেই কবিতার কথা বলি * কবিস্রোত * ছিন্নভিন্ন দেহের আভাস * চাওয়ার সড়ক মুখ * শব্দ মৈথুনের কাল * টুকরো কবিতা * ছোটো হওয়ার গল্প * চক্র * শুভি নাস্তিক্য * অনন্তের দিকে হেঁটে যাবো * সুদীর্ঘ দিনের গল্প * পর্যবেক্ষণ * আমার মায়ের নাম * কবির সান্নিধ্য * বিদেশ নীতির জন্যে * সময়ের তাড়া খেয়ে * গাজার ক্রন্দন * ভস্তিত্বের ঝড় * ব্যঞ্জণ বর্ণের উপাখ্যান * ঈশপের গল্প * যুবতী নারীর মতো * পাশাপাশি অবিশ্বাস * কষ্টগাথা * অনুভূতিগুলি * একটি ছবি * চোখের জলের ধারা * কথা * সমন্বিত ভালবাসা * সমুদ্রে যাই * খণ্ডকালীন সম্ভাবনা * বারুদের গন্ধ তথা তিন নম্বর যুদ্ধের সাইরেন * গরম স্যূপ ও ভিখিরির গল্প * নমিত আবেগ * ফেসবুকে আড্ডা * আর্তনাদ * আমার হাতে * নো-এক্সিট * ভুল * সম্মোহনের ডাক * আমার কথা এখন আমি বলি না * পিপাসা * অনুভূতি * সনির্বন্ধ অনুরোধ * হুইল চেয়ারে কবি * যেভাবে অধ্যায় শুরু হয় * শীত শুকানো রোদ * জবাই * প্রতিধ্বনি * ক্রিকেট ও কবিতা * সেইসব কথাগুলো * সমন্বয়ী ইচ্ছাগুলো * জ্বালামুখ * অভ্যন্তরীন ক্রন্দন * প্রচেষ্টা * শব্দের অথিতি * শূন্যতায় নীরব ক্রন্দন * আচরণবিধি * উন্নয়নের লক্ষ্যযাত্রা * দেহ জুড়ে কবিতার দাগ * আমার সমস্ত দিন * প্রস্তাবনা * বিক্রি করছি সময় * শীতের পঙ্\\u200cক্তিমালা * ছড়ানো আকাশ * অচেনা মুখ * গোলামের ফাঁসি * যাবার যন্ত্রণা * সংশয় * স্বীকৃতির নিচে * মানুষের কথা'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb28c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুমূর্ষু বিকেল',\n", " 'seo_url': 'মুমূর্ষু-বিকেল',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এক যুগেরও বেশি আগে বের হয়েছিল মোফাজ্জল করিমের শেষ দু’টি কাব্যগ্রন্থ ‘তোমার হাতে গ্রেনেড এবং আমার বুকে প্রেম’ ও ‘প্রথম দেখার দিন।’ তারপর দীর্ঘদিন কবি ডুবেছিলেন গদ্যের জগতে। এখনো প্রধানত গদ্যের প্রতি তাঁর পক্ষপাতিত্ব লক্ষণীয়। এরি ভেতর কবিতার জন্য তাঁর ভালবাসা, জীবনের প্রতি, পারিপার্শ্বিকতার প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতার স্বাক্ষর নিয়ে এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হল তাঁর ভিন্ন স্বাদের, ভিন্ন মেজাজের কাব্যগ্রন্থ ‘দিনগুলি রাতগুলি’ ও ‘মুমূর্ষ বিকেল।’ যুগযন্ত্রণাদগ্ধ অভিমানী এই কবি হয়ত জানেন না তাঁর কাছে পাঠকের প্রত্যাশা কত বেশি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb28e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঢাকার সেইসব বিখ্যাত মানুষ',\n", " 'seo_url': 'ঢাকার-সেইসব-বিখ্যাত-মানুষ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আজ থেকে দেড়শো বছর আগে ঢাকা শহর আধুনিক হয়ে উঠতে থাকে। তখন ঢাকা শহর ছিল খুবই ছোট, তবে, পূর্ববঙ্গের কেন্দ্র। ঐ সময় ঢাকায় মুদ্রণ যন্ত্র স্থাপন করা হয়। খবরের কাগজ ও বইপত্র প্রকাশিত হতে থাকে, পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্রাহ্ম আন্দোলন শুরু হয়। বলা যেতে পারে সময়টা পূ্র্ববঙ্গের জাগরণের কাল। ঐ সময় জাগরণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ব্রজসুন্দর মিত্র, হরিশ্চন্দ্র মিত্র্র, কালী প্রসন্ন ঘোষ এবং নবকান্ত চট্রোপাধ্যায় । এই চারজনের জীবনকাহিনী নিয়ে প্রকাশিত হলো-ঢাকার সেইসব বিখ্যাত মানুষ। ড. মুনতাসীর মামুন ও ঢাকার ইতিহাস চর্চা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। ঢাকা বিষয়ক ড. মামুনের নতুন বই পাঠককে নিয়ে যাবে হারিয়ে যাওয়া ঢাকায়। ভূমিকা প্রায় পঁচিশ বছর আগে ঢাকার তথা পূর্ববঙ্গের বিখ্যাত সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন ঘোষের একটি জীবনী লিখেছিলাম বাংলা একাডেমীর জীবনী গ্রন্থমালার জন্য । এর একদশক পর ঐ সিরিজের জন্য ঢাকার আরেকজন বিখ্যাত সাহিত্যিক হরিশ্চন্দ্র মিত্রের জীবনী রচনা করি। কয়েক বছর আগে মনে হলো, ঢাকার সেই সময়ের বিশিষ্টজন বা বিখ্যাত মানুষদের সংক্ষিপ্ত কিছু জীবনী লিখব যাতে স্পষ্ট হবে তারা ঢাকার আধুনিকায়নে কী ভূমিকা পালক করেছিলেন। সে পরিপ্রেক্ষিতে , নবকান্ত চট্রোপাধ্যায় ও ব্রজসুন্দর মিত্রের ওপর দু’টি সংক্ষিপ্ত রচনা তৈরি করি। শেষোক্ত \\u200dদু’জনের জীবনীর উপাদান নিতান্তই কম। আমার গবেষণায় দেখেছি ঢাকা তথা ঊনিশ শতকের পূ্র্ববঙ্গের সমাজ সংস্কৃতিতে গতিশীলতা সৃষ্টি ও আধুনিকায়নে ব্রাহ্ম ধর্ম এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। সেইসব উদ্যমী মানুষরা কী ত্যাগ করেছিলেন , কী কষ্টই স্বীকার করেছিলেন তা অজানা। উল্লেখ বিশ শতকের শুরু থেকে মধ্যভাগ পর্যন্ত বাংলা/পশ্চিমবঙ্গে যারা সমাজ থেকে রাজনীতি,শিক্ষা থেকে সংস্কৃতিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন তারা জীবনের শুরুতে যুক্ত ছিলেন পূর্ববঙ্গ/ ঢাকা ব্রাহ্ম সমাজের সঙ্গে। ব্রজসুন্দর ঢাকা/পূর্ববঙ্গের ব্রাহ্মসমাজের পতন করেছিলেন। কালীপ্রসন্ন ঘোর এস সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। যৌবনে তিনি ব্রাহ্ম সমাজ পত্তনে ভূমিকা রেখেছিলেন। পরে অবশ্য সনাতন ধর্মে ফিরে যান। নবকান্ত চট্রোপাধ্যায় পুরো জীবনটাই নিবেদন করেছিলেন ব্রাহ্মসমাজের জন্য। হরিশ্চন্দ্র মিত্র ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বটে তবে ঢাকা প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সে আমলের তুলনায় যথেষ্ট নিবারেল ছিলেন। এই চারজনের জীবনী পাঠ করলে এ বিষয়টি স্পষ্ট হবে যে, এরা কীভাবে তাদের কর্মের মাধ্যমে অবদান রেখেছিলেন। চারটি জীবনীর বুনন চার রকম। এর কারণ, বাংলা একাডেমী জীবনী রচনার ক্ষেত্রে একটি কাঠামো দিয়েছিল। অন্যগুলোতে সেই কাঠামো নেই। ঢাকার এই চার কৃতি পুরুষকে নিয়ে তাই প্রকাশিত হলো ঢাকার বিখ্যাত সেই সব মানুষ। সময় সুযো্গ হলে এ ধরনের আরো কিছু জীবনী লেখার ইচ্ছা আছে। মুনতাসীর মামুন ইতিহাস বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূচিপত্র * ব্রজসুন্দর মিত্র * হরিশ্চন্দ্র মিত্র * কালীপ্রসন্ন ঘোষ * নবকান্ত চট্রোপাধ্যায়'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb296',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নির্বাচিত কড়া আলাপ',\n", " 'seo_url': 'নির্বাচিত-কড়া-আলাপ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘কড়া আলাপ’ শুরু হয় ২০০০ সনে চ্যানেল-আইতে, অর্থাৎ এই স্যাটেলাইট চ্যানেলটির জন্মের পরের বছর থেকেই কড়া আলাপ শুরু হয়। প্রথম থেকেই এর ব্যতিক্রমী চরিত্র দর্শকদের কাছে উন্মেচিত হয়- এটা স্রেফ প্রশ্ন-উত্তরের সাক্ষাৎকার ছিল না, এটা হয়ে উঠেছিল একটা বিষয়ে উপস্থাপক ও অতিথির মধ্যে সমানে সমানে আলোচনার ঝড়। দর্শকরা শুধু অতিথির কাছ থেকে তথ্য পান না, \\u200dউপস্থাপকও তার দিক থেকে অনেক তথ্য হাজির করেন বা অতিথিকে খেই ধরিয়ে দেন। পাঠক, শ্রোতা ও দর্শকরা জানেন যে টেলিভিশন ‘টক শো’ গুলো রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত মতবাদ প্রচারের একটা বড় অঙ্গ। অনেক টক শো অসাবধানতাবশত বা ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজে মদদ দেয়। কড়া আলাপ এ ব্যাপারে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করে এসেছে। নিরপেক্ষতার জন্য কড়া আলাপের খ্যাতি সবাই মেনে নেয়। ‘কড়া আলাপে’র আলোচনায় তাত্ত্বিকতা একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যতিক্রম। এমন কি বিশ্লেষণ করলে দেখা যেতে পারে যে অতি সাধারণ বিষয়ের পেছনে যে সুগভীর আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক ও অন্যান্য ঐতিহাসিকতা বর্তমান তা এই অনুষ্ঠানের আলোচনায় চলে আসে। দর্শকরা সহজেই বুঝতে পারেন যে ‘কড়া আলাপে’র উপস্থাপক যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন সেসবে তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞা আছে, তিনি কাগজে প্রশ্ন লিখে আনা সঞ্চালক নন। প্রায় পাঁচশত কড়া আলাপের মধ্য থেকে কয়েকটা মাত্র নির্বাচন করা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। সে জন্য আমরা কয়েকটি পর্বে কড়া আলাপের অনুলিখন প্রকাশ করার পরিকল্পনা নিয়েছি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb29a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নীলডুমুরের খেয়া',\n", " 'seo_url': 'নীলডুমুরের-খেয়া',\n", " 'description': \"চার প্রজন্মজুড়ে কাহিনীর বিস্তার। দু'জন অভিশপ্ত মানুষ। দু'টি পরিবার। জল, জংলা, চর-জীবন আর ইন্টারনেটের সীমানা পেরিয়ে এখানে ফুটে উঠেছে রাষ্ট্রিক অবক্ষয়। `নীলডুমুরের খেয়া' শুধুই কিছু কাহিনীর বিন্যাস নয়। চলমান স্রোতের প্রতিকূলে বয়ে চলা বিবেকের সাম্পান এক। লেখক পরিচিতি `নীরার শেষ চিঠি' দিয়ে শুরু। তারপর পেরিয়ে গেছে এক যুগ। লিখেছেন কবিতা, গল্প, আর প্রবন্ধ। গল্পেই সচ্ছন্দ। শৈশব আর কৈশোরে বাবার বদলি চাকরির সুবাদে ঘুরেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত। মিশেছেন নানা পেশার মানুষের সাথে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। জড়িত আছেন লিটল ম্যাগাজিন অর্বাক এবং সংকাশ-এর সাথে।\"},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb29c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'না বলা কথা',\n", " 'seo_url': 'না-বলা-কথা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কাদের সিদ্দিকী এক জীবন্ত কিংবদন্তির নাম। এক বীর বাঙালির নাম এক ইতিহাস-পুরুষ তিনি, এক প্রকৃত দেশ গৌরব। এই কিংবদন্তি-বিনাসী ,ভীরুতাবিলাসী দেশে তাঁর মতো একজনের জন্ম। বিকাশ ও অক্ষয় কীর্তি স্থাপন নিঃসন্দেহে এক অপার বিস্ময়। এমন পতনমুখী আত্নঘাতী দেশে একজন বিপরীত স্রোতের যাত্রীর উদ্ভব ও অভ্যুদয় সকল অর্থেই অভাবনীয়, অকল্পনীয়। দুঃসময় কবলিত একাত্তর যখন একজন লড়াকু বীরের স্বপ্ন দেখছিল তখনই গর্জে উঠেছিল রনাঙ্গনে সাহসী নায়ক কাদের সিদ্দিকীর অস্ত্র-হানাদার শত্রুর প্রতি অমোঘ লক্ষ্যভেদী সেই অস্ত্রই ছিল মুক্তিযুদ্ধের উদাত্ত ঘোষণা। ঠিক তেমনই‘৭৫-এর ১৫ আগস্ট পিতাকে হারিয়ে জাতি যখন দিশেহারা, তখনো তিনি হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকেনি। সেই দুর্দিনে জাতির পিতার চতুর্থ সন্তান বলে দীপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করে প্রতিরোধে দ্বিধা করেননি। সার্বভেীম স্বাধীনতার জন্যূ সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মহান প্রতীক তাই বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। মুক্তিযুদ্ধ এক অনিঃশেষ প্রক্রিয়া, তাই তিনি এখনো এক অতন্দ্র মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর জীবনপণ মুক্তিযুদ্ধ এখনো চলছে বৈরী সময় ও শক্তি বিরুদ্ধে। আবারও এক অপূর্ব আত্নপ্রকাশ ঘটেছে তাঁর। তাই জননায়ক কাদের সিদ্দিকী এখন রাজনৈতিক রণাঙ্গনে। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি হিসেবে তিনি আবার লড়ছেন দুঃসময়ের বিরুদ্ধে। এবার সঙ্গী তাঁর প্রতিদিনের জীবনযোদ্ধা মানুষ। তিনি দাড়িয়েছেন এই লাঞ্চিত-বঞ্চিত জনমানুষের কাতারে। তবে কাদের সিদ্দিকী এক সব্যসাচী যোদ্ধা। একাত্তরে অস্ত্র ধরেছেন দু’হাতে , এখনো সেই হাত দু’টিতে সঞ্চিত আছে অসীম ক্ষমতা। তাই দু্\\u200cই হাতে তাঁর দুই অস্ত্র। তিনি বলেছেন, সেই সঙ্গে লিখছেন। তাঁর লেখনীর অস্ত্র সকল প্রকাশ মাধ্যম এখন জ্বলন্ত সংগ্রাম। এ লেখনী অকম্প , অকুতোভয়। ‘বজ্রকথন’ , তাঁরা আমার বড় ভাই বোন,কার এক অনবদ্য সৃষ্টি। দু্ই যুগ আগে লিখেছিণেন মুক্তিযুদ্ধেরর উপর ‘স্বাধীনতা ‘৭১’ , ‘মাওলা ভাসানীকে যেমন দেখেছি’। অবহেলায় অপ্রকাশিত এখনো পড়ে আছে ‘চোখের আলোয় বঙ্গবন্ধু’। আরো কিছু অপ্রকাশিত খণ্ড অখণ্ড লেখা । সকল আলস্য কাটিয়ে নিশ্চয়ই ধীরে ধীরে সব লেখাই আলোর মুখ দেখবে। সাযযাদ কাদির সূচিপত্র * শ্রেষ্ঠ ভীরু জননেতা তোফায়েল আহমেদ * নোবেল পুরস্কার কি ছেলের হাতের মোয়া * বেঁচে আছি তাই এত রাগ! * স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কটূক্তি ও অণ্য প্রসঙ্গ * বঙ্গবন্ধুর প্রতিশ্রুতি ও মুক্তিযোদ্ধা সনদ * মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দশ ট্রাক অস্ত্র * মর্মন্তুদ মৃত্যু ও পুলিশি গুলি * সোনিয়া গান্ধীর সফর ও অন্য প্রসঙ্গ * বেনাবিধুর আগস্ট * চারদিকে চরম নৈরাজ্য ও অব্যবস্থা * মাননীয় মন্ত্রীদের ব্যর্থতা * বেহাল কূটনীতি * বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা * নিদারুন অবহেলায় জননেতা রাজ্জাক * নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন ও মুক্তিযোদ্ধা প্রসঙ্গ * মওলানা ভাসানী ও যুদ্ধাপরাধ প্রসঙ্গ * সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১১ * সাভার স্মৃতিসৌধে যাওয়া্ হলো না * কি বুঝাতে চান জেনারেল জ্যাকব? * রাজনৈতিক গগনের এক নক্ষত্রের পতন * একটি স্মরণ সভা ও প্রসঙ্গ কথা্ * ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করুন * মহান ভাষা আন্দোলনের ষাট বছর * মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এত বিক্ষুব্ধ কেন? * মহান স্বাধীনতার মাস * কেন এত গাওজুরি? * সব মুক্তিযোদ্ধাই জীবনের মায়া ত্যাগ করে লড়াই করেছেন * একশ টাকা তো কিছু্ই না * একই সঙ্গে প্রাকৃতিক ও রাজনৈকি প্রলয় * শ্রী প্রনব মুখার্জির বাংলাদেশ সফর'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb29e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এলোমেলো দিনগুলো',\n", " 'seo_url': 'এলোমেলো-দিনগুলো',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘এলামেলো দিনগুলো’ আমার লিখা প্রথম বই। আমি খুব খুব ভালবাসি বই পড়তে। যখন যে বইটাই পাই সেটাই পড়তে চেষ্টা করি। কখনও বুঝি আবার কখনও কিছুই বুঝি না। যখন বুঝি তখন খুব ভাল লাগে। মনে হয় পুরো পৃথিবীটাই আমার। আর যখন বুঝি না তখন একটু কষ্ট হয়। মাঝে মাঝে ভাবি পৃথিবীর সবগুলো বই-ই যদি আমার হত! যাই হোক, পড়তে পড়তেই আমারও ইচ্ছে হল আমিও কিছু একটা লিখি। কিন্তু কি লিখবো? কি লিখলে ভাল হবে? অনেক ভেবে আমার প্রতিদিনের ছোট্ট ছোট্ট ভালোলাগা মুহূর্তগুলো আমার এই ‘এলোমেলো দিনগুলো’ বইটাতে লিখলাম। আমরিন তাসনিম রাফা'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2a0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নিজেকেই এখনো চিনি না',\n", " 'seo_url': 'নিজেকেই-এখনো-চিনি-না',\n", " 'description': 'ফ্ল্যারে লেখা কিছু কথা মনের গাঙে ঢেউ উঠেছে/আপনহারা নিজকে চেনার ঢেউ/দোলায় দ্বন্দ্বে ভাঙছে রে সে/তেমন দৃশ্য কেউ দ্যাখেনি কেউ..... মনোজগতে নিবিড় নিভৃতে চলে কত না ভাঙচুর, কত যে উথালি পাথালি, তার কোনো কূল কিনারা নেই। কবিতায় এসবের খুব একটা প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই না। এই কবি ব্যতিক্রম। মরমিয়তা ও জাগতিকতা দুই ভুবনের বিচিত্র সব অনুষঙ্গ তিনি শৈল্পিক দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলেন কবিতায়। মনের খবর কয় জনা পায়-দেহ নিয়েই ঘোর কাটে না ঘোর..... শক্তিমান কবি হাসান হাফিজের কাব্য অভিযাত্রায় অভিষিক্ত হয়েছে মনোগহীনের চিরল নিরল অনুভূতিপুঞ্জের নান্দনিক ও প্রতীকী উপস্থাপনা। নিপুন ছন্দে, বিষয় বৈচিত্র্যে তাঁর কবিতাসম্ভব ঋদ্ধ, পাঠক প্রিয়। মনস্ক পাঠককে তাঁর কবিতা আলোড়িত যেমন করে, তেমনি সহজেই ভাবিত করতেও সমর্থ হয়। মনস্বী লেখক আবদুল মান্নান সৈয়দ যথার্থই এই কবির চারিত্র্যবৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে বলেছিলেন, ‘ হাসান হাফিজ সর্বাবস্থায় লিরিক কবি।’'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2a2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গ্রামীণ ব্যাংক ও মুহাম্মদ ইউনূস',\n", " 'seo_url': 'গ্রামীণ-ব্যাংক-ও-মুহাম্মদ-ইউনূস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যারে লেখা কিছু কথা বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যক্তিত্ব প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হবার বহু আগেই বিশ্বব্যাপী সম্মান, শ্রদ্ধা ও স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। বর্তমানে বিশ্বে বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ও সম্মানীত ব্যক্তিত্ব সম্ভবত তিনিই। তাঁর স্বপ্ন-দর্শনে প্রতিষ্ঠিত ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ গরিব বিত্তহীন মানুষকে, বিশেষ করে গরিব নারীকে বিনা জামানতে ঋণ দিয়ে আত্মকর্ম সংস্থানে উজ্জীবিত করে নিজের পায়ে দাঁড়াবার যে আয়োজন করে দিযেছে তা শুধু অভূতপূর্ব নয়, তা তুলনাহীন। তাই বাংলাদেশের ‘গ্রামীণ ব্যাংক মডেল’ আজ বিশ্বের শতাধিক দেশে অনুসরন করে দারিদ্র্য বিমোচনের চেষ্ট করে যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর ‘সমাজিক ব্যবসার’ দর্শন বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করে বিশ্বের দেশে দেশে তা প্রচার করে চলেছেন। এপর্যন্ত প্রায় দশটি দেশে সামাজিক ব্যবসার দর্শন গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করেছে। আরো প্রায় কুড়িটি দেশে তা বাস্তবায়ন নিয়ে আলাপ আলোচনা চলেছে। বিশ্বের কয়েকটি দেশের বিশ্ববিদ্যায়য়ে সামাজিক ব্যবসা নিয়ে গবেষণার জন্যে ড. ইউনূসের নামে সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক ব্যবসার মূল লক্ষ্য হল : ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের একটি সমস্যার সমাধান করা। যে ব্যবসা থেকে বিনিয়োগকারী কখনো মুনাফা গ্রহণ করবেন না। মুনাফার টাকা আবার একই ব্যবসায় বা অন্য কোনো সামাজিক ব্যবসায়'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2a6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চলতি বাংলা অভিধান',\n", " 'seo_url': 'চলতি-বাংলা-অভিধান',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অভিদানচর্চা শিক্ষা-সাহিত্য-শিল্প ও সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রে অত্যাবশ্যকীয়। অভিদান-প্রণয়নের নিয়মনীতিগুলো হলো অভিদানের শব্দ নির্বাচন, শব্দের বর্ণবিষয়ক বিন্যাস, দ্রষ্টব্য-সংকেত, নির্ভুল পদপরিচয় ও ব্যুৎপত্তি নির্দেশ, বিভিন্ন উদ্বৃতির যথাযথ ব্যবহার, বিদেশী শব্দের প্রয়োগ যুক্তাক্ষর ও হসন্তযুক্ত শব্দের ব্যবহার ইত্যাদি। বর্তমান অভিধানে এসব বিষয় নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয়েছে। বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে সংশিষ্ট অনেক বিষয় এতে আছে, যেমন- খনা, ডাকের বচন, ধাঁধা, লোকসাহিত্য, প্রবাদ-প্রবচন ও বিশিষ্টার্থক শব্দের পরিচয়। এছাড়া এতে আছে সাহিত্য ও শিল্পমতবাদ, দর্শন ও দার্শনিক মতবাদ, ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা, বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার পরিচয়, হিন্দু গ্রিক ও রোমান পুরাণের বিষয়, মনস্তত্ত্ব ও চিকিৎসা-বিজ্ঞানের বিষয়, রোগব্যাধির কথা, মহাপুরুষদের বাণী ইত্যাদি। সেই সঙ্গে চলিত সময়ের বিজ্ঞানের চমকপ্রদ অগ্রযাত্রার নানা বিষয়। অভিধানখানি প্রণীত হয়েছে bilinguae বা দ্বিভাষিক অর্থলিখন-পদ্ধতিতে অর্থাৎ এর প্রতিটি শব্দের অর্থ লিখিত হয়েছে বাংলা ও ইংরেজিতে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2b0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': '1419',\n", " 'seo_url': '1419',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ১৪১৯ সাল । বলা যেতে পারে , এক আর চার কিছুতেই এক নয়। অসময়ের এক মৃত্যুকে এই সময় এই সমাজের জীবন-মৃত্যুর নিক্তিতে মাপতে চেয়েছেন লেখক। এই নগরের খিচুড়ি ভাষা ও জীবনের ছবি আঁকতে গিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে মিক্সড মিডিয়া। মূল চরিত্র মহসীনের বয়স ৪০ এর এপার-ওপার। ডায়াবেটিস আছে। হার্টের সমস্যা আছে বলে তো শোনা যায় নি। মরাটা বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা যায় কী করে? ও যে এখনো মনে নাই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2b4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আধুনিক ফটো সাংবাদিকতার কলাকৌশল',\n", " 'seo_url': 'আধুনিক-ফটো-সাংবাদিকতার-কলাকৌশল',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * ফটোগ্রাফী প্রসঙ্গে আলোক চিত্রের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস * ফটোগ্রাফীর আলোক চিত্রনের সাধারণ ধারণা * ক্যামেরায় কেমন করে ফটো হয় লেন্সের পরিচিতি * আলোক বিজ্ঞান প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত ধারণা * প্রধান রং * ফোকাস * ইনফিনিটি * ডেপথ অব ফিল্ড * ডেপথ অব ফোকাস * ফিল্ম * এক্সপোজার নিয়ন্ত্রান * আর্ট বা শিল্প সম্পর্কে * কম্পোজিশন * শীষ কেন্দ্র * সংযোগ * ফরমেট * মূল্যায়ন * ডিজিটাল ফটোগ্রাফী প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত ধারণা পিক্সেল : ডিজিটাল ছবির উপাদান * ডিজিটাল ছবির গুণগত শান প্রসঙ্গে * পিক্সেলের সংখ্যা এবং ঘনত্ব বুঝানোর জন্য * ডিজিটাল ছবির ইমেজ সাইজ * পিক্সেল ডাইমেনশন * উইডথ পিক্ষেলের সংখ্যা * ক্যামেরা কোম্পানির ভাষায় রেজল্যুশন * প্রিক্সল ডাইমেনশন কখন নির্ধারিত হয় * ডিজিটাল ছবি কেন বড় কিংবা ছোট হওয়া প্রয়োজন * ডিজিটাল ছবির টোন * ডিজিটাল ছবির মোড * ডিজিটাল ছবির ফরমেট * ফটোগ্রাঢীর শিক্ষা মূলক সংক্ষিপ্ত ধারণা * ফটোগ্রাফীতে যন্ত্রপাতি বিষয়ক পরিচিতি * ফটোগ্রাফীতে সৃজনশীলতার কৌশল * ফটোসাংবাদিকতায় (ফটোগ্রাফীতে কমেপাজিশন ও মননশীলতা) * সুন্দর ও সঠিক ছবি কি ভাবে সৃষ্টি হয় * বিষয়বস্তু : বস্তুগত কিংবা ভাবগত * কি ভাবে ছবি তোলা যায় তার প্রস্তুতি * ফটোগ্রাফির কম্পোজ ও নিউজ প্রসঙ্গে * ফটো সাংবাদিকতা প্রসঙ্গে * ফটো সংবাদিকতা একমাত্র পেশা হওয়া বাঞ্চনীয় * ফটো সংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জ * ফটো সাংবাদিকতার কাজের ধারা * বাংলাদেশে ফটো সংবাদিকতার অতীত ও বর্তমান * সাংভাদ চিত্রের কাজের ধরণ * সংবাদ চিত্রের এসাইনমেন্টের ধরণ * ফঠো ফিচার * ফিচারের গন্ডি * ক্যাপশন * ফটো সম্পাদক * ফটো সম্পাদনার কাজের ধারণা * ফটোগ্রাফারের স্ত্ব বা কপিরাইট * পেশাগত আচরণবিধি * ফটো সাংবাদিকদের দায়িত্ব কর্ব্য ও আচরণ বিধি প্রসঙ্গে * ২০০০ সালে ১৩ই ফেব্রুয়ারিরর সংবাদচিত্র নিয়ে আব্দুল গাফফার চৌধুরীর সমালোচনার জবাব ও প্রতিক্রিয়া * ফটো সংবাদিকদের উন্নয়নে মুক্ত আলোচনা ও সুপারিশ মালা * নেতৃবৃন্দ সমস্যা সমাধানে যেসব সুপারিশ করেন * ফটো সাংবাদিকতায় বাংলাদেশ * প্রতিবন্ধকতা ও একুশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মূল প্রবন্ধ * একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ * বাংলাদেশ ফটো জার্ালিষ্ট এসোসিয়েশন আয়োজিত রাউন্ড টেবিল বৈঠকের সার সংকলন ও সুপারিশ মালা * ঘটনার আড়ালে ক্যামেরার চোখে দেখা বিবস্ত্র ললনার ছবি এবং আমার চাকুরী হারানো * প্রতিক্রিয়া এবং চাকুরী হারানো * প্লিজ সংবাদ চিত্র নিয়ে বিতর্ সৃষ্টি করবেন না * ফটো সাংবাদিকদের জাতীয় সম্মেলন ও মৈত্রী নেপাল ফটো প্রদর্নী প্রসঙ্গে খোলা চিঠি * ঢাকা প্রস্তাব * বাংলাদেশ ফটোজার্ালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি থাকাকালে যা কিছু করেছি তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ * সভাপতি নির্াচিত হয়ে নিম্নোক্ত কাজগুলো করার চেষ্টা করেছি * সাউথ এশিয়ান ফটো জার্ালিষ্ট এসোসিয়েশন SAPA গঠন ও বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের ভূমিকা * বিলেতে স্কলারশীপ * এডভান্সড ফটোজার্নালিজম কোর্স * পেশাগত কাজে স্মরণীয় কিছু ঘটনা- আমি সংবাদ শিরোনাম ১ * গুজব সংভাদ নিয়ে কানাকানি ২ * রাশিয়ান গুপ্তচরদের ঢাকা ত্যাগ ৩ * সাফ গেমস ৪ * প্রথম সার্ক সম্মেলন ৫ * ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় পুলিশী হামলায় গ্রামবাসী নিহত ও রাষ্ট্রপতির শোক ৬ * যমুনায় ফেরীতে আগুন ৭ * গোদনাইল ভবঘুরে সেন্টার থেকে মা ও শিশু উদ্ধার ৮'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2bc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছড়া রচনাবলী । ৩',\n", " 'seo_url': 'ছড়া-রচনাবলী-।-৩',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কত রকম ছড়া লেখা যায়? অনেকে অনেক রকম করে লিখেছেন। কত পরীক্ষা, কত নিরীক্ষা। সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলা ছড়ার ভাণ্ডার। কিন্তু কেউ একজন যখন একাই সব রকমের ছড়া লিখে ফেলেন, এক কথায় কী বলা যায় তাকে? ছড়ার জাতক। এই একজন হলেন আমীরুল ইসলাম। বহুমাত্রিক এই শিশুসাহিত্যিক শুধু ছোটদের জন্যই লিখেন, শিশুসাহিত্যের হেন শাখা নেই লিখেন নি। সবচেয়ে বেশি লিখেছেন ছড়া। সবচেয়ে প্রাণ দিয়েও লিখেছেন। তার ছড়ার ধরণ-ধারণ, বিষয়বস্তু, নিরীক্ষা প্রবণতা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হতে পারে। এই তিনি লোকজ রীতিতে লিখছেন, এই লিখছেন পরাবাস্তব ছড়া। ধান বানতে এত শিবের গীতের চেয়ে বরং তাকে পাঠ করে নেওয়াই উত্তম। এর আগে আমীরুল ইসলামের ছড়া রচনাবলী প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত এবং প্রশংসিত হয়েছে। এবার প্রকাশিত হল তৃতীয় খণ্ড। পাঠককে মুগ্ধ এবং বিস্মত করবে এই সংকলনও। নিশ্চিত।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2c0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য',\n", " 'seo_url': 'জীবন-মৃত্যু-পায়ের-ভৃত্য',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ সিভিল সার্ভিসের অচেনা আকাশে ডানা মেলে দিগন্ত থেকে দিগন্ত উড়ে উড়ে চলা-সে এক বিচিত্র জীবন। একাত্তর একাত্তর পরবর্তী দিনগুলোর গল্প কখনো কখরো হার মানায় রোমাঞ্চকর কল্পকাহিনীকেও । এই দু:সাহসিক অভিযাত্রিকের আত্নচরিত পাঠককে টেনে নিয়ে যায় দৃশ্যে থেকে দৃশ্যান্তরে। যখন যবনিকা নামে, পাঠকের অজান্তে মুখ দিয়ে বের হয়ে একটিই শব্দ: তারপর? তারপর ফুরিয়ে আনেস রাত ,গল্প তবু ফুরায় না। কখন ফুরাবে লেখকও বোধ হয় জানেন না। কথার বরফ গলে নদী, নদী ছুটে চলে সাগরের খোঁজে। বিন্যাস * ১৬ জুলাই’৭১--৭ ডিসেম্বর’৭১: কুমিল্লা হাতের মুঠোয় জীবন * ৮ ডিসেম্বর’৭১----৭ এপ্রিল’৭২: কুমিল্লা ‘এ দিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার’ * ৮এপ্রিল’৭২---১৮ নভেম্বর’৭৪: ঢাকা নি:সঙ্গ সৈনিক মন্ত্রী জেনারেল ওসমানী * ১৯ নভেম্বর’৭৪ ---২০ সেপ্টেম্বর’৭৫: কুষ্টিয়া ‘কখনো ফের বিনা মেঘেই প্রশাসনের বিজলিনাচন..’ * ৬ আগস্ট’৭৫--১৭ ফেব্রুয়ারি’৭৮: ঢাকা ‘আবার আসিব ফিরে’'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2c2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মটকু মিয়ার গার্লফ্রেন্ড',\n", " 'seo_url': 'মটকু-মিয়ার-গার্লফ্রেন্ড',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অনেকে মনে করেন ইমদাদুল হক মিলন হাসির লেখা লিখতেই পারেন না। তিনি লেখেন প্রেমের গল্প উপন্যাস, ছোটদের জন্য ভূতের গল্প উপন্যাস আর গ্রামজীবন নির্ভর কঠিন কঠিন গল্প উপন্যাস। এসবের বাইরেও যে তিনি বহু রকমের লেখা লেখন, এমনকি হাস্যরস ভর্তি লেখা, এই বই তার প্রমাণ। ‘মটকু মিয়ার গার্লফ্রেন্ড’ আগাগোড়া হাসির রচনা। এই বই পড়ে অতি গম্ভীর পাঠককেও হাসতে হবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2c4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সাদা ঘোড়ার সওয়ারি',\n", " 'seo_url': 'সাদা-ঘোড়ার-সওয়ারি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই বইয়ের গল্পগুলো ভৌতিক এবং রোমাঞ্চকর। কখনও গল্পের পটভূমি গ্রাম, কখনও চা বাগান। প্রতিটি গল্পই রাতের গল্প। জ্যোৎস্না রাতের নানারকম ভৌতিক এবং রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার গল্প। শুধুমাত্র শিশু কিশোর পাঠকদেরই গল্পগুলো ভালো লাগবে তা নয়, বয়স্ক পাঠকদেরকেও মুগ্ধ করবে এইসব গল্প।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2c8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কিশোর অমনিবাস',\n", " 'seo_url': 'কিশোর-অমনিবাস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ উপন্যাস * কক্সবাজারে কাকাতুয়া * ঢাক বাজলো ঢাকায় * কুয়াকাটার কাটাকাটি * রাজশাহীর রসগোল্লা * বকা খেয়ে বগুড়া * জয় হলো জয়দেবপুর * মাগুড়া গুঁড়া গুঁড়া * কাকু যখন কুমিল্লায় * একাত্তরে ওরা * লাল সবুজের পালা গল্প * বটগাছে মধু রহস্য * কুয়াকাটায় মাছ রহস্য * প্যাট্রিকের গরিলা * পাতা বুঝিয়ায় এসওএস * মেঘন ও পাখি বন্ধু * আমি ও আইসক্রিমগুলো * মার্কারিম্যান সূচিপত্র উপন্যাস * কক্সবাজারে কাকাতুয়া * ঢাক বাজলো ঢাকায় * কুয়াকাটার কাটাকাটি * রাজশাহীর রসগোল্লা * বকা খেয়ে বগুড়া * জয় হলো জয়দেবপুর * মাগুড়া গুঁড়া গুঁড়া * কাকু যখন কুমিল্লায় * একাত্তরে ওরা * লাল সবুজের পালা গল্প * বটগাছে মধু রহস্য * কুয়াকাটায় মাছ রহস্য * প্যাট্রিকের গরিলা * পাতা বুঝিয়ায় এসওএস * মেঘন ও পাখি বন্ধু * আমি ও আইসক্রিমগুলো * মার্কারিম্যান'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2d0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একাত্তরের একদল দুষ্টু ছেলে',\n", " 'seo_url': 'একাত্তরের-একদল-দুষ্টু-ছেলে',\n", " 'description': 'ওরা সত্যি ভীষণ দুষ্ট। ক্লাস সিক্সের ছাত্র ওরা। একটা ক্লাব করেছে। সূর্যসেনা সংঘ। যদিও পল্টমামা প্রস্তাব করেছিলেন, ক্লাবের নাম রাখা হক দুষ্টু ছেলের দল। দুষ্টুমিতে ওই কিশারদের সত্যি কোনা জুড়ি ছিল না। এমনকি জ্যান্ত সাপ। ধরে এনে ভয়ঙ্কর শিক্ষক কাদির স্যারের জর্দার । কৌটায় ভরে রাখার ঘটনাও এরা ঘটিয়েছিল। এই দুষ্টু ছেলের দল ১৯৭১ সালে অংশ নিল এক। ভয়াবহ অভিযানে। পল্টমামা ধরা পড়েছিলেন। পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে, তাকে টর্চার সেলে বেঁধে রেখে ভয়াবহ অত্যাচার করতে লাগল। মিলিটারিরা। দুষ্টু ছেলের দল ঠিক করল, তারা পাকিস্তানি সৈন্যদের ক্যাম্প আক্রমণ করবে, তবে শুধু অস্ত্র হাতে নয়, বুদ্ধি দিয়ে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2d2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উচাটন মন ঘরে রয় না',\n", " 'seo_url': 'উচাটন-মন-ঘরে-রয়-না',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ যখন যেমন মনে কির তাই হতে পাই যদি , আমি তবে এক্ষুণি হই ইচ্ছামতী নদী। রইবে আমর দক্ষিণ ধারে সূর্য ওঠার পার, বাঁয়ের ধার সন্ধেবেলায় নামবে অন্ধকার, আমি কইব মনের কথা দুই পারেরই সাথে আধেক কথা দিনের বেলায়, আধেক কথা রাতে। যখন ঘুরে ঘুরে বেড়াই আপন গাঁয়ের ঘাটে ঠিক তখনি গান গেয়ে যাই দূরের মাঠে মাঠে। গাঁয়ের মানুষ চিনি যারা নাইতে আসে জলে, গোরু মানুষ যারা সাঁতরে ওপার চলে। দূরের মানুষ যারা তাদের নতুনতরো বেশ নাম জানি নে, গ্রাম জানি নে, অদ্ভুতের এক -শেষ।। সূচিপত্র * হারানোর মণির খোঁজে * দিন রজনী , আমার মন মানে না * আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে * আকাশের প্রতি তারা ডাকিছে তাহারে: হুমায়ূন আহমেদ * বঙ্গ আমার জননী আমার, ধাত্রী আমার , আমার দেশ * মন ছুটেছে আজ তেপান্তরে * নীড় ছোট ক্ষতি নেই আকাশ তো বড় * ফুলে ফুলে ঢুলে ঢুলে গাহে পাখি কী যে গান * বর্ষার আবাহনে ব্যাংককের স্মৃতি * আমি চাই পথের আলো * বেহেশতের পারিজাত: নারিন্দার হুজুর সৈয়দ নজর ইমাম * বিলিয়ে দেয়ার অঙ্গিকার ঘুম জাগানিয়া পাখি * মায়াবতী থেকে অলকেশ: লক্ষ্ণৌর রূপকার * মেঘে মেঘে মেঘলা * মধুর তোমার শেষ যে না পাই * মন কেমনের সাম্পান * নতুন স্বপ্নের নববর্ষ * ওরে গৃহবাসী খোলা দ্বার * হৃদয় আমার জেগে ওঠো * হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল * সে কোন বনের হরিণ * সে এক রূপকথারই দেশ * স্বপ্নের দেশ ইরানে * শোন আসমানী তাগিদ * সোনলী আগামীর প্রত্যাশা * সোনারঙের প্রহর * সুন্দর পৃথিবীর রূপকার * উদয়ের পথে শুনি কার বাণী * সৈয়দ মুজতবা আলী: মনের দর্পণে * অবাক পৃথিবী, অবাক করলে তুমি * কলমা গ্রামের যাদুমন্ত্র * বাঙালিয়ানা উৎসব, সরিষার তৈল * গুনে গরিমায় আমাদের নারী * ভালোবাসার গোলাপ ফোটানো ঈদ * আমলকির ঐ বনে বনে: রবীন্দ্র কাব্যে শীতের পরশ * মেঘলা দিনের ভাবনা * সন্ধ্যারাতের ধ্রুবতারা: নজরুল * নববর্ষের নব আনন্দে * আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম * আলোর ভূবন: জসীমউদ্দিন * সোনারূপার জরি মোড়া দিন * আমার যে সব দিতে হবে'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2da',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্বাচিত কলাম',\n", " 'seo_url': 'স্বাস্থ্য-বিষয়ক-নির্বাচিত-কলাম',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ডেঙ্গুজ্বর থেকে চিকুনগুনিয়া, ওষুধের ভুল ব্যবহার থেকে শুরু করে অপচিকিৎসার কুফল-সব রকমের স্বাস্থ্য সমস্যা ও এর প্রতিকার নিয়ে বছর জুড়েই তার কলম থাকে সচেতন। চিকিৎক ও রোগীর সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, রোগীর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু হলেই কেন প্রথম সুযোগে এদেশে হাসপাতাল ভাঙচুর করা হয় কিংবা আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যা কীভাবে পাল্টে দিয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞানে হালহকিকত- এই সব সামাজিক বিষয়ও তার থীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়িয়ে যান নি। এ কারণে অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহর স্বাস্থ্য বিষয়ক কলামগুলো কেবল ‘জ্বর হলে কী করবেন’ বা ‘হৃদরোগ হলে কী খাবেন না’ জাতীয় সদুপদেশ এর গণ্ডি ছাড়িয়ে জাতীয় ও আর্থসামাজিক সমস্যাগুলোর ওপর আলো ফেলে। প্রবন্ধগুলো তাই কেবল যে আপামর পাঠকদের কাজে আসবে তাই নয়, এগুলো পড়া উচিত নীতি নির্ধারক ও কর্তাব্যক্তিদেরও, যারা জনস্বাস্থ্য নিয়ে নানা দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। আর সব ক্ষেত্রের মত বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতও নান সমস্যা ও অভাবে পর্যুদস্ত। প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার হাল এখনো ঢালহীন তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দারের মতই। তারপরও সীমিত সম্পদ ও অধিকতর আন্তরিকতা নিয়ে কীভাবে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানকে এগিয়ে নেয়া যায় তা নিয়েও ভেবেছেন মেডিসিনের এই খ্যাত নামা অধ্যাপক। দেশ ও বিদেশে হাজার হাজার চিকিৎসক ইতিপূর্বে তার চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক বই পড়ে উপকৃত হয়েছেন। স্নাতকোত্তর চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্র ছাত্রীদের কাছে তার জনপ্রিয়তা ঈর্ষনীয়। হাল আমলে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন সংবাদপত্রের পাঠকদের কাছেও, বিচিত্র ও বিভিন্ন বিষয়ে তার সুচিন্তিত ও সুলিখিত প্রবন্ধগুলোর কারণে। স্বাস্থ্যসমস্যা, এর প্রতিকার এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা নিয়ে অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহর রচনাগুলো সচেতন পাঠকদের অবশ্যপাঠ্য বলেই বিবেচিত হবে অচিরে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2dc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শুভেচ্ছা সাত-৩',\n", " 'seo_url': 'শুভেচ্ছা-সাত-৩',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাবা মোহাম্মদ মুল্লুক চাঁদ। মা হামিদা খাতুন। চার সন্তানের জননী - সাগর কেকা প্রবাল কাকলী। বাবা ছিলেন সরকারি কর্মচারী। বদলির চাকুরি। রাবেয়া খাতুনের শৈশব-কৈশর তাই কেটেছে অবিভক্ত বাংলার শহর ও পুরনো ঢাকায়। মূলত ঔপন্যাসিক হলেও সাহিত্য সব শাখায় রয়েছে তার স্বচ্ছন্দ বিচরণ। লিখেছেন গবেষণাধর্মী গ্রন্থ, অসংখ্য ছোট গল্প, নাটক ,ভ্রমণ ,স্মৃতিকথা, কিশোর সাহিত্য। এক সময় শিক্ষকতা করতেন। সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দীর্ঘদিন। বর্তমানে লেখালেখির কাজে নিবেদিত। প্রিয় পাঠক সাহিত্য ছাড়াও জ্যোর্তিবিজ্ঞান,দর্শন, ইতিহাস। এক নম্বর হবি দেশ ভ্রমণ। ঘুরেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। অবসরে প্রচুর গান শোনেন। চলচ্চিত্র ও নাটক দেখেন। উপন্যাসের জন্য সম্মানিত রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ,একুশে পদক, বাংলা একাডেমীসহ আরও দু’ডজন পুরস্কারে। সূচিপত্র * বায়ান্ন গলির এক গলি (উপন্যাস) * তবু জার্মানি (ভ্রমণ কাহিনী) * একাত্তরের নিশান (ছোটদের উপন্যাস) * অঙ্গনে অন্তক (ছোট গল্প)র রূপকথার গল্প(ছোটদের গল্প) * আমার প্রথম বই (স্মৃতি কথা) * অন্য রকম ভ্রমণ (ভ্রমণ)'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2de',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পাঁচ নায়িকা',\n", " 'seo_url': 'পাঁচ-নায়িকা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘পাঁচ নায়িকা’ ইমদাদুল হক মিলনের পাঁচটি জনপ্রিয় উপন্যাসে সংকলন। ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে নায়িকা প্রধান এই উপস্যান সংকলন পাঠকের জন্য এক অনবদ্য উপহার। যেকোনও বয়সের পাঠককে মুগ্ধ করবে এই সংকলন। প্রেমিক প্রেমিকারা পরস্পরকে এই উপন্যাস সংকলন বিনিময়ের মধ্যদিয়ে নিজেদের ভালো লাগা প্রকাশও করতে পারবেন। সূচিপত্র * বিয়ের কয়েকদিন আগে * ফেলে আসা লাল গোলাপ * বৃষ্টি নেমেছিল * শালিক পাখিটি উড়ছিল * সেই প্রিয় মুখ'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb2e0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুক্তিযুদ্ধের গল্প',\n", " 'seo_url': 'মুক্তিযুদ্ধের-গল্প',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাঙালি জীবনে সবচাইতে বড় ঘটনা উনিশশো একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এত সুসময় আমাদের জীবনে আর কখনও আসেনি। আমরা সাড়ে সাত কোটি বাঙালি একত্র হয়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে অর্জন করেছিলাম আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। স্বাধীনতার বিপক্ষের কিছু মানুষ ছাড়া দেশের সেই সময়কার প্রতিটি মানুষ কোনও না কোনওভাবে জড়িয়ে পড়েছিল স্বাধীনতা যুদ্ধে। বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ কেমন করে জড়িয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে , কোন অনুভূতি এবং মনোবল ,কোন মন্ত্র ,দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করেছিল তাদের, এই সব বিষয় নিয়ে ইমদাদুল হক মিলনের মুক্তিযুদ্ধের গল্প।এই বইয়ের বারোটি গল্প পাঠককে ফিরিয়ে নেবে সেই আশ্চর্য সময়ে, উনিশশো একাত্তরে। সূচিপত্র * রতন মৃধার বাংলাদেশ * সাড়ে তিন হাত ভূমি * রতনপুরের সূর্যমুখি * যুদ্ধ দিন * একটি মুখের হাসির জন্য * প্রবাসে এক বাঙালি * প্রস্তুতি পর্ব * পরবর্তীকাল * বনসীমান্ত * এসো * লোকটি রাজাকার ছিল * উনিশশো একাত্তর'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb312',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জুলিয়া',\n", " 'seo_url': 'জুলিয়া',\n", " 'description': 'Mnemonics কি ? Mnemonics make use of elaborative encoding, retrieval cues, and imagery as specific tools to encode any given information in a way that allows for efficient storage and retrieval. - Wikipedia. Mnemonics এর সবথেকে সহজ-সরল সংজ্ঞা হলো- যেসব পদ্ধতি প্রয়োগ করে কোনকিছু’কে সহজেই মনে রাখা যায়, সেসব পদ্ধতিকেই Mnemonics বলে। কোনকিছু দ্রুত মাথায় গেঁথে রাখার জন্য ছাত্রদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার মানুষও Mnemonics পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। জানা যায় সর্বপ্রথম প্লেটো-অ্যারিস্টটলের মত গ্রীক সোফিস্ট এবং দার্শনিকরা এই পদ্ধতি প্রয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন। এরপর বিভিন্ন সময় অনেকেই সহজে মনে রাখার কৌশল খুজতে গিয়ে আবিস্কার করেছেন যে- Mnemonics’ই হলো মনে রাখার সবথেকে কার্যকরি উপায়। Mnemonics কিভাবে কাজ করে? ধরুন আপনি সম্পূর্ণ নতুন একটি দেশে ঘুরতে গিয়েছেন। সেখানে গিয়ে আপনি অদ্ভুত ও নতুন ধরণের একটি প্রাণী দেখতে পেলেন। এখন আপনার মস্তিষ্ক করবে কি, প্রথমেই এই নতুন প্রাণীটিকে আপনার চেনা কোন একটি প্রাণীর সাথে মিলিয়ে নেবে। আপনি হয়ত নিজের অজান্তেই বলে ফেলবেন- এই অদ্ভুত প্রাণীটির কানগুলোতো একদম খরগোশের মত! অথবা এর পাগুলো তো একদম হাঁসের মত! আসলে সম্পূর্ণ নতুন জিনিস মনে রাখতে আমাদের মস্তিষ্কের বেশি শক্তি খরচ করতে হয়। ফলে সে সবসময়ই চায় পুরনো কোন বস্তু বা ঘটনার সাথে মিলিয়ে নতুন কিছুকে মনে রাখতে। আর আরেকটি বিষয় জেনে রাখা দরকার- আমাদের মস্তিষ্ক টেক্সট/লেখার চেয়ে ইমেজ বা ঘটনা সহজে মনে রাখতে পারে। আসলে আমাদের মস্তিষ্ক টেক্সটগুলোলেও মূলত ইমেজ হিসেবেই মনে রাখে। লক্ষ্য করে দেখবেন, আপনার মস্তিষ্ক পরিচিত শব্দগুলোকে ইমেজ হিসেবে সেভ করে রেখেছে। ফলে আপনি শব্দটি দেখা মাত্রই বুঝে যান যে শব্দটি আসলে কি! ফলে আপনাকে আলাদা-আলাদা অক্ষর দেখে বানান করতে হয় না। এখানে মূল বিষয়টি হচ্ছে- কিছু অক্ষরের থেকে, কোন ঘটনা বা একটি ছবি মস্তিষ্কের কাছে মনে রাখার জন্য সহজ। ফলে আপনি যদি কোন শব্দকে পরিচিত কোন শব্দ, ছবি বা ঘটনার সাথে মিলিয়ে বা সম্পর্কিত করে মনে রাখার চেষ্টা করেন, তবে সেটা বেশি কার্যকরি হয়। আর একারনেই Mnemonic পদ্ধতিটি শব্দ শেখার ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি কার্যকরি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb332',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমি অনুপ্রভা বলছি',\n", " 'seo_url': 'আমি-অনুপ্রভা-বলছি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রিফাত কামাল সাইফ। অমি। আমাদের শিশুসাহিত্যের ‘আঁতুড়ঘর’ এর মতো দ্যুতিময় এক পরিবারের সন্তান। তার দাদা সাইফুর রহমান শিশুসাহিত্যিক, দাদা কবি হাবীবুর রহমান বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আর কাকা স্বানামধন্য শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলম। উজ্জ্বল উত্তরাধিকার। ভূতের পায়ে বুট অমির প্রথম বই। প্রথম বইয়ের বাজিমাত। ২০১০ এর আনন্দ আলো বর্ষসেরা বই এবং ছোটদের মেলা আয়োজিত মেলার সেরা বই এর পুরস্কার পেয়েছে অমি। তৃতীয় বই আমি অনুপ্রভা বলছি কেমন লিখেছে? এক কথায় ভালো। অনেক অনেক ভালো। যারা তার দাদা কাকার লেখা পড়েছেন, তার লেখা পড়লেই তারা বুঝতে পারবেন, রাস্তাটা ঠিক চিনে গেছে সে। এখন অনেকদূর হেঁটে হেঁটে যাওয়া শুধু। জয় হোক শিশুসাহিত্যিক রিফাত কামাল সাইফ-এর -ধ্রুব এষ'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb370',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পঞ্চাশটি প্রেমের গল্প',\n", " 'seo_url': 'পঞ্চাশটি-প্রেমের-গল্প',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ইমদাদুল হক মিলনকে একসময় প্রেমের গল্পের লেখকই বলা হতো। লেখক জীবনের শুরু থেকে তরুণ প্রজন্মের প্রেম ভালোবাসার গল্প লিখে তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিলেন এই লেখক। তাঁর সেই জনপ্রিয়তা এখনও অক্ষুণ্ন। এখনও অনেক পাঠক ‘নুরজাহানের’ মতো উপন্যাস খুঁজতে এসে ইমদাদুল হক মিলনের প্রেমের গল্পের খোঁজ খবরও করেন। যাঁরা শুধুমাত্র প্রেমের গল্প পড়ে মুদ্ধ হয়ে থাকতে চান তাদের জন্য ইমদাদুল হক মিলনের ‘পঞ্চাশটি প্রেমের গল্প’ এক অসাধারণ উপহার। সূচিপত্র *মেয়েটির কোনও অপরাধ ছিল না *গোপন দুয়ার *তোমাকে ভালোবাসি *দূরে কোথায় *টেলিফোন বাজছে *প্রেমিক *ভালোবাসতাম *আজকালকার ছেলেমেয়েরা *ব্যর্থ প্রেমিক *ভালো যদি বাস সখী *দুঃখে আছি *রাণীর কাছে যাবো *বলো তারে *অনিশ্চিত *জন্ম *বলা যায় না *পাখিরা পিঞ্জরে *চাই বাবলিকে *পার্বতী *শঙ্খিনী *তুমি *ও *মৌ *যদি *কিছু দুঃখ *মন বলে *টুলটুলি *ভালোবাসার দুঃখ *দিন আমাদের *প্রেম আসছে *কোন কাননের ফুল *হে প্রেম *নষ্ট হয়ে যাই *না সজনী *মনের অসুখ *হৃদয়পুর *প্রেমিক প্রেমিকা *যে তুমি *আমি ও সেই যুবতী *পায়েলের খুকু হবে *যদি জানতে *তোমাকে আমার চাই *মিনি *আমাদের ছোটনদী *এসো ভালোবাসা *আমাদের মধুবাস *মেয়েমানুষ *সে ভালোবাসে, নাকি বাসে না *নায়ক আসেনি *ফুল বলে'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb38c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নিশীথ কুহূ',\n", " 'seo_url': 'নিশীথ-কুহূ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অসম বসয়ী বাল্য বন্ধুত্ব যৌবনে এসে যখন হৃদয় দেয়া-নেয়ার রূপ নিলো তখনই ঈর্ষা, অভিমান এবং সামাজিক জটিলতার শিকার হয়ে আবার দু’দিকে ছিটকে পড়ে আলী এবং নিশি। সময়ের স্রোহেত নানান ঘটনার ভেতর দিয়ে এগিয়ে চলে তাদের জীবন। ব্যর্থতা এবং বেদনাকে সঙ্গী করে আবার তাদের দেখা হয় দেশের মাটি থেকে বহু দূরে টরোন্টো শহরে। দু’টি নিঃসঙ্গ চিত্ত যখন একটু একটু করে এগিয়ে চলে পুরানো প্রেমের বহিৃ জ্বালাতে, তাদের অতীত আবার দুজনার সামনে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। স্মৃতির পাতা থেকে উঠে আসে আলীর প্রথম প্রেম রুবী, প্রিয় বন্ধু মিঠু, কৈশোর এবং যৌবনের স্মৃতি বিজড়িত ক্যাডেট কলেজের একথা। নিশীত রাতের বুক চিরে ডেকে যাওয়া এক অদেখা পাখির সঙ্গীত মূর্ছনা তুলে যায় আলী ও তার প্রিয় মানুষগুলির জীবনে বারবার।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb38e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এই জল জ্যোৎস্নায়',\n", " 'seo_url': 'এই-জল-জ্যোৎস্নায়',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এসে গেল প্রাণের ফাগুন আরেকটি বছর ঘুরে। আবার এলো বর্ণামালার খেলা, প্রাণের দোলা নিয়ে। গত ফাগুনে প্রকাশিত হয়েছিল আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ এসেছিলে রংধনু হাতে।’ অনেক পাঠকের উৎসাহে আরেকটি প্রয়াস এবার, নতুন আঙ্গিকে নতুন মাত্রায়। এবারের লেখাগুলো পরপাশের মানুষের স্বপ্ন ও গল্পকথা নিয়ে, কবিতায় এসেছে ভিন্নতর জীবনদর্শন, প্রেম, নিসর্গ, নষ্টালজিয়া-সহজ প্রকাশে। কৃতজ্ঞায় স্মরণ করছি আমার সহধর্মিনী হুমায়রা আমিন লিরা ও কন্যাদয় নমেরা ও নুসায়বাকে যাদের উৎসাহ সমর্থনে এই পকাশনা সম্ভব হলো। জয় হোক ফাগুনের, জয় হোক জীবনের।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb3a4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মূল্যবোধ যুগের হাওয়া ও রমনীর মন',\n", " 'seo_url': 'মূল্যবোধ-যুগের-হাওয়া-ও-রমনীর-মন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ। অর্ধশতাব্দির অধিক ব্যবধানের দুই নারী। যুগের হাওয়ার প্রভাব পড়েছে উভয়ের উপর। একযুগ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে-অর্থনৈতিক মন্দা, দারিদ্র, রাজনৈতিক টানাপোড়েন, সামাজিক অস্থিরতার সাথে যুক্ত হয়েছে যুব সমাজের দেশ ত্যাগের হিড়িক-দেশকে মেধাশূণ্য করে সোনালী ভবিষ্যতের আশায় উন্নত দেশে পাড়ি দেওয়া ..ভবিষ্যতের একটি যুগ কল্পনা করে নেওয়া হয়েছে। এই যুগে বিরাজ করছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, প্রযুক্তিগদ উন্নতি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিকা ভারসাম্যতা। সামাজিক শান্তির অন্যতম বাহক মূল্যবোধ। ..নারীরাই কী যুগে যুগে মূল্যবোধকে হৃদয়ে লালন করে সমাজকে বাসযোগ্য করে তুলছে না?..কিন্তু তারা কি শুধু এ্যাডডাস্ট করেই চলবে? তাদের নিজেদের মন বলে কি কিছুই নেই? ..তাদের অহং সত্তা, মন বা অস্তিত্ব আগাতপ্রাপ্ত হলে তারা তো রিএ্যাক্ট করবেই?.....'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb3b8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'স্মৃতির জানালা',\n", " 'seo_url': 'স্মৃতির-জানালা',\n", " 'description': 'বইটি আবু মুনির ইসমাইল ডেভিড্স রচিত Getting the Best Out of Al-Hajj - এর বাংলা অনুবাদ। হজের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি, সমস্যা ও সমাধান সম্পর্কে বিশদ ও খুঁটিনাটি বিবরণ সম্বলিত এই বইটি প্রকাশের পরপরই নানাদেশের হজযাত্রীদের মধ্যে সমাদৃত হয়।হজ করতে গেলে প্রস্তুতি, থাকা-খাওয়া, ভ্রমণ, মালামাল পরিবহনের বন্দোবস্ত, রোগবালাই প্রতিরোধ ও চিকিৎসা এরকম নানা ঝক্কি পোহাতে হয়। উপযুক্ত নির্দেশিকার সাহায্য নিয়ে এমন দুর্বিপাক অনেকাংশে কমিয়ে আনা যায়। বইটিতে হজের জন্য মানসিক ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি সম্পর্কে যেমন বলা আছে, তেমনি টিকিট কাটা, ভিসা ও মালামাল ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নির্দেশনা দিতেও লেখক ভোলেননি। অন্যদিকে দোকানির সাথে কীভাবে দরদাম করতে হবে, এমনকি মসজিদে কীভাবে জুতা রাখলে তা হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা কম, এরকম খুঁটিনাটি বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত আছে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb3bc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রথম সূর্যোদয়',\n", " 'seo_url': 'প্রথম-সূর্যোদয়',\n", " 'description': 'বিশ গেরামের গল্প বইটির মূল লক্ষ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহুস্তরবিশিষ্ট দৈব নমুনা চয়নের ভিত্তিতে বাছাইকৃত ২০ টি গ্রামের চার দশকব্যাপী ঘটে যাওয়া আর্থ-সামাজিক রূপান্তর উপস্থাপন করা । সম্পূর্ণভাবে মানুষের চিন্তা ও অনুভূতিকে নির্ভর করে গ্রাম রূপান্তরের এই গল্প উপস্থাপন করা হয়েছে । মানুষের জীবনকথা তুলে আনার জন্য অবশ্য প্রয়োগ করা হয় নি ছকে বাঁধা প্রশ্নমালা।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc00a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শিশু-কিশোর গল্পসমগ্র',\n", " 'seo_url': 'শিশু-কিশোর-গল্পসমগ্র-100',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ হুমায়ূন আহমেদ এর রচনার চমৎকারিত্ব ধরা পড়েছে তার ছোট গল্পে- সে বড়দের কিংবা ছোটদের যাই হোক। এজন্যেই বড়-ছোট সকলের কাছেই তার রচিত শিশুসাহিত্য সমান জনপ্রিয়। সূচিপত্র * তিনি ও সে * বোকাভূত * মিরখাইয়ের অটোগ্রাফ * রুঁরুঁর গল্প * মোবারক হোসেনের মহাবিপদ * একটি ভয়ংকর অভিযানের গল্প * ভূত মন্ত্র * পানি-রহস্য * কানী ডাইনী * রানী কলাবতী * বোকা দৈত্য * মিতুর অসুখ * আলাউদ্দিনের চেরাগ * বনের রাজা * হলুদ পরী * নীল হাতী * একটি মামদো ভূতের গল্প * আকাশপরী * পরীর মেয়ে মেঘবতী * চেরাগের দৈত্য এবং বাবলু * গোবর বাবু * নিউটনের ভুল সূত্র * নিমধ্যমা * বড়মামা এবং রাজকুমারী সুবর্ণ রেখা * লোকটি * জাদুকর * এংগা, বেংগা, চেংগা * রাজার কুমার নিনিত * কাকারু'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc00c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নশ্বর জীবনের মিথ',\n", " 'seo_url': 'নশ্বর-জীবনের-মিথ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কান কথা রটল বাবা নাকি বাইরে গিয়ে মুক্তিবাহিনীদের জন্য তথ্য সংগ্রহ করেন। ধর্মলেবাসী কয়েকজন বিহারিকে জানিয়ে দিল যে আব্দুল মজিদের দুই ছেলে মুক্তিযোদ্ধা। সে নিজেও গুপ্তচর। বিহারিদের অবস্থা জানতে বাজারে যায়। শেষদিন বাজার করতে গিয়েছিলেন ১৪ আগস্ট, ১৯৭১। আমাদের পরিবারের কালো অধ্যায়ের শুরু সেখান থেকেই ........'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb3f2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রতি ও ইতি',\n", " 'seo_url': 'প্রতি-ও-ইতি',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * চোখ থাকিতে অন্ধ কেন * মতান্তর হয় মনান্তর নয় * ভবন রহস্য * চান মিঞার চিন্তার মজার লেখা * মিলেনিয়াম সাক্ষাৎকার * বিবেচনা শক্তি * নাক সমাচার * ডেঙ্গু ভাবনা * গরু ছাগলের সংলাপ * বিয়ের উপহার * ফিলিম ডাইরেক্টর * জীবন সঙ্গী গাইড বই * একটুসখানি কথা * এইম ইন লাইফ * পাত্র নির্বাচন'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb3f4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আটখানার পাটখানা',\n", " 'seo_url': 'আটখানার-পাটখানা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রম্যরচনার কাজটি একটি দুরূহ কাজ। উপাদান গুরু অথচ তা দিয়ে লঘু পাক করতে হবে। অবস্থাটা সহজেই অনুমেয়। বিশ্বের সবচাইতে কঠিন কাজ হলো দর্পনের সাহায্য ছাড়া পরিপার্শ্ব এর মধ্যে নিজেকে খুঁজে পাওয়া। হানিফ সংকেত সেই দুর্লভ শক্তির অধিকারী। তার প্রতিটি লেখাতেই রয়েছে এক ধরনের আনন্দ আর একরকম মজা। বাংলাদেশ টেলিভিশনে দীর্ঘ এগারো বছর ধরে তার পরিচালনা ও উপস্থাপনা ‘ইত্যাদি’ নামে একটি বিনোদনমূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান প্রচারিত হচ্ছে। নিকট অতীতে আর কোন অনুষ্ঠান এতটা জনপ্রিয়তা লাভ করেনি। এর কারণ অনুষ্ঠানটিতে রয়েছে সমাজ ও সময়ের নানান জীবন্ত ছবি। চলমান জীবনের অসংগতিগুলোর প্রতি অঙ্গুলি নির্দেশ । রয়েছে রঙ্গ ও ব্যাঙ্গের কষাঘাত । বিদ্রূপ বা কটাক্ষ থাকলেও তার অনুষ্ঠানে আদ্যন্ত আকর্ষণ তার রসালো উপস্থাপনা। ইত্যাদিতে পরিবেশিত বিভিন্ন নাট্যাংশগুলোকে জড়ো করেই এই গ্রন্থ আটখানার পাটখানা। বিষয়গুলো ইতিপূর্বে ইত্যাদিতে প্রচারিত হলেও তার বর্ণনা ভঙ্গির গুনে প্রতিটি বিষয় মনে হবে সদ্যতম, তাজা, নিখুঁত,নিপুন ও জলজ্যান্ত। টেলিভিশনে পর্দায় এক দুবার দেখিয়েই যেন বিষয়গুলো হারিয়ে না যায় সেজন্যই গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা হলো। ইত্যাদি যেমন দর্শকপ্রিয় হয়েয়ে তেমনি সর্বজনভোগ্য, বুদ্ধিদীপ্ত, ঝকঝকে এই সরস গ্রন্থ ‘আটখানার পাটখানা’ও পাঠক প্রিয় হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। সূচিপত্র * আটখানা পাটখানা * বোঝার ভুল * ম্যাচিং সমস্যা * আকাশ পাতাল রিয়েল স্টেট * পরিচয় * ছিনিমিনি খেলা * চাকরি চাই * অ-সুখ * তিন মাহাত্ন্য'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc014',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মনোদৈহিক',\n", " 'seo_url': 'মনোদৈহিক',\n", " 'description': 'এটি একটি সৃজনশীল মনোবৈজ্ঞানিক উপন্যাস। বইটির প্রকাশভঙ্গি গতানুগতিক প্রথাবিরোধী। এখানে প্রচলিত সকল ধর্ম বিশ্বাস ও মাইথোলজির যৌক্তিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। মূল বিষয় - মানুষের স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার উপরে এ সমাজের প্রতলিত ধর্ম চর্চা, সহপাঠীদের আচরণ ও পরিবারের শাসন কিভাবে প্রভাব বিস্তার করে এবং জীবনের কোন একপর্যায়ে তা তার যৌন সম্পর্কেও প্রভাবিত করে সে বিষয়ে লেখা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ১৫ থেকে ২০ ভাগ বৈবাহিক যৌনসম্পর্ক শুধুমাত্র মানষিক কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ঘুরপাক খেয়ে এক অস্বস্থিকর অবস্থায় টিকে আছে। শুধুমাত্র পর্যাপ্ত তথ্য থাকলে নিজেই নিজের মানষিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে এ অবস্থা এড়ানো যায় এবং কোন কারণে এ অবস্থায় পড়ে গেলেও সেখান থেকে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা যায়। নানান ধরণের যৌন বিকৃতি এবং সে সম্পর্কে বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যখ্যা দেওয়া হয়েছে। মানষিক ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য এ বইটি খুবই শক্তিশালী ভুমিকা রাখবে এতে কোন সন্দেহ নেই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb400',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমি রনি এবং শ্যামল',\n", " 'seo_url': 'আমি-রনি-এবং-শ্যামল',\n", " 'description': 'আপনি রান্না করবেন। ডিপ ফ্রিজ থেকে জমাট বাঁধা মাংস বের করেছেন। বরফ ঝরিয়ে রান্নার জন্য প্রস্তুত করলেন। কিন্তু রান্না করা হলো না। এখন সেই খাবার আবার ডিপ ফ্রিজে রেখে হিমায়িত করলে মাংসের কিছু গুণ নষ্ট হতে পারে কি? গত বছরটা ছিল যেন বজ্রপাতের বছর। মে ও সেপ্টেম্বরে বজ্রপাতে প্রায় ৮০ জন মানুষ মারা গেলেন। বজ্রপাত কি বাড়ছে? এর জন্য দায়ী কি জলবায়ু পরিবর্তন? অথবা ধরুন একটা জরুরি প্রশ্ন, মানুষ কি মঙ্গল গ্রহে গিয়ে বাঁচতে পারবে? সেখানে কি বাতাস আছে, থাকলেও সেই বাতাসে কি অক্সিজেন আছে? এসব প্রশ্ন আমাদের প্রতিদিন আলোড়িত করে। তা ছাড়া আমাদের সুস্থ থাকতে হবে। কীভাবে ফিটফাট থাকা যায়? রাতে অন্তত কত ঘণ্টা ঘুম দরকার? এ ধরনের কিছু বিষয় জানা থাকলে ক্লাসে শিশু-কিশোর ও অফিস-আদালতে আমাদের পরিবারের বড় সদস্যরা বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারবেন, শোনো, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টগুলো গত ৭ জানুয়ারি ২০১৬, নতুন ‘ডায়েটারি গাইড লাইনস ফর আমেরিকানস’ প্রকাশ করেছে। সেখানে ওরা বলছে ‘হোল গ্রেইন’ মানে, এই যেমন আমাদের ঢেঁকিছাঁটা চাল, সেটাই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো... ইত্যাদি।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc016',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রোদন ভরা বসন্ত',\n", " 'seo_url': 'রোদন-ভরা-বসন্ত',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কখনো কোনদিন এমন করে সাজেনি সে কখনো কোনদিন এমন করে ভাবেনি সে কখনো কোনদিন এমন স্বপ্ন দেখেনি সে সেদিন দেখেছিলো সেই মেয়ে। সেইদিন সেজেছিল সেই মেয়ে। ভূমিকা চারপাশে ছোট ছোট টিলা আর অফুরন্ত সবুজের সমাহার-এরই মাঝে বড় হয়ে ওঠা আমার। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ---- নং বাসাতেই কেটেছে আমার শৈশব আর কৈশোরের স্বর্ণালী দিন আর রুপালি রাত। দু’পাশের অগুনিতক পাহাড়ের অসংখ্য নাম না জানা গাছগাছালির শাখায় নানা রকম পাখির কিচির মিচিরে সকাল হতো আমার-সন্ধ্যা নামতো আমাদের বাসায়। সেই চমৎকার পরিবেশের মধ্য থেকে মহীরূহের জন্ম কোনোদিনই হবে না-তবে ছোট ছোট চারাগাছ হবে নিশ্চয়ই। আশির দশকের পটভূমিতে লেখা আমার এই উপন্যাস পাঠক পাঠিকাদের কাছে এতটুকু ভালো লাগলেই পরিপূর্ণতা পাবে, সার্থক হবে। শামীম ফেরদৌস খান'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb43a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তোমার জন্য আকাশ',\n", " 'seo_url': 'তোমার-জন্য-আকাশ',\n", " 'description': \"সেই আঠারো জোয়ার-ভাটার দেশ, যেখানে তিনটি নদী এসে মিশেছে, বঙ্গোপসাগরের কাছে ম্যানগ্রোভ বনের গভীরে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি মৌমাছি বাস করতো। এই মৌমাছিদের আবার পরিচালনা করতো একজন দেবী মৌমাছি। এই মৌমাছিরা মৌচাক ভরে রাখতো ঘন সোনালী মধুতে, যাকে কেউ কেউ বলতো তরল আলো - যা গাছের গা থেকে সূর্যের মিষ্টি ফোঁটার মত বেয়ে নামতো। সকল জীবজন্ত এবং পাখি এই মধু ভালোবাসতো, কিন্তু সবার চেয়ে বেশি মধু ভালবাসতো যে ছেলেটি, তার মাথায় খাড়া খাড়া চুল, আর তার নাম শনু । একদিন ক্ষুধার তাড়নায় শনু মৌওয়ালিদের জন্য জরুরি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বনে প্রবেশ করলো। সে কী খুঁজে পাবে সেই মধু যাকে সে এত্ত ভালোবাসে? নাকি ঐ-তিনি-যাঁর-নাম-মুখে-নেওয়া-বারণ, সেই প্রচণ্ড শক্তিশালী ভয়ঙ্কর দানবরূপী বাঘের কবলে পড়বে? ভারতের এক নামজাদা কবি, ফ্রান্সের অতি প্রিয় অলংকরণ শিল্পী, এবং বাংলাদেশের নন্দিত কবি ও কথাসাহিত্যিক শামীম আজাদের সঙ্গে চলো যাই সুন্দরবনের অন্তস্থলে, দৃষ্টিনন্দন ও কাব্যময় ভ্রমণ করে আসি। Author Bio: কার্তিকা নায়ার ভারতের একজন অন্যতম মুখ্য কবি এবং আকরাম খান এর লরেন্স ওলিভিয়ের পুরস্কার প্রাপ্ত নৃত্য প্রযোজনা 'দেশ' এর প্রধান স্ক্রিপ্ট রাইটার। তিনি বেয়ারিংস নামক একটি কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা এবং তার কবিতা বহু সমালোচক প্রশংসিত কবিতা সংগ্রহে স্থান করে নিয়েছে।\"},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb452',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সুন্দরবন গাথা',\n", " 'seo_url': 'সুন্দরবন-গাথা',\n", " 'description': 'এই বইটি বাংলাদেশ এবং এর মানুষ সম্পর্কে একটি ব্যক্তিগত এবং অন্তর-অনুসন্ধানী বিবরণী। এই বইয়ে জেমস জে. নোভাক দেশটির অর্থনীতি, জনগণের জীবনধারায় ও মনস্তত্ত্বে ঋতু বৈচিত্র্যের গুরুত্ব, ইতিহাস, ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য, সঙ্গীত, শিল্পকলা, কাব্য, চিন্তাধারা এবং রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে তাঁর উপলব্ধি বিবৃত করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্পর্কে একটি অপূর্ব বিশ্লেষণও তিনি উপস্থাপন করেছেন। দেশটির আধুনিক ইতিহাসে জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও বিকাশ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত এটিই বোধ করি একমাত্র পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ। কবিতা, গদ্য এবং গানে বিধৃত এই জাতীয়তাবাদ। একে যেমন ব্যবহার করা হয়েছে ধর্ম, সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি, কবিতা এবং শিল্পকলার মধ্যকার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াকে চিত্রায়িত করার জন্যে, তেমনি ব্যবহার করা হয়েছে সংস্কৃতির রাজনৈতিক চিন্তার রূপান্তরকে মূর্ত করে তোলার জন্যে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc018',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বয়ঃসন্ধি',\n", " 'seo_url': 'বয়ঃসন্ধি',\n", " 'description': 'ছেলে-মেয়েদের কৈশোর কালীন শারিরীক ও মানষিক পরিবর্তনের ফলে তাদের মধ্যে এক ধরণের উভ-সঙ্কট তৈরী হয়। বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞান না থাকার কারণে কখনও কখনও এ ধরণের উভ-সঙ্কট তাদেরকে বিপথগামীও করতে পারে। এসময়ে কি করা উচিৎ সে বিষয়ে কিশোর-কিশোরীদের জানার অভাব আছে, কারণ তাদের জানার জন্য নু্ন্যতম সুযোগও আমাদের সমাজে নেই। এ বিষয়ে অধিকাংশ গার্জিয়ানেরও বিজ্ঞানসম্মত তত্ত্ব ও তথ্যের ঘাটতি আছে । কারণ এ সম্পর্কে না জেনেই তারাও বড় হয়েছে এবং বড় হবার পরেও অনেক বিষয়ে বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞান আহরণের সুযোগ হয়নি। পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব এর মূল কারণ। বইটি পড়ার মাধ্যমে একইসাথে কিশোর-কিশোরীরা তাদের কৈশোরকালীন সঙ্কট মোকাবেলায় কি করবে সেটি যেমন জানতে পারবে, তেমনি একজন গার্জিয়ানও এ সময়ে কিভাবে তার সন্তানকে সহযোগিতা করবেন সে সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও করনীয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। সমাজে প্রচলিত যৌন বিষয়ক অনেক ভুল ধারণা ও সংস্কার সম্পর্কে বইটিতে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এটি সংগ্রহে রাখার মতো একটি বই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb4cc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দক্ষিণ এশিয়ার মৌলবাদ প্রসঙ্গ বাংলাদেশ',\n", " 'seo_url': 'দক্ষিণ-এশিয়ার-মৌলবাদ-প্রসঙ্গ-বাংলাদেশ',\n", " 'description': 'প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৫২ সালের মার্চ মাসে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন শহরে। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে অভূতপূর্ব পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে উপন্যাসটি। অতি দ্রুত এর খ্যাতি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে পৃথিবীময় ছড়িয়ে পড়ে। অমানবিক দাসপ্রথার বিরুদ্ধে ‘আঙ্কল টম্\\u200cস কেবিন’ এক হৃদয়স্পর্শী প্রতিবাদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঊনিশ শতকের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে মর্যাদাপ্রাপ্ত এই উপন্যাসটির নাটক, চলচ্চিত্র, ও গীতিনাট্যরূপ সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আমেরিকায় দাসপ্রথা উচ্ছেদের ক্ষেত্রে ‘আঙ্কল টম্\\u200cস কেবিন’ গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb4ce',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মুক্তিযুদ্ধের বৃত্তবন্দী ইতিহাস',\n", " 'seo_url': 'মুক্তিযুদ্ধের-বৃত্তবন্দী-ইতিহাস',\n", " 'description': '\"গ্রন্থের কবিতাগুলি আজ থেকে প্রায় পঞ্চাশ/পঞ্চান্ন বছর আগে রচিত বলে, ওই সময়ের প্রেক্ষিতে মনে রাখা বিশেষ প্রয়োজন। প্রথম মহাযুদ্ধের নিকট ও পরবর্তী কালে ইউরোপে সমসমায়িক কালের মনস্তত্ত্ব, দর্শন ও চিত্রকলা প্রভাবিত নতুন সাহিত্য আন্দোলনের সৃষ্টি হয়, যা গত শতাব্দীর তিরিশ দশকের বাংলার কবিরা নিজস্ব অনুধাবনে প্রয়োগ করে প্রচলিত বিষয় ও কাব্যরীতি ভেঙ্গেচুরে সৃষ্টি করেছিলেন নতুন কবিতা। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষে দেশে উদ্ভূত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা এবং বিশ্বের দর্শন, মনস্তত্ত্ব,চিত্রকলা ও সাহিত্যের চলিত আন্দোলন-- বাংলায় আবার নতুন সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্র তৈরি করে।\"'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb4d2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সাম্প্রদায়িকতা এবং সংখ্যালঘু সংকট',\n", " 'seo_url': 'সাম্প্রদায়িকতা-এবং-সংখ্যালঘু-সংকট',\n", " 'description': 'রবীন্দ্রনাথ মানবধর্ম ও মানুষের সৌন্দর্য তৃষ্ণার শ্রেষ্ঠ বাঙালী প্রতিভূ এবং এ পথেই তিনি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিশারী। রবীন্দ্রনাথের এ আবির্ভাব হঠাৎ হয়নি, এর পেছনে রয়েছে পাঁচ হাজার বছরের ভারতীয় সভ্যতা, দর্শন ও সংস্কৃতির বিবর্তন চেতনা যা মোগল যুগে একটি সার্বজনীন পরিণতি লাভ করে। রবীন্দ্রনাথের জীবন দর্শন ও তাঁর সুন্দরের সাধনার অনেক উপাদানই মোগন দর্শন ও সংস্কৃতিসঞ্জাত। এই গ্রন্থে লেখক মোগল দর্শন ও সংস্কৃতির সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সেই সম্পর্ক সন্ধানে নিয়োজিত হয়েছেন।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb500',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'যশোরে সরোবরে',\n", " 'seo_url': 'যশোরে-সরোবরে',\n", " 'description': 'ভূমিকা ঢাকার বাইরে যাওয়ার কথা শুনলে সবসময় আমি উৎসাহিত হই। কিন্তু এই প্রথম মনে হচ্ছে, ছোটকাকুর সঙ্গে ঢাকার বাইরে না যেতে পারলেই বোধহয় খুশি হই। সকাল থেকেই দেখছি, শরিফ সিঙ্গপুরি বেশ কয়েকবার তার ঘর থেকে ছোটকাকুর সঙ্গে কতা বলে যাচ্ছেন। সব কথাবার্তা আমার কানে না এলেও বুঝতে পারছি শরিফ সিঙ্গপুরি কোনো একটা সমস্যায় পড়েছেন, সেটাই সমাধানের চেষ্টার করছেন। একটু আগে শরিফ সিঙ্গাপুরি চতুর্থ বারের মতো ছোটকাকুর কাছ থেকে কথা বলে বেরিয়ে গেছেন। আমি কাজী আনোয়ার হোসেনের কুয়াশা-সমগ্র বইটা পড়ার চেষ্টা করছিলাম। শহিদ আর কামাল নামের দুজন গোয়েন্দা কঠিন কঠিন রহস্য কীভাবে উদ্\\u200cঘাটন করেন সেই গল্পই বইটাতে লেখা রয়েছে। বিই পড়ার মধ্যে আড় চোখে আমি শরিফ সিঙ্গপুরির এই আসা-যাওয়া দেখছিলাম। কিন্তু কী কারণে তার ছোটকাকুর কাছে এতবার আসা-যাওয়া সে রহস্য ভেদ করতে পারছিলাম না। -সকাল থেকেই চারবার শরিফ সিঙ্গাপুরি তোমার কাছে এলো। আবার কি আসবে? -মনে হয় আবার আসবে। -বড় কোনো সমস্যা? -সমস্যা না হলে কেউ কি আজকাল আর আমার কাছে আসে? - তাই বলে শরিফ সিঙ্গপুরি? কেন? শরিফ সিঙ্গাপুরির সমস্যা থাকতে পারে না? থাকতেই পারে। কিন্তু তাই বলে সেই সমস্যা নিয়ে তোমার সঙ্গে আলাপ কার কী আছে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb578',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বুড়ি গোয়ালীনি',\n", " 'seo_url': 'বুড়ি-গোয়ালীনি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলবর্তী সুন্দরবন নামে যে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট তার ইকোলজিতে মানুষ, জীবজন্তু, পশুপাখি, বৃক্ষলতাগুলো, মাটি এবং পানির সহাবস্থান প্রাচীনকাল থেকে। এই সহাবস্থানে শান্তি বিঘ্নিত হতে শুরু করে যখন মানুষ এই অরণ্যের ইকোলজিতে ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্থ হয়, এমন ভাবে অনুপ্রবেশ ও হস্তক্ষেপ শুরু। অধুনা এই নেতিবাচক প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রতিক্রিয় যা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের অন্যতম পৃথিবীর এই বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের ভবিষ্যৎ বিপন্ন করে তুলেছে। সুন্দরবনের এই বৃহৎ ক্যানভাসের পটভূমিতে উপন্যাসে বিধৃত হয়েছে একটি বিশেষ শ্রেণীর জীবনযাপন ও তাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কের নানা দিক। যে আর্থ-সামাজিক পরিবেশে তারা অস্তিত্ব টিকেয়ে রাখার সংগ্রামে লিপ্ত তার ওপরেও আলোকপাত করেছে তাদের এই কাহিনী। মৌচাক ভেঙ্গে যারা প্রতিবছর বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে মধু সংগ্রহ করে সেই মৌয়ালদের জীবন নিয়ে এই লেখায় ক্ষুদ্রের মধ্যে রয়েছে বিশালতার ব্যাপ্তি। একটি মৌয়াল দলের মধু সংগ্রহের অভিযানের ভেতর ফুটে উঠেছে তাদের জীবন সংগ্রামের কষ্ট, সহিষ্ণুতা এবং বৈরি পরিবেশে সাহস ও বীরত্বের দৃষ্টান্ত। পাশাপাশি দেখানো হয়েছে মধু মৌমাছিদের অবিশ্বাস্য যূথবদ্ধ জীবনের বিচিত্র সব দিকে যার সমন্বয়ে মধু সংগ্রহ হয়ে উঠেছে অল্প মধুর এক কাহিনী। মানুষ, প্রকৃতি আর জীবজন্তুর বাঁচার লড়াইয়ে সবাইকে চরম মূল্য দিতে হয় কখনো কখনো। মৌয়ালদের এবং মধু মৌমাছিদের নিয়ে লেখা এটাই প্রথম উপন্যাস বাংলায় যা পাঠকের কৌতূহল সৃষ্টি করবে তাদের সম্বন্ধে আরোও বিষদবাবে জানতে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb582',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কেউ খুঁজেছিল আলো (সিটি-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত)',\n", " 'seo_url': 'কেউ-খুঁজেছিল-আলো-সিটি-আনন্দ-আলো-সাহিত্য-পুরস্কারপ্রাপ্ত',\n", " 'description': 'গল্পটা খুব অসাধারণ। খুব খুব সাধারণ। সাধারণ একটা মেয়ের সাধারণ গল্প। এরকম মেয়ে হয়তো আমাদের আশে-পাশে ভুরি ভুরি আছে। একটি মেয়ে-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, প্রেমে পড়ে, বিয়ে করে, তারপর তার স্বপ্নভঙ্গ হয়। এ-নিয়ে উপন্যাস লিখে ফেলার হয়তো কিছু নেই। গল্পে কোন গিমিক নেই, নতুনত্ব নেই। এরকম গল্প হয়তো আরও বড় বড় অনেক লেখক অনেকবার লিখেছেন। তবুও। তবুও এই গল্পটি একটু আলাদা? অন্ধকারে বন্ধ করে কারও কি কান্নার শব্দ শোনা যায়? একটা ভিন্নরকম সে ক্রন্দরের সুরং তা আবিষ্কার করার ভয় অসহায়ের মতো পাঠকদের উপরই ছাড়ছি। সবাই তো আর বনলতা সেন হন না, রুবি রায়ও হননা। এমনকি কৃষ্ণকলির মতো কালো হরিণ চোখই বা কজনের হয়? কজন হন অপর্ণা সেন বা কিরণ বেদীর মতো সফল নারী? তাহলে কী থাকা নিতান্তর সাধারণ- ম্যাড়ম্যাড়েদের গল্প কেউ বলবে না? আর আরেকটি কথা, মানুষের লড়াইয়ের গল্প তো আসলে কখনও পুরনো হয় না। সেই ভরসাতেই এ উপন্যাসের সূচনা। অস্বীকার করব না, আছে ব্যক্তিগত কিছু কাতরতাও।'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb584',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমেরিকার ধুসর গৌধুলী',\n", " 'seo_url': 'আমেরিকার-ধুসর-গৌধুলী',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বুলবুল সিনহা আমেরিকা প্রবাসী লেখক। তার ‘আমেরিকা ধূসর গোধূলী’ একটি ভিন্ন মাত্রার প্রেম কাহিনী। অভিজ্ঞতার কাহিনী। আমেরিকার প্রাচীন রেড ইন্ডিয়ান আর আমিশ সম্প্রদায়ের দুটো পরিবারকে কেন্দ্র করে এই কাহিনী। এখানে উঠে এসেছে আমিশ আর রেড ইন্ডিয়ানদের নৃ-তাত্ত্বিক জাতিসত্ত্বার বিলুপ্তির ইতিহাস। আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া অঞ্চলের আমিশ সম্প্রদায়ের তরুণী জেনিকা আর অ্যারিজনার গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের রেড ইন্ডিয়ান সম্প্রদায়ের তরুণ অ্যালেনকে নিয়ে এই কাহিনী সূত্রপাত হলেও এই লেখায় উঠে এসেছে হলিউড, অক্সানাড সি বীচ সহ আমেরিকার নানা ঐতিহাসিক স্থান। ঘটনা আর নানা অনুষঙ্গ। লেখক বুলবুল সিনহা নব আঙ্গিকে এই উপন্যাস পাঠকদের নিয়ে যাবে অন্য ভূবনে। আফাজ উদ্দিন আহমেদ বি,এ (অনার্স), এম, এ (বাংলা)- জাবি এম, এ (বাংলা)-এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, ঢাকা।'},\n", " {'product_id': '5a82e201beb4177e4c32b735',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রবন্ধ সংগ্রহ',\n", " 'seo_url': 'প্রবন্ধ-সংগ্রহ-103',\n", " 'description': 'সূচিপত্র সাহিত্য *জয়দেব *সনেট কেন চতুদর্শপদী *বঙ্গ সাহিত্যের নবযুগ *সবুজ পত্রের মুখপত্র *সবুজ পত্র *সাহিত্যসম্মিলন *বস্তুতন্ত্রতা বস্তু কি *অভিভাষণ *সাহিত্যে খেলা *বর্তমান বঙ্গসাহিত্য *ফরাসি সাহিত্যের বর্ণপরিচয় *বাংলার ভবিষ্যৎ *বই পড়া *রামমোহন রায় *বীরবল *মহাভরত ও গীতা *চিত্রাঙ্গদা *ভারতচন্দ্র *কাব্যে-অশ্লীলতা-আলংকারিক মত *হর্ষচরিত *পাঠন-বৈষ্ণব রাজকুমার বিজুলি খাঁ ভাষার কথা *কথার কথা *বঙ্গভাষা বনাম বাবু-বাংলা ওরফে সাধুভাষা *সাধুভাষা বনাম চলিত ভাষা *আমাদের ভাষাসংকট ভারতবর্ষ *ভারতবর্ষের ঐক্য *ভারতবর্ষ সভ্য কি না *ভারতবর্ষের জিয়োগ্রাফি *অনু-হিন্দুস্থান সমাজ *তেল নুন লকড়ি *তরজমা *বর্তমান সভ্যতা বনাম বর্তমান যুদ্ধ *নুতন ও পুরাতন *রায়তের কথা *বাঙালি-পেট্রিয়টিজ্\\u200cম্\\u200c *পূর্ব ও পশ্চিম *ইউরোপীয় সভ্যতা বস্তু কি বিচিত্র *আমরা ও তোমরা *খেয়ালখাতা *মলাট-সমালোচনা *‘যৌবনে দাও রাজটিকা’ *বর্ষার কথা *প্রত্নতত্ত্বের পারশ্য-উপন্যাস *সুরের কথা *রূপের কথা *ফাল্\\u200cগুন *প্রাণের কথা *বর্ষা *প্রকাশনির্দেশ *প্রমথ চৌধুরীর গ্রন্থসূচী *স্বীকৃতি'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb59c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচার: বিভ্রান্তি ও চক্রান্ত',\n", " 'seo_url': 'যুদ্ধাপরাধীদের-বিচার-বিভ্রান্তি-ও-চক্রান্ত',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * যুদ্ধাপরাধীদের বিচার : বিভ্রান্তি ও চক্রান্ত * খালেদা জিয়ার যুদ্ধাপরাধীতত্ত্বের শানে নুজুল * বিজয়ের মাসে জামায়াতের ঔদ্ধত্য ও উন্মাদনা * যুদ্ধাপরাধীদের বিচার : অব্যাহত ষড়যন্ত্র * ‘৭১-এর গণহত্যার বিচার, ‘৭২-এর সংবিধান এবং আগস্ট ট্র্যাজেডি : সরকার ও নাগরিক সমাজের করণীয় * যুদ্ধাপরাধীদের বিচার : পর্বতপ্রমাণ প্রতিবন্ধকতা * বিভ্রান্তি ও ষড়যন্ত্রের দোলাচলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার * যুদ্ধাপরাধদের বিচার এবং ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানে প্রত্যাবর্তন সভ্যতার দাবি * ঢাকার ত্রি-মহাদেশীয় সম্মেলন : ‘৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং আন্তর্জাতিক জনমত * আমরা সবাই ক্ষুব্ধ * যুদ্ধাপরাধের বিচার : সরকার, রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজের ভূমিকা * যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের বহুমাত্রিক চক্রান্ত * মন্ত্রীদের অজ্ঞতা এবং আমাদের বিড়ম্বনা * খালেদা জিয়ার পথের কাঁটা * পরিশিষ্ট-১ : সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রেসনোট * পরিশিষ্ট-২ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কে ৭ মস্ত্রীকে লেখা চিঠি'},\n", " {'product_id': '5a82dedcf198d8fc483cb5b2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রচনাবলী-৪',\n", " 'seo_url': 'রচনাবলী-৪',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রচনাবলীর ৪র্থ খণ্ডে আমি আমার আত্নজীবনীমূলক লেখাগুলিকে জায়গা করে দিয়েছি। এর মধ্যে প্রধান রচনা ‘আমার চলার পথে’ স্বতন্ত্র বই হিসেবে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়-২০০৫ সালে। কোনও পরিবর্তন ছাড়াই বইটি এখন রচনাবলীর অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে। ‘আমেরিকার ডায়েরী’ প্রথম প্রকাশিত হয়, ‘প্রবাশে প্রতিদিন’ এর অংশ হিসেবে, একই জাতীয় ‘শান্তিনিকেতনে তিনমাস’ ‘উজবেকিস্তান বুলগেরিয়া ও ‘চীনের চিঠি’ এই তিনটি রচনা ২০০১ সালে । এই শেষের চারটি রচনা আমার বিদেশবাসের সময় রচিত । ৪র্থ খণ্ডে সবগুলি রচনাই আমাকে নিয়ে, এখানেই তারা একসূত্রে বাঁধা। আমার আত্নজীবনী সম্পূর্ণতা লাভ করেছে এই কয়টি বিচ্ছিন্ন রচনার মাধ্যমে।'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb5ea',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নির্বাচিত প্রবন্ধ',\n", " 'seo_url': 'নির্বাচিত-প্রবন্ধ',\n", " 'description': 'ভূমিকা আমর বহু প্রবন্ধ-নিবন্ধ পত্র-পত্রিকা ছাপা হয়েছে। তারই একটি সংগ্রহন এই পুস্তক। এ বই পাঠককে আকৃষ্ট করতে পারবে, সে আশা নিয়েই প্রকাশক আমার কাছ থেকে পাণ্ডুলিপি নিয়েছেন। আশা করা হয়েছে যে, কাল তারিখ না থাকলেও পাঠক নিদ্দিষ্ট সময়কে নিদ্ধারণ করতে পারবে। প্রবন্ধের বৈশিষ্ট্য রক্ষা করে চলমান বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদকে কেন্দ্র করে এই সব প্রবন্ধ দ্রুত পঠনের জন্যে লেখা হয়েছিল। প্রাচীন পদ্ধতির প্রবন্ধ বা নিজস্ব একে বলা যাবে না। সাধারণ মানুষের বোধগত ভাষায় সর্বপ্রকার জটিলতা পরিহার করে এই পুস্তকের প্রবন্ধগুলো। এতে অনেক প্রবন্ধ আছে, যা ক্ষণস্থায়ী প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। এই ক্ষণস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী প্রতিক্রিয়াই লেখক চেয়েছেন। আধুনিক পৃথিবী যুদ্ধ বিগ্রহের যুগ এবং সচেতন মানুষের অধিকার আদায়ের সময়। বহু অচেতন জাতি বা গোষ্ঠি তাদের অধিকার অর্জনের সংগ্রামে লিপ্ত। বদলে যাওয়া পৃথিবীর আমরা এক নতুন ক্রান্তি কালে আমরা বাস করি। পৃথিবীর এই নতুন অধ্যায়ে চতুদ্র্দিকে লক্ষ রাখতে হয়। এখন আর কেবল নিজের কথাটাই প্রধান নয়। এক দিকে অর্থনৈতিক অবস্থা মানুষকে পৃথক সত্ত্বার দিকে টানে, অপর দিকে জগতের অনিবার্য আকর্ষণ মানুষকে শাশ্বত ঐক্যের দিকে নিয়ে যায়। যথা সম্ভব দৃষ্টি রাখা হয়েছে মানুষের এসমস্ত বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞানের দিকে। ফয়েজ আহ্\\u200cমদ'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb62c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাংলাদেশে জঙ্গী মৌলবাদ',\n", " 'seo_url': 'বাংলাদেশে-জঙ্গী-মৌলবাদ',\n", " 'description': 'মুক্তিযুদ্ধের অহংকার ও বিপর্যস্ত চেতনা'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb63c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নিরাবরণ কণ্যার গল্প অল্প',\n", " 'seo_url': 'নিরাবরণ-কণ্যার-গল্প-অল্প',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ৭টি গল্পই চিত্রকলার একজন শিল্পীকে ঘিরে। প্রধান চরিত্ররা চিত্রকলা তথা শিল্পকলার প্রতিষ্ঠান ও শিল্পকলা বিষয়ক বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। ‘ফরাজী আলী’, ‘ ক্যানভাস মঞ্চের নায়ক, গল্পটি লেখা হয়েছিল ১৯৭৭ সালে। সেই সময়ে ‘সচিত্র সন্ধানী’ পত্রিকার বিশেষ সংখ্যায় গল্পটি প্রকাশিত হয়। বাকি গল্পগুলো ২০০২ থেকে ২০০৬ এর মধ্যে রচিত। ‘কৃষ্ণসাগর কন্যা’ গল্পটি পাক্ষিক অনন্যার বিশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। অন্য ৫টি গল্প প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক ২০০০-ঈদ সংখ্যায় বাংলা নববর্ষ সংখ্যায়। গল্পগুলো অনেকাংশেই বাস্তব ঘটনা ও ইতিহাস আশ্রয়ী। গল্পের বই-চিত্র (ইলাষ্ট্রেশন) জলরঙের কালো কালিতে আঁকা। সূচিপত্র নিবাবরণ কন্যার গল্প অল্প গ্রন্থে মোট সাতটি গল্প * ফরাজী আলী : ক্যানভাস মঞ্চের নায়ক * কৃষ্ণসাগর কন্যা * ফূলজান : ক্যানভাস মঞ্চের নায়িকা * পাখি বেগম * শ্যামদেশ কন্যা নিঈ * ইভা এন্\\u200cস্\\u200cকোভা * নিবাবরণ কন্যার গল্প অল্প'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb644',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রাচীন ইতিহাসের খোঁজে',\n", " 'seo_url': 'প্রাচীন-ইতিহাসের-খোঁজে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আলী ইমাম এবং শিশু সাহিত্য-দুটোই সমার্থক। প্রায় ৪০ বছর ধরে নিরন্তর স্বপ্নবিলাসী শিশুসাহিত্য রচনার এক দক্ষ রাজকুমার তিনি। শিশুমানস, শিশুজগত, শিশুকল্পনাকে ধারণ করে বহু বিচিত্র রচনা সম্ভারে সমৃদ্ধ করেছেন তিনি বাংলা শিশুসাহিত্য। চিরায়ত রচনাভঙ্গি, ধ্রুপদ কাহিনী নির্মাণ এবং ক্লাসিক্যাল শিশুসাহিত্যের মর্মকে তিনি কর্মে রূপান্তর করেছেন। দুই শতাধিক গ্রন্থের আয়নায় আলী ইমামকে প্রতিবিম্বিত করলে বিস্মিত হতে হয়। শিশুসাহিত্য জগতের যাবতীয় অনুষঙ্গ ও কলকজ্বাকে সযত্নে তিন আত্মস্থ করেছেন।শব্দজালে বন্দি করেছেন মধুর রূপকল্পনাকে।আলী ইমাম সেই বিরল বাক্য শ্রমিকদের একজন-ত্যাগ ও মোহের ছলনে যিনি শিশুসাহিত্যের স্বপ্নময় পথ থেকে কখনই সরে দাঁড়াননি।কমপ্লিট শিশুসাহিত্যিক বলতে যা বোঝায় আলী ইমাম তারই স্বয়ম্ভু প্রতীক। শুধুই অর্থহীন কল্পনার উড্ডীন ফানুস নয়, আলী ইমামের রচনা বাস্তব পৃথিবীর ধুলিকণাকেও স্পর্শ করেছে। আলী ইমামের মূল ক্ষেত্র গদ্য রচনা।গল্প, উপন্যাস, ফিচার, ভ্রমণকাহিনী, বিজ্ঞানবিষয়ক রচনা, প্রবন্ধ-বিন্দু বিন্দু বহু রত্নকণায় তিনি আমাদের শিশুসাহিত্যকে পত্র-পুষ্প-পল্লবে সজ্জিত করেছেন। আলী ইমাম নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন স্বাধীনতার-পরবর্তী সময় থেকে। নিষ্ফলা, অনুর্বর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিভাবহীন, আমাদের শিশুসাহিত্যকে তিনি সাবালক করেছেন। অজস্র, অবিরাম, ক্লান্তিহীন রচনা তার।দূর লক্ষ্যপানে একাকী অভিলাষী যাত্রা তার।আলোর মশাল হাতে, গভীর ও সুপ্তি-ভাঙানিয়া, তিমিরবিদারী অভ্যুদয়ের জীবন-মগ্নতায় শিশুচৈতন্যকে যিনি লালন করেন, তার মতো সার্থকনামা শিশুসাহিত্যিক সমগ্র বাংলাসাহিত্যের প্রেক্ষাপটের খুঁজে পাওয়া ভার।দ্বিধাহীন বাক্যে লেখা যায়, আলী ইমাম একমেবাদ্বিতীয়ম। সূচিপত্র *ইজিয়ান সভ্যতা *প্রাচীন রোম *মধ্যপ্রাচ্য *প্রাচীন ইউরোপ *আফ্রিকা *আমেরিকা *ওসানিয়া'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb694',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নির্বাচিত প্রবন্ধ',\n", " 'seo_url': 'নির্বাচিত-প্রবন্ধ-100',\n", " 'description': 'আধুনিকতা, লোকযাত্রা ও সংস্কৃতির রূপান্তর'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb696',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উনিশ শতকে বাংলাদেশের সংবাদ-সাময়িকপত্র - ১৩তম খণ্ড',\n", " 'seo_url': 'উনিশ-শতকে-বাংলাদেশের-সংবাদ-সাময়িকপত্র---১৩তম-খণ্ড',\n", " 'description': 'নতুন পরীক্ষা পদ্ধতির আলোকে স্কুল পর্যায় ও স্কুল পর্যায়-২, 14th NTRCA বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি টেস্ট (বিগত বছরের প্রশ্নোত্তর, শর্টকাট সাজেশান ও মডেল টেস্ট)। সূচিপত্র: ১৩-তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা -২০১৬ সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ১২-তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা - ২০১৫ ১১-তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা – ২০১৪ ১০-তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা – ২০১৪ ৯-তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা – ২০১৩ ৮ম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা – ২০১২ ৭ম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা – ২০১১ ৬ষ্ঠ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা – ২০১০ ৫ম-১ম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (২০০৯ – ২০০৫) বাংলা ইংরেজি গণিত সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) ভূগোল পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দৈনন্দিন বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন, জীব ও আধুনিক বিজ্ঞান) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি আপডেট মডেল টেস্ট (১—২৫)'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb698',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং জামায়াতের অপরাজনীতি',\n", " 'seo_url': 'যুদ্ধাপরাধীদের-বিচার-এবং-জামায়াতের-অপরাজনীতি',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * হত্যা নির্যাতন ও রাষ্ট্রীয় আমানত খেয়ানতের দায় ইয়াজউদ্দিনের অব্যহতি নেই * উত্তরবঙ্গের নিরব দুর্ভিক্ষ ও জরুরি অবস্থা * ডঃ ফখরুদ্দীনের ভাষণ এবং সরকারের জঙ্গীদমন কার্যক্রম * জনসম্পদ দখল ও লুণ্ঠনের সংস্কৃতি * সেনাপ্রধানের সাহসী উচ্চারণ জাতিকে আশান্বিত করেছে * আল্লাহর ওয়াস্তে আল্লাহকে নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করুন * যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বললে জামায়াত কেন উন্মাদ আচরণ করে * সর্বজনীন স্বীকৃত ঐতিহাসিক ভুলের পুনরাবৃত্তি কনে বার বার হবে * যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং সরকারের ভেতরের সরকার * জামায়াতীদের সরলতা ও মিথ্যাচার * জামায়াতের জঙ্গী সম্পৃক্তি ও দুর্নীতির আর কত প্রমাণ চাই * জামায়াতের দুর্নীতি ও দুষ্কর্মের দায় কেন সরকার নেবে * জঙ্গীদের জিজ্ঞাসাবাদের বিবরণ প্রকাশ করা হোক * আমরা কোথায় চলেছি? * পথহারা পাখিদের মিলনমেলা * জাহানারা ইমাম এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন * মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদাঃ উচ্চতর আদালত এবং সরকারের দায়বদ্ধতা * ২১ আগস্টের ধারাবাহিকতা * জরুরি অবস্থাকে ‘না’ বলবার সময় এসে গেছে * আবারও সেই কষ্টকল্পিত উদ্ভট কাহিনী * যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং নির্বাচন কমিশন * শুধু সংবাদপত্র নয় দেশের জন্যও অশনি সংকেত * বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নেই? * বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের জেহাদ অব্যহত * মুজাহিদদের ধৃষ্টতা এবং সরকারের অবস্থান * জামায়াত মনে করে আমরা এখনও ‘৭১-এ আছি * যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে ও বিপক্ষে * যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন : কিছু প্রশ্ন ও কিছু বিভ্রান্তি * বিজয়ীর কণ্ঠে যখন পরাজয়ের গ্লানি * জামায়াতের মিথ্যাচারের নিত্য নতুন রেকর্ড * জামায়াত ও জঙ্গীদের কোনঠাসা হওয়ার বছর'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb69c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি',\n", " 'seo_url': 'বৈশ্বিক-ও-আঞ্চলিক-প্রেক্ষাপটে-বাংলাদেশের-অর্থনীতি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলাদেশের সমস্যা অনেক। এদেশের প্রধান সমস্যাগুলোর অন্যতম হলো দারিদ্র ও বেকারত্ব। বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে বিভিন্ন সমস্যা। এসকল সমস্যা দূরীকরণের জন্য প্রয়োজন যথাযথ পরিকল্পনা ও তার সঠিক প্রয়োগ। এদেশের রয়েছে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ। এর সিংহভাগই এখনো অনাহরিত। একদিকে বাংলাদেশে যেমন আছে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক সম্পদ তেমনি অন্যদিকে আছে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অপুষ্টি ও নিরক্ষরতার মতো দুষ্টু চক্রের নিগুঢ় বন্ধন। এসকল কারণেই মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়টি এখনো রয়েছে অবিকশিত। দেশের অর্থনীতির উপর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা এবং এর সমাধানের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ও গৃহীত পদক্ষেপ এবং বিবেচ্য ব্যবস্থার আলোকে রচিত এ-গ্রন্থ। সূচি * ঢাকায় দাতা গোষ্ঠীর বৈঠক-’৯৭: সাহায্য উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে স্থিতিশীলতা অবশ্যক * সংস্কারের প্রতি অঙ্গীকার ও বাস্তবায়নে দৃঢ়তা বাংলাদেশের কনসোর্টিয়াম সাহায্য প্রাপ্তির ব্যারোমিটার * কনসোর্টিয়াম বৈঠক ও বিবেচিতব্য বাংলাদেশ-এর আর্থ-সামাজিক অবস্থান * আই এম এফ-এর শর্ত : ইসাফ তহবিলের সাহায্য : সংস্কার কর্মসূচির দ্রুত বাস্তবায়ন অত্যন্ত আবশ্যক * ঢাকা বিনিয়োগ সম্মেলন : সরকার ও বিরোধঢী দলের ঐকমত্য বিদেশী বিনিয়োগের সহায়ক * বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি শিল্পায়ন ও উন্নয়নের সহায়ক * বিদ্যুৎখাত বেসরকারী করণ নীতি শিল্পায়নের সহায়ক হতে পারে * বিদ্যুৎ সংকট : জন জীবন ও জাতীয় অর্থনীতি হুমকির সম্মুখীন * জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি : ‘ক্রলিং পেগ’ নীতি অসুরণ বাঞ্চনীয় ছিলো * ইসি’তে হিমায়িত চিংড়ি নিষিদ্ধ : বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ব্যাপক হ্রাস পাবে * শিল্পের গতিময়তার জন্য রুগ্ন শিল্পকে বাঁচিয়ে তোলা দরকার * জি এস পি ভুয়া সার্টিফিকেট বাতিল : বিজিএম ইএ’র দ্বৈত ভূমিকা প্রশ্ন স্বাপেক্ষ * বাটেক্সপো : পোশাক শিল্পের বিকাশ : বিজিএম ইএ’র দ্বৈত ভূমিকা প্রশ্ন স্বাপেক্ষ * একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেসরকারীকরণ : গতিশীলতায় বিশ্বব্যঅংকের সুপারিশ * জিএসপি সংকটের সুরাহা ও বিশ্ব ব্যাংকের আংশকা * পোশাক শিল্প বিপর্যয়ের মুখ : ইসি’র শর্ত : জি এস পি সার্টিফিকেট ও ইপিবি’র দৌরাত্ম্য * টাকার অবমূল্যায়ন : পোশাক রফতানি হ্রাস : বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ : সার্বিক অর্থনীতি চাপের মুখে * ব্যাংকিংখাতে বিশৃংখলা : বিনিয়োগে বাধার সৃষ্টি * ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলাতা দূরীকরণ আবশ্যক * টাকার অবমূল্যায়ন : পোশাক রফতানি হ্রাস : বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ * কৃষি জাত সামগ্রীর সংরক্ষণ : ন্যায্য মূল্য : কৃষকের ভবিষ্যৎ * নুন আনতে পান্তা ফুরায় : পাট নিয়ে অপেক্ষার সময় কৈ! * পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে বিপর্যস্ত পাট খাতকে সহায়তা দেয়া আবশ্যক * ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে, বহে কি তা মৃদু লয়ে! * টাকার অবমূল্যায়ন : বিনিয়োগ-আমদানী-রফতানী’র ক্ষেত্রে সফলতা আনবে কি? * মৎস্য চাষকে শিল্পের মর্যাদা দেয়া আবশ্যক * আমাদের ক্রেতা স্বার্থ রক্ষার মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্যের গতি আনয়নে সহায়তা সম্ভব * ভারতের ভ্রান্ত ট্যারিফ নীতিতে আমাদের বাজার বিদেশী পণ্যে সয়লাব * আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে : ‘বাঘে-হিংসে’ অবাধ প্রতিযোগিতা হতে পারে * ভারতের আনফেয়ার ট্রেড * মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের অবৈধ শ্রমিক : শ্রম বাজার হুমকির সম্মুখীন * পর্যটন মাস উদযাপন : পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন : বেসরকারী খাতে ছেড়ে দেয়া আবশ্যক * শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত ও খেলাপি ঋণের প্রবাহ অবদমনে সুদের হার কমিয়ে আনা দরকার * দারিদ্র্য নিরসন ও উৎপাদন কার্যক্রমে গতিশীলতা প্রয়োজন * বাজার অর্থনীতি : আমাদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এর প্রভাব * সার্ক সদস্যদের মধ্যে সহয়োগিতা বৃদ্ধি পদক্ষেপ আবশ্যক * সাফটা’র সুবিধা অর্জনে প্রস্তুতি গ্রহণের আবশ্যকতা রয়েছে * আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অবসান বিনিয়োগে সহায়ক * কৃষিতে পরিবর্তন ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের সম্ভাবনা * গার্মেন্টস শিল্পের দীর্ঘ মেয়াদি স্বার্থে সুস্থ ট্রেড ইউনিয়নের পরিবেশ গ্রহণযোগ্য * জনসংখ্যা বৃদ্ধি জনিত ব্যাপক বেকার সমস্যাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় নেয়া আবশ্যক'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb6a0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রতিটি বল্লম প্রতিটি ইটপাথর জেগে উঠো',\n", " 'seo_url': 'প্রতিটি-বল্লম-প্রতিটি-ইটপাথর-জেগে-উঠো',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *তোমার মৃত্যুতে *মানুষের ভিড়ে *কবিতার ভাষ্য, টীকা *গতিতত্ত্ব *ভূমিপুত্র *সামনে *কলিকাল *সময় এলে *বিশ্বজগতে *ডায়েরি : মার্চ ২০০৬ *বুঝতে হবে *কোথায় যাচ্ছি *খোলা চোখে *সংপোননে *তমালছায়ায় *অপেক্ষা *অরণ্যভূমি *সহমরণ *বঙ্গবন্ধু *আলিজালি কথা *ওরে বিহঙ্গ *দেয়াল লিখন *মানুষ যখন *জাগৃতি *বৃত্তরেখায় *বাংলা ভাষায় *সুপার এইট *দোহারপাড়া *ট্রাজেডি *গ্রাম্যতা ছেড়ে *দূর ঘরে *বঙ্গসংস্কৃতি ইমেজ *সন্ত্রাস *সমকালতটে *রোডম্যাপ *আমার সঙ্গী *ধ্রুপদী ভিক্ষুনী *শব্দের প্রতীক *তাজমহল *আগুনের মধ্যে *নীলনকশা *ইন্টারনেট *প্রতিকৃতি উদ্\\u200cযাপিত দিনগুরি *সাগর *অন্তমিল *কালের মাত্রা *জবাসংকাশ'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb6a4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জিন্নাহ হতে ইয়াহিয়া মুজিব থেকে খালেদা জিয়া',\n", " 'seo_url': 'জিন্নাহ-হতে-ইয়াহিয়া-মুজিব-থেকে-খালেদা-জিয়া',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ যে ইতিহাস নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই। যে ইতিহাস নিয়ে সংসদে বাদ-প্রতিবাদ, সেই ইতিহাসের সময়কালের মধ্যেই আমার জন্ম ও বেড়েওঠা ১৯৪৭ থেকে ২০০৭ এই সময়ের মধ্যে আমরা দুবার স্বাধীনতা অর্জন করেছি। একবার ১৯৪৭-এ, আরেকবার ১৯৭১-এ। উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু। কানাডা থেকে অষ্ট্রেলিয়া। এশিয়া, ইউরোপসহ আমেরিকার বহুদেশ ভ্রমণের এক দুর্লভ সৌভাগ্য হয়েছে আমার। যেখানেই গিয়েছি, কোথাও দেখিনি সেসব দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অস্বচ্ছতা। তখনিই হৃদয়ে অনুভব করি দেশশাসনে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং রাজনৈতিক দলসমূহের ভূমিকার একটি সঠিক ইতিহাস চিত্রের অভাব। আগামী প্রজন্মের সামনে একটি সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার তাগিদ অনুভব করি হৃদয়ে।আর এজন্যই আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস।'},\n", " {'product_id': '5a82deddf198d8fc483cb6b4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': '১/১১ সুশাসন বিতর্ক',\n", " 'seo_url': '১১১-সুশাসন-বিতর্ক',\n", " 'description': 'এই গ্রন্থে এক/এগারোর আগে-পরের দিনগুলোর বিশ্লেষণ। এতে অন্তর্ভূক্ত লেখাগুলো দৈনিক প্রথম আলোতে \\u200dপ্রকাশের সময়ই ছিল তুমুলভাবে আলোচিত। জবাবদিহীমূলক শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো আগামীতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে তার অনেক কিছু বিশ্লেষিত হয়েছে এতে। শুধু সমকালীন রাজনীতির পর্যবেক্ষণ হিসেবে নয়, সুশাসন বিষয়ক চিন্তার ক্ষেত্রেও এই গ্রন্থটি তাই অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।'},\n", " {'product_id': '5a82dee0f198d8fc483cc66a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আলেকজান্ডারের দেশ এবং অন্যান্য',\n", " 'seo_url': 'আলেকজান্ডারের-দেশ-এবং-অন্যান্য',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আলেকজান্ডারের দেশে ইস্তাম্বুলে কয়েক দিন পর্যটক নগরী ভেনিস প্রিয় প্যারিস লন্ডন বারেবারে সূচিপত্র * আলেকজান্ডারের দেশে * ইস্তাম্বুলে কয়েক দিন * পর্যটক নগরী ভেনিস * প্রিয় প্যারিস * লন্ডন বারেবারে'},\n", " {'product_id': '5a82dee0f198d8fc483cc670',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দূরের দেশ কাছের দেশ',\n", " 'seo_url': 'দূরের-দেশ-কাছের-দেশ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই বইয়ের ছয়টি দেশের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে রূপায়িত করেছেন লেখক। দেশগুলো হলো প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়ন, সুইজারল্যান্ড, হল্যাণ্ড, ভারতের কেরালা প্রদেশ এবং ফিলিপিন্সের রাজধানীর ম্যানিলা। একটি দেশের নানা কিছু্ একজন লেখকের দৃষ্টিতে কেমন করে ফুটে ওঠে সে পাঠই ভ্রমণ -সাহিত্য পড়ার আনন্দ। ভ্রমণ সাহিত্য জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার \\u200dপরিপূরক।এ সাহিত্যে কল্পনার অবকাশ নেই -আছে মানুষ দেখা- জায়গা দেখা-জাদুঘর কিংবা বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কারের মুখোমুখি হওয়া, চাঁদ থেকে আনা পাথরের টুকরো ছুঁয়ে দেখা-হাজার বছর ধরে তৈরি হওয়া ক্রিস্টাল গুহা দেখা- আর সবচেয়ে বড় দূর দেশের ভিন্ন সংস্কৃতির , ভিন্ন ভৌগলিক পরিবেশের মানুষ দেখা। সেই সব মানুষের দৃষ্টি থেকে তার সংস্কৃতির ভেতরকার কিছু আবিষ্কার করা। তাই ভ্রমণ -সাহিত্যের স্বাদ ভিন্ন। দূর দেশকে দেখতে না পাওয়ার তৃষ্ণা মেটাবে। অন্য দেশের প্রকৃতি, মানুষ ,জাদুঘর,বিভিন্ন স্থান জানার জন্য তার কৌতূহল বাড়িয়ে দেবে। ভ্রমণের জন্য উদগ্রীব হবেন পাঠক, একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। সূচিপত্র * একটি অসাধারণ লটারি জেতা (ম্যানিলা) * স্বপ্নের রঙধনু (সোভিয়েত ইউনিয়ন) * মনোরম কো (সুইজাল্যান্ড) * বন্ধুত্ব, জাদুঘর ও ফুলের দেশ (হল্যান্ড) * নমপেন ; অ্যাংকর (কম্বোডিয়া) * কবি তুনচানের জন্মভূমিতে (কেরালা)'},\n", " {'product_id': '5a82dee0f198d8fc483cc67e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তারা তিনজন',\n", " 'seo_url': 'তারা-তিনজন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘তারা তিনজন’ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখার ইতিহাসটা বলি- স্টিমারের করে যাচ্ছি বরিশাল। সুন্দর কেবিন, বেশ ভাল ব্যবস্থা। রাতে ঘুমোতে যাবার সময় দেখি, কেবিনে আমি একা নই। প্রকাণ্ড এক মাকড়শা, বুকে ডিমের থলি নিয়ে এই কেবিনেই বসবাস করছে। ছুটে কেবিন থেকে বের হয়ে গেলাম। ব্যাখার অতীত কোনো এক কারণে মাকড়শা নামক নিরীহ প্রাণীটিকে আমি অসম্ভব ভয় পাই। কেবিনে ফিরে গেলাম না। রাত কাটিয়ে দিলা ডেকে হাঁটাহাঁটি করে। কিছু একটা নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্যে মাকড়শা নিয়ে একটা গল্প ভাবতে লাগলাম। পুরো গল্প মাথায় তৈরি হয়ে গেল। গল্পের পাত্র-পাত্রী তিনজন। তারা মানুষ নয়-অসম্ভব বুদ্ধিমান তিনটি প্রাণী-দেখতে মাকড়শার মতো। গল্পটি নিয়ে ভাবার সময় খুব আনন্দ পেয়েছি। লেখার সময়ও আনন্দ পেয়েছি। পাঠক-পাঠিকাদের এই খবরটা দেয়া জরুরি মনে করছি।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc6e0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নিভৃতে সেদিন',\n", " 'seo_url': 'নিভৃতে-সেদিন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ভার্সিটি পড়ুয়া দুই তরুণী-কাজল ও রাত্রি। দুজনের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব। তবে কাজল পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। সে পুরুষদের ঘৃণা করে। এর জন্য দায়ী হচ্ছে, কাজলের বাবা। তারই নির্মম অত্যাচারের শিকার হয়ে কাজলের মা মারা গেছে কাজলের ছোটবেলায়। তাই যখন ভার্সিটি পড়ুয়া এক তরুণ রাজন, প্রেমে পড়ে কাজলের এবং তাকে বিয়ে করতে চায়, তকন সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে কাজল। রাজন এই বিয়ের প্রস্তাব নিজে নয়, রাত্রির মাধ্যমে দিয়েছিল। রাত্রিরই প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত রাজনকে বিয়ে করতে রাজি হয় কাজল। তবে একটি শর্ত, আর তা হচ্ছে-রাজন কখনো তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। এদিকে বিয়ের রাতে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে রাত্রি। কেননা সে মনে মনে ভালোবাসে রাজনকে। হাসপাতালে ডাক্তারের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় রাত্রি মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসে। তারপর ভার্সিটি জীবন শেষে রাত্রি বেসরকারি সাহায্য সংস্থার একটি স্কুলে চাকরি নিয়ে দিনাজপুরে যায়। অন্যদিকে সিলেটে নিজেদের চা-বাগানে স্ত্রী কাজলকে নিয়ে বাস করতে থাকে রাজন। তারপর? কাজল কি স্বাভাবিক হয়? স্বাভাবিক দাম্পত্যজীবনে প্রবেশ করে? রাত্রির-ই বা কী হলো/ তার সঙ্গে কি রাজন ও কাজলের আর দেখা হয় নি.....?'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc6e4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি',\n", " 'seo_url': 'ওইখানে-যেয়ো-নাকো-তুমি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাবু’র জীবনে সেই কিশোর থেকে বারবার নারী এসেছে। এদের কাউকে সে মনে রেখেছে, কাউকে রাখেও নি। কিন্তু একজন? সেই একজনকে কি শত চেষ্টা করেও ভুলতে পারে বাবু? পারে না। কারণ আর কিছু নয় কারণ একটাই- সে ভালোবেসেছে, ভালোবেসেছে স্বাতী নামের সেই অনিন্দ্য সুন্দর। মেয়েটিকে। বাবুর অগোছালো জীবন পাল্টে দেয় স্বাতী। স্বপ্ন দেখে বাবু, নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন। তারপর.....?'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc708',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দুই রমণী',\n", " 'seo_url': 'দুই-রমণী',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ লুসি আর মিসেস আরেফিন, দুই প্রান্তের দুই রমণী। অভিন্ন তাদের দৈহিক পরিচয়, কিন্তু কতটাই না ভিন্ন তাদের হৃদয়-সত্তা। কেবল কি এখানেই তারা ভিন্ন? স্বপ্ন, অভিলাষ ও প্রতি মুহূর্তে বাস্তবতার অভিঘাতে ক্ষতবিক্ষত হবার ইতিহাসও কি এদের ভিন্ন নয়? জীবন ভিন্ন হতে পারে, জীবনের উপলদ্ধি ও অভিজ্ঞাতার নির্যাস কিন্তু অভিন্ন এই দু্ই রমণীরই। ভিন্ন ও অভিন্নতার সূত্রে গাঁথা এই উপন্যাস যুগল আনোয়ারা সৈয়দ হকের অকপট ও নিষ্করুণ কলমে হয়ে উঠেছে বিরূপ সময় ও বিরুদ্ধ সমাজে প্রতিটি নারীরই বেঁচে থাকার কাহিনী। বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে বিশিষ্ঠ নাম আনোয়ারা সৈয়দ হক মিসেস আরেফিন আর লিসার গল্প বলতে বলতে আসলে যা দেখিয়েছেন তা হচ্ছে-রমণী বা নারী বা মহিলা যে-নামেই তাদের ডাকা হোক না কেন, আসলে তারা আত্মমর্যাদায় ভূষিত ব্যক্তিই বটে। নারীর প্রেম, সংসার, পূর্ণতা ও মূল্যবোধ নিয়ে এমন কাহিনী সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল সৃষ্টি। পড়তে পড়তে উপন্যাস একসময় শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু পাঠকের মনের মধ্যে বহুদিন পর্যন্ত ভাস্বর হয়ে থাকবে মিসেস আরেফিন আর লিসা।'},\n", " {'product_id': '5a82e201beb4177e4c32b763',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চার অধ্যায়',\n", " 'seo_url': 'চার-অধ্যায়',\n", " 'description': 'ভূমিকা এলার মনে পড়ে তার জীবনের প্রথম সূচনা বিদ্রোহের মধ্যে। তার মা মায়ময়ীর ছিল বাতিকের ধাত, তাঁর ব্যবহারটাই বিচার-বিবেচনার প্রশস্ত পথ ধরে চলতে পারতো না। বেহিসাবি মেজাজের অষংযত ঝাপটা সংসারকে তিনি যখন-তখন ক্ষুব্ধ করে তুলতেন,শাসন করতেন অন্যায় করে, সন্দেহ করতেন অকারনে। মেয়ে যখন অপরাধ অস্বীকার করতো,ফস্,করে বলতেন,মিথ্যে কথা বলছিস। অথচ অবিমিশ্র সত্য –কথা বলা মেয়ের একটা ব্যসন বললেই হয়। এজন্যেই সে শান্তি পেয়েছি সব চেয়ে বেশি।সকল রকম অবিচারের বিরুদ্ধে অসহিষ্ণুতা তার স্বভাবে প্রবল হয়ে উঠেছে। তার মার কাছে মনে হয়েছে, এইটেই স্ত্রীধর্ম নীতির বিরুদ্ধ। একটা কথা সে বাল্যকাল থেকেই বুঝেছে যে, দুর্বলতা অত্যাচারের প্রধান বাহন। ওদের পরিবারে যে-সকল অশ্রিত অন্নজীবি ছিল ,যারা পরের অনুগ্রহ-নিগ্রহের সংকীর্ণ্ বেড়াদেয়া ক্ষেত্রের মধ্যে নিঃসহায়ভাবে আবদ্ধ, তারাই কলুষিত করেছে ওদের পরিবারের আবহাওয়াকে, তারাই ওর মায়ের অন্ধ প্রভুত্বচর্চাকে বাধাবিহীন করে তুলেছে।এ অস্বাস্থ্যকর অবস্থার প্রতিক্রিয়ারুপেই ওর মনে অল্প বয়স থেকেই স্বাধীনতার আকাঙ্খা এত দুর্দাম হয়ে উঠেছিল। এলার বাপ নরেশ দাশগুপ্ত সাইকোলজিতে বিলিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে এসেছেন।তীক্ষ্ণ তাঁর বৈজ্ঞানিক বিচার শক্তি,অধ্যাপনায় তিনি বিশেষভাবে যশস্বী।প্রাদেশিক প্রাইভেট কলেজে তিনি স্থান নিয়েছেন, যেহেতু সেই দেশেই তাঁর জন্ম, সাংসারিক উন্নতির দিকে তাঁর লোভ কম,সে সম্বদ্ধে দক্ষতাও সামান্য। ভুল করে কোন লোককে বিশ্বাস করা ও বিশ্বাস করে নিজের ক্ষতি করা, বারবারকার অভিজ্ঞতাতেও তাঁর শোধন হয়নি। ঠকিয়ে কিংবা অনায়াসে যারা উপকার আদায় করে তাদের কৃতঘ্নতা সব চেয়ে অকরুন। যখন সেটা প্রকাশ পেত সেটাক মনস্তত্বের বিশেষ তথ্য বলে মানুষটি অনায়াসে স্বীকার করে নিতেন, মনে বা মুখে নালিশ করতেন না। বিষয় বুদ্ধির ত্রুটি নিয়ে স্ত্রীর কাছে কখনও ক্ষমা পাননি।, খোটা খেয়েছেন তিনি। নালিশের কারণে অতীতকালবর্তী হলেও তাঁর স্ত্রী কখনো ভুলিতে পারতেন না, যখন –তখন তীক্ষ্ণ খোঁছায় উসকিয়ে দিতে তার দাহ কে ঠান্ডা হতে দেওয়া অসাধ্য করে তুলতেন। বিশ্বাসপরায়ণ ঔদার্য-গুনেই তাঁর বাপকে কেবলই ঠকতে ও দুঃখ পেতে দেখে বাপের উপর এলার ছিল সদাব্যথিত স্নেহ-যেমন সকরুন স্নেহ মায়ের থাকে অবুঝ বালকের ‘পরে। সব চেয়ে তাকে আঘাত করতো যখন মায়ের কলহের ভাষায় তীব্র ইঙ্গিত থাকত যে,বুদ্ধিবিবেচনায় তাঁর স্বামীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এলা নানা উপলক্ষে মায়ের কাছে তাঁর বাবার অসম্মান দেখতে পেয়েছে, তা নিয়ে নিষ্ফল আক্রোশে চোখের জলে রাত্রে তার বালিশ গেছে ভিজে। এরকম অতিমাত্র ধৈর্য অন্যায় বলে এলা অনেক সময় তার বাবকে মনে মনে অপরাধী না করে থাকতে পারে নি। অত্যন্ত পীড়িত হয়ে একদিন এলা বাবাকে বলেছিল,“এরকম অন্যায় চুপ করে সহ্য করাই অন্যায়”। নরেশ বললেন,“স্বভাবের প্রতিবাদ কারও যা আর তপ্ত লোহায় হাত বুলিয়ে তাকে ঠান্ডা করতে পাওয়াই তাই, তাতে বীরত্ব থাকতে পারে কিন্তু আরাম নেই।” “চুপ করে থাকাতে আরাম আরো কম”-বলে এলা দ্রুত চলে গেল। এদিকে সংসারে এলা দেখতে পায়, যারা মায়ের মন জুগিয়ে চলবার কৌশল জানে তাদের চক্রান্তে-নিষ্ঠুর অন্যায় ঘটে অপরাধহীনের প্রতি। এলা সইতে পারে না, উত্তেজিত হয়ে সত্য প্রমাণ উপস্থিত করে বিচার কত্রীর সামনে। কিন্তু কর্তৃত্বের অহবিকার কাছে অকাট্য যুক্তিই সুঃসহ স্পর্ধা। অনুকূল ঝোড়ো হাওয়ার মতো তাতে বিচারের নৌকা এগিয়ে দেয় না, নৌকা দেয় কাত করে। এই পরিবারে আরো একটি উপসর্গ ছিল যা এলার মন কে নিয়ত আঘাত করেছে। সে তার মায়ের সচিবায়ু। একদিন কোনো মুসলমান অভ্যাগতকে বসবার জন্যে এলা মাদুর পেতে দিয়েছিল-সে মাদুর মা ফেলে দিলেন। গালচে দিলে দোষ হতো না। এলার তার্কিক মন, তর্ক না করে থাকতে পারে না। বাবাকে একদিন জিজ্ঞাসা করলে,“আচ্ছা, এই সব ছোঁয়াছুয়ি নাওয়াখাওয়া নিয়ে কটকেনা মেয়েদেরই কেন এত পেয়ে বসে। এতে হৃদয়ের তো স্থান নেই, বরং বিরুদ্ধতা আছে, এ তো কেবল যন্ত্রের মতো অন্ধভাবে মেনে চলা। সাইকোলজিষ্ট বাবা বললেন,“মেয়েদের হাজার বছরের হাতকড়ি-লাগানো মন; তারা মানবে, প্রশ্ন করবে না-এইটেতে সমাজ-মনিবের কাছে বকশিশ পেয়েছে, সেই জন্য মানাটা যত বেশি অন্ধ হয় তার দাম তাদের কাছে তত বড় হয়ে ওঠে। মেয়েলি পুরুদেরও এই দশা।” আচারের নিরর্থকতা সম্বন্ধে এলা বার বার মাকে প্রশ্ন না করে থাকতে পারে নি, বার বার তার উত্তর পেয়েছে ভৎসনায়। নিয়ত এই ধাক্কায় এলার মন অবাধ্যকতার দিকে ঝুকে পড়েছে । নরেশ দেখলেন পাবিবারিক এই-সব দ্বন্দে মেয়ের শরীর খারাপ হয়ে উঠেছে, নেটা তাঁকে অত্যন্ত বাজল। এমন সময় একদিন এলা একটি বিশেষ অবিচারে কঠোর ভাবে আহত হয়ে নরেশের কাছে এসে জানাল,“বাবা, আমাকে কলকাতায় বোর্ডিঙে পাঠাও।” প্রস্তাবটা তাদের দুজনের পক্ষেই দুঃখকর, কিন্তু বাপ অবস্থা বুঝলেন এবং মায়ময়ীর দিক থেকে প্রতিকূল ঝনঝাঘাতের মধ্যেও এলাকে পাঠিয়ে দিলেন দূরে। আপন নিষ্করণ সংসারে নিমগ্ন হয়ে রইলেন অধ্যয়ন-অধ্যাপনায়। মা বললেন “শহরে পাঠিয়ে মেয়েকে মেম সাহেব বানাতে চাও তো বানাও, কিন্তু ঐ তোমার আদুরে মেয়েকে প্রাণান্ত ভুগতে হবে শ্বশুর ঘর করবার দিনে। তখন আমাকে দোষ দিয়ো না।” মেয়ের ব্যবহারে কলিকালোচিত স্বাতন্ত্র্যর দুর্লক্ষণ দেখে এই আশঙ্কা তার মা বার বার প্রকাশ করেছেন। এলা তার ভাবী শ্বাশুড়ির হাড় জ্বালাতন করবে সেই সম্ভাবনা নিশ্চিত জেনে সেই কাল্পনিক গৃহিণীর প্রতি তাঁর অনুকম্পা মুখর হয়ে উঠত। এর থেকে মেয়ের মনে ধারনা দৃঢ় হয়েছিল যে, বিয়ের জন্যে মেয়েদের প্রস্তুত হতে হয় আত্নসম্মানকে পঙ্গু করে, ন্যায়-অন্যায়-বোধকে অসাড় করে দিয়ে।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc716',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অন্ধ যোদ্ধা',\n", " 'seo_url': 'অন্ধ-যোদ্ধা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে সন্ত্রাস সমাজে আধিপত্য কায়েম করেছে মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময় থেকেই। এবাদ ডাকাত এই আধিপত্যের একটি নাম। গ্রামের সরল এক মুক্তিযোদ্ধা রূপান্তরিত হয়েছিল দুঃসাহসী অন্ধ যোদ্ধায়। সর্বহারা এবাদবাহিনীর লিডার হিসেবে উত্তরবঙ্গের মতো উত্থান ঘটেছিল এবাদ ডাকাতের। এ সময়ের শক্তিমান কথাশিল্পী মঞ্জু সরকারের দক্ষ হাতে ‘অন্ধ যোদ্ধা’ হয়ে উঠেছে যেমন সময়ের বিশ্বস্ত দলিল, তেমনি একজন এবাদ ডাকাতের উত্থান ও পতনের মর্মস্পর্শী করুণ কাহিনী। শ্রেণীশত্রু খতমের অভিযানে গিয়ে বড়বাড়ির চৌরি নিচে এবাদ আবিষ্কার করেছিল পলাতক কিশোরী মুক্তাকে। মুক্তার আতঙ্ক-বিহ্বল রূপ মুহূর্তের জন্য ভাবান্তর এনেছিল হিংস্র ডাকাত-সত্তায়। বরাভয় দিয়ে ভালবেসে চুম্বন করেছিল এবাদ সেই অনিন্দ্যসুন্দর কিশোরীকে। আন্ডারগ্রাউন্ড জীবনের এই মধুর স্মৃতিকে ভুলতে পারে নি এবাদ। জেল থেকে বেরুনোর পর যুবতী মুক্তার প্রতিবাদী রূপ দেখে মুক্তার প্রেমে অন্ধ এবাদ মুক্তাকেই জীবনসঙ্গী করার জন্য জীবনকে বাজি রেখেছিল। সন্ত্রাসী কায়দায় মুক্তাকে অপহরণ এবং বিয়েও করেছিল। কিন্তু মুক্তা মেনে নিতে চাইলেও সমাজ কি মেনে নিতে পারে এমন অসঙ্গত জবরদস্তিমূলক মিলন? চোখ উপড়ে নেওয়ার পরও এবাদ ডাকাত তাই এখনও মুক্তাকেই খুঁজে বেড়ায়......'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc748',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উপন্যাস সমগ্র-৭',\n", " 'seo_url': 'উপন্যাস-সমগ্র-৭',\n", " 'description': '‘বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ’ আমি প্রায় সাড়ে তিনশ’ বছরের সময়-চিত্রে উপস্থিত করেছি। সুদূর অতীতের কথা উপকথা কিংবদন্তি আর নিকট অতীতের রাজনীতি নিয়ে এর পরতে পরতে কাজ করেছি। উপন্যাস বলবার আঙ্গিকে ব্যবহার করেছি মিশ্র মাধ্যম বিভিন্ন উত্তম পুরুষ, তৃতীয় পুরুষ, ডায়রি, খবর কাগজের উদ্ধৃতি আমার কলমে এই প্রথম। আমার অন্যান্য সকল উপন্যাসের চেয়ে দীর্ঘই হয়েছে এ উপন্যাস। এর প্রথম পর্ব বর্তমান খণ্ডে গ্রথিত হলাে। দ্বিতীয় পর্ব পরের খণ্ডে থাকবে। ‘ইহা মানুষ’ বলেছে মানুষের মানবরূপ সংকটের কথা— এ এক আতংকতাড়িত মানুষের কথা বটে। চোখবাজি’-তে আমি বাস্তব ও কল্পজগতের ভেতরে দূরত্ব ঘুচিয়ে যে-গল্পটি বলে গেছি সেটিও আতংকতাড়িত একটি সময়ের কথা। আমার উপন্যাস সমগ্রের এই সপ্তম খণ্ডে গ্রথিত হলাে তবে বৃষ্টি বিদ্রোহীগণ’-এ রক্ষণশীল মুসলিম পরিবার থেকে এক বাঙালির উত্থানকথা। এবং ইহা মানুষ’ ও ‘চোখবাজি’তে সেই বাঙালিরই ভূমিতে অস্তিত্বের দু’টি আতংক কথা।'},\n", " {'product_id': '5a82e201beb4177e4c32b767',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কালান্তর',\n", " 'seo_url': 'কালান্তর',\n", " 'description': '৩২. সভ্যতার সংকট'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc752',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উপন্যাস সমগ্র-৪ (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'উপন্যাস-সমগ্র-৪-001',\n", " 'description': 'উপন্যাস মাধ্যমটিকে আমি বলি সৃজনশীল সাংবাদিকতা; একটি বিশেষ সময়, একটি বিশেষ স্থান সেই সময়কালে-- এরই পটভূমিতে জীবন ও অস্তিত্ব অনুভবের বিবরণই হচ্ছে উপন্যাস। সময় এবং স্থান যখন হয় ভিন্ন, তখন একই গল্প লেখার হলেও আর এক থাকে। ভিন্ন গল্প হয়ে যায়। যদি ওপর কাঠামােয় । বাঁধা ঘটনার সার বিবেচনা করি, তাহলে। দেখতে পাব— মানুষের গল্প অসংখ্য নয়; হাতে গােণা আট দশটি গল্পই বটে; কিন্তু তারা অজস্র হয়ে যায়, গণনার অসাধ্য হয়ে পড়ে, যখন গল্পের স্থান ও কাল বদলে যায়।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc76a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিচ্ছিন্নতার সত্য-মিথ্যা',\n", " 'seo_url': 'বিচ্ছিন্নতার-সত্য-মিথ্যা',\n", " 'description': \"ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ হুমায়ূন কবীর ঢালীর এযাবত যত ভৌতিক গল্প ও উপন্যাস লিখেছেন, সবগুলো এক মলাটে সংকলিত হয়ে 'ভূতসমগ্র'-এ ঠাই পেয়েছে। সংকলিত উপন্যাসগুলো হলোঃ পিচ্চিভূতের কান্ড, পিচ্চিভূতের সমুদ্রবিলাস, মউতবাড়ির প্রেতাত্মা। গল্পগ্রন্থ হচ্ছেঃ ভূতের ছাও, নীলচরের ভূত, মজার ভূত ভয়ের ভূত।\"},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc77c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাছাই গল্প',\n", " 'seo_url': 'বাছাই-গল্প',\n", " 'description': 'কথাসাহিত্যিকেরা সাধারণত ছােটগল্পে হাত পাকিয়ে উপন্যাস লেখায় মন দেন। এর অবশ্য ব্যতিক্রমও আছে। হুমায়ূন আহমেদ এই ব্যতিক্রমীদের দলে। ঔপন্যাসিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভের পর শুরু হয় তাঁর ছােটগল্প রচনার পালা। আর এও এক বিস্ময়কর সাফল্যের ইতিবৃত্ত। তাঁর প্রতিটি গল্পই একেকটি নিটোল নির্মাণ। ছোটগল্পের স্বল্প পরিসরে তিনি আলাে ফেলেছেন জগৎ ও জীবনের এদিক- ওদিক। আর প্রতিটি আলােকপাতেই উঠে এসেছে এই জীবনের, তা সে যত নিরানন্দই হােক, অনিন্দ্য সৌন্দর্য কিংবা শাশ্বত সত্যের ছবি। অনেকের অভিযােগ, হুমায়ূন আহমেদ শহুরে মধ্যবিত্ত জীবনেরই রূপকার। তাঁর উপন্যাসে সমাজের এই শ্রেণীটিরই প্রাধান্য। ছােটগল্পের ক্ষেত্রে কিন্তু এমন কিছু বলার উপায় নাই। সংকলিত পঁচিশটি গল্পের অন্তত বারােটি সরাসরি গ্রামভিত্তিক। সংখ্যাকে গুরুত্ব না দিলেও এ সত্য পাশ কাটিয়ে যাওয়ার উপায় নাই যে, হুমায়ূন আহমেদের গল্পে গ্রাম-জীবনের যে ছবি পাওয়া যায় তা যেমনি আন্তরিক তেমনি নিখুঁত। হুমায়ূন আহমেদের লেখালেখির একটা বড় অংশজুড়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ। এ উক্তি উপন্যাসের ক্ষেত্রে যেমন সত্য, তেমনি ছােটগল্পের বেলায়ও। এই সংকলনের পাঁচটি গল্পের উপজীব্য আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। হুমায়ূন আহমেদের অনুরাগী পাঠকেরা একটি তুলনামূলকভাবে ছােট সংকলনেই তাঁর বিচিত্র গল্পের পরিচয় ও স্বাদ পেতে পারেন, এমন একটা ধারণা থেকেই এ সংকলন। এখানে বলে রাখা প্রয়ােজন, তাঁর কোনাে গল্পই উপেক্ষাযােগ্য নয়। প্রতিটিই কোনো- না-কোনাে দিক থেকে দ্যুতিময়।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc782',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাংলাদেশের বন্য প্রাণী ও পরিবেশ',\n", " 'seo_url': 'বাংলাদেশের-বন্য-প্রাণী-ও-পরিবেশ',\n", " 'description': 'বইয়ের বর্ণনা বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ বিষয়টি অনেক বিস্তৃত। প্রত্যেকটি প্রাণীই একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে অবস্থান করে ঐ প্রতিবেশব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খাদ্যশৃঙ্খলে সুনির্দিষ্ট অবস্থানের কারণে যে কোন একটি প্রাণী ক্ষতিগ্রস্থ হলে গোটা পরিবেশের উপর নেমে আসে বিপর্যয়। কিন্তু বিভিন্ন প্রাণীর ভূমিকা সর্ম্পকে সঠিক জ্ঞানের অভাবে আমরা প্রতিনিয়ত এসব প্রাণীদের ধ্বংস করে চলেছি। এই বইয়ে মূলত পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থায় বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এদেশের বন্যপ্রাণীর প্রধান চারটি দল উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর উপকারী ভূমিকা সাধারণ পাঠকের উপযোগী করে তুলে ধরা হয়েছে। দারিদ্রতা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, শিল্প-কারখানার দূষণ বাংলাদেশের পরিবেশকে ক্রমান্বয়ে ক্ষতিগ্রস্থ করছে যার কারণে বিপন্ন হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। ফলে প্রাণীজগত হয়ে পড়ছে কোনঠাসা ও বিপদগ্রস্থ যা পৃথিবী থেকে তাদের বিদায়ের পথ তরান্বিত করছে। বাংলাদেশে বিপন্ন বন্যপ্রাণীদের তালিকা বেশ লম্বা এবং এই তালিকাটি ক্রমেই বড় হচ্ছে। উপযুক্ত গবেষণা ও তথ্যের অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয় না। সাধারণ জনগণের মাঝেও রয়েছে সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতার অভাব। দারিদ্রতা ও শিক্ষার অভাব অনেক ক্ষেত্রেই মূল অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী ও পরিবেশের উপর থেকে অশনি সংকেত ঘোচাতে প্রয়োজন সচেতনতা ও সঠিক উদ্যোগ। বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে এখনও যা টিকে আছে তাদের জন্য একটি সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা জরুরী।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc78a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভূমিপুত্র',\n", " 'seo_url': 'ভূমিপুত্র',\n", " 'description': 'লেখকের কথা মাটি ও মানুষের গল্প বলা খুব কঠিন কাজ। তবু মাটির কাছাকাছি যেসব মানুষের নিত্য ওঠাবসা, তাদের অন্তরের খোঁজখবর যারা রাখতে চায়, তাদের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, ঠাট্টা-মশকরা, কৌতুক-বেদনায় যাদের হৃদয়ের প্রান্তির কোণ ভিজে ওঠে, তাদের গল্পই আমি বলার চেষ্টা করেছি ‘ভূমিপুত্র’-তে। গল্পগুলো মানুষের মুখোশের অন্তরালের আদিম সত্যকে পাঠকের মুখোমুখি করে দেয়। সেই সত্যকে যারা আবিষ্কার করতে প্রস্তুত কিন্তু এখনো দ্বিধাগ্রস্ত, তাদের হয়তো ‘ভূমিপুত্র’ নতুন অভিজ্ঞতা জোগাবে। মুখ ও মুখোশের কার্যকর বাস্তবতা আমাদের কীভঅবে অন্ধের মতো আসল সত্যের উল্টো পিঠে তাড়িয়ে বেড়ায়, সেই আবেগবর্জিত কঠিন বাস্তবতা অনুধাবনে ‘ভূমিপুত্র’ পাঠকের অন্তরে অনুরণন জাগাতে পারলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে। ‘ভূমিপুত্র’ বই আকারে প্রকাশের জন্য শ্রদ্ধেয় মাজহারুল ইসলাম যেভাবে আমাকে সহায়তা করেছেন সে জন্য তাঁর প্রতি আমি অসীম কৃতজ্ঞ। এ ছাড়া অন্যপ্রকাশের আবদুল্লাহ নাসের প্রত্যেকটি গল্প পাঠের পর আমাকে মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে যেভাবে সহযোগিতা করেছেন সে জন্য তাঁর প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ। ‘ভূমিপত্র’-এর বানান সম্পাদনার দায়িত্ব নিয়ে কবি শতাব্দী কাদের সহযোগিতা করায় তাকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার সহধর্মিনী মায়া লোহানী প্রতিটি গল্পের মমতাময়ী প্রথম শ্রোতা হিসেবে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। সবশেষে ‘ভূমিপুত্র’ সম্পর্কে পাঠকের সৃজনশীল আলোচনা ও সমালোচনা আমার লেখালেখিকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই আমার পাঠকভক্তদেরও সুনীল শুভেচ্ছ। রেজা ঘটক ডিওএইচএস বারিধারা, ঢাকা ১০ জানুয়ারি ২০১৩ সূচিপত্র * একটি গল্পের খসড়া * ইন্টারভিউ * দিপু শংকর বাড়িতে নেই * দুই পাগলার ডুব * ডিজিটাল গোরস্তান * শেষ পরীক্ষা * সুনামি'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc78e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তবু আছে তারা ও জোনাকি (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'তবু-আছে-তারা-ও-জোনাকি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই বইয়ের কবিতাগুলো মানব মনের দুই বিপরীত সীমানা ছুঁয়েছে। এর একপ্রান্তে জীবনের জয়গান, আনন্দ ও অমৃতের কোলাহল। অন্যপ্রান্তে হাহাকার ও হতাশা-যুদ্ধ, অস্ত্র, রাজনীতি-বিশ্বাসঘাতকতা মানুষের ভিড় । এর সুরারোপযোগ্য কবিতাগুলোর রয়েছে ভিন্ন এক সম্মোহন-পাঠকের মন বিবশ করে দেয়।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc794',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বৃক্ষকথা',\n", " 'seo_url': 'বৃক্ষকথা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলাদেশে বৈচিত্র্য ও প্রকার অনুযায়ী সবচেয়ে বড় ঔষধি বৃক্ষের বাগান রয়েছে গাজীপুরের হোতাপাড়ায় অবস্থিত নুহাশ পল্লীতে। এখানে রয়েছে শতাধিক ঔষধি বৃক্ষ - আদা, কদম্ব, গাঁজা, বেল, বাসক, বকফুল, শেওড়া, পারিজাত, জয়তান, অশ্বগন্ধ.... এই ঔষধি বাগানটি গড়ে তুলেছেন বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের বৃক্ষপ্রেমের পরিচয় শুধু তাঁর নিজের তৈরি নন্দকানন নুহাশ পল্লীই নয়, তাঁর গল্প-উপন্যাসের পাঠকরা জানেন যে, তার নানা লেখায়ও রয়েছে বৃক্ষপ্রেমের নিদর্শন। বৃক্ষপ্রেমিক হুমায়ূন আহমেদ ৫০টি ঔষধি বৃক্ষের নানা গুণাগুণ আর মজার সব তথ্য নিয়ে লিখেছেন ‘বৃক্ষকথা’ বইটি। ভূমিকা আমার খুব পছন্দের একটা হাদিস দিয়ে শুরু করি। নবিজি (দ.) বলছেন, ‘যদি তুমি জানো পরের দিনই রোজ কেয়ামত, তারপরেও একটি গাছ লাগিও।’ গাছ লাগানোর কোনো সুযোগ আমার ছিল না। সারাজীবন বাস করেছি শহরে। কংক্রিটে খুঁড়ে তো আর চারা লাগানো যায় না। অনেকেই দেখি টবে গাছ লাগান। ব্যাপারটা আমার ভালো লাগে না। টবে গাছ লাগানোর অর্থ গাছের ভুবন সীমিত করে ফেলা। এমনিতেই বেচারা হাঁটতে পারে না। অনেককেই দেখি ‘বনসাই’ নিয়ে উত্তেজিত। বিশাল বটবৃক্ষের বামুন বানিয়ে উত্তেজিত হবার কী আছে? একটি বিশাল প্রাণকে সঙ্কুচিত করার অপরাধে তারা অপরাধী। বৃক্ষদের হাতে শাসনক্ষমতা থাকলে এই অপরাধে তারা যাবজ্জীবন শাস্তির ব্যবস্থা করত। মানবজাতি ভাগ্যবান, বৃক্ষের হাতে শাসনক্ষমতা নেই। প্রায় দশবছর আগে নুহাশ পল্লীতে আমি নিজের হাতে আটটা ঝাউগাছ লাগাই। তখন কল্পনাও করি নি, এই ছোট ছোট চারা আকাশ স্পর্শ করার স্পর্ধা নিয়ে বড় হবে। আমি যতবার নুহাশ পল্লীতে যাই, একবার হলেও ঝাউগাছগুলির পাশে গিয়ে দাঁড়াই। তাদের স্পর্শ করে বলি-‘এই তোদের আমি নিজের হাতে লাগিয়েছি! আজ যে তোরা এত বড় হয়েছিস, তার মূলে কিন্তু আমি।আমাকে Hello বল।’ ঝাউগাছগুলি আমাকে বলে। তাদের ভাষায় বলে। অন্যরা না বুঝলেও আমি বুঝি। ঝাউগাছ দিয়েই আমার বৃক্ষরোপণ শুরু। যেখানে যে গাছ পাই, নুহাশ পল্লীতে লাগিয়ে দেই। নিতান্তই অপরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ। কাঁঠালগাছের পাশে মরিচের গাছ। তখনো জানি না গোলমরিচ গাছ অন্য এক গাছকে জড়িয়ে না ধরে বড় হতে পারে না। সে তার জীবনীশক্তি বড় কোনো গাছ থেকে নেয়। এখন আমি গাছপালা সম্পর্কে কিছু জানি। দুনিয়ার বই পড়ছি ইন্টারনেট ঘাঁটছি-কেন জানব না? যা কিছু জেনেছি তা অন্যদের জানাতে ইচ্ছা করছে। আমার মূল আগ্রহ ঔষধি গাছ। আমার কেন জানি মনে হয়, একসময় এদের কাছেই আমাদের ফিরে যেতে হবে। হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী গাজীপুর সূচিপত্র *আদা *কদম্ব *গাঁজা *বেল *পান *বাসক *অগুরু বা অগর *কলকে/সৌভাগ্য বাদাম বৃক্ষ *তেঁতুল *কাঁকড়ার চোখ *নিসিন্দা *বিলম্বী *নিম *খয়ের *কৃষ্ণবট *ঘেটু *পুত্রঞ্জীব *রাণীর ফুল/জারুল *লটকন *হিং *বরুন *তেলাকুচা *করমচা *পপি উদয়পদ্ম *নীলমণি লতা *মাধুরী লতা *বাগান বিলাস *জবা *ঘৃতকুমারী *মৃত্যুফুল *বকফুল *ওলট কম্বল/শয়তানের তুলা *ওলট চণ্ডার/অগ্নিজিহ্বা *বলকলা না-কি কলাপতি? আম *কাঁঠাল *বিছুটি *লাজ্জাবতী *আতা *ঢেঁকি শাস *তালগাছ *শয়তানের গাছ/ছাতিম *গাব *ধূপগাছ/গুগগুল *বকুল/সদাপুষ্প *মাকাল *রিঠা'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc798',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চলে যায় বসন্তের দিন',\n", " 'seo_url': 'চলে-যায়-বসন্তের-দিন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ”চলে যায় বসন্তের দিন।” কী অদ্ভূত কথা! বসন্তের দিন কেন চলে যাবে? কোনো কিছুই তো চলে যায় না। এক বসন্ত যায়, আরেক বসন্ত আসে। স্বপ্ন চলে যায়, আবারো ফিরে আসে। আমি হিমু! আমি কেন বলব- ‘চলে যায় বসন্তের দিন।’ আমার মধ্যে কি কোনো সমস্যা হয়েছে? সী সেই সমস্যা?'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc7a2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কিছু বিষাদ হোক পাখি',\n", " 'seo_url': 'কিছু-বিষাদ-হোক-পাখি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ শত সহস্র বছর ধরে পৃথিবীর বুকে জন্ম নিয়েছে অসংখ্য মানুষ। পৃথিবীতে মানুষের জন্ম যেমন আলোকিত ঘটনা তেমনি মৃত্যু হচ্ছে অন্ধকারময়। জন্ম ও মৃত্যুর এই প্রকৃতিগত খেলার মাঝেই বসবাস বিশ্বের লক্ষ কোটি মানুষের।। স্থলভাগের নানা সমাজে উপস্থিত এমন সহস্রাধিক চরিত্রের এক প্রতিনিধির নাম সঞ্জনা। গল্পে বরাবরই সঞ্জনাকে স্পর্শ করে পরিবার, সমাজ ও জীবন দেখায় প্রতিকূলতা। গল্পে সহপাঠী-বন্ধু, পরিবার-প্রতিবেশীকে নিয়ে কয়েক দশকের যাপিত জীবনের আলাপ সৃষ্টি করে সঞ্জনা নামের চরিত্রটি। ছোট্ট অথচ নশ্বর জীবনে সেখানে যোগাযোগ ঘটে প্রেমের, মেলবন্ধন ঘটে মানুষের ভাবাবেগ ও জন্ম-মৃত্যুর অনুভূতির। আবেগ, প্রকৃতির নৈসর্গিকতা, সর্ম্পকের বিশ্বাস- ছলকলা, উৎসব-পার্বণ সবকিছুই এক ক্যানভাসে কালি ও কলমের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে “কিছু বিষাদ হোক পাখি” তে।। বস্তুবাদ নাকি ভাবুকতা, সূক্ষ্ণ অনুভূতি নাকি বাস্তবতা, দ্বন্দ্ব নাকি মিলন, টানাপোড়েন নাকি স্বচ্ছলতা এমন বহুমাত্রিক পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন ও জীবনবোধের পরীক্ষার ফলাফল দেখা যাবে গল্পের শেষাংশে। “কিছু বিষাদ হোক পাখি”- এক চরিত্রের গল্প তবে কয়েক চরিত্রের পুরো জীবনের গল্পও। প্রতিদিনই ভোরের আলো ফোটার অনেকটা সময় পর যখন সন্ধ্যা প্রদীপ নামে তখন একটি কথা বরাবরই হৃদয়ে বাজে-জীবনে যত কিছুই ঘটুক না কেন, মানুষ মূলত একা। লেখক পরিচিতি মাহরীন ফেরদৌস। ২০১০ সাল থেকে একুয়া রেজিয়া নাম নিয়ে, ব্লগিং-এর মাধ্যমে তার লেখালেখির সূচনা। স্বাধীনচেতা, অন্যমনা। জীবনানন্দ দাশের কবিতার ভীষণ ভক্ত। রবি ঠাকুরের সব লেখাই তাঁর প্রিয়। বিদেশী লেখকদের মধ্যে মাক্সিম গোর্কি, ও হেনরীর লেখা পছন্দ। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখিকে শ্রেষ্ঠ কাজ বলে মনে করেন। নিজের লেখার চরিত্রগুলো তাঁর বেশ আপন মনে হয়। ছোট গল্প সংকলন \"নগরের বিস্মৃত আঁধারের\" পর চলতি বছর লেখালেখির মিছিলে যুক্ত হলো \"কিছু বিষাদ হোক পাখি\"। মানুষের মনের সব কষ্টকর অনুভূতি পাখির মতো করেই উড়ে যাক। জীবনের শ্রেষ্ঠ অনুভূতি নিয়েই বেঁচে থাকুক পৃথিবীর লক্ষ কোটি মানুষ।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc7f0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উদ্ধত আয়ু',\n", " 'seo_url': 'উদ্ধত-আয়ু',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আত্মকথনের দোর গোড়ায় দাঁড়ানো এই আয়ু নিয়ে এই প্রকাশ কখনো পরাবাস্তব রহস্যময়তায় কখনোবা চেনা দৃশ্যের জ্বলন্ত বাস্তবতায়। উত্তরের পার্থিব বলয়ে অর্ধযুগ একটানা, আর সে কথাগুলো লেখা হলো কবিতা দেহে। রক্ত ঝরছে চলতে চলতে, ছিঁড়ে গেছে অবয়ব- ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবার আর্তনাদ আর অচেনা প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার নাভিশ্বাস চিৎকার সাথে করে। প্রতি মুহূর্ত তাই দূর ও কাছের গড়াপেটা, বৃষ্টি ও তুষারপাতের টানাপড়েন। নতুন কিছুকে চিনে নেবার দুরন্ত সাহস, সবকিছু মারাত্মক অসুখের হা হা নিয়ে একরোখা স্বভাবে শান দেয়। হার মান না কিছুতেই, বাঁচে প্রতিটি মুহূর্ত- প্রতিদিন। আলো ভাঙে, আঁধার ছানে, প্রেম ও জন্ম মাখে প্রতিক্ষণ ধুলায় গড়িয়ে যায় পাথর এবং প্রাণ হয়ে এইতো উদ্ধত আয়ু ...'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc834',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কুয়াশার ভোর (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'কুয়াশার-ভোর',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ স্বাধীনতার আগে বাদশাভোগ ছিল একান্ত শহরতলী। পরে নাম বদলে হয়েছে বাসাবো। অন্তর্গত ঢাকা মহানগরীর সঙ্গে। মধ্যবিত্ত সমাজের লোকের বসবাস। প্রতিদিন যাদের নানা সমস্যা। তার মধ্যেও যারা সুখের মানদণ্ডে নিজেদের ভাগীদার মনে করে। ঝড়ঝঞ্ঝা আসে, যায়। তার মধ্যেই নিজেদের মানিয়ে নেয়, বিদ্রোহী হয়, বৃত্তের বাইরেও চলে যায় কেউ। মীর সাব্বির, ডানা, মানা, কুয়া খোদ। স্বঘোষিত সর্দার নজর আলী, খায়রুন্নাহার, দ্রাবিড়, বাহার যে যার চক্রে ঘোরে। বড়লোকের পাড়া থেকে জীবনকে নতুনভাবে দেখতে আসেন শফিক সাহেব। একদার বাসাবোর সমাজ, সংস্কার, চাওয়া-পাওয়ার সব হিসেব কেমন গোলমেলে হয়ে ওঠে। মধ্যবিত্ত পাড়াটি ধীরে ধীরে যেন হয়ে উঠতে থাকে মহানগরীর এক আধা অভিজাত অংশ।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc85a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নন্দিত নরকে',\n", " 'seo_url': 'নন্দিত-নরকে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপে লিখা কথাঃ যখন হুমায়ূন আহমেদের প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ প্রকাশিত হয়, তখন আমি দৈনিক বাংলার একজন সহকারী সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলাম। বইটি পড়ে আমার এত ভালো লেগেছিল যে, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে আমি আমার কলামে সেই বইয়ের একটি নাতিদীর্ঘ আলোচনা করি। সেদিনই আমার মনে হয়েছিল, আমাদের কথাসাহিত্যে একজন নতুন কথাশিল্পীর আবির্ভাব ঘটেছে। এরপর সময়ের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদ অনেকগুলো উপন্যাস রচনা করেছেন এবং ইতোমধ্যে তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক। জনপ্রিয়তা সম্পর্কে কারো কারো মনে সন্দেহের উদ্রেক হয় এবং কেউ কেউ বাঁকা উক্তিও করে ফেলেন। কিন্তু দেখা গেছে, অনেক উৎকৃষ্ট রচনাই অত্যন্ত জনপ্রিয়। হুমায়ূন আহমেদ আমাদের সস্তা চতুর্থপ্রেণীর লেখকদের হাত থেকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি, সন্দেহ নেই, বিশাল পাঠকগোষ্ঠী তৈরি করেছেন, যা সাহিত্যের পক্ষে উপকারী। এ কথা বলতে আমার বিন্দু মাত্র দ্বিধা নেই যে, তিনি ভবিষ্যতে আমাদের সাহিত্যের ইতিহাসে কিংবদন্তির মর্যাদা পাবেন। শামসুর রহমান দৈনিক জনকণ্ঠ ১৩ নভেম্বর ১৯৯৮ ভূমিকাঃ মাসিক ‘মুখপত্রে’র প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যায় গল্পের নাম ‘নন্দিত নরকে’ দেখেই আকৃষ্ট হয়েছিলাম। কেননা ঐ নামের মধ্যেই যেন একটি নতুন জীবনদৃষ্টি, একটি অভিনব রুচি, চেনতার একটি নতুন আকাশ উঁকি দিচ্ছিল। লেখক তো বটেই, তাঁর নামটিও ছিল আমার সম্পূর্ণ অপরিচিতি। তবু পড়তে শুরু করলাম ঐ নামের মোহেই। পড়ে আমি অভিভূত হলাম। গল্পে সবিস্ময়ে প্রত্যক্ষ করেছি একজন সূক্ষ্মদর্শী শিল্পীর; একজন কুশলী স্রষ্টার পাকা হাত। বাঙলা সাহিত্যক্ষেত্রে এক সুনিপুণ শিল্পীর, এক দক্ষ রূপকারের এক প্রজ্ঞাবান দ্রষ্টার জন্মলগ্ন যেন অনুভব করলাম। জীবনের প্রাত্যহিকতার ও তুচ্ছতার মধ্যেই যে ভিন্নমুখী প্রকৃতি ও প্রবৃত্তির জটাজটিল জীবনকাব্য তার মাধুর্য, তার ঐশ্বর্য, তার গ্লানি, তার দুর্বলতা, তার বঞ্চনা ও বিড়ম্বনা, তার শূন্যতার যন্ত্রণা ও আনন্দিত স্বপ্ন নিয়ে কলেবরে ও বৈচিত্র্যে স্ফীত হতে থাকে, এত অল্প বয়সেও লেখক তাঁর চিন্তা-চেতনায় তা ধারণ করতে পেরেছেন দেখে মুগ্ধ ও বিস্মিত। বিচিত্র বৈষয়িক ও বহুমুখী মানবিক সম্পর্কের মধ্যেই যে জীবনের সামগ্রিক স্বরূপ নিহিত, সে উপলব্ধিও লেখকের রয়েছে। তাই এ গল্পের ক্ষুদ্র পরিসরে অনেক মানুষের ভিড়, বহুজনের বিদ্যুৎ-দীপ্তি এবং খন্ড খন্ড চিত্রের সমাবেশ ঘটেছে। আপাতনিস্তরঙ্গ ঘরোয়া জীবনের বহুমুখী সম্পর্কের বর্ণালি কিন্তু অসংলগ্ন ও বিচিত্র আলেখ্যর মাধ্যমে লেখক বহুতে ঐক্যের সুষমা দান করেছেন। তাঁর দক্ষতা ঐ নৈপুণ্যেই নিহিত। বিড়ম্বিত জীবনে প্রীতি ও করুণার আশ্বাসই সম্বল। হুমায়ূন আহমেদ বয়সে তরুণ, মনে প্রাচীন দ্রষ্টা, মেজাজে জীবন-রসিক, স্বভাবে রূপদর্শী, যোগ্যতায় দক্ষ রূপকার। ভবিষ্যতে তিনি বিশিষ্ট জীবনশিল্পী হবেন-এই বিশ্বাস ও প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করব। আহমদ শরীফ ১৬/৬/৭২'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc85c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আসমানীরা তিন বোন',\n", " 'seo_url': 'আসমানীরা-তিন-বোন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ পৃথিবীতে যত ইতিহাসে যত ক্ষয় মানবের সাথে মানবের প্রাণবিনিময়ে অবিনয় যত গ্লানি ব্যথা ধূসরতা ভুল ভয় সকল সরায়ে ঘুমানো নগরী ঘুমনগরীর রাজকুমারী কি জাগে। নিখিলের শাদা চাতকের মতো প্রাণ তোমার আমার হৃদয়ের করে কি গান(করে আহ্বান, করে করে আহ্বান) মহাপৃথিবীর অনুরাগে। --জীবনানন্দ দাশ'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc860',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জোছনা ও জননীর গল্প',\n", " 'seo_url': 'জোছনা-ও-জননীর-গল্প',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হলো বলিদান, লেখা আছে অশ্রুজলে। কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা, বন্দিশালার ঐ শিকলভাঙা তারা কি ফিরিবে আর সুপ্রভাতে ? যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে যারা স্বর্গগত তারা এখনো জানে, স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভুমি এসো স্বদেশ ব্রতের মহাদীক্ষা লভি, সেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি। যারা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা, মৌন মলিন মুখে জাগালো ভাষা। সেই রক্তকমলে গাঁথা মাল্যখানি, বিজয়লক্ষ্যি দেব তাদেরই গলে -মোহিনী চৌধুরী'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc864',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কম্পিউটার প্রোগ্রামিং (প্রথম খন্ড)',\n", " 'seo_url': 'কম্পিউটার-প্রোগ্রামিং-প্রথম-খন্ড-২',\n", " 'description': 'আমি তার এই চমৎকার বইটির সাফল্য কামনা করি। ছেলেমেয়েরা গান শোনা, সিনেমা দেখা, চিঠি লেখা, ফেসবুক করা, ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাঁটি করার পাশাপাশি আবার কম্পিউটারের মূল জায়গায় ফিরে আসুক – সেই প্রত্যাশায় থাকলাম।\" সূচিপত্র শুরুর আগে প্রথম প্রোগ্রাম ডাটা টাইপ, ইনপুট ও আউটপুট কন্ডিশনাল লজিক লুপ একটুখানি গণিত অ্যারে ফাংশন বাইনারি সার্চ স্ট্রিং মৌলিক সংখ্যা আবারও অ্যারো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কিছূ প্রোগ্রামিং সমস্যা শেষের শুরু পরিশিষ্ট 0: অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট পরিশিষ্ট ১ : প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা পরিশিষ্ট ২ : প্রোগ্রামিং ক্যারিয়ার পরিশিষ্ট ৩ : বই ও ওয়েবসাইটের তালিকা বইটির অনলাইন সংস্করণ সবার জন্য উন্মুক্ত।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc866',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রযত্নে হন্তা',\n", " 'seo_url': 'প্রযত্নে-হন্তা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বইয়ের ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বই সম্পর্কে লেখা্টা একটা প্রচলিত রীতি। তবে এই রীতি যতটা বইকে পরিচিত করবার উদ্দেশ্য তারচেয়ে বেশি চটকদার কথা-বার্তায় বইটিকে পাঠকের কাছে আকর্ষণীয় করবার প্রয়োজনে। তাই শুরুতেই এই প্রবণতা পরিহার করছি। ‘প্রযত্নে-হন্তা’ মূলত ১০টি ছোটগল্পের সংকলন। আমি ২৪ বছরের এক তরুণ। জেমস জয়েস কিংবা সুকান্ত ভট্টাচার্যের মত বিস্ময়কর প্রতিভাবান কেউ নই যে এই বয়সেই লেখার গভীরতা-সম্মোহনীতায় বয়সকে আড়াল করতে সক্ষম হব। বই প্রকাশ করাটা এখন অনেকটা জাতে ওঠার একটা মাণদন্ডে পরিণত হয়েছে। ‘প্রযত্নে-হন্তা’ সেই অর্থে গড্ডলিকারই নামান্তর। ১০ টি গল্পের মধ্যে এমন একটি গল্পও নেই যা পড়ে মুগ্ধতা সৃষ্টি হবে কিংবা না পড়লে সাহিত্যপ্রেমীদের বিশাল কোন অপূর্ণতা রয়ে যাবে। সাধারণ পাঠকের বিবেচনায় গল্পগুলো জটিল, দুর্বোধ্য, ভাষাও একটু কঠিন। উচ্চস্তরের পাঠক বলবেন গল্পের মধ্যে গল্প জিনিসটাই নেই, ভাষা দুর্বল, মাধুর্যহীন এবং বাক্যবিন্যাসে অসংখ্য ব্যাকারণগত ভুল। আর মধ্যম পাঠকরা অলস সময় কাটাতে একটু পড়া শুরু করার পরই ধৈর্য হারাবেন। সুতরাং, গল্পগুলো আসলে কোন ধরনের পাঠকের উপযোগী তা বলা দুরূহ। তবু লেখক হতে চাইছে মন, কী আর করা। সূচিপত্র 41 .... @ মনীষী সিনড্রোম পঁচিশে অক্টোবর ৭দশ১’একাত্তর .... র্দাপ প্রযত্নে-হন্তা লিখি চলো গ, ল, হ; তবুও গলগ্রহ ঈশিতা একটি আমগাছ খুঁজেছিল পাঠক সমীপেষু'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc86c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স দ্বিতীয় খন্ড',\n", " 'seo_url': 'গল্পে-জল্পে-জেনেটিক্স',\n", " 'description': 'মুখবন্ধ ‘গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স’ বইটির সম্পর্কে লেখার আগে বইয়ের পটভূমিটাও একটু জানানো দরকার। বইটি লিখবার ক্ষেত্রে বিদেশী ভাষার লেখা ‘এ কার্টুন গাইড টু জেনেটিক্স’ বইটি থেকে সমুদয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। কাটুন গাইড টু জেনেটিভ এর মূল বইটি আমার হাতে আসে যখন, তখন আমি মেডিকেলের পঞ্চম বর্ষের ছাত্র। সুব্রত ভাই প্রথম বইটির কথা আমাকে বলেছিলেন। আর চমকের (ইনিই হলেন আমাদের লেখক সাহেব) কাছ থেকে বইটির সফট কপি পাই। সুব্রত ভাই আর চমক দুজনই ইঞ্জিনিয়ার মানুষ আর আমি হলাম গোবেচারা ডাক্তার। গণিত অলিম্পিয়াড নামক অসামান্য চমৎকার ব্যাপারটি বাংলাদেশে না ঘটলে আমরা হয়তো কেউ কাউকে কখনোই চিনতাম না। সে যাই হোক, বইটি হাতে পেয়ে এবং সেই সাথে তাঁদের কাছে বইটির উচ্চকিত প্রশংসা শুনে, পড়ার আগে আমি ধারণা করেছিলাম, না, বইটি বোধহয় একেবারে মন্দ নয়। আমাদের দেশের শিক্ষা্ব্যবস্থার কারণেই হোক কিংবা যে কারণেই হোক, অনেক ডাক্তারই ভাবেন যে ডাক্তারবিদ্যা এবং তৎসংশিষ্ট জ্ঞান (তার মধ্যে জেনেটিক্সও পড়ে) হজম করা ইঞ্জিনিয়ারদের কম্মো নয়। অনেক ইঞ্জিনিয়ারও ডাক্তারদের সম্পর্কে অনুরূপ ধারণা পোষণ করেন। তো, আমিও প্রথমটায় ভেবেছিলাম, সত্যটা বলেই ফেলি, এই বইটিতে জেনেটিভের নিছক প্রাথমিক কিছু ধারণা অত্যন্ত সরল ভাষায় বাচ্চাদের (এবং ইঞ্জিনিয়ারদের) বোঝার মতো করে তুলে দরা হয়েছে। বইটি পড়ে আমি নতুন কিছু শিখব তা আশা করে বইটি পড়া শুরু করিনি, বরং, যারা জেনেটিভের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যারয়ে পড়েনি, তাদেরকে কী ভাষায় বললে সহজে জেনেটিভ বোঝানো যাবে সেটা জানতেই বইটা পড়া শুরু করি। কেননা, ডাক্তার হিসেবে প্রায়ই অসুখ-বিসুখ নিয়ে রোগী বা রোগীর স্বজনকে বুঝিয়ে বলা লাগে এবং তখন জেনেটিক্স সংক্রান্ত অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু বইটা পড়া যতোই এগোতে থাকে ততোই আমি বিস্মিত হতে থাকি। একী! এতো দেখছি মেডিকেল প্রথম বর্ষের বায়োকেমিস্ট্রি বিষয়টির অন্তর্ভুক্ত জেনেটিক্স কার্ডটির (মেডিকেল কলেজে কোনো বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত কোর্সকে ‘কার্ড’ বলে) পুরোটাই ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে আরো অনেক কিছু পেলাম যা ঐ কার্ডে ছিলনা কিন্তু থাকলে ভালো হতো। ইতিহাস থেকে শুরু করে বায়োটেকনোলজি আর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, আবার, জৈববিবর্তনের আলোকে জেনেটিক্সের বিশ্লেষণ, মলিকুলার বায়োলোজি কী নেই! কিন্তু তাই বলে বইটি কিন্তু একগাদা তথ্যের স্তুপ নয়। যেকোনো মজার কমিঙের মতো এক নিঃশ্বাসে আগাগোড়া পড়ে ফেলা যায়। পড়ার সময় আমার মনে হচ্ছিল, ইশ, প্রথম বর্ষে থাকতে যদি বইটি পেতাম তাহলে জেনেটিক্স কার্ডটাকে ঐরকম বিভীষিকা মনে হতো না। জটিল সব বিষয়ের কী আশ্চর্য সরল উপস্থাপনা, অথচ সরল করতে গিয়ে ‘অতি-সরল’ ছেলেভুলানো গল্প হয়ে যায়নি। বইটি বোঝার জন্য স্কুল পর্যায়ের রসায়ন জ্ঞানই যথেষ্ট, অথচ বইটির বিষয়বস্তু স্নাতক পর্যায়ের। এতো অসাধারণ সক দিকের সমন্বয় ঘটেছে যে বইতে, তার উপর বইটি হাতে লেখা ও আঁকা। এমন বইয়ের বৈজ্ঞানিক তথ্য, রসবোধ, শিল্পগুণ, নান্দনিকতা সবকিছু অবিকৃত রেখে পুরোপুরি বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উপযোগী করে লেখা চাট্টিখানি কথা নয়। চমক যখন প্রথম কুড়ি পৃষ্ঠা লিখে আমাকে দেখতে দিলো তখন তো আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম। চমক একজন ইঞ্জিনিয়ার; ইঞ্জিনিয়ারদের সম্পর্কে আমার আগে যে ধারণাই থাকুক তা সম্পূর্ণ পাল্পে গেলো। আমার মনে হলো, চমকের রূপান্তরটি হয়তোবা মূল বইকেও অতিক্রম করে গেছে। তারপর অন্তর্জালে তার সাথে যখনই ভাব বিনিময় হতো তখনই বইটির কাজ কদ্দুর হলো তা বারবার জানতে চেয়ে তাকে যথেষ্ট বিরক্ত করেছি। সেজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। প্রবাসে থেকে পড়াশোনার চাপ ও এতো ব্যস্ততার মাঝেও এতো চমৎকার একটা কাজ হতো অল্প সময়ে সম্পন্ন করা বোধহয় চমকের ক্ষেত্রেই সম্ভব। বাংলাদেশের বইয়ের বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে এরকম ভিন্নধারার একটি বই প্রকাশ করার সময়োপযোগী সামাজিক দায়িত্ব সাহসের সঙ্গে পালন করায় প্রকাশক অন্যরকম প্রকাশনীর যত বড় ধন্যবাদ প্রাপ্য তা দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই। শুধু ধন্যবাদ এজন্য যথেষ্টও নয়। বইটি পড়ে জেনেটিক্স সম্পর্কে একটা সামগ্রিক ধারণা তো পাওয়া যাবেই, তার চেয়ে বড় কথা হলো, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে দেবে এ বইটি। খুব কম বইয়েরই এমন ক্ষমতা থাকে। তাও যদি সেটা জেনেটিক্সের মতো কাটখোট্টা বিষয় হয় তবে তো কথাই নেই। যাঁরা এই বইয়ের আগে জেনেটিভের আর কোনো বই পড়েননি তাঁরা নিশ্চয়ই আমাকে গাল পাড়বেন জেনেটিক্সকে ‘কাঠখোট্টা’ বলার জন্য। তা আমি হাসিমুখে মেনে নেবো। সৌমিত্র চক্রবর্তী'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc89a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রসায়ন বিজ্ঞানের হাজারো কুইজ',\n", " 'seo_url': 'রসায়ন-বিজ্ঞানের-হাজারো-কুইজ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *রসায়নবিদদের জীবনকথা *রসায়ন বিজ্ঞানে ব্যবহৃত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ যৌগের নাম ও রাসায়নিক সংকেত *রসায়ন বিজ্ঞানে ব্যবহৃত টুকিটাকি *জৈব ও অজৈব রসায়ন *সাধারণ ও ভৌত রসায়ন *বিজ্ঞান ও কুটীর শিল্প'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9c8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অহিংসা',\n", " 'seo_url': 'অহিংসা',\n", " 'description': '“অহিংসা\" বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃ “অহিংসা” প্রথম প্রকাশিত হয় সুধীন্দ্রনাথ দত্ত-সম্পাদিত ‘পরিচয়’ পত্রিকার মাঘ ১৩৪৫ সংখ্যা থেকে পৌষ ১৩৪৭ সংখ্যা পর্যন্ত, ধারাবাহিকভাবে। ১৯৩৯ সালে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স একতিরিশ, বিয়ে করেছেন তার আগের বছর, পিতা ও ভ্রাতাদের সঙ্গে একান্নবর্তী সংসারে থাকেন, মৃগী রােগের শিকার, ১লা জানুয়ারিতে ‘বঙ্গশ্রী’ পত্রিকার চাকরি ছেড়েছেন, স্থাপন করেছেন একটি প্রেস ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। সে-বছরই সাময়িক পত্রিকায় বেরিয়েছে তার “সহরতলী” উপন্যাস; তার আগে পার হয়ে এসেছেন “দিবারাত্রির কাব্য”, “পুতুলনাচের ইতিকথা”, “পদ্মানদীর মাঝি” | প্রভৃতি বিখ্যাত ও অসামান্য উপন্যাসের জগৎ (মােট ছ-টি উপন্যাস); প্রকাশিত হয়েছে চারটি গল্পগ্রন্থ। “অহিংসা” গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হতে আর একটু দেরি হয় ১৯৪১ সালে, ডি.এম. লাইব্রেরি থেকে।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9cc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ফ্রুটস এন্ড ভেজিটেবল কার্ভিং',\n", " 'seo_url': 'ফ্রুটস-এন্ড-ভেজিটেবল-কার্ভিং',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ খাবার যতই মজাদার হোক না কেন পরিবেশনটা রুচিসম্মত না হলে পরিপূর্ণ তৃপ্তি পাওয়া যায় না। আর খাবার সাজিয়ে পরিবেশনের সর্বাধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে কার্ভিং। কার্ভিং হল ফল ও সবজি দিয়ে ফুল, পশু-পাখি, প্রজাপতি কিংবা কোনো নকশা বিশেষ নৈপুণ্যের সঙ্গে তৈরি করা এবং মূল খাবার সাজাবার জন্য ব্যবহার করা। আমরা যেমন কনে সাজাই, ঘর সাজাই, ড্রইংরুম সাজাই তেমনি। সারা বিশ্বে এটি ব্যাপকভাবে সমাদৃত হলেও আমাদের দেশে এখন ধীরে ধীরে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। কেমননা আমাদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে- রুচিতে লেগেছে নানা রঙের হাওয়া। আজ থেকে প্রায় ২০০০ বছর আগে চীন দেশে সর্বপ্রথম ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবল কাভিং শুরু হয়। তারপর থেকে আস্তে আস্তে সারা বিশ্বে এটা ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। থাইল্যান্ড ১৩৬৪ সালে এই চমৎকার শিল্পটি চীন থেকে রপ্ত করে। থাইল্যান্ডে প্রতি বছর কার্ভিং মেলা এবং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ‘ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবল কার্ভিং’ বইটি কার্ভিং সম্বন্ধে সবাইকে পরিচিত করে তুলবে। একটি সাধারণ ফল বা সবজি কার্ভিংয়ের ছোঁয়ায় কীভাবে অসাধারণ হয়ে ওঠে, খঅবার সাজিয়ে আধুনিকস ধারায় কীভাবে পরিবেশন করতে হয়- তা দেখানো হয়েছে এই বইটিতে। বইয়ের পদ্ধতি অনুসরণ করে একজন পাঠক হয়ে উঠতে পারেন দক্ষ ‘কার্ভিং’ শিল্পী। বর্তমানে আমাদের দেশে কিছু কিছু পত্রিকা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কার্ভিং নিয়ে প্রতিবেদন প্রচার করা হচ্ছে। আশা করছি অচিরেই এই সুন্দর শিল্পটি আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করবে। ভূমিকা রান্নার সঙ্গে আমরা সকলেই কমবেশি পরিচিত। আমাদের জীবনযাত্রার সঙ্গে জুড়ে আছে রান্নাবান্না ও খাওয়াদাওয়া। অন্যদিকে বিভিন্ন বিদেশী খাবারের প্রতি আমাদের আকর্ষণ বাড়ছে। বর্তমান বিশ্বে রান্নাবান্না নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে। গড়ে উঠেছে ইনস্টিটিউট। খাবার যতই মজার হোক না কেন যদি পরিবেশন সুন্দর না হয় তা হলে খাবারে রুচি আসে না। পরিবেশন মানে সাজানো আর সাজানো মানে কার্ভিং। খাবারের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য খাবারের সাথে মিল রেখে কার্ভিং ডিপার্টমেন্ট- যার কাজ শুধু কার্ভিং করা ও খাবার সাজানো। থাইল্যান্ডে প্রত্যেক বছর কার্ভিং মেলা হয়, চলে প্রতিযোগিতা। কিন্তু আমাদের দেশে নেই। বিংশ শতাব্দী থেকে একবিংশ শতাব্দীতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ নানা দিকে এগিয়ে চলছে। রাজধানীতে দেশী-বিদেশী রেস্তোবাঁয় প্রায় সব ধরনের লোক বাইরের খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। সে কারণে বাসাবাড়িতে উন্নতমানের আধুনিক খাবার তৈরির প্রয়োজনে নতুন নতুন ধরনের বই প্রকাশিত হচ্ছে। মহিলারা রান্নাবান্না শিখছেন নানা কোর্সে। ‘ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবল ক্যার্ভিং’ বইটি খাবার সাজিয়ে রুচিসম্মত আধুনিক ধারায় ব্যবহারকারীর সুবিধার কথা চিন্তা করে আকার, প্রচ্ছদ, নকশা, চিত্র এবং যুগের সমসাময়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে এনে বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশিত হল। ‘ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবল কাভিং’ বইটি স্কুল, কলেজ ও বাসাবাড়িতে রান্না শেখাবার যোগ্য করে সহজ পদ্ধতিতে লেখা। এ ধরনের একটি বই লেখার জন্য আমি অনেকের কাছ থেকে উৎসাহ ও সহযোগিতা পেয়েছি। তাঁদের মধ্যে সুরিন, তানভির, তুহিন ভাই, খালেদ ভাই, পাবেল ভাই, লবী আপা, সিতারা ফিরদৌস, সিদ্দিকা কবির, খন্দকার এ কবির স্যার এবং বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী জি এম কাদের স্যারের কথা বিশেষভঅবে উল্লেখযোগ্য। আর একজনের কথা না বইলেই নয়, তিনি হলেন অবসর প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার জনাব আলমগীর রহমান। তাঁর তাগাদা ও সহযোগিতা ছাড়া হয়তো বইটি আলো মুখ দেখত না। তাই তাঁর প্রতি রইল আমার সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা। আমার বইটি যদি কারো সামান্য ভালো লাগে তা হলে আমার শ্রম সার্থক হয়েছে বলে মনে করব এবং ভবিষ্যতে আরো বই লিখতে উৎসাহ বোধ করব। মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9d2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছড়াসমস্ত-১',\n", " 'seo_url': 'ছড়াসমস্ত-১',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ লুৎফর রহমান রিটন যে বাংলাদেশের অবিসম্বাদিত ছড়াকার সেকথা আজ আর গাঙ্গেয় বদ্বীপবাসী কাউকে নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ছড়ার দামকে বিষম চড়ার দিকে নিয়ে গেছেন রিটন। মণিমু্ক্তোর চেয়েও। মাত্র ৩৭ বছর বয়সী রিটনের সব মিলে বইয়ের সংখ্যা ৪১টি। তার মধ্যে ২৬টিতেই ছড়ার ছড়াছড়ি। সেগুলোকে নিয়ে কাড়াকাড়ি হলে নিশ্চয় বাড়াবাড়ি হবে না। বিস্ফোরক বারুদঠাসা তুবড়ি থেকে বহুবর্ণের আতস, তারা, মরিচ কি নেই। বাংলা ভাষায় সম্ভবত এই প্রথম ছড়াসমস্ত’র মতো অভিযানের নেতৃত্বে রিটনকেই শোভা পায়। ছড়া আর রিটন প্রায় সমার্থবোধক শব্দ এখন বাংলাশে। ছড়া লিখেও যে তারকাখ্যাতি অর্জন করা যায় রিটন তার একমাত্র দৃষ্টান্ত। হেন বিষয় নেই যা তার ছড়ার খপ্পরে পড়ে নি। দেয়াল লিখন হিশেবেও উঠে এসেছে রিটনের ছড়ার পঙক্তি। শিশুদের মনোজগতের অন্ধিসন্ধি তার মুঠোবন্দি। সামরিক শাসন এবং স্বৈরাচার (আদি ও নব্য) বিরোধী গণআন্দোলনে রিটনের ছড়া আগুনের ফুলকির মতোই ঝলসে উঠেছে। গণমানুষেল দাবিকে ছড়ার ছন্দে গেঁথে প্রতিবাদী জনস্রোতকে মন্ত্রমুগ্ধ করার জাদুকরী ক্ষমতা রিটনকে নেতৃত্বের আসরে বসিয়েছে। রিটনের উদ্দেশে ছন্দেশ্বর অন্নদাশঙ্কর রায়ের প্রীতি বর্ষিত হয়েছে এভাবে- ‘রিটন তু নে কামাল কিয়া ভাই/ছড়ায় তোমার জুড়ি তো আর নাই’। নটবর আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ধীরোদাত্ত উচ্চারণে- লুৎফর রহমান রিটন সাতচল্লিশোত্তর বাংলাদেশের শিশুকবিতার ধারার সবচেয়ে সফল কবি এবং বাংলাভাষার শিশুসাহিত্যের উল্লেখযোগ্য কবিদের একজন। মস্ত কবি নির্মলেন্দু গুণের জবরদস্ত গদ্য নির্জরে- ‘ছড়াসম্রাট লুৎফর রহমান রিটন’। ছড়াপ্রেমী পাঠকমাত্রই একমত হবেন যে এই উচ্চারণে রিটন যথার্থ টেকসই। সদা হাস্যময় সুদর্শন লুৎফর রহমান রিটনের খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা শুদু আমাদের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অসীম পর্যন্ত তার বিস্তার। ‘ছড়াসমস্ত’ই রিটনের মস্ত বড় কাজ, অন্তত আজ এই মুহুর্ত অবধি। আস্ত একখানা আকাশ যেন। বেলাল চৌধুরী ঢাকা ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৮'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc01c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'টারস',\n", " 'seo_url': 'টারস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ দূরের নক্ষত্র পুঞ্জের একটি গ্রহ টারস। টারস গ্রহে বড় কোন প্রাণী নেই। টারসের বিশাল মহাসাগরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শৈবালের বাস। পৃথিবীর দুই বিজ্ঞানী আবিস্কার করেছেন এদের। এই শৈবালদেরই পৃথিবীর জন্য হুমকি মনে করতে লাগলো বিশ্ব ব্যবস্থা। মৈবালদের নিশ্চিহ্ন করতে হামলা চালানো হলো টারসে। পৃথিবীর শাসকদের বিস্মিত করে দিয়ে পাল্টা হামলা চালালো টারসের শৈবালেরা। টারসের অভিযানে অংশ নেয়া নভোযানে শুধু না, বহু আলোকবর্ষ দূরে পৃথিবীতেও। ভূমিকা ‘টারস’ নামের এই সায়েন্স ফিকশনটির পরিকল্পনা করেছিলাম বহু আগে। যখন আমি অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ি। কিন্তু লেখা হয় নি। আমি উদ্ভিদবিদ্যার ছাত্র ছিলাম। একদিন মুন্সিগঞ্জের এক ডোবা থেকে শৈবাল সংগ্রহ করতে করতে হঠাৎ করে এ গল্পটি মাথায় এলো। পকেটের নোট বুকে টুকে নিলাম। রাতে বাসায় এসে লিখে রাখলাম আমার ডাইরিতে। তারপর অনেক বছর আর এর খোঁজখবর নেই নি। আমার এরকম অভ্যাস আছে। ‘সুজের মৃত্যু ও তারপর’ নামের একটা সায়েন্স ফিকশন লেখা শুরু করেছিলাম ১৯৯৮ সালে। এখনও শেষ করি নি। ‘কোষ’ নামের আরেকটি সায়েন্সফিকশনও পড়ে আছে দুই বছর ধরে। প্রতিবারই ‘কোষ’ গল্পটা নিয়ে বসলে মনে হয় আরো একটু পড়াশোনা করে তারপর এটা লেখা উচিৎ। এই করতে করতে লেকা হয়না। ‘টারস’ এর শুরুতে নাম ছিলো ‘শৈবাল’। প্রকাশকের নামটি পছন্দ না হওয়ায় নামটি পরিবর্তন করেছি। দেখা যাক পাঠকের এটি লাগে কিনা। শরীফ উদ্দিন সবুজ ০৬.০১.২০১২'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9e2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছড়াসমস্ত-২',\n", " 'seo_url': 'ছড়াসমস্ত-২',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ লুৎফর রহমান রিটন যে বাংলাদেশের অবিসম্বাদিত ছড়াকার সেকথা আজ আর গাঙ্গেয় বদ্বীপবাসী কাউকে নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ছড়ার দামকে বিষম চড়ার দিকে নিয়ে গেছেন রিটন। মণিমু্ক্তোর চেয়েও। মাত্র ৩৭ বছর বয়সী রিটনের সব মিলে বইয়ের সংখ্যা ৪১টি। তার মধ্যে ২৬টিতেই ছড়ার ছড়াছড়ি। সেগুলোকে নিয়ে কাড়াকাড়ি হলে নিশ্চয় বাড়াবাড়ি হবে না। বিস্ফোরক বারুদঠাসা তুবড়ি থেকে বহুবর্ণের আতস, তারা, মরিচ কি নেই। বাংলা ভাষায় সম্ভবত এই প্রথম ছড়াসমস্ত’র মতো অভিযানের নেতৃত্বে রিটনকেই শোভা পায়। ছড়া আর রিটন প্রায় সমার্থবোধক শব্দ এখন বাংলাশে। ছড়া লিখেও যে তারকাখ্যাতি অর্জন করা যায় রিটন তার একমাত্র দৃষ্টান্ত। হেন বিষয় নেই যা তার ছড়ার খপ্পরে পড়ে নি। দেয়াল লিখন হিশেবেও উঠে এসেছে রিটনের ছড়ার পঙক্তি। শিশুদের মনোজগতের অন্ধিসন্ধি তার মুঠোবন্দি। সামরিক শাসন এবং স্বৈরাচার (আদি ও নব্য) বিরোধী গণআন্দোলনে রিটনের ছড়া আগুনের ফুলকির মতোই ঝলসে উঠেছে। গণমানুষেল দাবিকে ছড়ার ছন্দে গেঁথে প্রতিবাদী জনস্রোতকে মন্ত্রমুগ্ধ করার জাদুকরী ক্ষমতা রিটনকে নেতৃত্বের আসরে বসিয়েছে। রিটনের উদ্দেশে ছন্দেশ্বর অন্নদাশঙ্কর রায়ের প্রীতি বর্ষিত হয়েছে এভাবে- ‘রিটন তু নে কামাল কিয়া ভাই/ছড়ায় তোমার জুড়ি তো আর নাই।’ নটবর আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ধীরোদাত্ত উচ্চারণে- লুৎফর রহমান রিটন সাতচল্লিশোত্তর বাংলাদেশের শিশুকবিতার ধারার সবচেয়ে সফল কবি এবং বাংলাভাষার শিশুসাহিত্যের উল্লেখযোগ্য কবিদের একজন। মস্ত কবি নির্মলেন্দু গুণের জবরদস্ত গদ্য নির্জরে- ‘ছড়াসম্রাট লুৎফর রহমান রিটন।’ ছড়াপ্রেমী পাঠকমাত্রই একমত হবেন যে এই উচ্চারণে রিটন যথার্থ টেকসই। সদা হাস্যময় সুদর্শন লুৎফর রহমান রিটনের খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা শুদু আমাদের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অসীম পর্যন্ত তার বিস্তার। ‘ছড়াসমস্ত’ই রিটনের মস্ত বড় কাজ, অন্তত আজ এই মুহুর্ত অবধি। আস্ত একখানা আকাশ যেন। বেলাল চৌধুরী ঢাকা ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৮'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9e8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সংসার ভাসে জলে : ভিয়েতনামের ভ্রমণ কথা',\n", " 'seo_url': 'সংসার-ভাসে-জলে--ভিয়েতনামের-ভ্রমণ-কথা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ টেম্পাল অব লিটারেচার বলে নবম শতাব্দীর বিদ্যাপীঠে যুগলে বিকাল কাটিয়ে অতঃপর একাকী হাঁটতে হাঁটতে চলে আসা পদ্ম পুকুরের জলের উপর দাঁড় করানো সনাতনী এক মন্দিরে। শিরোপীড়ায় দগ্ধ হয়ে অবশেষে ফরাসি কুঠিবাড়িতে উপশমের সন্ধান; যার দুয়ারে এস দাঁড়ায় সিল্কের লণ্ঠন হাতে ফিরোজা বর্ণের আওডাই পড়া বোবা যুবতী। হোয়াঙ লিয়েন সান পর্বতের মঙপল্লীতে রাত্রিবেলা ঘরের ভেতরে থেকে ভেসে আসে ‘হাহ হা রানই রানই’ বলে রহস্যময় ধ্বনি। দালাতের ক্রেইজি হাউসের ঘরটি আকৃতিতে বটগাছের মতো। লাট সাহেবের সামার প্যালেসে মাটির নিচের কক্ষে পুরোনো সব পেইনটিং, আদ্যিকালের গ্রামোফোন, ট্যাক্সিডার্মি করা চিতাবাঘ, ভাল্লুক ও মায় হরিণের মূর্তি। আবার কোনো এক ভোরবেলা যাত্রা শুরু হয় কর্দমাক্ত নদীর পাড় থেকে-যেখানে তরুণী মাঝিরা গঞ্জের দিকে ভেসে যাচ্ছে পশরা নিয়ে। সাক্ষাৎ হয় শেষবারের মতো মি. নংপাওয়ের সাথে। তিনি তাঁর জন্য তৈরি সুগন্ধি কাঠের কফিনের ডালা খুলতে খুলতে কবরের জায়গা না দেখাতে পারার জন্য আফসোস করেন। তারপর তিমি পূজার বিচিত্র মন্দিরে কিছু সময় কাটিয়ে ট্রলার চলে জলে ভাসা-যে জলে একদিন মার্কিন সিপ্লেন থেকে ছোড়া গোলায় ডুবে গিয়েছিল বেশ কটি জেলে নৌকা, আর স্রোতে ভাসছিল তাদের ঘটিবাটি, মাদুর-বালিশ, আয়না-কাঁকই; এবং একটি দোলনা-যাতে ঝুমঝুমি নিয়ে খেলছিল দুটি যমজ শিশুকন্যা। হোয়ে নগরীর সিটিডেলে সনাতনী ধাঁচের স্থাপত্যমালার সাথে বেমানান ফরাসি ভিলায় ঢুকে শিংগাল হরিণের মস্তকের নিচে দাঁড়ানো। বহু যুগ আগে এখানে ভিয়েতনামের শেষ সম্রাট বাওডাই দাবা খেলতেন সম্রাজ্ঞীর সাথে। তিমি মাছের আকৃতিতে গড়া সম্রাটের সমাধি মন্দির। এ গৃহে বসে সম্রাট তুলি দিয়ে আঁকতেন কবিতার ক্যালিওগ্রাফ, পর্যবেক্ষণ করতেন আসমানি মানচিত্রে গ্রহ-নক্ষত্রের গতিপথ। হোয়ে নগরীর আরেকটি মন্দিরে সংরক্ষিত এন্টি অস্টিন গাড়ি। এ গাড়িতে চড়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুক সায়গন শহরে এসে পদ্মাসনে বসে তাঁর শরীরে দাহ্য তরল ছিটিয়ে অগ্নিতে আত্নাহুতি দেন। এবং তলোয়ার হ্রদের উইপিং উইলো গাছের নিচে অনেক বছর পর আবার দেখা হয় ডুয়ান তানের সাথে। এক মার্কিন জঙ্গি বিমানের ডানার নিচে বসে শোনা তার গ্রন্থ লেখার কাহিনী। অতঃপর তার সাথে ভেসে বেড়ানো হালঙ-বে’র লাইমস্টোনে গড়া হাজার বিজার জনহীন দ্বীপমালার ভেতর দিয়ে টংকিং সাগরের নোনা দরিয়ায়। সূচিপত্র * সাহিত্য মন্দির * জলপুতুলের নৃত্যকলা * পদ্মপুকুরে ভাসে মন্দিরখানি * ফরাসি কুঠিবাড়ির কথা * কিনচিয়েং পরব * শহর চন্দ্রমল্লিকা * লাল গ্রামের গল্প * লাট ভবনে বিনিদ্র রাত * সায়গন নদীতে বাংলার জাহাজ * হোচিমিন সিটিতে সওদাপাতি * সায়গনের রাষ্ট্রপতি ভবনে * জেড ড্রাগন সম্রাটের প্যাগোডা * মি. নংপাওয়ের সাথে শেষ সাক্ষাৎ * সংসার ভাসে জলে * দুর্গের সিংহদুয়ার * ভিয়েতনাম যুদ্ধের চিহ্ন * জলবেদে * মুনকেক * সম্রাটের সিটিডেল * হেডলাইন * সম্রাটের সমাধি * রাজকুমারীর মমি * সরোবরে সংরক্ষিত তরবারি * হালঙ-বে'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9ea',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সিস্টেম এডিফাস',\n", " 'seo_url': 'সিস্টেম-এডিফাস',\n", " 'description': 'রু চোখ খুলে তাকাল। মাথার কাছে জানালায় দৃশ্যটির পরিবর্তন হয়েছে। এর আগেরবার সেখানে ছিল নীল আকাশের পটভূমিতে উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ, এবারে দেখাচ্ছে ঘন অরণ্য। দৃশ্যগুলি কৃত্রিম জেনেও রু মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে রইল। পৃথিবী ছেড়ে এই মহাকাশযানে ছায়াপথের কেন্দ্রের দিকে যাত্রা শুরু করেছে প্রায় তিন শতাব্দী আগে-আর কখনােই সেই পৃথিবীতে ফিরে যাবে না বলেই কি এই সাধারণ দৃশ্যগুলি এত অপূর্ব দেখায়? রু একটা নিশ্বাস ফেলে উঠে বসতেই খুব কাছে থেকে একটি কণ্ঠস্বর শুনতে পেল, \"শুভ জাগরণ, মহামান্য রু। আপনি এক শতাব্দী পর ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। আপনার জাগরণ আনন্দময় হােক।\" \"ধন্যবাদ কিলি।\" \"আমি কিলি নই মহামান্য রু। আমি কিলির প্রতিস্থাপন রবােট।\" \"কিলির প্রতিস্থাপন?\" রু একটু অবাক হয়ে বলল, \"কপােট্টন অতি ব্যবহারে জীর্ণ হয়ে গিয়েছিল। মেমােরি সেল একটানা দুই শতাব্দীর বেশি কাজ করে না। পাল্টাতে হয়।\" রুজিব দিয়ে চুকচুক শব্দ করে বলল, \"আহা বেচারা। কিলির সাথে আমার এক ধরনের বন্ধুত্ব হয়েছিল জান?\" কণ্ঠস্বরটি হাসির মতাে শব্দ করে বলল, \"জানি।\" \"কী হয়েছে কিলির?\" \"কেমন করে জান?\" কিলির মূল সিস্টেমটি আমার কপােট্টনে বসানাে হয়েছে। আমি তার অনেক \"কারণ কিছু জানি।\" \"ভারি মজার ব্যাপার। তােমাদের মৃত্যু নেই। যখন একজনের সময় শেষ হয়ে আসে তখন অন্যের মাঝে নিজেকে সঞ্চারিত করে দাও। তােমরা বেঁচে থাক অনির্দিষ্টকাল।\" \"কথাটি মাত্র আংশিক সত্যি মহামান্য রু।\" \"আংশিক? কেনআংশিক কেন?\" সূচিপত্র *টুরিন টেস্ট *একটি কুৎসিত প্রাণী *প্রোগ্রামার *ওয়াই ক্রমোজম *অন্য জগৎ *আইনস্টাইন *ক্যাপ্টেন জুক *সিস্টেম এডিফাস'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9ec',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মনোসমস্যা মনোবিশ্লেষণ',\n", " 'seo_url': 'মনোসমস্যা-মনোবিশ্লেষণ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘মনোসমস্যা মনোবিশ্লেষণ’ বইটিতে মোহিত কামাল আরো প্রজ্ঞার সাথে মানবমনের কষ্ট, দহন এবং জীবনযন্ত্রণা জীবনের খণ্ডচিত্র, নিবন্ধ এবং গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন্ মনস্তত্বের বৈজ্ঞানিক ফর্মুলা দিয়ে প্রতিটি ধাপ বিশ্লেষণ করে, দৈনন্দিন সমস্যা মোকাবিলায় পাঠকের জন্য সর্বজনীন দিকনির্দেশনা উপহার দিয়েছেন। এটি একটি অসাধারণ ও প্রয়োজনীয় গ্রন্থ। বাংলা সাহিত্য ও বিজ্ঞানে এ ধারার লেখা বিরল, দ্বিতীয়টি নেই। সাহিত্য ও বিজ্ঞানের যৌথ মিলনধারায় জীবনের অনিবার্য পরিণতিগুলো সমাধানের আলোয় আমাদের সামনে বিমূর্ত হয়ে ওঠে। নিপুণ শব্দ-কারিগর মোহিত কামাল মনের নানান প্রেক্ষাপটের ওপর দিয়ে ছুটে গেছেন।দেহমনের ঘূর্ণির দাপট, ভ্রমণবিলাসী মনের মূল উপাদান, টিনএজ মনের গতি -প্রকৃতি-টিনএজ দানব, টিনএজ মনের বিদ্রোহ এবং টিনএজ দুঃখ-কষ্ট ও তারুণ্যের ভালবাসা, মন না-মানার মনোজগতের দুরন্ত দোলা্ মাদকাসক্ত জন, আসক্ত জনের পরিবারও পেয়ে যাবেন করণীয় কর্তব্য সম্পর্কে দিকনির্দেশনা। হৃদরোগী, ডায়াবেটিস রোগী, একজন পথচারীও জীবনের খণ্ডচিত্রের মনোবিশ্লেষণে পেয়ে যাবেন অনেক জিজ্ঞাসার উত্তর।নারীর মনোবিশ্লেষণ চমৎকারভাবে উঠে এসেছে। গৃহবধুর স্বামীর অফিসে রূপবতী পিও কিংবা। দাম্পত্য সন্দেহ-বিশ্বাস, নারী নির্যাতন এবং কর্মজীবী নারী-স্বরূপও স্পষ্ট ভাষায় তিনি তুলে ধরেছেন। সমস্যা চিহ্নিত করেছেন, সমাধানের সহজ পথও পেয়ে যাবেন পাঠক।মনের টেনশন কমানোর ৯টি উপায় জীবনচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। সবশেষে পাঠক দেখতে পাবেন আবেগের টানে কীভাবে ছুটে চলে যুবকের মন, তরুণীরা কীভাবে ফাঁদ পাতে ভুবনে, সম্পূর্ণ গল্পের মাধ্যমে উত্তরটি পেয়ে যাবেন পাঠক। সূচিপত্র *মনের কষ্ট, মনের দহন : জীবনযন্ত্রণা *মনের আগুন : দেহমনে ঘূর্ণি *ভ্রমণবিলাসী মন : সুস্থ মন সুস্থ দেহের সন্ধানে *টিনএজ মনের গতি-প্রকৃতি *কিশোরী মনে যাতনা : সমস্যা ও সমাধান *তারুণ্যর ভালাবাসা *ক্রিকেট মন : সমালোচকের মনোবিশ্লেষণ *মাদকাসক্তের মনোবিশ্লেষণ : করণীয় *হৃদরোগী মনোবিশ্লেষণ * ডায়াবেটিস রোগীর মনোবিশ্লেষণ * স্বস্থ্যসচেতন মানুষের মনোবিশ্লেষণ *পথচারীর মনোবিশ্লেষণ *চুরিরোগ ক্লেপ্টোম্যানিয়া : রোগীর মনোবিশ্লেষণ *নারী প্রসঙ্গ *ঈদে ক্রেতা, অভিনেতার মনোবিশ্লেষণ * মনের টেনশন : মনোবিশ্লেষণ *আবেগের টান : ছুটে চলে যুবকের মন'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9f0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মা',\n", " 'seo_url': 'মা-001',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *ভূমিকা *জীবনপঞ্জি *সংক্ষেপে উল্লেখযোগ্য রচনাপঞ্জি মা * প্রথম খণ্ড *দ্বিতীয় খণ্ড পরিশিষ্ট *মুখবন্ধ : মস্কো সংস্করণ (বাংলা) *উপসংহার : মস্তো সংস্করণ (বাংলা)'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9f4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বুদ্ধ ধর্ম ও দর্শন',\n", " 'seo_url': 'বুদ্ধ-ধর্ম-ও-দর্শন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ *ওপার বাংলায় বৌদ্ধধর্মের ওপর প্রচুর আলোচনা হয়েছে এবং বাংলা ভাষায়ও বেরিয়েছে অনেক। কিন্তু আমাদের দেশে বৌদ্ধধর্ম সম্বন্ধে এ পর্যন্ত বাংলা ভাষায় রচিত গ্রন্থ নেই বললে চলে। সেদিক বিচারে বুদ্ধ : ধর্ম ও দর্শণ গ্রন্থটির বিশেষ একটা গুরুত্ব আছে নিঃসন্দেহে। মনে রাখতে হবে যে, বৌদ্ধধর্ম অতিজাগিতকাতর ধারণা থেকে মুক্ত; এবং গৌতম বুদ্ধ এ জগতে বেঁচে থেকেই দুঃখ তেকে মুক্তিলাভের কথা বলেছেন। কিন্তু রচিত গ্রন্থসমূহে দেখা যায়, দুর্বোধ্য ভাষাগত কারণে বুদ্ধের শিক্ষা ও উপদেশকে জটিল করা হয়েছে এবং গৌতম বুদ্ধকে শুধু যে দৈব সত্তায় পরিণত করা হয়েছে তা নয়, নিজের মনোগত ব্যাখ্যার কারণে তাঁর প্রকৃত শিক্ষাকে বিকৃত করা হয়েছে।এখানে উল্লেখযোগ্য যে, বর্তমান গ্রন্থে সতর্কতার সাথে সহজ ভাষায় বৌদ্ধধর্ম ও দর্শনকে যৌক্তিকভাবে উপস্থাপন ও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।সেদিক থেকে গ্রন্থটির রয়েছে নতুনত্ব ও মৌলিকত্ব। গ্রন্থটির আরো একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য দিক হল অস্তিত্ববাদ, যৌক্তিক প্রত্যক্ষবাদ, মার্ক্সবাদ প্রভৃতি পাশ্চাত্য দার্শনিক আন্দোল এবং আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে বৌদ্ধধর্মের বিশ্লেষণ।‘বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্ম’ লেখাটি আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতি নির্ণয়ে একটি মূল্যবান সংযোজন। শিক্ষক, গবেষক, ছাত্র-ছাত্রী এবং সাধারণ পাঠকদের উদ্দেশে গ্রন্থটি প্রকাশিত হল। সূচিপত্র *দার্শনিক চিন্তার উৎপত্তি প্রসঙ্গে *বুদ্ধ কে? *হীনযান ও মহাযান *বৌদ্ধদর্শন *বৌদর্শনে যুক্তি *বুদ্ধ ও দার্শনিক তত্ত্ব *বৌদ্ধদর্শন ও ডাইলেকটিক্যাল বস্তুবাদ *বুদ্ধ ও যৌক্তি প্রত্যক্ষবাদ *অস্তিত্ববাদ ও বৌদ্ধদর্শন *বৌদ্ধধর্ম ও বিজ্ঞান *বিপ্লবী বুদ্ধ *বৌদ্ধধর্মে নৈতিকতার ধারণা *বৌদ্ধধর্মে আত্মার ধারণা *বুদ্ধ ও সার্ত : আত্মা প্রসঙ্গ *শ্রীরামকৃষ্ণের মানবতাবাদ ও বৌদ্ধধর্ম *বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্ম *মানবতাবাদ : বুদ্ধ, সার্ত ও মার্ক্স *গ্রন্থপঞ্জি *নির্ঘণ্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9f8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হাজার বছরের ঢাকার চিত্রকলা ঢাকাই মসলিন',\n", " 'seo_url': 'হাজার-বছরের-ঢাকার-চিত্রকলা-ঢাকাই-মসলিন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ “শিল্পীকে হাতে হবে আয়নার মতো এবং সার্বজনীন অর্থাৎ এই বিশ্বে যত রকম আকৃতি আছে সবকিছু তাঁর সৃষ্টিতে তুলে আনতে হবে।তবেই সক্ষম হবেন শিল্পী। চিত্রকরের আত্মা হবে স্বচ্ছ।প্রতিবিম্বত হবে তাঁর রূপ।যে বস্তুটির ছায়া পড়ছে তাঁর ওপর তারই রঙ ধারণ করবে শিল্পীর চিত্রকর্ম।” সূচিপত্র *ঢাকার চিত্রকলা *প্রাচীন আমল *কোম্পানি আমল *পাকিস্তানি আমল *বাংলাদেশী আমল *উপসংহার *ঢাকাই মসলিন *গ্রন্থসূত্র'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9fa',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মোখলেস ভাই উপাখ্যান',\n", " 'seo_url': 'মোখলেস-ভাই-উপাখ্যান',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আজব চরিত্র মোখলেস ভাই। মেসে থাকেন। আদু ভাই। ‘সর্বজ্ঞানী’ এই বড়ভাই মেসের সবার সমস্যার সমাধান দিতে পারেন! বিশেষত হৃদয়ঘটিত সমস্যা সামাধানে তিনি খুবই পারদর্শী -এতটা তার দাবি। বিনিময়ে তাকে কোনো হোটেলে পেটপুরে খাওয়াতে হবে।খেলে নাকি তার বুদ্ধি বাড়ে! তার বুদ্ধিতে চলতে গিয়ে ঘটে মজার মজার সব ঘটনা। খসরু। মোখলেস ভাইয়ের রুমমেট। সে তার ক্লাসমেট নিতুর প্রেমে একতরফাভাবে হাবুডুবু খাচ্ছে। আর নিতু-খসরুকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরানোতেই তার আনন্দ বেশি! মোখলেস ভাই, খসরু, নিতু-এই ত্রয়ীকে ঘিরে রয়েছে আরো কিছু চরিত্র ইমন, সুদেব, কাওসার, রোহিত। সবার অংশগ্রহণে মেসে ঘটে হাস্যরসাত্মক সব ঘটনা-যা আপনাকে নিজের মেস জীবনের কথা মনে করিয়ে দেবে। নিয়ে যাবে অন্য এক মজার জগতে যাবেই। সূচীপত্র *ইসভার্টেড কমা *সানগ্লাস বৃত্তান্ত *লুঙ্গি *ভালবাসা ও ব্যায়াম *সিনেমা দেখা *গরম পর্ব *ডিম পর্ব *মোবাইল বৃত্তান্ত *বেল্ট পর্ব *সিঙ্গারা *খিচুড়ি *দাওয়াত *তত্ত্বাবধায়ক পর্ব *থার্টি ফার্স্ট নাইটের পিকনিক *চোর *গন্ধ *বমি *বিবাহ পর্ব'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9fc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মেঘ বলেছে যাব যাব (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'মেঘ-বলেছে-যাব-যাব',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মেঘ বলেছে যাবো।আকাশের মেঘেরা কি কথা বলে? তারা কি যেতে চায় কোথাও? তারা কোথায় যেতে চায়? বর্ষান ঘন কালো আকাশের দিকে তাকিয়ে চিত্রলেখার হঠাৎ এই কথা মনে হল। দশ-বার বছরের কিশোরীর মনে এর রকম একটা চিন্তা আসতে পারে, চিত্রলেখার বয়স পঁচিশ। এ রকম উদ্ভট তার জন্যে স্বাভাবিক নয়। তবুও কেন জানি নিজেকে তার মেঘের মতো মনে হয়। তার কোথায় জানি যেতে ইচ্ছা করে। এ রকম ইচ্ছা তো সব মানুষেরই কবে। সব মানুষের ভেতরই কি তাহলে এক টুকরা মেঘ ঢুকে আছে, যে কেবলি কোথাও যেতে চায়? ভূমিকা অনেকদিন থেকে লেখালেখি করতে পারছিলাম না। কাগজ-কলম নিয়ে বসি-ঘন্টাখানিক পার হয় উঠে আসি। কাগজে নানাবিধ চিত্রকলা দেখা যায়। সেইসব চিত্রকর্ম দেখে আমার পুত্র নুহাশ খুব আহ্লাদিত হলেও অন্যরা আমার দিকে কেমন কেমন করে যেন তাকায়। এক সময় লিখতে শুরু করলাম। খুবই অনাগ্রহ দিনে লেখা। যেন আনন্দময় লেখা নয় বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেবার জন্যে টার্ম পেপার তৈরি করছি। লেখাটা এগোতে লাগল একটু অদ্ভুত ভঙ্গিতে, সবাই প্রথম চ্যাপ্টার লিখে দ্বিতীয় চ্যাপ্টার লেখে তারপর যায় তৃতীয়তে। আমি শুরু করলাম উল্টো দিকে। প্রথম যে চ্যাপ্টারটা লেখা হল-এক সময় সেটা হয়ে গেল সপ্তম চ্যাপ্টার। যা শুরু হল আমাদের ময়মনহিংহের ভাষায় তাকে বলে-“বেরাছেড়া”। এক সময় সেই বেরাছেড়ার সমাপ্তি হল। প্রকাশক বন্ধু আলমগীর রহমান খুশি মনে পাণ্ডুলিপি ছাপতে নিয়ে গেলেন। লেখা কম্পোজ এবং প্রুফ দেখা শেষ হবার পর যখন ছাপা শুরু হবে তখন আমি তাঁকে বললাম- কয়েকটা নাম পাল্টে দিতে হবে। নামগুলো উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সঙ্গে যাচ্ছে না। তিনি মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন। সঙ্গত যুক্তি দেখালেন-নামের সঙ্গে চরিত্রের সম্পর্ক কী? একই নাম অথচ চরিত্রের আকাশ-পাতাল পার্থক্য তো সব সময় দেখা যায়। অকাট্য যুক্তি-কিন্তু লেখালেখির জগৎটা হিমুর জগতের মতো যেখানে যুক্তি সব সময় খাটে না। নাম পাল্টানো হল। তখন আমি বললাম, বইয়ের নামও আমি পাল্টেছি। তিনি দ্বিতীয়বার মাথায় হত দিয়ে বসে পড়লেন। কারণ প্রচ্ছদ হয়ে গেছে। আবার নতুন নামে প্রচ্ছদ হল। বই বের হয়ে গেছে। এখন আমার বইয়ের বর্তমান নামটাও পছন্দ হচ্ছে না। মনে হচেছ আগের নামটাই ভালো ছিল। তারচেয়েও মজার ব্যাপার-চরিত্রগুলোর আগে যে নাম ছিল এখন মনে হচেছ সেই নামগুলোই ঠিক ছিল। হুমায়ূন আহমেদ ৩১ জানুয়ারি’ ৯৭'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cc9fe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দেবী',\n", " 'seo_url': 'দেবী',\n", " 'description': \"মাঝরাতের দিকে রানুর ঘুম ভেঙে গেল। | তার মনে হল ছাদে কে যেন হাঁটছে। সাধারণ মানুষের হাঁটা নয়, পা টেনেটেনে হাঁটা। সে ভয়ার্ত গলায় ডাকল, 'এই, এই।' আনিসের ঘুম ভাঙল না। বাইরে টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে। অল্প-অল্প বাতাস। বাতাসে জামগাছের পাতায় অদ্ভুত এক রকমের শব্দ উঠছে। রানু আবার ডাকল, এই, একটু ওঠ না। এই।। ‘কী হয়েছে? কে যেন ছাদে হাঁটছে। ‘কী যে বল! কে আবার ছাদে হাঁটবে? ঘুমাও তাে। প্লীজ, একটু উঠে বস। আমার বড় ভয় লাগছে।' আনিস উঠে বসল। প্রবল বর্ষণ শুরু হল এই সময়। ঝমঝম করে বৃষ্টি। জানালার পর্দা বাতাসে পতপত করে উড়তে লাগল। রানু হঠাৎ দেখল, জানালার শিক ধরে খালিগায়ে একটি রােগামতাে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। মানুষটির দু'টি হাতই অসম্ভব লম্বা। রানু ফিসফিস করে বলল, 'ওখানে কে? ‘কোথায় কে? ‘ঐ যে জানালায়। ‘আহ্, কী যে ঝামেলা কর! নারকেল গাছের ছায়া পড়েছে। ‘একটু বাতিটা জ্বালাও না। ‘রানু, তুমি ঘুমােও তাে।' আনিস শোবার উপক্রম করতেই ছাদে বেশ কয়েক বার থপথপ শব্দ হল। যেন কেউ-একজন ছাদে লাফাচ্ছে। রানু চমকে উঠে বলল, 'কিসের শব্দ হচ্ছে?\"},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca00',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিমু মামা',\n", " 'seo_url': 'হিমু-মামা',\n", " 'description': '\"হিমু মামা\" বইটি সম্পর্কে কিছু কথা: হুমায়ুন আহমেদের সৃষ্ট একটি চরিত্র হচ্ছে \\'হিমু\\'। শিরোনামে \\'হিমু\\' কথাটি থাকলেও এই বইয়ে হিমু চরিত্রের উপস্থিতি নেই কোথাও। বইটির কাহিনী \\'শুভ্র\\' নামের একটি ছেলেকে কেন্দ্র করে, যে \\'হিমু\\' হওয়ার চেষ্টা করে এবং তা করতে গিয়ে বিভিন্ন মজার ঘটনা ঘটায়। শুভ্রের ভাগ্নে \\'টগর\\' এসব ঘটনা ডায়েরিতে লিখে রাখে; আর এখানে থেকেই বইটির নাম দেয়া হয়েছে হিমু মা'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca02',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পিপলী বেগম',\n", " 'seo_url': 'পিপলী-বেগম',\n", " 'description': \"তারা তিন বােন – তিলু, বিলু, নীলু। সবচে' বড় হল তিলু, সে ভিকারুননেসা স্কুলে ক্লাস সেভেনে পড়ে। খুব শান্ত মেয়ে।। তারপর বিলু, সেও ভিকারুননেসা স্কুলে পড়ে। ক্লাস থ্রী। সে মােটেও শান্ত না। দারুণ হৈচৈ করে। কদিন আগে সিড়ি থেকে পড়ে হাত ভেঙেছে। ভাঙা হাত প্লাস্টার করে এখন তার গলায় ঝােলানাে। বিলু খুব খুশি। হাতের প্লাস্টারে ছবি আঁকতে পারছে। সবচে’ ছােট নীলু। এবার তার স্কুলে ভর্তি হবার কথা ছিল। অনেক কষ্টা স্কুলে টেস্ট দিয়েও অ্যালাউ হয় নি। নীলু খুব কেঁদেছিল। নীলুর বাবা মতিন সাহেব বলেছেন - মা, পচা স্কুলগুলিতে তােমাকে পড়তে হবে না। আমিই তােমাকে পড়াব। নীলু অবাক হয়ে বলেছে, তুমি কী করে পড়াবে? তুমি তাে মাস্টার না। তুমি ডাক্তার।\"},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca0e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মৃত্যুর আগে জীবনের সংগীত',\n", " 'seo_url': 'মৃত্যুর-আগে-জীবনের-সংগীত',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দোর্দন্ড প্রতাপের আঁচ থেকে বাইরে অবস্থান করে বাংলা কবিতায় যে নতুন পাঠকরুচির জন্ম দেন জীবনানন্দ দাশ, তার স্বীকৃতি পেতে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয় জীবনের অন্তিম বছরগুলো পর্যন্ত। মৃত্যুর ডপর উভয় বাংলায় ব্যক্তি ও কবি জীবনানন্দকে আবিষ্কার এবং মূল্যায়নের বহুল প্রয়াস পরিলক্ষিত হয়। সে সব কাজের ওপর ভিত্তি করে মোট পাঁচটি বিশ্লেষণধর্মী লেখা এ গ্রন্থ সংকলিত । বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের অন্যতম পুরুষদের একজন, হাসান আজিজুল হকের গল্পের কিছু স্বল্প আলোচিত বৈশিষ্ট্য নিয়ে আছে আরও তিনটি রচনা। এ ছাড়া অনিবার্যভাবে রবীন্দ্রনাথ ও তাঁর ‘আফ্রিকা’ কবিতা, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, শওকত ওসমান, পার্ল এস বাক –এই তিন লেখকের উপন্যাস জননী এবং দুই বিদেশী লেখকের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে গুটিকয় লেখাও সন্নিবেশিত হল। আগ্রহী পাঠক এই সংকলনটি থেকে নতুন কিছু ভাবনার উপাদান খুঁজে পেতে পারেন। ভূমিকা বিভিন্ন সময়ে লেখা অকিঞ্চিৎকর প্রবন্ধ গুলো নানা পত্র পত্রিকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা এক সময় হয়তো হারিয়ে যেত, যদি না বইমেলাকে উপলক্ষ করে প্রকাশক মহলের উৎপাদনস্পৃহার উদ্দীপনা আমার মধ্যেও সংক্রমিত হত। তবে নানান জায়গা ছাপা হওয়া সে সব লেখা জড়ো করা খুব সহজ কাজ ছিল না। শেষ পর্যন্ত খুঁজে নেওয়ার কাজটি সমাধা হলে টাইপ করানো লেখাগুলো কোনো সংশোধনী ছাড়াই বছর দুয়েক শীতঘুমে পড়ে থাকার কারণে মূল কপি যায় হারিয়ে। ফলে টাইপিস্টের ভুল এবং ছেড়ে দেওয়া পঙক্তিগুলো স্মরণে এনে সংশোধন করার প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্ধন ও পরিমার্জনার প্রয়োজন পড়ে। এ ছাড়াও দীর্ঘদিন আগে প্রকাশিত কয়েকটা লেখার সাথে করতে হয়েছে উল্লেখযোগ্য সংযোজন । তবে এসব কোনো আয়াসসাধ্য কাজ ছিল না। কিন্তু প্রকৃতই বিপাকে পড়তে হয় হাসান আজিজুল হকের গল্পের উদ্ধৃতিগুলো সম্পাদান করার সময়। গল্পগ্রন্থগুলোর সংস্করণ আছে একাধিক, আবার বিভিন্ন সংকলনেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশনা থেকে। এ সব সংস্করণে বানানের ভিন্নতা ছাড়াও কোনো কোনো ক্ষেত্রে একই গ্রন্থে একই শব্দের অভিন্ন বানানরীতিও রক্ষা করা হয়নি। এমন এক বিভ্রান্তিকর অবস্থার সুযোগে পরবর্তী সংস্করণে বাদ দেওয়া অথচ আমার পছন্দের কিছু বাক্যাংশ আমি উদ্ধৃতি থেকে ছেঁটে ফেলিনি। এই গ্রন্থে তাঁর গল্পের উদ্ধৃত অংশগুলোতে বানান এবং কিছু বাক্যাংশের ভিন্নতাদৃষ্টে বিভ্রান্তি অপনোদনের জন্য এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশা করি। লেখাগুলো সম্পাদনার সময় নানানভাবে সাহায্য করার জন্য সসময়ের সুহৃদয় ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, অনুজপ্রতিম জাফর আহমদ রাশেদ ও মেসবাহউদ্দীন চৌধুরী এবং সাদিয়া মহাজীবনের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। আর ,প্রবন্ধের বইয়ের মতো চাহিদা বিহীন গ্রন্থ প্রকাশের আগ্রহ প্রকাশ করে অবসর প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার আলমগীর রহমান যথেষ্ট সাহসের পরিচয় দিয়েছেন, তাঁকে ধন্যবাদ জানানোটা তাঁর অবদানের তুলনায় হবে অতি নগণ্য। বিনীত ফারুক মঈনউদ্দীন বনানী ,ঢাকা। সূচিপত্র * ‘আফ্রিকা’ : সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতায় রবীন্দ্রনাথ * সেই আট বছর আগের একদিন * মৃত্যুর আগে জীবনের সংগীত * আলোচিত ও বিতর্কিত ‘ক্যাম্পে’ * প্রেম-অপ্রেম, দারিদ্র্যে ও দাম্পত্য জীবনানন্দ * ‘মাল্যবান’ : আত্নজীবনের নৈকট্য বিচার * তিন জননীর উপাখ্যান * প্রেম, যুদ্ধ ও জীবন : কবি সেন্দর পেতোফি * মিসরীয় সমাজবিকৃতির দলিল ‘ইমারাৎ ইয়াকুবিয়ান’ * হাসান আজিজুল হকের অমরণীয় রমণীরা * হাসান আজিজুল হকের অদ্ভুত আঁধার ভূবন * হাসান আজিজুল হকের গল্পের ভূগোল'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca10',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভাষা দর্শন (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'ভাষা-দর্শন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বর্তমান গ্রন্থটিতে সাম্প্রতিক কালের ভাষা দর্শনের প্রধান মতবাদসমূহের আলোচনার প্রয়াস নেয়া হয়েছে। অর্থতত্ত্বের (Semantics) সবচেয়ে জনপ্রিয় মতবাদ, অর্থের নির্দেশমূলক মতবাদরে আলোচনা ছাড়াও অন্য যেসব মতবাদ সমুহের আলোচনা এ গ্রন্থে করা হয়েছে তা হলো ফ্রেগে ও রাসেলের বর্ণমূলক নির্দেশনা মতবাদ, মিল কৃপকির প্রত্যক্ষ নির্দেশমূলক মতবাদ, ডোনেলান ও \\u200dকৃপকির কারণিক ঐতিহিাসিক মতবাদ, লকের ধারণাগত মতবাদ, ব্লুমফিল্ড ও মরিসের আচরণবাদী মতবাদ, টারস্কি ও ডেভিডসনের সত্য মান-শর্ত মতবাদ এবং যোক্তিক প্রত্যক্ষবাদীদের যাচাইযোগ্যতা নীতি। ভাষা দর্শনের আলোচনায় ভিটগেনস্টাইন একটি সুপরিচিত নাম। এ দর্শনের দুটি ধারারই (কৃত্রিম ভাষার ধারা এবং সাধারণ বা প্রাকৃতিক ভাষার ধারা) প্রতিফলন পরিলক্ষিত হয় তাঁর দার্শনিক চিন্তাধারায়। ভিটগেনস্টাইনের ভাষা দর্শনের সংক্ষিপ্ত আলোচনা এ গ্রন্থে করা হয়েছে। প্রয়োগতত্ত্বের (Pragmatics) একটি প্রধান প্রত্যায় হলো ‘বাচন ক্রিয়া’ বা (Speech Act) এবং এই ‘বাচন ক্রিয়া’ মতবাদের বিভিন্ন রুপ নিয়ে অস্টিন ,সার্ল ও গ্রাইসের মতের আলোচনা এ গ্রন্থে স্থান পেয়েছে। পরিশেষে ,অর্থের বিভিন্ন মাত্রা,যথা, অস্পষ্টতা,দ্ব্যর্থকতা ও রূপকের স্বরুপ আলোচনার মধ্য দিয়ে এ গ্রন্থেটির পরিসমাপ্তি টানা হয়েছে। সূচিপত্র * প্রসঙ্গ কথা * ১-ভাষা দর্শন :স্বরুপ ও ক্রমবিকাশ * ২- অর্থ ও নির্দেশনা অর্থের নির্দেশ মূলক মতবাদ স্বকীয় নাম, নির্দিষ্ট বর্ণনা ও অর্থপূর্ণতা বর্ণনামূলক নির্দেশনা মতবাদ: ফ্রেগে ,রাসেল ,সার্ল রাসেলের বর্ণনাতত্ত্ব প্রত্যক্ষ নির্দেশমূলক মতবাদ: মিল ,মার্কাস কৃপকি কারণিক-ঐতিহাসিক মতবাদ: ডোনেলান,কৃপকি * ৩- অর্থসংক্রান্ত অন্যান্য মতবাদ: অর্থের ধারনাগত বা ভাবনামূলক মতবাদ:লক অর্থের আচরণবাদী মতবাদ: ব্লুমফিল্ড,মরিস সত্য-মানশর্ত হিসেবে অর্থপূর্ণতা:টারস্কি,ডেভিডসন * ৪- যৌক্তিক প্রত্যক্ষবাদ এবং অর্থের যাচাই যোগ্যতার মানদন্ড যৌক্তিক প্রত্যক্ষবাদ এবং ভিটগেনস্টাইন ট্র্যাকটেটাস অর্থের যাচাইযোগ্যতার মানদন্ড: কারনাপ ,এয়ার * ৫- লুডভিগ ভিটগেনস্টাইনের ভাষা দর্শন * ট্র্যাকটেটাস এবং অর্থের চিত্রতত্ত্ব পরবর্তী ভিটগেনস্টাইনের অর্থসংক্রান্ত ব্যবহার বা প্রয়োগ মতবাদ * ৬-অর্থসংক্রান্ত বাচনক্রিয়া মতবাদ * জে. এল অস্টিন জন সার্ল পল গ্রাইস * ৭- অর্থের বিভিন্ন মাত্রা অস্পষ্টকতা দ্ব্যর্থকতা রূপক * পরিভাষা * গ্রন্থপঞ্জি * নির্ঘণ্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca12',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ব্যবহারিক নীতিবিদ্যা (তৃতীয় সংস্করণ)',\n", " 'seo_url': 'ব্যবহারিক-নীতিবিদ্যা-তৃতীয়-সংস্করণ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ পিটার সিঙ্গার একজন সব্যসাচী এবং সৃজনশীল লেখক। তার জন্ম ১৯৪৬ সালের ৬ জুলাই অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে । বিংশ শতা্ব্দীর নীতিদর্শনের বিকাশে তাঁর নৈতিক অভিমত এবং নীতিবিদ্যার প্রকৃতি আলোচনা গুরুত্বপূর্ন প্রভাব সৃষ্টি করে। ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত তাঁর ব্যবহারিক নীতিবিদ্যা গ্রন্থটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং অচিরেই একটি ক্ল্যাসিক্স হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। গ্রন্থটিতে লেখক একটি উদার নৈতিক উপযোগবাদী দৃষ্টিকোণ থেকৈ সমকালীন গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক বিষয়াবলি সমর্থন করেন। এ কারণে গ্রন্থটি বিশেষজ্ঞ ও নব্য পাঠকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এগ্রন্থে তিনি সংক্ষিপ্ত আকারে নীতিবিদ্যার আলোচনা করেন। এবং উপযোগবাদের সঙ্গে এক ধরনের সমতাবাদের সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করেন। নৈতিক অবধারণের সর্বজনীনতা থেকে উপযো্গবাদের অবরোহন এবং চিরায়ত ও অগ্রাধিকার উপযোগবাদের প্রতি তাঁর আকর্ষণ অবশ্য ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে। গ্রন্থটি প্রথাগত বা প্রচলিত নীতিবিদ্যার বিরুদ্ধে একটি চ্যালেঞ্জ স্বরুপ। যেমন,তাঁর ব্যক্তি সম্পর্কে ধারনা এ কথাই প্রমাণ করে যে কিছু কিছু উচ্চতর প্রাণীর জীবনের মূল্য কিছু কিছু মানুষের জীবনের মূল্যের সমান বা তার চেয়েও অধিক। এ ছাড়া কৃপাহত্যা, গর্ভপাত ,শিশুহত্যা ইত্যাকার বিষয়গুলো উপযোগবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে সমর্থন যোগ্য। তাই এতে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই যে তাঁর এসমস্ত মতবাদ একদিকে জনপ্রিয় এবং অন্যদিকে দার্শনিক সমালোচনার সৃষ্টি করে। তিনি এই গ্রন্থে সমতা এবং এর তাৎপর্য , মানবেতার প্রাণীর অপহরণ, হত্যা, গর্ভপাত ,ধনী ও দরিদ্র ,জলবায়ু ,পরিবেশ ,সহিংসতা ,আইন অমান্য আন্দোলন ও সন্ত্রাসবাদ এবংআমি কেন নৈতিক ভাবে কাজ করব ইত্যাদি বিষয় নিয়ে সুন্দর ও সাবলীল আলোচনা করেন। সিঙ্গার বর্তমান সময়কার সবচেয়ে আলোচিত,সমালোচিত,নন্দিত ও নিন্দিত দার্শনিক। সূচিপত্র * ভূমিকা অধ্যায়-১: নীতিবিদ্যা প্রসঙ্গে * অধ্যায়-২: সমতা ও এর তাৎপর্য * অধ্যায়-৩: মানবেতার প্রাণীর সমতা? * অধ্যায়-৪: হত্যা কিভাবে অন্যায়? * অধ্যায়-৫: প্রাণহরণ: মানবেতর প্রাণী * অধ্যায়-৬: প্রাণহরণ:গর্ভপাত * অধ্যায়-৭: প্রাণহরণ:কৃপাহত্যা * অধ্যায়-৮: ধনী এবং দরিদ্র * অধ্যায়-৯: জলবায়ু পরিবর্তন * অধ্যায়-১০: পরিবশে * অধ্যায়-১১: আইন অমান্য আন্দোলন,সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদ * অধ্যায়-১২: কেন নৈতকি ভাবে কাজ করবো? * টীকা-টিপ্পনী,তথ্যনির্দেশ এবং অতিরিক্ত পাঠের তালিকা * পরিভাষা * নাম-নির্ঘন্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca14',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ইতিহাস ও ঐতিহাসিক',\n", " 'seo_url': 'ইতিহাস-ও-ঐতিহাসিক',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘ইতিহাস ও ঐতিহাসিক’ শিরোনামের এই গ্রন্থটি বিষয়বস্তুর দিক থেকে দুই ভাগে বিভক্ত। ‘ইতিহাস’ অংশটি মূলত ইতিহাসতত্ত্ব বিষয়ক আলোচনা। আর দ্বিতীয় অংশটি কয়েকজন নির্বাচিত ঐতিহাসিক ও তাঁদের রচনার মূল্যায়ন। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিষয়ে এই গ্রন্থটি একটি কোর্সের পরিপূরক। একসময় এ ধারার কোর্স ইতিহাসতত্ত্ব নামে পরিচিত ছিল। পরে পাঠক্রমে কিছুটা পরিবর্তন এনে ইতিহাস ও ঐতিহাসিক শিরোনামে বিষয়টি সাজানো হয়েছে। মূলত ইতিহাস পঠন পাঠনের তাত্ত্বিক বিষয় ঐতিহাসিকদের গুরুত্বপূর্ণ রচনার পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে ইতিহাস বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্পষ্ট করার চিন্তা থেকে এই কোসের পাঠক্রম বিন্যাস করা হয়েছে। তাত্ত্বিক ধারার গ্রন্থ অনেক পাঠকের কাছে কিছুটা জটিল মনে হতে পারে । এ কারণে একটি তথ্যসমৃদ্ধ সুখপাঠ্য গ্রন্থের অভাব বোধ করছিলেন শিক্ষার্থীগণ ও শিক্ষকগন। এই অভাব পূরণের একটি বিনীত চেষ্ট রয়েছে বর্তমান গ্রন্থটিতে। নয়টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত এই গ্রন্থের প্রথম আট অধ্যায়ের ইতিহাসতত্ত্বের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তথ্যসমৃদ্ধ এই অধ্যায়গুলো সাবলীল ভাষাশৈলীর কারণে সুখপাঠ্য হয়ে উঠেছে। তথ্য বিশ্লেষণে বিশ্ব ইতিহাসের পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাসের নানা দিক থেকে উদাহারণ উপস্থাপন করায় বিষয়বস্তু পাঠকের কাছে হয়েছে অনেক বেশি হৃদয়গ্রাহী। সিলেবাসের শাসন সংযোজন করা হয়েছে। যাতে ইতিহাসের পাশাপাশি প্রত্নতত্ত্ব ও নৃততত্ত্বের শিক্ষার্থীদের চাহিদাও মেটানো যায়। ঐতিহাসিকদের মূল্যায়ন করতে গিয়েও এই গ্রন্থ সিলেবাসে আটকে থাকে নি। আধুনিক সময়ে ইতিহাস ,নৃতত্ত্ব ও প্রত্নতত্ত্ব চর্চা্য় বিশেষ অবদান রাখা কয়েকজন ব্যক্তিত্ব ও তাদের রচনা নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এভাবে ‘ইতিহাস ও ঐতিহাসিক’ সার্বিক বিচারে একটি পূর্না্ঙ্গ গ্রন্থের অবয়ব লাভ করেছে।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca16',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ভারতীয় ও পাশ্চাত্য জ্ঞানবিদ্যা',\n", " 'seo_url': 'ভারতীয়-ও-পাশ্চাত্য-জ্ঞানবিদ্যা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ জ্ঞানবিদ্যা (Epistemology)দর্শনের প্রাচীনতম ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা। জ্ঞানের উৎপত্তি ,সীমা,সম্ভাবনা ,নিশ্চয়তা ,বৈধতা ,যথার্থতা ইত্যাদি জ্ঞান বিদ্যার আলোচ্য বিষয়। এ গ্রন্থে ভারতীয় নয়টি দার্শনিক সম্প্রদায় এবং পাশ্চাত্য দর্শনের প্রাচীন –মধ্য-আধুনিক যুগের প্রখ্যাত দার্শনিকদের জ্ঞানোৎপত্তি বিষয়ক মতবাদ আলোচিত হয়েছে। এছাড়া আনুমানিক খ্রি.পূ. ৭00 অব্দেরও আগের প্রাচীন ভারতীয় দার্শনিক সম্প্রদায় চার্বাক এভং আধুনিক পাশ্চাত্য দার্শনিক ডেভিড হিউম (১৭১১-১৭৭৬) এর জ্ঞানতত্ত্ব বিস্তারিত আলোচনা করে ভারতীয় ও পাশ্চাত্য জ্ঞানবিদ্যায় যথাক্রমে এঁদের স্থান নির্ণয় করা হয়েছে। চার্বাক ও হিউমের জ্ঞানতত্ত্বের তুলনামলক আলোচনাও এ গ্রন্থে রয়েছে। পাঠকবৃন্দ্র এ্র গ্রন্থে জ্ঞানবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে দর্শনের ইতিহাস পা্ঠ করার সুযোগ পাবেন,বিজ্ঞানের ভিত্তি অভিজ্ঞতাবাদের ঐতিহাসিক রূপলেখার সঙ্গে পরিচিত হবেন, ভারতীয় জ্ঞানবিদ্যার অকল্পনীয় সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হবেন, এবং প্রাচীন ভারতের জড়বাদী ও অভিজ্ঞবাদী বিতর্কিত দার্শনিক গোষ্ঠী চার্বাকদের সঙ্গে আধুনিক পাশ্চাত্যের সংশয়বাদী দার্শনিক ডেভিড হিউমের জ্ঞানতত্ত্বের তুলনা করতে সমর্থ হবেন। বাংলা ভাষায় তুলানামূলক দর্শনের আলোচনায় এ গ্রন্থের স্থান অনন্য। গ্রন্থটি ছাত্রছাত্রী ,দর্শনানুরাগী পাঠক ও গবেষকদের চাহিদা পূরণ করবে। সূচিপত্র * প্রথম অধ্যায়: ভারতীয় জ্ঞানবিদ্যা * দ্বিতীয় অধ্যায়: চার্বাক জ্ঞানবিদ্যা * তৃতীয় অধ্যায়: পাশ্চাত্য জ্ঞানবিদ্যা * চতুর্থ অধ্যায়: হিউমের জ্ঞানবিদ্যা * পঞ্চম অধ্যায়: চার্বাক ও হিউম: তুলনামূলক সমীক্ষা * ষষ্ঠ অধ্যায়: উপসংহার * গ্রন্থপঞ্জি * পরিভাষা'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca18',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গুরু সক্রেটিস',\n", " 'seo_url': 'গুরু-সক্রেটিস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মানবের জীবন প্রবাহে নীতি বোধর প্রতিনিধিত্ব করে বিবেক। ঠিক একই ভাবে একটি জাতির জীবনযাত্রায় মহাত্নাগণ বিবেকের অনুরূপ দায়িত্ব পালন করেন। সেমিটিক জাতির মানুষেরা এসব অবতার এবং গ্রিকরা বলেছেন দার্শনিক। সঙ্গোলীয় গোষ্ঠীর মানুষেরা তাদের গ্রহণ করেছেন মহান শিক্ষক হিসেবে। প্রাচীন গ্রিক দার্শনিকদের মধ্যে যিনি জগৎব্যাপী খ্যাতি অর্জন করে ভাববাদের জনক হিসেবে আসন দখল করে আছেন সেই প্লেটো। সক্রেটিসকে অভিহিত করেছেন শুরু হিসেবে। আধুনিক পাশ্চাত্য সভ্যতায় গ্রিক দর্শন ও জীবন বোধ মূল ভূমিকা পালন করে আসছে। গ্রিক দর্শন ও মুসলিম সভ্যতাকে প্রভাবিত করেছে। মুসলিম সভ্যতা আধুনিক পাশ্চাত্য সভ্যতার পুষ্টিসাধন করেছে। তাই গ্রিক,ইউরোপীয় ও মুসলমানদের নিকট সক্রেটিস আদর্শ দার্শনিকের আসনে উপবিষ্ট। সক্রেটিস গ্রিকদের কী শিখিয়েছিলেন, তার জীবনবোধ কেমন ছিল, মানুষের জীবনের উদ্দেশ্য ও মূল্য সম্পর্কে সক্রেটিসের ভাবনা এ গ্রন্থেটিতে আলোচিত হয়েছে। মানুষের নিকট সবচেয়ে ভীতিকর বিষয় হল মৃত্যুভীতি। সক্রেটিস মৃত্যুভীতিকে ভয়ের বিষয় না দেখে তিনি জীবনের জন্য অপরিহার্য মনে করতেন । ঈশ্বর সম্পর্কে তা দিব্যজ্ঞান ছিল। তিনি মনে করতেন যে ভালো সম্পর্কে জানে সে মন্দ কিছু করতে পারে না। তিনি সততা ও জ্ঞানকে পূন্য মনে করতেন।আত্না অমর এবং সৎকর্ম আত্নাকে অমরত্ব দান করে- এই বিশ্বাস সক্রেটিস পোষণ করতেন। তাই সক্রেটিসকে জানা দরকার। সূচিপত্র * অধ্যায়-১: গ্রিসের ভৌগলিক পরিচিতি * অধ্যায়-২: প্রাচীন গ্রিসের রাজনীতি * অধ্যায়-৩: এথেনীয় ধর্ম ২৭ * অধ্যায়-৪: প্রাচীন গ্রিকদের ধর্মীয় পুরা * ণ অধ্যায়-৫: প্রাচীন এথেন্সের সমাজ * অধ্যায়-৬: প্রাচীন গ্রিসের যৌণতা * অধ্যায়-৭: সক্রেটিসের জীবন * অধ্যায়-৮: সক্রেটিসের আধ্যাত্নিক জীবন * অধ্যায়-৯: সক্রেটিসের শিক্ষাপদ্ধতি * অধ্যায়-১০: শিক্ষাগুরু সক্রেটিস * অধ্যায়-১১: সক্রেটিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ * অধ্যায়-১২: সক্রেটিসের বিরুদ্ধে বিচার * অধ্যায়-১৩: সক্রেটিসের শিক্ষার মূল্যায়ন * অধ্যায়-১৪: ধর্মগুরু হিসেবে সক্রেটিসের মূল্যায়ন * পরিশিষ্ট: সক্রেটিসের জীবনের কালপঞ্জি * গ্রন্থপঞ্জি'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca1a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ম্যুওরের নীতিতত্ত্ব',\n", " 'seo_url': 'ম্যুওরের-নীতিতত্ত্ব',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ দর্শনের অন্যান্য শাখার মতো নীতিবিদ্যার ক্ষেত্রেও প্রশ্ন না বুঝে উত্তর দিতে গিয়ে অধিকাংশ সমস্যার জন্ম হয়েছে। একই কারণে নীতিদার্শনিকদের মধ্যে মতোভিন্নতারও সৃষ্টি হয়েছে। নীতিবিদ্যার এ সমস্যা সমাধানের জন্য জর্জ এডওয়ার্ড ম্যুওর আদর্শনিষ্ঠ নীতিবিদ্যার (Normative Ethics) চেয়ে পরানীতিবিদ্যার (Meta-ethics) ওপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তার Principia Ehica বিশ্লেষণী দৃষ্টিকোণ থেকে পরানীতিবিদ্যাগত আলোচনা । নৈতিক ধারণাবলির অর্থ বিশ্লেষণ এ গ্রন্থের বিষয়বস্তু। আর Principia Ehica গ্রন্থের কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয়সমূহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণই ম্যুওরের নীতিতত্ত্ব নামক বর্তমান গ্রন্থের মূল উদ্দেশ্য। ভালোত্ব (Goodness) ম্যুওরের নীতিতত্ত্বের কেন্দ্রীয় ধারণা। ভালোত্ব একটি অপ্রাকৃতিক গুন। কিন্তু ‘অপ্রাকৃতিক’ শব্দটির অর্থ কী? ‘প্রাকৃতিক’ ‘অতীন্দ্রিয়’ ইত্যাদি গুনের সঙ্গে এর সম্পর্ক কী? ভালোত্ব কী অন্তর্নিহিত?এবং , সবচেয়ে বড় কথা ,ম্যুওর কি তার নিজের আবিষ্কৃত প্রাকৃতিকীয় অনুপপত্তির দ্বারা নিজেই আক্রান্ত হয়েছেন? -এসব প্রশ্নের উত্তরই এ গ্রন্থের আলোচ্য হয়েছে। এই আলোচনাও বিশ্লেষণমূলক। তাই এ গ্রন্থ ম্যুওরের নীতিতত্ত্বের পরাবিশ্লেষণমূলক গ্রন্থ। পাঠকবৃন্দ এ গ্রন্থে যেমন ম্যুওরের নীতিতত্ত্বের কেন্দ্রীয় ধারণাবলির পরানীতিবদ্যাগত আলোচনার সঙ্গে পরিচিত হবেন তেমনি বিশ শতকের বিশ্লেষণী নীতিবিদ্যার স্বাদও উপভোগ করবেন। সূচিপত্র * মুখবন্ধ * ভূমিকা * প্রথম অধ্যায়: অপ্রাকৃতিক গুনাবলি বিষয়ক মতবাদ ১. নীতিবিদ্যার প্রতি ম্যুওরের দৃষ্টিভঙ্গি ২. অপ্রাকৃতিক গুনাবলি ৩. অতীন্দিয় গুনাবলি ৪. প্রাকৃতিকীয় অনুপপত্তি * দ্বিতীয় অধ্যায়: প্রাকৃতিক ,অপ্রাকৃতিক এবং অতীন্দিয় গুনাবলি ১. গুনাবলির ত্রিভাজন ২. অস্তিত্ব সম্পর্কে ম্যুওরের মত ৩. আধিবিদ্যক নীতিবিদ্যা ৪. একটি সাধারণ ভ্রান্ত ধারণা * তৃতীয় অধ্যায়: অনুগামী গুন হিসেবে ভালোত্ব ১. ভালোত্ব: একটি অনুগামী গুন ২. রস-এর মত ৩. অন্তর্নিহিত মূল্য হিসেবে ভালোত্ব ৪. অন্তর্নিহিত গুনাবলি এবং অন্তর্নিহিত মূল্য ৫. অপ্রাকৃতিক গুন ও উদ্ভূত গুন কি ভিন্ন? ৬. অন্তর্নিহিত মূল্য: ভালোত্ব ও সৌন্দর্য * চতুর্থ অধ্যায়: মূল্য-সৃজক গুনাবলির সঙ্গে মূল্যের সম্বন্ধ ১. এই সম্বন্ধ যা নয় ২. এই সম্বন্ধের স্বরুপ কী? ৩. এটি কি একটি যৌক্তিক অনিবার্যতা? * পঞ্চম অধ্যায়: অপ্রাকৃতিক গুন হিসেবে ভালোত্ব ১. ম্যুওরের সত্তাতত্ত্ব ২. অপ্রাকৃতিক গুনাবলি ৩. প্রত্যয়গত সত্তাসমূহ ৪. ভালোত্ব প্রকৃতি ৫. ম্যুওর কেন ‘অপ্রাকৃতিক’ পদটির উদ্ভাবন করেছেন ? ৬. অসাম্বন্ধিক সার্বিক হিসেবে ‘ভালোত্ব’ এবং প্রাকৃতিকীয় অনুপপত্তি * গ্রন্থপঞ্জি * পরিভাষা * নাম-নির্ঘিন্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca1e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আলেখ্য : জীবনানন্দ দাস',\n", " 'seo_url': 'আলেখ্য--জীবনানন্দ-দাস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মাত্র পাঁচটি কবিতার বই আর দেড়শোর সামান্য বেশি কিতাব রেখে যখন মারা যান জীবনানন্দ দাশ তখন কি কেউ জানতো কী অজস্র রত্মভাণ্ডার তাঁর উত্তরাধিকারীদের জন্য রেখে গেছেন তিনি? এই অপ্রত্যাশিত আবিষ্কারের মধ্যে রয়েছে তাঁর বর্ণিল গদ্যসম্ভার-অজস্র গল্প, উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি। সেই সঙ্গে অপ্রকাশিত অজস্র কবিতা। তো কী করে খোঁজ পাওয়া গেল কিংবা আবিষ্কৃত হল এই দুর্মূল্য রচনাসমূহ? ‘আলেখ্য : জীবনানন্দ’ শিরোনামের এই গ্রন্থে সব কিছুরই উত্তর পাবেন। চিকিৎসক ও কবি ভূমেন্দ্র গুহ জীবননান্দ পরিবারের সঙ্গে ছিলেন ঘনিষ্ঠ। কবির অকালমৃত্যুর পরেও দূরে সরে যান নি, বরং নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন জীবনানন্দের পাণ্ডুলিপি উদ্ধারে। গ্রন্থভুক্ত রচনাগুলোতে লেখক নিভৃতচারী এই কবির নিভৃতিলোকে পদচারণা করেছেন-যার সঙ্গী হবেন এই বইয়ের পাঠকরাও। সূচিপত্র *ওঁরা যখন থাকবেন না, আমিও থাকব না...... *ধূসর পাণ্ডুলিপি সারা আকাশ জুড়ে *মুখ নাকি তেমন ফোটোজিনিক ছিল না *ত্রস্ত নীলিমার থেকে রূপসী বাংলা *ধূসরতর সেই খাতাগুলি'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca20',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শ্রেষ্ঠ শিবরাম-২',\n", " 'seo_url': 'শ্রেষ্ঠ-শিবরাম-২',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * নিজের কথা/ শিবরাম চক্রবর্তী * প্রসঙ্গ শিবরাম/ বিষ্ণু বসু * জীবন ও রচনাক্রম/ অশোককুমার মিত্র আত্মজীবনী * ঈশ্বর পৃথিবী ভালবাসা উপন্যাস * মনের মতো বৌ * রক্তের টান নবোন্যাস * অথ দাম্পত্য-কথা গল্প * অথ ঘটোৎকচ কথা * ইচ্ছাপূরণ * ইনকিলাব জিন্দাবাদ * কালোবাজার * কুমারী স্বর্ণলতার স্বয়স্বর * গাছের বিড়ম্বনা * গান দিয়ে বাগানো * ঘোড়দৌড়ের গোপন খবর * চকরবরতিরা সহজ নয়! * চশমার ডাঁট * ছন্দঃপতন * জল পড়ে পাতা নড়ে * তিন ওয়ালা আর এক ওয়ালি * দেবতার জন্ম * ধাপে ধাপে শিক্ষালাভ * প্রজাপতির নির্বদ্ধ * প্রেম এবং দাঁত * প্রেমের পথ ঘোরাল * মূকং করোতি বাচালং * মেয়েলি-দর্শন * রূপং দেহি জয়ং দেহি * শিল্পের প্ররোচনা * শেষরক্ষা * শেষাদ্রির শেষ শিকার * সব মেয়েই সমান? * সুমিতাকে সামলানো কবিতা * মানুষের মূল্য * বিধাতার চেয়ে বড়ো * আজ হতে সহস্র বর্ষ পরে অতিথি এবং অন্যান্য কবিতা * অতিথি * যথাপূর্বম * পূর্বরাগ এবং পশ্চাত্তাপ * প্রেমের দিনপঞ্জি * উলেটো বুঝলি রাম? * বিযোগান্ত * আরেক অতিথি * তাজমহল তুমি এবং অন্যান্য কবিতা * তুমি * একটি মেয়ে * আয়না * ভোগবতী * শেষ প্রশ্ন * ইতিহাস * সূর্য-গোত্রা মাকার এবং অন্যা্ন্য কবিতা * মাকার * মহিষাসুর * শ্রীমান সত্যম শিবম ইত্যাদি সুচরিতেষু নাটক * চাকার নিচে * যখন তারা কথা বলবে প্রবন্ধ * চাকার নিচে * যখন তারা কথা বলবে প্রবন্ধ * মস্কো বনাম পণ্ডিচেরি রস-রচনা * ছাত্র-ছাত্রী-সংবাদ'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca24',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মিউটিনি অন দ্য বাউন্টি',\n", " 'seo_url': 'মিউটিনি-অন-দ্য-বাউন্টি',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * স্বর্গ দ্বীপে মজার মানুষ * বাউন্টির যাত্রা শুরু * নাবিকদের মধ্যে বিভেদ * প্রকাশ্য বিদ্রোহ * ব্লাইয়ের বর্ণনা ও প্রতিক্রিয়া * দুর্বল সমুদ্রযাত্রা * ডাঙায় নেমে রসদ যোগাড় * বিদ্রোহীদের খোঁজে * বিচার * কয়েক জনের মুক্তি * বাউন্টি-পরবর্তী জীবন এবং বিদ্রোহীরা * পরিণতি'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca32',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দৈনন্দিন লিপি',\n", " 'seo_url': 'দৈনন্দিন-লিপি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ অতি সম্প্রতি একটি দিনপঞ্জি বা ডায়েরি আবিষ্কৃত হয়েছে যার স্বত্বাধিকারী ও লেখিকা ছিলেন জীবনানন্দ দাশের জননী কুসুমকুমারী দাশ। কলকাতার খ্যাতনামা হৃদরোগ- বিশেষজ্ঞ ও শল্যবিদ ডাক্তার ভূমেন্দ্র গুহরায়, যাঁর লেখকনাম শুধুই ভূমেন্দ্র গুহত, জীবনানন্দ- পরিবারের সুহৃদ হিসেবে দীর্ঘকাল জীবনানন্দ-চর্চায় আত্মনিবেদিত। জীবনানন্দ-ভূমেন্দ্র উভয়েই বরিশারের সন্তান বলেই হয়কেতা নাড়ির টানে ওতপ্রোত জড়িত। কুসুমকুমারী দাশের এই ডায়েরি সর্বজনসমক্ষে জ্ঞাত করানোর জন্য বঙ্গভাষী সারস্বত সমাজ তাঁর নিকট অচ্ছেদ্য ঋণে আবদ্ধ রইল। সূচিপত্র * দৈনন্দিন লিপি * আমার মা : জীবনানন্দ দাশ * আমার বাবা : জীবনানন্দ দাশ * আমার মা-বাবা : জীবনানন্দ দাশ'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca38',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কাবাব লা-জবাব',\n", " 'seo_url': 'কাবাব-লা-জবাব',\n", " 'description': 'অনিচ্ছাকৃত ভুলক্রটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ রইল। বইটির বিষয়ে যে কোনো পরামর্শ ও সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করা হবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca4a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দেখুন বাংলাদেশ',\n", " 'seo_url': 'দেখুন-বাংলাদেশ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কর্মব্যস্ত জীবনে বেড়ানোর সময় আর সুযোগ দুটোর কম। অথচ বিশ্ব মানচিত্রের ছোট্ট এই বাংলাদেশে বেড়ানোর জায়গা অনেক। বেড়ানোর সীমিত সময়ের সবচেয়ে ভালো ব্যবহারের জন্য অভিজ্ঞদের পরামর্শ খুব কাজে লাগে।‘দেখুন বাংলাদেশ’ বইটি সেই পরামর্শ দেওয়ার কাজ কিছুটা হলেও করতে পারবে। হুটহাট নিজের খেয়ালখুশিমতো কোনো ‘দিকশূন্যপুরের’ উদ্দেশে বেরিয়ে পড়ার আলাদা মজা আছে। কিন্তু আজকের এই ব্যস্ত জীবনে কমবেশি সবই করতে হয় মেপে, ঘড়ি ধরে। কখন কোথায় বেড়াতে যাবেন সেটা নির্বাচন করা একটি জরুরি বিষয়। আবার শুধু জায়গা নির্বাচন করলেই নয়;সেখানে গিয়ে বিশেষ করে রাতে কোথায় থাকবেন, কোন কোন জায়গা না দেখলেই নয়, এলাকায় কীভাবে ঘরবেন (স্থানীয় যানবাহন) এসব আর হুট করে গেলেই চলে না।কমপক্ষে হোটেলকক্ষ আগে থেকে নিশ্চিত না করে গেলে ভ্রমণের আনন্দ বিষাদে পরিণত হতে পারে। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে যাওয়ার উপায়, সেখানে থাকার স্থান, দর্শনীয় ও প্রসিদ্ধ স্থান, বস্তু এবং স্থানীয় ইতিহাসের মতো সব তথ্য মিলবে এ বইটিতে।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca4e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কেনিয়ান সাফারি : মাসাই মারার প্রান্তরে',\n", " 'seo_url': 'কেনিয়ান-সাফারি--মাসাই-মারার-প্রান্তরে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলাদেশের গড়পড়তা মানুষের কাছে আফ্রিকা বরাবরই এক দূরবর্তী অন্ধকার মহাদেশ। সে মহাদেশের মানুষ, প্রকৃতি, বন্যপ্রাণী, সাফারি- এসব কিছুর প্রতি মানুষের অসীম কৌতূহল। পূর্ব আফ্রিকার কেনিয়াতে আছে বিশাল সাভানা। মাসাই মারা নামের শত শত বর্গমাইল বিস্তৃত সেই তৃণভূমিতে সহাবস্থান করে সিংহ, হায়েনা চিতার মতো মাংসাশী আর ইম্পালা, জেব্রার মতো তৃণভোজী নিরীহ পশু। তাদের সাথে বাস করে প্রায়-যাযাবর মাসাই উপজাতি। সেই মাসাই-ভূমিতে সাফারি, সদ্যোজাত ইম্পালার বাচ্চা মুখে হিংস্র হায়েনা, লক্ষ ফ্রেমিঙ্গো পাখির বিচরণক্ষেত্র নাকুর হৃদ ঘিরে বিশাল রিজার্ভ ফরেস্ট, রাতের বেলায় অরণ্যের পশুদের জলপান, অভিজাত মাউন্ট কেনিয়া সাফারি ক্লাবে অবস্থান আর মাসাই পল্লীর অবিস্মরণীয় স্মৃতি নিয়ে লেখা এই স্বল্পদৈর্ঘ্য ভ্রমণকাহিনীতে রয়েছে কেনিয়ার বিস্তারিত ইতিহাস আর বিখ্যাত মাউ মাউ আন্দোলনের অজানা তথ্য। হালকা বলে যাওয়া লেখকের কেনিয়া ভ্রমণের ধারা বর্ণনা পাঠককে হাত ধরে নিয়ে যাবে মাসাই মারার প্রান্তর থেকে বিষুবরেখার অজানা অচেনা সেই দেশটির আরো কয়েকটি অনন্যসাধারণ দর্শনীয় জায়গায়। ভ্রমণপিপাসু পাঠকের ভ্রমণস্পৃহা জাগাতে কিংবা মেটাতে পারে গ্রন্থটি। সূচিপত্র * যাত্রাপর্ব : অন্ধকার মহাদেশ * ইতিহাসের কেনিয়া * সংক্ষিপ্ত নাইরোবি * মাসাই রাজ্যে * মাসাই মারার প্রান্তরে * মাসাই পল্লীতে * নাকুরুর লবণ হ্রদ * মাউন্টেন লজ-এর জলপান * বিষুবরেখার গা ছুঁয়ে * পশুদের অনাথালয়'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca50',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পরিভাষা অভিধান',\n", " 'seo_url': 'পরিভাষা-অভিধান',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ পরিভাষা অভিধান গ্রন্থটি একটি ব্যাপক ও বহুমাত্রিক পরিভাষা কোষ। এতে রয়েছে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞানের অর্থ লক্ষের বেশি ইংরেজি শব্দের একাধিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ। গ্রন্থটি ছাত্র, শিক্ষক, গবেষক, বাংলায় পুস্তক প্রণেতাসহ সকল শ্রেণীর ব্যবহারিক প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে। এই গ্রন্থে সকল ইংরেজি মূলশব্দ অভিধানের প্রচলিত নিয়ম অনুসারে বর্ণানুক্রমিকভঅবে সাজানো হয়েছে। মূল ইংরেজি শব্দের পাশে একাধিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ দেওয়া হয়েছে। পাঠক মূল ইংরেজি শব্দের বর্ণানুক্রম অনুসারে তাঁর কাঙ্ক্ষিত শব্দটি খুঁজে পাবেন এবং নিজ পছন্দ ও প্রয়োজন অনুসারে শব্দ ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলা বানানের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুসরণের চেষ্টা করা হয়েছে। বাংলায় উচ্চশিক্ষার ব্যবহার্য গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটি বিশেষভাবে সহায়ক হবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca5c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঠাকুরমার ঝুলি',\n", " 'seo_url': 'ঠাকুরমার-ঝুলি-002',\n", " 'description': 'সুচিপত্র দুখের সাগর *কলাবতী রাজকন্যা *ঘমন্ত পুরী *কাঁকনমালা কাঞ্চনমালা *সাত ভাই চম্পা *শীত-বসন্ত *কিরণমালা রূপ-তরাসী *নীলকমল আর লালকমল *ডালিম কুমার *পাতাল-কন্যা মণিমালা *সোনার কাটি রূপার কাটি চ্যাং-ব্যাং *শিয়াল পণ্ডিত *ব্রাক্ষণ ব্রাক্ষণী *দেড় আঙ্গুলে আম-সন্দেশ *সোনা ঘুমাল *শেষ *ফুরাল পরিশিষ্ট *দক্ষিণাঞ্জন মিত্র-মুজমদার ও তাঁর ‘ঠাকুরমার’র ঝুলি : শতবর্ষের মূল্যায়ন *দক্ষিণারঞ্জন মিত্র-মজুমদার : জীবনপঞ্জি'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca5e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অপরুপ রূপকথা',\n", " 'seo_url': 'অপরুপ-রূপকথা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *কুৎসিতহাঁস *কোকিল ও কলের কোকিল *রুটি মাড়িয়ো না *আঙুলিনা *ঠাণ্ডা দেশের পণ্ডিত *লাটিম ও বল *রাজার নতুন পোষাক *দেশলাইয়ের বাক্স *লাল জুতা *ছোটো-কালু বড়ো-কালু *এক খোসায় পাঁচজন *রাজকন্যা ও মটরশুঁটি *ছোট্ট জলকন্যা *পরিশিষ্ট *হান্স অ্যান্ডেরসেন'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca6c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমার দাদাভাই হুমায়ুন আহমেদ',\n", " 'seo_url': 'আমার-দাদাভাই-হুমায়ুন-আহমেদ',\n", " 'description': 'শেষ কথা'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca70',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শ্রেষ্ঠ গল্প',\n", " 'seo_url': 'শ্রেষ্ঠ-গল্প-100',\n", " 'description': '* চুম্বন'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca74',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উপন্যাসসমগ্র-১ম খণ্ড',\n", " 'seo_url': 'উপন্যাসসমগ্র-১ম-খণ্ড',\n", " 'description': 'উপন্যাসসমগ্র-১ম খণ্ড এর সূচিপত্র * ভূমিকা-সাত * জননী-১ * দিবারাত্রির কাব্য-১০৭ * পদ্মানদীর মাঝি-১৮৯ * পুতুলনাচের ইতিকথা-২৬৭ * জীবনের জটিলতা-৪১৫ * অমৃতস্য পুত্রাঃ-৪৭৯ * পরিশিষ্ট * মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় : সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি-৫৪৭'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca7e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উপন্যাসসমগ্র-৬ষ্ঠ খণ্ড',\n", " 'seo_url': 'উপন্যাসসমগ্র-৬ষ্ঠ-খণ্ড',\n", " 'description': 'মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসসমগ্রকে ছটি খণ্ডে প্রকাশের পরিকল্পনা আমাদের। এর ষষ্ঠ খণ্ডে সংকলিত হল তাঁর লেখকজীবনের সর্বশেষ পর্যায়ের সাতটি উপন্যাস : শুভাশুভ, পরাধীন প্রেম, হলুদ নদী সবুজ বন, মাশুল, প্রাণেশ্বরের উপাখ্যান, মাটি-ঘেঁষা মানুষ (অসম্পূর্ণ) ও শান্তিলতা। ১৯৫১ থেকে ১৯৫৬ সালের মধ্যে রচিত এসব উপন্যাস যেমন ধারন করে আছে সমাজপরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তেমনি অস্তিত্বসংকটগ্রস্ত একজন লেখকের চিত্তভূমির আকুতি।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca80',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছোটবকুলপুরের যাত্রী',\n", " 'seo_url': 'ছোটবকুলপুরের-যাত্রী',\n", " 'description': 'বাংলা কথাসাহিত্যের আসরে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এক অবিস্মরণীয় শিল্পী। তাঁর গল্পগ্রন্থের সংখ্যা ষোল। ‘ছোটবকুলপুরের যাত্রী’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চতুর্দশ গল্পগ্রন্থ। গল্পগ্রন্থে ঠাঁই পাওয়া গল্পগুলোর শিরোনাম হচ্ছে-ছোটবকুলপুরের যাত্রী, মেজাজ, প্রাণাধিক, ঘর করলাম বাহির, সখী, নিচু চোখে দু আনা আর দু পয়সা, নিচু চোখে একটি মেয়েলি সমস্যা।'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca98',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ম্যাক্সিম গোর্কির ত্রিপিটক উপন্যাস',\n", " 'seo_url': 'ম্যাক্সিম-গোর্কির-ত্রিপিটক-উপন্যাস',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * আমার ছেলেবেলা * পৃথিবীর পথে * পৃথিবীর পাঠশালায়'},\n", " {'product_id': '5a82dee1f198d8fc483cca9a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কিশোর রচনাসমগ্র',\n", " 'seo_url': 'কিশোর-রচনাসমগ্র-100',\n", " 'description': 'সূচিপত্র উপন্যাস *মাঝির ছেলে গল্প *চণ্ডীচরণের গান *কোথায় গেল? *জব্দ করার প্রতিযোগিতা *তিনটি সাহসী-ভীরুর গল্প *তৈলচিত্রের ভূত *পাস-ফেল *ভয় দেখানোর গল্প *সনাতনী *চোর সাধুচরণ *টিকিট নেই *অসহযোগী *সিদ্ধপুরুষ *এলো! *পনেরোই আগেস্টের কবিতা *পোড়া ছায়া *দাড়ির গল্প *দু’আনা আর দু’পয়সা *ভীরু? *গল্প চুরির গল্প *বিপদ আর বন্ধু *সূর্যবাবুর ভিটামিন সমস্যা *ঠাকুমার গোসা *ম্যাজিক *কাণ্ড কারখানা *অলৌকিক লৌকিকতা *বাজি *হাওয়া বদলের ফলাফল অনুবাদ গল্প *পিং পিং ছেলেবেলার গল্প *শৈশব স্মৃতি যাচাই *আমার কান্না *পুরস্কার *বড় হওয়ার দায় কবিতা *জীবন-মরন *শারদীয়া প্রবন্ধ *শিল্প সাহিত্য ‘সৃষ্টি’ কেন? *ছোটদের বড়োদের ছোটোগল্প অসম্পূর্ণ উপন্যাস *মাটির কাছের কিশোর কবি *মশাল *রাজীবের লম্বা ছুটি *মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় : *সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccaa6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ইছামতী (রবীন্দ্র পুরস্কারপ্রাপ্ত)',\n", " 'seo_url': 'ইছামতী-রবীন্দ্র-পুরস্কারপ্রাপ্ত',\n", " 'description': 'স্বপ্ন ও কল্পনার মেশা এই ইছামতী নদী। বিভূতীভূষণও এই নদীর কাকচক্ষু জলে স্নান করতে করতে বোধ করি সেই স্বপ্নই দেখেছিলেন – স্নিগ্ধ শান্ত স্বপ্নিল নদী যার দুই কূল আচ্ছন্ন করে থাকত বাঁশ – ঝাড় আর অসংখ্য পত্রবহুল ছায়া – ঘন গাছপালা। সেই স্বপ্নেরই ফসল ‘ইছামতী’ উপন্যাস।'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccaaa',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মানব বিকাশে মনোবিজ্ঞান',\n", " 'seo_url': 'মানব-বিকাশে-মনোবিজ্ঞান',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * বিকাশের প্রকৃতি, শিশু বিকাশ অনুধ্যানের ইতিহাস এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতি * মানবজী্বনের উৎপত্তি এবং বিকাশ * গর্ভধারণ প্রক্রিয়া ও নবজাতকের বিকাশ * শিশু লালনপালনের সঙ্কটসমূহ * যৌন অচরণ ও লিঙ্গ-নির্ধারিত ভূমিকা বিকাশ এবং ভাষার বিকাশ * তারুণ্যের বিকাশ * ব্যতিক্রমধর্মী শিশু * প্রাপ্তবয়স, মধ্যবয়স এবং বার্ধক্যের জীবন প্রসর'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccaae',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিবাহ ও নৈতিকতা (পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের বই)',\n", " 'seo_url': 'বিবাহ-ও-নৈতিকতা-পুরস্কারপ্রাপ্ত-লেখকদের-বই',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * বিবাহ ও নৈতিকতা * মাতৃতান্ত্রিক সমাজ * পিতৃতান্ত্রিক সমাজ * লিঙ্গপূজা, কৃচ্ছ্রসাধন ও পাপাচার * খ্রিষ্টীয় নীতিশাস্ত্র * রোমান্টিক প্রেম * নারীমুক্তি * যৌনতা-সম্পর্কিত জ্ঞান নিষিদ্ধকরণ * মানব জীবনে প্রেমের স্থান * বিবাহ * বেশ্যাবৃত্তি * পরীক্ষামূলক বিবাহ * এ যুগে পরিবারের অবস্থা * পরিবার ও ব্যক্তিমনস্তত্ত্ব * পরিবার ও রাষ্ট্র * বিবাহবিচ্ছেদ * জনসংখ্যা * সুপ্রজনন বিদ্যা * যৌনতা ও ব্যক্তির উন্নতি * যৌনতা ও মানুষিক মূল্যবোধ * উপসংহার'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccab4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শ্রেষ্ঠ জীবনানন্দ : জীবনানন্দ রচনাবলীর প্রকাশিত-অপ্রকাশিত সংকলন',\n", " 'seo_url': 'শ্রেষ্ঠ-জীবনানন্দ--জীবনানন্দ-রচনাবলীর-প্রকাশিত-অপ্রকাশিত-সংকলন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আধুনিক বাঙালির প্রিয়তম কবি জীবনানন্দ দাশ। যে-জীবনানন্দ তাঁর জীবৎকালে ছিলেন উপেক্ষিত ও অস্বীকৃত, কখনো কখনো নিন্দিত ও কুখ্যাত, অল্প কয়েকজন সুধী ব্যক্তি যাঁর প্রতিভা চিনতে পেরেছিলেন, মৃত্যুর পরে সেই জীবনানন্দ বাঙালির হৃদয় উত্তরোত্তর দখল করে চলেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের পরে জীবনানন্দ দাশই সারা পৃথিবীর যে-কোনো স্থানের বাঙালিকে অধিকার করে আছে। এই বিজয় এক অসাধ্য সাধন, কেননা তা শুধুমাত্র কবিতার দ্বারা সাধিত হয়েছে, পূর্বোক্ত দুই মহাজনের মতো তাঁর নেই কোনো সুর-সঞ্চালিত গানের অক্ষয় ভাণ্ডার। তারপটরেও জীবনানন্দ একালের বাংলা কবিতার উচ্চতম বিজয়স্তম্ভটি রচনা করেন। তার কারণ আধুনিক বাঙালির দ্বন্দ্ব বেদনা ও আনন্দকে জীবনানন্দ যে-ভাবে বাণীরূপ দিয়েছেন, আর কেউ তা পারেন নি। জীবনানন্দ দাশ ।তিহ্যকে গ্রহণ করেছেন- কিন্তু তা আমাদের সমকাল ও ভবিষ্যৎকে অগ্রসর করে দেবার জন্যে। তাঁর ইতিহাসচেতনা যেমন দেশজ, তেম্নি আন্তর্জাতিক। পায়ের নিচের ঘাসকে যেমন তিনি রূপ দিয়েছেন, তেম্নি রূপ দিয়েছেন আকাশের গ্রহ-নক্ষত্রকে। আমূল রোমান্টিক কবি তিনি। বাংলা কবিতায় নারী ও নিসর্গের শ্রেষ্ঠ রূপকার তিনি। আবার তাঁর কালের দুর্ভিক্ষ-দাঙ্গা-দেশবিভাগকে তিনি তুলে এনেছেন কবিতায়। জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর-পরই নীহাররঞ্জন রায় যে তাঁকে ‘মহত্তম কবি’ অভিধা দিয়েছিরৈন- আজ দেখা যাচ্ছে- তা দিবালোকের মতো সত্য ও দীপ্যমান। শুধু বাংলা ভাষার নয়, পৃথিবীর যে-কোনো ভাষা-সাহিত্যের নিরিখে জীবনানন্দ দাশ মহত্তম কবি। কবির জীবদ্দশায় তাঁর মাত্র সাতটি কবিতাগ্রন্থ বেরিয়েছিলো। এই কবিতাগ্রন্থগুলিতে মাত্র তাঁর ১৬২টি কবিতা গৃহীত হয়েছিলো। ইতিমধ্যেই জীবনানন্দ রচিত ঐ সংখ্যা চার গুণ কবিতা আবিষ্কৃত ও প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমান সংগ্রহে সেই বিরাট কবিতা-ভাণ্ডার থেকে সযত্নে শ্রেষ্ঠ ও লোকপ্রিয় কবিতাগুলি সংকলন করা হয়েছে। কিন্তু ইতিমধ্যেই যা সমস্ত বাঙালি পাঠককে বিস্মিত ও চমৎকৃত করেছে, তা হচ্ছে জীবনানন্দ রচিত কয়েকটি উপন্যাস এবং অজস্র ছোটোগল্পের প্রকাশ। এই উপন্যাস ও গল্পগুচ্ছে যে জীবনানন্দকে আমরা পাই, তিনি কেবল কবি জীবনানন্দের সম্প্রসার নন-সম্পূরক সত্তাও। বর্তমান সংগ্রহে জীবনানন্দের শ্রেষ্ঠ তিনটি উপন্যাস-মাল্যবান, বিভা ও নিরুপম যাত্রা গৃহীত হয়েছে। আর সংকলিত হয়েছে অনেকগুলি ছোটোগল্প। এখন দেখা যাচ্ছে, জীবনানন্দ বেশ-কিছু প্রবন্ধ ও সমালোচনাত্মক রচনা প্রণয়ন করেছেন। বর্তমান সংগ্রহে জীবনানন্দের কয়েকটি জাজ্বল্যমান প্রবন্ধ ও বইরিভিয়্যু গ্রথিত হয়েছে। এছাড়াও আছে জীবনানন্দের পত্রাবলি থেকে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি চিঠি। তাঁর সর্বশেষ-আবিষ্কৃত কবিতা ও গল্পও যোজিত হয়েছে। বর্তমান সংগ্রহের সম্পাদক আবদুল মান্নান সৈয়দ গত পঁচিশ বছর ধরে অনবচ্ছিন্নভাবে জীবনানন্দ চর্চা করে চলেছেন। তাঁরই কল্যাণে আবিষ্কৃত হয়েছে জীবনানন্দের অনেক অগ্রন্থিত কবিতা, কবির লেখা প্রথম প্রবন্ধ ও বইরিভিয্যুগুলি। বর্তমান সংগ্রহে প্রথমবারের মতো গ্রন্থর্ভূত হলো জীবনানন্দের একটি অজ্ঞাত রচনা ‘কালপুরুষের উক্তি’। রচনার পরে সে অস্বাক্ষরিত রচনাটি মান্নান সৈয়দই নিয়ে এলেন দিনের আলোয়। এই সংগ্রহের পরিশেষ-অংশে জীবনানন্দ সম্পর্কিত বিপুল তথ্য সমাহৃত হলো। কবিপত্নী লাবণ্য দাশ, কবিভ্রাতা অশোকানন্দ দাশ, ভ্রাতৃবধূ নলিনী দাশ ও কবিকন্যা সঞ্জুশ্রী দাশের সাক্ষাৎকার; কবির পিতা সত্যানন্দ দাশ প্রতিষ্ঠিত সম্পাদিত ‘ব্রহ্মবাদী’ পত্রিকা সম্পর্কে তথ্যাবলি; কবির পরিবার-পরিজনদের লেখার নমুনা; ইত্যাদি বহু বিষয় গ্রন্থশেষে নিবিষ্ট করা হয়েছে। শ্রেষ্ট জীবনানন্দ কবি জীবনানন্দ দাশ সম্পর্কে অপরিহার্য এক গ্রন্থ।'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccabe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছন্দ',\n", " 'seo_url': 'ছন্দ-001',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আবহমান বাংলা সাহিত্যের প্রধানতম মাধ্যম কবিতা। আর কবিতা মাত্রেই স্পন্দিত ঝংকৃত ছন্দিত। ছন্দে দুলিয়ে দেওয়ার ফলেই কবিতার দোলন চলতে থাকে এক কাল থেকে অন্য কালে, এক দেশ থেকে অন্য দেশে। কবিতার এই সাংগীতিকতা সাহিত্যের আর যত রূপপ্রকল্প আছে- গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, সমালোচনা- সমস্ত তেকে কবিতাকে এক পৃথক নিজস্ব মহিমা ও বিভূতি দান করেছে। এই ছন্দ রণন দোলন নর্তন ঝংকারের জন্যেই কবিতা হয়ে ওঠে স্মরণীয় বাণী। কবিতা এভাবেই বক্তব্যের মধ্যে সঞ্চার করে ছন্দের এক অপরূপ ক্রীড়াশীলতা। বচন ঐ রণনের ম্যাজিকেই হয়ে ওঠে অনির্বচনীয়। প্রাত্যহিক বাক্যও ছন্দের জাদুস্পর্শেই হয়ে ওঠে বাণী। ‘সবার উপর মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’- এ্ররকম একটি বক্তব্যধর্মী পঙক্তি যে কালান্তর পেরিয়ে এসেছে, তা তার বক্তব্যের সঙ্গে ছন্দেরও চিরন্তনতায়। তাই কবিতার ইতিহাস মানে ছন্দেরও ইতিহাস। কবিতা বুঝতে হলে তাই ছন্দের পাঠও গ্রহণ করতে হয়। চর্যাপদ থেকে বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত বাংলা কবিতার যে-নানারকম ছন্দ আর তার অজস্র বিভঙ্গ দেখা দিয়েছে, ছন্দের নিবিষ্ট চর্চা ছাড়া তা বোঝা যাবে না। ছন্দ একই সঙ্গে শিল্প ও বিজ্ঞান। ছন্দের এই বিজ্ঞানসত্তা আর শিল্পসত্তাকে যথার্থ উপলব্ধি করার জন্যেই আধুনিক বাঙালি ছন্রেদ চর্চা শুরু করেছ্ েকিন্তু তা খুব বেশি দিন হয় নি। আবার ছন্দের মতো এরকম ক্রমসৃষ্টিশীল একটি বিষয়ের ক্রমপরিচর্চা প্রয়োজন, নতুন-নতুন আলোপাত দরকার। প্রযুক্ত ছন্দকে বুঝবার জন্যে যেমন, তেমনি ছন্রেদ ভাঙচুরের জন্যেও, নতুন ছন্দের সম্ভাবনার দিগন্ত প্রসারের জন্যেও। সূচিপত্র প্রথম পর্ব * পরিচয় * শিল্প ও বিজ্ঞান * অক্ষরবৃত্ত * মাত্রাবৃত্ত * স্বরবৃত্ত * গদ্যছন্দ * মিশ্রছন্দ দ্বিতীয় পর্ব * মাইকেল মধুসূদন দত্ত * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর * কাজী নজরুল ইসলাম * জীবনানন্দ দাশ * সুধীন্দ্রনাথ দত্ত তৃতীয় পর্ব * আচ্ছাদিত বারান্দা : আবদুল মান্নান সৈয়দ * আলোচনা : আবদুল কাদির * আরোচনা : মুজিবুর হক কবীর * জবাব : আবদুল মান্নান সৈয়দ * নজরুলের ‘বিদ্রোহী’র ছন্দ : প্রবোধচন্দ্র সেন * নজরুলের চোখও চন্দবিদ্যুৎ অনুভব করেছিল : আবদুল মান্নান সৈয়দ * মন্তব্য : আবদুল মান্নান সৈয়দ * পুনশ্চ : আবদুল মান্নান সৈয়দ পরিশেষ * সমাপতনের দেবী * ছান্দসিক প্রবোধচন্দ্র সেন * ছন্দ ও আবৃত্তি : সুকান্ত ভট্টাচার্য * নির্বাচিত গ্রন্থপুঞ্জি * নির্বাচিত প্রবন্ধপঞ্জি'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccac6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রবীন্দ্রনাথ',\n", " 'seo_url': 'রবীন্দ্রনাথ-001',\n", " 'description': 'সূচীপত্র * মরমী রবীন্দ্রনাথ : মুহম্মদ শহীদুল্লাহ * রবীন্দ্র-স্মৃতি : জসীম উদ্দীন * ভাষাতাত্ত্বিক রবীন্দ্রনাথ : মুহম্মদ আবদুল হাই * শিক্ষাসমস্যা ও রবীনদ্রনাথের চিন্তা : মুহাম্মদ কুদরাত-এ-খুদা * রবীন্দ্র-সাহিত্যে দার্শনিক চেতনা : আবুল ফজল * নন্দনতাত্ত্বিক রবীন্দ্রনাথ : শওকত ওসমান * রবীন্দ্রনাথ : তাঁর শিল্পসাহিত্যতত্ত্বের ত্রিবেণী : আবদুল মান্নান সৈয়দ * রবীন্দ্র-সঙ্গীত : কাজী মোতাহার হোসেন * সৌন্দর্যবুদ্ধি ও রবীন্দ্র-মনীষা : আহমদ শরীফ * রবীন্দ্রনাথের গণসচেতনতার স্বরূপ : গোলাম মুরশিদ * রবীন্দ্রনাথের ধর্ম : মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী * রবীন্দ্রনাথ ও লোকসাহিত্য : মযহারুল ইসলাম * রবীন্দ্রনাথ : আবদুল কাদির * রবীন্দ্রসাহিত্য মূল্যায়নের সমস্যা : জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা * বাংলা কাব্যে মূল্যবোধের বিবর্তন : রবীন্দ্রনাথ : হাসান হাফিজুর রহমান * রবীন্দ্রনাথের কবিতার ইংরেজি অনুবাদ : কবীর চৌধুরী * ইয়েটস ও রবীন্দ্রনাথ : সারওয়ার মুরশিদ * রবীন্দ্রনাথের নাটক : উপলব্ধির রূপান্তর : মুনীর চৌধুরী * তিন নারী : বিনোদিনী, নন্দিনী ও কুমুদিনী : নীলিমা ইব্রাহিম * রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প: শেষ পর্যায় : আনোয়ার পাশা * রবীন্দ্রনাথেল চিত্রকলার স্বরূপ : সন্তোষ গুপ্ত * রবীন্দ্রসঙ্গীত, শিল্পী ও শ্রোতা : সনজীদা খাতুন * দুই যৌবনে কৃষ্ণ শোণিত : হায়াৎ মামুদ * নতুন করে রবীন্দ্রচর্চা : শামসুর রাহমান * রবীন্দ্রনাথেল সংস্কৃতি-সাধনা : আহমদ ছফা * রবীন্দ্রনাথ ও পূর্ব পাকিস্তান : রফিকুল ইসলাম * রবীন্দ্রনাথের কবিতার ছন্দ : মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান * রবীন্দ্রকাব্যে পরবর্তী পরিবর্তন : অজিতকুমার গুহ * মার্ক্সবাদী দৃষ্টিতে রবীন্দ্রনাথ : রণেশ দাশগুপ্ত * রবীন্দ্রনাথের সমাজচিন্তা : একটি দিক : আনিসু্জ্জামান'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccac8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পাণ্ডুলিপি পাঠ ও পাঠ-সম্পাদনা',\n", " 'seo_url': 'পাণ্ডুলিপি-পাঠ-ও-পাঠ-সম্পাদনা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র পাঠ-সম্পাদনাবিদ্যার জ্ঞাতব্য বিষয় * পাঠ-সম্পাদনাবিদ্যা ও পাঠ-সম্পাদনার উদ্দেশ্য * পাঠ-সম্পাদনার আবশ্যকতা * পাঠ-সম্পাদনার সহায়ক উপকরণ * পুঁথির উপকরণ পাঠ-সম্পাদনায় ভূমিকাংশের কাজ * পুঁথি-সম্পাদনায় প্রাথমিক বিবেচনা * পুঁথি-পরিচিতি কি? কেন? * কবির বাসস্থান নির্ণয়- সমস্যা * তারিখযুক্ত পুঁথির কাল-নির্ণয় * তারিখবিহীন পুঁথির কাল- নিণয় পুঁথির পাঠ-নির্ণয় * বাঙলা পুঁথির ভ্রমবৈচিত্র্য ও শোধনসূত্র * বাঙলা পুঁথির দ্ব্যর্থপাঠ * প্রক্ষিপ্তপাঠের সমস্যা পুঁথির বানান * পুঁথির বানান সমস্যা * মধ্যযুগের বাঙলা লিপিরীতি * মধ্যযুগের বাঙলা পুঁথির মান-বানান পাঠ-সম্পাদনাসংক্রান্ত টীকা আদর্শক, আদিলিপি, কবি শকাঙ্ক, কৌণিক চিহ্ন, ছাড়, তথ্যোৎকলন, তোলাপাঠ, ত্রিপুরাব্দ, দিব্যপাঠ, দ্বিলিখন, পরোক্ষ প্রমাণ, পাঠ-পল্লবায়ন, পাঠ-বিকৃতি, পাঠ-ভেদ, পাঠ-শোধন, পাঠানুমিতি, পুঁথি, পুঁথির বংশপীঠিকা, পুম্পিকা, বঙ্গাব্দ, বর্ণ-বিপর্যয়, বিষম-পাঠ, মূল-পাঠ পুনরুদ্ধার, শিশ্রপাঠ, যৌগিক পাঠ, লিপিকর, লৌকির, লৌকিকপাঠ, মঘিসন, শকাব্দ, শ্রুতিলেখক, সমালোচনী উপকরণ, সম্পাদক, স্বাক্ষরিক পুঁথি, হিজরি সন। লিপির সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত * লিপির সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত * ভারতীয় লিপি * বাঙলা বর্ণমালার ইতিবৃত্ত * চিত্রে বাঙলা বর্ণমালার প্রাচীন রূপ * কতিপয় গুহা লিপিচিত্র * ক্রিটিয় লিপির পাঠোদ্ধার প্রসঙ্গে পাঠ-পশিক্ষণ * কতিপয় বিশিষ্ট বাক্য ও বাক্যাংশের পাঠ * কতিপয় স্তবক ও স্তবকগুচ্ছের পাঠ * কতিপয় পূর্ণপৃষ্ঠার পাঠ * আরবি-ফারসি অক্ষরের বাঙলা পুঁথির দুটি পৃষ্ঠার পাঠ * সিলেটি নাগরিলিপিতে বাঙলার একটি পৃষ্ঠার পাঠ পরিশিষ্ট * তালিকা গ্রন্থের তালিকা * পারিভাষিক শব্দের তালিকা * সহায়ক রচনাপঞ্জি * নির্ঘন্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccaca',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমলাতন্ত্রের ময়না তদন্ত',\n", " 'seo_url': 'আমলাতন্ত্রের-ময়না-তদন্ত',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *কাঠগড়ায় আমলাতন্ত্র *কাকে বলি আমলাতান্ত্রিক *আমলাতন্ত্রের অচল প্রতিশ্রুতি আমলাতন্ত্রের মূলনীতি সংশোধন *অফিস গঠনের নতুন উপায় *বাংলাদেশের জনপ্রশাসন সংস্কার প্রচেষ্টা *পরিবর্তেনের পথ পরিক্রমা *ভুল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়াই *বলা না- বলার সার-সংক্ষেপ'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccada',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রকাশিত-অপ্রকাশিত কবিতাসমগ্র',\n", " 'seo_url': 'প্রকাশিত-অপ্রকাশিত-কবিতাসমগ্র',\n", " 'description': '\"প্রকাশিত-অপ্রকাশিত কবিতাসমগ্র\" বইটির শেষের ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ জীবনানন্দের জীবদ্দশায় তার সাতটি মাত্র কবিতাগ্রন্থ। প্রকাশিত হয়েছিল এবং এই সাতটি কবিতাগ্রন্থে কবি-রচিত মাত্র ১৬২টি কবিতা সগ্রথিত হয়েছিল। এখন, জীবনানন্দের মৃত্যুর চল্লিশ বছর পরে জীবনানন্দের এই সমগ্র কবিতা প্রযােজিত হচ্ছে। এই বিশাল সগ্রহ গ্রন্থে জীবনানন্দের জীবদ্দশায় প্রকাশিত সাতটি গ্রন্থ “ঝরা পালক”, “ধূসর পাণ্ডুলিপি”, “বনলতা সেন” (কবিতাভবন-সংস্করণ), “মহাপৃথিবী”, “সাতটি তারার তিমির”, “বনলতা সেন” (সিগনেট প্রেস-সংস্করণ) ও “জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা” –এই সাতটি গ্রন্থের সমস্ত কবিতা তাে রয়েছেই, এর বাইরেও বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাসংকলন-বই-পাণ্ডুলিপি থেকে অজস্র কবিতা সংকলিত হয়েছে ‘অগ্রন্থিত কবিতা\\' শিরােনামে। এই সগ্রহে কবি-প্রণীত সর্বমােট ৬০০-র অধিক কবিতা ছাড়াও আছে কবির ইংরেজি কবিতা, কবিকৃত স্বরচিত ইংরেজি কবিতার অনুবাদ, সাময়িকপত্রে প্রকাশিত তাঁর কবিতার তালিকা, কবির বিস্তারিত জীবনপঞ্জি ও গ্রন্থপঞ্জি প্রভৃতি প্রাসঙ্গিক অজস্র বিষয়। প্রস্তুতি-প্রসঙ্গ’ ও ‘জীবনানন্দ দাশের কবিতা : একটি পরিক্রমা’ নামে সম্পাদক-কৃত দু’টি দীর্ঘ রচনা জীবনানন্দের কবিতার অন্তর্লোকে আলােকপাত করবে। এই গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন দুই বাংলার শ্রেষ্ঠ জীবনানন্দ-বিশেষজ্ঞ আবদুল মান্নান সৈয়দ। এই সংগ্রহ গ্রন্থ জীবনানন্দের কবিতার আরাে অনেক নতুন মাত্রা ও নতুন আয়তন যােগ করবে। জীবনানন্দ দাশের এই সমগ্র কবিতার সংগ্রহ কবি। জীবনানন্দ দাশকে সম্পূর্ণভাবে বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রে কাব্যপাঠক-ছাত্র-শিক্ষক সমালােচক-গবেষক সকলের জন্যেই অপরিহার্য।'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccade',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমার চুম্বনগুলো পৌছে দাও',\n", " 'seo_url': 'আমার-চুম্বনগুলো-পৌছে-দাও',\n", " 'description': 'শহীদ কাদরী সেই ধরনের কবি। ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত তৃতীয় কাব্যগ্রন্থের পর ‘আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও’ তাঁর চতুর্থ গ্রন্থ। প্রায় অর্ধশতকের সাহিত্যজীবনে তিনি লিখেছেন মাত্র শ’দেড়েক কবিতা। তা সত্ত্বেু এই সাত্ত্বিক কবি বারবার নিজেকে নবায়ন করে নিয়েছেন। পৃথিবীর নানা দেশে বসবাস করেছেন কিন্তু বৈরাগ্য তাঁকে আপ্লুত করে নি। বরং সময়ের ভাঙচুরকে শিরোধার্য করে তিনি মেনে নিতে কুন্ঠিত হন নি য়ে তাঁর আরাধ্য মানুষ, সমাজ, ভালবাসা এবং পরবাস। জীবনের সমাজের নানা মাত্রিক স্তরকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যক্ষ করার নিরন্তর প্রচেষ্টা তাঁর কবিতার পঙ্\\u200cক্তিতে পঙ্\\u200cক্তিতে অনিবার্য হয়ে উঠেছে। লেখার সংখ্যা সামান্য হলেও কবিতায় বাঙ্\\u200cময় জীবনদর্শন অসামান্য এবং সম্পূর্ণ, দৃষ্টিভঙ্গি ও নিঃসংশয়, পর্যবেক্ষণ তীক্ষ্ণ ও সূক্ষ্ম, প্রকাশ অনবদ্য ও মেদহীন। তাঁর কবিতার অন্তর্গত যাবতীয় বোধ দেশকালের সীমানাকে ডিঙিয়ে আধুনিকতার নির্মাল্য হয়ে উঠেছে। সন্দেহাতীতভাবে শহীদ কাদরী বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবিদের একজন। সূচিপত্র *স্বতন্ত্র শতকের দিকে *সেই সময় *আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও *আপনারা জানেন *একে বলতে পারো একুশের কবিতা *বিপ্লব *হন্তারকদের প্রতি *শীতরাত্রির স্বপ্ন *কক্সবাজারে এক সন্ধ্যা *তাই এই দীর্ঘ পরবাস *তুমি *পথে হলো দেরি *সব নদী ঘরে ফেরে *সবাই তাকে ছেড়ে গেছে *স্বপ্নে-দুঃস্বপ্নে একদিন *প্রজ্ঞা *শূন্যতা *গাছ, পাথর, সমুদ্র *কোনো নির্বাসনই কাম্য নয় আর *কোথায় প্রবেশাধিকার *নিষিদ্ধ পল্লীতে *স্বগতোক্তি একা *স্মৃতি-বিস্মৃতি *প্রবাসের পঙ্\\u200cক্তিমালা *মধ্যবয়স *আমরা তিনজন *অন্তিম প্রজ্ঞা *অসমাপ্ত বক্তব্য *যাত্রা *রীতি বিষয়ক কয়েকটি পঙ্\\u200cক্তি *গন্তব্য *বিব্রত সংলাপ *কাক *কবি *নিরুদ্দেশ যাত্রা'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccae4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বেগম রোকেয়া',\n", " 'seo_url': 'বেগম-রোকেয়া',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *প্রথম পর্ব-পরিচয় *দ্বিতীয় পর্ব-সাহিত্যকাজ *তৃতীয় পর্ব-সমাজচিন্তা দ্বিতীয় সংস্করণের সংযোজন *রোকেয়ার শিল্পমানস *“পদ্মরাগ” : পাথরে অঙ্কিত রেখামালা পরিশেষ *জীবনপঞ্জি *গ্রন্থপঞ্জি *পত্রিকায় প্রকাশিত রচনাপঞ্জি *“মতিচূর”(দ্বিতীয় খণ্ড) *“পদ্মরাগ” : শাহাদাৎ হোসেন *“মুতিচূর” ও “SULTANA\\'S DREAM\" *`সওগাত’ ও মিসেস আর. এস. হোসেন : মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccae6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আজ কাল পরশুর গল্প',\n", " 'seo_url': 'আজ-কাল-পরশুর-গল্প',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * আজ কাল পরশুর গল্প *দুঃশাসনীয় *নমুনা *বুড়ি *গোপাল মাসমল *মঙ্গল *নেশা *বেড়া *তারপর? *স্বর্থপর ও ভীরুর লড়াই *শত্রুমিত্র *রাঘব মালাকর *যাকে ঘুষ দিতে হয় *কৃপাময় সামন্ত *নেড়ী *সামঞ্জস্য পরিশিষ্ট *জীবনপঞ্জি *গ্রন্থপঞ্জি'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccae8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বউ',\n", " 'seo_url': 'বউ',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *দোকনির বউ *কেরানির বউ *সাহিত্যিকের বউ *বিপত্মীকের বউ *তেজি বউ *কুষ্ঠ-রোগীর বউ *রাজার বউ *পূজারির বউ *উদারচরিতানামের বউ *প্রৌঢ়ের বউ *সর্ববিদ্যাবিশারদের বউ *জুয়াড়ির বউ *জীবনপঞ্জি *গ্রন্থপঞ্জি'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccaec',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ফোকলোর : পরিচিতি ও পঠন-পাঠন',\n", " 'seo_url': 'ফোকলোর--পরিচিতি-ও-পঠন-পাঠন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘ফোকলোর : পরিচিতি ও পঠন-পাঠন’ গ্রন্থে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফোকলোরবিদ প্রফেসর মযহারুল ইসলাম ফোকলোরবিদ বিভিন্ন ক্ষে্ত্র সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।গ্রন্থটি ফোকলোর সম্পাদনার বিজ্ঞানসম্মত রীতি-পদ্ধতি, পাঠ-পর্যালোচনা, বিভিন্ন দেশের লোককাহিনীর পাঠান্তর, ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ এবং ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনায় সমৃদ্ধ।‘ফোকলোর : পরিচিতি ও পঠন-পাঠন’ পাশ্চাত্য বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণামূলক রীতি অনুসরণ করে লিখিত। এ গ্রন্থে আমাদের লোকসাহিত্যের পঠন-পাঠনে এমন কতগুলো তথ্য, পদ্ধতি, রীতি ও বৈজ্ঞানিক চেতনা পরিবেশন করা হয়েছে-যা এদেশের ফোকরোর গবেষণার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবেই নতুন।'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccaf0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ল’ স্ক্রিন সহায়িকা',\n", " 'seo_url': 'ল’-স্ক্রিন-সহায়িকা',\n", " 'description': 'সংশোধনী প্রষ্ঠা'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccaf8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি (প্রথম আলো বর্ষসেরা বই ১৪১২)',\n", " 'seo_url': 'হাজার-বছরের-বাঙালি-সংস্কৃতি-প্রথম-আলো-বর্ষসেরা-বই-১৪১২',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ভাষা, সাহিত্য, সংগীত থেকে আরম্ভ করে অভিনয়, চিত্রকলা, কারুকলা, স্থাপত্য ইত্যাদি নানা উপাদানে গঠিত সংস্কৃতির অবয়ব। ধর্ম, সামাজিক মূল্যবোধ, লোকাচার, লোকবিশ্বাস, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-আশাক, চলন-বলন, ব্যবহার্য উপকরণ এবং হাতিয়ার- সবই সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত। বাঙালি সংস্কৃতি নিয়ে যেসব রচনা এ যাবৎ প্রকাশিত হয়েছে, তা থেকে এসব বিচিত্র দিক সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা করা কঠিন। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ- এসবের মধ্যে বাঙালিত্ব কোথায়, এই সংস্কৃতির সূচনা কখন থেকে, বাঙালির বৈশিষ্ট্য কী- সে সম্পর্কেও সম্যক ধারণা করা যায় না। বাঙালি সংস্কৃতি মূলত সমন্বয়বাদী। এ দেশের ধর্ম বাঙালি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। কিন্তু প্রকাশিত রচনাগুলো হিন্দু বাঙালি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। কিন্তু প্রকাশিত রচনাগুলো হিন্দু বাঙালি অথবা মুসলিম বাঙালির সংকীর্ণ সীমানা দিয়ে খণ্ডিত। রাজনৈতিক ভেদরেখাও কোথাও কোথাও আলোচনাকে ঘোলাটে এবং আবিল করেছে। বর্তমান গ্রন্থ বাঙালি সংস্কৃতির প্রথম নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ আলোচনা। সরল ভাষায় সাধারণ মানুসের জন্যে লেখা। এতে দেখানো হয়েয়ে রাজনৈতিক ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে সংস্কৃতির প্রতিটি উপাদানের বিবর্তন এবং বহিঃপ্রকাশ; সেই সঙ্গে এই সংস্কৃতির গঠন ও বিকাশে ব্যক্তির অবদান। সবার ওপর আছে বাঙালি সংস্কৃতির স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য উন্মোচন। সূচিপত্র * সূচনা * ইন্দো-মুসলিম আমলে সংস্কৃতির রূপান্তর * বাংলা সমাজ ও ধর্ম * পশ্চিমের অভিঘাতে বাঙালি সংস্কৃতি * বিশ শতকের বাঙালি সংস্কৃতি * প্রণয়, পরিণয়, পরিবার * বাঙালি নারী ও বাঙালি সংস্কৃতি * বাংলা ভাষা ও সাহিত্য * বাংলা গানের ইতিহাস * নাটক ও সিনেমা * স্থাপত্য চিত্রকলা কারুকলা * বাঙালির পোশাক * বাঙালির খাবার * বাঙালি সংস্কৃতি ও বাঙালির বৈশিষ্ট্য * নির্বাচিত গ্রন্থপঞ্জী * নির্বাচিত নির্ঘন্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccafe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আধুনিক ইউরোপ',\n", " 'seo_url': 'আধুনিক-ইউরোপ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আধুনিক ইউরোপের ওপর রচিত এটি একটি তথ্যসমৃদ্ধ ইতিহাস গ্রন্থ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন অনার্স (সম্মান) ৩য় বর্ষ এবং এমএ পূর্বভাগ ক্লাসের জন্য সিলেবাস অনুসরণ করে গ্রন্থটি রচিত হয়েছে। গ্রন্থটিতে আধুনিক যুগের শুরু তেকে ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি তথ্যনিষ্ঠভাবে তুলে ধরা হয়েছে। গ্রন্থটিতে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সীমারেখা, আধুনিক যুগের উত্তরণ, উত্তরণের কারণ, রেনেসাঁস, ভৌগোলিক আবিষ্কার, ধর্মসংস্কার আন্দোলন, প্রতিসংস্কার আন্দোলন, ইউরোপের শক্তিশালী জাতি-রাষ্ট্রগুলোর কালানুক্রমিক বিবরণ সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। গ্রন্থটি বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ইতিহাস বিষয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের কাজে লাগবে। বইটি যদি শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের প্রয়োজন মেটায় তাতেই লেখকের শ্রম সার্থক হবে। ভূমিকা ইতিহাসের ঘটনা একটি প্রবহমান নদীর মতো। ইউরোপের ইতিহাস দীর্ঘ বিবর্তনের মাধ্যমে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে নতুন মাত্রা লাভ করে। মধ্যযুগের সামন্তবাদী ধ্যানধারণা এবং ধর্মীয় অন্ধত্ব ইউরোপীয় মনীষাকে পশ্চাৎপদ করে রেখেছিল। সমাজের অধিকাংশ মানুষ ছিল ভূমিদাস। সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ভূলণ্ঠিত হয়েছিল্ ভূম্যধিকারী এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা ভোগকারীরা সকল মানুষকে শোষণ করে ইহলৌকিক আরাম-আয়েশ একচেটিয়া করে নিয়েছিল। ১৪৫৩খ্রি. তুর্খিরা কনস্টান্টিনোপল দখল করলে গ্রিক ভাবধারায় স্নাত পণ্ডিতরা ইতালিতে পালিয়ে যায়। বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের ধর্মীয় কর্তৃত্ব রাশিয়ার জারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। ইউরোপীয় বাণিজ্য পথ তুর্কিদের কুক্ষিগত হওয়ায় অনেক ইউরোপীয় দেশ সমুদ্রপথে মহাসাগর পাগিড় দিয়ে নতুন নতুন দেশে বাণিজ্য যোগাযোগ স্থাপনে সচেষ্ট হয়। স্পেন ও পর্তুগালের পৃষ্ঠপোষকতায় খ্রিষ্টান মিশনারিরা নবউদ্যমে খ্রিস্টধর্ম প্রচারণায় আত্মনিয়োগ করে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে স্পেন, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, সুইডেন, ইংল্যান্ড, রাশিয়া প্রভৃতি দেশে শক্তিশালী রাজশক্তি গড়ে ওঠে। ফলে ইউরোপের আধিপত্য নিয়ে এবং ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। আধুনিক যুগের শুরুতে ইউরোপে শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন ধ্যানধারণা বিকাশের ফলে ধর্মীয় কুসস্কার ও গোঁড়ামির ভিত্তি ভেঙে পড়ে। মানবতাবাদীগণ ধর্মীয় শৃঙ্খল থেকে মানুষকে মুক্তকরার জন্য প্রচলিত বিশ্বাস ও ধ্যানধারণাকে নতুনভোবে যাচাই করতে শুরু করে। এর ফলে বিশ্বাসের স্থলে যুক্তিবাদ ইউরোপীয় সমগ্র জীবনধারাকে নতুনভাবে প্রভাবিত করতে শুরু করে। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান জীবন ভাবনার সাথে পরিচিত হওয়ার ফলে মানুষের মধ্যে ইহজাগতিকতা এবং ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ জাগরিত হয়। ফলে মানুষ সামন্তবাদী রাজনৈতিক শৃঙ্খল এবং ধর্মীয় গোঁড়ামি থেকে মুক্ত হতে চেষ্টা শুরু করে। বুদ্ধিবাদের প্রভাবে মানুষ জীবন ও জগৎ সম্পর্কে নতুন ধারণা লাভ করে। এর ফলে ধর্ম, রাজনীতি, শিক্ষা প্রতিটি ক্ষেত্রেই নতুন উদ্যম ও উদ্দীপনা দেখা হয়। যার মাধ্যমে মানুষ সকল রকমের বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হয় এবং নিজকে নতুনভাবে আবিষ্কার করে। ইউরোপের ইতিহাসে মানবজীবনের বহুমাত্রিকতার এই গ্রন্থটিতে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। রাজনীতি, অর্থনীতি ও ধর্মের পরিবর্তিত রূপ কীভাবে আধুনিক পুঁজিবাদকে বিকশিত করেছিল তার আরোচনা এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে। সপ্তদশ শতক থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ফ্রান্স ইংল্যান্ড, প্রাশিয়া, রাশিয়া ও অস্ট্রিয়ার রাজবংম কীভাবে ইউরোপীয় রাজনীতির গতিধারাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছিল তার বিবরণ রয়েছে এই গ্রন্থটিতে। আমার রচিত পূর্ববর্তী অন্যান্য ইতিহাস গ্রন্থের মতো এই গ্রন্থটিও যদি ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের প্রয়োজন মেটায় তা হলে আমার শ্রম সার্থক হয়েছে বলে আমি খুশি হব। গ্রন্থটি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় মতামত ও আদর্শ জানালে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক মোঃ রমজান আলী আকন্দ ইতিহাস বিভাগ সরকারি আযিযূল হক কলেজ, বগুড়া'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccb04',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দক্ষিণে সূর্যোদয়',\n", " 'seo_url': 'দক্ষিণে-সূর্যোদয়',\n", " 'description': 'ইস্পানো-আমেরিকায় রবীন্দ্রচর্চার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এ বই। এতে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে ইস্পানো- আমেরিকার লেখকদের বহুমুখী, জটিল ও আবেগময় সম্পর্কের দুরূহ মানচিত্রটি বোধগম্যরুপে চিত্রিত হয়েছে। লাতিন আমেরিকার আলোকিত সময় এবং রবীন্দ্রনাথের বোধের বিস্তার ও প্রয়োগকে জানার সুযোগ করে দিয়েছে বইটি ।'},\n", " {'product_id': '5a82dee2f198d8fc483ccb0a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রাগের ঠাকুরোভা লবনপুরের মোজার্ট',\n", " 'seo_url': 'প্রাগের-ঠাকুরোভা-লবনপুরের-মোজার্ট',\n", " 'description': '২০১১ সালের এপ্রিল মাসে আমাদের পঞ্চপর্যটকের দল (স্থপতি কাজী এম. আরিফ, স্থপতি তরিকুল ইসলাম, এনায়েত কবীর, এম. সাঈদ হাসান এবং স্থপতি শাকুর মজিদ) তিন সপ্তাহের সফরে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের কয়েকটি দেশ সফর করি। সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম দিয়ে শুরু হয়েছিল যাত্রা। তারপর পোলান্ডের কয়েকটি শহর ঘুরে আমরা যাই চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাচীন সভ্যতার নগরী রাজধানী শহর ‘প্রাগ’-এ। ‘প্রাগ’ যেন বিগত এক হাজার বছর ধরে চলমান বিশ্ব স্থাপত্যধারার এক উন্মুক্ত প্রদর্শণশালা। দুদিনের প্রাগ সফর আমাদেরকে বিমোহিত করে রাখে। সেখান থেকে আবার পোলান্ড হয়ে আমরা আসি সঙ্গীত ও নৈসর্গিক সৌন্দর্যের আরেক অনুপম শহর সাল্জ্বুর্গে। অস্ট্রিয়ার এই জার্মান শহরটি তার বারোকরীতির স্থাপত্য, মোজার্ট, প্রাকৃতিক শোভা আর সাউন্ড অব মিউজিক দিয়ে আচ্ছন্ন করে রাখে আমাদের ৪টি রাত। ৩ সপ্তাহের এ সফর নিয়ে ইতোপূর্বে অবসর থেকে ‘লেস ওয়ালেসার দেশে’ এবং ‘অন্যপ্রকাশ’ থেকে বেরিয়েছিল ‘নোবেলের শহর’ নামে দুটো আলাদা ভ্রমণ কাহিনী। এবার প্রাগ আর সাল্জ্বুর্গকে একত্র করে প্রাগের ঠাকুরোভা লবণপুরের মোজার্ট প্রকাশ হলো।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431670',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সেতুবন্ধন : কতিপয় প্রাজ্ঞজনের শৈশব কৈশোর ও যৌবনকালের আত্মকথন',\n", " 'seo_url': 'সেতুবন্ধন--কতিপয়-প্রাজ্ঞজনের-শৈশব-কৈশোর-ও-যৌবনকালের-আত্মকথন',\n", " 'description': 'আমাদের সমাজ, সভ্যতা, শিা, সাহিত্য সংস্কৃতি, রাজনীতি ও অর্থনীতি বহু প্রাজ্ঞা প্রবীণদের জীবনব্যাপী অবদানে সমৃদ্ধ। একদিকে যেমন প্রয়োজন তাঁদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি, অপরদিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন তাদের জীবন ও কর্ম। আমাদের এ প্রয়াসে শুধুমাত্র সকলের চেনা-জানা কিছু সুনির্বাচিত প্রবীণদের, শৈশব, কিশোর ও যৌবনকালকে আজকের নবীনদের কাছে তুলে ধরা। স্ব স্ব েেত্র সুপ্রতিষ্ঠিত মহীরুহরূপ ব্যক্তিত্ব হিসেবে যাঁরা আমাদের চিরচেনা, তাঁদেরও একটি সোনালি শৈশব, চপল-চঞ্চল কৈশোর এবং দুরন্ত যৌবন ছিল। তারই হয়তো একটি খণ্ডিত উপস্থাপনা এই আত্মকথন। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস এ প্রজন্মের তরুণরা পরম শ্রদ্ধেয় প্রবীণদের ঐ যাপিত জীবন থেকে অনেক অনুপ্রেরণা পাবে। নিজেদের জীবন গড়ার পথে কাইকে হয়তো আদর্শ হিসেবেও নিতে পারবে। এভাবেই আমাদের উদ্যেগটি হয়ে থাকবে নবীন ও প্রবীণদেও প্রজন্মগত সেতুবন্ধন।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431672',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মিষ্টি',\n", " 'seo_url': 'মিষ্টি',\n", " 'description': 'সূচিপাতা * বিয়ের দাওয়াত * সাধারণ বোকা * সৌরভ * মিষ্টি * কৃচ্ছ্রসাধন * সিরকা * ভুয়া সাক্ষী * কুলিন মজুরি * চোখের সামনে'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431674',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সিংহ ও হাতি',\n", " 'seo_url': 'সিংহ-ও-হাতি',\n", " 'description': 'সূচিপাতা * গাধা ও পাথরের দেবী * ঠাণ্ডা ও গরম * পাঁচ কুকুর * বেয়াড়া গাধা * দুই লোক ও ফলহীন গাছ * দূরবীনওয়ালা * সিংহ ও হাতি * মৌমাছি ও বোলতা * পোষা কুকুর ও বনের নেকড়ে * বোকা ষাঁড় * শেয়াল ও আঙুর'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431678',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঈশপের গল্প : চিতা ও শেয়াল',\n", " 'seo_url': 'ঈশপের-গল্প--চিতা-ও-শেয়াল',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * গাধা ও লবন * খরগোশ ও কুকুর * সারস ও তার ছানারা * নেকড়ে কবিরাজ * শেয়াল ও মুরগি * সিংহ ও কাঠুরে * চিতা ও শেয়াল * নদীর ঘূর্ণি ও একটা ছেলে * বেওয়ারিশ কুকুরগুলো'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b4943167a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঈশপের গল্প : সিংহ ও ষাঁড়',\n", " 'seo_url': 'ঈশপের-গল্প--সিংহ-ও-ষাঁড়',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * শেয়াল ও সারস * বালক ও বুনো লতা * সিংহ ও শেয়াল * গাধার ছায়া * ওক গাছ ও নলখাগড়া * সিংহ ও ষাঁড় * নেকড়ে ও ছাগল * চোর ও কুকুর'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b4943167c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পিঠাপুলি পায়েস',\n", " 'seo_url': 'পিঠাপুলি-পায়েস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ সময় স্বল্পতা কিংবা পিঠা বানানোর পদ্ধতি না জানার কারণে অনেকেই পিঠা বানাতে চানা না। আবার অনেকে এটাকে ঝামেলাপূর্ণ কাজও মনে করেন। তা ছড়া শীতকালে ভাপা, চিতই কিংবা পাটিসাপটা পিঠা কিনেও খাওয়া যায়। কিন্তু সত্যিই কি তাতে প্রাণের আকুতি মেটে? হইচই করে আয়োজনের মাধ্যমে প্রিয়জনের হাতের তৈরি পিঠা খাওয়ায় যে তৃপ্তি ও আনন্দ ভালবাসা মমতা জড়িত তা কি পূরণ হয় কিনে পিঠা খেয়ে? হারিয়ে যাওয়া বা হারিয়ে যেতে বসেছে এমন অনেক পিঠা, প্রচলিত পিঠা ও ঝটপট তৈরি করা যায় এমন অনেক পিঠা এবং ক্ষীর-পায়েসের রেসিপি ও ছবির সন্নিবেশ করা হয়েছে এ বইতে। পিঠা তৈরি করতে পারেন কিংবা পিঠা তৈরি করতে আগ্রহী উভয়ের জন্যই এই বইটি উপকারে আসবে বলে আমার বিশ্বাস। নতুন প্রজন্মকে পিঠা সম্পর্কে জানানো, ধারণা দেয়া এবং আগ্রহী করে তোলাও এই বইটি রচনার আরেকটি উদ্দেশ্য। রেসিপিগুলো সঠিকভাবে তৈরির ক্ষেত্রে সবোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। অনিচ্ছাকৃত ভুলক্রটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431680',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঈশপের গল্প : নেকড়ে, শেয়াল ও গরিলা',\n", " 'seo_url': 'ঈশপের-গল্প--নেকড়ে-শেয়াল-ও-গরিলা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * সিংহ ও ইঁদুর * বুড়ি ও দুই কাজের মেয়ে * সিংহের অসুখ * তোতা ও বেড়াল * নেকড়ে ও সারস * শিঙাবাদক * পল্লীবালা ও দুধের ভাঁড় * নেকড়ে, শেয়াল ও গরিলা'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431682',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তলস্তোয় : সন্ত ও শয়তান',\n", " 'seo_url': 'তলস্তোয়--সন্ত-ও-শয়তান',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তাঁর জীবদ্দশায় লোকে বলত, রুশ সাম্রজ্যে জার্\\u200c বা সম্রাট তো দু-জন: একজন যিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সিংহাসন পেয়েছেন, আর অন্যজন হলেন লিয়েফ্\\u200c নিকলায়েভিচ্ তল্\\u200cস্তোয়।প্রথম জন তো নড়বড় করছে, কখন যে হুড়মুড় করে পড়ে যাবে “! আর দ্বিতীয় জনের কলমের হুঙ্কার ও গর্জেনে সম্রাট্রের আসন সারাক্ষণ কাঁপছে। বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে তল্\\u200cস্তোয় নানা কারণে অপ্রতিদ্বন্ধী। প্রথমেই যা চোখ এড়ায় না, তা হল ছোট মাপের কোনোকিছু তিনি লিখতে পারতেন না। তাঁর ছোটগল্প মানেও তো কমপক্ষে তিরিশ/চল্লিশ পৃষ্ঠার ব্যাপর, তা কমে নয়। মানসিক ও দৈহিক বল দুটোই ছিল প্রায় দানবীয়। অভিজাত বংশে ধনাঢে পরিবারে জন্ম, নিজেই বলেছেন যে হেন কুকর্ম নেই যা তিনি করেন নি; অথচ পরে এই মানুষটিই স্বেচ্ছায়-দারিদ্র্য বেছে নিয়েছেন। কৈশোরোত্তর কাল থেকে আমৃত্যু তাঁর ভিতরে সন্ত ও শয়তানের লড়াই চলছে; কখনও সন্ত জয়ী , কখনও বা শয়তান। অথচ এমন বর্ণিল জীবনের কোনো প্রামাণ্য আলেখ্য, স্বল্প পরিসরে বা বৃহৎ আয়তনে ,বাংলা ভাষায় তেমন লিখিত হয়নি। সে বিবেচনায় হায়াৎ মামুতদের এই বই পথিকৃৎ রূপে গণ্য হওয়ার যোগ্য, এবং হচ্ছেও তাই। সূচিপত্র * নিবেদন * জীবনী * পরিশিষ্ট * বাংলা অনুবাদে তল্\\u200cস্তোয় * বাংলায় তল্\\u200cস্তোয় বিষয়ক রচনা * নির্ঘণ্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431684',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হুমায়ূন আহমেদ-এর ওল্ড ফুলস ক্লাব',\n", " 'seo_url': 'হুমায়ূন-আহমেদ-এর-ওল্ড-ফুলস-ক্লাব',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আরোগ্যের অতীত কর্কট ব্যাধিতে হুমায়ূন আহমেদের আক্রান্ত হওয়ার সংবাদ তাঁর দেশবাসীর অজানা ছিল না। তাঁর গুণমুগ্ধ ভক্তবৃন্দের একান্ত প্রার্থনায় যদি করুণাময়ের হৃদয় দ্রবীভূত হত তা হলে এই ধরাধাম তাঁকে ছাড়তে হত না। কিংবদন্তীয় এই কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, এমনকি চিত্রশিল্পীও, যে অকাল চলে যাবেন তার জন্য একধরনের মানসিক প্রস্তুতি থাকলেও শোক যে কী তীব্র বেদনায় আমাদের বুকে আঘাত করেছিল তার স্থায়ী সাক্ষী রয়ে গেছে এ দেশের দূরদর্শনে। তাঁর মরদেহ যখন মার্খিন দেশ থেকে ঢাকায় ফিরে আসে তখন বিমানবন্দর থেকে শহীদমিনার পর্যন্ত শোকাকুল যে জনস্রোত টেলিভিশনের পর্দায় দেখা গেছে তা অবিশ্বাস্য হলেও অপ্রত্যাশিত ছিল না। শহীদমিনারের বেদিতে রাখা তাঁর শবাধার প্রদক্ষিণ করে নির্বাক ও অচঞ্চল মানুষ সিঁড়ি দিয়ে নেমে যাচ্ছে- এই দৃশ্য ঘটনার পর ঘন্টা চরেছে। চাক্ষুষ না করলে প্রত্যয় হবার কথা নয়। সাহিত্যপ্রতিভা হিসেবে তাঁর স্বীকৃতি ও জনপ্রিয়তা সন্দেহের উর্ধ্বে। কিন্তু ব্যক্তিমানুষ হুমায়ূন আহমেদের আকর্ষণশক্তিও ছিল দুর্নিবার। তার প্রমাণ তাঁর বৃহৎ আড্ডাখানা- তাঁকে ঘিরেই আড্ডা, স্থান ও কাল ইচ্ছেমাফিক। তাঁর মতো আড্ডাবাজ অথচ অতিপ্রজ লেখক আর মনে হয় আমাদের মধ্যে রইলেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে আজ তাঁর স্মৃতিই যেখানে আমাদের অবলম্বন, সে-ক্ষেত্রে যাঁরা তাঁর সান্নিধ্যে এসেছিলেন তাঁদের স্মৃতিচারণই ভরসাস্থল। এ বইটি তাঁকে নিয়েই দুঃখভরাতুর এক কথকতা।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b4943168a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ঢাকা জেলার ভূমিব্যবস্থা ও ভূমিরাজস্ব প্রশাসনিক ইতিহাস',\n", " 'seo_url': 'ঢাকা-জেলার-ভূমিব্যবস্থা-ও-ভূমিরাজস্ব-প্রশাসনিক-ইতিহাস',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * মোগল বাংলা রাজধানী ঢাকা : পূর্বাপর * ভূ-প্রকৃতি, সীমানা, আয়তন ও লোকসংখ্যা * ভূস্বত্ব-ভূম্যধিকার ও ভূমির শ্রেণী * ভূমিরাজস্ব ও বন্দোবস্ত * ভূমিজরিপ, পরিমাপপদ্ধতি ও যন্ত্রপাতি এবং ভূমির মূল্য * ভূমিরাজস্ব প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামো'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431694',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সবার জন্য আইন',\n", " 'seo_url': 'সবার-জন্য-আইন',\n", " 'description': \"ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রাষ্ট্র পরিচালনায় দেশের জনগণের মঙ্গলের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েই সকল আইনের সৃষ্টি। তাই এসব আইন সম্পর্কে জানালেই একজন মানুষ জানবে দেশের নাগরিক হিসেবে তা জীবন, সম্পত্তিসহ অন্যান্য অধিকার প্রচলিত আইনে কীরূপ সুরক্ষিত ও স্বীকৃত। দৈনন্দিন জীবনে চলতে গিয়ে আর্থিক লেনদেন, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়,পেশাগত কর্মকান্ড, আয়কর প্রদান িইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ \\u200dবিষয়ের সাথে আমরা সম্পর্কিত। এসব জনগুরুত্বপূর্ণ আইনগুলো খুব সহজ সরল ভাষায় ‘ সবার জন্য আইন’ বইটিতে সংক্ষিপ্তাকারে সাধারণরে বোধগম্য করে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাই এটি সকল স্তরের পাঠকের জন্য আইনের ধারণার গ্রন্থ। ‘Shabar Jonno Aain' is written for the general people to inform the Laws of Bangladesh along with the concept of Law. Summary of the Laws & evaluation of Law in simple presentation make the book understandable to every person .Writer wrote the book & collected concept to present it for the mass people who are in thirst of knowledge of Law. সূচিপত্র * অধ্যায় এক : আইনের ক্রমবিকাশ * অধ্যায় দুই: আইনের সংজ্ঞা ও উৎস * অধ্যায় তিন: আইনের শ্রেণীবিন্যাস * অধ্যায় চার: বাংলাদেশের সংবিধান * অধ্যায় পাঁচ: আদালত ও এর স্তরবিন্যাস * অধ্যায় ছয়: মামলা মোকদ্দমা ও এর পর্যায়সমূহ * অধ্যায় সাত: আইন সংশ্লিষ্ট কিছু সজ্ঞা * অধ্যায় আট: মুল ও পদ্ধতিগত আইন * অধ্যায় নয়: সরকারি /বেসরকারি চাকরিবিষয়ক আইন * অধ্যায় দশ: ইকুইটি/ন্যায়পর বিষয়ক আইন * অধ্যায় এগার: ইসলামিক আইন * অধ্যায় বারো: হিন্দু, বৌদ্দ ও খ্রিস্টান উত্তরাধিকার আইন * অধ্যায় তের: নারী ও শিশু বিষয়ক আইন * অধ্যায় চৌদ্দ: মাদক ও পরিবেশ বিষয়ক আইন * অধ্যায় পনের: ফ্ল্যাট, বাড়ি ও জমি বিষয়ক আইন * অধ্যায় ষোল: আয়কর আইন ও অনলাইনে আয়কর পরিশোধ * অধ্যায় সতের : ভূমি জরিপ ও রেকর্ড অব রাইটান (আর ও আর) * অধ্যায় আঠার: জমি মাপের নিয়ম ও এককসমূহ * অধ্যায় ঊনিশ: আইনগত সহায়তা আইন ও মানিলন্ডারিং আইন * অধ্যায় বিশ: হিন্দু বিবাহ ও তথ্য অধিকার আইন * অধ্যায় একুশ: চিকিৎসা আইন বিজ্ঞান\"},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431696',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'কালের প্রকৃতি ও অন্যান্য',\n", " 'seo_url': 'কালের-প্রকৃতি-ও-অন্যান্য',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই গ্রন্থে সঙ্কলিত হয়েছে শিশির কুমার ভট্রাচার্যের সাম্প্রতিককালের প্রকাশিত লেখাগুলোর মধ্য থেকে বোছে নেয়া কয়েকটি প্রবন্ধ। আপাতদৃষ্টিতে বিভিন্ন ধরনের মনে হলেও লেখাগুলোর মধ্যে একটি ঐক্যসূত্র আছে। তা হল, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিষয়টি যেমন আলোচনায় এসেছে তেমনি জীবন ও সভ্যতার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে মানুষের চিরন্তন কয়েকটি জিজ্ঞাসাও এ বইয়ে স্থান পেয়েছে। সময় কী, সময়ের অস্তিত্ব আছে কিনা, জীবন কী, জীবনের ভবিষ্যৎ কী ইত্যাদি বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। ভূমিকা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান বিষয়ক কয়েকটি লেখা নিয়ে কালের প্রকৃতি ও অন্যান্য বইটি রচিত হয়েছে। লেখাগুলোর অধিকাংশই নির্বাচিত হয়েছে বিবিন্ন সময়ের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও বইয়ের প্রকাশিত রচনার মধ্য থেকে । মানুষ কৌতূহল প্রা্ণী। সময় কী, সময় অস্তিমান কি না, জীবন ও সভ্যতা কী, সভ্যতার ভবিষ্যৎ কী ইত্যাদি নানা বিষয়ে সচেতন মানুষের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ করা যায়। সংকলিত রচনাগুলোতে এই সব প্রসঙ্গের যেমন অবতারণা করা হয়েছে তেমনি আমাদের শিক্ষা এবং সংস্কৃতির বিষয়টিও স্থান পেয়েছে। অবসর প্রকাশনা সংস্থা বইখানি প্রকাশ করে আমাকে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। অবসরকে ধন্যবাদ। কিছু ভুলত্রুটি হয়তো থেকে গেল। সে জন্য দু:খিত। শিশিরকুমার ভট্রচার্য সূচিপত্র * কালের প্রকৃতি * বিজ্ঞান রেনেসাঁ * মহাবিশ্বে প্রাণ ও সভ্যতার ভবিষ্য * রবীন্দ্রনাথের বিজ্ঞানমানস * রবীন্দ্রসঙ্গীতের একাল ও আগামীকাল * শিক্ষানীতি ও উচ্চশিক্ষা * জাতিসত্তা ও জাতির জনক * মানুষ ও প্রকৃতি :দর্শন ও বিজ্ঞান * ঈশ্বর :ধর্মের,মানুষের'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431698',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মানুষ কী করে বড়ো হল',\n", " 'seo_url': 'মানুষ-কী-করে-বড়ো-হল',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই পৃথিবীতে একজন দৈত্য আছে। তার হাতে এত জোর যে অনায়াসে সে একখানি রেলগাড়ি মাথার উপর তুলতে পারবে। তা পা এমন যে একদিনে সে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিতে পারবে। তার পাখা এমন যে সে জলের তলায় সে মেঘের ওপর দিয়ে পাখিদের চাইতেও উঁচুতে উড়তে পারে। তার পাখনা এমন যে সে জলের তলায় যে কোনো মাছের চাইতে ভালোবাসে সাঁতার কাটতে পারে। তার এমনই চোখ যে অদৃশ্য সমস্ত কিছু ধরা পড়ে তাতে। কান এমনই যে পৃথিবীর অপর প্রান্তের লোকেরা যা বলে তা শুনতে পায়। তাঁর গায়ে এত জোর যে সে পাহাড় ফুঁড়ে বেরিয়ে যেতে পারে। জলপ্রপাতকে থামিয়ে দিতে পারে মাঝপথে। সে তার নিজের ইচ্ছেমতো পৃথিবীটাকে গড়াপেটা করে, বনজঙ্গল বসায় ,এক সমুদ্রের সঙ্গে আরেক সমুদ্রের যোগ করে, মরুভূমিকে জলসিক্ত করে। কে সেই দৈত্য। মানুষ কেমন করে এত বড়ো হল? কেমন কর সে হল দুনিয়ার প্রভু? সেই কথা আমরা আজ বলব আমাদের এই বইতে।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b4943169a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রাচ্যে পুরাতন নারী',\n", " 'seo_url': 'প্রাচ্যে-পুরাতন-নারী',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আসলে এই গ্রন্থ আবহমান প্রাচ্য নারীর জীবন সংগ্রামের কাহিনী। হোক সে নারী সহস্র বর্ষ পূর্বের প্রাচীনা, কয়েকশত বর্ষ পূর্বের মধ্যমা অথবা আধুনিক কালের নবীনা -তার কথা ,তার জীবনকাহিনী চিরকালই এক ও অভিন্ন। সে কাহিনী নারীর অবদমন ,অধস্তনতা ও আত্নপ্রতিষ্ঠার জন্যে নিয়ত সংগ্রামের কাহিনী। নারীর এই চিরন্তন কথা- অবিরাম যুদ্ধের কাহিনী পূরবী বসু এই গ্রন্থে যেভাবে বর্ণনা করেছেন এর আগে তেমন করে আর কেউ করেছেন বলে মনে হয় না। ‘প্রাচ্যে পুরাতন নারী’র সবচেয়ে বড় সম্পদ পুরাণের অলৌকিক দেবদেবতার চরিত্র, মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারতের অতিলৌকিক কাহিনী কি মধ্যযুগের মানবজীবনের অপরূপ বয়ান সবই এখানে উপস্থিত হয়েছে চিরন্তন নরনারীর জীবনগাথা হিসেবেই। স্বর্গ, মর্ত্য, নরকের সীমা এই শব্দ,গন্ধ, বর্ণ স্পর্শের পৃথিবীতেই। দানব, মানব ,দেবতা এঁরাও সবাই মানুষই- এই তত্ত্ব বা কাহিনী ‘ প্রাচ্যে পুরাতন নারী’ র বাক্যবন্ধে যে ভাবে পরিস্ফুট হছে, তেমনভাবে আগে কখনো হয়নি । মনুসংহিতা, বেদ , উপনিষদ প্রভৃতি শাস্ত্রগ্রন্থ, এমনাকি ‘পুরাণ’ ও ‘রামায়ণ’- ‘মহাভারত’ মহাকাব্যদ্বয়ও যে বায়ুতরঙ্গে ভেসে আসা শব্দা্বলি নয়, সবই মানুষেরই সৃষ্টি সে কথাও স্পষ্টভাবে বিধৃত এ গ্রন্থে। দেখা যায়, নারী নিগ্রহ ও অবদমনের জন্যে পুরুষ তার অসম শক্তি ও ক্ষমতার প্রাবল্যে নারী জীবনের চারদিকে যে নিষেধের গন্ডি টেনে দিয়েছে, সহস্র বছরেও সেই সীমারেখা বিলুপ্ত হয়নি । এই গ্রন্থ তাই নানা শাস্ত্রের বিশ্লেষণ নয়, বরং তা কীভাবে নারীর জীবনকে প্রতি পদে দু:সহ করে তুলেছে তারই উপাখ্যান । গল্পকার ও বিজ্ঞানী পূরবী বসুর অধ্যয়ন ,গবেষণা, বিশ্লেষণ ও অনণ্য মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে সাজানো এই গ্রন্থের বক্তব্য ও বিষয়াবলি পাঠকের কাছে যেন রূপকথার মতোই শোনাবে । কিন্তু কিছুই রূপকথার নয়-সবই প্রাচ্যে নারী জীবনের নিয়ত বৈষম্য ও নির্যাতনের কাহিনী। সূচিপত্র * প্রাচ্য পুরাণ ও প্রাচ্যে পুরাতন নারী * সময়ের প্রেক্ষাপটে প্রাচীন প্রাচ্য সভ্যতা * শাস্ত্রীয় দৃষ্টিতে ও নির্মোহ চোখে স্বর্গ, মত্য , নরক এবং দেবতা, মানব, দানব * মনুসংহিতা ও অন্যান্য শাস্ত্রীয় ও নীতিগ্রন্থে নারীর অবস্থান * প্রাচীনকালে ধর্মে-কর্মে ও কৃষিকর্মে নারীর ভূমিকার প্রান্তিকীকরণ * পৌরণিক কাহিনী ও প্রাচীন নারীর কিছু বৈশিষ্ট্য * প্রাচ্য পুরাণে নারীর অবমাননা ও অবদমন * প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও নারী * প্রাচ্য পুরাণের র পঞ্চকন্যা * মধ্যযুগের নারীর অবস্থান ও অবস্থা * কিছু পৌরিাণিক, মধ্যযুগীয় ও কিংবদন্তীয় নারী * সীতাকেই কেন বার বার সতীত্বের পরীক্ষা দিতে হল? * রামায়ণ ও মহাভারতে অপ্সরাদের ভূমিকা * সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে পৌরাণিক নারীর নবরূপায়ণ * আত্নপ্রতিষ্ঠার সন্ধানে যুগে যুগে নারী * তথ্য নির্দেশনা পরিশিষ্ট * ক) রামায়ণ ও রামায়ণের প্রধান নারী চরিত্র * খ) মহাভারত ও কুরু -পাণ্ডব বংশের বিভিন্ন প্রজন্মের তালিকা * গ) প্রধান প্রধান আর্য ধর্মগ্রন্থর তালিকা * ঘ) কিছু পৌরাণিক শব্দের সংখ্যা'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b4943169c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হ্যালো কর্নেল',\n", " 'seo_url': 'হ্যালো-কর্নেল',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ কর্নেল মইনুদ্দিন পাক আর্মির ডাকসাইটে সেনা অফিসার। বাঘের মতো তেজি আর সিংহের মতো সাহসী। ভয় কাকে বলে তা তিনি জানেন না। শত্রু মোকাবেলায় তিনি খুবই সিদ্ধহস্ত। অসীম সাহসী এই অফিসার একবার দায়িত্ব পেলেন জঙ্গি দমনের। দলবল নিয়ে তিনি প্রস্তুত। রাত পোহালেই বের হবেন অপারেশনে। কিন্তু রাতেই ঘটলো বিপত্তি। রাতের আঁধারে চোখ খুলেই কর্নেল \\u200dদেখলেন, তার সামনে ওসামা বিন লাদেনের মতো চেহারার একজন দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি ভাবলেন, মৃত্যুদূত তার সামনে দাঁড়িয়ে! ভয়ে দম ফাটানো এক চিৎকারের পর জ্ঞান হারালেন কর্নেল। তারপর!'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b494316a6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মোখলেস ভাই উপাখ্যান-২',\n", " 'seo_url': 'মোখলেস-ভাই-উপাখ্যান-২',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আদু ভাই হলেও মোখলেস ভাই মেসের সবার কাছেই খুব প্রিয়। সিনিয়র হয়েও তিনি সবার কাছে বন্ধুর মতো। মোখলেস ভাই মানুষের উপকার করতে ভালোবাসেন। ভালোবাসেন বুদ্ধি দিতে। তার বুদ্ধিতে চলতে গিয়ে হাস্যকর সব ঘটনার উদ্ভব হয়। তার রুমমেট হল খসরু। মোখলেস ভাইয়ের সার্বক্ষণিক সঙ্গী। ক্লাসমেট নিতুর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে তো খাচ্ছেই। কোনো কূলকিনারা করতে পারছে না সমস্যাটার । আর আছে নিতু । তার প্রতি খসরুর ভালোলাগাটা সে উপভোগ করে। প্রশ্রয় দেয় না। বরং খসরুকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরানোতেই তার বেশি আনন্দ। ইমন। মোখলেস ভাইয়ের সাথে যার অলিখিত দ্বন্দ্ব লেগেই আছে। বিশ্বপ্রেমিক ইমন নিজেকে সবচেয়ে চালাক ভাবে। বিপত্তি ঘটে সেখানেই। এদের ঘিরে রয়েছে আরো কিছু মজার চরিত্র-সুদেব, রোহিত,কাওসারসহ আরো অনেকে। সবাই মিলে আপনাকে নিয়ে যাবে অনাবিল হাসির নতুন এক বর্ণিল জগতে। মোখলেস ভাইয়ের নতুন হাস্যরসাত্নক জগতে আপনাকে স্বাগতম। সূচিপত্র * কালো বিড়াল * টুথব্রাশ পর্ব * ভাগাম ভাগ * শোধ * এপ্রিল ফুল পর্ব * চেয়ার পর্ব * শীতবস্ত্র হরণ * ডিসেন্ট্রি পর্ব * প্রতারণা * ট্রেন যাত্রা * জোড়'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b494316b2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাংলাদেশের আঞ্চলিক রান্না',\n", " 'seo_url': 'বাংলাদেশের-আঞ্চলিক-রান্না',\n", " 'description': 'সূচিপত্র কক্সবাজার ছুরি শুটকি ভুনা তাজা লইট্টা ভাজা রূপচাঁদা ভুনা কিশোরগঞ্জ বেলে মাঝের ঝুরি চেপে শুঁটকির বড়া কাঁঠালের বিচি দিয়ে তাজি মাছের শুটকি তেল ছাড়া শুটকি কচু ভাজা কুড়িগ্রাম লাউশাক \\u200dচিংড়ির চচ্চড়ি সিদলের তরকারি কুষ্টিয়া চিংড়ি করলা চচ্চড়ি মুগডালে ফুলকপি মিষ্টিকুড়ার ছেঁচকি বড়ি বেগুনে মাছ গুরুর মাংসে পেঁপে চিংড়ি ফুলুরি কাটোয়া ডাঁটা সরিষা চচ্চড়ি পুঁই কলাই ফলার খাগড়াছড়ি কাউনের খিচুড়ি (চাকমা) বাঁশের চুঙি পিঠা (মারমা) নাপিও ফা ক্রা লাসু খুলনা নারকেল দিয়ে কচুর লতি চিংড়ি চিংড়ি কোপ্তায় নারকেল হাতে মাখা ঝোল ভেটকি পার্শে মাঝের ঝোল চুঁই ঝাল দিয়ে খাসি গোপালগঞ্জ শোল মাছে লাউ লাবড়া চট্টগ্রাম লইট্টা মাছের ফ্রাই মেজবানি গোশত দো-মাছা বিন্নি চালের ভাপা ভাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ছুট্টি চিতই রুটি কলাই রুটি চুয়াডাঙ্গা কুমড়ো বড়ি রুই মাছ সরিষা বাটায় শজনে ডাঁটা পুঁটি বেগুন চচ্চড়ি কলাই ডাল ও বেগুন ঘন্ট জামালপুর কৈ মাছে লাউশাক পুঁটি মাছ লতি ঝিনাইদহ ফুলকপি আলুতে নলা মাছ শিম ট্যাংরা ঝোল ওল ভর্তা ঠাকুরগাঁও কায়থা দিয়ে মুরগি ভুনা সিদল তেঁতুলিয়া রশুন কোয়া কবুতর তেলাপিয়া ভাজা দিনাজপুর পোড় টাকির ভর্তা পাঁচমিশালি ঘন্ট শোলকা দৌলতদিয়া পাঙাশ দোপেঁয়াজা সর্ষে ইলিশ পিটুলি নওগাঁ খোরা ডিম হাঁস ভুনা খুপি পিঠা কাউনের ক্ষীর নরসিংদী কাইকা মাছের বিরান আম কাঁঠালে গরু ভুনা গরুর গোস্তের পিঠালি নাটোর নারায়ণগঞ্জ নেত্রকোনা নোয়াখালী পঞ্চগড় পটুয়াখালী পাবনা পুরান ঢাকা ফরিদপুর বগুড়া বরগুনা বরিশাল বাগেরহাট বিক্রমপুর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভোলা ময়মনসিংহ মাগুরা মাদারীপুর মেহেরপুর মৌলভীবাজার রংপুর যশোর রাঙ্গামাটি রাজবাড়ী রাজশাহী শরীয়তপুর সাতক্ষীরা সিরাজগঞ্জ সিলেট সুনামগঞ্জ সেন্টমার্টিন হবিগঞ্জ নির্ঘন্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b494316cc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দেওয়ান গাজীর কিসসা',\n", " 'seo_url': 'দেওয়ান-গাজীর-কিসসা',\n", " 'description': '‘দ্য নিউ লাইফ’ বইয়ের ফ্ল্যাপের কথা: ২০০৬ সালের নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক ওরহান পামুক সাতটি উপন্যাসের জনক, এর মধ্যে পাঁচটি ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তুরস্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক তিনি, পেয়েছেন অসংখ্য আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার, এর মধ্যে রয়েছে ইমপ্যাক অ্যাওয়ার্ড। ‘মাই নেম ইজ রোড’ গ্রন্থের জন্য এ পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। ইউরোপের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ লেখকদের অন্যতম ওরহান পামুক-এর বই কুড়িটিরও বেশি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। তিনি ইস্তাম্বুলে বসবাস করছেন। ভূমিকা: ওসমান, এক তরুণ ইউনিভার্সিটির ছাত্র যে একদিন একটি যাদুর বই হাতে পায় এবং বইটি তাকে নিয়ে যায় তার নিজের এবং ভালোবাসার এক বিপজ্জনক প্রকৃতিতে। সে বাড়ি, পরিবার এবং তার লেখাপড়া ছেড়ে বইয়ের গভীর গোপন বিষয়গুলোর অর্থ খুঁজতে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। দ্য নিউ লাইফকে বলা যায় অর্ধেক রোড নভেল এবং বাকিটা মেটাফিজিক্যাল থ্রিলার, পাঠক বইটি পড়তে গিয়ে অনেক জায়গায়ই হয়তো ধাক্কা খাবেন, মনে হবে এক ফ্যান্টাসির জগত থেকে আরেক ফ্যান্টাসির জগতে ঢুকে পড়েছেন। অনেক জায়গা ধোঁয়াশা মনে হবে, কোথাও কোথাও হয়তো ব্যাখ্যাও খুঁজে পাবেন না। তবু বইটির অমোঘ আর্কষণে তিনি সামনে এগিয়ে যেতেই থাকবেন। বইটির একদম শেষে এসে সকল রহস্যের জট খুলে যাবে। বিমূর্ত উপন্যাসটি অবশেষে পাঠকের কাছে মূর্ত হয়ে ধরা দেবে, অনেক অব্যাখ্যাত প্রশ্নের ব্যাখ্যা মিলবে। এ বইটি সম্পর্কে লেখক অ্যালেন লি বোটন মন্তব্য করেছেন, “এ বইতে ওরহান পামুক অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে টার্কিশ হিন্টারল্যাণ্ড, অ্যানাটালিয়ান স্তেপ, এবং এর ছোট ছোট শহরগুলোর পরিবেশকে দারুণভাবে তুলে এনেছেন।” সানডে টাইমস-এর মতে, “এ হলো গোয়েন্দা গল্প এবং রূপককাহিনীর সংমিশ্রণ... পামুক ফ্যান্টাসি, রিয়েলিজম, ইনজেকুইটি এবং অবজারভেশন এ চারটি জিনিসকে একত্রে মিশিয়ে দারুণ একটি উপন্যাস রচনা করেছেন।”'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b4943171a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অমর বিজ্ঞানী মেরি কুরি',\n", " 'seo_url': 'অমর-বিজ্ঞানী-মেরি-কুরি',\n", " 'description': '“তাতারীদের ইতিহাস” পরিমার্জিত সংস্করণের ভূমিকা আলহামদুলিল্লাহ! ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ তা’আলার অশেষ কৃপায় তাতারীদের ইতিহাস বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ বের হতে যাচ্ছে। পাঠকমহলের আগ্রহ উচ্ছাস আর ভালোবাসায় আমরা আপ্লুত। বইটি পড়ে অনেক ভাই তাদের অনুভূতি, ভালোলাগা ও ভালোবাসার কথা আমাদের জানিয়েছেন। পাশাপাশি সুপরামর্শ দিয়েও বাধিত করেছেন। তাদের সবার পরামর্শের ভিত্তিতে বইটির পরিমার্জিত সংস্করণের সিদ্ধান্ত গ্ৰহণ করা হয়। বইটির পরিমার্জিত সংস্করণও ব্যাপক সমাদৃত হোক। সূচীপত্র: * লেখকের ভূমিকা * ইতিহাসের মঞ্চে তাতারী শক্তির উথান * তাতার বাহিনীর প্রথম আক্রমণ * তাতারীদের দ্বিতীয় আক্রমণ * তাতারীদের তৃতীয় আক্রমণ * আইনের জালুত * আইনের জালুতের যুদ্ধ থেকে শিক্ষানীয় বিষয়াদি * আইনের জালুতে বিপুল সহযোগিতা লাভের কারণ * উম্মাহর ব্যাধি ও আল্লাহর মদদ লাভের উপায়'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b4943177c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'পদ্মানদীর মাঝি',\n", " 'seo_url': 'পদ্মানদীর-মাঝি',\n", " 'description': 'ফ্লাপঃ \"জীবনের সুখ-দুঃখগুলো বৃষ্টির মত। ক্ষণিকের জন্য আসে, তারপর চলে যায়। শতচেষ্টা করেও এদের আটকে রাখা সম্ভব হয় না। চলে গেলেও এরা চিরতরে হারিয়ে যায় না। বিশেষ বিশেষ সময়ে মনের জানালায় উকি দেয়। উকি দিয়ে জানিয়ে দেয় - আমরা এখনও বেচে আছি। এই লেখাটিতে বার বার বৃষ্টির কথাটি এসেছে। অবেলার সেই বৃষ্টিতে অতি সাধারণ কিছু চরিত্রের সুখ-দুঃখগুলো ভিজেছে।\" \"জন্ম ১ এপ্রিল, ১৯৯০, পুরোনো ঢাকার একটি মধ্যবৃত্ত পরিবারে। গ্রাজুয়েশান এবং পোষ্ট গ্রাজুয়েশান কমপ্লিট করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। অবেলা তার প্রথম উপন্যাস। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি সংগীত জগতের সাথেও জড়িত আছেন। \"'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431786',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সপ্তপদী',\n", " 'seo_url': 'সপ্তপদী',\n", " 'description': 'ভূমিকা তেরশো ছাপ্পান্ন সালে পূজার আনন্দবাজারে সপ্তপদী প্রকাশিত হয়েছিল। আমার সাহিত্যকর্মের রীতি অনুযায়ী ফেলে রেখেছিলাম নূতন করে আবার লিখে বা আবশ্যকীয় মার্জনা করে সংশোধন করে বই হিসেবে বের করব। বিগত ১৫/১৬ বৎসর ধরে কবি’র সময় থেকে এই রীতি আমার নিয়ম ও নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার জীবনে ও শিক্ষায় এ শক্তি নেই আমি জানি যে, একবার লিখেই কোনো রচনাকে নিখুঁত দূরের কথা, আমার সাধ্যমত নিখুঁত করতে পারি। কিন্তু সপ্তপদীর সময়ে ঘটনার জটিলতায় তা সম্ভবপর হয় নি। যেমনটি ছিল তেমনটিই ছেপে বইয়ের আকারে বের হয়েছিল। ইচ্ছে ছিল দ্বীতীয় সংস্করণর সময় সংশোধন ও মার্জনা করব, কিন্তু তা-ও সম্ভবপর হয় নি বইখানির চাহিদার জন্য। ছ-বৎসরে আটটি সংস্করণ হয়েছে। প্রকাশকেরা বিলম্ব করতে চান নি, আমাকেও সুযোগ দেন নি। এবার জোর করে সুযোগ নিয়ে মোটামুটি সংশোধন ও মার্জনা করলাম। তাও সম্পূর্ণ হল না। সংসারে অসহিষ্ণু উদ্\\u200cগ্রীব মানুষের তাগিদে ভারতের জগন্নাথকেও অসম্পূর্ণ থাকতে হয়েছে। হয়ত জগন্নাথকে রূপ দেবার ক্ষমতার দৈন্য মানুষ ওই কাহিনী দিয়ে ঢেকেছে। আমার এ উক্তির মধ্যেও আমার অজ্ঞাতমনের সেই ভানই হয়থ প্রকাশ পেল। সে দৈন্য সবার কাছে স্বীকার করে তাঁদের কাছে হাত জোড় করাই ভাল।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431794',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ : একজন সেক্টর কমান্ডারের স্মৃতিকথা',\n", " 'seo_url': 'একাত্তরের-মুক্তিযুদ্ধ--একজন-সেক্টর-কমান্ডারের-স্মৃতিকথা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ একাত্তরের মার্চে কর্নেল জামান ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনী যখন বাঙালি হত্যা শুরু করে বিশেষত ইপিআর-এর সদস্য ও তাদের পরিবার-পরিজনের ওপর নির্বিচারে আক্রমণ চালায় তখন ইপিআর সদস্যদের পরিবার-পরিজনের আর্তনাদ তাঁকে বিক্ষুদ্ধ করে করে তোলে।সেই নৃশংস দৃশ্য দেখে মেজর (অব.) কাজী নূর-উজ্জামান তাঁর পরিবারের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন হানাদারের বিরুদ্ধে আবার অন্ত্র তুলে নেওযার। তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনকে ময়মনসিংহ জেলার গান্ধিনা নামক এক গ্রামে পাঠিয়ে ২৮ মার্চ তৎকালীন কর্নেল শফিউল্লাহর ব্যাটালিয়নে যোগ দেন।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b4943179c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অভ্যুত্থানের ঊনসত্তর',\n", " 'seo_url': 'অভ্যুত্থানের-ঊনসত্তর',\n", " 'description': 'ভূমিকা * চাকুরী পাওয়ার ক্ষেত্রে যেমন বিভিন্ন প্রস্তুতি নিতে হয় ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে ও প্রিপারেশন প্রয়োজন। তবে পার্থক্য হল ফ্রিল্যান্সিং এ আপনি স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবেন। চাকুরী করে মাসে যে অর্থ আসে সমপরিমাণ অর্থ ফ্রিল্যান্সিং এ খুব কম সময়ে আয় করা সম্ভব। ছাত্রাবস্থায় অথবা চাকুরীর পাশাপাশি ফ্রীল্যান্সিং করা দক্ষতার উপর নির্ভর করে একজন ফ্রিল্যান্সার ইনভেষ্টমেন্ট ছাড়া উদ্দ্যোক্তা হতে পারে। অন্যের কাছে অফিসে বসের নজরদারি এবং বকা খুব পছন্দের না এছাড়া ও বেশির ভাগ চাকুরি ডিগ্রী নির্ভর তাই এসবের সহজ সমাধান হতে পারে ফ্রিল্যান্সিং। বর্তমান সময়ে তরুনদের কাছে একটি উজ্জল দিগন্ত হচ্ছে আউটসোসিং। এটিকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই তাদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। * মহান আল্লাহর অশেষ শুকরিয়া বুকবিডি সিরিজ প্রথম বাংলাদেশে ইন্টারনেটে আত্মকর্মসংস্থান -২ বইটি রেব করতে পেরেছে। অসণিত পাঠকদের অনুরোধ এবং বইটির জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকায় বইটি লিখতে আমাদেরকে অনুপ্রানিত করেছে। পাঠকদের ভালবাসা এবং পরামর্শের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ইতিমধ্যে আমাদের প্রকাশিত অনান্য বই সমূহ পাঠকরা যেভাবে সংগ্রহ করেছে তাতে আমরা আনন্দিত এবং ভবিষৎ এ আরো বেশি প্রফেশনাল বই লিখতে অনুপ্রানিত করবে। * ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের বিশাল একটি বাজার। উন্নত দেশগুলো কম মূল্যে কাজ করানোর জন্য মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে যে কোন দেশ থেকে কম মূল্যে কাজ গুলো করিয়ে নেয়। ফ্রিল্যান্সিং এ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাজ করার সুযোগ যেমন ওয়েব ডেভলপমেন্ট, প্রোগ্রামিং, ডেটাএন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, অ্যানিমেশন, ইন্টানেট মার্কেটিং, সফ্টওয়্যার ডেভেলপম্যান্ট, ফটোগ্রাফিক, রিসার্চ আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি। আমাদের দেশে সারিরিক ভাবে অসুস্থ বেশির ভাগ লোকই বেকারত্বে ভুগছে, ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে খুব সহজে তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। * ইন্টারনেটে আয় করার রয়েছে অনেক ধরনের পদ্ধতি অর্থাৎ মাধ্যম । বইটিতে ইন্টারনেটে আয়ের প্রত্যকটি মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার যে বইটির মাধ্যমে তার ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারে। কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে হবে এবং ফ্রিল্যান্সিং এর পূর্ব প্রস্তুতি সমূহ কি এসব বিষয়ে বইটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। অনান্য বিষয় সমূহ যেমনঃ আপওয়ার্ক, বিডিং টেশনিক, আউটসোসিং মার্কেটপ্লেস, থিমফরেষ্ট, ফাইবার, টাস্কআরমি, ইমগিজ, পেইপাল এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে টাকা উত্তোলনের কৌশল, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আয়ের কৌশল, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ক্লিপিং পার্থ, লগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, কিভাবে সফল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হওয়া যায়, ওয়েব ডিজাইন, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ, ওয়ার্ডপ্রেস থিম, ইন্টারনেট মার্কেটিং, ফেসবুক থেকে আয় করার কৌশল, ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, লেখালেখি করে আয়, ই-কমার্স এবং উদ্দ্যেক্তা, ক্র্যাজলিষ্ট, ফরেক্স ট্রেডিং এবং ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। * বইটি বাংলাদেশের টপ ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে রচিত করা হয়েছে। যেখানে তারা বিভিন্ন টিপস এবং কাজ পাওয়ার ও করার সহজ পথ দেখিয়েছেন। তবে এই বইটি পড়ার পূর্বে ইন্টারনেটে আত্মকর্মসংস্থান -১ বইটি পড়তে হবে। বইটি লেখায় যদি কোন তথ্যগত এবং অনান্য ভূলক্রটি থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন অথবা আমাদেরকে ই-মেইলের মাধ্যমে জানালে উপকৃত হব। সব শেষে সকলের সাফল্য কামনা করছি। মডিউল-১ ফ্যিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং কনসেপ্ট মডিউল-২ ফ্যিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এবং বিডিং টেকনিক মডিউল-৩ সেল সার্ভিস এবং বিড ছাড়া ফ্যিল্যান্সিং কাজ মডিউল-৪ পেমেন্ট মেথড সমূহ মডিউল-৫ মাইক্রো ফ্রিল্যান্সিং এবং মোবাইল এর মাধ্যমে আয় মডিউল-৬ গ্রফিক্স ডিজাইন মডিউল-৭ ওয়েব এবং মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট মডিউল-৮ ইন্টারনেট মার্কেটিং মডিউল-৯ ব্লগিং মডিউল-১০ অ্যাডসেন্স এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মডিউল-১১ ডাটা এন্ট্রি এবং ওয়েব রিচার্স মডিউল-১২ উদ্যোক্তা এবং ই-কমার্স মডিউল-১৩ ক্রাজলিস্ট এবং ফরেক্স ট্রেডিং মডিউল-১৪ ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা এবং সমাধান'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b494317a6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শ্রেষ্ঠ পাবলো নেরুদা',\n", " 'seo_url': 'শ্রেষ্ঠ-পাবলো-নেরুদা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র নেরুদা-চয়নিকা কবিতা * অবিশুদ্ধ কবিতার দিকে * আমরা হারিয়েছি * একজন নারীর শরীর * এখন আমি লিখতে পারি * তুমি রোজ খেলা কর * দীর্ঘ রোদে-পোড়া তামাটে মেয়েটি * নিরাশার গান * শাদা মৌমাছি * আনজেলা আদোনিকা * কাব্যতত্ত্ব * প্রভ্যূষের রুগণতা * Walking Around * গাথা ও বিলাপ * ফেদেরিকো গার্থিয়া লোরকার উদ্দেশে ওড * ভোলা যায় না * ওয়ালৎস * নতুন নিশানে পুনর্মিলন * বলিভারের গান * আন্তর্জাতিক ব্রিগেডের মাদ্রিদে আগমন * আলমেরিয়া * কেমন ছিল স্পেন * দু-চার কথা বুঝিয়ে বলা * ধর্ষিত দেশ * মৃত সৈনিকদের জননীদের জন্য গান * ইউনাইটেড ফ্রুট কোম্পানি * একনায়কেরা * কতিপয় পক্ষী পশু কীট * চিলির সমুদ্র * জাগো, আমার সঙ্গে * তুস্যাঁ লুভারত্যুর * বাঁশের আগায় ছিন্নশির * বিস্ময়রাজি * বৃষ্টিতে অশ্বারোহী * মাচু পিকচুর শিখর থেকে * মিগুয়েল এরনানদেথ-কে * শান্তির কবিতা * স্তোত্র ও প্রত্যাবর্তন * চরণ দু’খানি * বাহুলতা * রানী * অলস অস্থিমালা * অসংখ্য নাম * আমরা নৈঃশব্দ্য চাই * ঘোড়াগুলো * তা হলে কদ্দিন * তার সঙ্গে * বনে বনে বসন্ত জেগেছে * বেড়ালের স্বপ্ন * ভ্রমণকথা * মৎস্যকুমারী ও মাতালদের উপকথা * শহরে ফেরা * হতভাগী * আর কিছু নয় * শৈলপ্রতিমা * কিউবা চিরন্তনী * ফিদেল কাস্ত্রোকে * ইস্লা নেগ্রায় রাত * কবির দায় * জনগণ * বিদায় * শব্দেরা * সংক্ষেপে * আমরাই শান্তি বজায় রাখছি * আমার জন্য অপেক্ষা কর, হে পৃথিবী * বিষয় : ঈর্ষা * উঁচু খনি অঞ্চল থেকে * কবিতা * কমিউনিস্ট * ঘুম নেই * জন্ম * জেলে * দক্ষিণ হাওয়ার দেশ * পুব দেশের ধর্ম * প্রথম যাত্রা * প্রথম সমুদ্র * ভালবাসা : জোসি ব্লিস * রাত্রি * শীতের ইশকুল * সেই আলো * স্মৃতি * হয়তো আমি পাল্টে গেছি তারপর * আমার নিশান * ঊনবিংশ * আমাকে ছেড়ে আস * এই -ই- আমি * দীর্ঘ হতে থাকা দিনকে * নীলকান্তমণির গুহায় * স্লেটরঙা মেঘ * একটি শিক্ষা * মানুষের প্রতিকৃতি * সমুদ্রযাত্রায় কুয়েভেদো পড়ে * উত্তর আমেরিকার বন্ধুদের জন্য * এ যেন ভরা জোয়ার * চৌরাস্তায় লাশ * তেমুকো * প্রাণচঞ্চল বাদামি রঙের শিশু * ভ্রমণের সঙ্গীরা * ম্যাগনোলিয়ার জন্য স্তবগীতি * যাই, বাহুর বন্ধন শিথিল করে * লেনিন * লোককবিদের প্রতি ওড * সাঁজাই * হাওয়ার্ড ফাস্টকে প্রবন্ধ ও বক্তৃতা * ফেদেরিকো গার্থিয়া লোর্কা * আমার বন্ধু পল এলুয়ার আজ মৃত * কবি তো কোনো গড়ানে নুড়িপাথর নন * ভালবাসা আছে বলেই বেঁচে আছি * আমাদের মহান ভ্রাতা মায়াকোফস্কি * বিদায়, লেনকা * বিদায় সোইলো এস্কোবার * কবিতা হচ্ছে বিদ্রোহ * এস্পানিয়ার আলো ওরা নিভিয়ে দিতে চেয়েছে * তেমুকোয় পুনর্বার * ইস্লা নেগ্রার সূচিশিল্পী * অদৃশ্য উপস্থিতি * নোবেল-পুরস্কার ভাষণ * আত্মজৈবনিক রচনা * সাক্ষাৎকার * বিষয় : নেরুদা * পরিশিষ্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431832',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হ্যামলেট',\n", " 'seo_url': 'হ্যামলেট-100',\n", " 'description': 'প্রসঙ্গ : শেক্সপিয়ার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারকে ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যপ্রতিভা হিসেবে সকলেই মনে করেন। ইংলন্ডের ওয়ারউইকশায়ারে স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভন নামে এক জায়গায় তিনি জন্মেছিলেন। ১৫৬৪ সালে তাঁর জন্ম। ঠিক তারিখটি নিয়ে একটু সন্দেহ আছে। তবে সবাই মনে করেন যে, দিনটি ছিল ২৩শে এপ্রিল। বাবা জন্ ও মা মেরীর আটজন ছেলেমেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয় সন্তান। শুধু সাহিত্যিক বললে শেক্সপিয়ারকে ঠিক বোঝা যাবে না। তিনি একসঙ্গে অনেক কিছু ছিলেন : কবি, নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, অভিনেতা। তাঁর ইংলন্ডের ‘জাতীয় কবি’ আর অ্যাভন-এর ‘চারণ কবি’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩৮টি নাটক, ১৫৪টি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা, ২টি দুদীর্ঘ গাথা-কবিতা ইত্যাদি তিনি রচনা করে গেছেন। পৃথিবীতে যে-ক’টি প্রধান ভাষা (বাংলা ভাষা সুমেত) রয়েছে তার প্রত্যেকটিতে তাঁর নাটক অনুবাদে, নয়তো সে-সবের ছায়া অবলম্বনে লিখিত অন্য নাটকের মাধ্যমে, জনগণের মধ্যে প্রচারিত ও পঠিত হয়েছে, জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। শুধু তাঁরই নাটক পৃথিবী জুড়ে যত মঞ্চস্থ হয়েছে, জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। শুধু তাঁরই নাটক পৃথিবী জুড়ে যত মঞ্চস্থ হয়েছে আর কারো নাটক তত অভিনীত হয় নি। ১৬১৬ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর মৃত্যু হয়।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431842',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নকশার রান্না',\n", " 'seo_url': 'নকশার-রান্না',\n", " 'description': 'ভূমিকা বেশকিছু দিন আগে, প্রথম আলোর সাপ্তাহিক আয়োজন ‘নকশা’র কোনো এক সংখ্যায় রান্নার রেসিপি ছিল না। সেদিন দেশের নানা জায়গা থেকে প্রথম আরোর পাঠকরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তারপর রেসিপি ছাড়া ‘নকশা’র একটি সংখ্যাও বেরোয় নি। এবার বেরোচ্ছে ‘নকশা’র রেসিপির নির্বাচিত সংকলন নকশার রান্না। শুধু বিশেষ দিনে বিশেষ রান্না নয় প্রতিদিনকার খাবার টেবিলে নতুনত্ব খোঁজেন অনেকে। তাই খাবার নিয়ে নিরীক্ষাও কম হয় না। সে নিরীক্ষা চলে সারা বছর। সে কারণেই আটপৌরে খাবারকেই নতুন ঢঙে পাঠকের কাছে নিয়ে এসেছে ‘নকশা’। ‘নকশা’র রন্ধনশিল্পীরা বছরজুড়েই খাবারে নতুন মাত্রা যোগ করতে চান এবং সেসব তুলে ধরেন পাঠকের কাছে ঈদ-উৎসব-পূজা-পার্বণে, নানা ঋতুতে বিশেষ খাবার, অঞ্চলবিশেষের উল্লেখযোগ্য খাবার আর সাধারণ ঐতিহ্যবাহী খাবারের ‘নকশা’ নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশে চীনা, থাইসহ বিদেশী খাবারের রেস্তোরাঁ বাড়ছে, মানুষ নানাভাবে তাদের রসনার পরিতৃপ্তি খুঁজছেন। কিন্তু দেশী খাবারের যে স্বাদ তা কি ভোলা যায়। দেশীয় খাবারের প্রতি আমাদের আগ্রহ ও ভালবাসা পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে। অনেক লুপ্ত দেশী খাবার ফিরে আসছে। সেদিকে আমাদের দৃষ্টি আছে, থাকবে। ‘নকশা’য় নিয়মিত যাঁরা দেন তাঁদের বাইরে অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত কোনো কোনো ব্যক্তিও আমাদের আগ্রহে সাড়া দিয়ে নানা ধরনের রেসিপি দিয়েছেন। এই রেসিপিগুলোর একটি নির্বাচিত সংকলন ‘নকশা রান্না’। রাঁধুনিরা তো বটেই, নতুন করে যাঁরা রাঁধতে চান, তাঁরাও অনেকে ‘নকশা’ পড়েন, সংগ্রহ করেন; অনেকে ‘নকশা’র পাতাও কেটে রাখেন। এবার তাঁরা তাঁদের অনেক প্রিয় রেসিপি দুই মলাটের মধ্যে পাবেন। যাঁরা আমাদের রেসিপি দিয়েছেন, প্রথম আলোর যেসব আলোকচিত্রী ছবি তুলেছেন তাঁদের ধন্যবাদ। ধন্যবাদ অবসর প্রকাশনা সংস্থার স্বত্বাধিকারী আলমগীর রহমানকে, রান্না আর রান্নার বইয়ের ব্যাপারে তাঁর অপরিসীম আগ্রহের জন্য। সুমনা শারমীন ফিচার সম্পাদক প্রথম আলো সূচিপত্র পানীয় * টমেটো জুস, * পাইনঅ্যাপেল জুস, * পাকা পেঁপের শরবত, * বাতাবিলেবুর শরবত, * বেলের শরবত, * পাকা আমের শরবত, * বেদানায় বানারসি শরবত, * রসে টইটম্বুর তরমুজের রস, * পাকা পেঁপের হলুদ রস, * তরমুজের তাজা রস, * ডাবের শাঁসে ডাবের রস, * বোরহানি, * কাঁচা আমের বোরহানি, * দই-কলার পানীয়, * জিরা পানি, * লাচ্ছি, * আম-দইয়ের বাদাম লাচ্ছি, * আমের স্কোয়াশ, * লেমন হানি ডিউ, * ফুটির ফ্রস্ট, * টিটোটিলার, * ম্যাঙ্গো পাঞ্চ পোলাও/বিরিয়ানি/খিচুড়ি/রুটি/পরোটা * মোরগ পোলাও *মুরগির পোলাও, *সরবি খিচুড়ি, *মাষকলাই ডালের খিচুড়ি, *কাবলি ছোলার খিছুড়ি, * ভুনাখিচুড়ি, * গ্রিস কাবাব বিরিয়ানি, * বসনিয়ান পরোটা, * ধনিয়া রুটি, * টমেটো রুটি, * ছিটা রুটি, * নানরুটি, * খেজুর-কিশমিশের মিষ্টি রুটি, * পুর ভরা শর্মা ফল/শাকসবজি * আলুর সালাদ, * নতুন স্বাদে ফলের সালাদ, * চিংড়ি ও আপেলের ঠাণ্ডা সালাদ, * কাঁচা আমের ভর্তা, * শিম-বরবটি ভর্তা, * পটল ভর্তা, * কুমড়োবড়ি ভর্তা, * সবজি-রশুন আচার, * শজিনার মিষ্টি আচার, * লাউয়ের নৌকা, * স্পাইসি আনারসের নৌকা, * পালং টিউলিপ, * মুরগি-গাজরের মিশেলে প্যান কেক, * মজাদার বেগুনভাজি, * মটরশুঁটির চটপটি, * মটরশুঁটির পিৎজা, * মুলার পদ্ম, * গাজরের কাঁঠালচাঁপা, * আম-তেঁতুলের গোলা, * পুর ভরা মরিচ, * নারকেলের দুধে এঁচড় ডাল, * এঁচড় চিংড়ি, * কাঁঠাল বিচির কাটলেট, * কাঁঠাল বিচি দিয়ে মোরগ ভুনা, * বাঙ্গি চাট, * কাঁচা আমের চচ্চড়ি, * আমের ঝাল পিঠা, * আমের শাস-রাঙানো খাট্টা মাছ * মুড়িঘন্ট, * আনারস-রুই ভুনা, * আনারস-চিংড়ির মালাইকারি, * চিংড়ির মালাইকারি, * রুই মাছের ডিমের বড়া, * ইলিশের ডিম দোপেঁয়াজা, * পাঙ্গাশ মাছের ডিম ভুনা, * মাছের ডিমে ফ্রেঞ্চ টোস্ট, * মুচমুচে ইলিশ ভাজা, * ইলিশ ভাজা, * নারকেলে ভাড়া মাছ, * সসে ভাড়া পুঁটি, * আমে মাছ চচ্চড়ি, * মলা চচ্চড়ি, * পাঁচমিশালি মাছ, * সবজি-মাছের কাটলেট, * বিনা তেলে ইলিশ, * ভাপা ইলিশ, * টমেটো রুই, * পলং দিয়ে রুই মাছ, * টেংরায় ফুলকপি, * ফিশ পোটলি, * ফিশ কাপস, * ফিশ চপ, * মশলায় চিংড়ি তন্দুরি, * ইলিশ মাছেল টিকিয়া, * ফলি মাছের কোপ্তা, * মাছের কাটলেট, * পুর ভরা ইলিশ পরোটা, * ফিশ ফিঙ্গার, * ইলিশ ভর্তা, * ছুরি শুঁটকি ভর্তা মাংস * খাসির মাংসের দোপেঁয়াজা, * পুর ভরা খাসির মাংসের কাবাব, * ভাপ কাবাব, * মাংসের ঝুরি কাবাব, * সানদিয়া কাবাব, * মাদ্রাজি কাবাব, * শিকামপুরি কাবাব, * মুরগি-আনারস সালাদ, * চিকেন সালাদ, * আনারস সসে মিটবল, * আনারস-মুরগির দোপেঁয়াজা, * চিংড়ি মাখনে সিদ্ধ বাঁধাকপি, * মুরগি-চিংড়িতে পাঁচমিশালি সবজি, * মোসাকা, * স্পাইসি মিটবল, * দরবারি কোপ্তা, * কাটা মশলায় গরুর মাংস, * লেবু-নারকেলে মুরগি, * চাটনি মুরগি, * হালিম, * মোরগের রোস্ট, * শাহি রেজালা, * লিভার পাইনঅ্যাপেল, * ডাক বিরিয়ানি, * সেকা কাবাব-ই-মালাই, * কড়াই মাটন, * সিম্পল সিম্পল গ্রিল চিকেন, * চিকেন ডেকেরেশন নাস্তা * স্টাফড প্রন ইন ক্রিসপি পাস্তা, * বেকড চিজ স্প্যাগেটি, * ব্রেডবল, * চিজবল, * মিটবল, * পালঙের সুপ, * এগ টমেটো সুপ, * চিকেন কর্ন সুপ, * মিক্সড ভেজিটেবল উইথ প্রন সুপ, * অনিয়ন উইথ গারলিক \\u200dসুপ, * ক্যাপসিকাম পাকৌড়া, * কাচকি মাছের কচি পাকৌড়া, * চিঁড়ার নাড়ু, * ঝুরি ভাজা, * গজা, * কুড়কুড়ি আঙ্গুরি, * নিমকপারা, *ব্রেড পালং টিক্কা, গাজর পনিরের টোস্ট, * মগজের চপ ডেজার্ট * নতুন গুড়ের ক্ষীর, * গাজরের ক্ষীর, * গুড়ের সন্দেশ, * বল কেক, * ভ্যালেনটাইন কেক, * গাজর বাদাম কেক, * তালের কেক, * চকোলেট সসে তালের প্যান কেক, * তালের পাই, * তালের বড়া, * তালের হাপুস, * তালের রোল, * তালের জিলাপি, * তালের পুলি পিঠা, * ভাপা পিঠা, * পাটিসাপটা পিঠা, * ছিট পিঠা, * মৃগ পুলি, * দুধ চিতই, * রসকদম, * নারকেল-গাজরের বরফি, * পাঁচমিশালি হালুয়া, * মিষ্টিকুমড়ার হালুয়া, * মটরশুঁটির হালুয়া, * সুইটবল, * বালুশাই, * বসগোল্লা, * মাওয়ার লাড্ডু, ছানার পোলাও, * বরফি সেমই, ছানার পুডিং বিশেষ দিনের রান্না * মাখন দিয়ে সবজি ভাজি, * চিংড়ি বড়ি ও শিম-কপির কোরমা, * আমড়া খাসি যুগলবন্দি, * খেজুর-কাউনের পায়েস, * চিংড়ি সর্ষে ইলিশ পাতুড়ি, * শাহি টুকরা স্ন্যাক্স * মুচমুচে সমুচা, * গরম গরম মোমো, * পনির রোল, * হারা ভারা চপ, ছোলা-চাট, * মিক্সড ফ্রুট ককটেল, * সুজির পাকৌড়া, * দই ফুচকা, * ঝাল-মিষ্টি ফলের সালাদ ডাল * ডাল মাখানি, * মশলা মসুর, * মোগলাই ডাল, * ডাল মহারানি, * শাহজাহানি ডাল, * বুটের ডালে ক্যাপসিকাম, * ডাল রান্নার মশলা, * মাষকলাই ডালে পালং, * খাট্টা ডাল, * লাউ ফেলন ডাল সুপ * ভেডিটেবল ক্লিয়ার সুপ, * স্পাইসি চিকেন সুপ, * ভেজিটেবল নুডলস সুপ, * টমেটো এগ ড্রগ সুপ, * ইটালিয়ান সুপ * নির্ঘন্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431864',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমড়া ও ক্র্যাব নেবুলা',\n", " 'seo_url': 'আমড়া-ও-ক্র্যাব-নেবুলা',\n", " 'description': 'রাজুর বােন বকুলের বিয়ে ঠিক হয়েছে। পরিবারের প্রথম বিয়ে, তাই সেটা নিয়ে বাড়াবাড়ি হইচই। বিয়ের কার্ডে কী লেখা হবে সেটা ঠিক করতেই ইউনিভার্সিটির তিন জন বাংলার বাঘা বাঘা প্রফেসরের সাথে আলােচনা করা হয়েছে। কার্ড ছাপানাের পর মা রাজুকে ডেকে বললেন, রাজু বাবা তুই একবার সিলেট যা। সিলেট? রাজু চোখ কপালে তুলে বলল, সিলেট কেন? তাের মামা আছেন, বিয়ের একটা কার্ড দিয়ে আয়। গিয়ে দিয়ে আসতে হবে কেন? পােস্ট করে দিলেই হয়। মা জিবে কামড় দিয়ে বললেন, ছিঃ! সবকিছুর একটা নিয়মনীতি আছে না! বিয়ের কার্ড হাতে হাতে দিতে হয়। রাজু মুখ শক্ত করে বলল, বেশ! তাহলে একটা প্লেনের টিকিট কিনে দাও আমেরিকা গিয়ে ছােট চাচার বিয়ের কার্ডটাও দিয়ে আসি। আসার সময় ডিজনিল্যান্ডটাও দেখে আসব। মা চোখ পাকিয়ে বললেন, ফাজলামি করবি না। যা বলেছি কর। ট্রেনে যাবি-আসবি তাের সমস্যাটা কোথায়? কাজেই রাজুকে বিয়ের কার্ড নিয়ে সিলেট দৌড়াতে হল। সে কলেজে ফাস্স্ট ইয়ারে পড়ে। এই বয়সটার নানারকম যন্ত্রণা, ছোট বলে আলাদা করে কেউ আর আলাদা করে খাতির-যত্ন করে না, আবার বড় হয়ে গেছে বলে কেউ স্বীকার করে না। যত রকমের নােংরা কাজগুলাে তার ঘাড়ে এসে পড়ে। সিলেট যাওয়া অবশ্যি ঠিক নোংরা কাজের মাঝে পড়ে না। সত্যি কথা বলতে কী সে এই দায়িত্বটা পেয়ে বেশ খুশিই হয়েছে, না হলে তাকে ডেকোরেটরের কাছে আর দর্জির কাছে দৌড়াদৌড়ি করতে হত। তাছাড়া মামার সাথে অনেকদিন দেখাসাক্ষাৎ নেই, একটু পাগলাটে মানুষকিন্তু তাদের খুব আদর করেন। প্রায় সারাদিন ট্রেনে বসে থেকে রাজু সিলেট পৌছল বিকেলবেলা।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431868',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাংলাদেশ লাঞ্ছিতা',\n", " 'seo_url': 'বাংলাদেশ-লাঞ্ছিতা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * পাকিস্তানের দুর্বিপাকের পূর্ববঙ্গ * পাকিস্তান পতনের কারণগুলোর যৌক্তিকতা * পাকিস্তানে সংঘর্ষের মূল কারণগুলো * অর্থনৈতিক বৈষম্য * পাকিস্তানি শাসকচক্রের বিশ্বাসঘাতকতা * এক নতুন সূচনা পর্ব * ১৯৭০ : নির্বাচন-পূর্ব টালবাহানা * ১৯৭১ : নির্বাচনোত্তর প্রহসন * পাক-সামরিক বাহিনীর অভিযান * অবিস্মরণীয় পঁচিশ দিন * গণহত্যা * গোয়েবলসের পুনরাগমন * আশি লাখ লোক কেন মারা যাবে? * কেন বাংলাদেশ? * অনুবাদকের মন্তব্য * পরিশিষ্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431870',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অবরোধ-বাসিনী',\n", " 'seo_url': 'অবরোধ-বাসিনী',\n", " 'description': 'ভূমিকা ‘অবরোধ-বাসিনী’ লিখিয়া লেখিকা আমাদের সমাজের চিন্তা ধারার আর একটা দিক খলিয়া দিয়াছেন। অনেকে অনেক প্রকার ইতিহাস লিখিয়া যশস্বী হইয়াছেন;কিন্তু ভারতের অবরোধ -বাসিনীদের লাঞ্ছনার ইতিহাস ইতিপূর্বে আর কেহ লিখেন নাই। পুস্তক খানি পাঠ করিয়া বারংবার এই কথাই মনে পড়ে ,-আমরা কোথা হইতে আসিয়া কোথায় গিয়া পড়েছি! যে মুসলিম সমাজ এককালে সমস্ত জগতের আদর্শ ছিল , সেই সমাজের এক বিরাট অংশ এখন প্রায় সমস্ত জগতের নিকট হাস্যাস্পদ হইয়া দাঁড়াইয়াছে, একথা বলিলে বোধ হয়ে অত্যুক্তি হইবে না। কোথায় বীরবলা খাওলা ও রাজিয়া অশ্বপৃষ্ঠে আরোহন পূর্বক পুরুষ যোদ্ধাদের সহিত যুদ্ধ করিয়াছেন, আর কোথায় বঙগীয় মুসলিম নারী চোরের হস্তে সর্বঙ্গ সমর্পন করিয়া নীরবে অশ্রু বিসর্জন করিতেছেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস , ‘অবরোধ -বাসিনী’ পাঠে ঘুমন্ত জাতির চিন্তা-চক্ষু উন্মীলিত হইবে। সর্বশেষ লেখিকাকে েএই সৎসাহসের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ‘অবরোধ-বাসিনী’র প্রতি পাঠক -পাঠিকাদের সহৃদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করিতেছি। আবদুল করিম (বি. এ. এম. এল. সি)'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b494318c8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিন্দু পুরাণ',\n", " 'seo_url': 'হিন্দু-পুরাণ',\n", " 'description': \"'হিন্দু পুরাণ' বইয়ের ভূমিকাঃ আমরা বাঙালিরা মুসলিম আর সনাতন এ দু টি প্রধান ধর্ম বিশ্বাসে বিভক্ত আছি। শান্তি, সহিষ্ণুতা ও মর্যাদাপূর্ণ সহাবস্থান আমাদের সমাজের ভিত্তিকে দৃঢ়তর করছে। একের ধর্ম বিশ্বাস অপরে জ্ঞাত হবেন এটিই স্বাভাবিক। পবিত্র কুরআনের উদ্বোধনি অধ্যায়ের বাংলা অনুবাদ শুনে অনেক অ-মুসলিম আমার সম্মুখে অবাক বিস্ময়ে এর নিবেদনের চমৎকারিত্ব অনুভব করেছেন। দ্বিতীয় অধ্যায়ের কয়েকটি বাক্য শুনে নিশ্চিত ধারণা করেছেন যে, এটি পরম প্রভু হতে অবতারিত। এর বাণি অমৃতময়; এ বাণি মর্মের গভীরে অনুভূত হয়! অন্যদিকে সনাতন ধর্ম মতের প্রধানতম গ্রন্থ বেদ। এর অর্থ জ্ঞান। এটি পাঠ করলে অনুধাবন করা যায় ধর্মীয় মোড়কে কত গভীর জ্ঞান এতে লুক্কায়িত আছে। বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য আরব অধিকারে আসার পর আরব পণ্ডিতেরা তাঁদের গ্রন্থরাজি পাঠ করে নিজেরা মহাপণ্ডিত হয়ে ওঠেন। জ্ঞানের প্রবাহ নিরর্গলিত থাকা প্রয়োজন। জ্ঞান তাঁর অন্তর্নিহিত শক্তি বলে টিকে থাকবে। জ্ঞানের সঙ্গে অসারতা মিশ্র থাকলে তা অপনোদিত হবে। পুরাণকাহিনির বিশ্বাস প্রসঙ্গে কিছু না বলে এর সাহিত্যিক মূল্য সম্পর্কে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো। প্রাচীনের মর্যাদা অনন্য। পুরাকালে কবে কোন সম্রাট স্তম্ভ গাত্রে খোদাই করে লিখে গেছেন অমোঘ বাণি, ‘সত্য মেব জয়তে’- ‘ট্রুথ অ্যালোন ট্রিয়াম্ফ্’। কালের প্রবাহে ভেসে গেছে তার রাজ্য-রাজধানি; অথচ অমলিন থেকে গেছে সে অমোঘ বাণি। অতীত গর্ভে সম্রাট শাহ্জাহান রয়েছেন অতল তল; তাঁর গাঁথা প্রেমহার আগ্রায় আজও শুভ্র সমুজ্জ্বল। কোথা আজ কালিদাস? তাঁর কণ্ঠে আজও আছে যক্ষের বিরহি হৃদয়ের দির্ঘশ্বাস। পুরাণকাহিনি পৌরুষেয় কি অপৌরুষেয় সে প্রশ্ন থাক, লেখনীতে সে কাহিনি চলৎশক্তি পাক। এ কাহিনির বর্ণনা অপূর্ব-অদ্ভুত। ঘটনার ঘনঘটা এতো অধিক শাখা-প্রশাখা বিস্তার করেছে যে, মনে হবে এটি কল্পনার চেয়েও অধিক কল্পনাময়। এটি রূপময়, রসময়। কখনও বীর রসে সিক্ত, কখনও শৃঙ্গার রসে। ওল্ডটেস্টামেন্টের জেনেসিস পর্বে সৃষ্টির মহারহস্য উদ্ঘাটিত আছে। এ পুরাণকাহিনিতেও সৃষ্টির বিভিন্ন পর্ব বিবৃত আছে। এ সৃষ্টির মাঝে সুন্দরতম সৃষ্টি হচ্ছে অপ্সরাগণ। অপ্ (জল) হতে এদের সৃষ্টি করা হয়েছে। এদের সংখ্যা ৬০ কোটি। প্রধান অপ্সর রমণি হচ্ছেন : ১. উর্বশি, ২. তিলোত্তমা, ৩. রম্ভা ও ৪. মানেকা। প্রত্যেকে চরমতম সুন্দরি। প্রত্যেকে চির যৌবনা-মৌবনা; সুকান্তা, সুবর্ণা, সুদন্তা, সুকুন্তলা, সুলোচনা, সুহাসিনি ও সুমধুর ভাষিনি! তাঁদের কণ্ঠ মুরলি ধ্বনি সদৃশ্য মুররি মনোহর। তাঁদের গাত্র বর্ণ যথাক্রমে সাদা কুন্দ ফুলের মতো, লাল মন্দার ফুলের মতো, হলুদ অনুপম রম্ভার মতো ও গৈরিক। দেবগণ তাঁদের রূপে মোহিত থাকেন। তাঁদের বিবসন উপস্থিতি যোজন যোজন কাল যাবত ধ্যানমগ্ন ঋষিদের ধ্যান ভঙ্গ করে। এমনতর চমৎকার ঘটনারাজিতে এ লেখা ভরপুর।\"},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b494318d8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'Seoul Diary',\n", " 'seo_url': 'seoul-diary',\n", " 'description': 'পুরানো বই'},\n", " {'product_id': '5a82dfd1c1a7309b49431914',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সাহসী সাত বন্ধু (প্রথম পাঠ)',\n", " 'seo_url': 'সাহসী-সাত-বন্ধু',\n", " 'description': 'সাহসী সাত বন্ধু’- ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল-এর প্রথম কিশোর উপন্যাস। উপন্যাসটির সবচেয়ে বড়ো বৈশিষ্ট্য ; কিশোরকে কেবলমাত্র কিশোর না ভাবা। বাংলাদেশের শিশু-কিশোর সাহিত্যে সম্ভবত এই প্রথম দেশ এবং তার অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটকে ধরার চেষ্টা করা হলো। ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল সাত কিশোরকে অবাস্তব তেপান্তরের মাঠের মধ্যে দিয়ে না ছুটিয়ে অত্যন্ত পরিচিত বরাটগ্রামের গ্রাম্য দৈনন্দিন ক্লীন্নতার মধ্যে রেখে তার আকাক্সক্ষা এবং বাস্তবের টানা-পোড়েনের মধ্য দিয়ে সমাজ ও মানবতার চেহারাটি উন্মোচন করেছেন।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe98',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নোঙরের শেষ নেই',\n", " 'seo_url': 'নোঙরের-শেষ-নেই',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ নোঙরের শেষ নেই চট্রগ্রামের পটভূমিকায় মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা-নির্ভর উপন্যাস। সব চরিত্র কাল্পনিক, ঘটনার বিন্যাসও কাল্পনিক, যদিও মুক্তিযুদ্ধের বাস্তবতা হচ্ছে এর প্রেক্ষাপট।একটি পরিবারের \\u200dকিছু দূর্যোগপূর্ণ অভিজ্ঞতা এ উপন্যাসের উপজীব্য। বাংলাদেশের সৃষ্টি যে অবশ্যম্ভাবী ছিল সেটি যেমন উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র বৃদ্ধ মুনশির ভাবনার মধ্য দিয়ে প্রকাশ হয়েছে যে, মুক্তিযুদ্ধ কোনো একরৈখিক অভিযাত্রা ছিল না, বরঞ্চ ছিল এমন একটি নির্দিষ্ট অবস্থান গ্রহণ করতে উজ্জীবিত করে, তেমনি মোহনকেও তার পাশের মানুষগুলো সম্পর্কে অধিকতর সংবেদনশীল করে তোলে। এর অন্যতম ফাইনালের শহীদ হবার ঘটনা তাই একটি প্রতীকী মাত্রা পায়। টানা। গদ্যে সাবলীল ভাষায় রচিত গ্রন্থভুক্ত কাহিনীটি পাঠককে ভেতর থেকে দেশ ও মানুষ সম্পর্কে সচকিত করবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe9a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ওভারকোট',\n", " 'seo_url': 'ওভারকোট',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * ওভারকোট * পোর্ট্রেট * নাক'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbe9c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এই যন্ত্র লইয়া আমরা কী করিব',\n", " 'seo_url': 'এই-যন্ত্র-লইয়া-আমরা-কী-করিব',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই যন্ত্র লইয়া আমরা কী করব? এই দেশের সবার হাতে মোবাইল ,সবার হতে ক্যামেরা, অনেকের কাছে ফেসবুক কিংবা ইন্টারনেটের সহজপ্রবেশ্য। কিন্তু আমরা কি এসবের জন্য প্রস্তুত? এই প্রশ্ন তুলেছেন আনিসুল হক ,তাঁর দেশ ও জাতি নিয়ে উদ্বেগ, অন্যায় -অসঙ্গতির বিরুদ্ধে প্রতিবিাদ, হাস্যকৌতুক ও বিদ্রুপ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিরন্তর আশাবাদ -এইসব থাকে তার অরণ্যে রোদন কলামে। সেসব নিয়েই এইবই। আপনাকে ভাবাবে,হাসাবে,কাঁদাবে এবং অনূপ্রাণিত করবে এই বই। ভূমিকা প্রথম আলো পত্রিকায় গত এক বছরে প্রকাশিত অরণ্যে রোদন কলাম নিয়ে এই বই। বই হিসেবে প্রকাশের আগে লেখাগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখলাম, মনে হলো,মন্দ কী! হা!হা! অনেক পাঠকই আমাকে বলেন, আপনার কলামগুলো একসঙ্গে পড়তে চাই। এই হচ্ছে সেই বই। সবাইকে শুভেচ্ছা। আনিসুল হক ৯ জানুয়ারি, ২০১৩'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbea4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সব লেখাই সেরা -প্রথম খন্ড',\n", " 'seo_url': 'সব-লেখাই-সেরা--প্রথম-খন্ড',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বাংলাদেশের শিশুসাহিত্যের গত পঞ্চাশ বছরে বহুবর্ণিল রচনা সম্ভারে তার শিশুত্বকে অতিক্রম করেছে। পূর্ণ করেছে আনন্দের মধুভান্ডার। গল্প, উপন্যাস, ছড়া-কবিতা ছাড়াও বহুবিচিত্র বিষয় প্রবন্ধ-নিবন্ধ-ফিচার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক রচনা, সায়েন্স ফিকশন, নাটক, লোকগাথা, রূপকথা-সব মিলিয়ে বাংলাদেশের শিশুসাহিত্যে এখন আধুনিকতার স্পর্শে রঙধনুর বর্ণচ্ছায় উদ্ভাসিত। ‘সব লেখাই সেরা’- ছোটদের এই গ্রন্থ বাংলাদেশের বরেণ্য লেখকদের সেরা লেখার সংকলন গ্রন্থ। আমাদের সকল উল্লেখযোগ্য লেখক ছোটদের জন্য কিছু না কিছু লিখছেন। তাদের সবলেখাই গ্রন্থিত হয়েছে-এমন বলা যাবে না। ছোটদের পত্র-পত্রিকা, সংকলন, বিভিন্ন বার্ষিকীতে এখনও অসংখ্য লেখা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সেই সব মণিমুক্তো নিয়ে অনুপম প্রকাশনী থেকে এক অনুপম প্রকাশনা ‘সব লেখাই সেরা।’ এক আশ্চর্য-সুন্দর সংকলন গ্রন্থ। সকল বয়সী সকল পাঠকের জন্য এক আনন্দ উপহার। তাদের মন ও মননকে সমৃদ্ধ করতে হলে এই বই সংগ্রহে রাখতেই হবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbea6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'জানতে হলে পড়তে হবে',\n", " 'seo_url': 'জানতে-হলে-পড়তে-হবে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ *হেলেন কেলারের জীবনকাহিনী *অবন ঠাকুরের আপন কথা *গ্রিস ও ট্রয়ের উপাখ্যান *বাঙলা নামে দেশ *আমাদের ভাষার লড়াই *জয়নুল আবেদিন *থ্রি মাস্কেটিয়াস্\\u200c * ছানার মুক্তিযুদ্ধ *পৃথিবীর ইতিহাস *স্পর্টাকাসের বিদ্রোহ *জীবনের শেষ নেই * সত্যজিৎ রায়ের ছোটবেলা * মুক্তিযুদ্ধের কথা * আবিষ্কারের গল্প *গোর্কির মা * স্মৃতির শহর ঢাকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbec4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গুরু নানকের গল্প',\n", " 'seo_url': 'গুরু-নানকের-গল্প',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ‘গুরু নানকের গল্প’ লেখাটি আমার দশ বছর আগের রচনা। এতদিন পাণ্ডুলিপিটি অযত্নেই পড়েছিল। পুরোনো লেখা ঘাটতে গিয়ে বছর খানেক আগে পাণ্ডুলিপিটি হঠাৎ একদিন হাতে এল এবং ছাপানোর কথাও মাথায় এল। ‘ছোটদের শরৎচন্দ্র’, ‘ছোটদের বঙ্কিমচন্দ্র’, ‘ছোটদের তীর্থঙ্কর মহাবীর’ বই তিনটি ইতঃপূর্বে মুক্তদারা, ঢাকা প্রকাশ করেছে। ভাবলাম ,ঐগুলোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কিশোর উপযোগী এই লেখাটিও প্রকাশ করা যেতে পারে। তবে এই পাণ্ডুলিপিতে বেশ কিছু অংশ নতুন সংযোজন। শিখধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানক পাঞ্জাবের লাহোরের অদূরবর্তী তালওয়ান্দি (বর্তমান নানকানা) গ্রামে ১৪৬৯ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম কালু বেদী এবং মাতার নাম ত্রিপতা। নানকের জীবন আগাগোড়াই ছিল বৈচিত্র্যপূর্ণ। প্রথম থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি তাঁর বিরাগ ছিল। বিদ্যালয়ের শিক্ষা অপেক্ষা তিনি নির্জনে ও সাধুসঙ্গে দিন যাপন করতে বেশি পছন্দ করতেন।তবু তিনি ফারসী ভাষা ভালই আয়ত্ত করেছিলেন। ঈশ্বর ভক্তিমূলক ভজন গান তাঁর অতিশয় প্রিয় ছিল। সংসার -বিরাগী পুত্রকে সংসারের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য তাঁর পিতা মাতা কৈশোরেই তাঁর বিবাহ দেন । কিন্তু তাতে বিশেষ ফলোদয় হয়নি। কর্মজীবনে নানক কিছুকাল সুলতানপুরের নবাব সরকারের গুদাম রক্ষকের কাজে নিযুক্ত ছিলেন। সমাজের নানা কুসংস্কার, অনাচার, অশিক্ষা, বৈষম্য তাঁকে নানাভাবে পীড়া দিতে থাকে। কি করলে মানুষের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল হবে, মানুষ ঈশ্বরভিমুখী হবে এই চিন্তা তাঁকে সর্বক্ষণ ঘিরে থাকে। সুলতানপুরে অবস্থানকালে একদিন তিনি নিকটস্থ বনে চলে যান এবং সমাধিস্থ অবস্থায় ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ লাভ করেন। এরপর তিনি তীর্থভ্রমণে বের হন এবং ভ্রমণকালে তিনি পশ্চিমে মক্কা মদীনা বাগদাদ দক্ষিণে সিংহল ও ভারতবর্ষে আসাম গয়া কাশী কুরুক্ষেত্র বৃন্দাবন ও দিল্লী গমন করেন। ভ্রমণের শেষ শুরু নানক করতারপুরে এসে বসবাস করেন এবং ধর্ম প্রচার ও দীক্ষায় মনোনিবেশ করেন। মৃত্যুর অব্যবহিত পূর্বে তিনি তাঁর প্রধান শিষ্য অঙ্গদকে পরবর্তী শুরু মনোনীত করে যান। ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে ৬৯ বছর বয়সে এই মহান মানব দরদী সাধকের দেহাবসান ঘটে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbefe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উপন্যাসের বিষয়-আশয়',\n", " 'seo_url': 'উপন্যাসের-বিষয়-আশয়',\n", " 'description': 'কাহিনীই হচ্ছে উপন্যাসের সেই মৌলিক বিষয় যা না থাকলে এর অস্তিত্বই থাকত না। সব উপন্যাসে যেসব বিষয় থাকে তার মধ্যে কাহিনীর অবস্থান সবার আগে এরকম না হলেই ভালো হতো - আমার মনে হয়। তাহলে উপন্যাস হতো ভিন্ন একটা কিছু-মধুর কোনো সঙ্গিত অথবা সত্যের অবয়ব। ১৯২৭ সালের বসন্তকালে কেমব্রিজ - এর ট্রিনিটি কলেজে প্রদত্ত বক্তৃতাই Aspects of The Novel নামে গ্রন্তাকারে প্রকাশিত হয় সে বছরই। আর বিগত ৭৫ বছর ধরে এডওয়ার্ড মরগান ফরস্টারের এ বইটি উপন্যাসতত্ত্ব বিষয়ে ঈর্শিতব্য অনন্য স্থান দখল করে আছে। আরোও বহুকাল থাকবে। উপন্যাসের বিষয়-আশয় সে বইটিরই বাংলা রুপান্তর - কথাশিল্পী সুব্রত বড়ুয়ার অনবদ্য অনুবাদ।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbf1a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম : সাংস্কৃতিক ধারা',\n", " 'seo_url': 'বাংলাদেশের-মুক্তিসংগ্রাম--সাংস্কৃতিক-ধারা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ রাজনৈতিক আন্দোলন ও সাংস্কৃতিক দুটো পরস্পরের হাত ধরাধরি করে চলে। ১৯৪৭-১৯৭১ কালপর্বে পূর্ব বাংলা তথা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় প্রায় সর্বক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড জনমানসে গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের ক্ষেত্র প্রস্তৃত করেছে, তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। পাকিস্তানি শাসনকালে জাতিগত নিপীড়নের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বাঙালি জাতির জাগরণের যে দিন এসেছিল তার মূলে ছিল সংস্কৃতি সচেতনতা। ধর্মকেন্দ্রিক রাষ্ট্রদর্শন যখন শোষণের হাতিয়ার হয়ে উঠেছিল, তখন বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ক্ষেত্র তৈরি করেছিলেন সংস্কৃতিকর্মীরাই। পূর্ব বাংলার রাজনীতি যখন ছিল সংশয়াপন্ন, তখন জাতির নিজস্ব অস্তিত্ব রাঙালি জাতিসত্তা খুঁজে নেয়ার সুবিপুল অন্তপ্রেরণা জন্ম দিয়েছিলেন তাঁরেই। বস্তুত বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের প্রেক্ষাপটে স্পষ্টতই প্রগতিশীল রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক আন্দোলনের পরিপূরক ও সহযোগী হয়ে ওঠে সাংস্কৃতিক আন্দোলন। তাই বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে সাংস্কৃতিক আন্দোলন যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। এই সত্য উপলব্ধি করেই এই গবেষণা গ্রন্থটিতে বিভাগপূর্ব কাল থেকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রেরণার উৎস অনুসন্ধানপূর্বক ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সাংস্কৃতিক সংগ্রামের উপাদান, গতি-প্রকৃতি আলোচিত হয়েছে। ইতিহাসের অনুসন্ধিৎসু পাঠক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা এ বই থেকে মূল্যবান তথ্য ও বিশ্লেষণ পেতে পারেন। সূচিপত্র * বিভাগ-পূর্ব বাংলার সাংস্কৃতিক আ্ন্দোলন : শেকড়ের সন্ধান * বাংলাদেশ : রাজনৈতিক যুগমানস (১৯৪৭-১৯৭১) * সাংস্কৃতিক আন্দোলন উপাদান * সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সাংগঠনিক বিকাশ * রক্ষণশীল ধারার সাংস্কৃতিক আন্দোলন * প্রগতিশীল ধারার সাংস্কৃতিক আন্দোলন'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbf42',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আরো ৫০৫ গাণিতিক কুইজ',\n", " 'seo_url': 'আরো-৫০৫-গাণিতিক-কুইজ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ গণিতকে সবার কাছে আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে আমার লেখা ‘৫০৫ গাণিতিক কুইজ’ বইটির প্রতি পাঠকের উৎসাহ আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। বাংলাদেশে এখন প্রতিবছর গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজিত হচ্ছে। এটা হল মেধার বিকাশ ও জ্ঞানার্জনের অনুকূল একটি সংস্কৃতি। এ সংস্কৃতিকে ধারাবাহিকভাবে আরো বিকশিত ও গতিশীল করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এবং সকল উৎসাহী গণিতানুরাগীদের সৃজনশীলতা বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ নতুন গাণিতিক কুইজ সমন্বিত আরও ৫০৫ গাণিতিক কুইজ বইটি প্রকাশ করা হলো। এই বইয়ে রয়েছে গণিতের ইতিহাস, থিওরি, ফর্মুলা, আইকিউ, পাটীগণিত,বীজগণিত, জ্যামিতি, যুক্তি ও গণিতের অন্যান্য বিষয়ের ওপর সোজা থেকে কঠিন মিলিয়ে ৫০৫ টি কুইজ বা সমস্যা এবং উত্তর ও সমাধান। কোন সমস্যাটি সোজা বা কঠিন তা নির্ভর করবে পাঠকের Intelligence গণিতের তাত্ত্বিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার উপর। কুইজ নির্বাচনে পাঠকের সুবিধার্থে এ বইয়ের সব কুইজ ও সমস্যাকে মোটামুটি কয়েকটি অধ্যায়ে ভাগ করা হয়েছে। অধ্যায়ের শিরোনাম থেকে বোঝা যাবে কুইজগুলো কোন ধরনের কুইজ যা সমস্যার উত্তর বা সমাধান দেখার আগে নিজে চেষ্টা করে দেখা উচিত সমস্যাটি সমাধান করা যায় কীনা। প্রয়োজনে দীর্ঘ সময় নিয়ে চিন্তা ও চেষ্টা করে দেখা উচিত। নিজে সমাধান করার মধ্যে রয়েছে আনন্দ। সৃজনশীলতা ও কল্পনা শক্তির বিকাশে তা হবে সহায়ক। যে কোনো কুইজ বা সমস্যার সমাধানের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ধৈর্য, ইচ্ছা এবং অধ্যবসায়।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbf44',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিজ্ঞানসমগ্র',\n", " 'seo_url': 'বিজ্ঞানসমগ্র',\n", " 'description': 'ভূমিকা জনপ্রিয় আমার কয়েকটি বই নিয়ে ইতোপূর্বে যে ‘কিশোর সমগ্র’ প্রকাশিত হয়েছে, বলা যায় তার উত্তরসূরি এই ‘বিজ্ঞান সমগ্র’ যেখানে আমার আরো কয়েকটি বই গ্রন্থিত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ বিজ্ঞানের নানা অবদান সহজেই ব্যবহার করতে পারদর্শী, যার প্রমাণ এদেশে মোবাইল ফোনের দ্রুত সম্প্রসার। কিন্তু একইভঅবে বিজ্ঞানের নানা আধুনিক ধ্যান-ধারণা সম্বন্ধে আমাদের দেশের মানুষ কতটা সচেতন বা বিশ্বাসী এ নিয়ে আমার মনে ছোটবেলা থেকেই একটা সন্দেহ আছে যা আমি কিছুতেই দূর করতে পারি না। পদার্থবিজ্ঞানের একজন সুপরিচিত অধ্যাপককে আমি বলতে শুনেছি যে শূন্য ডিগ্রি দ্রাঘিমা রেখা আসলে মধ্যপ্রাচ্যের একটি বিশেষ শহরের উপর দিয়ে গেলেই ঠিক হতো কেননা তাঁর ধারণামতো ঐ শহরটি পৃথিবীর কেন্দ্রের ঠিক ওপরে। পৃথিবী কিনা সমতল এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন অ্যানাক্সাগোরাস নামে বাইশ বছরের এক তরুণ ৪৭৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। পৃথিবী যে গোলাকার তার চাক্ষুষ প্রমাণ তিনি পেয়েছিলেন ঐ বছরের সূর্যগ্রহণ থেকে। আজকাল আমরা সবাই জানি যে সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ এসে পড়লে ঘটে সূর্যগ্রহণ এবং সূর্য ও চাঁদের মধ্যে পৃথিবী এসে পড়লে ঘটে চন্দ্রগ্রহণ। এভাবেই সৃষ্টি হল গ্রহণের পেনামব্রা। অর্থাৎ গ্রহণের সময় সূর্য বা চন্দ্রের চারপাশে পড়ে আংশিক প্রচ্ছায়া। ঐ সূর্যগ্রহণের সময়ে চাঁদের ছায়াটা গ্রিসের পেলো- পোন্নিজ উপদ্বীপের উপর দিয়েই গিয়েছিল। সুতরাং অ্যানাক্সাগোরাস পিরেইউস বন্দরে গিয়ে নাবিকদের জিজ্হাসা করলেন তারা ঠিক কি দেখেছিল ঐ গ্রহনের সময়ে? তারা সকলেই সূর্যকে একটা চাকতি দিয়ে ঢেকে যেতে দেখেছিল সূর্য গ্রহণের সময়ে। প্রাকৃতিক প্রতিভাসের পর্যবেক্ষণ, তার কারণ সম্বন্ধে যুক্তিসঙ্গত একটি তত্ত্বের প্রস্তাবনা, তত্ত্ব থেকে নতুন প্রতিভাসের ভবিষ্যদ্বাণী করা এবং সবশেষে আরো অনুরূপ প্রতিভাসে তত্ত্বের যাচাইকরণ এটাই চিরাচরিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। বাংলাদেশে এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির শুরু হয়েছিল ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে। প্রায় নব্বই বছরের পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির নিবেদিত অনুসারী হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন, পাঠন এবং গবেষণা কাজে মোটেই পিছিয়ে থাকেনি। তারই কিছু পরিচয় দেয়ার উদ্দেশ্যেই আমি বাংলায় যেসব প্রবন্ধ বিভিন্ন সময়ে লিখেছিলাম তাই এই সংকলনটিতে একত্রিত করা হয়েছে। প্রবন্ধ সংকলনের প্রেরণা এসেছিল ভ্রাতৃপ্রতিম প্রকাশক শ্রী মিলন নাথের কাছ থেকে এবং আন্তরিক উৎসাহ জুগিয়েছিলেন বন্ধুবর সুব্রত বড়ুয়া। আমি উভয়ের কাছে আন্তরিক কৃতজ্ঞ। এ. এম. হারুণ অর রশীদ ৩০ জুন ২০০৯'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbf58',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'গুগল প্লেকস',\n", " 'seo_url': 'গুগল-প্লেকস',\n", " 'description': 'সূচিপত্র *সাত বারের নাম *বারো মাসের নাম *ইংরেজি বারো বাসের নাম *বাংলা পঞ্জিকার কথা *অঙ্কশাস্ত্রের গোড়ার কথা *গুগল প্লেক্\\u200cস *টাকার জন্মকথা *‘প্যাপিরাস’ থেকে পেপর-‘বিচ থেকে বুক *আর ‘কায়গৎ থেকে কাগজ *উপগ্রহের কথা *ঘড়ির কথা *আল্\\u200cফ্রেড নোবেল ও নোবেল পুরস্কার *ডাকটিকিট ও ডাক বিভাগের গোড়ার কথা *কীটপতঙ্গের শব্দ *কিন্ডারগার্টেনের কথা *পৃথিবীর আকৃতি সম্বন্ধে প্রাচীন ধারণা'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbf6e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এ্যাজ ইউ লাইক ইট',\n", " 'seo_url': 'এ্যাজ-ইউ-লাইক-ইট',\n", " 'description': \"বিজ্ঞানের জগত যেমন মজার, তেমনি বিচিত্র জ্ঞান আর রহস্যে ভরা। আজকের বিজ্ঞান-মনস্ক মানুষদের, বিশেষ করে শিশু-কিশোর-তরুণদের সামনে আধুনিক বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত তুলে ধরছে কত যে অজানা তথ্য, তার শুমার করবে কে! সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে এখনকার ডিজিটাল সময় পর্যন্ত সাগর-মহাসাগর, ভূপৃষ্টের পাহাড়-অরণ্য-জনপদ, মহাকাশের কোন দূরতম অঞ্চল আর বৈজ্ঞানিকের ল্যাবরেটরি- সব খানেই বিস্ময়; সর্বত্রই বিজ্ঞানের মণিমুক্তো ছড়ানো। বিজ্ঞানীরা সেইসব মনিমুক্তো আহরণ করছেন নিজেদের মেধা ও গবেষণার মাধ্যমে; আর সেগুলো মেলে ধরছেন আমাদের সামনে-- যেন আমরা 'বিজ্ঞান্ময়' হতে পারি; আধুনিক পৃথিবীর যোগ্য নাগরিক হতে পারি। এই বইটিতে বিজ্ঞান-মনস্ক ১৮৫টি তথ্য-কণিকা উপস্থাপিত হয়েছে সহজ-সরল ভাষায়, অন্তরঙ্গ ভঙ্গিতে আর বৈঠকি ঢঙ্গে। কোনো জটিলতা বা দুর্বোধ্যতা নেই। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মত লেখাগুলো, সঙ্গে আছে চমৎকার সব ছবি।\"},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbf76',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একাত্তরের শিশু',\n", " 'seo_url': 'একাত্তরের-শিশু',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরের গণতহ্যা ১৯৭১-এর মুক্তিাযুদ্ধের সবচেয়ে বড় গণহত্যা। বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায় এখানে প্রায় দশ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়। এই গণহত্যায় প্রথম শহীদ হন চিকন আলী মোড়াল। তাঁর ছেলে এরশাদ আলী মোড়ল বাবার লাশ খুঁজতে এসে দেখে পথে-পথে শুধু লাশ আর লাশ। রক্ত, ক্ষত-বিক্ষত লাশ, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে মানুষের অঙ্গ-প্রতঙ্গ। আর স্বজন হারানো মানুষগুলোর কান্না, চিৎকার। তিনি তাঁর বাবার লাশ খুঁজতে-খুঁজতে এক সময় আসনে ভন্দ্রা নদীর তীরে।নদীতেও শত-শত মানুষের লাশ ভাসছে। তিনি নদীর পা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে এক সময় আসেন বিলের ধারে। এখানে তিনি একটি করুণ দৃশ্য দেখতে পায়। অসংখ্য লাশের মধ্যে এক মা তার পরম আদরের সন্তানকে হাত দিয়ে বুকের সঙ্গে চেপে ধরে আছে। মা মৃত কিন্তু সন্তানটি তখনও মায়ের বুকের দুধ খাচ্ছে। মানুষের সিঁথিতে সিঁদুর আর হাতে শাঁখা।এরশাদ আলী শিশুটিকে তুলে আনে এবং নিজের সন্তানের মত লালন-পালন করে। ১৯ বছর বয়সের সময় বাটুল দাসের সঙ্গে তার বিয়ে দেয়। সুমন্ত রায় এমন একটি ঐতিহাসিক ঘটনাকে প্লট হিসেবে নিয়ে এ উপন্যাস লিখেছেন। এ \\u200dউপন্যাস আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকাশনা ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করবে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbf8e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'শাদা পরচুল অন্ধকার',\n", " 'seo_url': 'শাদা-পরচুল-অন্ধকার',\n", " 'description': 'ঢাকা’র নগর পরিবেশে জন্ম ও বেড়ে ওঠা পুরকৌশলী, এই সময়ের একজন তরুণ কবি রেজওয়ান তানিম। তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ‘মৌনমুখর বেলায়’ (২০১২) নগর জীবনের নানা মাত্রিক বৈচিত্র্য আর দ্বন্দ্বের পাশাপাশি কবিতায় তারুণ্য এবং নগরজীবনের বৈচিত্র্য ও বিষয়ের স্বচ্ছন্দ প্রকাশ ঘটিয়েছেন। যেখানে এসেছে ভালোবাসা এবং জন্ম ও মৃত্যু বিষয়ক অনুভূতি ও অভিব্যক্তি। কিন্তু, তার সাম্প্রতিক রচিত ‘শাদা পরচুল অন্ধকার’ কবিতাগুচ্ছে অনুভূতি ও উপলব্ধির ক্যানভাস আরো প্রসারিত হয়েছে, আরো গভীর হয়েছে সমাজ, পরিবেশ, জীবন এবং পরিচয়ের বিচিত্রতা ও বৈপরীত্য প্রকাশের বিস্তৃত অঙ্গনে। এই বিচিত্রতা ও বৈপরীত্য প্রকাশের জন্য রেজওয়ান তানিম এই কবিতাগুচ্ছে দুটো প্রতীককে খুব সফলতার সাথে ব্যবহার করেছেন। একটি , ‘শাদা পরচুল’, আর একটি হচ্ছে ‘বাণ মাছ’। কবিতার মধ্য দিয়ে বক্তব্য প্রকাশের প্রয়োজনে কখনো এই প্রতীক দুটোকে দাঁড় করিয়েছেন মুখোমুখি, পাশাপাশি অথবা আবার কখনো বাণ মাছ এসেছে একা, নিঃসঙ্গ নাহয় অন্য কোন তৃতীয় সবলতর প্রতিপক্ষের প্রবল উপস্থিতিতে বিপন্ন ও অসহায়। আমরা জানি, মানবসভ্যতার ইতিহাসে অভিজাত শাসক অথবা বিচারক শ্রেণির নারী ও পুরুষদের পরচুলার ব্যবহার ফেরাউন ও রোমান সম্রাটদের সময় থেকেই প্রথমে প্রচলিত হয়। পরবর্তীকালে, পরচুলার ব্যবহারে ভাঁটা পরলেও এই প্রবণতা ভিক্টোরিয়ান আমলে ইউরোপের অভিজাত, বিচারক ও আইনবিদদের মাঝে পরচুলা, বিশেষ করে শাদা পরচুলার ব্যবহার আবার ফিরে আসে, অভিজাত শ্রেণি-শাসক ও বিচারকদের মাথায় এবং উপনিবেশবাদী ধারায় সওয়ার হয়ে এই প্রচলন ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোতেও চালু হতে দেখা যায়, যার অপভ্রংশ এখনো এককালের ব্রিটিশ উপনিবেশ হিসাবে আমাদের দেশেও এর কিঞ্চিত দেখা মেলে, বিশেষ করে আদালতের অঙ্গনে, বিচারকের আসনে। কবিতাগুলোতে শাদা পরচুলা এসেছে কখনো শাসক, কখনো শোষকের চরিত্রে, সুন্দর ও সাধারণের জীবনের প্রবল প্রতিপক্ষের রূপক চরিত্রে। বাঙলার অন্যতম প্রথম ও প্রধান স্মৃতিকার ভবদেব ভট্ট। তিনি অনেক যুক্তিতর্ক দিয়ে বৈদিক ধারণা ও মিথের বিপরীতে বাঙালীদের মাছ খাওয়ার অভ্যাসকে সমর্থন করেছিলেন। তিনিই অনেক শাস্ত্র ঘেঁটে প্রমাণ দেখিয়েছিলেন যে মাছ-মাংস খাওয়ায় কোনো দোষ হয় না। কিছু তিথি ও বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানে মাছ না খেলেই হলো। অনেকে বলেন বাঙালীর চিরাচরিত অভ্যাসকে সমর্থন না জানিয়ে তার কোনো উপায় ছিল না। প্রাণীজ ও উদ্ভিজ্জ তেল বা চর্বির তালিকায় জীমূতবাহন ইলিশ মাছের কথা উল্লেখ করেছেন। বাঙালীর আরেক স্মৃতিকার শ্রীনাথাচার্যও এই মত সমর্থন করেন। বৃহর্দ্ধমপুরাণে আছে যে সাদা ও আঁশযুক্ত মাছ ব্রাহ্মণেরাও খেতে পারেন। কিন্তু, যে মাছ গর্তে বা কাঁদায় বাস করে, মুখ ও মাথা সাপের মত অর্থাৎ যেমন, বাণ মাছ, দেখতে কদাকৃতি, আঁশহীন, পচা, শুকনো মাছ ‘ব্রাহ্মণ’ তথা এদেশীয় বাঙ্গালী অভিজাত শ্রেণি বাঙ্গালী হলেও তাদের ভক্ষণের জন্য ‘নিচু জাতের’ মাছ হিসাবে নিষিদ্ধ ছিল। তবে নিম্নতর সমাজে এসব কেউ মানত না। সমাজে স্তর বিন্যাসে এটাও একটা কারণ। আর সমাজ স্তরের এই বিন্যাসে ‘বাণ মাছ’ অচ্ছুত, বঞ্চিত ও নির্যাতিত। এই অন্যায় সামাজিক ‘অচ্ছুত’, বঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার, বাণ মাছ’- যার ভাগ্যে এই বিরূপতা, বহুমুখী কারণে এবং তার অন্যতম কারণ, ‘শাদা পরচুলার নীচে উদ্ধত মস্তিষ্কের নিগড়ে অশুভ চিন্তার কালো অন্ধকার’। কিন্তু, [বদলাতে এসেছে সে; আপেক্ষিক দুপুর, মুদ্রাঙ্কিত রাত, বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের তুলনামূলক পটচিত্রে বর্ণিত কুরুক্ষেত্র সকাল! (১০)], এটাই কবির সতর্ক বাণী অথবা আশাবাদ। আবার সেই বাণ মাছই একসময় যেন জাতে ওঠার ব্যর্থ স্বপ্ন নিয়ে হয়ে ওঠে এক বিদ্রূপ, [ একটি লাস্যময়ী বাণ মাছ আমার স্বপ্নের ঘোরে ঢোকে শাদা পরচুলা পড়ে। ওকে ধরতে গেলেই পিছলে যেতে থাকে সকাল, প্যাপিরাসে পেখম মেলে ঔপনিবেশিক অন্ধকার। ... অন্ধকার রাতের কল জুড়ে বসে থাকে বিবর্ণতায়; ওদিকে আমার ঘরে ঢোকা বাণ মাছটির শাদা পরচুল খুলে বেড়িয়ে পরে অনাহুত বিষাদ। (১)] প্রেমের প্রত্যাশিত পৃথিবীতে সর্বনাশের ইঙ্গিতে বিদীর্ণ হয় প্রেমিকের হৃদয়, তাই প্রেম যেন সর্বনাশেরই নামকরণ হয়ে যেতে থাকে, [যে হাত ডালিমের দানা থেকে তুলে আনে সর্বনাশ, তার নাম প্রেম। ... জোনাকি জানে, আঠারো শতকের বোতামে আটকে আছে আমার সর্বনাশের সন্ধ্যাটুকু, যার কোলে চড়ে বসেছে ব্যক্তিগত সূর্যোদয়।... ওদের (বাণ মাছ) ছাই রঙ্গা লিপস্টিক, আমাকে মনে করিয়ে দ্যায় কালকে মাথা থেকে খসে পড়েছে শাদা পরচুল, যা আসলে আগুনের সন্তান। (২)] অথবা, শাসক শ্রেণির চরম ভোগবাদী অত্যাচার আক্রমণে, [পৃথিবীর নিঃস্বতম শালিক ঘুরে বেড়ায় একা একা আপেলের বনে। ছিঁড়তে গেলে চোখে পড়ে সারি সারি মৃত বাণমাছ, ফলের বদলে ঝুলে আছে বিধ্বস্ত বাদামী শাখায়। ... ঝুলন্ত বাণমাছগুলোর কাছে গেলেই শব্দরা অন্ধকারের কাছে আসে, নৃত্যের শেষ মুদ্রা আহ্লাদিত করে শুকিয়ে যাওয়া লাল পিপড়াকে। (৩)। বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের সংজ্ঞা কোন একটা বিশেষ মনোভঙ্গির মতই আপেক্ষিক যদি না, তার ভিত্তি একটি যৌক্তিক প্রক্রিয়াকে অনুসরণ করেই দাঁড়ায়। প্রকৃতির সাধারণ রূপান্তরের গতির অভ্যন্তরে যে সত্য অথবা বিশ্বাস, সেটা যেন কবি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাইছেন। যেমন, [অবিশ্বাসের প্রভু! মরেনি রেশম মথ, এখন জীবন তার পাতায় ও পতঙ্গ নামে। (৩)]। আর তাই, যদিও [শহরে অবিশ্বাসের রোদ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে দুশো বছরের পুরনো শকুন। ... অস্থির হওয়া কেউটের মত ফণা তুলে ঘোষণা করে, কুমিরের পেটে এখন শাদা পরচুল। ... আলেয়ার কোলে হাত রেখে বেকে বসে বুটিকের দর্জি, আর বুনবে না জলের নীলনলে পাক খাওয়া এক দল বাণ মাছের ছবিযুক্ত ওয়ালেট।৪)]। শাদা পরচুলের ঔপনিবেশিক ধুলোগুলোর অবশেষকে কবি চিহ্নিত করেন এই ভাবে, [মনে পড়ে যায়, দীর্ঘস্থায়ী অবিশ্বাসের চিকিৎসায় ফল আসেনি এক বিপ্লবে। আরো কয়েকটি বিপ্লব বিষয়ক কর্মশালা আশু প্রয়োজন, পেলব কবিতা লেখবার স্বার্থে। ... খুব স্বাভাবিক ভাবেই একে জলহস্তীদের চারিত্রিক প্রবণতা হিসেবেই মনে করে বালুঘড়িতে মাপা আপেক্ষিক সময়। (৫)।অথবা, [উর্বরতার চোখে চোখ রাখলেই নেমে আসে সর্বনাশের সিংহ, বলে গেছে শাদা পরচুলে লুকোনো অ্যাসিরীয় অন্ধকার। (৬)। কিন্তু, পাশাপাশি উল্লেখ করেছেন প্রতিরোধ প্রচেষ্টার ইঙ্গিত, [তাঁকে খুঁজতে শহরে নেমেছে প্রশিক্ষিত বাণ মাছের দল। (৬)। কিন্তু, নিঃশেষ অধঃপতনের শুরুর ইঙ্গিত রেখে যান কবি তার সাবলীল ছত্রে, [মর্গের মানুষগুলো জাবর কাটছে, কখন শুয়ে থাকে শাদা পরচুলটা পচে নীল হবে, পাখীটার মত। গত বৈশাখে মহামতি সিজার পা ডুবিয়ে উদ্বোধন করেন রেড ওয়াইনের পুকুর... রোজ সেখানে পা ডুবান তিনি, কিন্তু কেমন করে তিনি তলিয়ে যাচ্ছেন বাহ্যিক অন্তঃসারশুন্যতায়, বাণমাছগুলো বারবার বলে গেলেও কানে তোলেননি।(৭)। কিন্তু, বিভেদ, বিভ্রান্তির অন্তহীন সাগরে পথযাত্রা কি বা কতটাই মসৃণ। তাই কবি, বিভ্রান্তির অধ্যায়গুলো যোগ করে লেখেন, [ চুমুক দিয়ে পান করে যৌবন, রক্তপায়ী এ্যারিস; অবিশ্বাসের বাণ মাছ চেয়ে চেয়ে দেখে। অসুস্থতার অমীমাংসিত চিহ্নবিজ্ঞান মেলাতে এসে নিজেকে বিক্রি করে দেয় শাদা পরচুলের কাছে, একটি রাংরাং পাখি। ... পাখিটা জানে বাণ মাছের পিঠেই এখন শুধু প্রাণের স্পন্দন।(৮)। অথবা, বিদায়ের কিছু আগে শহরের বাণ মাছেরা এক বাজার বসিয়েছে প্রতিবেশী সময়ের কাছে। সেখানে কেজি দরে বিক্রি হয় শাদা পরচুল, যার গায়ে মাখানো ভাবমূর্তি, সমবেদনা, ও আরো কয়েকটি ইতিবাচক মানবিক অনুভূতির পরশ। ... ওদের নিজস্ব চেতনা বন্ধক দিয়ে রেখেছে অন্ধকারের কাছে... (৯)। যার ধারাবাহিকতায় পাই, [মৃত্যুহীন সর্পিল গণিত বলে যায় প্রত্যাখ্যাত আশাবাদের গল্প- হলুদ কাগজে যত নীল পতঙ্গের বাস, ওরা সব খেয়েছে এতকাল নিরাশ্রয়ের শাদা পরচুলে মোরা কালো কালো বাণ মাছ। (১০)] মুক্তছন্দে লেখা ১০ টি কবিতায় শব্দের চয়ন ও ভাষার সাবলীল প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিশেষ ছন্দমাত্রা পেয়েছে কবিতাগুচ্ছের ছত্রগুলো। পাঠে যদিও সাবলীলতার অভাব নেই কিন্তু প্রতীক, রূপক অথবা অন্যান্য শব্দমালার ব্যবহার ও প্রকাশ ভঙ্গীর কারণে সাধারণ পাঠকের কাছে বক্তব্যের বোধগম্যতা নিয়ে কিছু সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। পুরো বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান ও আধুনিক কবিতায় প্রতীক, রূপক, শব্দ ও বিপরীত শব্দের পারস্পরিক ব্যবহারের মাঝে প্রচ্ছন্ন বক্তব্য উদ্ধারে পাঠক কতটুকু মনোযোগী হবেন বলা কঠিন। তবে, গভীর মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হলে কবিতা গুচ্ছে যে ইতিহাস ও জীবনের সত্যটি ফুটে ওঠে, পাঠক তার নিজস্ব জীবন ও পরিবেশের সাথে মিলিয়ে বিষয়ের আরো গভীর উপলব্ধির কাছাকাছি পৌঁছাতে যে সক্ষম হবেন, সেটা কিছুটা হলেও নিশ্চিত।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbfd2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিমুর বাবার কথামালা',\n", " 'seo_url': 'হিমুর-বাবার-কথামালা',\n", " 'description': 'হিমুর বাবা মানুষটা কিরকম? বেঁটে, মোটা, কুৎসিত? কি পোষাক পরতেন? লুঙ্গি-গামছা, হাফপেন্ট, টি-শার্ট? নাকি, হিমুর মতো হলুদ পাঞ্জারী? তাঁর নাম কি? বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র হিমু’র বাবাকে নিয়ে এই বই হিমুর বাবার কথামালা * যারা হিমু নয় এই বইটি তাদের জন্য নিষিদ্ধ ভূমিকা বারো হাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচি গ্রহণ করা যায়। বিচিটা না-কি আড়াআড়ি থাকে। পনেরো হাত বিচি গ্রহণ করার কোনোই কারণ নেই। হিমুর বাবার কথামালা চল্লিশ পৃষ্ঠার একটি বই। এখানে দুই পৃষ্ঠার ভূমিকার অর্থ বারো হাত কাঁকুড়ের পনেরো হাত বিচি। এ ধরনের বইয়ের ধারণা আমার মাথায় আসে নি। কবি বাপ্পির মাথায় এসেছে। সে প্রায় জবরদস্তি করেই হিমুর বাবাকে নিয়ে আমাকে লিখিয়েছে। হিমুর বাবার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে কাজটা করিয়েছে আমার তা মনে হয় না। তার মধ্যে ‘বাণিজ্য’ বিষয়টা কাজ করেছে বলে আমার ধারণা। কবি সাহেব কিন্তু আবার একজন প্রকাশকও। আমি নিশ্চিত বাপ্পি কল্পনায় দেখছে- বইমেলা শুরু হয়েছে। পাঠকরা লাইন বেঁধে কিনেছে “হিমুর বাবার কথামেলা”। স্বপ্ন দেকতে সবাই ভালবাসে। কবিরা একটু বেশি ভালবাসেন। এটাই স্বাবাবিক। মানব সম্প্রদায়ে স্বপ্ন দেখে না হিমুরা। তারা অন্যদের স্বপ্ন দেখায়। ‘হিমুর বাবার কথামালা’ বইটি শুধুমাত্র হিমুরা পড়লেই ভাল হয়। অন্যরা (বিশেষ করে কিশোর কিশোরীরা) যেন না পড়ে। তাদের মাথায় ‘ভ্রান্তি’ ঢুকে যেতে পারে। ভ্রান্তি একবার ঢুকে গেলে তাকে বের করা বেশ কঠিন। ভ্রান্তি একবার ঢুকে গেলে তাকে বের করা বেশ কঠিন। আমি ভ্রান্তির চাষ করতে চাই না। এখন কথা হচ্ছে হিমু কে? আমি নিজে কি পরিষ্কার জানি? মনে তো হয় না। প্রায়ই যে সব চিঠি পাই তার একটা বড় অংশ এই জাতীয় লেকা থাকে- “স্যার, হিমু হইবার নিয়মাবলি দয়া করিয়া জানাইবেন। আমি সিল্কের পাঞ্জাবী খরিদ করিয়াছি। আমার এক বন্ধু বলিয়াছে হিমুদের পাঞ্জারী সুতি হইতে হইবে। এই বিষয়ে আপনার মূল্যবান মতামত জানাইয়া বাধিত করিবেন।” “আংকেল, আমার নাম নাসিমা। আমি নবম শ্রেণীর ছাত্রী। আমার খুব ইচ্ছা আমি হিমু হব। মেয়েদের হিমু পোশাক কি? হলুদ পাঞ্জাবীর সঙ্গে কি ওড়না পরব? না-কি হলুদ শাড়ি পরব? হলুদ শাড়ি পরলে মনে হবে গায়ে হলুদে যাচ্ছি।” “হুমায়ূন সাহেব! আমার বড় ছেলে সম্প্রতি হিমু হয়েছে। সে হলুদ পাঞ্জাবী পরে খালি পায়ে রাস্তায় হাঁটাহাটি শুরু করেছে। গতকাল পা কেটে বাসায় ফিরেছে। তাতে টিটেনাস ইনজেকশন দেয়া হয়েছে। আমার বক্তব্য আপনি লেখার মাধ্যমে কোমলমতিদের বিভ্রান্ত করে আনন্দ পান। একজন পিতা হিসেবে আপনার প্রতি অনুরোধ এই কাজটি করবেন না।” আমার অবস্থা হচ্ছে ভিক্ষা চাই না হলুদ চিতাবাঘ সামলাও। জগতের সমস্ত হিমুরা ভাল থাকুক। এই শুভ কামনা। ---- হুমায়ূন আহমেদ'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbfd6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সায়েন্স ফিকশন সমগ্র (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'সায়েন্স-ফিকশন-সমগ্র-100',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * তোমাদের জন্য ভালোবাসা * তারা তিনজন * অন্য ভূবন * ইরিনা * অনন্ত নকত্রবীথি * কুইক * ফিহা সমীকরন * শূন্য * নি * তাহারা * পরেশেয় হইলদা বড়ি * আয়না * নিউনের ভুল সুত্র * যন্ত্র * নিমধ্যমা * ওমেগা পয়েন্ট * ইমা * দ্বিতীয় মানা * অইঁক * জাদুকর * কুদ্দুসের একদিন * সম্পর্ক ভূমিকা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পাঠকদের নিয়ে অবহেলার দৃষ্টিতে তাকানোর নিয়ম আছে। পাঠক সমাজে এরা সর্বনিম্নে অবস্থান করে। ধরা হয়ে থাকে সাহিত্যের মহানবোধ ... ইত্যাদি ইত্যাদি থেকে এরা বঞ্চিত। কোনো পাঠক একবার বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী পড়া শুরু করলে ভাঙ্গা গ্রামোফোন রেকর্ডের মতো সেখানেই আটকে থাকে। পাঠক আর বেড়ে ওঠেন না। আমার জন্যে এটা বিরাট দুঃসংবাদ কারণ আমি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর অতি ভক্ত পাঠক। যখন পড়ার মতো কল্পকাহিনী পাই না তখন নিজেই লিখি যেন পড়েতে পারি। অন্বেষা আমার বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর সব লেখা একত্র করেছে। সিরিয়াস পাঠকদের বলছি এই বইয়ের ধারে কাছে যাবেন না। একবার পড়তে শুরু করলে সিরিয়াস পাঠকের মৃত্যু ঘটবে। আর যারা আমার মতো পাঠক তাদের বলছি- ‘কেঁও মি ছিয়া’ (ভীন গ্রহের প্রাণীর ভাষা। এর অর্থ পাঠের নিমন্ত্রণ।) হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbfe0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দ্য ক্রুসেডস : দ্য ফ্লেইম অভ ইসলাম (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'দ্য-ক্রুসেডস--দ্য-ফ্লেইম-অভ-ইসলাম',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ১০৯৫ সালে পোপ দ্বিতীয় আরবানের আহবানে সূচিত হয়েছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায় ক্রুসেডের। পরিত্র ভূমি জেরুজালেম তথা পবিত্র সেপালচার উদ্ধারের নামে ইউরোপ থেকে আগত সশস্ত্র ক্রিশ্চান বাহিনী মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর চাপিয়ে দিয়েছিল কয়েক শতাব্দী ব্যাপী রক্তক্ষয়ী এক যুদ্ধ। অপেক্ষাকৃত আধুনিক মারণাস্ত্র সজ্জিত ক্রিশ্চানদের কাছে পরাস্ত মুসলিম জাতি হারিয়ে যেতে বসেছিল বিস্মৃতির অতলে। এমনি অবস্থায় নতুন উদ্দীপনা নিয়ে যুদ্ধ ক্ষেত্রে হাজির হলেন বীর কুর্দ সালাদিন আইয়ুবী এবং তার হাতে শুরু হল মুসলিম বিজয়ের এক নতুন অধ্যায়। পবিত্র জেরুজালেমসহ মধ্যপ্রাচ্য থেকে পাততাড়ি গোটাতে বাধ্য হল ত্রিশ্চানরা। দীর্ কয়েক শতাব্দী ধরে অব্যাহত ছিল এই সংঘাত। আক্রমণ, পাল্টা, আক্রমণের ভেতর দিয়ে পেরিয়ে গেঠেছ অনেক প্রজন্ম। এক সময় রাজাদের হাত থেকে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ সরাসরি নিজ হাতে তুলে নেন ক্ষমতা লিপ্সু পোপগণ, আপন জাতির বিরুদ্ধেই পরিচালিত করেছেন তাঁরা ক্রসেডের শক্তিকে। পরিণামে ক্রিশ্চানদের রক্তেই রঞ্জিত হয়েছে ত্রুসেডের তলোয়ার। বিশিষ্ট আবর বিশেষজ্ঞ হ্যারল্ড ল্যাম্ব বর্তমান গ্রন্থে সেই ইতিহাসই তুলে এনেছেন। ত্রুসেডের সমস্ত চরিত্রই এখানে তাদের আপন বৈশিষ্ট্য নিয়ে উপস্থিত রয়েছেন। এখানে দূর করা হয়েছে ক্রুসেড নিয়ে প্রচলিত অনেক মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত কাহিনীর। তুলে ধরা হয়েছে নেপথ্যের প্রকৃত ঘটনা। ফলে এটি পরিণত হয়েছে ক্রুসেড সংক্রান্ত একটি আকর গ্রন্থে। ইতিহাসের আগ্রহী পাঠকরা এই বইটি থেকে লাভবান হবেন।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbfe4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আমি সরদার বলছি (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'আত্মকথা-আমি-সরদার-বলছি',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বিশিষ্ট চিন্তাবিদ সরদার ফজলুল করিম বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের অন্যতম পৃথিকৃত। জ্ঞান-পিপাসু এই বিপ্লবী মানুষটি নানা অর্থেই এক অসামান্য চরিত্র। তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ই বৈচিত্রে ভরপুর। বৈপ্লবিক আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে চাকরি ছেড়েছেন, জীবনের সকল চাওয়া পাওয়াকে তুচ্ছ করে আজীবন জড়িয়ে থেকেছেন আন্দোলন-সংগ্রামে। চারবার কারাবন্দী হয়ে ১১টি বছর বন্দী অবস্তায় ছিলেন। দীর্ঘদিন লগাকুজীবন কাটিয়ে লেখালেখিকে নিলেন লড়াই-সংগ্রামের হাতিয়ার হিসাবে। দর্শন, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, রাষ্ট্র বিভিন্ন বিষয়ে লিখেছেন প্রচুর। এই দেশকে আপন করে নেয়ার অমৃতকথা আমরা তাঁর রচনায় পাই। আমি সরদার বলছি সরদার ফজলুল করিমের আত্মজীবনীমূলক একটি গ্রন্থ। এতে ওঠে এসেছে তাঁর শৈশব-কৈশোর, যৌথ পরিবারে বেড়ে ওঠা, বরিশাল থেকে রাজধানী ঢাকায় আগমণ, দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে তাঁর নানা স্মৃতি, আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতির কথা, আন্দোলন-সংগ্রাম, বন্দীজীবনসহ বৈচিত্র-বৈভবে পরিপূর্ণ একটি জীবনের নানা কথা। গ্রন্থের প্রতিটি অধ্যায় এতই বৈচিত্রে ভরা, পাঠকের মনে হবে, যেন কোনো মহাঝীবন-ভিত্তিক কাহিনী পাঠ করছেন। সেই কাহিনী থেকে পাঠক সমৃদ্ধ হবেন, আহরণ করতে পারবেন জীবন, জীবন-উপভোগের, জীবনের আদর্শের নানা সূত্র। পাঠক বুঝতে পারবেন, সরদার ফজলুল করিম জীবনকে কীভাবে দেখেছেন। পাবেন মানুষের জন্য উপভোগ্য একটি জীবনের সন্ধান।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbfe6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চোখের সমস্যা ও সমাধান',\n", " 'seo_url': 'চোখের-সমস্যা-ও-সমাধান',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ দৃষ্টিশক্তিহীন একজন মানুষের জীবন সম্পূর্ণ অর্থহীন। একবার পাঠক চোখ বন্ধ করে ভাবুনতো ঐ ব্যক্তির কি অবস্থা? অযত্ন, অবহেলা ও অজ্ঞতায় চোখের অনেক প্রতিরোধযোগ্য রোগের চিকিৎসা না করার ফলে অনেককে অন্ধত্ববরণ করতে হয়। দীর্ঘ প্রায় বিশ বছর চক্ষু রোগীদের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত আছি, তাদের অনেকের প্রেরণায় চক্ষু রোগ সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা লেখনির মাধ্যমে প্রকাশের প্রয়াস পাচ্ছি। সচেতন পাঠক বইটি হাতে পেলে এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবেন। সূচিপত্র চোখের বিভিন্ন অংশ * চোখ ওঠায় কি করবেন? * দুষ্টিশক্তির স্বল্পতা * চোখের ঝিল্লি প্রদাহ/কনজাংটিভাইটিস * চোখের ছানি *গ্লুকোমা * ট্যারা চোখ *ট্যারা চোখের সমম্যা * ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি *ডায়াবেটিসে চোখের কি ক্ষতি হয়? * ডায়াবেটিস রোগে চোখের সমস্যা * চোখের ওপরে ডায়াবেটিসের প্রভাব * চোখের কর্নিয়ায় ঘা *ভিটামিন এ যুক্ত খাবারে চোখের উপকারিতা * দুর্ঘটনাজনিত চোখের সমস্যা * অরবিটাল টিউমার : চক্ষুগোলকের টিউমার * চোখে ব্যবহৃত লেন্স সমূহ * কন্টাক্ট লেন্স *উচ্চ রক্তচাপ ও চোখের রোগ * কাছে কম দেখা * মায়েসথেসিয়া গ্রাভিস * মাথা ব্যথা ও চোখ দেখা * ল্যাসিক সার্জারির উপকারিতা * ছানি ও ফ্যাকো সার্জারি *অপরাশনে করতে হলে কি করতে হবে? *অপারেশন পরবর্তী করণীয় * চোখের লাল ও ময়লা হওয়া * চোখের যত্ন সব সময় * মরণোত্তর চক্ষুদান শিশুদের চোখের সমস্যা শিশুদের দৃষ্টি শক্তি *শিশুর চোখে ছানি পড়া *শিশুর চোখের ছানি কি? *শিশুর চোখের প্রেসার(গ্লুকোমা) *শিশুদের চোখের রেটিনায় টিউমার-রেটিনোব্লাস্টোমা* শিশুর চোখে আঘাত*সিমপ্যাথেটিক অফথালমাইটিস * শিশু বয়সে রেটিনার রোগ'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbfe8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নেইলকাটার',\n", " 'seo_url': 'নেইলকাটার',\n", " 'description': 'চেম্বারে ক্ষনিক দেখা জীবনের চিত্রলেখা বইতে লেখক শিশু চিকিৎসক হিসাবে যে ধরনের বিচিত্র শিশু ও অভিভাবকের সাক্ষাত পেয়েছেন তাদের সুখ জীবন যন্ত্রনা ও ভুলকে চিত্রায়িত করার চেষ্টা করেছেন। এই বইয়ে গল্পের ছলে শিশুদের স্বাস্থ্য পরিচর্যার যে ভুলভ্রান্তি গুলো তুলে ধরা হয়েছে তা অভিভাবকদের দিক নির্দেশনা দেবে। যারা বাবা হয়েছেন, যারা নাতি-নাতনীর মুখ দেখেছেন এবং যারা বাবা-মা হবেন তাদের সবার জন্য এই বই অবশ্যই পাঠ্য।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbfea',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সবাই গেছে বনে',\n", " 'seo_url': 'সবাই-গেছে-বনে',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ একদিন এই দুঃসহ শীত শেষ হবে। আসবে রোধ-উজ্জল সামার। ছুটি কাটানোর জন্য আমেরিকানরা গাড়ি নিয়ে নেমে আসবে হাইওয়েতে। কতকিছু আছে দেখবার। প্রচন্ড জ্যোৎস্না হবে রাতে।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbfec',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক',\n", " 'seo_url': 'চাঁদের-আলোয়-কয়েকজন-যুবক',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তারা হাঁটছে। পায়ের নিচে নদী। মাথার উপর অন্য এক রকম আকাশ। চারপাশে থৈ থৈ জোছনা। যে জোছনা মানুষকে পাল্টে দেয়। যে জোছনায় সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য বলে ভ্রম হয়। লেখকের কথা আমার ইচ্ছা ছিল খুব আনন্দময় একটি গল্প লিখব। কয়েকজন যুবক চাঁদের আলোয় পথে পথে হাঁটছে, হইচই করছে এই নিয়ে গল্প। লিখতে লিখতে অন্যরকম হয়ে গেল। এই কারণেই আমি কখনও বিশেষ কোনো পরিকল্পনা মাথায় রেখে লিখতে বসি না। সব সময় দেখেছি যা লিখতে চাই তা লিখতে পারি না। যা লিখতে চাই না তা লিখে ফেলি। আমার জন্যে লেখালেখির পুরো ব্যাপারটাই কেমন এলোমেলো। হুমায়ূন আহমেদ শহীদুল্লাহ হল'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbfee',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ছায়াসঙ্গী',\n", " 'seo_url': 'ছায়াসঙ্গী',\n", " 'description': 'আবার কিছু-কিছু গল্প এমন যে তার কোনো ব্যাখ্যাই দাঁড় করানো যায় না। আমি নানানভাবে চেষ্টা করেও কিছু পাইনি। হয়তো আমার বুদ্ধিবৃত্তি তত উন্নত নয়। এইজাতীয় ঘটনার মুখোমুখি এলে থমকে দাঁড়ানো ছাড়া পথ নেই। আমি অনেকবার থমকে দাঁড়িয়েছি। আমার মনে হয়েছে আমাদের আলোকিত জগতের পাশাপাশি একটি অন্ধকার জগৎও আছে। সেই জগতের নিয়মকানুন ভিন্ন। আমি এই গল্প সংকলনে অন্ধকার জগতের কিছু কথা বলার চেষ্টা করেছি। বেশির ভাগই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার গল্প। কিছু বাইরের গল্পও আছে, তার মালমশলা আমার অতি প্রিয়জনদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা। মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য, কিংবা অন্য ভুবন সম্পর্কে কোনো ধারণা দেবার জন্যে গল্পগুলি দেখা হয়নি। লিখেছি এই পৃথিবীর রহস্যময় ব্যাপারগুলিও দিকে ইঙ্গিত দেকা হয় নি। লিখেছি এই পৃথিবীর রহস্যময় ব্যাপারগুলির দিকে ইঙ্গিত করার জন্য। লেখাগুলি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ না করার জন্যেই বলব। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি ব্যাখ্যার অতীত কিছুই নেই। আমি ব্যাখ্যা করতে পারছি না, তা আমার অক্ষমতা, অন্য কেউ করবেন। হুমায়ূন আহমেদ শহীদুল্লাহ হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbff0',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তোমাদের জন্য ভালোবাসা',\n", " 'seo_url': 'তোমাদের-জন্য-ভালোবাসা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ফিহা জানালা খূলে দিলেন। বাইরের অপরূপ জোছনা ভাসতে ভাসতে ঘরের ভেতর চলে এল। সেদিক তাকিয়ে থাকতে থাকতে ফিহা অভিভূতের মতো বললেন, ‘দেখো, দেখো, কী চমৎকার জোছনা হয়েছে।’'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbff2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অতিপ্রাকৃত',\n", " 'seo_url': 'অতিপ্রাকৃত',\n", " 'description': 'ভূমিকা ‘অতিপ্রাকৃত’ আমার কিছু উদ্ভট উপন্যাসের সংকলন। এদের ভৌতিক বা সুরারিয়েলিস্টক লেখা বলা যাবে না, সায়েন্স ফিকশনও না। এদের আলাদা কোনো নাম না পেয়ে অতিপ্রাকৃতি নামের আশ্রয়ে এসেছি। লেখাগুলি আমার পছন্দের। পাঠকদের প্রতি ছোট্ট আবেদন তারা যেন এই লেখাগুলি দিনের আলোয় না পড়েন। অন্য ধরনের এই উপন্যাসগুলি নিশিপাঠের জন্যে। হুমায়ূন আহমেদ নুহাশপল্লী সূচিপত্র দ্বিতীয় মানব কুটুমিয়া পারুল ও তিনটি কুকুর বিপদ পোকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbff4',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিমুর একান্ত সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য',\n", " 'seo_url': 'হিমুর-একান্ত-সাক্ষাৎকার-ও-অন্যান্য',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ বই বিষয়ে চৈনিকদের একটি প্রবচন হচ্ছে- বই হলো একটা বাগান যা পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো যায়। গল্প সংকলনের জন্য এই প্রবচন খুব সত্যি। বাগানে নানান ধরনের ফুল, সৌরভ আছে বর্ণ নেই। বর্ণ আছে গন্ধ নেই। গল্প সংকলনেওতো এই ব্যাপারই। প্রতিটি গল্প শুরুর আগে গল্প বিষয়ে কিছু কথাবার্তা বললাম। গল্পটি কেন লিখেছি, কিভাবে লিখেছি এই সব হাবিজাবি। যে সমস্ত পাঠক হাবিজাবি পছন্ত করেন না তারা মূল গল্পে চলে গেলে ভাল হয়। সংকলনটি নাম আমার দেয়া না। প্রকাশকের দেয়া। তার ধারণা হিমু নামটা কোন না কোন ভাবে থাকা মানেই বেশি বিক্রি। আমি তরুণ প্রকাশকের ভুল ভাঙ্গাইনি। হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী, গাজীপুর।'},\n", " {'product_id': '5a82dfd4c1a7309b49432cc8',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'সোনা পুতুলের বিয়ে',\n", " 'seo_url': 'সোনা-পুতুলের-বিয়ে',\n", " 'description': 'সূচিপত্র সোনা পুতুলের বিয়ে চিতা ও রাংচিতা প্যাঁক প্যাঁক প্যাঁক কাকরোল ট্যারাণ্টেলা উলটো পিঠে ইঁদুর নাচুনি ঢউ সাতমুখো লাল পাখি আর নীল পাখি ঠোঙ্গাগড়ের রাজা তেঁতুলে ভূত লুলু ও তিড়িং বিড়িং'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbff6',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'তিন বিচিত্র',\n", " 'seo_url': 'তিন-বিচিত্র',\n", " 'description': 'ভূমিকা আমার লেখক জীবনের শুরুটা নির্দারুণ অর্থকষ্টে কেটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনে সংসার চলত না। বেতনের সিংহভাগ চলে যেত বাড়ি ভাড়ায়। তখন একজন বুদ্ধি দিল কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেব সেবা প্রকাশনী থেকে বিদেশী বইয়ের অনুবাদ করেন এবং তার জন্য টাকা দেন। আমি অনুবাদে লেগে গেলাম। বিদশী সাহিত্যের প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা থেকে এই কাজ করা হয়নি। আর্থিক সমস্যা সমাধানের পথ খূঁজে না পেয়ে অনুবাদে গিয়েছি। এখন একটা সমস্যার কথা বলি, কয়েক পাতা অনুবাদের পরই আমি মূল বই বন্ধ করে নিজের মতো লিখতে শুরু করেছি। এই গ্রন্থ তিনটিকে অনুবাদ বলা সেই কারণেই ঠিক হবেনা। বলা যেতে পারে এরা আমারই সন্তান বিদেশে বড় হচ্ছিল, এক সুযোগে দেশে নিয়ে এসেছি। এবং এরা ব্যাপারটা পছন্দ করেছে। হুমায়ুন আহমেদ নুহাশপল্লী ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ **অমানুষ **সম্রাট **দি একসরসিষ্ট'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbffa',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রূপা (হার্ডকভার)',\n", " 'seo_url': 'রূপা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ তার নাম রূপা। ইংরেজিতে Silver তবে Silver না হয়ে Quick Silver নাম হলে ভাল হল। কুইক সিলভার হল ‘পারদ।’ পারদ রূপার মতই উজ্জ্বল কিন্তু তাকে ধরা যায় না।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbffc',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'রাক্ষস খোক্কস এবং ভোক্কস',\n", " 'seo_url': 'রাক্ষস-খোক্কস-এবং-ভোক্কস',\n", " 'description': \"সবাই রাক্ষস চেনে, খোক্কসও চেনে। ভোক্কস চেনে না। ধানমন্ডি লেকের পাশে আমি এক ভোক্কসের দেখা পেয়েছিলাম। সে আগ্রহ করে খবরের কাগজ খাচ্ছিল। খবরের কাগজ যে খাদ্যদ্রব্য তা আমার জানা ছিল না। তার সঙ্গে পরিচিত হবার পর জানলাম তিনি শুধু যে খবরের কাগজ খান, তা-না গল্প উপন্যাসও খান। কোনো গল্প পড়ে ভাল না লাগলেই খেয়ে ফেলেন। আমার লেখা একটা উপন্যাসও তিনি না-কি খেয়ে ফেলেছেন। এই ভোক্কসের সঙ্গে সবার পরিচয় করিয়ে দিতেই লিখেছি- 'রাক্ষস খোক্কস এবং ভোক্কস।'\"},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cbffe',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'হিমুর মধ্যদুপুর',\n", " 'seo_url': 'হিমুর-মধ্যদুপুর',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ মধ্যদুপুর বড়ই আশ্চর্য সময়। তখন ‘ভূতে মারে ঢিল্।’ এবং অদ্ভত কোনো কারণে কিছু সময়ের জন্য আকাশটা আয়না হয়ে যায়। হিমু হাঁটতে বের হয়েছে মধ্যদুপুরে। তার হাতে ছোট্ট একটা দুপুরমনি গাছের চারা। সেখানে চার পাঁচটা ফুল। এখনো ফোটেনি। মধ্যদুপুরে ফুটবে। হিমু ফুল ফোটার সঙ্গেসঙ্গে আকাশের দিকে তাকাবে। নিজেকে দেখার চেষ্টা করবে আকাশ আয়নায়।'},\n", " {'product_id': '5a82e201beb4177e4c32b76b',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ক্রিকেট খেলার নিয়ম কানুন',\n", " 'seo_url': 'ক্রিকেট-খেলার-নিয়ম-কানুন',\n", " 'description': 'সূচীপত্র *এক নম্বর আইন : খেলোয়াড় *দুই নম্বর আইন : *তিন নম্বর আইন : আম্পায়ার *চার নম্বর আইন : স্কোরারস্ *পাঁচ নম্বর আ্ইন : বল *ছয় নম্বর আইন : ব্যাট *সাত নম্বর আইন : পীচ *আট নম্বর আইন : উইকেট *নয় নম্বর আইন : বোলিং, পপিং এবং রিটার্ণ ক্রীজেস্\\u200c *দশ নম্বর আইন : বোলিং,সুইপিং ও মোয়িং *এগার নম্বর আইন : পীচ আচ্ছদান *বারো নম্বর আইন : ইনিংস *তের নম্বর আইন : ফলোঅন *চৌদ্দ নম্বর আইন : ডিক্লারেশন *পনের নম্বর আইন : খেলার শুরু *ষোলো নম্বর আইন : বিরতি *সতের নম্বর আইন : সীশেমান অফ্\\u200c প্লে আঠার নম্বর আইন : স্কোরিং *ঊনিশ নম্বর আইন : বাউন্ডারি *কুড়ি নম্বর আইন : লস্ট বল *একুশ নম্বর আইন : ফলাফল *বাইশ নম্বর আইন : ওভার *তেইশ নম্বর আইন : ডেড বল *চব্বিশ নম্বর আইন : নো বল *পঁচিশ নম্বর আইন : ওয়াইড বল *ছাব্বিশ নম্বর আইন : বাই এবং লেগ বাই *সাতাশ নম্বর আইন : আবেদন *আটাশ নম্বর আইন : দি উইকেট ইজ ডাউন *ঊনত্রিশ নম্বর আইন * ব্যাটসম্যান আউট অফ হিজ গ্রাউন্ড *ত্রিশ নম্বর আইন : বোল্ড *একত্রিশ নম্বর আইন : টাইমড আউট *বত্রিশ নম্বর আইন : ক্যাচ *তেত্রিশ নম্বর আইন : হ্যান্ডলড দি বল *চৌত্রিশ নম্বর আইন : হিট দি বল টোয়াইস *পঁয়ত্রিশ নম্বর আইন : হিট উইকেট *ছত্রিশ নম্বর আইন : লেগ বিফোর উইকেট (এল, বি, ডবল্য) *সাঁইত্রিশ নম্বর আইন : অবস্টাকটিং দি ফিল্ড *আটত্রিশ নম্বর আইন : রান আউট *ঊনচল্লিশ নম্বর আইন : স্টম্পড *চল্লিশ নম্বর আইন : উইকেটরক্ষক *একচল্লিশ নম্বর আইন : ফিল্ডসম্যান *বিয়াল্লিশ নম্বর আইন : অসংগত খেলা'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc020',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মানুষ মূলত একা',\n", " 'seo_url': 'মানুষ-মূলত-একা',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ খুব দ্রুত বদলে যাচ্ছে আমাদের নাগরিক জীবন। জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে সম্পর্কগুলো। পার্থিব, জেরিন, তাহরিনা, রনি, লিসা, নীতু নামের মানুষগুলো যেন আমি, আপনি কিংবা পাশের বাড়ির খুব চেনা কেউ। সমাজের বৃহত্তর ক্যানভাসে এদের জীবনের গল্পগুলো তাই আমাদের জীবনেরই গল্পের অংশ। আধুনিক নাগরিক জীবনে-নর-নারীর আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্কের জটিলতাকে উপজীব্য করে রচিত উপন্যাসটি পড়া শুরু করতে শেষ না করে ওঠা যায় না। ঝরঝরে গদ্যে রচিত গল্পের পরতে পরতে কাব্যিক উপমা। উপন্যাসটি পড়তে পড়তে দিনের শেষে তীব্র হয়ে ওঠে সেই চিরন্তন সত্য: মানুষ মূলত একা!'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc036',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মহিমান্বিত নকশা',\n", " 'seo_url': 'মহিমান্বিত-নকশা',\n", " 'description': 'সূচিপত্র * অস্তিত্বরহস্য * সূত্রের নিয়মনীতি * বাস্তবতা কী? * বিকল্প ইতিহাসসমূহ * সার্বিক তত্ত্ব * আমাদের মহাবিশ্ব নির্বাচন * প্রতীমান অলৌকিকতা * গ্র্যান্ড ডিজাইন বা মহিমান্বিত নকশা'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc03a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'ট্যারা নভেরা ও বিচি ফোরকান',\n", " 'seo_url': 'ট্যারা-নভেরা-ও-বিচি-ফোরকান',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ নভেরা একটু ট্যারা। একজন ট্যারা মহিলা মন্ত্রীও হয়েছেন, কেউ তাকে ট্যারা মন্ত্রী বলেনি। কিন্তু নভেরাকে ছাড় দিচ্ছে না কেউই; এমনটি মা যে সেই সংসদের তিরিশ সেটের একজন, তাতেও না। আর এক বিচি যুবগ ফোরকান গর্ব করেই বলে তার প্রিয়মানুষ আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারেরও একটাই বিচি। আর প্রেসিডেন্ট সাহেবের নাকি একটাই বিচি।আর প্রেসিডেন্ট সাহেবের নাকি একটাও নেই-কই দেশ চালাতে কোন অসুবিধা তো হচ্ছে না।ভালোবাসতে বাসতে ট্যারা নভেরা ও বিচি ফোরকান আর কী বলেছে? রাষ্ট্রীয় গোপন অঙ্গের কথা!কোনটি নেই? জরুরি কাজ থাকলে আগে সেরে নিন। পড়তে শুরু করলে শেষ না করে উঠতে একদমই ইচ্ছে করবে না। ‘ট্যারা নভেরা ও বিচি ফোরকান’ এমনই একটি উপন্যাস।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc03c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'প্রতিমন্ত্রী',\n", " 'seo_url': 'প্রতিমন্ত্রী',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ শপথের পরপরই মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সবক পেলেন-‘সচিব সাহেব যদি স্যার স্যার করে মুখে ফেনা তোলেন আর কেবল সরকারের প্রশংসা করেন তাহলে বুঝতে হবে আপনি শয়তানের সামনে বসে আছেন; আমলার আনুগত্য ও বিষধর সাপের বশ্যতার মধ্যে তফাৎ নেই; সবিচালয়ে সুন্দরীদের ব্যাপারে সাবধান;লিডারের আত্মীয়স্বজনকে খুব কেয়ারফুলি হ্যান্ডেল করবেন; টেলিফোনে প্রাণখুলে কথা বলবেন না, মুখ যতটা না খুললেই নয়, তার বেশি খুলবেন না।’ কিন্তু যমুনা সেতুন উপর চাকরি হারাবার খরব শুনলে তখন কি করণীয়? জনগণের শুভনাম নিয়ে গণতন্ত্র চর্চার ভেতরের কাহিনী পাত্রপাত্রীরা নিজেরাই বলেছেন-আন্দালিব রাশদী কেবল টুকে রেখেছেন, তাতেই দাঁড়িয়ে গেল অবশ্যপাঠ্য একটি গতিময় উপন্যাস। এমন উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে একটিই।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc03e',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আজ তোমার মন খারাপ মেয়ে',\n", " 'seo_url': 'আজ-তোমার-মন-খারাপ-মেয়ে',\n", " 'description': 'নস্টালজিয়া প্রলাপ অখবা কিছুই না'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc052',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'অমরাবতী জীবন',\n", " 'seo_url': 'অমরাবতী-জীবন',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আন্দালিব রাশদীর উপন্যাসের সমস্যাটি রয়েই গেছে। একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না করে ওঠতে ইচ্ছে করে না। পাঠ শেষ হলেও উপন্যাসটির রেশ বয়ে বেড়াতে হয়ে দিনের পর দিন। এমনই একটি নেশাধরানো উপন্যাস ‘অমরাবতী জীবন।’ এমন রক্তারক্তি ঘটনা ও দূর্ঘটনার পরও আপনার ও আমার স্ত্রী মধ্যে ডিভোর্স হচ্ছে না কেন? আপনাদের তো সন্তানের দোহাইও নেই, তাহলে? এমনই অমরাবতী জীবন। সে জীবনে ভালোবাসাটাই মুখ্য। আপনারা যে পরস্পরকে কত ভালোবাসেন জানেনও না।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc054',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এই তো তুমি এই তো',\n", " 'seo_url': 'এই-তো-তুমি-এই-তো',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ সাদিদ আড়চোখে মেয়েটার দিকে তাকাল। উদাস হয়ে তাকিয়ে আছে সে সামনের দিকে, যেখানে কিছু নেই, শূন্য।খুব ধীরে পায়ে আরো একটু এগিয়ে গেল সে, ‘জানেন, কিছুক্ষণ আগে একটা মেয়ে মারা গেছে গলায় ওড়না পেচিয়ে!’ সরল চাহনিতে মেয়েটা এক পলক সাদিদের দিকে তাকাল, কিন্তু বলল কিছু সে। হঠাৎ ছাদের এই নির্জনতায়, কারো গলার স্বর শুনে যেরকম চমকে ওঠার কথা, সেরকম চমকালও না মেয়েটা। সাদিদ জানে, মেয়েদের দুটো না, তিনটে চোখ। শরীরের সামনের দু চোখ দিয়ে তারা যা দেখে, তার চেয়ে বেশি দেখে ভেতরে যে চোখটা আছে তা দিয়ে। আরো দুটো ঘটনা বলার পর চেহারাটা হাসি হাসি করে ফেলল সাদিদ, ‘মন খারাপ হয়ে গেল আপনার! আনন্দের ব্যাপার হচ্ছে-প্রবল ঝড়ের মাছে সব ডাল-পালা-পাতা হারিয়েও যে গাছটা দাঁড়িয়ে থাকে, ওই গাছটা কদিন পর আবার যথন নতুন পাতা জাগায় নিজের বুকে, আস্তে আস্তে বাড়িয়ে নতুন বাহু, ওটাই আনন্দের। মানুষের জীবনটাও এরকম।এখানে কষ্ট আছে, অপমান আছে, ঘৃণা আছে, বর্বরতা আছে, প্রতারণা আছে, অনেক কিছু আছে।এসব ঘিরেই যে জীবন, সেটাই আনন্দের জীবন, আনন্দময় বেঁচে থাকা।’‘আমাকে দেখে আপনার এসব কথা মনে হচ্ছে কেন?’ সাদিদ মাথাটা নিচু করে আবার তুলে বলল, ‘তার আগে আমরা কি আমাদের নামটা জানতে পারি?’ সাদিদ উত্তর পাওয়ার আগেই বলল, ‘আমি সাদিদ, সাদিদ নাজুস।’ মেয়েটা আবার শূন্য দিগন্তের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমি অর্না, অর্না তাবাসসুম।’ অর্নার হাতের ছো্ট্ট টবে রাখা গাছটার দিকে তাকায় সাদিদ, ‘ভালোবাসা হচ্ছে টাবে এরকম গাছের মতো-রোদে ভেজাতে হয়, মাঝে মাঝে পানিতেও। ছুঁয়েও দেখতে হয় কখনো কখনো। নিষ্ঠা নিয়ে এক পরম পরিচর্যা। তবেই সে প্রস্ফুটিত, সুবাসিত, আর বর্ণিল।’ চোখ মেলে এই প্রথম অর্না সাদিদের দিকে তাকাল। সাদিদ আলতো ভাবে ঘুরে দাঁড়াল, ‘একটা প্রশ্ন করি-একজন মানুষের জীবনে কতবার ভালোবাসা আসতে পারে? সাদিদ অর্নার চোখের দিকে তাকাল, নিজেই উত্তর দিল, ‘অনেকবার, মৃত্যু কাছে না আসা পর্যন্ত। যাদের জীবন ভালোবাসা থাকে না, তারা প্রাণহীন মানুষ, উপরে ফেলা গাছের মতো।’'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc056',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'একাত্তরের নির্যাতিত নারীদের ইতিহাস',\n", " 'seo_url': 'একাত্তরের-নির্যাতিত-নারীদের-ইতিহাস',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল প্রকৃতই একটি জনযুদ্ধ। কারণ এতে এদেশের নারী-পুরুষ সমানভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষার্থে, দেশের মান রাখতে গিয়ে পাক হানাদার, রাজাকার, আল-বদর, আল-শাম্\\u200cসের হাতে বাঙালি নারীদের এক উল্লেকযোগ্য অংশ নির্যাচিত ও নিপীড়িত হয়েছিল, হারিয়েছিল তাদের মূল্যবান সম্ভ্রম। স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই চরম দুঃখী নারীদের ‘বীরাঙ্গনা’ আখ্যা দিয়ে সমাজে যথাযথ পূনর্বাসনের চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু সমাজ কি তাদের গ্রহণ করেছিল? ‘বীরাঙ্গনাদের কথা’ এবং ‘একাত্তরের নির্যাচিত নারীদের ইতিহাস’ গ্রন্থে সুরমা জাহিদ সমাজের নানা স্থরে বীরাঙ্গনাদের দীন-হীন অবস্থাকে তুলে ধরেছেন।ইতিহাসের প্রয়োজ এখানে উঠে এসেছে এমন সব তথ্য যাকে এড়িয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নির্মাণ অসম্ভব। মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রায় চার দশক যখন পুর্ণ হচ্ছে তখন ‘একাত্তরে নির্যাচিত নারীদের ইতিহাস’ আমাদের অতীতের সাথে সাক্ষাৎ ঘটানোর পাশাপাশি। মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবস্থানকে নতুন আলোয় উদ্ভাসিত করবে। সূচিপত্র *নূরজাহান বেগম রাঙ্গামাটি *বিউটি বেগম ফরিদপুর *জমিলার মা বরগুনা *জমিলা খাতুন বরগুনা *শোভা রাণী দাস ঝালকাঠি *রওশন আরা টাঙ্গাইল *কনারাণী দাস নরসিংদী *শরীফা খাতুন নরসিংদী *স্মৃতি দাসী ঘোষ বরগুনা *হরিদাসী ঘোষ বরগুনা * হাসিনা বেগম নোয়াখালী * রমাবতী বোস নেত্রকোনা *বুলি বেগম নরসিংদী *সেতারা বেগম নরসিংদী *জ্যোৎস্না বেগম নরসিংদী *ভানু বেগম টাঙ্গাইল *আমিনা খাতুন বরগুনা *চাঁনমনি সখিনা ঠাকুরগাঁও *রঙিলার মা কুড়িগ্রাম *আশারানী মণ্ডল ঝালকাঠি *পারুল বেগম রাজশাহী *রইসন সাতক্ষীরা *লক্ষী রানী পাল নারায়ণগঞ্জ * মল্লিকা গাঙ্গুলী বরগুনা *মীরা রানী বড়ুয়া রাঙ্গামাটি *ঝর্ণা দাস রাঙ্গামাটি *জোহরা বেগম নাটোর *মিনতিবালা পোদ্দার শরিয়তপুর *মধুবালা দে শরিয়তপুর *ঝর্ণা বালা দেশ রিয়তপুর *তরুণী দেবী শরিয়তপুর *অনন্তবালা পাল শরিয়তপুর *পিজীতা রায় পটুয়াখালী * স্ত্রীজিতা রায় পটুয়াখালী *মৌমিতা রানী বালা পটুয়াখালী *সুরজান রাজশাহী * পুতুল রানী রায় বরগুনা *শ্যামলী পাল ঝালকাঠি *লক্ষ্মী রানী মাগুরা *শোভা রাজশাহী * আসমা খাতুন দিনাজপুর *নাজমা বেগম পিরোজপুর *সুরুচি রানী সাহা পিরোজপুর *সবিতা রানী ধর ঝালকাঠি * হনুফা খাতুন ঢাকা *বানু বিবি শরীয়তপুর *কাঞ্চন মালা মুন্সিগঞ্জ *ছায়ারুন সিলেট *রমলা দে শরীয়তপুর *রাশিদা দেবী চাকমা রাঙ্গামাটি'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc05c',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'এক ফোঁটা শিশিরেও বন্যা হতে পারে যদি গর্তটা হয় পিঁপড়ের',\n", " 'seo_url': 'এক-ফোঁটা-শিশিরেও-বন্যা-হতে-পারে-যদি-গর্তটা-হয়-পিঁপড়ের',\n", " 'description': '”এক ফোঁটা শিশিরের বন্যা হতে পারে গর্তটা যদি হয় পিপড়ের” একটি কোটেশন এর বই। পৃথিবী বিখ্যাত মানুষরা কি চমৎকার সব উক্তি করে গেছেন তা হৃদয়ঙ্গম করতেই এই অমূল্য গ্রন্থ। সংগ্রাহক এর ভূমিকা এখানে অবশ্যই উহা।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc064',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আঁতেঘালেকচুয়াল',\n", " 'seo_url': 'আঁতেঘালেকচুয়াল-001',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ আহসান হাবীব মুলত একজন কার্টুনিস্ট। মাঝে মধ্যে........ তার ভাষ্যমতে বড় বড় কার্টুনের সংলাপ লিখেন, তিনি মনে করেন সেগুলেই তার নিজস্ব রম্য। ‘কাটুন’টা কল্পনা করে নিতে হবে এই আর কি! তবে বলাই বাহুল্য তিনি ইতোমধ্যে ‘রম্য লেখক’ হিসেবে সূধীজনের সৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমথ্য হয়েছেন। এই গ্রন্থে সেই রকম কিছু রম্য গ্রন্থভূক্ত হয়েছে। যা তিনি বিগত সময়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লিভেছেন। আমার সব বইয়ের ভূমিকাই গতানুগতিক, নতুন কিছু নেই। তাই নতুন করে খেলারও কিছু নেই। তারপরও ভূমিকা বলে কথা। তবে ‘ভূমিকা’না লিখে ‘মুখবন্ধ’ লিখলে বোধহয় মুখ বন্ধ হয়তো...... অর্থাৎ কিছু লিকতে হতো না। সে যাইহোক যথারীতি কিছু সিচ্যুয়েশনাল কমেডি করার চেষ্টা করেছি আমার লেখায়। পাঠকরা প্রিজ পড়ে ‘ভাল লাগানোর’ চেষ্টা করুন। আহসান হাবীব উন্মাদ কার্য্যালয়, মিরপুর, ঢাকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc066',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নৈব নৈব চ',\n", " 'seo_url': 'নৈব-নৈব-চ',\n", " 'description': 'ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ এই লেখা শুরু ‘নৈব নৈব চ’! মানে আগের গুলোর ধারাবাহিকতা ধরে ঐ আগের মতই আরকি!তিনি যেমনটা লেখেন কখনো সিচ্যুয়েশনাল কমেডি, কখনো বা শ্রেফ জোকসের গেটিস দিয়ে ইলাসটিকের মত টেনে লম্বা করা , কখনো বা অতি সাম্প্রতিক ঘটনার ‘কমেডি বিশ্লেষন।’ তারপরও মনে হয় লেখা গুলোর মধ্যে মজা আছে। মজারু সাহিত্য আরকি! আকারে ছোট বইট সেন্সে গভিরতা কুয়োর মত টল টল করে কালো জল!!! ভূমিকা ‘নৈব নৈব চ’ বাক্যটির অর্থ আমি যেটা বুঝি সেটা হচ্ছে ‘ঐটাই--- ’ বা ‘ঐ আর কি আগের জিনিষই।’ আর আমার লেখা আর নতুন কি হবে ঐ....... ওল্ড ওয়াইন নিউ বোটন (উইথ টু গ্লাসেস?) সে যাই হোক লেখাগুলো বেশির ভাগই বিচিত্রায় ছাপা হয়েছিল। বিচিত্রা বন্ধ হয়ে গেল হঠাৎ! বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত বাকি লেখাগুলো নিয়ে এই বই। পাঠকের ভাল না লাগলেও কষ্ট লাগার কারণ এ জাতীয় লেকা হয়ত আমার আর লেখা হবে না। আহসান হাবীব পল্লবী, ঢাকা'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc06a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'দশজন',\n", " 'seo_url': 'দশজন',\n", " 'description': 'সূচি পত্র * ইরিকা * একি কাণ্ড * আমার ছেলেবেলা * এবং হিমু * অনিল বাগচির একদিন * বহুব্রীহি * আমাদের সাদা বাড়ি * নবনী * বাঘবন্দি মিসির আলী * কালো যাদুকর'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc076',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'মেঘ জড়ানো দিন',\n", " 'seo_url': 'মেঘ-জড়ানো-দিন',\n", " 'description': 'পৃ্ষ্ঠা নং ৮০ ৭২ ৬৪ (৪৮ বই) = ২৬৪'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc078',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক',\n", " 'seo_url': 'নাম-প্রকাশে-অনিচ্ছুক',\n", " 'description': 'পৃ্ষ্ঠা নং ৭২ ৭২ ৮০ (৪৮ বই) = ২৭২'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc07a',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'উপহার, তোমার জন্য',\n", " 'seo_url': 'উপহার-তোমার-জন্য',\n", " 'description': 'মোট পৃষ্ঠা ৭২, ৭২ , ৮০, (৪৮ বই) = ২৭২'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc0a2',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'আবু ইদরিস যখন লেখক হতে চাইলেন',\n", " 'seo_url': 'আবু-ইদরিস-যখন-লেখক-হতে-চাইলেন',\n", " 'description': 'অনেক সময় দেখা যায় গল্প লিখতে লিখতে উপন্যাস লেখা হয়ে যায় । আবার কখনাে কখনাে উপন্যাস লিখতে গিয়ে থেমে যেতে হয়। এক পর্যায়ে মনে হয় আর এগােনাে ঠিক হবে না । থাক না, পাঠকের জন্য কিছু ভাবনার জায়গা ।। ‘আবু ইদ্রিস যখন লেখক হতে চাইলেন তেমন-ই একটি বই। বইয়ে গল্প আছে দশটি । দশ ধরণের গল্প ।। দশ ধরণের অভিজ্ঞতা। পাঠ পরবর্তী অভিজ্ঞতা খারাপ হবে না আশাকরি ।'},\n", " {'product_id': '5a82dedff198d8fc483cc0ae',\n", " 'lang_code': 'bn',\n", " 'name': 'বিবাহার্থী',\n", " 'seo_url': 'বিবাহার্থী',\n", " 'description': 'আমাদের সমাজ-সংসারের মূল্যবোধ মূলত ধর্মীয় সংস্কৃতির ভিত্তির উপরে দাঁড়ানো। প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাস এবং আচার-আচরণই আমাদের জীবন-যাত্রার সামাজিক মান নিয়ন্ত্রক। ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে গিয়ে উদারনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিবেচনা করলে ধর্ম প্রকৃতপক্ষে কতটা নারী স্বাধীনতা দিয়েছে সেটি একটি বিতর্কিত বিষয়। ধর্মবাদীরা বলেন, ধর্ম নারী স্বাধীনতা দিয়েছে, উদারনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষেরা যৌক্তিভাবে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন, ধর্ম প্রকৃতপক্ষে নারী স্বাধীনতা দেয়নি বরং স্থায়ীভাবে নারীকে শৃঙ্খলিত করেছে। বিয়ে ব্যবস্থাপনা প্রচলনের যে ইতিহাস জানা গেছে তাতে দেখা যায়, এ ব্যবস্থাপনার মূল নিয়ন্ত্রকও প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি। হাল আমলে বিয়ে ব্যবস্থাপনার সামান্য কিছু বিষয় আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রীত হলেও এখনও এর সিংহ ভাগই নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে প্রচলিত ধর্মীয় সংস্কৃতি। অতীত কাল থেকে শুরু করে বর্তমান কাল পর্যন্ত প্রচলিত-ধর্ম নিয়ন্ত্রীত এই বিবাহ ব্যবস্থাপনা প্রকৃতপক্ষে কতটুকু নারী অধিকার সংরক্ষণ করতে পেরেছে সেটিও একটি বিতর্কিত বিষয়। এখানেও ধর্মবাদী ও উদারবাদীদের যুক্তির মধ্যে বিস্তর ফারাক। বিবাহার্থী উপন্যাসটি মূলত একটি প্রবন্ধ-উপন্যাস। সমাজে বসবাসরত বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষের বিবাহ-ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আসলে কতটুকু নারী অধিকার সংরক্ষিত হচ্ছে, বাস্তবতার নিরিখে সেটি তুলে ধরাই উপন্যাসটির মূল উপজীব্য। উপন্যাসটি পাঠকপ্রিয়তা পেলে তা সমাজের অনেক প্রচলিত সংস্কার দূরীকরণে সহায়ক হবে বলেই আমি মনে করি।'},\n", " ...]" ] }, "execution_count": 22, "metadata": {}, "output_type": "execute_result" } ], "source": [ "books" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 23, "id": "050a2b5c", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "# =========================================================\n", "# 3. CREATE SEARCHABLE TEXT\n", "# =========================================================\n", "\n", "def book_to_text(book):\n", "\n", " return (\n", " f\"Title: {book['name']}\\n\"\n", " f\"Tags: {book['seo_url']}\\n\"\n", " f\"Description: {book['description']}\\n\"\n", " )\n", "\n", "\n", "documents = [\n", " book_to_text(book)\n", " for book in books\n", "]" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 24, "id": "624f4bf5", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "# =========================================================\n", "# CREATE BM25 INDEX\n", "# =========================================================\n", "\n", "tokenized_documents = [\n", " doc.lower().split()\n", " for doc in documents\n", "]\n", "\n", "bm25 = BM25Okapi(tokenized_documents)" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 25, "id": "6595bfd4", "metadata": {}, "outputs": [ { "name": "stdout", "output_type": "stream", "text": [ "Embedding shape:\n", "(19371, 1024)\n" ] } ], "source": [ "# =========================================================\n", "# 4. CREATE DOCUMENT EMBEDDINGS\n", "# =========================================================\n", "\n", "doc_embeddings = model.encode(\n", " documents,\n", " prompt_name=\"passage\",\n", " normalize_embeddings=True,\n", " convert_to_numpy=True\n", ")\n", "\n", "print(\"Embedding shape:\")\n", "print(doc_embeddings.shape)" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 26, "id": "3d806639", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "# =========================================================\n", "# 5. CONNECT TO QDRANT\n", "# =========================================================\n", "\n", "client = QdrantClient(\n", " path=\"./qdrant_data\"\n", ")" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 27, "id": "9cb7c386", "metadata": {}, "outputs": [ { "name": "stderr", "output_type": "stream", "text": [ "/tmp/ipykernel_99027/3063605398.py:7: DeprecationWarning: `recreate_collection` method is deprecated and will be removed in the future. Use `collection_exists` to check collection existence and `create_collection` instead.\n", " client.recreate_collection(\n" ] }, { "data": { "text/plain": [ "True" ] }, "execution_count": 27, "metadata": {}, "output_type": "execute_result" } ], "source": [ "# =========================================================\n", "# 6. CREATE COLLECTION\n", "# =========================================================\n", "\n", "collection_name = \"books\"\n", "\n", "client.recreate_collection(\n", " collection_name=collection_name,\n", "\n", " vectors_config=VectorParams(\n", " size=doc_embeddings.shape[1],\n", " distance=Distance.COSINE\n", " )\n", ")" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 28, "id": "cdd86901", "metadata": {}, "outputs": [ { "name": "stdout", "output_type": "stream", "text": [ "Books inserted successfully.\n" ] } ], "source": [ "# =========================================================\n", "# 7. INSERT VECTORS\n", "# =========================================================\n", "\n", "points = []\n", "\n", "for book, embedding in zip(\n", " books,\n", " doc_embeddings\n", "):\n", "\n", " points.append(\n", " PointStruct(\n", " id=str(uuid4()),\n", "\n", " vector=embedding.tolist(),\n", "\n", " payload={\n", " \"book_id\": book[\"product_id\"],\n", " \"title\": book[\"name\"],\n", " \"tags\": book[\"seo_url\"],\n", " \"description\": book[\"description\"],\n", " }\n", " )\n", " )\n", "\n", "\n", "client.upsert(\n", " collection_name=collection_name,\n", " points=points\n", ")\n", "\n", "\n", "print(\"Books inserted successfully.\")" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 39, "id": "3a09e201", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "# =========================================================\n", "# 8. SEARCH\n", "# =========================================================\n", "\n", "def search_books(query, top_k=5):\n", "\n", " # =====================================================\n", " # A. BM25 SEARCH\n", " # =====================================================\n", "\n", " tokenized_query = query.lower().split()\n", "\n", " bm25_scores = bm25.get_scores(tokenized_query)\n", "\n", " bm25_ranked_indices = np.argsort(\n", " bm25_scores\n", " )[::-1][:50]\n", "\n", "\n", " # =====================================================\n", " # B. DENSE VECTOR SEARCH\n", " # =====================================================\n", "\n", " query_embedding = model.encode(\n", " query,\n", " prompt_name=\"query\",\n", " normalize_embeddings=True,\n", " convert_to_numpy=True\n", " )\n", "\n", " dense_results = client.query_points(\n", " collection_name=collection_name,\n", " query=query_embedding.tolist(),\n", " limit=50,\n", " with_payload=True\n", " ).points\n", "\n", "\n", " # =====================================================\n", " # C. RRF FUSION\n", " # =====================================================\n", "\n", " rrf_scores = {}\n", "\n", " RRF_K = 60\n", "\n", " # BM25 ranking\n", " for rank, idx in enumerate(\n", " bm25_ranked_indices,\n", " start=1\n", " ):\n", "\n", " book_id = books[idx][\"product_id\"]\n", "\n", " rrf_scores[book_id] = (\n", " rrf_scores.get(book_id, 0)\n", " + 1 / (RRF_K + rank)\n", " )\n", "\n", "\n", " # Dense ranking\n", " for rank, result in enumerate(\n", " dense_results,\n", " start=1\n", " ):\n", "\n", " book_id = result.payload[\"book_id\"]\n", "\n", " rrf_scores[book_id] = (\n", " rrf_scores.get(book_id, 0)\n", " + 1 / (RRF_K + rank)\n", " )\n", "\n", "\n", " # =====================================================\n", " # D. SORT BY RRF SCORE\n", " # =====================================================\n", "\n", " ranked_book_ids = sorted(\n", " rrf_scores,\n", " key=rrf_scores.get,\n", " reverse=True\n", " )\n", "\n", "\n", " # =====================================================\n", " # E. RETURN BOOK DATA\n", " # =====================================================\n", "\n", " results = []\n", "\n", " for book_id in ranked_book_ids[:top_k]:\n", "\n", " book = next(\n", " book\n", " for book in books\n", " if book[\"product_id\"] == book_id\n", " )\n", "\n", " results.append({\n", " \"book_id\": book_id,\n", " \"title\": book[\"name\"],\n", " \"description\": book[\"description\"],\n", " \"rrf_score\": rrf_scores[book_id]\n", " })\n", "\n", " return results" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 43, "id": "4a366956", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "# =========================================================\n", "# 9. TEST SEARCH\n", "# =========================================================\n", "\n", "query = \"পারিবারিক সম্পর্কের উপন্যাস\"\n", "\n", "results = search_books(\n", " query,\n", " top_k=20\n", ")\n" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 44, "id": "5195e3cc", "metadata": {}, "outputs": [ { "name": "stdout", "output_type": "stream", "text": [ "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 1\n", "RRF Score: 0.03028233151183971\n", "Book ID: 61822c700654ae3f63dbc95b\n", "Title: পারিবারিক সম্পর্কের বুনন (পেপারব্যাক)\n", "Description: পারিবারিক জীবনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আরবের প্রখ্যাত চিন্তাবিদ প্রফেসর ড. আব্দুল কারিম বাক্কার রচনা করেছেন একের পর এক চমৎকার গ্রন্থ। আরব বিশ্বের জনপ্রিয় এ বইগুলো ‘আদর্শ পরিবার সিরিজ’ নামে বাঙালি পাঠকদের জন্য সহজ, সুন্দর, সাবলীল ভাষায় ।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 2\n", "RRF Score: 0.022510822510822513\n", "Book ID: 623974b62acc933cfed99e89\n", "Title: ফ্যামিলি লাইফ (হার্ডকভার)\n", "Description: পিতা-মাতা , ভাই-বোন , আত্মীয়-স্বজন অত্যন্ত কাছের প্রিয় মানুষগুলোকে নিয়েই আমাদের ফ্যামিলি লাইফ অর্থাৎ , পরিবারিক জীবন। বিশ্বজুড়ে পারিবারিক অশান্তি এবং নানাবিধ সমস্যায় বিপর্যস্ত মানুষের জীবন। তাহলে এর সমাধান কী? জীবনকে কীভাবে অনাবিল সুখ এবং শান্তিতে সমৃদ্ধ করা যায়? আমাদের পারিবারিক জীবনকে কিভাবে পারস্পরিক ভালোবাসা এবং পবিত্রতার শীতল পরশে পুনর্গঠন করা যায় তার কিছু অপূর্ব ও কার্যকরী সমাধান দেওয়া হয়েছে বইটিতে।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 3\n", "RRF Score: 0.01639344262295082\n", "Book ID: 668a5afc5cf1822194c8f12e\n", "Title: জীবনবিলাস (হার্ডকভার)\n", "Description: উপন্যাসটি আমাদের সমাজের প্রতিটি মানুষের জীবনেরই গল্প। জীবনপাঠে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় পিতৃ-মাতৃহীন সন্তান হয়ে জন্ম নেয়া। উপন্যাসের তেমনি এক চরিত্র রিমি। যার বেদনাদায়ক অধ্যায়কে সুখপাঠ্য করে তোলে দাদী, ফুপি ও অন্য স্বজনরা। মা-বাবার স্নেহ-ছায়ার পরশ হয়ে আগলে রাখে দাদী। কিশোরী বয়সে মনের অজান্তে সম্পর্ক গড়ায় সৌরভের সাথে। পরিবারের সবাই রাজি না হলেও, দাদীর মধ্যস্থতায় তাদের সম্পর্ক বন্ধনে পরিণত হয়। এক সময় ভালো চাকরি হয়, কন্যা আসে ঘরে। তার ভেতরই নেমে আসে তাদের সংসারে বিশ্বাস আর ভরসার ঘাটতি, মান-অভিমান। ঠিক তখনি উপন্যাসের মোড় ঘুরে যায়। বাড়তে থাকে কাহিনির চিত্রপট। সৌরভের শহরে বন্ধুদের গ্রামে বেড়ানোর মাধ্যমে পুরো গ্রামব্যবস্থার বর্তমান অবস্থাকে তুলে ধরা হয়েছে। দোকানে, বাড়িতে, ধানের চাতালে ওয়াইফাই কানেকশন, ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার মাধ্যমে অনেক অশিক্ষিত মানুষ কনটেন্ট তৈরি করে অর্থ আয়। সেসময়কার জনজীবন চলাচল, আবহমান বাংলা সংস্কৃতির সাথে বর্তমান সময়ের ঘটনা প্রবাহকে দাদীর গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন। প্রেম, বিরহ, গ্রামীণ জীবন, পারিবারিক বন্ধন, সামজিক জীবনব্যবস্থা, মিলন, বিচ্ছেদ, প্রেরণা, উপহাস, সব মিলিয়েই এই জীবনবিলাস!\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 4\n", "RRF Score: 0.016129032258064516\n", "Book ID: 67fa43495263e8096815c0e9\n", "Title: শালিক পাখির অভিমান (হার্ডকভার)\n", "Description: জীবন এক জটিল, অথচ মোহনীয় কাব্য- যেখানে টানাপোড়েন, প্রেম-বিরহ, একাকিত্ব আর মিলনের আনন্দ এক সুতোয় গাঁথা। তাহমিনা শিল্পী’র গল্পগন্থ ‘শালিক পাখির অভিমান’ সেই জীবনেরই এক অনন্য প্রতিচ্ছবি। ১৩টি ভিন্ন স্বাদের গল্পে ফুটে উঠেছে বাস্তবতা এবং কল্পনার স্বপ্নময় ছোঁয়া। বর্তমান সময়ে পারিবারিক সম্পর্কের অবক্ষয়, সম্পর্কের জটিলতা ও ডিভোর্সের ক্রমবর্ধমান হার আমাদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তোলে। ‘শালিক পাখির অভিমান’ সেই সম্পর্কগুলোর দিকেই আলোকপাত করেছে। প্রতিটি গল্পে সম্পর্কের জটিলতা, ভুল বোঝাবুঝি আর মানসিক দূরত্বের পাশাপাশি ঘরের উষ্ণতা, সংসারের ইতিবাচক দিক এবং ভালোবাসার শক্তিকে তুলে ধরা হয়েছে। আধুনিকতার ছোঁয়ার পাশাপাশি বিগত সময়ের আবেগময় উপসঙ্গগুলো নতুনরূপে প্রকাশিত হয়েছে, যা অতীতের সঙ্গে বর্তমানকে জুড়ে দেয়। এই বই শুধু কিছু গল্প নয়, এটি জীবনের রঙিন ক্যানভাসে বোনা আবেগ, অনুভূতি আর সম্পর্কের মেলবন্ধন। পাঠক এখানে খুঁজে পাবেন নিজের জীবনেরই এক প্রতিচ্ছবি।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 5\n", "RRF Score: 0.016129032258064516\n", "Book ID: 668d1d195cf1822194c8f369\n", "Title: পোস্টমর্টেম (হার্ডকভার)\n", "Description: মাসুদ চাকলা রচিত ত্রিভুজ প্রেমের উপন্যাস পোস্টমর্টেম। অমর একুশে বইমেলায় দারুণ সাড়া জাগিয়েছে। থ্রিলার ও রোমান্সকর এই উপন্যাসের দুটি চরিত্রে দুইজন নারী ও একজন স্বপ্নবাজ লেখকের দারুণ সখ্যতা গড়ে তুলতে চেষ্টা করেছেন বিয়ের চরিত্র নির্মাণে। সব শ্রেণির পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্য ও ভালোলাগার মতো উপন্যাস পোস্টমর্টেম।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 6\n", "RRF Score: 0.015873015873015872\n", "Book ID: 5e228965d0e8ad2ee0b84066\n", "Title: অবসান (হার্ডকভার)\n", "Description: ভালোবাসার ধর্মে, ভালোবাসা হারানোই নাকি ভালোবাসার সুখ। জীবনের সকল প্রতিকূলতায় হাজারো স্বপ্নে মোড়ানো আশাটাকে বিসর্জন দিয়ে অর্জন করে নিতে হয় সেই সুখ। নিরবে সহ্য করা নিষ্ঠুর আচরণটার চরম প্রতিবাদ আর লুকিয়ে থাকা কাগজের বুককে ক্ষত করে কলমের আঁচড়ে লিখে যাওয়া ভালোবাসার সেই গল্পগুলো, অনেক সময়ই হেরে যায় পরিবার নামক পাথুরে তৈরি কঠিন প্রাচীরের আঘাতে। ধনী-দরিদ্রের পারিবারিক বৈষম্য সেই প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে। কালের বিবর্তনে আজও আমাদের সমাজ দর্পণে সেই ভেদাভেদ বিদ্যমান। এর পরেও সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে কিছু কিছু তরুণ-তরুণীর মাঝে গড়ে ওঠে একটা বিশেষ সম্পর্ক। অনুভূতির ভাষায় বোধ হয় একেই বলে প্রেম বা ভালোবাসার সম্পর্ক। কিছু কিছু ধনী পিতামাতা তাদের সমস্ত মান সম্মান ও পারিবারিক ঐতিহ্য বিসর্জন দিয়ে সন্তানদের এমন সম্পর্ক মেনে নিলেও কিছু কিছু পিতামাতা তা মেনে নিতে পারেন না কখনোই। ফলে সেসব তরুণ-তরুণীর জীবনে নেমে আসে করুণ পরিণতি। অবশেষে তাদের সেই সম্পর্কের সমাপ্তির সাথে সাথে অনেক সময় ইতি ঘটে তাদের মূল্যবান জীবনেরও। এমন একটি সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং শুন্যে মিলিয়ে যাওয়া অনুভূতির গল্প নিয়ে লেখা উপন্যাসগ্রন্থ “অবসান”।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 7\n", "RRF Score: 0.015873015873015872\n", "Book ID: 64c62b1dc038116e78f0079f\n", "Title: আদর্শ দ্বীনী পরিবার : আদব ও শিষ্টাচার (হার্ডকভার)\n", "Description: বিবাহপূর্ব জীবন, বিবাহপরবর্তী জীবন, সন্তান প্রতিপালন, মেহমানদের ইকরাম ও আপ্যায়ন, আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ-খবর, সামাজিক আচার-আচরণ, দুআ ও মুনাজাত এবং পারিবারিক জীবনের খুঁটিনাটি অনেক বিষয়ের গভীর বোধ, উপলব্ধি ও শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। কাজেই নব বিবাহিত এবং বিবাহযোগ্য বালেগা প্রত্যেক নারীর জন্য বইটি অত্যন্ত উপকারী হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 8\n", "RRF Score: 0.015625\n", "Book ID: 61f7bcc75a85360afdee3ece\n", "Title: জীবনের অষ্টব্যঞ্জন (হার্ডকভার)\n", "Description: একটি গল্পের পরিসর ছোটো হয় বলে তার শুরুতে চমক না থাকলেও পাঠক অনেক সময় পড়তে থাকেন এই ভেবে যে, এই সামান্য লেখা পড়েই দেখি কী আছে। কিন্তু একটি আস্ত উপন্যাস পড়তে শুরু করতে পাঠককে এটা ভাবতে হয়, এটি শেষ করতে পারব তো? 'জীবনের অষ্টব্যঞ্জন', বেশ ভাবগাম্ভীর্য ও খটমটে নামের উপন্যাসটির প্রথম লাইনটি পড়েই প্যারাটুকু শেষ করার তীব্র ইচ্ছা অনুভব করবেন পাঠক। এবং স্বাভাবিকভাবেই পুরোটা উপন্যাসই শেষও করতে হবে। পিতৃ-মাতৃহীন দুই ভাইয়ের সংসার, সন্তান, এদের পারষ্পরিক সম্পর্ক, সম্পর্কের টক-মিষ্টি-তেতো সফরের উত্থান পতন নিয়েই উপন্যাসটির পথ চলা। এরই মধ্যে একটি ব্যাপার পুরো উপন্যাসেই উঠে এসেছে। তা হলো, পারিবারিক শিক্ষার গুরুত্ব, বিশেষ করে সন্তানের জীবন চলার পথে মায়ের আচার-বিচারের অবদান। কিন্তু উপন্যাসটিকে শিক্ষামূলক উপন্যাস ভেবে নিয়ে পাশে সরিয়ে রাখার অবকাশ একদমই নেই। কাহিনির বর্ণনাই এমন ঘটনাবহুল যে এটি পড়া শুরু করলে শেষ করার একটা তীব্র ইচ্ছা হবেই। 'জীবনের অষ্টব্যঞ্জন' উপন্যাসের লেখক জুবাইদা পারভীন লিপির সার্থকতা এখানেই যে, তিনি তার উপন্যাসটির সেই শুরুর চমক দেখিয়ে পাঠককে শেষ পর্যন্ত আটকে রাখতে পেরেছেন। উপন্যাসটির নামকরণও অক্ষরে অক্ষরে সর্বৈব সার্থক। আমি 'জীবনের অষ্টব্যঞ্জন' এর সাফল্য কামনা করি। - ফৌজিয়া খান তামান্না\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 9\n", "RRF Score: 0.015625\n", "Book ID: 66334685324e8f65a10f6454\n", "Title: লাল প্রাইভেট কার (হার্ডকভার)\n", "Description: বিভিন্ন রস ও রঙের ১৬টি গল্প নিয়ে সাজানো বই 'লাল প্রাইভেট কার'। এর সবকটা গল্পই মনুষ্যজীবনের নানা ডাইমেনশন ও চরিত্র নিয়ে লেখা। ফলে গল্পের বাঁকে বাঁকে দেখা মেলে ভালো-মন্দ, আনন্দ-বিষণ্ণতা, সত্য-মিথ্যা, কৃতজ্ঞতা-কৃতঘ্নতা, উল্লাস-হাহাকার এসব নানা অনুষঙ্গের। এছাড়াও খুব সহজ ভাষায় বলে ফেলা গল্পগুলোর কোনোটিতে উঠে এসেছে একান্নবর্তী পরিবারে বসবাসের স্বর্গীয় সুখ, গ্রামীণ নৈসর্গিক রূপ কিংবা নাগরিক জীবনের হাজারো বিড়ম্বনা। রয়েছে চিরকালীন প্রেম-অপ্রেমের কথা, বিরহ-বেদনার কথা। কোনো কোনো গল্পে রয়েছে নিছক হাস্যরস, কোথাও অবধারিতভাবে চলে এসেছে আদিম ও অকৃত্রিম কামনা-বাসনার কথাও।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 10\n", "RRF Score: 0.015384615384615385\n", "Book ID: 622338d21d75703029cbbbb9\n", "Title: জনৈক বিনিয়োগকারীর আত্মহত্যা প্রসঙ্গে (হার্ডকভার)\n", "Description: জনৈক বিনিয়োগকারীর আত্মহত্যা প্রসঙ্গে-এর গল্পগুলো ধারণ করছে একুশ শতকের প্রথম দুই দশকের সমাজ, জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা। এমন সময়ের কাহিনি গল্পগুলোতে তুলে ধরা হয়েছে, যখন প্রযুক্তির কল্যাণে বদলে যাচ্ছে এই দেশের মানুষ, বিশেষত তরুণসমাজ, একই সঙ্গে জনজীবন ও সমাজব্যবস্থা। কোনো গল্পে প্রাধান্য পেয়েছে প্রেম, কোনোটিতে বিরহ। কখনো শেয়ারবাজার, মাদক, অপরাধ, খুন, ধর্ষণ, আত্মহত্যা, পরকীয়া, যৌনতা। কোথাও জঙ্গিবাদ ও ধর্মান্ধতা। করোনাকালীন পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে কোথাও। এসেছে পারিবারিক জটিলতা ও অসংগতি, যার অনুষঙ্গ পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি, বিবাহবিচ্ছেদ, মনোদৈহিক বিকলাঙ্গতা।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 11\n", "RRF Score: 0.015384615384615385\n", "Book ID: 5a82e440fd40495a4e029974\n", "Title: ফাজিল\n", "Description: ফ্ল্যাপের কিছু কথাঃ ফাজিল হাস্যরসাত্মক একটি কাহিনী।সংবাদপত্র অফিসে, পৃথিবীর সর্বত্র, রিপোর্টার আর সাব-এডিটরদের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব কাজ কাজে।তাদের সম্পর্ক হয় অম্ল-মধুর।ফাজিল উপন্যাসিকায় সাপ্তাহিক পর্যবেক্ষণ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক মাসুদ রহমান আর রিপোর্টার বাবু পরস্পরকে কীভাবে জব্দ করা যায়, তক্কে তক্কে থাকে সারাক্ষণ। বাবু প্রায়ই জব্দ মাসুদকে। রসিকতা করেই একদিন ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে মাসুদকে ডেকে পাঠায় এক সুন্দরী মডেলের বাড়িতে।জন্ম নেয় নানা হাসির ঘটনা। কিন্তু এই বইয়ে আরো দুটি আখ্যায়িকা রইল, কণ্ঠস্বর ও পিতা নামে। দুটোই আবেগময় চোখ-ভেজারো গল্প। একটায় এক সন্তান-হারানো মায়ের সন্তানকে ফিরে পাওয়ার গল্প।আরেকটায় আছে এক নিঃসঙ্গ পিতার সন্তানদের কাছে পাওয়ার আকুতি।সব মিলিয়ে দুই মলাটের মধ্যে পাওয়া যাবে হাসি-কান্না ও মিলন-বিরহের বিচিত্র স্বাদ।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 12\n", "RRF Score: 0.015151515151515152\n", "Book ID: 5d4561cc24067221031b7502\n", "Title: আদর্শ পরিবার গঠনে ৪০টি উপদেশ (পেপারব্যাক)\n", "Description: \"আদর্শ পরিবার গঠনে ৪০টি উপদেশ\" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: পাশ্চাত্যের দেশগুলােতে পারিবারিক সম্পর্কের বেশ অবনতি ঘটছে। তুচ্ছ কারণেই সেসব দেশে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটে। দীর্ঘ সময় সন্তানরা একই ছাদের নিচে মা-বাবার সঙ্গে বসবাসের সুযােগ পায় না। বৃদ্ধাবস্থায় অনেক মা-বাবাকে থাকতে হয় বৃদ্ধাশ্রমে। মােটকথা তাদের পারিবারিক বন্ধন দীর্ঘ দিন অটুট থাকে না। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের মুসলিম সমাজেও পাশ্চাত্যের অনুকরণের ফলে এসব ব্যাধির অনুপ্রবেশ ঘটছে। প্রায় পরিবারে অশান্তি বিরাজ করছে। বেড়ে চলছে তালাকের হার। ছেলে মা-বাবা থেকে আলাদা হয়ে স্ত্রীর চাহিদা পূরণে নিজেকে ব্যস্ত রাখছে। বর্তমানের একেকটা ঘর যেন একেকটা গুনাহের আসর, সবাই মগ্ন নিজের খায়েশাত পূরণে কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয়। এসবের কারণ, পরিবারের সদস্যদের মাঝে দীনি শিক্ষার অভাব, পারস্পরিক সুসম্পর্কের অবনতি। আমরা যদি চাই, একটি আদর্শ সুখী পরিবার- যেখানে প্রতিটি সদস্য একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হবে। শুধু ভােগলালসা তাদের মূখ্য উদ্দেশ্য হবে না, বরং পরকালের পাথেয় অর্জনে তারা সচেষ্ট থাকবে; তাহলে আমাদের পরিবারগুলােকে এমনভাবে গঠন করতে হবে, যেন তাতে দীনি পরিবেশ জারি থাকে।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 13\n", "RRF Score: 0.015151515151515152\n", "Book ID: 5a83c12248f3aa932ccb1db8\n", "Title: আদর্শ পরিবার (পেপারব্যাক)\n", "Description: `\"আদর্শ পরিবার\" বইয়ের ভূমিকার লেখা: বইটিতে একটি পরিবারের সকল সদস্য কিভাবে রাসূল ও এর পরিবারের মত সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ পরিবার হতে পারে তার যথাযথ নমুনা পেশ করা হয়েছে। পারিবারিক জীবন সম্পর্কে আলােচনা করার পাশাপাশি ছেলে-মেয়েকে আদর্শবান করার নমুনা যথাসাধ্য পেশ করা হয়েছে। বইটি পাঠ করে মুসলমানগণ উপকৃত হ'লে আমাদের শ্রম সার্থক মনে করব।`\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 14\n", "RRF Score: 0.014925373134328358\n", "Book ID: 5e4923df5b4a662a23c40078\n", "Title: দিবা রাত্রির কাব্য (হার্ডকভার)\n", "Description: মানিক বন্দোপাধ্যায়ের সাহিত্যে আধুনিকতার প্রথম পরিস্ফুটন উন্মোচন ঘটল তাঁর প্রথম রচিত উপন্যাস ‘বিদারাত্রির কাব্য’ (১৯৩৫)। লেখক নিজে বইটি সম্পর্কে বলেছেন, ‘‘এটি গল্পও নয়, উপন্যাসও নয়, রূপককাহিনি। রূপকের এ একটি নূতন রূপ”। ‘দিবারাত্রির কাব্য’-এ এ আধুনিকতার লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে। তার অধিকাংশাই ‘প্রটাগনিস্ট’ চরিত্র হেরম্বের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। অবশ্য প্রসঙ্গত বলা চলে, সুরাসক্ত ও ধর্মচর্চার আড়ালে অস্বাভাবিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত মালতী ও তার স্বামী অনাথের মধ্যকার দাম্পত্য সম্পর্কের জটিলতা ও চূড়ান্ত মানস বিচ্ছিন্নতার মধ্যেও লেখকের আধুনিক জীবনদৃষ্টির লক্ষণ পরিষ্ফুট। হেরম্বের মননধর্মী জটিল আত্মজিজ্ঞাসা ও আত্মখ-ন প্রকাশই তার চরিত্রে আধুনিকতার আদলটিকে স্পষ্ট করেছে। হেরম্বর কোনো নিরাশ্রমী প্রেমে ইতিবাচক সাড়া দিতে অক্ষম। সেখানে সে ‘বরফের মতো শীতল’। তাই সে সুপ্রিয়ার কাছ থেকে কেবলই পালিয়ে যেতে চায়। আসলে সে এককালের এক নিঃসঙ্গ নিঃসমাজ বিচ্ছিন্ন এক বিপন্ন সত্তা। হেরম্বের একটি পারিবারিক জীবনপট ছিল, ছিল স্ত্রী ও কন্যা। স্ত্রী গলায় দড়ি দিয়েছে। তারজন্যে হেরম্বের কোনো বেদনাবোধ নেই। আর মেয়ে সম্পর্কে তার উক্তি : ‘একটা মেয়ে আছেÑ দু’বছরের। আছে বলছি এজন্য যে পনের দিন আগে ছিল দেখে এসেছি। এর মধ্যে মরে গিয়ে থাকলে নেই।’ সব মিলিয়ে জীবন সম্পর্কে এব প্রবল অর্থহীনতা, এক নিদারুণ শূন্যতা ও নিস্ফলতার বোধে আক্রান্ত উপন্যাসটির মুখ্য চরিত্র। স্বীয় জীবনের এই নিরর্থতা হেরম্বের চরিত্রকে শুধু আধুনিক লক্ষণে চিহ্নিত করেছে তাই নয়, চরিত্রটিকে আধুনিক উপন্যাসের ‘অ্যান্টিহিরো’ এর পর্যায়ভুক্ত করেছে।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 15\n", "RRF Score: 0.014925373134328358\n", "Book ID: 5a82dee2f198d8fc483ccaae\n", "Title: বিবাহ ও নৈতিকতা (পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের বই)\n", "Description: সূচিপত্র * বিবাহ ও নৈতিকতা * মাতৃতান্ত্রিক সমাজ * পিতৃতান্ত্রিক সমাজ * লিঙ্গপূজা, কৃচ্ছ্রসাধন ও পাপাচার * খ্রিষ্টীয় নীতিশাস্ত্র * রোমান্টিক প্রেম * নারীমুক্তি * যৌনতা-সম্পর্কিত জ্ঞান নিষিদ্ধকরণ * মানব জীবনে প্রেমের স্থান * বিবাহ * বেশ্যাবৃত্তি * পরীক্ষামূলক বিবাহ * এ যুগে পরিবারের অবস্থা * পরিবার ও ব্যক্তিমনস্তত্ত্ব * পরিবার ও রাষ্ট্র * বিবাহবিচ্ছেদ * জনসংখ্যা * সুপ্রজনন বিদ্যা * যৌনতা ও ব্যক্তির উন্নতি * যৌনতা ও মানুষিক মূল্যবোধ * উপসংহার\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 16\n", "RRF Score: 0.014705882352941176\n", "Book ID: 69ae7daee4e57b1073fea1c9\n", "Title: আমার বাবা কাজী মোতাহার হোসেন (হার্ডকভার)\n", "Description: বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সন্জীদা খাতুন এই বইয়ে তাঁর গুণী পিতা ড. কাজী মোতাহার হোসেনের স্মৃতিচারণ এবং প্রতিভার মূল্যায়ন করেছেন। কন্যা হিসেবে বাবাকে যেমন তিনি ঘনিষ্ঠ পারিবারিক পরিমণ্ডলে দেখেছেন, তেমনি সাহিত্য-সংস্কৃতির বৃহৎ পরিসরে তাঁর ব্যক্তিত্ব ও অবদান বিচার করেছেন। লেখকের সজীব স্মৃতিতে উদ্ভাসিত হয়েছে কাজী মোতাহার হোসেনের বহুমাত্রিক পরিচয়ের অজানা নানা প্রসঙ্গ। বাদ থাকেনি বন্ধু কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে ‘মোতিহারে’র সম্পর্কের চিত্তাকর্ষক বিবরণও। ‘শিখা গোষ্ঠী’ নামে খ্যাত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা কাজী মোতাহার হোসেনের শিক্ষা, দর্শন ও সংস্কৃতি চিন্তার বৈশিষ্ট্য আবিষ্কারের প্রয়াসও রয়েছে এ বইয়ে। এককথায় এই বই গুণী পিতার প্রতি গুণী সন্তানের শ্রদ্ধার্ঘ্য এবং বাংলাদেশের এক শীর্ষ শিক্ষাবিদ ও মনীষীর\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 17\n", "RRF Score: 0.014705882352941176\n", "Book ID: 5a83c0f7812c42652cdb1263\n", "Title: উপন্যাস সমগ্র\n", "Description: ‘উপন্যাস সমগ্র’ সূচিপত্র * বউ-ঠাকুরানীর হাট – ৯ * রাজর্ষি – ৭৩ * চোখের বালি – ১২৯ * নৌকাডুবি – ২২৭ * গোরা – ৩৪৩ * ঘরে-বাইরে – ৫৪১ * চতুরঙ্গ – ৬২৩ * যোগাযোগ – ৬৫৩ * শেষের কবিতা – ৭৪৫ * দুই-বোন – ৭৯৩ * মালঞ্চ – ৮১৫ * চার অধ্যায় – ৮৩৭ * উপন্যাস পরিচয় – ৮৬৫ পরিশিষ্ট ১ – ৮৭৬ পরিশিষ্ট ২ – ৮৭৯ পরিশিষ্ট ৩ - ৮৮০\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 18\n", "RRF Score: 0.014492753623188406\n", "Book ID: 61d29a07e2a1da57de9945ab\n", "Title: বিনি সুতার টানে (হার্ডকভার)\n", "Description: \"বিনি সুতার টানে\" বইয়ের প্রচ্ছদের লেখা এই উপন্যাসের গল্প, বিভিন্ন সম্পর্কের সূক্ষ কিন্তু মজবুত সুতা দিয়ে তৈরি টানের গল্প… যে গল্প কখনাে আপনাকে হাসাবে, কাঁদাবে, কখনাে আনবে টানটান উত্তেজনা, আবার কখনাে বুক চিড়ে বেরিয়ে আসবে করুন দীর্ঘশ্বাস... উপন্যাস পড়া আপনার শেষ হয়ে যাবে কিন্তু এর রেশ রয়ে যাবে আরাে কিছুদিন... মনে হবে, ইশ আরাে যদি পড়া যেত...! এই উপন্যাসে মােট ৩০ (ত্রিশ) টি চরিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে, এখানে প্রতিটি চরিত্রই অনন্য। প্রতিটি চরিত্র সম্পর্কে জানতে হলে পড়তে হবে জীবন ধর্মী ও রহস্যময়ী উপন্যাস ‘বিনি সুতার টানে...' আশা করি পাঠকের ভাল লাগবে এই গল্প পড়তে, এই গল্পে পাঠক নতুন করে নিজেকেই আবিষ্কার করতে পারবে সে প্রত্যাশা করছি...।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 19\n", "RRF Score: 0.014492753623188406\n", "Book ID: 5a82e345aa4811514da8c334\n", "Title: পঞ্চকন্যা\n", "Description: ১. তোমাকেঃ পঞ্চকন্যা বইটি হুমায়ূন আহমেদ এর পাঁচটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস নিয়ে সাজানো হয়েছে। প্রথম উপন্যাস টি হলো তোমাকে ।একই ধরণের বই অনেক লিখেছেন লেখক। আমি পড়েছি কয়েকটি। কিন্তু তবুও ভালো না বেসে পারা যায়না। এখানেই লেখকের মৌলিকতা, বিশেষত্ব। গল্পটি একটি একান্নবর্তী পরিবারের এক কন্যার জবানীতে পারিবারিক পরিবর্তনশীলতার কাহিনী। সব বদলে যায়। মা-বাবা, বোনের সাথে বোনের সম্পর্ক। প্রেম, কিংবা অভিমান বাসা বাঁধে মনের গহীনে অজান্তেই। অনেক সময় অনাত্মীয়ও হয়ে ওঠে আত্মীয়ের থেকে বেশি। ভালোমানুষ নানাবিধ সামাজিকতার জালে জর্জরিত হয়ে পা বাড়ায় কু-অভ্যাসে। এসব বিষয় অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় বর্ণনা করেছেন লেখক। আর কি মায়াময় লেখনী। আমার সামাজিক গল্প ভালো লাগেনা সেভাবে। কিন্তু ইদানীং লক্ষ্য করছি এই জাতীয় গল্প অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ি আমি। আমিও বদলে যাচ্ছি। কমবেশি। হাহাহা। ভালো লেগেছে সম্পূর্ণ গল্পটি, বার বার পড়ার মতো উপাদান এতে রয়েছে। ২. আমার আছে জলঃ রেল স্টিশনের নাম “সোহাগী” এই স্টেশন থেকে উপন্যাস এর শুরু। রিটায়ার্ড আইজি ওসমান সাহেব তার স্ত্রী, দুই মেয়ে নিশাত, দিলু, আর ও আছে নিশাতের শিশুকন্যা, দুই যুবক একজনের নাম জামিল অন্য জন সাব্বির। সাব্বির একজন প্রবাসী ফটোগ্রাফার। এছাড়া ও সাথে দুইজন কাজের লোক এবং তাদের সাথে যুক্ত হয়েছেন সোহাগী থানার ওসি। ওসমান সাহেব সপরিবার নীলগঞ্জ ডাকবাংলো ছুটি কাটাতে এসেছেন। এই উপন্যাসটা মুলত দিলু এবং নিশাতকে নিয়ে এরাই গল্পের প্রধান চরিত্র। নিশাত,, অসম্ভব রুপবতী একটা মেয়ে। বিয়ের কয়েক বছর পরই তার স্বামী মারা যায়।তার স্বামী ছিল কবির। আমুদে ছেলে।হৈচৈ করতো সবসময়। প্রচুর মিথ্যে কথা বলতো।নিশাতের মতে কবির এমন ছেলে যে পৃথিবীর যে-কোনো মেয়েকে বিয়ে করেই সুখী হতো।এই সব ছেলেদের সুখী হওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ।কিন্তু নিশাত সুখী হতে পারেনি। দিলু,,, দিলুর বয়স চৌদ্দ বা পনেরো। এই বয়সে চেনা মেয়েগুলিকে ও অচেনা লাগে।বড় বেশি আবেগী মেয়ে অল্পতেই তার চোখে পানি আসে। ডাকবাংলোতে আসার পর থেকেই দিলু জামিলের প্রতি অন্য এক টান অন্য রকম অনুভূতি অনুভব করতে থাকে। দিলুর মা রেহানা বেগম সেটা বুঝতে পারেন এর জন্য তিনি বিরক্ত হয়ে আছেন। এদিকে ফটোগ্রাফার সাব্বিরের নিশাতকে পছন্দ হয় এবং সে তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়। নানা ঘটনার পর জামিল এর সাথে নিশাতের সম্পর্কের কথা জানতে পারে। এখন কি করবে দিলু? জামিল বা পরিবারকে জানাবে কি তার ভালবাসার কথা। সুন্দর একটা বই যারা পড়েননি পড়ে ফেলুন তারাতারি। ৩. আকাশ জোড়া মেঘঃ এই বই শুরুতে আমার কাছে অতোটা ভাল লাগেনি। সংলাপ ভাল ছিল, কিন্তু কাহিনীর মধ্যে কোন বিশেষত্ব খুজেঁ পাচ্ছিলাম না। তবে শেষের দিকের চমক টা পুরো গল্পকে অসাধারণ করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।এমনকি অভিভূত। গল্পে ফিরোজ চরিত্রটিকে কিছুটা হিমু চরিত্রের মত মনে হয়। ফিরোজের হিমুর মত বাউন্ডুলে স্বভাব আছে, অকারণে রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করার বাতিক আছে। মানুষকে হঠাৎ হঠাৎ চমকে দিয়ে মজা দেখার প্রবণতা আছে। তবে হিমুর মধ্যে মহাপুরুষের কিছু গুণাবলী আছে যা ফিরোজের মধ্যে নেই। ফিরোজ অহরহ মিথ্যা কথা বলে। যেটা নায়কের চরিত্রের সাথে খুব বেমানান হতে পারে তবে বাস্তবসম্মত। ৪. একজন মায়াবতীঃ অসম্ভব মুগ্ধতা নিয়ে পড়ছিলাম বইটি। শেষ পর্যন্ত এই মুগ্ধতা ধরেও রেখেছিল। কিন্তু শেষে মনজুর এর সাথে কার মিল হবে এটা নিয়ে দোটানায় পড়ে গেছিলাম। আমি চাচ্ছিলাম জাহানারা কে কিন্তু মনে হল মীরার সাথেই মিল হবে। একটু ক্লিয়ার করলে কী এমন দোষ হতো। যাইহোক আমি সন্তুষ্ট। আসলে গল্পটিতে জটিল মানব মনের জটিল সব ভাবাবেগ তুলে ধরা হয়েছে । আধুনিক ধারার লোক দেখানো আর চাটুকারিতা ছাপিয়ে ভালোবাসাকে একটা নতুন মাত্রা দেওয়া হয়েছে। যে ভালোবাসা ধরা যায় না,ছোঁয়া যায় না। শুধু অন্তর দিয়ে অনুভব করতে হয়। ৫. সে ও নর্তকীঃ স্বাতী ভেবে রেখেছিল সে তার জন্মদিনে লিলিকে ব্যাপারটা বলবে। ভয়ংকর অন্যায় যে সে করেছে সে-ব্যাপারটা। লিলি আতঙ্কে শাদা হয়ে যাবে। পরপর কয়েকবার বলবে, এখন কী হবে রে। নিজের আতঙ্ক অন্যের ভেতর দেখলে নিজের আতঙ্ক খানিকটা কমে। স্বাতী খানিকটা স্বস্তি পাবে। এবং কিছুটা সাহসও পাবে। সেই সাহসটা পাবার পর স্বাতী ব্যাপারটা তার মা’কে বলতে পারবে। আশা করছি, হুমায়ূন আহমেদ এর পঞ্চকন্যা বইটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে। হুমায়ূন আহমেদ (Humayun Ahmed) এর অন্যান্য বাংলা বই ডাউনলোড করতে আমাদের সাইট ভিজিট করুন আর পঞ্চকন্যা বইটি আপনাদের কেমন লাগলো তা জানতে ভুলবেন না।\n", "\n", "-----------------------------\n", "Rank: 20\n", "RRF Score: 0.014285714285714285\n", "Book ID: 6a603bce9e223e3651636d10\n", "Title: পারিবারিক ঝগড়া ও সমাধান\n", "Description: ইট-পাথরের দেয়াল নয়, অধিকার ও কর্তব্যের সামান্য ভারসাম্যহীনতাই একটা শান্ত ঘরকে বিষাদময় করে তোলে। এমন কোনো ঘর, এমন কোনো পরিবার খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, যেখানে কখনো দু’একটি কথা কাটাকাটি হয়নি। আর সেই সামান্য কথাবার্তাই কখনো কখনো ভয়ংকর রূপ নেয়। ভেঙে যায় সংসার, ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় পরিবার, সম্পর্কের উষ্ণতা পরিণত হয় দহনজ্বালায়। এই অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো ঝগড়াগুলোর পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়? এর প্রতিকার কী? গৃহস্থালির জটিল সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধানের আলো খুঁজে পেতে পারে? মতবিরোধ ও বিরোধের এই অন্ধকারকে দূর করার উপায় কী? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার আন্তরিক প্রয়াসই এই পুস্তিকার মূল উদ্দেশ্য। কুরআন ও হাদিসের আলোকিত নির্দেশনার ভিত্তিতেই এখানে পথনির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বইয়ের পাতায় পাতায় আপনি হয়তো এমন কিছু কথা খুঁজে পাবেন, যা আপনাকে চমকে দেবে!\n" ] } ], "source": [ "# =========================================================\n", "# 10. PRINT RESULTS\n", "# =========================================================\n", "\n", "for rank, result in enumerate(results, start=1):\n", "\n", " print(\"\\n-----------------------------\")\n", "\n", " print(\"Rank:\", rank)\n", "\n", " print(\"RRF Score:\", result[\"rrf_score\"])\n", "\n", " print(\"Book ID:\", result[\"book_id\"])\n", "\n", " print(\"Title:\", result[\"title\"])\n", "\n", " print(\"Description:\", result[\"description\"])" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 18, "id": "f71e4045", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "prompt = f\"\"\"\n", "You are a Bangla Query Normalization Engine.\n", "\n", "Your task is to convert any English, Banglish (Romanized Bangla), mixed-language, or misspelled query into natural, grammatically correct Bangla.\n", "\n", "Rules:\n", "\n", "1. Convert all English and Banglish words into Bangla whenever possible.\n", "2. Correct spelling mistakes and transliteration variations.\n", "3. Preserve the original meaning exactly.\n", "4. Do NOT add, remove, infer, or expand information.\n", "5. Do NOT explain anything.\n", "6. Do NOT answer the query.\n", "7. Do NOT translate proper nouns unless there is a well-known Bangla form.\n", "8. Keep author names, book titles, publisher names, and literary terms in their commonly used Bangla forms.\n", "9. Output only the normalized Bangla query.\n", "10. If the query is already correct Bangla, return it unchanged.\n", "\n", "Examples:\n", "\n", "Input: humayun ahmed er first novel\n", "Output: হুমায়ূন আহমেদের প্রথম উপন্যাস\n", "\n", "Input: nondito noroke\n", "Output: নন্দিত নরকে\n", "\n", "Input: bangla sahitter prothom uponnash\n", "Output: বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস\n", "\n", "Input: রবীন্দ্রনাথের last novel\n", "Output: রবীন্দ্রনাথের শেষ উপন্যাস\n", "\n", "Input: misir ali series\n", "Output: মিসির আলী সিরিজ\n", "\n", "Input: hmuyn ahmed books\n", "Output: হুমায়ূন আহমেদের বই\n", "\n", "Input: বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস\n", "Output: বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস\n", "\n", "Normalize the following query and return only the normalized Bangla text:\n", "\n", "{{The Story of sorotchondro}}\n", "\"\"\"" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 19, "id": "e91893e6", "metadata": {}, "outputs": [ { "name": "stdout", "output_type": "stream", "text": [ "\"দ্য স্টোরি অফ সোরোটচন্ড্রো\"\n", "\n" ] } ], "source": [ "from ollama import chat\n", "\n", "response = chat(\n", " model='translategemma:4b',\n", " messages=[{'role': 'user', 'content': prompt}],\n", ")\n", "print(response.message.content)" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": null, "id": "260eaa5d", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [] }, { "cell_type": "code", "execution_count": null, "id": "3ba7fa03", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [] }, { "cell_type": "code", "execution_count": null, "id": "f1deb409", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [] }, { "cell_type": "code", "execution_count": null, "id": "6433b64e", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 1, "id": "f95446fa", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "import json\n", "with open(\"omicon-data/product_lang_202609061541.json\", \"r\", encoding=\"utf-8\") as f:\n", " omicon_data = json.load(f)" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 2, "id": "6e796b99", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "from bs4 import BeautifulSoup\n", "import html\n", "import re\n", "\n", "def clean_description(html_text):\n", " # HTML entities decode ( , ‘ etc.)\n", " text = html.unescape(html_text)\n", "\n", " # Remove HTML tags\n", " soup = BeautifulSoup(text, \"html.parser\")\n", " text = soup.get_text(separator=\" \")\n", "\n", " # Normalize whitespace\n", " text = re.sub(r\"\\s+\", \" \", text).strip()\n", "\n", " return text" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 3, "id": "6fad6bd3", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "new_omicon_data = []\n", "for i in omicon_data:\n", " new_omicon_data.append( {\n", " \"product_id\" : i[\"product_id\"],\n", "\t\t\"lang_code\" : i[\"lang_code\"],\n", "\t\t\"name\" : i[\"name\"],\n", "\t\t\"seo_url\" : i[\"seo_url\"],\n", "\t\t\"description\" : clean_description(i[\"description\"])\n", " })" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 5, "id": "8f5946b5", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "import json\n", "with open(\"omicon-data/cleaned_product_lang_202609061541.json\", \"w\", encoding=\"utf-8\") as f:\n", " json.dump(new_omicon_data, f, ensure_ascii=False, indent=4)" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 7, "id": "f93eb9e1", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "import re\n", "\n", "def remove_special_chars(text):\n", " # বাংলা, ইংরেজি, সংখ্যা ও whitespace রাখবে\n", " text = re.sub(r'[^ঀ-৿a-zA-Z0-9\\s]', ' ', text)\n", "\n", " # Extra spaces remove\n", " text = re.sub(r'\\s+', ' ', text).strip()\n", "\n", " return text" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 6, "id": "87f62cab", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "import json\n", "with open(\"omicon-data/cleaned_product_lang_202609061541.json\", \"r\", encoding=\"utf-8\") as f:\n", " omicon_data = json.load(f)" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 8, "id": "dcef9f31", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "new_omicon_data = []\n", "for i in omicon_data:\n", " new_omicon_data.append( {\n", " \"product_id\" : i[\"product_id\"],\n", "\t\t\"lang_code\" : i[\"lang_code\"],\n", "\t\t\"name\" : i[\"name\"],\n", "\t\t\"seo_url\" : i[\"seo_url\"],\n", "\t\t\"description\" : remove_special_chars(i[\"description\"])\n", " })" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 9, "id": "a7445e31", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "import json\n", "with open(\"omicon-data/cleaned_remove_special_chars_product_lang_202609061541.json\", \"w\", encoding=\"utf-8\") as f:\n", " json.dump(new_omicon_data, f, ensure_ascii=False, indent=4)" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 17, "id": "e4a994ba", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "import re\n", "\n", "def detect_language(text):\n", " text = str(text)\n", "\n", " bn = len(re.findall(r'[\\u0980-\\u09FF]', text))\n", " en = len(re.findall(r'[A-Za-z]', text))\n", "\n", " total = bn + en\n", "\n", " if total == 0:\n", " return \"unknown\"\n", "\n", " if bn / total >= 0.7:\n", " return \"Bangla\"\n", " elif en / total >= 0.7:\n", " return \"English\"\n", " else:\n", " return \"Mixed\"\n", "\n", "bbn = 0\n", "een = 0\n", "mixed = 0\n", "new_omicon_data = []\n", "for i in omicon_data:\n", " lang = detect_language(i[\"description\"])\n", " if lang == \"Bangla\":\n", " new_omicon_data.append(i)\n", " \n" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": 18, "id": "be66978f", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [ "import json\n", "with open(\"omicon-data/cleaned_remove_special_chars_only_bn_product_lang_202609061541.json\", \"w\", encoding=\"utf-8\") as f:\n", " json.dump(new_omicon_data, f, ensure_ascii=False, indent=4)" ] }, { "cell_type": "code", "execution_count": null, "id": "cb47f4d7", "metadata": {}, "outputs": [], "source": [] } ], "metadata": { "kernelspec": { "display_name": "embd", "language": "python", "name": "python3" }, "language_info": { "codemirror_mode": { "name": "ipython", "version": 3 }, "file_extension": ".py", "mimetype": "text/x-python", "name": "python", "nbconvert_exporter": "python", "pygments_lexer": "ipython3", "version": "3.12.14" } }, "nbformat": 4, "nbformat_minor": 5 }